রবিবার ,৩ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 712

সিলেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দাদা-নাতির মৃত্যু

সিলেটের কানাইঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাদা ও নাতির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নিজ চাউরা পূর্ব গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহতরা হলেন, চাউরা পূর্ব গ্রামের মাওলানা ফখর উদ্দিন (৭০) ও তার নাতি আরিফুল ইসলাম (৮)।
এদিকে, এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ লোকজন পল্লী বিদ্যুতের কানাইঘাট আঞ্চলিক কার্যালয় ঘেরাও করেন। খবর পেয়ে কানাইঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে ।

এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পল্লিবিদ্যুত সমিতি -২। মঙ্গলবার সরেজমিন পরিদর্শন করবে তদন্ত কমিটি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় সিলেট পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ এর ডিজিএম মুহম্মদ শাহীন রেজা ফরাজী যুগান্তরকে জানান, এ ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করছেন। প্রতিবেদন জমা দেবেন। তদন্তে কারো গাফিলতির প্রমান পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ মাস পর চালু হলো কুয়েতের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার ৩ অক্টোবর থেকে কুয়েতে চালু হলো সরকারি বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্ট সবার মাস্ক ব্যবহার, শরীরের তাপমাত্রা চেক ও শ্রেণিকক্ষে এবং বাসে যাতায়াতে সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিতসহ সরকারি সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে সরাসরি উপস্থিত শিক্ষা কার্যক্রম। ছাত্রছাত্রীদের দুই ভাগে বিভক্ত করে সপ্তাহে তিন দিন করে শিক্ষা কার্যক্রম চলবে।

এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত, পাকিস্তান, আমেরিকান স্কুলসহ বিভিন্ন দেশের প্রাইভেট স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হওয়াতে খুশি বাংলাদেশি প্রবাসী ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা।

গত বছর অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চললেও এবার সকল ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পাঠদান শুরু হয়েছে।

কুয়েত ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল স্কুলের শিক্ষিক নাসিমা সরকার বলেন, কুয়েত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে আবার শুরু হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকা চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। অচিরেই শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে এবং পড়ালেখায় মনোনিবেশ করবে- এমনটাই প্রত্যাশা বাংলাদেশি শিক্ষিকার।

বিদ্যুৎ বিল মেটাচ্ছে না তালেবান, ভয়াবহ সংকটের আশঙ্কা

বিদেশ থেকে বিদ্যুৎ রফতানি করলেও সেই বিল মেটাচ্ছে না তালেবান। বিল না দেওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো সরবরাহ বন্ধ করে দিতে যাচ্ছে। ফলে আসন্ন শীতকালে আফগানিস্তান বিদ্যুৎ সংকটের কারণে মারাত্মক পরিস্থিতিতে পড়তে যাচ্ছে বলে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ করার জন্য কোনো ন্যাশনাল পাওয়ার গ্রিড নেই। পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকেই বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়। কিন্তু তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসার পর পদত্যাগ করেছেন দেশটির সরকারি বিদ্যুৎ সংস্থার প্রধান দাউদ নুরাজি। এরপর থেকে কার্যত থেমে গেছে এই বিভাগের প্রশাসনিক কাজ। এছাড়া বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোর বকেয়াও মেটাচ্ছে না তালেবান। তাই শীতের আগেই সংস্থাগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে দাউদ নুরাজি জানান, মূলত উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান থেকে দেশের প্রয়োজনের ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ আমদানি করে আফগানিস্তান। চলতি বছর অনাবৃষ্টির কারণে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে।

সবকিছু মিলিয়ে শীতের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে চিকিৎসা সেবা ও টেলি কমিউনিকেশন সেবার মতো জরুরি পরিষেবাগুলো কার‌্যত অচল হয়ে যাবে।

গ্রাহকের টাকা আদায়ের উদ্যোগে ধীরগতি

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণার শিকার কোটির উপরে গ্রাহকের টাকা আদায়ে সরকারের নেওয়া উদ্যোগে গতি নেই। ফলে এই টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের শরণাপন্ন হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে বহুল আলোচিত ইভ্যালির ৭৪ লাখ গ্রাহকের টাকা ফেরত পেতে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। প্রতারিত গ্রাহকদের গণস্বাক্ষর নিয়ে অর্থমন্ত্রী বরাবর এ চিঠি দেন ‘ইভ্যালির ক্রেতা-বিক্রেতাবৃন্দ’ সংগঠনের সমন্বয়কারী। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থা টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে কয়েকটি মামলা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে একাধিক প্রতারককে।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে গঠিত ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণে আইন প্রণয়নকারী কমিটি আজ মঙ্গলবার প্রথম বৈঠক করবেন। কমিটি গঠনের পর কেটে গেছে ১২ দিন। কমিটির প্রধান বিদেশ থাকায় বৈঠকের আয়োজন করতে বিলম্ব হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী এ কমিটিকে দুমাসের মধ্যে আইন প্রণয়নের খসড়া তৈরি করতে হবে। জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং ই-কমার্স সেলের প্রধান মো. হাফিজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, কমিটিকে আইন প্রণয়নের জন্য দুমাস সময় দেওয়া হয়েছে। কমিটি এ নিয়ে কাজ করছে। আইন করা গেলে ই-কমার্স খাতে ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। নতুন করে এ খাতে প্রতারণার ঘটনা কম হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি ১২টি প্রতারক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অধীনে এক কোটির বেশি গ্রাহক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। টাকা খুইয়েছেন কমপক্ষে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা। এসব টাকা ফেরত পেতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই টাকা ফেরত পাওয়া যাবে কিনা সেটি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না কেউ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ে ৭ দফা সুপারিশ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত ইভ্যালির ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমন্বয়কারী। সুপারিশগুলো হচ্ছে-টাকা ফেরত পেতে ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে মুক্তি প্রদান, মনিটরিংয়ের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিয়ে রাসেলকে ব্যবসা করার সুযোগ, আগের অর্ডারকৃত পণ্য ডেলিভারিতে সময় প্রদান করা। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ই-ক্যাব পেমেন্ট গেটওয়ে মার্চেন্ট এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন, ব্যাংক গ্যারান্টিসহ ই-কমার্সের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক, সম্ভাবনাময় ই-কমার্সকে সুরক্ষা ও প্রণোদনা দেওয়া।

ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, ইভ্যালির ৭৪ লাখ গ্রাহক, ৩৫ হাজার বিক্রেতা ও ৫ হাজার স্থায়ী এবং অস্থায়ী কর্মী রয়েছে। বর্তমান ইভ্যালির সংকট উত্তরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, ই-ক্যাব, মার্চেন্ট, ভোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা যেতে পারে। সেখানে আরও বলা হয়, এই সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ হলে ৭৪ লাখ গ্রাহক পথে বসার উপক্রম হবে।

জানতে চাইলে সমন্বয়কারী মো. নাসির উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, টাকা ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থায় চিঠি দেওয়া হয়েছে। ই-ক্যাবের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আলোচনা ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে ইভ্যালিকে ব্যবসা করার সুযোগ দিলে গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা হবে।

গ্রাহকরা টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এ ব্যাপারে কোনো ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি বলে জানা গেছে। তবে ভবিষ্যতে ই-কমার্স খাতে প্রতারণা ঠেকাতে নতুন আইন প্রণয়নের যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে সেটিও অনেক ধীরগতিতে চলছে। গত ২২ সেপ্টেম্বর একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে ই-কমার্স খাতে নতুন আইন প্রণয়নের জন্য। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) এএইচএম সফিকুজ্জামানকে প্রধান করে ১৬ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। পাশাপাশি ই-কমার্স খাতে বিদ্যমান অবস্থা নিসরনে করণীয় ঠিক করতে বলা হয়েছে ওই কমিটিকে।

বিষয়টি জানতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে কমিটির প্রধানকে পাওয়া যায়নি। রাষ্ট্রীয় কাজে বিদেশ সফর শেষে সোমবার দেশে ফেরার কথা। এজন্য তিনি অফিসে উপস্থিত ছিলেন না।

কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ল

বিশেষ ব্যবস্থায় খেলাপি ঋণ নবায়নের কিস্তি পরিশোধের ক্ষেত্রে আরও ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ পরিশোধের কিস্তির সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়িয়ে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। ফলে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় নবায়ন করা ঋণের বকেয়া কিস্তি পরিশোধ হলে তাকে খেলাপি করা যাবে না। একই সঙ্গে বিশেষ ব্যবস্থায় খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা এককালীন এক্সিটের সুবিধা বহাল থাকবে।

এ বিষয়ে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই সুবিধা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিল ও এককালীন এক্সিট সুবিধা সংক্রান্ত বিশেষ নীতিমালা জারি করে। এর আওতায় খেলাপি ঋণ ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে নবায়ন করার সুযোগ দেওয়া হয়। এক বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছরে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়। ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে আগের সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করার সুযোগ দেওয়া হয়। নবায়নের পর সুদ আরোপ করতে বলা হয় তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সঙ্গে ৩ শতাংশ সুদ যোগ করে। তবে কোনো ক্রমেই সুদের হার ৯ শতাংশের বেশি হবে না। কিস্তির কোনো অংশ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আলোচ্য সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে।

করোনার কারণে ওই বিশেষ নীতিমালা বাস্তবায়ন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। ২০২০ সালের জুলাইয়ে এই নীতিমালা প্রথম শিথিল করা হয়। ঋণের কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে তা আবার বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। তৃতীয় দফায় এই নীতিমালা আবার শিথিল করে জুন পর্যন্ত করা হয়। এখন এর মেয়াদ আরও বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

আলোচ্য ছাড়ের আওতায় এখন থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় নবায়ন করা খেলাপি ঋণের কিস্তি আগামী ডিসেম্বরের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধ করলে ওইসব ঋণ আর খেলাপি করা যাবে না। একই সঙ্গে বিশেষ সুবিধাও বহাল থাকবে।

আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যেসব কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে কেবলমাত্র কিস্তিগুলোর ক্ষেত্রে নতুন ছাড় প্রযোজ্য হবে। এর ফলে বিশেষ নীতিমালার আওতায় নবায়ন ঋণ ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর অর্থ দুই বছরের জন্য কিস্তি পরিশোধের ছাড় পেল।

 

চীনের জাতীয় দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিএনপি

চীনের ৭২তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিএনপি।

সোমবার দুপুর ২টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত শুভেচ্ছা বার্তাসহ একগুচ্ছ ফুলের তোড়া ও একটি কেক বিএনপি’র মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটি’র সদস্য অ‌্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসে দিয়েছেন।

এছাড়াও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক বিভাগের সদর দপ্তর, বেইজিং এর শুভেচ্ছা বার্তাটি পাঠানো হয়েছে এবং চীনা কর্তৃপক্ষ বিএনপি’র শুভেচ্ছা বার্তাটির প্রাপ্তি স্বীকার করে ধন্যবাদ জানি‌য়ে‌ছে।

চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিন পিংকে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় বলা হয়েছে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে গত ৭২ বছরে এক বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে চীন।
বিগত দিনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দারিদ্র্য, কৃষি, খাদ্য উৎপাদন শিল্প প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিমনণ্ডলে চীন অভাবনীয় উন্নতি করেছে বলে শুভেচ্ছা বার্তায় উল্লেখ করা হয় ।

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশের সাথে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরির কথা ও স্বরণ করা হয়েছে এই শুভেচ্ছা বার্তায়।
এছাড়াও পরবর্তী সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের সময়ে চীন – বাংলাদেশ সম্পর্কের সাফল্যের ধারাবাহিকতা উল্লেখ করে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে তাদের উত্তর-উত্তর সমৃদ্ধি কামনা করা হয়েছে ।

মেয়াদোত্তীর্ণ শাখাগুলোর ব্যাপারে ছাত্রলীগকে যে নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হলসহ মেয়াদোত্তীর্ণ শাখাগুলোর সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে ছাত্রলীগ নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরে কেউ যেন শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করতে না পারে সে ব্যাপারে ছাত্রলীগকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।

সোমবার সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আন্তরিক আলাপচারিতায় এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত একাধিক ছাত্রলীগ নেতা যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী রাজনীতির পাশাপাশি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সবাই নেতা হবে না, সম্ভবও নয়। এজন্য পড়াশোনা করতে হবে। পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক ও প্রযুক্তি শিক্ষায়ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বেশি করে মনোযোগ দিতে হবে।

এ সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি সনজিদ চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহীম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক সাঈদুর রহমান হৃদয়, দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টচার্য যুগান্তরকে বলেন, আমরা নেত্রীর (শেখ হাসিনা) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাদের আগামী দিনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। নেত্রী আমাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে আমরা যেভাবে ছাত্রলীগের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি তা অব্যাহত রাখতে বলেছেন।

সূত্র জানায়, জাতিসংঘে যাওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের সাক্ষাতের তারিখ নির্ধারণ হয়েছিল। তবে সময় না মেলায় তখন তা হয়ে উঠেনি। সদ্যসমাপ্ত নিউইয়র্ক সফর ও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে সোমবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগেই ছাত্রলীগের এই নেতাদের গণভবনে ডেকে নেন। প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা ধরে সংবাদ সম্মেলনে চলে। সংবাদ সম্মেলন শেষ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তাদের সঙ্গে আলাপ করেন।

পর্যটন কেন্দ্রে বিদেশিদের জন্য ক্যাসিনোর সুপারিশ

পর্যটন এলাকাগুলোতে বিদেশিদের জন্য ক্যাসিনোসহ বিনোদন উপযোগী সুযোগ-সুবিধা রেখে স্থাপনা নির্মাণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। এতে আগামী ছয় মাসের মধ্যে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এলাকায় ৫ হাজার পর্যটকের অবস্থানের উপযোগী স্থাপনা তৈরির জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্যও বলা হয়। কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, মাহবুবউল আলম হানিফ, মির্জা আজম, মুহিবুর রহমান মানিক এবং নাহিদ ইজাহার খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বৈঠকে কক্সবাজারের পর্যটন করপোরেশনের মোটেল শৈবাল, প্রবাল ও উপলকে একত্রিত করে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করতে বলা হয়েছে। এছাড়া কুয়াকাটার পর্যটন এলাকা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে অগোছালো স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের ওপর জোর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে আধুনিক, আকর্ষণীয় এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা সংবলিত পর্যটন স্থাপনা তৈরির সুপারিশ করা হয়। পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ডেডিকেটেড ক্যাসিনোসহ তাদের বিনোদন উপযোগী ব্যবস্থা রেখে স্থাপনা নির্মাণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২৩ হাজার। এ সময় অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা ছিল এক কোটি। ২০৪০ সাল নাগাদ পাঁচ লাখ আবাসন সুবিধার সুযোগ তৈরি, ১০ মিলিয়ন বিদেশি পর্যটক আগমন এবং আট বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্য সামনে রেখে ট্যুরিজম বোর্ড একটি মহাপরিকল্পনা তৈরি করছে বলে সভাকে জানানো হয়। এ অবস্থায় সংসদীয় কমিটি পর্যটন শিল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ মিশনগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য সুপারিশ করে। এছাড়া পর্যটন শিল্প বিকাশের স্বার্থে আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থাসহ দেশি-বিদেশি ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের সহযোগিতা নেওয়ার জন্য কমিটি সুপারিশ করে।

কমিটির মতে, কক্সবাজারের তিনটি মোটেলে মোট সাড়ে ১৫ একর জমি। এগুলোর অবস্থানও একেবারেই সৈকতের কাছে। কিন্তু সেখানের মোটেল তিনটিতে সেই ধরনের সুযোগ-সুবিধা নেই। বেশিরভাগ রুম নন এসি। পর্যটকরা সেখানে থাকতে চান না। এজন্য তারা তিনটি মোটেলকে একত্রিত করে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা সংবলিত স্থাপনা তৈরির সুপারিশ করে। পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য একটি এক্সক্লুসিভ জায়গা নির্ধারণ করতেও বলেছে সংসদীয় কমিটি।

জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ বলেন, আমরাও চাই আমাদের দেশে বিদেশি পর্যটক আসুক। তারা তাদের মতো করে ওই নির্ধারিত এলাকায় ঢুকবে। সেখানে বাংলাদেশের কোনো লোক যেতে পারবে না। সারা বিশ্বে যে ধরনের সুযোগ দেওয়া হয় তাদের জন্য সেই সব সুযোগ সেখানে থাকবে। এতে করে বাংলাদেশকে মানুষ চিনতে পারবে। তিনি আরও বলেন, বৈঠক থেকে কমিটি যেসব সুপারিশ ও নির্দেশনা দিয়েছে তার অগ্রগতি নিয়ে আমরা ৬ মাস পরে আবারও বসব। ওই সময় আমরা দেখতে চাই, তারা আমাদের নির্দেশনার কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছে।

তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে আ স ম ফিরোজ বলেন, আমাদের এখানে অনেক বিদেশি ক্রেতা আসেন। কিন্তু বিদেশিদের জন্য এখানে বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। সব মুসলিম দেশের দিকে তাকালে দেখা যাবে তারা বিদেশি পর্যটকদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রেখেছে।

 

‘আজকের বাংলাদেশ সারা বিশ্বের প্রশংসার বাংলাদেশ’

আজকের বাংলাদেশ সারা বিশ্বের প্রশংসার বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

স্থানীয় সময় রোববার (০৩ অক্টোবর) রাতে সৌদি আরবের জেদ্দায় কৃষক লীগ, সৌদি আরব শাখা আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

কৃষক লীগ, সৌদি আরব শাখার সভাপতি কামরুল হাসান জুয়েলের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সিলর (লেবার) মো. আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার কাউন্সিলর (হজ) মো. জহিরুল ইসলাম ও স্থানীয় প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতারা।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। আজকের বাংলাদেশ শেখ হাসিনার স্বচ্ছ রাজনীতির বাংলাদেশ, বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা বাংলাদেশ। সারা বিশ্বের প্রশংসার বাংলাদেশ। সামাজিক সূচকে এগিয়ে যাওয়ার বাংলাদেশ। সে বাংলাদেশে প্রবাসীরা উন্নয়নের সহযোদ্ধা।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুঁড়ির বাংলাদেশ না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের বাংলাদেশ না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলা হয় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পরিশ্রমী, সৎ তিনজন প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম। সম্প্রতি জাতিসংঘে এসডিজির সাফল্যের জন্য তাকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে এবং সে অ্যাওয়ার্ডে বলা হয়েছে বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে অনেক সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। এ অ্যাওয়ার্ড আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শেখ হাসিনা ছাড়া অন্য কাউকে দেওয়া হয়নি।

প্রবাসীদের কল্যাণে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া নানা সুযোগ-সুবিধার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি সবসময় প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। প্রবাসীরা বিদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার সন্তান।

জাপানে পুরস্কার পেলেন মুন্সীগঞ্জ চারুকলা সংস্থার সাবেক প্রশিক্ষক

টোকিও মেট্রোপলিটন আর্ট মিউজিয়ামে চিত্রকলা প্রদর্শনীতে পুরস্কৃত হয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পী এবং মুন্সীগঞ্জ চারুকলা সংস্থার সাবেক প্রশিক্ষক সোলায়মান হোসাইন ওরফে সালমান।

মুন্সীগঞ্জের এ কৃতী সন্তান টোকিওতে নেপাল এম্বাসি অ্যাওয়ার্ড এবং ওশিনো মুরা মেয়র অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

টোকিওর মেট্রোপলিটন আর্ট মিউজিয়ামের ওয়েনো আর্ট গ্যালারিতে সপ্তাহব্যাপী আন্তর্জাতিক চিত্রকলা প্রদর্শনীতে তাকে ওই পদক প্রদান করা হয়।

সোলায়মান হোসাইন ওরফে সালমান নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনিস্টিউটের সাবেক শিক্ষার্থী ও মুন্সীগঞ্জ চারুকলা সংস্থার সাবেক প্রশিক্ষক ছিলেন।

রোববার প্রদর্শনীর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিনকিয়োকু আর্ট অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাপানে নিয়োজিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাহাবুদ্দিন আহমেদ, নেপাল দূতাবাসের কাউন্সিলর আমবিকা জোশি এবং জাপানের ক্ষমতাসীন জোট এলডিপির শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চেয়ারম্যান মাসাআকি আকাইকে।

ওশিনো মুরা সিটি মেয়র তাকাইকে আমানো, ওশিনোফুজি আর্টপিয়া চেয়ারম্যান নরিমতো মিউরা, শিনকিউকো আর্ট অ্যাসোসিয়েশন চেয়ারম্যান সাকামতো তাদাইচিসহ জাপান ও প্রবাসি বাংলাদেশিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া প্রদর্শনীটি আগামী ৫ অক্টোবর শেষ হবে। শিনকিয়ূকু আর্ট এসোসিয়েশন আয়োজিত এ চিত্রপ্রদর্শনীর এটি ২৭তম আয়োজন। এবারের প্রদর্শনীতে ২৭১ জন চিত্রশিল্পীর ৩৮৯টি চিত্রকর্ম জায়গা পেয়েছে।

এরমধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এবং ১০০ জন শিশুশিল্পীর চিত্রকর্ম আছে। এছাড়াও ঘানা, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নেপাল এবং স্থানীয় জাপানি চিত্রশিল্পীদের চিত্রকর্মও সেখানে জায়গা পেয়েছে।

এখানে জাপান প্রবাসি বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী মোহাম্মদ সোলায়মান হোসাইন সালমানের মাউন্ট ফুজি এবং ওশিনো হাক্কাইর ৮টি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট পুকুরের নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে আঁকা ড্রোনভিউয়ের ৯টি চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই জায়গাগুলো ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ হিসেবে স্বীকৃত।

সালমানের শিল্পকর্মের পাশাপাশি বাংলাদেশের আরও ১০ জন শিল্পীর ১০টি চিত্রকর্ম প্রদর্শন ও পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের ১০০ শিশুশিল্পীর ফুজি পাহাড়ের ওপর ভিত্তি করে অঙ্কিত চিত্রকর্ম এবং জাপানিজ শিশুদের লেখা কবিতা প্রদর্শিত হচ্ছে।

প্রদর্শনীতে শিল্পী মোহাম্মদ সোলায়মান হোসাইন সালমান নেপাল এম্বেসি অ্যাওয়ার্ড এবং ওশিনো মুরা সিটি মেয়র অ্যাওয়ার্ড জিতে নেন।

এ ছাড়া ৩ জাপানি চিত্রশিল্পী বাংলাদেশ দূতাবাস পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

শিনকিয়ুকু আর্ট এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ এবং নেপাল দূতাবাসকে দু’টি চিত্রকর্ম উপহার দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূত সাহাবুদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের পক্ষে উপহার গ্রহণ করেন।