সোমবার ,৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 686

প্রতি লিটারে যত বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও অপরিশোধিত পাম তেলের দাম বাড়ায় ফের সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটারে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৭ টাকা। আগে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১৫৩ টাকা। এখন দাম বেড়ে প্রতি লিটার হয়েছে ১৬০ টাকা।

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এ কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী ও বনস্পতি উৎপাদক সমিতি।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে তেলের এই দাম নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

এখন থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকায় বিক্রি হবে, যা এতদিন ১৫৩ টাকা ছিল। এ ছাড়া পাঁচ লিটারের এক বোতল তেল পাওয়া যাবে ৭৬০ টাকায়, যা এতদিন ৭২৮ টাকা ছিল। এছাড়া খোলা সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ১৩৬ টাকা ও বোতলজাত পাম সুপার তেল ১১৮ টাকা দরে কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

এই মূল্য অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী ও বনস্পতি উৎপাদক সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ে পুরোনো মজুতের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

এর আগে গত ২৭ মে সয়াবিন তেলের দাম এক লাফে লিটারে ৯ টাকা বাড়ানো হয়। ঈদুল ফিতরের আগে লিটার প্রতি তিন টাকা ছাড় দেওয়ায় সেবার সব মিলিয়ে দাম বাড়ে ১২ টাকা।

আ’লীগকে রাজনীতি করার লাইসেন্স দিয়েছিল বিএনপি: আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সরকার হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা সৃষ্টি করে বিশ্ববাসীকে বোঝানোর চেষ্টা করছে এই দেশ একটি সন্ত্রাসী দেশ। এদেশে বিদেশি সাহায্য দরকার। আসলেই কি তা? না।

তিনি বলেন, আমার নেত্রী যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এদেশে তিনবার রোজা এবং পূজা একসঙ্গে পালন হয়েছে।তখন তো কোনো দাঙ্গা হয়নি।একে অপরের ধর্মকে আমরা মেনে নিয়েছি। আসল কথা হলো- দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া হাসপাতালে, দুর্নীতি, লুটপাটসহ সরকারের বিভিন্ন অপকর্ম আড়াল করার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে সরকার এই সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, সামাজিক সম্প্রীতির দেশ বাংলাদেশ।আমাদের বিশ্বজুড়ে সুনাম আছে।বাংলাদেশে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলেও তারা কখনো সেটা অনুভব করেনি।আমার সঙ্গে বহু ক্লাসফ্রেন্ড ছিল যারা এখন মারা গেছেন।পূজা-পার্বন একসঙ্গে পালন করেছি। আমরা তো পূজা করতে পারি না। তবে তাদের উৎসাহ দিতাম।

তিনি বলেন, আমার এলাকায় ২৫ ভাগ হিন্দু ভোটার বসবাস করে। কেউ বলতে পারবে না যে এই এলাকায় কোনোদিন দাঙ্গা হয়েছে। যখন বাবরি মসজিদ ভাঙে আমি মির্জা আব্বাস নিজে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশে তাদের পাহারা দিয়েছি।

বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতা আরও বলেন, এই হাঙ্গামার অনেকগুলো কারণ আছে। যদি হিন্দুরা চলে যায় সেই সম্পত্তি আওয়ামী লীগের লোকেরা দখল করবে। আর যদি তারা থেকে যায়, মিথ্যাচার করে সেই ভোটটা তারা (আওয়ামী লীগ) পাবে। কিন্তু হিন্দু ভোটাররা সেটা করেন না। তা করলে হিন্দু ভাই-বোনদের ভোটে আমরা নির্বাচিত হতাম না।

তিনি বলেন, আমার নেত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এখন ক্ষমতায় থাকলে দেশে কোনো অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হতো না। পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায় পেঁয়াজ, তেল, লবণ সবকিছুর ঊর্ধ্বগতি। ভুতুড়ে পানির বিল, ভুতুড়ে গ্যাস বিল। এই সরকার বাংলাদেশে লুটপাটের একটা কারখানা খুলে বসেছে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আজকে ক্ষমতায় থাকলে এ লুটপাট বন্ধ হয়ে যেত।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে বাকশালের পেট চিরে আওয়ামী লীগের জন্ম দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার লাইসেন্স দিয়েছিল বিএনপি। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আপনাদেরকে রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছিলেন। অথচ সেই সুযোগটাকে অপব্যবহার করে আজকের দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে আপনারা কারাগারে আটকে রেখেছেন। তাকে চিকিৎসার সুযোগটাও দেওয়া হচ্ছে না।

মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়ার যদি কিছু হয়ে যায় তারা বিশ্ববাসীকে বলতে পারবে আমরা তো তার সাজা স্থগিত করে চিকিৎসার সুযোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু আমরাও বলতে পারব- আপনারা বেগম জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেননি।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এসএস জিলানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের পরিচালনায় মিলাদ মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুবদল দক্ষিণের আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভূইয়া জুয়েল প্রমুখ।

কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শিগগিরই গ্রেফতার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত চিহ্নিত হয়েছে, তাকে শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাকে আমরা শনাক্ত করেছি। সে বার বার তার অবস্থান পরিবর্তন করছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে আমরা ধরে ফেলতে পারব। কুমিল্লায় কেন সে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা আমরা জানতে পারব।

মঙ্গলবার ‘র‍্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

র‍্যাবের সব ব্যাটালিয়ন ও ক্যাম্প পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও সার্বিক ব্যবহার বিস্তৃত করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার দুপুরে র‍্যাব সদর দফতরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

যারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, উসকানি দিচ্ছেন, তাদের খুব শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে। তাদের জবাব দিতেই হবে।

মন্ত্রী বলেন, আজ পর্যন্ত কোনো পূজা মণ্ডপে কোনো কিছু ঘটেনি। কিন্তু এবার দেখছি অপ্রীতিকর কিছু ঘটনা ঘটে গেছে। কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরে কিছু উগ্র মানুষ হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি উপাসনালয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা করেছে। সেখানে পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়েছে। সেখানে ৪ জন মারা গেছেন। আজ আরেকজন মেডিকেলে মারা গেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেন এই হত্যাকাণ্ড, কেন এই মৃত্যু; কার উদ্দেশ্য সফল হওয়ার জন্য এই মৃত্যু? আমরা দেখলাম পরিতোষ নামে এক অল্প বয়সী ছেলে ফেসবুকে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দিয়েছে। সেটা কেন্দ্র করে সহিংসতা। আমাদের পুলিশ বাহিনী তার বাড়ি ঘর রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যে তার পাশের গ্রামে অগ্নি সংযোগ লুটপাট ভাঙচুর হয়েছে। আমরা এর নিন্দা জানাই।

আসাদুজ্জামান বলেন, অতীতেও ফেইসবুকে মিথ্যে প্রচারের মাধ্যমে রামু, নাসিরনগর ও ভোলায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা করা হয়েছে।

 

টেকনিশিয়ানের স্বীকৃতি চান মোবাইল ফোন মেরামতকারীরা

মোবাইল ফোন মেরামত পেশাকে স্বীকৃত টেকনিশিয়ান পেশা ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সেলফোন রিপেয়ার টেকনিশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন। একইসঙ্গে সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবিও তুলে ধরা হয়েছে সংসঠনের পক্ষ থেকে।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংগঠনের মহাসচিব হাজবুল আলম জুলিয়েট এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, দেশের বহু তরুণ-যুবক কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত হচ্ছেন। বর্তমানে কিছু আইনি জটিলতা ও কিছু বিপথগামী টেকনিশিয়ান কারিগরি শিল্পকে অপব্যবহার করে এ পেশাকে কলুষিত করছে। বিপথগামী টেকনিশিয়ানদের কারণে এ সেবামূলক পেশায় নিয়োজিত অন্যান্য টেকনিশিয়ানরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

আইএমইআই নম্বর যাচাইয়ে ডেটাবেইজ সার্ভার ওয়েবসাইট চালুর দাবি জানিয়ে হাজবুল আলম বলেন, এ ওয়েবসাইট থেকে ফোনের আইএমইআই তালিকা চেক করা যাবে। ফোন হারিয়ে গেলে জিডি কপিসহ ফোনের মালিক ওয়েবসাইটে অভিযোগ জানানোর অপশন থাকবে। এর ফলে আমাদের টেকনিশিয়ানদের কাছে সেলফোন মেরামত করাতে আনলে তা খুব সহজেই যাচাই করে বুঝতে পারব এটা চোরাই বা হারানো ফোন কিনা।

এক বছর আগে প্রতিষ্ঠিত সেলফোন রিপেয়ার টেকনিশিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের রেজিস্ট্রেশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেওয়া এবং নতুন প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়াদের ব্যবসা চালুর ক্ষেত্রে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করার দাবি
জানান সংগঠনের মহাসচিব।

অন্যদের মধ্যে সংগঠনের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান খান, সাংগঠনিক সচিব জনী চন্দ্র দাস, হাফিজুর রহমান মিলন, ওমর ফারুক, মামুন জয় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সন্তান থাকা অবস্থায় স্বামী মারা গেলে স্ত্রী কতটুকু সম্পদ পাবে?

প্রশ্ন: ছেলেমেয়ে থাকাবস্থায় স্বামী মারা গেলে স্ত্রী স্বামীর সম্পদ কতটুকু পাবে?

উত্তর: যদি স্বামী বিয়ের সময় মোহর না দিয়ে থাকেন, তা হলে প্রথমে তার রেখে যাওয়া সম্পদ থেকে মোহর আদায় করতে হবে। এ ছাড়া স্বামীর অন্যান্য ঋণ আদায়ের পর অবশিষ্ট সম্পদ ওয়ারিশদের মাঝে বণ্টন হবে।

মৃত ব্যক্তির সন্তানসন্ততি থাকলে স্ত্রী পাবেন স্বামীর সম্পদের আট ভাগের এক ভাগ। আর সন্তানাদি না থাকলে স্ত্রী পাবেন চার ভাগের এক ভাগ।

তথ্যসূত্র: সুরা নিসা থেকে কুরআনের মিরাসসংক্রান্ত আয়াতগুলোর অর্থ ও তাফসির

আগের রূপে ফিরল মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববীতে সামাজিক দূরত্বের বজায় রাখার নিয়ম তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন পরে আবারও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ আদায়ের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা।

রোববার সকাল থেকে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে আল আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে। নতুন এ নিয়ম কার্যকরের ফলে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি দুই পবিত্র মসজিদে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন।

শনিবার সৌদি আরবের মিনিস্ট্রি অব হজ অ্যান্ড উমরাহ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই নির্দেশনা দেয়।

এতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ওমরাহ যাত্রীরা বাস এবং প্রাইভেট কারের সম্পূর্ণ সিট ব্যবহার করতে পারবেন। তবে হোটেলের ক্ষেত্রে প্রতি রুমে সর্বোচ্চ ২ জনের অবস্থান বলবৎ থাকবে। আগে যাত্রীরা বাস ও গাড়ির ৫০ শতাংশ সিট ফাঁকা রেখে চলাচল করতেন।

ওমরাহ করতে যাওয়া যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত (খোলা) স্থানে মাস্ক পড়া আর বাধ্যতামূলক থাকবে না (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)। তবে বদ্ধ যায়গায় মাস্ক পড়তে হবে।

মক্কার মসজিদুল হারাম (কাবা শরিফ এলাকা) এবং মদিনার মসজিদে নববীতে ধারণক্ষমতার সম্পূর্ণ অংশে মুসল্লিরা যেতে পারবেন ও নামাজ আদায় করতে পারবেন। এখানে কর্মরত কর্মী এবং আগত ভিজিটরদের অবশ্যই সার্বক্ষণিক মাস্ক পড়তে হবে।

রোববার সকালের বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, লোকজন সারি বেঁধে নামাজ আদায় করছেন। করোনা মহামারি শুরুর পর প্রথমবার এমন দৃশ্য দেখা গেলো। গ্র্যান্ড মসজিদে সামাজিক দূরত্বের জন্য ফ্লোরে যে স্টিকার লাগানো ছিল এদিন সেগুলো তুলে ফেলতে দেখা গেছে।

ওমরাহ, নামাজ, জিয়ারতের জন্য আগের মতোই ওমরাহ কোম্পানি থেকে তাসরিয়া বা তাওক্কালনা অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। তবে টিকার সম্পূর্ণ ডোজ গ্রহণ ছাড়া কিংবা তাওয়াক্কালনায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া কেউ এসব জায়গায় যেতে পারবেন না।

কানেকটিকাটে বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী করিমের তহবিল সংগ্রহ

নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের নিউ মিলফোর্ড সিটি মেয়র নির্বাচনে ‘তহবিল সংগ্রহ’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে কানেকটিকাটের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন মোহাম্মদ করিম।

স্থানীয় সময় রোববার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নিউ মিলফোর্ডের জন পেটিবোন কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত টেড-করিমের যৌথ ‘তহবিল সংগ্রহ’ অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র প্রার্থী টেড হাইনসহ অন্যান্য প্রার্থী ও বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১৭১১ সালে গড়ে ওঠা নিউ মিলফোর্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটের লিচফিল্ড কাউন্টির একটি শহর।

টেড-করিমের যৌথ ‘তহবিল সংগ্রহ’ অনুষ্ঠানে মেয়র প্রার্থী টেড হাইন বলেন, নিউ মিলফোর্ডে দিন দিন বাংলাদেশিসহ মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ শহরের মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি বাংলাদেশিসহ মুসলমানদের জন্য কাজ করবেন। বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ করিমের দেওয়া পরামর্শেই তিনি মুসলমানদের জন্য একটি করবস্থান নির্মাণের ঘোষণা দেন। তার এ ঘোষণায় উপস্থিত বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ অন্য নেতারা মেয়র প্রার্থী টেড হাইনকে ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ করিম তার বক্তব্যে বলেন, গণমানুষের সেবা করা তার দীর্ঘদিনের আশা। সে লক্ষ্যেই তিনি নিউ মিলফোর্ড শহরের প্রথম বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচিত হলে তিনিই হবেন কানেকটিকাটের প্রথম বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান। তার স্বপ্ন রয়েছে নিউ মিলফোর্ড শহরে মুসলমানদের জন্য একটি করবস্থান ও মসজিদ নির্মাণ করার। তিনি তা বাস্তবায়ন করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

নিউ মিলফোর্ড শহরে বাংলাদেশিদের সংখ্যা অন্যান্য শহরের চেয়ে অনেকাংশেই কম। তবে মার্কিনি ভোটারদের ভোটেই তিনি জয়লাভ করবেন বলে আশাবাদী।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- নিউ মিলফোর্ডের ডিটিসি চেয়ার ওমেন ম্যারি জেন লান্ডগ্রেন, সেক্রেটারি অব স্টেট প্রার্থী ম্যারিটজা বন্ড, ড্যানবুরি প্রবাসী ব্যবসায়ী হেলাল-উল করিম, ম্যানচেস্টার প্রবাসী ব্যবসায়ী মো. মাসুদুল রহমান অপু ও বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব কানেকটিকাটের (বাক) সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান কামাল প্রমুখ।

১৮ মাস পর ক্লাসে ফিরে উচ্ছ্বসিত ঢাবি শিক্ষার্থীরা

করোনাভাইরাসের কারণে ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম (ক্লাস-পরীক্ষা) শুরু হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়েছেন, তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করেছেন। দীর্ঘদিন পর ক্লাসে ফিরতে পারায় তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। তবে একই বছরের জুলাইয়ে অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়। স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি ঢাবি প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয়। ১৩ মার্চ থেকে হল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ অক্টোবর থেকে আবাসিক হল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর করোনা সংক্রমণের হার হ্রাস পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের এক ডোজ টিকা নেওয়ার শর্তে ১৭ অক্টোবর থেকে ঢাবিতে সশরীরে ক্লাস শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল। আর এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

সরেজমিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ও বিজ্ঞান অনুষদ ঘুরে দেখা যায়, প্রবেশপথে শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে এবং যারা মাস্ক পরেননি তাদের মাস্ক দেওয়া হচ্ছে। এ সময় টিকা কার্ড না দেখেই অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে ভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায়। সকাল ৮টা থেকে ক্লাস শুরু হয়। যেসব ক্লাসে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি ছিল, সেখানে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের দুই ভাগ করে পর্যায়ক্রমে ক্লাস নেওয়া হয়। প্রথম দিন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

দীর্ঘদিন পর ক্লাসে ফেরার অনুভূতি জানতে চাইলে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী শাকিল মাহমুদ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করেছি। দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের পেয়ে অনেক বেশি ভালো লাগছে। অনলাইন ক্লাস আর অফলাইনে অনেক পার্থক্য। বন্ধু ও শিক্ষকদের কাছ থেকে দেখা আনন্দের। তাই অনেকদিন পর ক্লাস করতে পেরে ভালোলাগা কাজ করছে। আশা করি, এবার ঠিকভাবে সবকিছু শেষ করতে পারব। লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চাইলে আরও আগে আমাদের ক্লাস নিতে পারত। দীর্ঘদিন পর হলেও ক্লাস করতে পেরে ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছি। আশা করি কর্তৃপক্ষ সেশনজট রোধে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞান অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম যুগান্তরকে বলেন, শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে আমরা আগে থেকেই সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। আর সবকিছু আমাদের পরিকল্পনামতোই হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীদের মিষ্টি ও চকলেট দিয়ে বরণ করে নিয়েছি। তারাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন।

ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. বাহাউদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের পেয়ে শিক্ষকদের মনেও আনন্দ ফিরেছে। তাই আমরা প্রথমদিনেই তাদের জন্য ক্লাস রেখেছি। যে ঘাটতি হয়েছে, সেটা আমরা পুষিয়ে নিতে চেষ্টা করব।

এদিকে বেলা ১১টার দিকে কলাভবনের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষা কক্ষ পরিদর্শন করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কলা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হক, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া, প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী প্রমুখ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হওয়ায় উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান সন্তোষ প্রকাশ করেন। ঢাবির শতভাগ শিক্ষার্থী কোভিড-১৯-এর অন্তত এক ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার নানা ধাপ ও পদক্ষেপ সশরীরে ক্লাস শুরু হওয়ার মাধ্যমে তা পূর্ণতা পেল। একটি বিষয় খুবই আশাব্যঞ্জক যে ক্লাসে অংশগ্রহণকারী সবাই টিকা নিয়েছেন। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন। এটি অন্যসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং দেশে করোনা পরিস্থিতি উন্নতিতে সহায়তা করবে। তিনি আরও বলেন, ঘাটতি পূরণে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা কাজ করছি। কারণ, আমরা চাই শিক্ষার্থীদের যে সময়টুকু নষ্ট হয়েছে, সে সময়টুকু যেন আমরা পুনরুদ্ধার করতে পারি। কম সময়ে অধিক কাজ করে, শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, পরীক্ষা গ্রহণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে সময়সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্লোগানে স্লোগানে মুখর মধুর ক্যান্টিন: দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস হওয়ার আনন্দ শুধু শ্রেণিকক্ষেই সীমাবদ্ধ ছিল না, আড্ডা-গল্পে এ আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে মধুর ক্যান্টিন, টিএসসিসহ পুরো ক্যাম্পাসে। ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মুহুর্মুহু স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে। স্লোগান দিয়ে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতারা বক্তব্য দেন।

সকাল ৯টার দিকে মধুর ক্যান্টিনে ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাকিব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক বাঁধনসহ বিভিন্ন হলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেড় বছরের বেশি সময় পর মধুর ক্যান্টিনে আসে ছাত্রদল। তবে আগে থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্যান্টিন নিজেদের দখলে রাখায় সেখানে বসতে পারেনি তারা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, সকাল ১০টায় মধুর ক্যান্টিনে আসেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তবে সেখানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থানের কারণে ক্যান্টিনের ভেতরে তারা ঢুকতেই পারেননি। ক্যান্টিনের পাশে আইবিএ ভবনের সামনে তারা অবস্থান নেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদলের সভাপতি আসার পর নেতাকর্মীদের একটি অংশ মধুর ক্যান্টিনে অবস্থান নেয়। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মুহুর্মুহু স্লোগান শুরু করেন। একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যান্টিন থেকে বের হয়ে যান। পরে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়কে শোডাউন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাচ চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সিনিয়র সহসভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সহসভাপতি আশরাফুল আলম ফকির লিংকন, যুগ্মসম্পাদক আরিফুল হক, মাহবুব মিয়া, রিয়াদ ইকবাল, নিজাম উদ্দিন রিপন, শরিফুল ইসলাম, সুলতানা জেসমিন জুঁই প্রমুখ।

মধুর ক্যান্টিনে আসার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, অনেকদিন আমরা মধুর ক্যান্টিনে আসিনি। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে সোচ্চার ছিলাম। এ সময় মধুর ক্যান্টিনের যে রাজনীতিচর্চা, সেটি আমরা করিনি। এখন থেকে আমরা এটি শুরু করলাম। সামনেও এটি অব্যাহত থাকবে।

শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সম্প্রীতি বিনষ্টকারী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ছাত্রলীগ। রোববার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে শেকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার সকল প্রচেষ্টাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বাংলাদেশ সৃষ্টিলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী মৌলবাদী গোষ্ঠীর সকল ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মাঠে থাকবে।

শেকৃবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুদুর রহমান মিঠু বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। আজ হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে অসাম্প্রদায়িকতার জন্য কর্মসূচি করতে হচ্ছে। শারদ উৎসবে যে মৌলবাদী, উগ্রবাদী গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে তার জন্য শেকৃবি ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ধিক্কার জানাই।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে এই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু নেই, সবাই দেশের নাগরিক। ধর্মকে ব্যবহার করে যারা রাজনীতি করে তারাই দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। তারা কখনও সফল হতে পারবে না।

কর্মসূচিতে শেকৃবির সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উচ্চ রক্তচাপে যেসব ওষুধ সেবনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন

বড় ধরনের শারীরিক জটিলতার একটি রক্তচাপ। ব্লাড প্রেসারে হেরফের হলে হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে। তাই রক্তচাপ উঠানামা করলে অতিমাত্রায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

হাই প্রেসার ও লো প্রেসারের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসা দিতে হয়। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের যেসব ওষুধ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে সেসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ফারুক হোসেন।

উচ্চ রক্তচাপ নিরোধক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। সব ওষুধ সব সময় সবাইকে দেওয়া যায় না। উচ্চ রক্তচাপ নিরোধক ওষুধ হিসেবে সাধারণত এটিনোললজাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। এটিনোললজাতীয় ওষুধ কম বয়সি রোগীদের না দেওয়াই ভালো। কারণ এ ওষুধ গোপন শক্তি কমিয়ে দিতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ নিরোধক হিসেবে ইনহিবিটরজাতীয় ওষুধ সেবন করা হয়। ইনহিবিটরজাতীয় ওষুধ ৫ বছরের বেশি সেবন করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এ ওষুধ সেবনের ফলে ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে। ইনহিবিটর শরীরে সেসব রাসায়নিকের পরিমাণ বাড়ানো বৃদ্ধি করতে পারে যার সঙ্গে ফুসফুসের ক্যান্সারের যোগসূত্র রয়েছে।

বিশেষ করে ব্রাডিকাইনিন এবং সাবস্টেন্স পি নামে পরিচিত রাসায়নিক ফুসফুসের ক্যান্সারের সময় ফুসফুসে পাওয়া যায়। ব্রাডিকাইনিন ফুসফুসের ক্যান্সারের বৃদ্ধিকে প্রণোদনা দিয়ে থাকে।

এছাড়া এ ওষুধ সেবন করলে অনেকের শুকনো এবং খুশখুশে কাশি দেখা যায়। তবে ওষুধ বন্ধ করে দিলে ধীরে ধীরে শুষ্ক কাশি চলে যায়।

অন্যান্য উচ্চ রক্তচাপ নিরোধক ওষুধ সেবনকালে শুষ্ক মুখ, কনস্টিপেশন, মুখের আলসার, মুখের জ্বালাপোড়াসহ খাবারের স্বাদ গ্রহণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।