সোমবার ,৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 685

কর কমিশনারের কার্যালয়ে চাকরি

শূন্যপদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, কর কমিশনারের কার্যালয়। এতে ৯ পদে ৩৮ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহীরা আগামী ২১ অক্টোবর থেকে আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে।

পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১১)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ১২,৫০০/- থেকে ৩০,২৩০/-

পদের নাম: সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩)
পদ সংখ্যা: ১ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ১১,০০০/- থেকে ২৬,৫৯০/-

পদের নাম: উচ্চমান সহকারী (গ্রেড-১৪)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ১০,২০০/- থেকে ২৪,৬৮০/-

পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৪)
পদ সংখ্যা: ৫ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ১০,২০০/- থেকে ২৪,৬৮০/-

পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (গ্রেড-১৬)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৯,৩০০/- থেকে ২২,৪৯০/-

পদের নাম: গাড়িচালক (গ্রেড-১৬)
পদ সংখ্যা: ৩ জন
যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি পাস।
বেতন: ৯,৩০০/- থেকে ২২,৪৯০/-

পদের নাম: নোটিশ সার্ভার (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১২ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৩ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে ২০২১ সালের ১০ নভেম্বরে যাদের বয়স ১৮-৩০ বছর হবে তারাও আবেদন করতে পারবেন। প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://tax1.teletalk.com.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা ২০২১ সালের ১০ নভেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদনপত্র পাঠাতে পারবেন।

অসুখের সময় সুস্থ হতে খাবেন যে ৭ খাবার

সামনেই আসছে শীতকাল। আর আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সঠিকভাবে নিজের যত্ন নিলেই এই অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠা যায়।

আর অসুস্থতা সারিয়ে তুলতে সবচেয়ে বেশি সহায়ক সঠিক খাবার। এসব খাবার আমাদের শরীরে শক্তি সরবরাহ করে রোগ থেকে মুক্তি দিতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে।

১. চিকেন স্যুপ
অসুস্থ হলে অনেক চিকিৎসকই চিকেন স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এর কারণ হচ্ছে এটি ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, ক্যালোরি এবং প্রোটিনের অনেক ভালো উৎস। আর এ জন্য এটি আপনার শরীরের অসুস্থতা থেকে পুনরুদ্ধারের সময় আপনার শরীরে অনেক বেশি পরিমাণে পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে। এ ছাড়া চিকেন স্যুপ তরল এবং ইলেক্ট্রোলাইটের একটি সমৃদ্ধ উৎস যা ডায়রিয়া, বমিভাব, ঘাম বা জ্বরের কারণে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিতে থাকলে তা নিরাময়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

২. তরকারির পাতলা ঝোল ও নেহারি
বিভিন্ন মাংসের তরকারির পাতলা ঝোল ও নেহারি খেলে তা আপনার অসুস্থতা সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে মুরগি, কবুতর, কোয়েল ইত্যাদি পাতলা ঝোল করে রান্না ইলেক্ট্রোলাইটের চমৎকার উৎস এবং এগুলো আপনার অসুস্থতা নিরাময়ে সহায়ক হতে পারে। আর হাড়ের ঝোল বা নেহারিতে প্রাণীর হাড় থেকে কোলাজেন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে বলে তা দ্রুতই রোগ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।

৩. রসুন
রসুনের অনেক উপকারী ঔষধি উপকারিতা রয়েছে। বিভিন্ন টেস্টটিউব এবং প্রাণী গবেষণায় দেখা গেছে যে, রসুনে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল প্রভাব রয়েছে। এ ছাড়া রসুন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং সর্দিজ্বরের সমস্যা কমাতে অনেক উপকারী।

৪. ডাবের পানি
অসুস্থ হলে ডাবের পানি পান করার কথাটি আমাদের অনেক পরিচিত। আর এটি আপনার অসুস্থতা সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে। এটি ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে তা বমি, ঘাম, ডায়রিয়া ও জ্বরের সময় শরীরে তরল সরবরাহ করে সেরে উঠতে উপকার করে। এ ছাড়া এতে কিছুটা প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা আপনার শরীরের জন্য দ্রুত এবং সহজেই ব্যবহারযোগ্য শক্তির উৎস প্রদান করতে পারে।

৫. গরম চা

ঠাণ্ডা-জ্বরের সঙ্গে লড়াই করতে অন্যতম জনপ্রিয় ও সহায়ক একটি প্রতিকার হচ্ছে গরম চা পান করা। চায়ের মধ্যে পলিফেনল থাকে যার প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্য সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহবিরোধী প্রভাব।

৬. মধু
মধুর জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি ইমিউনিটি সিস্টেমকে বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে। এ কারণে মৌসুমি অ্যালার্জি, জ্বর-ঠাণ্ডা-কাশির সমস্যা কমাতে সহায়ক হতে পারে।

৭. আদা
আদার অনেক ভেষজ ঔষধি গুণাগুণ থাকার কারণে তা ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে অনেক পরিচিত। তাই আপনার মৌসুমি বিভিন্ন সমস্যার নিরাময়ে আদা খেতে পারেন। এর জন্য আপনি রান্নায় ও চায়ের সঙ্গে কাঁচাআদা খেতে পারেন। এমনকি আপনি কাঁচাআদা খালি মুখে নিয়ে থাকলেও তা আপনার বমিভাব ও বমি হওয়ার পর খারাপ লাগা থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করবে।

তথ্যসূ্ত্র: হেলথলাইন ডটকম

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খান ৬ খাবার

হৃদরোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর এ সমসাটির পেছনে সবচেয়ে বেশি দ্বায়ী হচ্ছে উচ্চ রক্তচাপ। বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন।

আমাদের শরীরের প্রায় সবকিছুই নির্ভর করে খাবারের ওপরে। কারণ খাবারই আমাদের শরীরে শক্তি উৎপাদন করে এবং সেই শক্তি আমাদের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কিছু খাবার আছে। আসুন জেনে নিই সেই সম্পর্কে—

১. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বিভিন্ন ফল যেমন— জাম্বুরা, কমলা এবং লেবু ইত্যাদি ফলগুলো উচ্চ রক্তচাপ কমাতে শক্তিশালী হিসেবে কাজ করতে পারে। এগুলো ভিটামিন, খনিজ এবং উদ্ভিদের যৌগ দ্বারা পরিপূর্ণ যা উচ্চ রক্তচাপের কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

২. কুমড়ো বীজ
কুমড়ো বীজ দেখতে অনেক ছোট মনে হলেও পুষ্টিগুণে অনেক পরিপূর্ণ। এতে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির একটি ঘনীভূত উৎস যেমন— ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আর্জিনিন থাকে। এছাড়া এতে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা রক্তনালী শিথিলকরণ এবং রক্তচাপ কমানোর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

৩. চর্বিযুক্ত মাছ

বিভিন্ন চর্বিযুক্ত মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অনেক ভালো উৎস হতে পারে। আর এটি হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এই চর্বিগুলো উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমানো ছাড়াও প্রদাহ কমাতে এবং অক্সিলিপিনস নামক রক্তবাহী যৌগের মাত্রা হ্রাস করে।

৪. গাজর
গাজরে ক্লিনোজেনিক, পি-কুমারিক এবং ক্যাফিক অ্যাসিডের মতো ফেনোলিক যৌগ থাকে। আর এ যৌগগুলো রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং প্রদাহ কমিয়ে উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। আর রক্তচাপ কমাতে গাজর কাঁচা অবস্থাতেই খাওয়া আরও উপকারী।

৫. চিয়া বীজ
চিয়া বীজে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য অপরিহার্য পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার প্রচুর পরিমাণে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে চিয়া বীজ রক্তচাপ কমায় এবং এটি ১২ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে খেলে তা আরও বেশি উপকার করে।

৬. পালং শাক
পালং শাকে নাইট্রেট বেশি থাকে।এ ছাড়া এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকায় তা উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমাতে পারে। এ ছাড়া পালং শাক ধমনীর শক্ততা হ্রাস করতে এবং হৃদযন্ত্রের উন্নতিতে সাহায্য করতে পারে।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন ডটকম

বিশ্বকাপে কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরে গিয়ে কঠিন সমীকরণে পড়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট পেতে চাইলে বাকি ‍দুই ম্যাচে ওমান এবং পাপুয়া নিউগিনিকে হারাতে হবে। শুধু জিতলেই হবে না, তার সঙ্গে ওমান-স্কটল্যান্ডের ম্যাচের ফলাফলের দিকেও নজর রাখতে হবে মাহমুদউল্লাহ-সাকিব-মুশফিকদের। ওই ম্যাচে ওমানের বিরুদ্ধে স্কটল্যান্ডকেও জিততে হবে।

স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে যদি ওমান যদি জিতে যায় তবে বাংলাদেশকে পড়তে হবে রানরেটের সমীকরণ জটিলতায়। কারণ পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জেতা ওমান রানরেটে এখন অনেক এগিয়ে রয়েছে।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত গ্রুপের শীর্ষে থাকা ওমানের নেট রানরেট (+) ৩.৩৩৫। এছাড়া দুইয়ে থাকা স্কটল্যান্ডের রানরেট (+) ০.৩০০। এদিকে বাংলাদেশের রানরেট (-) ০.৩০০। ফলে পরের রাউন্ডে উঠতে হলে ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি রানরেটের হিসাবটাও মাথায় রাখতে হবে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশ বাকি দুই ম্যাচে জয় পেলে ও স্কটল্যান্ড ওমান ও পাপুয়া নিউগিনিকে হারালে ‘বি’ গ্রুপ থেকে বিশ্বকাপের মূলপর্ব বা সুপার টুয়েলভে যাবে টাইগাররা। আর এদিকে একটি খেলায়ও যদি স্কটল্যান্ড হেরে যায় সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামনে আসবে রান রেটের জটিল সমীকরণ। সেই ক্ষেত্রে পাপুয়া নিউগিনি ও ওমানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কেমন ব্যবধানে জেতে তার ওপরই নির্ভর করবে রান র‌্যাটের হিসাব। কিন্তু ওমানের বিরুদ্ধে স্কটল্যান্ড হেরে গেলে বাংলাদেশের সামনে আসবে নতুন সমীকরণ। সেক্ষেত্রে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে তখন বাংলাদেশের রানরেট হিসাব হবে।

এখন পর্যন্ত যেহেতু রান রেটের হিসেবে ওমান ও স্কটল্যান্ডের চেয়ে বেশ পিছিয়ে বাংলাদেশ। সেহেতু রান রেট বাড়াতে না পারলে আগামী দুই ম্যাচ জিতেও প্রথম পর্বেই শেষ হতে পারে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ।

প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। স্কটিশদের করা ১৪০ রানের জবাবে খেলতে নেমে ১৩৪ রান করতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ। এ ম্যাচে দুই ওপেনার চরমভাবে ব্যর্থ হন। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালের অভাব হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বড় ইনিংসটি খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। ৩৬ বলে ৩৮ রান করেন তিনি। রিয়াদ করেন ২৩ রান। শেষ পর্যন্ত ৬ রানের হার নিয়ে বিশ্বকাপের শুরু হয় বাংলাদেশের।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্কটল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। নাটকীয় কোনো ঘটনা না ঘটলে এ ম্যাচেও জিতবে স্কটল্যান্ড।

৩৫ রানে ৫ উইকেট হারাল পাপুয়া নিউগিনি

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পাপুয়া নিউগিনি। স্কোর বোর্ডে ৩৫ রান জমা হতেই নেই দলের সেরা ৫ ব্যাটসম্যানের উইকেট।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের পঞ্চম ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান করে স্কটল্যান্ড।

মঙ্গলবার ওমানের আল আমিরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩.৪ ওভারে ২৬ রানে দুই ওপেনারের উইকেট হারায় স্কটিশরা।

এরপর রিচি বিরিংটনকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়েন ম্যাথু ক্রস। ১৪.৩ ওভারে দলীয় ১১৮ রানে ফেরেন ক্রস। তার আগে ৩৬ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় করেন ৪৫ রান।

এরপর একাই লড়াই চালিয়ে যান রিচি বিরিংটন। ইনিংস শেষ হওয়ার ৮ বল আগে সাজঘরে ফেরেন এই তারকা ব্যাটসম্যান। তার আগে ৪৯ বলে ৬টি চার ও তিন ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। তার অনবদ্য ইনিংসের সুবাদে ৯ উইকেটে ১৬৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে স্কটল্যান্ড।

স্কটিশদের সামনে দারুণ সুযোগ। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে বিশ্বকাপের মূলপর্বে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে তারা।

আজ পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জিতলে সমীকরণে তাদের সম্ভাবনা থাকবে ভালোই। আর ইতিহাস বলছে, এ ম্যাচেও স্কটল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা বেশি। এ পর্যন্ত দুই দেশ পরস্পর দুইবার মুখোমুখি হয়েছে। দুটোতেই স্কটল্যান্ড জয়ী হয়েছে।

এমন এক লড়াইয়ে টসভাগ্যও সহায় হয়েছে স্কটিশদের। টস জিতে আমিরাতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্কটল্যান্ড অধিনায়ক কাইল কোয়েতজার।

স্কটল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৬৫/৯ (রিচি বিরিংটন ৭০, ম্যাথু ক্রস ৪৫, কলাম ম্যাকলিয়ড ১০)।

 

পাহাড়ে এখন জাম্বুরার বাজার

পাহাড়ি এলাকার আনাচে-কানাচে উৎপাদিত হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে জাম্বুরা। এ কারণে রাঙামাটির পাহাড়ি হাটে প্রচুর জাম্বুরা দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় ভাষায় এ ফলটি বহুল পরিচিত ‘কন্ডাল’ নামে। তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ব্যাপকহারে চাষাবাদ হয়ে আসছে এটি। এখানে ফলন প্রচুর হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। ফলে রাঙামাটি জেলার ১০ উপজেলায় প্রায় পাহাড়ি এলাকায় জাম্বুরার আবাদ করছেন বহু মানুষ। জাম্বুরার যেমন প্রচুর উৎপাদন, তেমনি চাহিদাও অনেক। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পাহাড়ের জাম্বুরা বাজারজাত হয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। সাম্প্রতিক করোনা তাণ্ডপের পর জাম্বুরার চাহিদা আরও বেড়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষিবিদরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একসময় পার্বত্য অঞ্চলের উৎপাদিত জাম্বুরা বিক্রি করতে না পেরে পচে নষ্ট হয়ে যেত। এখন চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে প্রচুর পরিমাণে বাজারে আসছে এটি। পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এ ফলটি এখন করোনার কারণে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা প্রতি জাম্বুরা বিক্রি হচ্ছে ১০-৩০ টাকায়। অর্থাৎ বড় আকারের জাম্বুরা সর্বোচ্চ ৩০ টাকায়, মাঝারি আকারের ২০ টাকায় এবং ছোট আকারের ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জাম্বুরা এখন চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

চাষিরা জানান, রাঙামাটির ১০ উপজেলাতেই জাম্বুরার আবাদ হলেও সবচেয়ে বেশি চাষ হচ্ছে— সদর, লংগদু, বরকল, বাঘাইছড়ি, নানিয়ারচর, জরাছড়ি, বিলাইছড়ি উপজেলায়। তুলনামূলকহারে এসব উপজেলায় উৎপাদন অন্য জায়গার চেয়ে অনেক বেশি হচ্ছে। জাম্বুরা চাষ লাভজনক হওয়ায় অন্যান্য ফলের পাশাপাশি মিশ্র ফল হিসেবে আবাদ হচ্ছে পাহাড়ে। পাহাড় থেকে পাইকারি দামে সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

বর্তমানে বাজারে আকার অনুযায়ী প্রতি হাজার জাম্বুরা পাইকারি পাঁচ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকায়। প্রতিদিন হাটবাজারে হাজার হাজার জাম্বুরা নিয়ে আসছেন চাষিরা। রাঙামাটির সদর উপজেলা, লংগদু, মাইনি, বরকল, জুরাছড়ি, সুবলং, মারিশ্যা নানিয়ারচর, বিলাইছড়িসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে রাঙামাটি শহরের সমতাঘাট এবং পৌরট্রাক টার্মিনালে প্রচুর জাম্বুরা নিয়ে আসছেন কৃষকরা। সেখান থেকেই পাইকারি দরে এ ফলটি সংগ্রহ করছেন ব্যবসায়ীরা।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃঞ্চ প্রসাদ মল্লিক বলেন, উপযুক্ত আবহাওয়ার কারণে এ বছর রাঙামাটি জেলায় জাম্বুরার ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। জেলায় জাম্বুরার আবাদ হয়েছে ১২১০ হেক্টর জমিতে। এর প্রতি হেক্টরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২ টন।

তিনি জানান, রাঙামাটির সদর, নানিয়াচর, বিলাইছড়ি, কাপ্তাই উপজেলায় জাম্বুরা উৎপাদন বেশি হয়েছে। করোনার কারণে এই ফলের চাহিদা বেড়েছে। সহজ শর্তে কৃষকদের ঋণসহ কৃষি সহায়তা দিতে পারলে এবং পাহাড়ে উৎপাদিত ফলমূল সংরক্ষণে হিমাগার স্থাপন করা গেলে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাবেন।

কৃষকরা জানিয়েছেন, তারা নিজেদের উৎপাদিত জাম্বুরা অনেক পরিবহণ ব্যয়ে বাজারে নিয়ে এলেও সরাসরি ভালো দাম পাচ্ছেন না। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, জাম্বুরা ফল এবার আকারে কিছুটা ছোট হয়েছে। তাই একটু কম দামে নিতে হচ্ছে। এ ছাড়া পথে পথে পুলিশকে চাঁদা দিতে হয় বলে তাদের লাভের অংশ অনেকটা কমে যায়।

হাজীগঞ্জ সংঘর্ষের ঘটনায় আরও একজন মারা গেছেন

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হলো। মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম সাগর।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

সাগরের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের খন্দকার এলাকার বাসিন্দা। তিনি থাকতেন হাজীগঞ্জ বাজারের ডিগ্রি কলেজ রোডসংলগ্ন এলাকায়। সাগর পেশায় ট্রাকচালক।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুনুর রশীদ।

তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় চার মামলায় দুই হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে; পুলিশ আটক করেছে ১৫ জনকে।

সাগরের বাবা মো. মোবারক হোসেন যুগান্তরকে জানান, গত ১৪ অক্টোবর রাতে হাজীগঞ্জ বাজারে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় তার ছেলে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে মঙ্গলবার সকালে সাড়ে ৭টায় তার মৃত্যু হয়।

সাগরের মা আমেনা বেগম যুগান্তরকে বলেন, পাঁচ সন্তানের মধ্যে সাগর সবার ছোট। সাগর হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল ইউনিয়নের নোয়াদ্দা সুমন মাঝির মেয়েকে বিয়ে করেন। তার এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

এর আগে এ ঘটনায় নিহতরা হলেন— হাজীগঞ্জ উপজেলার রায়চোঁ গ্রামের আল আমিন (১৮), হোটেল শ্রমিক চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাবলু (২৮) ও পথচারী শিশু রান্ধুনীমুড়া গ্রামের ফজলুর ছেলে হৃদয় (১৫)।

‘‌শুভেন্দু যেন ওর বাবাকে গিয়ে উপদেশগুলো দেন’‌

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সবাইকে চমকে দিয়েছেন বিজেপির দুইবারের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। দুই বাংলার তুমুল জনপ্রিয় এ সংগীত শিল্পী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর বিপাকে পড়েছে বিজেপি শিবির।

আজ (মঙ্গলবার) লক্ষ্মীপুজোর দিন সংসদ সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। পদত্যাগপত্র জমা দিয়েই শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‌আসানসোল আমার জন্য স্পেশাল জায়গা। আসানসোলের প্রতি আমার আলাদা দায়িত্ব আছে। শুভেন্দুর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব ছিল, এখনও আছে। শুভেন্দু আমার সম্পর্কে কড়া ভাষায় কথা বলে, কারণ ওটা রাজনীতির স্বার্থে ওকে করতেই হবে। আমি নৈতিকভাবে ঠিক থাকতেই সংসদ সদস্য পদ ছেড়ে দিলাম। শুভেন্দুর বাবারও উচিত সেটাই করা। শুভেন্দু যেন ওর বাবাকে গিয়ে উপদেশগুলো দেন।’‌

এর আগে শুভেন্দুর বাবা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারী ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিয়েছেন। গত মার্চে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় বিজেপি আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সামনে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।

শিশির অধিকারী ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির সংসদ সদস্য। তিনি ২০০৯ সাল থেকে সাংসদ হিসেবে এই পদে রয়েছেন। মনমোহন সিং যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন তিনি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ পরই বাবুল সুপ্রিয় যাতে সংসদ সদস্যপদ ছাড়েন তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে সময় পাচ্ছিলেন না বিজেপি থেকে আসা গায়ক–সাংসদ। প্রায় দু’‌মাস পর তাকে আজ সময় দিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। মঙ্গলবার ওম বিড়লার বাসভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাবুল জানান, সংসদ সদস্য পদ ধরে রাখা অনৈতিক মনে হয়েছিল বলেই ইস্তফা দিয়েছেন। তারপর নিজেকে যেন অনেকটা মুক্ত বলে উপলব্ধি করছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বিজেপির টিকিটে আসানসোল থেকে পরপর দু’‌বারের সাংসদ হয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। কিন্তু সম্প্রতি তাকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তখন থেকেই দলের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে যেতে শুরু করে। বারবার তিনি নানা টুইট করতে থাকেন। যা নিয়ে বিজেপির অস্বস্তি বাড়ছিল। তারপর ডেরেক ও’‌ব্রায়েনের হাত ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে গাড়িতে করে নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে আসেন।

চোরাই গাড়িতে পুলিশকে তুলে ‘উধাও’

গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করার সময় পুলিশ সদস্যকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। রোববার রাজ্যের গ্রেটার নয়ডা এলাকার সূরজপুরে অদ্ভূত এ কাণ্ডটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে , ট্রাফিক কনস্টেবলকে অপহরণের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ২৯ বছরের সচিন রাওয়াল নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। দু’বছর আগে গুরুগ্রামে একটি গাড়ির দোকান থেকে ‘টেস্ট ড্রাইভ’-এর নাম করে গাড়ি চুরি করেছিলেন তিনি।

খবরে বলা হয়, সূরজপুরে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করছিলেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশ সদস্যরা। রাস্তায় চলাচলকারী সব গাড়ি থামিয়ে কাগজ দেখছিলেন তারা। এমন সময় একটি ‘সুইফট ডিজায়ার’ গাড়ি এসে দাড়ায়।

পুলিশ সদস্যরা কাগজ চাইলে উত্তর আসে, ‘মোবাইলে কাগজের ছবি নেই কিন্তু গাড়িতে কাগজ রাখা আছে। একজন গাড়িতে উঠে কাগজ দেখে যান।’

পরে এক পুলিশ সদস্য উঠে বসেন গাড়িতে। কিন্তু কাগজ দেখানোর পরিবর্তে গাড়ির গতি বাড়ান চালক। মুহূর্তে পুলিশকর্মীকে নিয়ে ধুলো উড়িয়ে হাওয়া হয়ে যায় গাড়িটি।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় হইচই পড়ে যায়। হতবাক পুলিশকর্মীরাও। শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে একটি পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অপহৃত পুলিশকর্মীকে নামিয়ে দেন সচিন। পরে পুলিশ সচিনকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, দু’বছর আগে হরিয়ানার গুরুগ্রামের একটি গাড়ির শো-রুম থেকে ‘টেস্ট রাইড’ করার নাম করে একটি ‘সুইফট ডিজায়ার’ গাড়ি নিয়ে পালান সচিন।

পুলিশের কাছে তথ্য ছিল, জাল নম্বর প্লেট লাগানো সেই চোরাই গাড়ি নিয়ে গ্রেটার নয়ডা এলাকায় ঘুরছেন এক ব্যক্তি। কিন্তু ছক কষে চোরাই গাড়ি ধরতে গিয়ে উল্টে বিপাকে পড়ে গিয়েছিল পুলিশই। পুলিশকর্মীকে অপহরণসহ একাধিক ধারায় সচিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

সূচকের পতনে শেষ হলো পুঁজিবাজারে লেনদেন

এ সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এবং অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিন ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৭৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৭ হাজার ২০ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই৩০ সূচক ২২ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২০ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে অবস্থান করে ২৬৫৬ ও ১৫০৪ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে দর বেড়েছে ৮৭টির, দর কমেছে ২৫৪টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক ১৮৬ পয়েন্ট কমে ২০ হাজার ৫২১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।