মঙ্গলবার ,৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 681

রবিউল আউয়াল মাসে ওয়াফিলাইফের ইসলামী বইমেলা!

রবিউল আউয়াল মাস নবীজির মাস। এই মাসে পৃথিবীর বুকে হেদায়েতের দ্যুতি নিয়ে এসেছিলেন আমাদের প্রাণের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

প্রিয় নবীর এই মাসকে সামনে রেখে জনপ্রিয় অনলাইন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওয়াফিলাইফ ডটকম সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী কাজ করছে। তারা আয়োজন করেছে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য ইসলামী বইমেলা। ঘরে বসেই পাঠকরা কেনাকাটা করতে পারবেন এক ক্লিকেই।

এ ব্যাপারে ওয়াফিলাইফের একজন সদস্যের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির উন্নয়নে গোটা পৃথিবী যখন হাতের মুঠোয় এসে যাচ্ছে, তখন পাঠকরা কেন পিছিয়ে থাকবেন? আমরা ওয়াফিলাইফ চাই গোটা বইয়ের রাজ্য এখন পাঠকদের হাতের মুঠোয় চলে আসুক।

ঢাকার বাংলাবাজার কিংবা নীলক্ষেত ঘুরে যিনি বই সংগ্রহ করছেন, তিনি যেন সুদূর সন্দ্বীপ বসেও বইটি সংগ্রহ করতে পারেন, তাও সাশ্রয়ী দামে এবং ঘরে বসে—এরকম একটি সার্ভিস নিয়েই কাজ করছি আমরা।

সাধারণত বইয়ের বাজারে যাওয়ার আগে ভালো পাঠক না হলে বেশ কসরত পোহাতে হয় ভালো বই খুঁজে পেতে। এক্ষেত্রে আমরা পাঠকদের সামনে বাছাইকৃত সেরা বইগুলো সাইটে রাখি। রয়েছে বইয়ের ভিতরের পাতা পড়ে দেখারও সুযোগ। ফলে সর্বস্তরের পাঠক খুব সহজেই পেয়ে যাবেন তার প্রয়োজনীয় বইটি।

তাছাড়া রবিউল আউয়াল ইসলামী বইমেলায় যে অফারগুলো দেয়া হচ্ছে, তা অফলাইনে বইয়ের দোকানগুলোতেও পাওয়া যায় না। তাই আমরা মনে করি, ঘরে বসে এই মেলায় অংশগ্রহণ করলে পাঠক শুধু লাভবানই হবেন না, জিতবেনও।’

ওয়াফিলাইফের এই মেলায় যা কিছু পাবেন
ওয়াফিলাইফের মেলার পেইজে গেলেই চোখে পড়বে চমৎকার সব অফার। পুরো মেলাটাই নবীজির জীবনাচার, সুন্নত, শিষ্টাচার-বিষয়ক সেরা বইগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে।

মেলা চলাকালীন সেরা ১০ কাস্টমারের জন্য আকর্ষণীয় গিফট! মেলা চলবে ১৪ থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহীরা মেলার পাতা থেকে ঘুরে আসতে পারেন:
https://www.wafilife.com/online-book-fair/

আগ্রহীরা এক ক্লিকে ওয়াফিলাইফ থেকে ঘুরে আসতে পারেন: www.wafilife.com

‘আল্লামা আহমদ শফীর প্রতিবিম্ব ছিলেন আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া’

আল্লামা আহমদ শফীর (রহ.) বিস্তৃত কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে যে কজন মানুষ নিবেদিত হয়ে কাজ করেছিলেন, আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া (রহ.) ছিলেন তাদের অন্যতম। শাইখের নির্দেশে ফেনী জেলায় যাবতীয় দ্বীনি দায়িত্ব তিনি পালন করেছিলেন। আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া (রহ.) ছিলেন আল্লামা আহমদ শফীর (রহ.) প্রতিবিম্ব। তিনি আল্লামা আহমদ শফীর (রহ.) মিশন বাস্তবায়নেই কাজ করে গেছেন আজীবন।

বৃহস্পতিবার ফেনী জেলার সর্বস্তরের আলেম-উলামাদের অংশগ্রহণে পদুয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন।

এদিন বিকাল থেকে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমীর ও হাটহাজারী মাদ্রাসার মুহতামিম শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) ও ফেনী জেলা হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমীর, জহিরিয়া মসজিদের খতিব এবং পদুয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা আবুল কাসেম ভুঁইয়া (রহ.) এর জীবনকর্ম শীর্ষক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ফেনী জামেয়া রশীদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা মুফতি শহীদুল্লাহ, ফেনী জামেয়া মাদানীয়ার মুহতামিম মুফতি সাইফুদ্দীন, ওলামাবাজার মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মুফতি শিব্বীর আহমদ, নূরপুর মুহিউসসুন্নাহ মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস মাওলানা আবদুর রাজ্জাকসহ ফেনী জেলার শীর্ষ আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আল্লামা আহমদ শফী (রহ.) ও আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া (রহ.) এর শুভানুধ্যায়ী শীর্ষ আলেমরাও অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়ার (রহ.) ছেলে ও পদুয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম ড. মাওলানা কামরুল ইসলাম ভুঁইয়া।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিগত দুই বছরে আমরা হারিয়েছি নক্ষত্রতুল্য অনেক আলেম। আমাদের মাথার ‍ওপর থেকে সরে গেছে তাদের ছায়া। হুট করে আমাদের সামনে নিভে গেছে তাদের আলোকবর্তিকা। তাই পরিলক্ষিত হচ্ছে ঘনায়মান আঁধার। শূন্যতা অনুভব হচ্ছে চারদিকে। সঙ্কটে আমাদেরকে সুস্থির রাখার মতো অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছি আমরা। যাদের হারিয়েছি, তাদের মধ্যে অন্যতম দুজন হলেন শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী এবং আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া (রহ.)। তারা দুজন ছিলেন উসতাদ-শাগরিদ।

লিখিত বক্তব্যে ড. মাওলানা কামরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, আল্লামা আহমদ শফীর (রহ.) সঙ্গে আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়ার (রহ.) পীর-মুরিদের সম্পর্কের চেয়েও পারিবারিক সম্পর্ক ছিলো বেশি। আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) বলতেন, আমার তিন ছেলে- ইউসুফ, আনাস , কাসেম। সর্বশেষ যখন তিনি ভারতের অ্যাপোলো হসপিটালে চিকিৎসা নিতে যান, তখন মাওলানা আসজাদ মাদানী তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনার ছেলে কয়জন। তিনি বলেন, তিনজন। ইউসুফ, আনাস, কাসেম। তখন উপস্থিত সবাই বিস্মিত হয়।

দোয়া মাহফিলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মাইনুদ্দীন রুহি, আঞ্জুমানে দাওয়াতে ইসলাহ’র সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি নাসির উদ্দিন কাসেমী, নাজিরহাট জামিয়া ফারুকিয়ার মুহতামিম মাওলানা সলিমুল্লাহ, মাওলানা শামসুদ্দিন আফতাব, মাওলানা আসআদ মাদানী, মুফতি যোবায়ের গণী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনের সামনে বিক্ষোভ

ঢাকা, কুমিল্লা, ফেনী, কিশোরগঞ্জ, চাঁদপুরসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও পূজামণ্ডপে হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ সনাতনী সংসদের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন ও কনসুলেটের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন প্রবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে কয়েকশ প্রবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যের সমাগম ঘটে। দেশে জরুরিভিত্তিতে হিন্দু নির্যাতন ও পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাংলাদেশ মিশন কর্মকর্তাদের কাছে স্মারকলিপিও প্রদান করেন তারা।

সমাবেশে অংশ নেন পূজা উদযাপন পরিষদ, ওম শক্তি মন্দির, মতুয়া হরিনাম মন্দির, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, গৌর-নিতাই মন্দির, সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহামায়া মন্দির।

সভায় বক্তারা বলেন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে, সংখ্যালঘুদের রক্ষায় জাতিসংঘ থেকেও বিবৃতি এসেছে। এমন বাংলাদেশ আমরা কখনই চাই নাই। সভায় বক্তব্য দেন- নবেন্দু দত্ত, শিতাংশু গুহ, বিদ্যুৎ সরকার, ভজন সরকার, শ্যামল ধর, আশিষ ভৌমিক ও প্রবীর রায় প্রমুখ।

আঙুরের জুসের ৬ স্বাস্থ্য উপকারিতা

সুস্বাদু, সুমিষ্ট ও মুখরোচক ফল আঙুর। আঙুরের জুস সারা বিশ্বেই অনেক জনপ্রিয়। এর অনন্য স্বাস্থ্য উপকারিতাই এটিকে চাহিদার শীর্ষে নিয়ে গেছে।

বিশ্বে ছয় হাজার বছরেরও আগে থেকে আঙুর তার ঔষধি গুণাগুণের জন্য পরিচিত। আগে মিসরীয়রা আঙুরকে ওষুধ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এ ছাড়া ত্বক ও চোখের চিকিৎসায় আঙুরের রস থেকে মলম তৈরি করা হয়েছিল।

বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, কলেরা, গুটিবসন্ত, লিভারের রোগ— এমনকি ক্যান্সারের মতো বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে আঙুর এবং পাকা আঙুরের জুস ব্যবহার করা হয়।

আঙুর নিয়ে গবেষণায়ও মিলেছে এসব উপকারিতার প্রমাণ। আজ জানুন আঙুরের জুসের বিজ্ঞানসম্মত কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা—

১. হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষা করে
আঙুরের জুসে বিভিন্ন ফাইটোকেমিক্যালস যেমন— রেসভেরাট্রোল এবং কোয়ারসেটিন, প্রোসিয়ানিডিনস, ট্যানিন এবং স্যাপোনিনস নামের কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে তা আপনার হার্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য উপকারী ভূমিকা পালন করতে পারে। এ ছাড়া আঙুরের জুসে ভালো কোলেস্টেরলের (এইচডিএল) মাত্রাও বৃদ্ধি করে, যার কারণে এটি রক্তনালিতে প্রদাহ কমায় এবং তাদের শিথিল করার ক্ষমতা উন্নত করে।

২. স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি কমায়
বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে আঙুরের জুস। আঙুরের রসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি নিউরোনাল সিগন্যালিংকে প্রভাবিত এবং উন্নত করতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয় যে, আঙুরের জুসে রেসভেরাট্রোল যুক্ত থাকার কারণে এটি একটি চমৎকার মস্তিষ্কের টনিক হতে পারে।

৩. রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে ও ডায়াবেটিসে উপকারী
আঙুরের জুসে অ্যান্থোসায়ানিনস, প্রোয়ান্থোসায়ানিডিনস, ফ্লেভোনলস, ফেনোলিক অ্যাসিড এবং রেসভেরাট্রোল নামের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। আর এ কারণে এটি রক্তের গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।

৪. ক্যান্সার প্রতিরোধী
লাল আঙুরের জুস আমাদের ডিএনএ ক্ষতিকে বাধা দিয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। কোরিয়ায় পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত আঙুরের জুস খেলে তা ইমিউন সিস্টেম কোষে অক্সিডেটিভ ডিএনএ ক্ষতির মাত্রা হ্রাস করে। এ ছাড়া আঙুরের রস তাদের মধ্যে প্লাজমা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। এ কারণে আঙুরের জুস ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

৫. মেদ কমাতে সহায়তা করে
লাল আঙুরের রস মেদ কমাতে সহায়তা করতে পারে। এতে ইলাজিক অ্যাসিড থাকার কারণে এটি শরীরে বিদ্যমান চর্বির কোষ বৃদ্ধি ও তার নতুন গঠনে বাধা প্রদান করতে পারে। এ ছাড়া সাদা আঙুর ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে অনেক কার্যকরী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

৬. অন্ত্রের স্বাস্থ্য ও হজমে উপকারী
আঙুরের জুসে থাকা পলিফেনলগুলো আপনার অন্ত্রকে রোগজীবাণু, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহ থেকে রক্ষা করে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ও হজমে উপকার করতে পারে। এ ছাড়া এটি আপনার অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বুদ্ধি করে আরও উপকার করতে পারে।

তথ্যসূত্র: স্টাইলক্রেজ ডটকম

ইমিউনিটি বাড়াতে খান আমলা জুস

আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়ে আমাদের অনেকেরই জ্বর-ঠাণ্ডা-কাশি লেগেই থাকে। এমন হওয়া অনেক স্বাভাবিক এবং এটি প্রাকৃতিকভাবেই হয়ে থাকে। তাই এ সময়টায় স্বাস্থ্যের বিশেষ যত্ন নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

শীত আসন্ন। শীতের প্রস্তুতি হিসেবে এখন থেকেই রোগ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে আমলা জুস।

অনেক আগে থেকেই আমলাকে আয়ুর্বেদ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। আমলাতে বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা আমাদের সিস্টেমকে ডিটক্সিফাই করার জন্য টনিকের মতো কাজ করে।

আমলার জুসের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যা আমাদের ইমিউনিটি সিস্টেমের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেমন—

১. গবেষণায় দেখায যে, আমলার জুসের তন্তুযুক্ত উপাদান আমাদের পরিপাক প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং অ্যালার্জিজনিত রোগের আক্রমণ থেকে দূরে রাখে।

২. আমলার জুস ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং এর প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে এটি জ্বর এবং ঠাণ্ডার মতো মৌসুমি সমস্যায় একটি চমৎকার প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।

৩. আমলার জুসে ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং বেশ কিছু খনিজ পদার্থ কারার কারণে এটি খাদ্য মূল্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

তথ্যসূত্র: স্টাইলক্রেজ ডটকম

লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ১৬ পদে চাকরি

শূন্যপদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন কেন্দ্র। রাজস্ব খাতের ১৬ পদে মোট ৯১ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহীরা আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে।

 

পদের নাম: অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৪৫ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: ফটোকপি অপারেটর (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: বার্তাবাহক (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: গ্যারেজ হেলপার (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: ক্রীড়া পিয়ন (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: ক্লাসরুম অ্যাটেনডেন্ট (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: লাইব্রেরি অ্যাটেনডেন্ট (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: সহকারী ইলেকট্রিশিয়ান (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: ক্লাব অ্যাটেনডেন্ট (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: ক্যাফেটেরিয়া ওয়েটার/ক্যাফেটেরিয়া কুক/ ওয়েটার (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: সহকারী বাবুর্চি (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: কার্পেন্টার (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৭ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: মালি (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৫ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: কক্ষ বেয়ারার (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৫ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৮ জন
যোগ্যতা: যে কোনো বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস হতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে সর্বোচ্চ ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবরে যাদের বয়স ১৮-৩০ বছর হবে তারাও আবেদন করতে পারবেন। প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://bpatc.teletalk.com.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদনপত্র পাঠাতে পারবেন।

১৪ শিক্ষার্থীর চুল কর্তন: শিক্ষক ফারহানার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুক্রবার

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের (রবি) ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিষয়ে শুক্রবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এ গঠিত তদন্ত কমিটি অবশেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফ ও তদন্ত কমিটির প্রধান ও রবির রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে বারবার সময় দেওয়া সত্ত্বেও তিনি সর্বশেষ বেঁধে দেওয়া ২১ অক্টোবর দুপুরের মধ্যে তার বক্তব্য পেশ করতে আসেননি। ফলে তাকে আর সময় না দিয়ে, নির্যাতিত ছাত্র, প্রত্যক্ষদর্শী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

তারা আরও বলেন, শুক্রবার বিকালে রবির ঢাকা অফিসে পূর্ণাঙ্গ সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এ প্রতিবেদনের আলোকে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন গত ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় ওই বিভাগের প্রথম বর্ষের ১৪ ছাত্রের মাথার চুল কাচি দিয়ে কেটে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। চুল কেটে দেওয়ার এ অপমান সইতে না পেরে এক ছাত্র ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে ও শিক্ষিকা ফারহানার অপসারণ দাবিতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনের মুখে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করে ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

এরপর তদন্ত কমিটির কাছে নির্যাতিত ছাত্র, প্রত্যক্ষদর্শী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সাক্ষ্য দিলেও শিক্ষিকা ফারহানা সাক্ষ্য না দিয়ে ২ সপ্তাহের সময় প্রার্থনা করেন। তদন্ত কমিটি প্রথমে ৩ দিন, পরে আরও ৬ দিন ও সব শেষে ১৪ দিন সময় দেন। এ সময়ের শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। এ দিনও তিনি সাক্ষ্য না দিয়ে আবারো সময় চাইলে তদন্ত কমিটি তা নাকচ করে দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এ বিষয়ে জানতে বারবার শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের মোবাইল ফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ডিপ্লোমা পাশেই মেডিকেল কলেজের সনদ

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দেশের ৬৩টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা কারিকুলাম পড়ানো হয়।

যে কোনো বিভাগে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে বয়সের তারতম্য ছাড়াই যে কেউ এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেন। এক্ষেত্রে ডিপ্লোমা পাঠ্যক্রমে উত্তীর্ণদের দেওয়া হয় মেডিকেল কলেজের সনদ।

ফলে তারা প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ছাড়াই শহর ও গ্রামাঞ্চলে চেম্বার খুলে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এ নিয়ে অ্যালোপ্যাথিতে এমবিবিএস এবং সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে ৫ বছর মেয়াদি ‘ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি’ (বিএইচএমএস) সম্পন্ন চিকিৎসকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তাদের অভিযোগ-দেশে অন্য ডিপ্লোমা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইনস্টিটিউট হিসাবে পরিচিত হলেও হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রে মেডিকেল কলেজ নামকরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের নীতিমালায় ডিপ্লোমা কলেজ লেখা হলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হিসাবে অনুমোদন দিচ্ছে। পাঠদান কোর্সের নাম ‘ডিপ্লোমা ইন হোমিও মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি’ হলেও এসব প্রতিষ্ঠানে সার্জারি বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষার সুযোগ নেই।

মেডিকেল কলেজ নামকরণ হলেও হাসপাতাল না থাকায় রোগী ভর্তি করা হয় না। দু-একটি প্রতিষ্ঠানে রোগীদের রোগ নির্ণয়ে নামসর্বস্ব ল্যাব থাকলেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। অর্গানোগ্রামে সার্জারি, গাইনি ও প্যাথলজি বিষয়ে শিক্ষকের পদ থাকলেও অনেক প্রতিষ্ঠানে এসব পদ শূন্য রয়েছে।

সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (চিকিৎসা শিক্ষা শাখা) বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেসরকারি পর্যায়ে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ (ডিপ্লোমা) স্থাপনে হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের একটি নীতিমালা রয়েছে।

নীতিমালার ১০নং ধারায় বলা হয়েছে, ডিপ্লোমা কলেজে উপযুক্তভাবে সজ্জিত গবেষণাগার ও বহির্বিভাগীয় চিকিৎসা কেন্দ্র থাকবে। শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের জন্য কমপক্ষে ১০ শয্যার ইনডোর (হাসপাতাল) ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রত্যেক বিষয়ের জন্য পর্যাপ্ত বই সংবলিত গ্রন্থাগার এবং ল্যাবরেটরিতে ব্যবহারিক শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরাঞ্জাম থাকতে হবে।

কিন্তু সরেজমিন দেখা গেছে, বেসরকারি হোমিও ডিপ্লোমা কলেজে রোগী ভর্তির ব্যবস্থা এবং গবেষণাগার নেই। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হওয়ার প্রাথমিক শর্ত হলো- প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, আলট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি, রক্ত পরীক্ষা, নেবুলাইজার, স্টেরিলাইজার, মাইক্রোস্কোপ, টেস্ট টিউব, টিউব হোল্ডার, জার, উচ্চ রক্তচাপ যন্ত্রের মতো উপকরণ থাকা বাধ্যতামূলক। নীতিমালা অনুযায়ী কলেজ পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা তদারকিতে মন্ত্রণালয় ও হোমিও বোর্ডের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে টিম থাকবে। টিম প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করবে। কিন্তু সেখানে এসবের কিছুই হচ্ছে না।

সরকারি হোমিও মেডিকেল কলেজ ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করা একাধিক চিকিৎসক যুগান্তরকে বলেন, ডিএইচএমএস পাঠদানের জন্য ডিপ্লোমা কলেজ হলেও কৌশলে এটার নাম বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হিসাবে অনুমোদন নেওয়া হয়ে থাকে। অথচ অনেক কলেজের স্থাপনা বা অবকাঠামো নাই। শুধু খাতা-কলমে শিক্ষার্থী ভর্তি থাকে। যারা শুধু পরীক্ষা দিয়ে থাকেন। কোর্স করার ক্ষেত্রে বয়সের বাধ্যবাধ্যকতা না থাকায় যে কোনো বয়সে ভর্তি হয়ে ডাক্তার হওয়া যায়। যা চিকিৎসা শাস্ত্রের মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক সহকারী অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর যে যেসব প্রতিষ্ঠানে হোমিওপ্যাথিক ডিপ্লোমা দেওয়া হয় সেখানে ভর্তির বয়সসীমা নেই। যে কোনো বিভাগ থেকে এসএসসি পাশ করেই ভর্তি হওয়া যায়। এ কারণে শিক্ষার মান বজায় থাকে না। তবে আশার কথা হলো সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুমোদিত হোমিওপ্যাথিক আইনে ডিপ্লোমা চিকিৎসার মানোন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে হোমিও বোর্ডকে বয়সসীমা নির্ধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মানোন্নয়নে তেমন কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। শিক্ষার দিক থেকেও বোর্ডের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে ভর্তির বয়সসীমা ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগ বাধ্যতামূলক করা দরকার। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হাসপাতাল সুবিধা ও কারিকুলামের আধুনিকায়ন জরুরি।

হোমিও চিকিৎসকরা আরও বলেন, দেশে একটি সরকারি ও একটি বেসরকারি গ্র্যাজুয়েশন (সম্মান) হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ রয়েছে। রোগীদের চিকিৎসাদানে সরকারি হোমিও কলেজে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতালে রয়েছে। ইনডোর সার্ভিস বিভাগে গাইনি অ্যান্ড অবস, মহিলা, শিশু, পুরুষ, মেডিসিন ও সার্জারি ওয়ার্ডে জটিল ও পুরোনো রোগে আক্রান্তদের ভর্তির সুযোগ রয়েছে। প্রতিদিন বহির্বিভাগে গাইনি, শিশু, পুরুষ রোগীদের সেবা ছাড়াও জরুরি বিভাগে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগ শনাক্তে হাসপাতালের নিজস্ব ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। সেখানে আলট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি ও এক্সরেসহ প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সারা দেশে ৬৩টি বেসরকারি ডিপ্লোমা হোমিও কলেজ নামধারী প্রতিষ্ঠানে এসবের কিছুই নেই। ফলে সেখান থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে রোগী সেবা দিলে ভুল চিকিৎসা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ কুমার রায় যুগান্তরকে বলেন, এ চিকিৎসা সেবাটি যুগ যুগ ধরে চললেও এর তেমন উন্নয়ন হয়নি। যদিও দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ হোমিও সেবা নেন। আরেকটি বিষয় হলো-হোমিওপ্যাথি অ্যাক্ট, অর্ডিন্যাস ও রেগুলেশনে ডিপ্লোমা নয়, বরং হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল লেখা রয়েছে। সব কলেজে হাসপাতালে ইনডোর ও আউটডোর থাকার কথা। কিন্তু অনেক জায়গায় বেড থাকলেও রোগী ভর্তির ব্যবস্থা নেই। এ ব্যাপারে একটি আইন সম্প্রতি কেবিনেটে পাশ হয়েছে। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কলেজের পরিবর্তে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ নামকরণে আইন সচিবের সঙ্গে সভা হয়েছে। ডিপ্লোমা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যায়ক্রমে ডিগ্রি সমমানের হলে হোমিও মেডিকেল কলেজ হবে। সেখানে বিএইচএমএস ও ডিএইচএমএস দুটোই পড়ানো হবে। কিন্তু বাজেট বরাদ্দ কম থাকায় মানোন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে না।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এনায়েত হোসেন বলেন, চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলো দেখভাল করতে কিছুদিন হলো স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর যাত্রা শুরু করেছে। অধিদপ্তর খোঁজা নিয়ে জানতে পেরেছে হোমিওসহ অন্যান্য দেশজ চিকিৎসা শিক্ষা অনেকটা বিশৃঙ্খল অবস্থায় চলছে। তবে অল্টারনেটিভ মেডিকেল কেয়ারের শাখায় হোমিওপ্যাথি বোর্ডের ব্যাপারে নতুন একটা আইন হচ্ছে। আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং হয়েছে। এটা হয়ে গেলে রেগুলেশন অনুযায়ী নজরদারিতে আনা হবে। হোমিও চিকিৎসা শিক্ষার মনোন্নয়নের চেষ্টা করা হবে। তখন ডিপ্লোমা কারিকুলাম ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো সম্ভব হবে।

হাবিপ্রবিতে শুরু হলো সশরীরে প্রাকটিক্যাল ক্লাস : দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর শুরু হলো দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস। প্রথম দিন প্রাকটিক্যাল ক্লাস হয়েছে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে খুলে দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো।

হাবিপ্রবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শ্রীপতি সিকদার জানান, বৃহস্পতিবার প্রাকটিক্যাল ক্লাসসমূহ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে শুরু হয়েছে। তিনি জানান, গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ভবনে এমনকি বিভিন্ন প্রাকটিক্যাল ক্লাসরুমগুলোতেও ভর্তি পরীক্ষার সিট বসানো হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর বিজ্ঞান (এ) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

আগামী ২৪ অক্টোবর বাণিজ্য (বি) এবং আগামী ১ নভেম্বর মানবিক (সি) ইউনিটের পরীক্ষা রয়েছে। যেসব কক্ষে সিট বসানো হয়েছে সেসব কক্ষে প্রাকটিক্যাল ক্লাসও শুরু হয়নি। ভর্তি পরীক্ষা শেষ হলেই যথারীতি সশরীরে সব ক্লাস শুরু হবে বলে তিনি জানান। তিনি জানান, একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত হচ্ছে- আপাতত শিক্ষার্থীদের থিওরি ক্লাসগুলো চলবে অনলাইনে এবং প্রাকটিক্যাল ক্লাসসমূহ সশরীরে অনুষ্ঠিত হবে।

দর্শকপ্রিয়তায় ‘নয়নতারা বিদ্যালয়’

স্কুলের নাম নয়নতারা বিদ্যালয়। ২০ বছর আগে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী ড. মো. খায়রুল আলম কিংবা এ গল্পের মাস্টার দাদু।

স্কুলটা আর ৫টা স্কুলের মতো নয় বলেই এটা দেশসেরা স্কুল। এখানে নিয়মের কড়াকাড়ি থেকে বেশি। আছে আন্তরিকভাবে শিক্ষাদানের অভ্যেস।

এখানে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার পাশাপাশি শুদ্ধ জীবন চর্চা করে- আর্ট-কালচার চর্চার মাধ্যমে। এদের মধ্যে কেউ বা বিজ্ঞানী আবার কেউ বা গোয়েন্দা বা খেলোয়াড়। আর ওদের সবসময় ঘিরে থাকে মাস্টার দাদু আর স্কুলের অন্য শিক্ষকরা।

এ ছেলেমেয়েদের মধ্যে দুটো দল আছে- সুপার সিক্স এবং ওদের বিপরীতে শানুদের দল। শানুদের দল সবসময় লেগে থাকে সুপার সিক্সের যে কোনো বিষয়ে কীভাবে ওদের হারানো যায়।

কিন্তু সুপার সিক্সের সঙ্গে কখনই পেরে ওঠে না শানুদের দল। বরং উল্টো ওরা নিজেরাই বিপদে পড়ে। তারপরও থেমে থাকে না শানুদের দল। চলতে থাকে ওদের খুঁনসুটি। এগিয়ে যায় গল্প।

উপরের গল্পটা একটি ধারাবাহিক নাটকের। এটির নাম ‘নয়নতারা বিদ্যালয়’; যা গত ১ অক্টোবর থেকে একমাত্র শিশুতোষ টেলিভিশন চ্যানেল দুরন্ত টিভিতে প্রচার শুরু হয়। ৩০ পর্ব দৈর্ঘ্যের এ নাটকটি এরইমধ্যে দর্শকের মনযোগ আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ নাটকে প্রায় ৩০ জন শিশুশিল্পী অভিনয় করেছেন; যারা প্রত্যেকেই অডিশনের মাধ্যমে নির্বাচিত। ইতোমধ্যে নাটকটির নিয়মিত দর্শকরা এ ধারাবাহিক নাটকটির সেকেন্ড সিজন দেখার আশাব্যক্ত করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শিশু শিল্পীদের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন- খায়রুল আলম সবুজ, সাজু খাদেম, মায়মুনা ফেরদৌস মম, সুজন হাবিব, হাসনাত রিপন, সানজিদা মিলা, এসএম আশরাফুল আলম, পরশ লোদী, লোপা নাহার প্রমুখ।

নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন রাকেশ বসু। দুরন্ত টিভির প্রযোজনায় নাটকটি প্রতিদিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিট, রাত ৮টায় এবং রাত ১২টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে।

আইপিএলে আসছে রোনাল্ডোর ম্যানইউ

বিশ্বব্যাপী যে কয়টি টি-টোয়েন্টি ফ্রাঞ্চাইজি লিগ হয় তমধ্যে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) সর্বাধিক জনপ্রিয়। সবচেয়ে বেশি জাঁকজমকও।

এর অন্যতম কারণ এতে বিপুল অর্থ লগ্নি হয়। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবর অনুযায়ী, বিপুল অর্থের ছড়াছড়ি হয় আইপিএলে। ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) আয়ের বড় একটা অংশ আসে আইপিএল থেকে।

তাই আইপিএলের কলেবর আরো বাড়াতে আগামী আসরে নতুন দুটি দল সংযুক্ত হতে যাচ্ছে। ৮ দলের টুর্নামেন্ট পরিণত হবে ১০ দলে। সেই পরিকল্পনায় দরপত্র আহ্বান করেছে বিসিসিআই। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েছে বড় বড় অনেক প্রতিষ্ঠান।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবর, আইপিএলে দল নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ‘গ্লেজার পরিবার’। বিশ্বের সেরা ফুটবল দলগুলোর মধ্যে অন্যতম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মালিক এই গ্লেজার পরিবার।

তার মানে আইপিএলে ঢুকতে চাচ্ছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ক্লাব ম্যানইউ!

জানা গেছে, ভারতীয় বোর্ডের কাছ থেকে একটি বেসরকারি ফার্মের মাধ্যমে ইনভাইটেশন টু টেন্ডার (আইটিটি) নিয়েছে গ্লেজার পরিবার। আইপিএলের নতুন দল কেনার দরপত্র তোলার শেষ তারিখ ছিল ২০ অক্টোবর। ম্যানইউর মালিক দরপত্র তুলেছেন। অন্যতম জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগের অংশ হতে চাইছে তারা।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মালিক ছাড়াও দরপত্র তুলেছে আদানি গ্রুপ, টরেন্ট ফার্মা, অরবিন্দ ফার্মা, আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপ, হিন্দুস্তান টাইমস মিডিয়া ও জিন্দল স্টিল। এছাড়া ভারতের উদ্যোক্তা রনি স্ক্রুওয়ালা এবং আরও তিন =জন দরপত্র তুলেছেন। আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে দরপত্র জমা দিতে হবে সবাইকে।

বিসিসিআইয়ের দেওয়া সব শর্ত অনুযায়ী, ম্যানইউর মালিক যোগ্য আবেদনকারী।

বিসিসিআই জানিয়েছে, কোনো সংস্থা আইপিএল দল কিনতে চাইলে তাদের ৩ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক লেনদেন থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তি দল কিনতে চাইলে তার অন্তত আড়াই হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি থাকতে হবে। কোনো বিদেশি সংস্থা আইপিএলের দল কিনতে বাধা নেই। তবে তাদের ভারতে ব্যবসা শুরু করতে হবে।

আর ইংলিশ ক্লাব ম্যানইউ’র কাছে এসব শর্ত পূরণ কোনো ব্যাপারই না। যদি গ্লেজার পরিবার আইপিএলে দল কিনেই ফেলে, তবে ম্যানইউ তারকা রোনাল্ডোকে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে দেখতে পাওয়া অসম্ভবের কিছু নয়।

তথ্যসূত্র: বিজনেস ইনসাইডার ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার পত্রিকা