বুধবার ,৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 625

মির্জাপুরে আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন ৮ বারের চেয়ারম্যান মন্টু

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন প্রবীণ নেতা ও আটবারের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু।

বুধবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুর রহমান খান ফারুক এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জোহাহেরুল ইসলাম এমপি স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টুর বাবা মরহুম মীর সাদৎ হোসেন। গ্রামের বাড়ি ১০নং গোড়াই ইউনিয়নের নাজিরপাড়া গ্রামে। তিনি বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

মীর এনায়েত হোসেন মন্টুর পরিবারটি আওয়ামী লীগ পরিবার। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে জড়িত। তার বড় ভাই মীর দৌলত হোসেন বিদ্যুৎ টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি, ছোট ভাই মীর শরীফ মাহমুদ মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ছোট ছেলে মীর মইন হোসেন রাজিব টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের সহসম্পাদক।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু ১৯৮৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার ১০নং গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০২১ সাল বর্তমান পর্যন্ত মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের টানা তিনবারের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির টানা ১৭ বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

গত ১৬ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে টানা চারবারের এমপি জনপ্রিয় নেতা এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন এমপি অসুস্থজনিত কারণে মারা যান। তিনি মারা যাওয়ার পর মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ শূন্য হয়।

মঙ্গলবার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সভাপতির শূন্যপদে সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টুকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু বলেন, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একাব্বর হোসেন এমপি যেভাবে দলকে সুসংগঠিত করে গেছেন, আমিও চেষ্টা করব সবার সহযোগিতায় দলকে আরও শক্তিশালী করতে।

 

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক সামরিক শাসক চুন ডো হোয়ান মারা গেছেন

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট চুন ডো হোয়ান (৯০) মারা গেছেন বলে তার এক সহযোগী নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে সিউলে নিজের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন চুন। চার দশক আগে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি দেশটির ক্ষমতা দখল করেছিলেন। খবর রয়টার্সের।

১৯৭৯ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসা চুনের ৮ বছরের শাসনামলজুড়েই গণতন্ত্রপন্থিদের ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা গেছে।

১৯৮০ সালে গোয়াংজুতে সেনাবাহিনীর চালানো ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের জন্য পরবর্তী সময় তিনি দোষীও সাব্যস্ত হন।

আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও হাইকোর্টে তার সাজা কমে যায়। গোয়াংজুর ওই হত্যাযজ্ঞে হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর প্রাণ গেছে বলে ধারণা করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট রোহ তায়ে উর মৃত্যুর মাসখানেক পর চুনের মৃত্যু হলো। ১৯৭৯ সালের অভ্যুত্থানে রোহ চুনের সহযোগী ছিলেন।

গত শতকের ৯০ দশকের মাঝামাঝি চলা বিচারে চুন তার কর্মকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেছিলেন, দেশকে রাজনৈতিক সংকটের হাত থেকে রক্ষা করতেই তাকে অভ্যুত্থানের পথ বেছে নিতে হয়েছিল।

গণতন্ত্র সম্মেলনে আমন্ত্রিত দেশের চূড়ান্ত তালিকায় নেই বাংলাদেশ

আগামী ৯ ও ১০ ডিসেম্বর ভার্চুয়ালি গণতন্ত্র সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ সম্মেলনে ১১০টির বেশি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সম্মেলনে পাকিস্তান, ইরাকের মতো দেশ দাওয়াত পেলেও তালিকায় নেই বাংলাদেশের নাম।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে দেওয়া তালিকা থেকে এ তথ্য জানা যায়। খবর এনডিটিভির।

ওয়েবসাইটে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, চীন দাওয়াত না পেলেও সম্মেলনে তাইওয়ানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ পদক্ষেপ চীনকে ক্ষুব্ধ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তালিকায় রাখা হয়নি তুরস্কক ও রাশিয়াকে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুধু ইসরাইল ও ইরাক আমন্ত্রণ পেয়েছে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য। মিসর, সৌদি আরব, জর্ডান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মিত্রদের দাওয়াত দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে এ সম্মেলনে আমন্ত্রিতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল পলিটিকো ম্যাগাজিন। সেখানেও বাংলাদেশের নাম ছিল না বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বাইডেন পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ে তার প্রথম ভাষণে গণতন্ত্র সম্মেলন আয়োজনের অঙ্গীকার করেন। বিশ্বব্যাপী রাশিয়া ও চীনসহ গোটা বিশ্বে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিস্তার ঘটার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্মেলনের আয়োজন করছেন।

আমন্ত্রিতদের তালিকা দেখুন এ লিংকে

চলতি বছরের ডিসেম্বরে আমন্ত্রিত দেশগুলোর নেতারা গণতন্ত্র, ব্যক্তিগত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করবেন। এক বছর পর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি যাচাই করতে আরেকটি ফলোআপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। মহামারি পরিস্থিতির উন্নতি হলে দেশগুলোর নেতাদের সশরীরে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

সূচকের পতনে শেষ হলো পুঁজিবাজারে লেনদেন

এ সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই চিত্রে লেনদেন শেষ হয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিন ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৭ হাজার ১৩ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে অবস্থান করে ২৬৬০ ও ১৪৬৮ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে দর বেড়েছে ১৫৬টির, দর কমেছে ১৭৬টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি কোম্পানির।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক ৪৩ পয়েন্ট কমে ২০ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

খেলাপি ঋণ আবারো ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

ব্যাংক খাতে খেলাপি কমাতে ঋণ পরিশোধের জন্য নানা রকম সুবিধা দিয়েও এর লাগাম টানা যাচ্ছে না। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণ আবারো এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। গত সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে ১ লাখ ১৬৮ কোটি টাকায় উঠেছে। যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৯৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে এক লাখ এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। যা মোট ঋণের ৮ দশমিক ১২ শতাংশ। করোনার শুরুর বছর ২০২০-এর ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ ছিল ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। সে হিসাবে চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১২ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা।

করোনা মহামারিতে অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় গত বছর ঋণ গ্রহীতারা কোনো টাকা পরিশোধ না করলেও তাকে খেলাপি দেখাতে পারেনি ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণ পরিশোধে একরকম ছাড় দিয়ে রেখেছে। এই ছাড়ের কারণে চলতি বছর একজন গ্রাহকের যে পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করার কথা, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তার ২৫ শতাংশ পরিশোধ করলেও তাকে আর খেলাপি করা যাবে না। এরপরও খেলাপি ঋণ বাড়ছে।

খালেদা জিয়ার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

তার শারীরিক নানা জটিলতার মধ্যে এই মুহূর্তে লিভারের সমস্যাই সবচেয়ে প্রকট বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে তার কেবিন ব্লকের সামনে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হিমোগ্লোবিন কমে যায়। তবে চিকিৎসকরা রক্ত দেওয়ার পর তার শারীরিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। কিছুক্ষণ আগে তিনি হেঁটেই ওয়াশরুম ব্যবহার করেছেন। ম্যাডামের সিসিইউতে আমি প্রায় এক ঘণ্টা ছিলাম। সেখানে ডা. এফএম সিদ্দিকীসহ অন্য চিকিৎসকরা আছেন। বিকেলের দিকে ম্যাডামের হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ায় শরীরের অবস্থা ফ্লাকচুয়েট হয়েছিল। পরে উনাকে রক্ত দেওয়া হয়। এখন আগের অবস্থায় আছেন তিনি।’

বিএনপির ঢাকা মহানগর (উত্তর) আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘ম্যাডামের অবস্থা ভালো নয়। তার উন্নত চিকিৎসা দরকার। ম্যাডামের এখন বিদেশে নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। দেশের চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।’

পরে রাত সোয়া ১১টার দিকে বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে হাসপাতাল ত্যাগ করেন আমান উল্লাহ আমান।

কর্মসূচি ঠিক করতে বিএনপির যৌথ সভা দুপুরে

দলীয় পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারনে যৌথ সভা ডেকেছে বিএনপি। বুধবার দুপুর ১ টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকরা উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, গুরুতর অসুস্থ দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার দাবিতে করণীয় এবং পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে তা ঠিক করতে এ সভা ডাকা হয়েছে।

এর আগে রোববার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে আরও কর্মসূচি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে পাঠানোর দাবিতে পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে মহাসচিবকে পরবর্তী কর্মসূচি নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা

দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের উত্তরাঞ্চলের কোথাও কোথাও এবং নদী অববাহিকা এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। খবর বাসসের।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ বিহার ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর থেকে আগত লঘুচাপের বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

দিনাজপুর ও শ্রীমঙ্গলে মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় উত্তরাঞ্চলে শীতের আমেজ দেখা দিয়েছে।

ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

গত সোমবার খুলনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গণতন্ত্র সম্মেলনে আমন্ত্রিত দেশের চূড়ান্ত তালিকায় নেই বাংলাদেশ

আগামী ৯ ও ১০ ডিসেম্বর ভার্চুয়ালি গণতন্ত্র সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ সম্মেলনে ১১০টির বেশি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সম্মেলনে পাকিস্তান, ইরাকের মতো দেশ দাওয়াত পেলেও তালিকায় নেই বাংলাদেশের নাম।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে দেওয়া তালিকা থেকে এ তথ্য জানা যায়। খবর এনডিটিভির।

ওয়েবসাইটে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, চীন দাওয়াত না পেলেও সম্মেলনে তাইওয়ানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ পদক্ষেপ চীনকে ক্ষুব্ধ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তালিকায় রাখা হয়নি তুরস্কক ও রাশিয়াকে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুধু ইসরাইল ও ইরাক আমন্ত্রণ পেয়েছে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য। মিসর, সৌদি আরব, জর্ডান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মিত্রদের দাওয়াত দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে এ সম্মেলনে আমন্ত্রিতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল পলিটিকো ম্যাগাজিন। সেখানেও বাংলাদেশের নাম ছিল না বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বাইডেন পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ে তার প্রথম ভাষণে গণতন্ত্র সম্মেলন আয়োজনের অঙ্গীকার করেন। বিশ্বব্যাপী রাশিয়া ও চীনসহ গোটা বিশ্বে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিস্তার ঘটার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্মেলনের আয়োজন করছেন।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে আমন্ত্রিত দেশগুলোর নেতারা গণতন্ত্র, ব্যক্তিগত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করবেন। এক বছর পর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি যাচাই করতে আরেকটি ফলোআপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। মহামারি পরিস্থিতির উন্নতি হলে দেশগুলোর নেতাদের সশরীরে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

ইউরোপে আরও ২০ সহস্রাধিক বাংলাদেশির বসবাসের অনুমতি

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে গত ২০২০ সালে ২০ হাজার ২৩০ বাংলাদেশি প্রথম রেসিডেন্ট কার্ড বা বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিটি দেশই বাংলাদেশিদের অবস্থান রয়েছে এবং প্রতি বছরই এ সংখ্যা বাড়ছে।

ইইউর পাঁচ দেশে ২০২০ সালে সর্বোচ্চসংখ্যক নতুন আগত বাংলাদেশি প্রথমবারের মতো তাদের রেসিডেন্ট কার্ড বা বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— ইতালিতে ৬ হাজার ৪১৩ জন, ফ্রান্সে ২ হাজার ৪৩৯ এবং পর্তুগাল ২ হাজার ১৫৪, স্পেন ১ হাজার ৫৪৫, সুইডেন ১ হাজার ৪৫০ জন। এ ছাড়া জার্মানিতে ১ হাজার ৩৫৬, গ্রিসে ৭২৬, ক্রোয়েশিয়া ৬২৩, সাইপ্রাস ৪৩৭ জন এবং নেদারল্যান্ডসে ৪০৫ জনসহ অবশিষ্ট অন্য দেশগুলোতে রয়েছেন।

তবে গত ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৭ হাজার ৮৩৭ জন। তুলনামূলকভাবে ২০২০ সালের সংখ্যাটা কম হলেও মহামারী অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তা বেশি বলা চলে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে যোগাযোগ করে জানা গেছে, অনেক বাংলাদেশি অভিবাসী প্রয়োজনীয় সব কিছু সম্পন্ন করার পরও মহামারীর কারণে নির্দিষ্ট সময়ে তারা তোদের প্রথম রেসিডেন্ট কার্ডের অনুমোদন পাননি। গত ২০১৯ সালের ইউরোপীয় ইউনিয়নের হিসাব অনুযায়ী শুধু ইতালিতে ৯ হাজার ৯০৬ বাংলাদেশি বসবাসের অনুমতি বা প্রথম রেসিডেন্ট কার্ড পেয়েছেন।

যদিও আমাদের বাংলাদেশিদের আগমনের শীর্ষে ইতালি, ফ্রান্স ও পর্তুগাল থাকলেও। ইউরোপীয় ইউনিয়নে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের মোট হিসাব অনুযায়ী দেখা যায় যে, একই সময়ে পোল্যান্ড পাঁচ লাখ ৯৮ হাজার হিসাবে ইউরোপের সবচেয়ে বেশি প্রথম রেসিডেন্ট কার্ড ইস্যু করেছে। জার্মানি তিন লাখ ১৩ হাজার এবং স্পেন ৩ লাখ ১৩ হাজার হিসাবে পরবর্তী সময় অবস্থানে রয়েছে।

উল্লেখ্য, যে ইইউতে ২০২০ সালে সর্বমোট ২২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৬২ বিদেশি নাগরিককে প্রথম রেসিডেন্ট পারমিট বা বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।