সোমবার ,৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 626

শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্ষমতা ভালো রাখতে ৫ খাবার

আমরা যে খাবার খাই তা কেবল আমাদের স্বাদই মেটায় না; বরং আমাদের শরীরকে পুষ্ট করে এবং অভ্যন্তরীণ সিস্টেমকে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে সহায়তা করে।

বিভিন্ন খাবার আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ মেরামত করে, অঙ্গগুলোর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে, মেজাজকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং চাপ কমায়।

হলিস্টিক লাইফস্টাইল এবং ওয়েলনেস কোচ লুক কৌতিনহোর মতে, আমরা যে খাবার খাই তা অভ্যন্তরীণ অঙ্গ মেরামত ও ডিএনএ স্বাস্থ্য ভালো রাখার মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী এবং জেনেটিক রোগ থেকে আমাদের প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনের আলোকে জেনে নিন, ৫ সুপারফুড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

১. হলুদ
হলুদে কারকিউমিন নামক একটি সক্রিয় যৌগ থাকে যেটির অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর এর কারণে এটি ত্বক, হার্ট, জয়েন্ট ও অন্যান্য অঙ্গের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। নিয়মিত হলুদ খাওয়ার ফলে তা ক্যান্সার, আলঝেইমার বিষণ্নতা ও আর্থ্রাইটিসের মতো জটিল রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

২. ডালিম
ডালিম হল স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি, যা আপনাকে সুস্থ ও ফিট থাকতে সহায়তা করবে। এতে ভিটামিন সি, আয়রন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফোলেট, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন কে থাকে। আর ডালিমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য হৃদরোগ, ক্যান্সার, আর্থ্রাইটিস ও অন্যান্য প্রদাহজনক অবস্থাসহ বিভিন্ন গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি কমাতে পারে।

৩. গ্রিন টি
গ্রিন টি একটি রিফ্রেশিং ও হাইড্রেটিং পানীয় ছাড়াও এটি পলিফেনল (প্রাকৃতিক যৌগ) সমৃদ্ধ, যা প্রদাহ কমাতে এবং ক্যান্সারের মতো অনেক গুরুতর রোগের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে। গ্রিন টি পান করলে মেটাবলিজম বাড়াতে পারে এবং ক্যালোরি বার্ন হতে সাহায্য করতে পারে। তাই নিয়মিত এই পানীয়টি পান করলে তা ফ্রি র্যাডিক্যালের গঠন কমাতে এবং র্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে কোষকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে।

৪. মাশরুম
মাশরুম হচ্ছে আরেকটি দুর্দান্ত খাবার, যেটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে ক্যালোরি কম, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন ডি, আয়রন, সেলেনিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই নিয়মিত মাশরুম খেলে তা বিভিন্ন গুরুতর রোগ যেমন আলঝেইমার, হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

৫. নারিকেল তেল
নারিকেল তেলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যগুলো ত্বকের অবস্থা, মৌখিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে, দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। এ ছাড়া নারিকেল তেল শক্তিরও একটি দুর্দান্ত উত্স আর এটি আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ রাখতে সাহায্য করতে পারে।

পায়রা বন্দরে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ

শূন্যপদে জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে ৯ ভিন্ন পদে ১১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ২৮ নভেম্বর থেকে আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (শিপ অ্যান্ড ইয়ার্ড)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০ থেকে ৫৩,০৬০

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (হিসাব)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞান/ফিন্যান্স/মার্কেটিং/ব্যবস্থাপনা/অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০ থেকে ৫৩,০৬০

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (অডিট)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞান/ফিন্যান্স/মার্কেটিং/ব্যবস্থাপনা/অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০ থেকে ৫৩,০৬০

পদের নাম: একান্ত সচিব
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ১৬,০০০ থেকে ৩৮,৬৪০

পদের নাম: ফার্মাসিস্ট
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: ফার্মাসি কাউন্সিল থেকে ৩ অথবা ৪ বছরের ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট।
বেতন: ১২,৫০০ থেকে ৩০,২৩০

পদের নাম: ট্রাফিক ইন্সপেক্টর
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস হতে হবে।
বেতন: ১১,০০০ থেকে ২৬,৫৯০

পদের নাম: সিনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস হতে হবে।
বেতন: ১০,২০০ থেকে ২৪,৬৮০

পদের নাম: উচ্চ বহিঃসহকারী
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস হতে হবে।
বেতন: ১০,২০০ থেকে ২৪,৬৮০

পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদ সংখ্যা: ৩ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস হতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০ থেকে ২২,৪৯০

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://ppa.teletalk.com.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

আবেদনের শেষ সময়: ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে দাঁড়ানোর প্রতিজ্ঞা ইবির

নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখনো পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অর্জন রয়েছে আমরা এতেই সন্তুষ্ট থাকতে চাই না। আমরা দেশের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে দাঁড়াতে চাই। শ্রেষ্ঠতর হতে শ্রেষ্ঠতম হতে চাই। শুধু উদযাপনের দিন নয়, আজ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার দিন। আমাদের নিজের কাছেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে যে, আমাদের প্রতিষ্ঠান, স্বদেশ ও জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে আমরা যার যার দায়িত্ব পালন করে যাব।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে মেগা প্রকল্পের অধীনে ব্যাপক অবকাঠামোগত নির্মাণ ও সম্প্রসারণ কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যেই দুটি দশতলা আবাসিক হলের নির্মাণকাজ চলছে। আরও একটি দশতলা হল নির্মাণ করা হবে। আবাসিক হলগুলোর নির্মাণ শেষ হলে নতুন করে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। এতে শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা অনেকাংশে কমবে।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্তকরণ ও বেলুন উড়ানো হয়। পরে এক বর্ণাঢ্য র্যা লি বের হয়। র্যা লিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ‘বাংলা মঞ্চে’ আলোচনাসভায় মিলিত হয়।

আলোচনা শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয় ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

এ দিকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ, সাদা দল ও ছাত্রদল। তারা পৃথকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

প্রিয়াংকা-নিকের বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জন!

বলিউড তারকা প্রিয়াংকা বিয়ের পরেই স্বামী নিক জোনাসের পদবিজুড়ে দিয়েছিলেন নিজের নামের পাশে।

ইনস্টাগ্রাম, টুইটারে জ্বল জ্বল করছিল ‘প্রিয়াংকা চোপড়া জোনাস’। আচমকাই সেই নামে পরিবর্তন। উধাও ‘জোনাস’।

কিন্তু হঠাৎ ফিরে গেলেন নিজের নামে। এই নাম পরিবর্তন কেন? ভক্ত-অনুরাগীদের মনে পড়ে যাচ্ছে, মাস কয়েক আগে দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা প্রভু তার এবং নাগা চৈতন্যের বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণার আগে ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে নিজের নাম পরিবর্তন করেছিলেন।

তবে কি প্রিয়াংকাও সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছেন? বলিউড তারকা ও আমেরিকার গায়কের বিয়েও কি ভাঙার পথে? খবর দ্য সানের।

ইতোমধ্যে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। নানা প্রশ্ন করছেন তারা। তবে প্রিয়াংকার মা এই খবর ‘ভুয়া’ বলে দাবি করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ভুয়া তথ্য রটাবেন না। এসব আজগুবি!’

মাস কয়েক আগে পরিচালক-প্রযোজক-অভিনেতা কমল আর খান ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করেছিলেন এ তারকা দম্পতিকে নিয়ে।

তার দাবি ছিল— ‘আগামী ১০ বছরের মধ্যে নিক ও প্রিয়াংকার বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে।’ তবে কি সে কথাই সত্যি হতে চলেছে? প্রিয়াংকার মায়ের কথায় যদিও খানিক স্বস্তি ফিরল ভক্তদের মনে।

একুশের গ্রন্থমেলায় আসছে শানুর উপন্যাস

মডেল ও অভিনেত্রী শানারেই দেবী শানু অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই লেখালেখির কাজ করছেন।

২০১৭ সালের একুশের গ্রন্থমেলা দিয়ে তার লেখক হিসেবে যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে প্রতি বছরই বই মেলায় তার উপন্যাস ও কবিতার বই প্রকাশ হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী একুশের বই মেলাতে আসছে তার নতুন একটি উপন্যাস।

নাম চূড়ান্ত না হওয়া এই উপন্যাসটির লেখার কাজ সম্প্রতি শেষ করেছেন শানু। এখন চলছে সম্পাদনার কাজ। শিগগিরই এটির নাম চূড়ান্ত করবেন এই অভিনেত্রী।

এ প্রসঙ্গে শানু বলেন, ‘ আমি চেষ্টা করছি লেখার। কতটুকু সাবলীল লিখতে পারছি তা পাঠকই ভালো বলতে পারবেন। তবে এর আগের কবিতার বই কিংবা উপন্যাসের জন্য পাঠকদের কাছে থেকে ভালো সাড়া পেয়েছি। আশা করছি আগামী মেলায় যে উপন্যাসটি প্রকাশ হবে সেটিও পাঠকদের ভালো লাগবে।’

এদিকে সব সময়ের মতো অভিনয়েও ব্যস্ততা আছে এই অভিনেত্রীর। নাটকে নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছেন। কিছুদিন আগে ‘ঢেউ’ নামের একটি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন।

রান যেন অমাবস্যায় পূর্ণিমার চাঁদ

১২৭, ১০৮ ও ১২৪। চার, আট ও পাঁচ উইকেটে হার। নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের প্রসন্নতা উধাও। বিশ্বকাপের ব্যাটিং ব্যর্থতা মিরপুরে টেনে এনে মাহমুদউল্লাহরা টি ২০ সিরিজ শেষ করলেন হোয়াইটওয়াশ হয়ে। শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল আট রান। মাহমুদউল্লাহ নিজে বল হাতে তুলে নিয়ে এক ওভারে তিন উইকেট নিলেও বাবর আজমদের জয় আটকাতে পারেননি। প্রতিপক্ষ কোচ সাকলাইন মুশতাক এজন্য বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। ‘আমি সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দেব বাংলাদেশকে। এখানকার কন্ডিশন আরব আমিরাত থেকে একেবারে আলাদা। এই কন্ডিশনেও আমাদের ছেলেদের আত্মবিশ্বাস ছিল তুঙ্গে। ওরা নিজেদের দক্ষতার প্রয়োগ ঘটিয়েছে চমৎকারভাবে। ছেলেরা চেষ্টা করছে। সহায়তা করছে পরস্পরকে। একে অন্যের সান্নিধ্য উপভোগ করছে। কঠোর পরিশ্রমে তারা একে অন্যকে ভালো করার প্রেরণা জোগাচ্ছে,’ বলেছেন পাকিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ সাকলাইন।

মাহমুদউল্লাহর প্রতিক্রিয়া, ‘দুদলেরই ব্যাটারদের বেগ পেতে হয়েছে রান তুলতে। এই উইকেটে শুরুতেই রানের জন্য মরিয়া না হয়ে ক্রিজে নিজেকে সময় দেওয়াটাই বিচক্ষণতার পরিচয়।’ অধিনায়কের কথার প্রতিফলন দেখা যায়নি গোটা সিরিজে। বাংলাদেশের ব্যাটাররা যেন রান করতেই ভুলে গেছেন। তাদের ব্যাটে রান যেন ডুমুরের ফল। বাংলাদেশ অধিনায়ক যোগ করেন, ‘নাঈম ভালো ব্যাটিং করেছে। হাতে চোট পাওয়ার পরও তাসকিন যেভাবে ফিরে এসেছে, আমি তার প্রশংসা করি। দারুণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে সে।’ বাবর আজম ৩-০তে টি ২০ সিরিজ জেতার জন্য কৃতিত্ব দেন তার খেলোয়াড়দের। তিনি বলেন, ‘উন্নতির সুযোগ থাকে সব সময়। যেমন আমরা ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করেছি। মিডল অর্ডার আমাদেরকে ম্যাচ জেতাচ্ছে। ভুল যা-ই করি না কেন, আমাদের পরিকল্পনা থাকে সেই ভুলের যেন পুনরাবৃত্তি না হয়। টেস্ট সিরিজে এই মোমেন্টাম আমরা ধরে রাখতে চাই।’

ম্যাচসেরা হায়দার আলীর মতে, ‘ব্যাট করার জন্য উইকেট ছিল দুরূহ।’ সিরিজসেরা মোহাম্মদ রিজওয়ানও উইকেট নিয়ে অভিন্ন অভিযোগ করেন। সেই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে, ‘আমরা যখনই দেশের বাইরে কোথাও খেলতে যাই, ভিন্ন উইকেট পাই। কিন্তু আমরা প্রক্রিয়াটা ঠিক রাখি।’ টি ২০ বিশ্বকাপে ২৮১ রান করা কিপার-ব্যাটার রিজওয়ান বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি ২০ সিরিজে ৯০ রান করেন। বিশ্বকাপেই এক পঞ্জিকাবর্ষে এক হাজারের বেশি রান করেন তিনি টি ২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে। বাংলাদেশের বিপক্ষে সোমবার টি ২০ সিরিজ শেষে এ বছর রিজওয়ানের মোট সংগ্রহ ১,১২৩ রান।

স্কোর কার্ড

বাংলাদেশ

রান বল ৪ ৬

নাঈম ক ও ব ওয়াসিম ৪৭ ৫০ ২ ২

নাজমুল ব শাহনাওয়াজ ৫ ৫ ১ ০

শামীম ক ইফতেখার ব উসমান ২২ ২৩ ৪ ০

আফিফ ক রিজওয়ান ব উসমান ২০ ২১ ০ ২

মাহমুদউল্লাহ ক ওয়াসিম ব হারিস ১৩ ১৪ ১ ০

নুরুল ক উসমান ব ওয়াসিম ৪ ২ ১ ০

মেহেদী নটআউট ৫ ৩ ১ ০

আমিনুল রানআউট ৩ ২ ০ ০

অতিরিক্ত ৫

মোট (৭ উইকেটে, ২০ ওভারে) ১২৪

উইকেট পতন : ১/৭, ২/৩৭, ৩/৮০, ৪/১১১, ৫/১১৬, ৬/১১৬, ৭/১২৪।

বোলিং : মোহাম্মদ নওয়াজ ১-০-২-০, শাহনাওয়াজ দাহানি ৩-০-২৪-১, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ৪-০-১৫-২, হারিস রউফ ৪-০-৩২-১, ইফতেখার আহমেদ ৪-০-১৩-০, উসমান

কাদির ৪-০-৩৫-২।

পাকিস্তান

রান বল ৪ ৬

রিজওয়ান ব শহীদুল ৪০ ৪৩ ২ ১

বাবর ক নাঈম ব আমিনুল ১৯ ২৫ ২ ০

হায়দার ক নাজমুল ব মাহমুদউল্লাহ ৪৫ ৩৮ ৩ ২

সরফরাজ ক নাঈম ব মাহমুদউল্লাহ ৬ ১২ ০ ০

ইফতেখার ক বদলি ব মাহমুদউল্লাহ ৬ ২ ০ ১

খুশদিল নটআউট ০ ০ ০ ০

নওয়াজ নটআউট ৪ ১ ১ ০

অতিরিক্ত ৭

মোট (৫ উইকেটে, ২০ ওভারে) ১২৭

উইকেট পতন : ১/৩২, ২/৮৩, ৩/১১৭, ৪/১১৭, ৫/১২৩।

বোলিং : মেহেদী হাসান ৪-০-১৯-০, তাসকিন আহমেদ ৩.১-০-১৬-০, নাসুম আহমেদ ৪-০-২০-০, শহীদুল ইসলাম ৩.৫-০-৩৩-১, আমিনুল ইসলাম ৪-০-২৬-১, মাহমুদউল্লাহ ১-০-১০-৩।

ফল : পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : হায়দার আলী।

ম্যান অব দ্য সিরিজ : মোহাম্মদ রিজওয়ান।

শেষ মুহূর্তে সরে গেলেন নওয়াজ, ক্রিকেট আইন কী বলে?

বল ডেলিভারি দেওয়ার পর একিবারে শেষ মুহূতে ব্যাটসম্যানের এভাবে স্টান্স ছেড়ে সরে যাওয়া আদৌ ঠিক হয়েছে কিনা। এটা নিয়েই চলছে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা।

অনেকেই মোহাম্মদ নওয়াজের এভাবে সরে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে আবার জানতে চাচ্ছেন ক্রিকেট আইনে এভাবে সরে যাওয়া বৈধ কিনা।

ক্রিকেটের আইনে ২০.৪.২.৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি বল করার সময় ব্যাটসম্যান প্রস্তুত না থাকেন এবং বল করার পর সেটা খেলার চেষ্টা না করেন, তাহলে সে বল ‘ডেড বল’ হিসেবে গণ্য করা হবে। আম্পায়ার যদি বিশ্বাস করেন, ওভাবে সরে যাওয়ার পেছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে, তাহলে সে বলকে ওভারের অংশ হিসেবে ধরা হবে না।

ক্রিকেটের আইনের ২১.৫ ধারা বলা আছে, বোলারের বাঁ পা অবশ্যই ক্রিজের মধ্যে এবং ক্রিজ স্পর্শ না করে থাকতে হবে। আম্পায়ারের যদি মনে হয়, এই কন্ডিশন মানা হয়নি, তাহলে নো বল ডাকতে পারবেন। কিন্তু আগেই ‘ডেড বলে’র সংকেত দেওয়ায় এ নিয়ে আলোচনার অবকাশ নেই।

সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে নিশ্চিত পরাজয়ের পথেই ছিল বাংলাদেশ। শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে জয়ের সুযোগ তৈরি করেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৮ রান। ওভারের প্রথম তিন বলে দুই উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে জয়ের স্বপ্ন দেখান মাহমুদউল্লাহ। শেষ তিন বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৮ রান। চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ পাকিস্তানের ফেবারে নিয়ে যান ইফতেখার আহমেদ। পঞ্চম বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তিনি।

শেষ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২ রান। নতুন ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নওয়াজ শেষ বলটি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। বল যখন প্রায় পিচ করছে, তখনও ব্যাটসম্যান স্টান্সেই। বল পিচ করার সঙ্গে সঙ্গেই নওয়াজ সরে যান। বল লাগে স্টাম্পে। আম্পায়ার ডেড বলের কল করেন।

নিয়ম অনুযায়ী সামনে দিয়ে কোনো পোকা বা পাখি গেলে, সাইটস্ক্রিনের সামনে বা ওপরে কেউ-কিছু নড়াচড়া করল বা মাঠেই কোনো অস্বস্তি, এরকম নানা কিছুর কারণে ব্যাটসম্যান স্টান্স থেকে সরে যেতে পারে। কিন্তু তখন এমন কিছু হয়নি।

বারবার রিপ্লে দেখে বুঝ যায়, নওয়াজ সরে গেছেন স্রেফ বল তার জোনে ছিল না বলেই। পরিস্থিতির বিবেচনায় স্টাম্পের পেছন থেকে দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলে বল করেন মাহমুদউল্লাহ। তার সেই কৌশলে বিভ্রান্ত হয়ে স্টান্স থেকে সরে দাঁড়ান নওয়াজ। নিশ্চিতভাবেই এটা অসততা।

এসব ক্ষেত্রে, সিদ্ধান্ত আম্পায়ারের ওপর। তিনিই ঠিক করবেন, ব্যাটসম্যন প্রস্তুত ছিল কী না। আম্পায়ার মনে করেছেন, এটা ডেড বল। মাহমুদউল্লাহও মেনে নিয়েছেন। ম্যাচ শেষে বলেছেন, আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

তবে আাম্পায়ার তানভীর আহমেদ যদি সেটি ডেড বল না দিয়ে আউটের সিদ্ধান্ত দিতেন তাহলে বাংলাদেশ ১ রানে জয় পেত। কিন্তু ডেড বল ডাকায় পরের বলে চার মেরে ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

নগরকান্দায় ২ প্রার্থীর সমান ভোট, পুনর্নির্বাচন বুধবার

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ফুলসুতি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে দুই প্রার্থী সমান ভোট পেয়েছেন। এ কারণে আগামীকাল বুধবার পুনরায় ওই ইউপিতে ভোটগ্রহণ হবে।

মঙ্গলবার রিটার্নিং অফিসার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ তানভীর আখতার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দ্বিতীয় ধাপে গত ১১ নভেম্বর নগরকান্দা উপজেলার ৯ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ফুলসুতি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কাওয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে সাধারণ সদস্য পদের দুজন প্রার্থী সমান ভোট পান।

ফুলসুতি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে ফজলুল হক হারুন (মোরগ প্রতীক) এবং আনোয়ার হোসেন (ফুটবল প্রতীক) সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোট গণনা শেষে তারা দুজনই পেয়েছেন ৩২৪ ভোট। দুই প্রার্থী সমান ভোট পাওয়ায় ফল স্থগিত করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা-২০১০ অনুসারে, পুনরায় ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার শেখ তানভীর আখতার। আগামীকাল ২৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সমান জনপ্রিয় দুজন প্রার্থীর মধ্যে থেকে আগামীকাল যে বেশি ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হবেন, তা জানার জন্য আগ্রহী নগরকান্দা উপজেলার সর্বস্তরের উৎসুক জনতা। এ নিয়ে এলাকার ভোটারদের মধ্যে চলছে সুক্ষ হিসাব-নিকাশ। দুই প্রার্থী আবারও সমান ভোট পাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও, খুবই কম ভোটের ব্যবধানে সদস্য (মেম্বার) নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা এলাকাবাসীর।

রিটার্নিং অফিসার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ তানভীর আখতার বলেন, ফুলসুতি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে বুধবার ভোটগ্রহণের জন্য সব রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

কিলিং টার্গেটে ছিলেন কাউন্সিলর, বুক পেট ও মাথায় ৯টি গুলি করা হয়

কুমিল্লায় মাদক ও চোরাকারবারিদের অপরাধ কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার কারণে বেশ আগে থেকেই কিলিং টার্গেটে ছিলেন কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল।

সোমবার বিকালে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে ঢুকে উপর্যুপরি গুলি করে তাকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। তার বুক, পেট ও মাথায় ৯টি গুলিবিদ্ধ হয়। খুব কাছে থেকেই তাকে গুলি করে মুখোশধারীরা।

রাতে ১৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ মিয়া জানান, কাউন্সিলর সোহেল আগে থেকেই কিলিং টার্গেটে ছিলেন, তাকে হত্যার জন্য আগে থেকেই হুমকি-ধমকি আসত, কিন্তু তিনি তা আমলে নিতেন না। খুব সাহসী ছিলেন কাউন্সিলর।

তিনি আরও জানান, মাদক সিন্ডিকেটের হোতা শাহ আলমের মাদক ও চোরাকারবারসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে বাধা প্রদানের জেরেই কাউন্সিলর সোহেলকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। আজীবন তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদ করে গেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

রাজনীতির শুরু থেকেই এ কাউন্সিলর ছিলেন মাদক ও চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন তিনি। এরই মধ্যে শীর্ষ মাদক ও চোরাকারবারি শাহ আলম গংদের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই সিন্ডিকেটের অপরাধ কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার কারণেই জীবন দিতে হলো প্রতিবাদী এ কাউন্সিলরকে।

এদিকে কাউন্সিলর সোহেলের মৃত্যুর খবর শুনে ওই ওয়ার্ডের শত শত নেতাকর্মী এবং সাধারণ লোকজন রাতে রাস্তায় নেমে আসেন। বিক্ষোভ মিছিলসহ প্রতিবাদ সমাবেশ করেন স্থানীয়রা।

অপরদিকে নগরীর ১৭নং ওয়ার্ডের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুলসংখ্যক র্যা ব, পুলিশ ও ডিবি মোতায়েন করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফারুক আহমেদসহ র্যা ব এবং পিবিআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, কুমিল্লা নগরীর ১৭নং ওয়ার্ডটি ভারত সীমান্তের অদূরে হওয়ায় এ ওয়ার্ডের আশপাশে মাদক ও চোরাকারবারিদের বেশ কিছু সিন্ডিকেট রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মো. সোহেল ছিলেন মাদক ও চোরাকারবারবিরোধী। মাদকের বিরুদ্ধে সভা সমাবেশ এবং এ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন করতেন এ কাউন্সিলর।

ওয়াজ, মাহফিল, সভা, সমাবেশ এবং মসজিদের জামাতের আগেও মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলতেন। যার ফলে মাদক কারবারি এবং সন্ত্রাসীদের টার্গেটে পরিণত হন তিনি। এরই মধ্যেই শীর্ষ মাদক সিন্ডিকেটের হোতা শাহ আলমের মাদক কারবার এবং নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডের বাধা হয়ে দাঁড়ান কাউন্সিলর সোহেল। এতে ওই সিন্ডিকেট তাকে প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে। সন্ত্রাসী শাহ আলমের নেতৃত্বে সোমবার বিকালে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে ঢুকে উপর্যুপরি গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়। তার বুক, পেট ও মাথায় ৯টি গুলিবিদ্ধ হয়। তবে কিলিং মিশনের বাকি সদস্যদের চিনতে না পারলেও মাস্টার মাইন্ড শাহ আলমকে চিনতে পারেন সবাই।

এ সময় গুলিতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য হরিপদ সাহাও নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন আরও চারজন। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আনোয়ারুল আজিম বলেন, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আমরা ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

টিকা নিন, নইলে মরতে হবে: জার্মান স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণের মধ্যে জার্মানির নাগরিকদের সতর্ক করেছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান। ভ্যাকসিন না নেওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি নাগরিকদের হুশিয়ারি দিয়েছেন, ‘টিকা নিন, নইলে মরতে হবে।’

স্থানীয় সময় সোমবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইয়েন্স স্পান বলেন, এই শীত শেষ হতে হতে হয় ভ্যাকসিন নিয়ে সুস্থ হতে হবে, নতুবা মরতে হবে। খবর বিবিসির।