শুক্রবার ,১৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 580

পাকিস্তানের জয়ের রেকর্ড

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পরপর দুই ম্যাচ জিতে একম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত করল পাকিস্তান। চলতি বছরে এ নিয়ে ১৯ টি-টোয়েন্টি জিতল বাবর আজমরা। এক বর্ষপঞ্জীতে এটাই রেকর্ড জয়।

এর আগে ২০১৮ সালে রেকর্ড ১৭ ম্যাচে জয় পেয়েছিল পাকিস্তান। নিজেদের সেই রেকর্ড ভেঙ্গে এবার নতুন ইতিহাস গড়ল বাবর আজমরা।

মঙ্গলবার করাচি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান করে পাকিস্তান। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩১ রানে ২ উইকেট হারায় উইন্ডিজ।

চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা অধিনায়ক নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে ৪৬ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়েন ওপেনার ব্রান্ডন কিং। তাদের এই জুটিতেই জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল উইন্ডিজ।

এরপর সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারায় ক্যারিবীয়রা। ২৬ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৮৫ রানে ফেরেন অধিনায়ক নিকোলাস। ১১ বলে ৪ রানে ফেরেন রোভম্যান পাওয়েল। ইনিংসের শুরু থেকে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া ব্রান্ডন কিং ফেরেন ক্যাচ তুলে দিয়ে। তার আগে ৪৩ বলে ৬টি চার ও তিন ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন তিনি।

৬ বলে ১২ রান করে ফেরেন ওডিন স্মিথ। ১৭তম ওভারে বোলিংয়ে এসে পরপর দুই বলে ডমিনিক ড্রাকস ও হিডেন ওয়ালসকে আউট করেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। নিজের ঠিক পরের ওভারে আকিল সোহেনকে রান আউট করেন শাহিন।

শেষ দিকে একের পর এক উইকেট পতনের কারণে জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হেরে যায় উইন্ডিজ।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ক্যারিবীয়দের প্রয়োজন ছিল ২৩ রান। ওভারের প্রথম বলে ডাবল আর দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাকান রোমারিও শিফার্ড। তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নেওয়ার সুযোগ পেয়েও বাউন্ডার হাঁকানোর আশায় স্টাইক বদল করেননি তিনি রোমারিও।

চতুর্থ বলে চার মেরে দলকে জয়ের কিঞ্চিত আশা জাগান শিফার্ড। জয় পেতে হলে শেষ দুই বলে ১১ রান করতে হতো ক্যারিবীয়দের। কিন্তু পঞ্চম বলে সিলেঙ্গ রানের বেশি নিতে পারেননি শেফার্ড। শেষ বলে ক্যাচ তুলে দেন ওশান থমাস। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ১৬৩ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৯ রানের জয় পায় পাকিস্তান।

এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৮ রানে ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান। তৃতীয় উইকেটে হায়দার আলীর সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি গড়ে ফেরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। আগের ম্যাচে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করা এই ওপেনার এদিন ফেরেন দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান করে।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় পাকিস্তান। ৩৪ বলে ৩১ রান করে ফেরেন হায়দার আলী। আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেন মোহাম্মদ নওয়াজ, আসিফ আলী ও মোহাম্মদ ওয়াসিমরা।

শেষ দিকে ব্যাটসম্যানদের এই আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যতিক্রম ছিলেন ইফতেখার আহমেদ ও শাদাব খান। ১৯ বলে ৩২ রান করে ফেরেন ইফতেকার।

ইনিংসের একিবারে শেষ দিকে নেমে মাত্র ১২ বলে এক চার আর ৩ ছক্কায় ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে ১৭২/৮ রানে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন লেগ স্পিনার শাদাব খান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১৭২/৮ রান (মোহাম্মদ রিজওয়ান, ৩৮, ইফতেখার আহমেদ ৩২, হায়দার আলী ৩১, শাদাব খান ২৮*)।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৬৩/ ১০ রান (ব্রান্ডন কিং ৬৭, রোমারিও শিফার্ড ৩৫*, নিকোলাস পুরান ২৬, ওডিন স্মিথ ১২; শাহিন আফ্রিদি ৩/২৬)।

ফল: পাকিস্তান ৯ রানে জয়ী।

কবর খুঁড়ে তোলা হলো কুয়েট শিক্ষক সেলিমের লাশ

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেনের লাশ কবর খুঁড়ে তোলা হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিক্ষকের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের বাঁশগ্রাম কবর স্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে তার লাশ উত্তোলন করা হয়।

কুমারখালী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী, খুলনার খানজাহান আলী থানা পুলিশ ও কুষ্টিয়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি লাশ তোলার কাজ চলে। এর পর অধ্যক্ষ সেলিমের লাশের ময়নাতদন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে করা হবে।

খুলনার খানজাহান আলী থানার ওসি প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য অধ্যক্ষ সেলিমের লাশ কবর খুঁড়ে তোলা হয়। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে লাশ ফের ওই কবরে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী অধ্যাপক সেলিমের সঙ্গে দেখা করেন। এর পর ওই শিক্ষক বাসায় ফিরে মারা যান।

অভিযোগ উঠেছে— সেজানসহ ওই শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সেলিমকে লাঞ্ছিত করেছিলেন, যা তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। পর দিন ১ ডিসেম্বর অধ্যাপক সেলিমকে তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাঁশগ্রামে দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় খুলনার খানজাহান আলী থানার ওসি প্রবীর কুমার বিশ্বাস অধ্যাপকের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য ৫ ডিসেম্বর দুপুরে খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আবেদন জানান। খুলনার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি কুষ্টিয়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর পরিপ্রেক্ষিতে ড. সেলিম হোসেনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ব্রিজ নয় যেন মরণফাঁদ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় ডাকাতিয়া নদীর সংযোগ খালের ওপরের ব্রিজটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ব্রিজের ওপরে বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন চলাচলকারী প্রায় দুই হাজার গ্রামবাসী চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

চরপাতা ইউনিয়নের রায়পুর-বংশাল সংযোগস্থলে (রায়পুর-ফরিদগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা) ডাকাতিয়া নদীর সংযোগ খালের ওপর মুরুলিরচর নামক স্থানে ১৯৯৭ সালে এলজিইডির অর্থায়নে নির্মিত ব্রিজটি দুই মাস ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে।

মঙ্গলবার উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও ও উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণ করা হবে বলে গ্রামবাসীদের আশ্বাস দিয়েছেন।

বিধ্বস্ত ওই ব্রিজটির চলাচলের একদম অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সীমাহীন এ দুর্ভোগে পড়েছে তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি কলেজ ও একটি মাদ্রাসার শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থী। বিকল্প কোনো যাতায়াতের রাস্তা না থাকায়, মরণফাঁদ জেনেও পার হচ্ছেন গ্রামবাসীসহ কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা।

সরেজমিন জানা যায়, ব্রিজের মাঝখানে (গর্ত) ভেঙে যাওয়াসহ এ রাস্তা দিয়ে চলাচলের একমাত্র যানবাহন ছিল মোটরবাইক; সেটিও চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়েই মোটরসাইকেল পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন চালকরা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তেমন কোনো তৎপরতা না থাকায় সেতুটি মেরামতের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সমাজসেবক দিদার হোসেন দেলু বলেন, ‘৯০-এর দশকে নির্মিত এই সেতুটি নির্মাণ হলেও মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো মাথাব্যথাই নেই। মাঝেমধ্যে শুনা যায় টেন্ডার হয়েছে। তবে মেরামত কবে হবে জানা নেই।

চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সুলতান মামুন রশিদ যুগান্তরকে বলেন, বেশ কয়েকটি প্রকল্পে ইতোমধ্যে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে; অল্প সময়ের মধ্যেই টেন্ডার দেওয়া হবে।

রায়পুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ যুগান্তরকে বলেন, রায়পুর-ফরিদগঞ্জ দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাকাতিয়া নদীর সংযোগ খালের ওপর ওই ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউএনও এবং প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শন করেছি। অচিরেই এ সমস্যা সমাধান করা হবে।

মানিকগঞ্জে আ.লীগের ২০ নেতাকর্মী বহিষ্কার

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ছয় ও ঘিওর উপজেলার ছয় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দলীয় ২০ নেতাকর্মীকে দলীয় পদসহ প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

মঙ্গলবার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৪৭/১১ ধারা অনুযায়ী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মোশারফ হোসেন ও গাজী মোহাম্মদ আব্দুল হাই, দিঘুলিয়া ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী এটিএম আব্দুল জলিল ও মো. মতিউর রহমানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া আরও বহিষ্কার করা হয়েছে সাটুরিয়া সদর ইউনিয়নের মো. আব্দুল গফুর, ফুকরিহাটি ইউনিয়নের মো. লিয়াকত হোসেন লাবু, তিল্লী ইউনিয়নের মো. আব্দুল লতিফ, অ্যাডভোটে মো. কামরুল হাসান ও বারিয়াটি ইউনিয়নের দুই সহোদর মো. সোহেল আহমদ চৌধুরী ও মো. আনিসুর রহমান চৌধুরীকে।

এদিকে ঘিওর উপজেলার পৃথক ছয়টি ইউনিয়নের আরও ১০ আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তারা হলেন— ঘিওর সদর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. অহিদুল ইসলাম, বানিয়াজুরী ইউনিয়নের মো. খলিলুর রহমান, বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের মালেক দেওয়ান, পয়লা ইউনিয়নের মুন্নু দেওয়ান, আব্দুল লতিফ লতা ও শফিক মৃধা।

এদিকে নালী ইউনিয়নের দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল কাদের বিশ্বাস ও দিলশাদ খান দেলোয়ারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই অভিযোগে সিংজুরী ইউনিয়নের যুবলীগের সহসভাপতি আসাদুর রহমান মিঠু ও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন শাখার সদস্য আব্দুর রশিদকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়।

আবারও ভাইরাল পাকিস্তানি কিশোরীর স্মিত হাসির চাহনি!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও ভাইরাল হয়েছে পাকিস্তানি এক কিশোরীর স্মিত হাসির চাহনি।

যে হাসি আর চাহনি দিয়ে বেশ কয়েক মাস আগে নেটদুনিয়ায় হৃদয় জয় করে নিয়েছিল, সেই লাস্যময়ী পাকিস্তানি কিশোরী ফের ধরা দিল ক্যামেরায়। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

আগের বার ভাইরাল হয়েছিল যাযাবর কিশোরী আমিনা রেয়াজের রুটি তৈরির দৃশ্যে।

এবার রান্না করতে করতেই ক্যামেরার দিকে এক ঝলক তাকানো। আর সেই সঙ্গে মন জয় করে নেওয়া স্মিত হাসি ছড়িয়ে দিতে দেখা গেল তাকে।

কমলা রঙের দোপাট্টা আর কালো রঙের সালোয়ারে রান্না করছিল সে। যে হাসি দিয়ে নেটদুনিয়াকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছিল, ঠিক একই ভাবে ধরা দিতে দেখা গেল তাকে।

আমিনা রেয়াজ নামে বছর পনেরোর এই কিশোরীর জন্ম পাকিস্তানের সিন্ধুপ্রদেশে যাযাবর সম্প্রদায়ে।

এর আগে গত সপ্তাহে বাড়ির উঠোনে বসে তার রুটি তৈরি করার ভিডিও নেটদুনিয়া মাতিয়েছিল।

আমিনার এই ভিডিও নেটমাধ্যমে শেয়ার করেছিল তারই প্রতিবেশী এক কিশোর। সেই ভিডিওই এখন ভাইরাল।

হাইতিতে জ্বালানিবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহত ৬০

হাইতির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ক্যাপ-হাইতিয়ানের একটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরণের কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হয়েছেন।

হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। এ ঘটনায় প্রচণ্ড বিস্ফোরণে আশপাশের ২০টি বাড়ি পুড়ে গেছে। খবর দ্যা গার্ডিয়ানের।

ক্যারিবীয় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে অন্তত ৬০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। মঙ্গলবার সকালের দিকে দেশটির ক্যাপ-হাইতিয়ান শহরে এই বিস্ফোরণে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

এ ঘটনায় দেশটিতে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

ক্যাপ-হাইতিয়ান শহরের ডেপুটি মেয়র প্যাট্রিক আলমোনোর জানান, একটি ট্যাক্সির সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্যাংকারটি উল্টে যায়। ঘটনার পর পথচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ট্যাংকারের জ্বালানি সংগ্রহ করার জন্য সড়কে চলে আসেন।

এ সময় ট্যাংকার বিস্ফোরণে চারদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে অনেকে হতাহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শহরটির মেয়র।

প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরি বলেছেন, দুর্ঘটনার পর পুরো ক্যারিবিয়ান জাতি শোকাহত। দেশটিতে তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোতে হাইতির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরে এ দুর্ঘটনাস্থলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা দুর্ঘটনাস্থলকে ‘নরক’ বলে বর্ণনা করেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনবে না আমিরাত!

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সংযুক্ত আমিরাত ২৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামাদি কিনতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে। আমিরাত বলছে, অস্ত্র কেনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা আলোচনা বাতিল করছে।

মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে আমিরাতের দূতাবাস এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের পর এফ-৩৫ এয়ারক্রাফটসহ সশস্ত্র ড্রোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম বিক্রির বিষয়ে আমিরাতের সঙ্গে পেন্টাগনের আলোচনায় বসার কথা ছিল। কিন্তু টেকনিক্যাল বিষয়সহ সার্বভৌম কার্যকরে বাধ্যবাধকতা এবং মূল্য/সুবিধা (কস্ট বেনিফিট) বিশ্লেষণ করে আমিরাত অস্ত্র ক্রয়ের সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসন সর্বপ্রথম আমিরাতের সঙ্গে ২৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র চুক্তির কথা জানিয়েছিল। এটা কয়েকটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইলের আব্রাহাম চুক্তির (আব্রাহাম অ্যাকর্ডস) এর অংশ বিশেষ ছিল। এই চুক্তির পর সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাইরাইন, মরক্কো ও সুদান ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হয়। আর ট্রাম্প প্রশাসন আমিরাতের কাছে তাদের সর্বাধুনিক অস্ত্র বিক্রিতে রাজি হয়।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আমিরাত রাশিয়ার কাছ থেকে ৮০টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র কেনার বিষয়ে এই অনাগ্রহ প্রকাশ করল। সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেন। এই সময় আমিরাত ফ্রান্সের কাছ থেকে ১৫.৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র কেনার চুক্তি করে।

সূচকের উত্থানে চলছে পুঁজিবাজারে লেনদেন

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার সূচকের উত্থানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন চলছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

এদিন বেলা ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৬ হাজার ৮৭৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৪৬৬ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ২৫৭৮ পয়েন্টে।

এ পর্যন্ত লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩০টি কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ৫১টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টির।

অপরদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ৮১ পয়েন্ট বেড়ে ২০ হাজার ৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সাকিব আল হাসান এবার ব্যাংক মালিক হচ্ছেন!

দেশসেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ক্রিকেট মাঠের মতো করপোরেট জগতেও নিজের অবস্থান শক্তিশালী করছেন।

ব্রোকারেজ হাউজ ও স্বর্ণ আমদানি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর এবার দেশের ব্যাংক খাতে যুক্ত হচ্ছেন তিনি।

একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স প্রাপ্তির অপেক্ষায় থাকা পিপলস ব্যাংকের দুটি পরিচালক পদের মালিকানা যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টার বয়ের হাতে। শুধু সাকিব আল হাসান নয়, তার মা শিরিন আক্তারও ব্যাংকটির পরিচালক হচ্ছেন। এ-সংক্রান্ত নথিপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পাঠিয়েছে পিপলস ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

পিপলস ব্যাংকের প্রধান উদ্যোক্তা এমএ কাশেম ওই গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পিপলস ব্যাংকের মালিকানায় সাকিব আল হাসান ও তার মা যুক্ত হচ্ছেন। এরই মধ্যে আমরা তাদের ফাইল বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছি। সাকিবের মতো একজন তারকাকে উদ্যোক্তা হিসেবে পাওয়া আমাদের জন্য গৌরবের। এখনই আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না। পিপলস ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন আমরা সংগ্রহ করতে পেরেছি। আশা করছি, ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে আমরা চূড়ান্ত লাইসেন্স পাব।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের সব ব্যাংকের মূলধন ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে নির্দেশনা রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। সে হিসেবে নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে হলে সমপরিমাণ অর্থ মূলধন হিসেবে জমা রাখতে হবে। উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হতে হলে প্রয়োজন হয় সর্বনিম্ন ২ শতাংশ শেয়ার ধারণের। সে হিসেবে পিপলস ব্যাংকের পরিচালক পদের জন্য সর্বনিম্ন ১০ কোটি টাকা মূলধন জোগান দিতে হবে সাকিব আল হাসানকে। তবে ব্যাংকটির মালিকানায় আসতে তিনি ২৫ কোটি টাকারও বেশি মূলধন জোগান দিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ব্যবসায়ী হিসেবে সাকিব আল হাসানের হাতেখড়ি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় বিনিয়োগের মাধ্যমে। এরপর দ্রুত নিজের ব্যবসার বিস্তৃতি ঘটিয়েছেন তিনি। শেয়ারবাজার, স্বর্ণ আমদানি ও বিপণন, বিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রসাধনী, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ট্রাভেল এজেন্সি, হোটেল, কাঁকড়া ও কুঁচের খামারসহ বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ রয়েছে তার। এছাড়া দেশের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে বড় অংকের বিনিয়োগ করেছেন তিনি।

দাম কমল স্বর্ণের

প্রতি ভরিতে এক হাজার ১৬৬ টাকা ক‌মানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে‌ বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফলে দে‌শের বাজা‌রে ভা‌লো মা‌নের সোনা প্রতি ভ‌রির দাম ক‌মে দাঁড়াচ্ছে ৭৩ হাজার ১৬৮ টাকা। নতুন এ দর বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খান ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানি‌য়ে‌ছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রার্দুভাব ও বিশ্ব অর্থনীতির নানা জটিল সমীকরণে মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা নিম্নমুখী। দেশীয় বুলিয়ন মার্কেটেও পাকা স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে বাজুসের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বুধবার থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) প্রতি এক হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হলো। তবে রূপার দাম অপরিবর্তিত থাকবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট মা‌নের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ১৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের সোনা ৬৯ হাজার ৯৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ৬১ হাজার ২৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে ৫০ হাজার ৯১৩ টাকা।

সোনার মূল্য কমলেও রূপা আগের নির্ধা‌রিত দাম বহাল রয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপার ভরি এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হ‌য়েছে।

এর আগে, সর্বশেষ গত ১২ নভেম্বর ভরিতে দুই হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করেছিল বাজুস।