শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 558

সূচকের ইতিবাচক ধারায় চলছে পুঁজিবাজারে লেনদেন

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের ইতিবাচক ধারায় চলছে লেনদেন।

 

এ সপ্তাহের সোমবার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

এদিন বেলা ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইয়ের সাধারণ সূচক ডিএসইএক্সের লেনদেনে ২৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৬ হাজার ৬৫৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৪১১ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ২৬৯৩ পয়েন্টে।

এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৪টি কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ৫৬টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৩টির।

অন্যদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ৭৩ পয়েন্ট কমে ১৯ হাজার ৩৪১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে বিএনপিই দায়ী’

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে বিএনপিই দায়ী থাকবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে এক প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়াকে দেশে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি যেভাবে, যে হাসপাতালে চেয়েছিলেন সেভাবে তার চিকিৎসা হচ্ছে। তিনি শাস্তিপ্রাপ্ত আসামি, তার চিকিৎসা হওয়া উচিত ছিল সরকারের তত্ত্বাবধানে সরকারি কোনো হাসপাতালে। দণ্ড পাওয়া আসামি হওয়া সত্ত্বেও খালেদা জিয়া মুক্তভাবে জীবনযাপন করছেন, পরিবার-পরিজনের সঙ্গে থাকছেন। যেহেতু বিএনপির তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা হচ্ছে, এখন যদি খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের কোনো হানি হয়, সে জন্য বিএনপি এবং তার চিকিৎসার দায়িত্বে যারা আছেন তারাই দায়ী থাকবেন। কারণ, সরকারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা হচ্ছে না।

এসময় দেশে এখন আওয়ামী লীগের বিকল্প কোনো রাজনৈতিক দল নেই বলেও মন্তব্য করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে এখন আওয়ামী লীগের বিকল্প কোনো রাজনৈতিক দল নেই। কারণ, দলীয় প্রতীকে অংশ না নিলেও ইউপি নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নেতাদের কাছে নয়, আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের কাছেই হেরেছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা।

ইউপি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে। চতুর্থ ধাপের নির্বাচনের পর দেখা যাচ্ছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছে। এর পরের অবস্থান হচ্ছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদের। যারা দলীয় মনোনয়ন পাননি, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে আছেন এবং নির্বাচন করেছেন ব্যাপকসংখ্যক, তারাও জয়লাভ করেছেন।

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, বিএনপি দলীয়ভাবে নির্বাচন না করলেও স্বতন্ত্রভাবে করেছে। বিএনপি ঘরানার প্রার্থীদের জয়লাভের সংখ্যা হাতে গোনা। জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রে সেটি আরও কম। এতে প্রমাণিত হয় দেশে আওয়ামী লীগের বিকল্প আওয়ামী লীগই, অন্য কোনো বিকল্প নেই। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অন্তত সেটিই উঠে এসেছে।

মরহুম সৈয়দ আব্দুল মাবুদ কচি’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ ২৮ ডিসেম্বর মরহুম সৈয়দ আব্দুল মাবুদ কচি’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। কর্মজীবনে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ইব্রাহিম সিকিউরিটিজ লিঃ এর মহাব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার স্মরণে পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিম খানায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে সকল আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধায়ীদেরকে দোয়া করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। উল্লেখ্য তিনি প্রয়াত কবি আব্দুল মান্নান সৈয়দের ভাই।

‘রাজনৈতিক ভাইরাস ছড়ানোর অপচেষ্টা তাদের পুরনো অভ্যাস’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে ধর্মীয় আবরণে রাজনৈতিক ভাইরাস ছড়ানোর অপচেষ্টা স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির পুরনো অভ্যাস।

সোমবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় উপলক্ষে জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে দেশ যখন উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার মহাসড়কে তখন আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি।

আমির হোসেন আমু বলেন, সব প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক পথে উন্নয়ন আর অগ্রযাত্রার পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্যকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংগঠনের সভাপতি সালাউদ্দিন বাদলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার কবীরসহ নেতারা।

জয়নাল হাজারীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন হাজারীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আলাদাভাবে গভীর শোক জানিয়েছেন দলীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আলোচিত-সমালোচিত রাজনীতিবীদ জয়নাল হাজারী।

তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ১৯৮৬, ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালে টানা তিনবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০১ সালের ১৭ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান জয়নাল হাজারী। সংসদ সদস্য হিসেবে তার শেষ মেয়াদে নানা বিতর্কে জড়ান জয়নাল হাজারী। এ কারণে ২০০৪ সালে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর দীর্ঘদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন তিনি। ফেনী থেকে হাজারিকা নামে প্রকাশিত একটি দৈনিকের সম্পাদকও তিনি।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ফিরেন তিনি। পাঁচটি মামলায় ৬০ বছরের সাজা হয় তার।

এরপর ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করলে আট সপ্তাহের জামিন পান হাজারী। পরে ১৫ এপ্রিল নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। চার মাস কারাভোগের পরে ২০০৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হন তিনি।

যেসব কারণে আলোচিত ছিলেন জয়নাল হাজারী

রাজনৈতিক জীবনের পুরো সময়টুকুই আলোচনা-সমালোচনায় ছিলেন ফেনীর এক সময়ের ‘গডফাদার’ খ্যাত নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন হাজারী।

সোমবার বিকাল ৫টার দিকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

১৯৪৫ সালের ২৪ আগস্ট ফেনী শহরের সহদেবপুরের হাবিবুল্লাহ পণ্ডিতের বাড়িতে আব্দুল গণি হাজারী ও রিজিয়া বেগমের সংসারে জন্ম নেন জয়নাল হাজারী।

আলোচিত জয়নাল আবেদীন হাজারী ছিলেন একজন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৭১ সালে ২ নং সেক্টরের অধীনে ক্যাপ্টেন জাফর ইমামের পরামর্শে রাজনগর এলাকায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন। ভারত থেকে ট্রেনিং নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার পর রাজনগরে গিয়ে ওই এলাকার বেকার যুবকদের নিয়ে তিনি একটি সিভিল ডিফেন্স টিমও গঠন করেছিলেন।

জেলা পর্যায়ের নেতা হয়েও একসময় জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনায় ছিলেন জয়নাল হাজারী। কিন্তু দল ক্ষমতায় থাকলেও গত ১০ বছর রাজনৈতিকভাবে অনেকটা নিঃস্ব ছিলেন তিনি। নিজের হাতেগড়া রাজনৈতিক শিষ্যদের বাধার কারণেই ফেনীর রাজনীতিতে আর প্রবেশ করতে পারেননি আলোচিত এ রাজনীতিক।

ছাত্রাবস্থায় ফেনী কলেজে তৎকালীন ছাত্র মজলিশের (বর্তমান ছাত্র সংসদ) জিএস ছিলেন। এরপর বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন তিনি। পরে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য পদেও দায়িত্বপালন করেন জয়নাল হাজারী।

জয়নাল হাজারী ১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ১৯৮৬, ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালে টানা তিনবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। মূলত ১৯৯৬ সালের পর তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।

১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় ফেনীতে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার হয়ে প্রায় ১২০ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী মারা যান। এই পেক্ষাপটের পেছনে হাজারীকে সন্দেহ করা হয়।

২০০১ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১৬ আগস্ট রাতে হাজারীর বাসভবনে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। ১৭ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান জয়নাল হাজারী।

সংসদ সদস্য হিসেবে তার শেষ মেয়াদে নানা বিতর্কে জড়ান জয়নাল হাজারী। এ কারণে ২০০৪ সালে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর দীর্ঘদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন তিনি। ফেনী থেকে হাজারিকা নামে প্রকাশিত একটি দৈনিকের সম্পাদকও তিনি।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ফিরেন তিনি। পাঁচটি মামলায় ৬০ বছরের সাজা হয় তার।

এরপর ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করলে আট সপ্তাহের জামিন পান হাজারী। পরে ১৫ এপ্রিল নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। চার মাস কারাভোগের পরে ২০০৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হন তিনি।

আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার দেড় দশক পর দলীয় পদে ফেরেন জয়নাল হাজারী। ২০১৯ সালে ফেনীর এই নেতাকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা করা হয়।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাকে এই পদে মনোনয়ন দেন। এর আগে হাজারীর চিকিৎসার জন্য একই বছরের সেপ্টেম্বরে ৪০ লাখ টাকা অনুদান দেন প্রধানমন্ত্রী।

হাজারীর বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দল এমন কি নিজ দলের নেতাকর্মীদেরও নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ আছে। তার এই নির্যাতন ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে খবর পরিবেশন করতে গিয়ে সাংবাদিকেরাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অনেককে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সর্বশেষ সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি ও তার বাহিনীর নির্যাতনের কথা সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশ হয়। তিনি আওয়ামী লীগের বাইরে ‘স্টিয়ারিং কমিটি’ নামে একটি নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলে সন্ত্রাসের রাজত্ব গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ।

তবে হাজারীর দাবি ছিল, ‘স্টিয়ারিং কমিটি মানুষের জন্য কাজ করেছে। তারা ভালো কাজ করেছে। আমার প্রধান শত্রু জামায়াত-শিবির। তাদের সঙ্গে লড়াই করে আমাকে বাঁচতে হয়েছে। তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। এর বাইরে আমার আর কিছু জানা নেই। যারা আমাকে বিতর্কিত বলে তারাই বলতে পারবে কেন বলে।’

২০০০ সালের থার্টি ফাস্ট নাইটে ঢাকার টিএসসি চত্তরে বাঁধন নামরে এক নারী লাঞ্চিত হয়েছিল। বিষয়টি তখন সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। কয়েকদিন ধরে পত্রিকার শিরোনাম ছিল বিষয়টি। সংসদেও ব্যাপক হৈচৈ হয়েছিল এটি নিয়ে।

সব দিক থেকেই যারা বাঁধনকে লাঞ্চিত করেছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছিল। রাসেল নামের একটি ছেলে ও তার সঙ্গীদের ফাঁসির দাবি পর্যন্ত করা হয়েছিল।

পুরো সরকারই এই ঘটনার জন্য বিপাকে পড়েছিল। সংসদে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছিল। এমনি এক পরিস্থিতিতে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে উল্টো ভাষায় জয়নাল হাজারী বলেছিলেন, ‘আমি শুধু রাসেল নয়, বাঁধনেরও বিচার চাই’।

এ ছাড়া দেশের আলোচিত বিভিন্ন ইস্যুতে মন্তব্য করে আলোচনায় আসতে চাইতেন ফেনীর বিতর্কিত এ রাজনীতিক।

আলোচিত পরিমনিকাণ্ড ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার ‘সত্যবচন’ নিয়েও কথা বলেছিলেন জয়নাল হাজারী।

জয়নাল হাজারী প্রিন্সেস ডায়নার মৃত্যু নিয়ে মিডিয়ার বাড়াবাড়ি, মানুষের অযাচিত কান্না ও শেষকৃত্যে জনতার ঢল এবং মাদার তেরেসার মৃত্যুকে উপেক্ষা করার ঘটনা নিয়েও কথা বলেন।

হাজারী আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলেন, মদ খেয়ে গাড়ি চালিয়ে মারা যাওয়া ডায়নাকে নিয়ে এত কিছু হলো, যদিও তার দু’দিন পরই মাদার তেরেসার মৃত্যু হয়। কিন্তু তেরেসাকে নিয়ে সেই অর্থে মানুষেরা বা গণমাধ্যম তেমন আগ্রহ দেখায়নি। তার শেষকৃত্যে এক হাজার মানুষও উপস্থিত হয়নি এবং গণমাধ্যমেও তেমন খবর আসেনি। এই হলো পৃথিবী।

ব্যক্তিগত জীবনে ‘চিরকুমার’ ছিলেন জয়নাল হাজারী। কলেজ জীবনে প্রেমিকা বিজুকে হারিয়ে তার বিরহে আর বিয়ে করেননি বলে দাবি করেছিলেন তিনি।

বছরখানেক আগে একটি টিভি অনুষ্ঠানে নিজের রোমান্টিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমি যখন কলেজের ছাত্র ছিলাম তখন বিজুও কলেজের ছাত্রী ছিলো। আমি গান লিখতাম এবং বিজু গান গাইতো। এভাবেই প্রথমে আমাদের পরিচয়ে হয়েছিলো। পরে আমাদের ভালোবাসা হয়। যুদ্ধের সময়ে আমি যখন চলে গেলাম তখন তারা সোনাগাজী এলাকায় আত্মগোপন করেন।

পরে একজন রাজাকার তাকে জোর করে বিয়ে করেছিলো। বিজুর সঙ্গে কথা হয়েছিলো আমরা কেউ কাউকে ছাড়া বিয়ে করবোনা। তবে যুদ্ধের সময়ে আমি সংবাদ পেয়েছিলাম তার বিয়ে হয়ে গেছে। চাইলে জোর করে এনে আবারো বিয়ে করতে পারতাম। তা আমি করি নি। বিজু আমাকে যে ওয়াদা করেছিলো তা ভেঙ্গেছে। এই জন্যই তখন এটাই বিচার চেয়েছিলাম। এরপরে কখনো বিয়ে বা কোন নারী নিয়ে চিন্তাই করিনি।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের ২১৪তম ইন্দুরহাট শাখার যাত্রা শুরু

পিরোজপুরের ইন্দুরহাটে গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবি) ২১৪তম শাখার উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত শাখার উদ্বোধন করেন জনাব আরিফ কাদরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড।

অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউসিবি’র অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান; উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি জনাব এটিএম তাহমিদুজ্জামান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রধান অতিথী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘সময়ের পরিবর্তনে গ্রাহক চাহিদা এবং ব্যাংকিং পরিষেবার ক্ষেত্রে এসেছে বহুমুখী বৈচিত্র্য; আর এই পরিবর্তনের সাথে সমন্বয় রেখেই সর্বোত্তম সেবা দিয়ে চলেছে ইউসিবি।’ ১

৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যতম প্রধান বেসরকারী বানিজ্যিক ব্যাংক ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড দেশজুড়ে বিস্তৃত শাখা নেটওর্য়াকের মাধ্যমে গ্রাহকদের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করে আসছে।

আমিরাতের সবুজ তালিকায় নেই বাংলাদেশ

সংযুক্ত আরব আমিরাত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জারি করা ভ্রমণ বিধিনিষেধ শিথিল করে বিশ্বের ৭৩ দেশের ‘সবুজ তালিকা’ প্রকাশ করেছে । তবে নতুন এ হালনাগাদ দেশের তালিকায় ঠাঁই হয়নি বাংলাদেশের।

খালিজ টাইমস খবর থেকে জানা গেছে, শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) আমিরাতের সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ ৭৩ দেশের এই ‘সবুজ তালিকা’ দিয়েছে। সরকারের ঘোষণায় বলা হয়েছে- নতুন এই সবুজ দেশের তালিকায় থাকা সব দেশের নাগরিকদের জন্য আমিরাত ভ্রমণের বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে; যা কার্যকর হবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে।

হালনাগাদ সবুজ তালিকায় থাকা দেশগুলোর যাত্রীরা আবুধাবিতে পৌঁছার পর বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা থেকে অব্যাহতি পাবেন। তবে আমিরাতে পৌঁছার পর করোনাভাইরাসের পিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। আর এ পরীক্ষা করতে হবে দেশটিতে পৌঁছার ৪৮ ঘণ্টা আগে। এছাড়া আবুধাবি ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে পৌঁছার পর সেখানে আবারো পিসিআর পরীক্ষা করাতে হবে।

আমিরাতের সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ বলেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের করোনাভাইরাস মহামারির সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নিয়মিত এ সবুজ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কঠোর এ ভ্রমণ বিধিনিষেধের লক্ষ্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা।

তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বর্তমানে মহামারিতে বিপর্যস্ত ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়ার বিভিন্ন দেশ আমিরাতের সবুজ তালিকায় স্থান পেলেও নেই বাংলাদেশ।

তারকা হোটেলে ক্রিসমাস

ড়দিন বা ক্রিসমাস খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। তাদের কাছে দিনটির ধর্মীয় তাৎপর্য ও গুরুত্ব অসামান্য। বড়দিন উপলক্ষে প্রতিবারের মতো বাংলাদেশেও শুরু হয়ে গেছে উৎসবের প্রস্তুতি। বাসাবাড়ি, বিভিন্ন গির্জা, শপিং মল, হোটেল ও ক্লাবগুলো সাজানো হয়েছে।

বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের তারকা ও অভিজাত হোটেলগুলোতে এখন সাজ সাজ রব। এসব হোটেলে থাকছে বিশেষ অনুষ্ঠান, বাহারি কেকসহ সুস্বাদু খাবার। শিশুদের কাছে এসে উপহার দেবে সান্তাক্লজ। করোনাকালে বিগত কয়টি বছরে কোনো জাতীয় উৎসবই উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা সম্ভব হয়নি, এ বছর তাই সব কিছুতেই থাকছে বাড়তি আয়োজন। ধর্মীয় সহাবস্থান ও পারস্পরিক সৌহার্দ সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন হিসেবে সুষ্ঠু সুন্দর নির্বিঘ্নে বড়দিনের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন হোক। বিস্তারিত জানাচ্ছেন খালেদ সাইফুল্লাহ মাহমুদ—

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার লবি ও রেস্টুরেস্টগুলো সাজানো হয়েছে বড়দিনের সাজে। ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সান্তাক্লজ ও ক্রিসমাস ফটো বুথে থাকবে বাহারি আয়োজন। এই পাঁচ তারকা হোটেলের ক্রিসমাস বাফেট লাঞ্চে জনপ্রতি ৪৫০০ এবং বাফেট ডিনারে খরচ হবে ৬৫০০ টাকা। এছাড়া ক্যাফে সোশ্যালে থাকবে বিশেষ কেক, কুকিজ, ক্রিসমাস গুডিজসহ বিভিন্ন উপকরণ।

প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও
বড়দিন উপলক্ষে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও সেজেছে নান্দনিক সাজে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য আয়োজন করেছে কিডস কার্নিভাল। ২৫ তারিখে ওয়েসিস গার্ডেনে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত থাকছে সারাদিনের জমজমাট ক্রিসমাসের কিডস কার্নিভাল। ছোট বড় সবার জনপ্রতি মাত্র ১২০০ টাকায় উপভোগ করা যাবে এ আয়োজন।
বুকিংয়ের জন্য ফোন +৮৮০১৭১৩৩৮২৬০৯

দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা
বর্ণিল আলোকসজ্জা আর নান্দনিক সাজের জন্য বরাবরই সবার দৃষ্টি কাড়ে দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা। মজাদার খাবার আর বর্ণিল জমজমাট আয়োজনে বড়দিনের বিশেষ বুফে লাঞ্চ ও ডিনার থাকছে, শিশুদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় নানা আয়োজন।

র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন
বড়দিন উপলক্ষে র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে থাকছে দুই দিনব্যাপী আয়োজন। আলোকসজ্জা ও শোভাবর্ধন করা হয়েছে। হোটেলের লবিতে রয়েছে ক্রিসমাস ট্রি ও হরেক সাজসজ্জা। বিশেষ বাফেট লাঞ্চ ও ডিনারের পাশাপাশি শিশুদের জন্য থাকছে বাহারি কেক, আইসক্রিম ও মজাদার খাবারের আয়োজন। বিস্তারিত জানতে ফোন +৮৮০১৭৩০০৮৯১৩০

লে মেরিডিয়ান ঢাকা
বড়দিন উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রতিবারের মতো এবারও লে মেরিডিয়ান ঢাকার বাইরে ও ভেতরে জমকালো সাজসজ্জা চোখে পড়ার মতো। ক্রিসমাস ট্রি, গুডিজ হাউস, ফেয়ারি লাইট দিয়ে সাজানো হয়েছে হোটেলটি। শিশুদের জন্য জাদুকরি থিমের ওপর রাখা হয়েছে এখানকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় আয়োজন।
হোটেলটির লেটেস্ট রেসিপি সহ প্রত্যেক রেস্টুরেন্টেই আয়োজন করা হয়েছে ক্রিসমাস বুফে লাঞ্চ ও ডিনার।বিস্তারিত জানতে ফোন +৮৮০১৯৯০৯০০৯০০।

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট
বড়দিন উদযাপন করতে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে থাকছে বর্ণিল আয়োজন। হোটেলের ভেতরে ও বাইরে সাজানো হয়েছে রঙিন বাতি, সান্তাক্লজ, ক্রিসমাস ট্রি।
দিনটিকে সামনে রেখে খাবারে থাকছে বাহারি আয়োজন। এই হোটেলের রুফটপ গার্ডেন রেস্তোরাঁ দ্য স্কাইলাইনে বড়দিনে শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে কিডস কার্নিভাল। সকাল ১০টা থেকে এই আয়োজনে থাকবে টয় ট্রেন, বাউন্সিং হাউস, বলহাউসসহ বিভিন্ন ধরনের খেলা। বাচ্চাদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে নানান উপহার নিয়ে হাজির হবে সান্তাক্লজ।

শেরাটন ঢাকা
উৎসবের দিনগুলোতে ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেলগুলোতে এক উৎসবমুখর আবহ তৈরি হয়; সাথে অতিথিদের জন্য থাকে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু ও মুখরোচক খাবারের সমাহার। এবারের বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষের আনন্দ দ্বিগুণ করতে পাঁচ তারকা হোটেল শেরাটন ঢাকা সেজেছে নতুন রূপে। শিশু থেকে শুরু করে সববয়সী মানুষদের মুখরোচক ও ভিন্নধর্মী খাবারের স্বাদ দিতে মজাদার সব খাবারের আয়োজন করেছে রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত পাঁচ তারকা এ হোটেলটি।
ক্রিসমাস ক্যারলের মাধ্যমে ক্রিসমাসের অনুষ্ঠান শুরু হবে। আয়োজনটি শেরাটন ঢাকার লবি লেভেলে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে। ক্রিসমাস ক্যারলের পর দ্য গার্ডেন কিচেনে ক্রিসমাস ইভ ডিনার শুরু হবে। মাত্র ৭৯৯৯ টাকা দিয়ে একজন অতিথি ক্রিসমাস ইভ ডিনার উপভোগ করতে পারবেন।

হোটেল আমারি ঢাকা
পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে বড়দিন উদযাপনের জন্য হোটেল আমারি ঢাকায় রয়েছে বিশেষ পার্টি ও ভিন্নধর্মী খাবার। ডিনারে বেকড মাশরুম ও বেগন গ্রেভির সঙ্গে স্পেশাল টার্কি পরিবেশন করা হবে। এই আয়োজন উপভোগ করা যাবে আমায়া ফুড গ্যালারিতে। এই অফার উপভোগ করতে জনপ্রতি খরচ হবে ৩৭৯৫ টাকা। বিস্তারিত জানতে +৮৮০১৭৭৭৭৯৬৪৪৪

বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস মায়া
ঢাকার একেবারেই নতুন হোটেল বেস্ট ওয়েস্টার্ন মায়ায় থাকছে অসাধারণ সব ক্রিসমাস আয়োজন। নতুন বছর এবং ক্রিসমাস এই যৌথ থিমে তারা সব কিছু সাজিয়েছে। মেজিক্যাল ক্রিসমাস শিরোনামে ২৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের সব আয়োজন চলবে। জনপ্রতি ৫৫৫৫ এবং ৬৫৫৫ টাকায় থাকছে একটার সাথে তিনটি ফ্রি’র মতো অভাবনীয় অফার। বিস্তারিত জানতে +৮৮০১৩১৩৪৪৮৩০১।

গোল্ডেন টিউলিপ
বনানীতে অবস্থিত অভিজাত হোটেল গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ড মার্ক ঢাকায় থাকবে অভিনব সব আয়োজন। শিশুদের জন্য বিশেষ খাবার, আনন্দ বিনোদন আর দিনভর ফুর্তির বর্ণিল আয়োজন।
বিস্তারিত জানতে ফোনঃ+৮৮০১৭৮৭৬৭৯০৯০

হোটেল সারিনা
বর্ণিল আয়োজনে সেজেছে বনানীর অভিজাত হোটেল সারিনা। নানান আয়োজন আর বহুবিধ খাবারের পসরা সাজিয়ে এবারের ক্রিসমাস উদযাপন করছে তারা। বুফে লাঞ্চ ও ডিনারের পাশাপাশি মাত্র ৩৯৯৯ টাকার স্পেশাল টেকওয়ে অফার থাকছে।
বিস্তারিত জানতে ফোন +৮৮০১৯৮২৭০০৭০০।

হোটেল আগ্রাবাদ
চট্টগ্রামের অভিজাত হোটেলগুলোতেও রয়েছে বড়দিনের জাঁকজমকর্পূণ আয়োজন। চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদের লবি ও ক্যাফে সাজানো হয়েছে উৎসবের আবহে। এখানকার শেফরা তৈরি করছেন বিশেষ কেক। হোটেলটির সিনামন রেস্টুরেন্টে পরিবেশন করা হবে ভিন্নধর্মী খাবার। শিশুদের জন্য নৈশভোজে থাকবে বিশেষ খাবার। তাদের মধ্যে উপহার বিতরণ করবেন সান্তাক্লজ। হোটেলে অবস্থানরত অতিথিদের ক্রিসমাস কেক দিয়ে আপ্যায়ন করা হবে।

দ্য পেনিনসুলা চট্টগ্রাম
বাণিজ্য নগরী চত্তগ্রামের অন্যতম অভিজাত হোটেল দ্য পেনিনসুলায় প্রতিবারই থাকে ভিন্নধর্মী আয়োজন। এবারের আয়োজনে থাকছে ব্যাপক আকর্ষণ আর চমক। শিশুদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি থাকছে বাহারি খাবারের আয়োজন।
বিস্তারিত জানতে ফোন +৮৮০১৭৫৫৫৫৪৫৫৫

এছাড়াও ঢাকা ও অন্যান্য জেলা শহরের ছোট-বড় হোটেল রিসোর্ট ও ক্লাবে থাকছে নানা আয়োজন।

যেসব খনিজ উপাদান শরীরের জন্য অপরিহার্য

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন মিনারেল বা খনিজ উপাদানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ যেমন- ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি। এগুলো ছাড়া আরও কতকগুলো উপাদান আছে যেগুলো সামান্য পরিমাণে হলেও সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।

শরীরের ওজনের মাত্র ০.০১% মাত্রায় বিদ্যমান এই ‘ট্রেস এলিমেন্টগুলো’ শরীরের বিভিন্ন এনজাইম, হরমোন এবং কোষকলার অংশবিশেষ হওয়ায় এগুলোও শরীরের জন্য অপরিহার্য। স্বল্প মাত্রার অথচ পুষ্টিকর এসব উপাদানকেই ‘এসেনশিয়াল ট্রেস এলিমেন্টস’ বলা হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন অধ্যাপক জাকিয়া বেগম।

বিভিন্ন কারণে মিনারেল ঘাটতি দেখা দেওয়ার কারণ হচ্ছে খাদ্যে অথবা সম্পূরক খাদ্যে প্রয়োজনীয় মাত্রায় এসব উপাদানের অনুপস্থিতি। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস যেমন- বেশি পরিমাণে প্রক্রিয়াজাত বা টিনজাত খাদ্য গ্রহণ, খাদ্য তালিকায় শাক-সবজি বা ফলমূলের পরিমাণ কম থাকা, কম-ক্যালরিযুক্ত বা নিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহণ, নিরামিষাশী, খাদ্য হজমজনিত কোনো রোগ, কোনো কারণে সঠিক পর্যায়ে খাদ্য শোষণে ব্যর্থতা, বিভিন্ন খাদ্যে অ্যালার্জি বা দুগ্ধশর্করায় (ল্যাকটোজ) অসহনীয়তা ইত্যাদি কারণেও এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।

লোহা : লোহা এরূপ একটি ক্ষুদ্র উপাদান যার পরিমাণ শরীরের ওজনের মাত্র ০.০০৪%। রক্তস্থ হিমোগ্লোবিন শরীরের কোষকলাগুলোতে শক্তি ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে। শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় কম লোহা থাকলে হিমোগ্লোবিন উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। শরীরে লোহা অথবা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিকেই রক্তশূন্যতা বলা হয়। লোহার ঘাটতি থেকে শরীরে দুর্বলতা দেখা দেয় এবং শরীর সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এমনকি এ ধরনের রক্তশূন্যতার কারণে হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে মৃত্যু ঘটতে পারে। স্বল্প মাত্রার লোহার ঘাটতি থেকে মস্তিষ্কের বুদ্ধিমত্তার ব্যাঘাতও সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের দেশে রক্তশূন্যতা গর্ভকালীন মাতৃ মৃত্যুর প্রধান কারণ। পুরুষ ও বয়স্ক মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ৮ মিলিগ্রাম এবং অল্প বয়স্ক মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ১৮ মিলিগ্রাম লোহার প্রয়োজন হয়। মাংস, কলিজা, সীমজাতীয় সবজি, বাদাম, সম্পূর্ণ শস্যদানা যেমন; বাদামি চাল, ঝিনুক, কলা, আপেল, গাঢ় সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি খাদ্য থেকে আয়রন পাওয়া যায়।

জিঙ্ক বা দস্তা : এই উপাদানটি শরীরের বিভিন্ন বিপাকীয় পদ্ধতি যেমন আমিষ সংশ্লেষণ, রোগ-প্রতিরোধক কার্যাবলী, ক্ষত থেকে আরোগ্য লাভের প্রক্রিয়া, কোষ বিভাজন ও ডিএনএ সংশ্লেষণ, টেসটোসটেরন জাতীয় পুরুষ হরমোন তৈরি, মেলাটোনিন তৈরি ইত্যাদি প্রক্রিয়াগুলোকে প্রভাবিত করে থাকে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের সঠিক বিকাশ ও বৃদ্ধি লাভের ক্ষেত্রে এবং শিশু বয়সে এবং বয়োসন্ধিকালে শরীরের বৃদ্ধি ও পূর্ণতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপাদানটির অভাবে স্মৃতিশক্তি হ্রাস, রোগ-প্রতিরোধক ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে ঘন ঘন ঠাণ্ডা লাগা, ডায়রিয়া, ঘুমের সমস্যা, খাদ্যে অরুচি এবং খাদ্যের স্বাদ ও গন্ধ অনুভবের ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, চুল পড়া, ত্বকের ক্ষতি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। উপাদানটির অতিমাত্রার ঘাটতি থেকে হতবুদ্ধিতা জাতীয় মানসিক প্রতিবন্ধকতা, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা এবং যৌন অক্ষমতা দেখা দেয়ার আশংকাও থাকে।

লাল মাংস, হাঁস-মুরগির মাংস, ঝিনুক ইত্যাদি প্রাণিজাতীয় ও দুগ্ধজাতীয় খাদ্য, ডার্ক চকলেট, বাদাম, শিম জাতীয় উদ্ভিদ ইত্যাদিতে এই উপাদানটি পাওয়া যায়। মিষ্টি কুমড়ার বিচি জিঙ্কের একটি ভালো উৎস।

আয়োডিন : থাইরয়েড থেকে নিঃসৃত এই হরমোনটি থাইরয়েড গ্রন্থির সঠিক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয়। কোষকলার বিপাকীয় কার্যকলাপ পরিচালনা, খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা, অতিরিক্ত চর্বির বিপাকীয় ব্যবহার, ইস্টোজেন জাতীয় হরমোনকে নিয়ন্ত্রণ করা, শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মানসিক ক্ষিপ্রতা এবং বোধশক্তির উন্নতি সাধন ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই হরমোনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সাধারণত ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে মহিলাদের এবং গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে এই হরমোনটির ঘাটতি হতে দেখা যায়। গলগণ্ড রোগটি আয়োডিন ঘাটতির প্রধান লক্ষণ। দীর্ঘদিন ধরে থাইরয়েড গ্রন্থি প্রয়োজনীয় মাত্রায় আয়োডিন উৎপাদনে ব্যর্থ হলে ‘হাইপোথাইরয়েডিজম’ রোগ দেখা দেয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘাটতি থেকে ‘ক্রিটেনিজম নামক’ বিপজ্জনক অবস্থার সৃষ্টি হয় যে, শিশু শারীরিক এবং মানসিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়ে পড়ে। ১-৮ বছরের শিশুর প্রতিদিনের চাহিদা ৯০ মাইক্রোগ্রাম, ৯-১৩ বছর পর্যন্ত ১২০ মাইক্রোগ্রাম এবং ১৪ বছর থেকে আরম্ভ করে বয়স্কদের জন্য তা ১৫০ মাইক্রোগ্রাম। সামুদ্রিক বিভিন্ন উদ্ভিদ, মাছ ও অন্যান্য খাদ্য, ডিম, দুধ এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ আয়োডিনের প্রধান উৎস।

সেলেনিয়াম : সেলেনিয়াম শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অপর একটি ‘ট্রেস এলিমেন্ট’। শরীরের প্রায় দু’ডজনেরও বেশি সেলেনোপ্রোটিনের মধ্যস্থ একটি উপাদান হচ্ছে সেলেনিয়াম যে উপাদানটি প্রজনন ক্ষমতা, থাইরয়েড হরমোনের বিপাকীয় কার্যক্রম, ডিএনএ-র সংশ্লেষণজনিত প্রক্রিয়াগুলোকে প্রভাবিত করা ছাড়াও জারণ প্রক্রিয়ায় সংঘটিত কোষকলার ক্ষতি এবং রোগের সংক্রমণ রোধে ভূমিকা রাখে। উপাদানটির অভাবে হৃদপিণ্ডের সমস্যা, মানসিক প্রতিবন্ধতা, মাংসপেশীতে ব্যথা বা মাংসপেশীর দুর্বলতাও দেখা দিতে পারে। প্রতিদিনের চাহিদা ৫৫ মাইক্রো গ্রাম মাত্র। মাছ, গরু-ছাগলের মাংস, হাঁস-মুরগির মাংস এবং ডিম, শস্যদানা, বাদাম এবং বীজজাতীয় খাদ্য থেকেই প্রতিদিনের জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রায় সেলেনিয়াম পাওয়া যায়। নখ এবং চুল বিশ্লেষণ করে শরীরে বিদ্যমান দীর্ঘমেয়াদি সেলেনিয়ামের মাত্রা বিশ্লেষণ করা যায়।

তামা : তামা বিভিন্ন প্রকার আমিষ, এনজাইম এবং শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত কোষকলার মধ্যস্থ এনজাইমগুলোর একটি উপাদান যা শারীরিক বিকাশ এবং বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপাদানটি রক্তের হিমোগ্লোবিনের লোহা সংযুক্তিতে, ত্বকের স্বাভাবিক রং ধরে রাখতে, স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদানে, পরিপাকতন্ত্র, বিপাকীয় কার্যক্রম এবং রোগ-প্রতিরোধক কার্যক্রম পরিচালনায় অবদান রাখে। অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুরা এবং রক্তশূন্যতায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে তামার স্বল্পতা দেখা যায়। উপাদানটির অভাবে রক্তে শ্বেতকণিকার স্বল্পতা, অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন, হাড়ের সমস্যা, রোগ-প্রতিরোধক তন্ত্রের সমস্যা এবং চুল ও নখের বৃদ্ধিতে সমস্যা দেখা দেয়। সামুদ্রিক খাদ্য, বাদাম, শিম বা মটরজাতীয় বীজ, শাক-সবজি, ফলমূল, গরু বা খাসির যকৃত ইত্যাদিতে এই উপাদানটি পাওয়া যায়। প্রতিদিনের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৯০০ মাইক্রোগ্রাম। গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য মাত্রাটা একটু বেশি হওয়া ভালো।

কোবাল্ট : এটি ভিটামিন বি-১২ এর একটি উপাদান হওয়ায় কোবাল্টের ঘাটতি মানে ভিটামিন বি-১২ এরই ঘাটতি। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় মাত্রা মাত্র ০.০০০১ মিলিগ্রাম। এটি অস্থিমজ্জার কোষকলাকে উজ্জীবিত করে লোহিত রক্তকনিকা তৈরিতে সাহায্য করে, থাইরয়েড কর্তৃক আয়োডিন শোষণে বাঁধা প্রদান করে এবং বিভিন্ন ধরনের এনজাইমের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে। এটির অভাবে জটিল ধরনের রক্তশূন্যতা, শারীরিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা, কোনো কোনো অঙ্গের বিশেষ করে হাত ও পায়ের দুর্বলতা ও অসাড়তা অনুভব করা, বমিভাব, মাথাব্যথা, মানসিক বিভ্রমতা, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, ওজন হ্রাস, থাইরয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, স্নায়বিক সমস্যা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিনের ঘাটতি থেকে স্নায়বিক সমস্যা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়ার আশংকা থাকে। গরু-ছাগলের যকৃতে, ঝিনুক, মাছ, ডিম, সয়া খাদ্য, সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ ইত্যাদি কোবাল্টের ভালো উৎস। ডালজাতীয় উদ্ভিদ, বাঁধাকপি, লেটুস ইত্যাদিতে অল্প মাত্রায় কোবাল্ট পাওয়া যায়।

ম্যাংগানিজ : সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন এনজাইম তৈরিতে এবং এনজাইম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিক্রিয়া ঘটাতে এই উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শর্করা, ফ্যাটি এসিড এবং আমিষের বিপাকে, রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে, রক্ত জমাট বাঁধার কাজে, হাড় তৈরি, শক্ত ও মজবুত করতে, মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র ও রোগ-প্রতিরোধক তন্ত্রের সঠিক পরিচালনা, মাইটোকনড্রিয়াতে বিদ্যমান সুপার অক্সাইড নামক ফ্রি রেডিকেলকে বিশ্লেষিত করে ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত করা ইত্যাদি কাজে এই উপাদানটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে উপাদানটির স্বল্পতা হাড়কে দুর্বল ও ভঙ্গুর করে তোলে। পূর্ণ শস্যদানা, বাদাম, চা-কফি, পাতাবিশিষ্ট সবুজ শাক-সবজিতে এটি পাওয়া যায়।

ক্রোমিয়াম : শরীরের শর্করা, চর্বি এবং আমিষ জাতীয় পদার্থগুলোর বিপাকীয় কার্যক্রম পরিচালনায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই এই উপাদানটির সামান্য স্বল্পতা থেকেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এটি রক্তে এইচডিএল-এর পরিমাণ বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। ক্রোমিয়ামের অভাবে রক্তবাহী ধমনি সরু হয়ে ওঠা, উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পাওয়া, শরীরের শক্তি কমে যাওয়া, মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়া, শিশুদের শরীরের বৃদ্ধি হ্রাস পাওয়া, সার্জারি থেকে সৃষ্ট ক্ষত বা যে কোনো ধরনের ক্ষত থেকে আরোগ্য লাভ বিলম্বিত হওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মাশরুম, ডার্ক চকলেট, পনির, বাদাম, পূর্ণ শস্যদানা, পাকা টমেটো, লেটুস, পেঁয়াজ, গোল মরিচ এবং বিভিন্ন মশলা, ডালজাতীয় শস্য ইত্যাদি থেকে এই উপাদানটি পাওয়া যায়।

ফ্লোরিন : ফ্লোরিনও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় একটি উপাদান যা বিশেষ করে হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপাদানটির অভাবে দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। পানিই ফ্লোরিনের প্রধান উৎস্য তবে সামুদ্রিক মাছ, চা এবং কফিতেও এটি বিদ্যমান। প্রতিদিনের জন্য নিরাপদ মাত্রা ১.৫ মিলিগ্রাম থেকে ৫.০ মিলিগ্রাম।