রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 527

সামরিক বিমান ফেরত না দিলে কঠোর পরিণতি: তালেবান প্রতিরক্ষামন্ত্রী

তালেবান শাসিত ইসলামিক আমিরাতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মৌলভী মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ বিদেশে নেওয়া বিমান নিয়ে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। আফগানিস্তানের এসব বিমান ফেরত দেওয়া না হলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

তালেবান সরকারের এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মঙ্গলবার কাবুলে বিমানবাহিনীর এক মহড়ায় অংশ নেন। সেখানে তিনি বলেন, যে সামরিক বিমানগুলোকে বিদেশে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো ফেরত দিতে হবে।

হুশিয়ারি উচ্চারণ করে মৌলভী ইয়াকুব বলেন, যেসব দেশে সামরিক বিমান নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তারা যদি সেগুলো ফেরত না দেয়, তা হলে তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের যে বিমানগুলো তাজিকিস্তান বা উজবেকিস্তানে রয়েছে তা ফেরত দেওয়া উচিত। আমরা এই বিমানগুলোকে বিদেশে থাকতে দেব না, অন্যদের ব্যবহার করতে দেব না।

আফগানিস্তানের বর্তমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাবেক আশরাফ গনি সরকারের পতনের পর ৪০টির বেশি হেলিকপ্টার উজবেকিস্তান এবং তাজিকিস্তানে নেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানের স্থানীয় জনপ্রিয় গণমাধ্যম তোলোর খবরে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে নিষ্ক্রিয় হওয়া রাশিয়ার তৈরি বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার ইসলামিক আমিরাত মেরামত করেছে। মঙ্গলবার সেগুলো প্রদর্শন করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আফগানিস্তানের বিমানবাহিনী কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না।’

তালেবান সরকারের এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসলামিক আমিরাতের বিরোধীদের মতভেদ দূরে রেখে নতুন সরকারে যোগ দিতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আসুন— এই সরকারকে সমর্থন করুন এবং বিরোধিতা বন্ধ করুন।

এক প্রতিবেদেন থেকে জানা যায়, আশরাফ গনি সরকারের পতনের আগে আফগানিস্তানে ১৬৪টিরও বেশি সক্রিয় সামরিক বিমান ছিল। এখন মাত্র ৮১টি বিমান রয়েছে। বাকি বিমানগুলো আফগানিস্তান থেকে বের করে বিভিন্ন দেশে নেওয়া হয়।

সরকার খালেদা জিয়াকে তিল তিল করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে: আফরোজা আব্বাস

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেছেন, দেশে এখন আইনের শাসন নেই। মা-বোনদের নিরাপত্তা নেই। খালেদা জিয়াকে সরকার তিল তিল করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তার একমাত্র কারণ তাকে সরকার ভয় পায়। খালেদা জিয়ার মুক্তি পেলে সরকারের গদি ঠিক থাকবে না।

বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সম্মেলনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ারের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি প্রচার সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সদস্য সচিব সাহাবউদ্দিন সাবু ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান প্রমুখ।

করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে ঢাকা-রাঙামাটি

কোভিড ১৯-এর ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেই দেশের দুটি এলাকাকে উচ্চঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই দুটি এলাকা হচ্ছে— ঢাকা ও রাঙ্গামাটি জেলা। এ ছাড়া ৬ জেলাকে মাঝারি মাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৫৪ জেলাকে কম ঝুঁকির এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা ড্যাশ বোর্ড ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সংক্রমণের মাত্রা বিবেচনায় সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ- এই তিন ভাগে ভাগ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। লাল রঙকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ, হলুদকে মধ্যম এবং সবুজ কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, উচ্চ ঝুঁকির এলাকা ঢাকা ও রাঙামাটি জেলায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১০ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশের মধ্যে।

মধ্যম মাত্রার ঝুঁকিতে থাকা রাজশাহী, রংপুর, নাটোর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, যশোরে শনাক্তের হার এখন ৫ শতাংশ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে।

আর সংক্রমণের হার শূন্য থেকে চার শতাংশের মধ্যে রয়েছে এমন ৫৪টি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে সবুজ রঙে।

কম ঝুঁকির জেলাগুলো হচ্ছে- চট্টগ্রাম, বগুড়া, গাজীপুর, কক্সবাজার, কুষ্টিয়া, নীলফামারী, বরগুনা, শেরপুর, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও, ফেনী, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, পিরোজপুর, বাগেরহাট, নারায়ণগঞ্জ, নওগাঁ, ঝালকাঠি, খুলনা, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, ফরিদপুর, বরিশাল, চুয়াডাঙ্গা, মানিকগঞ্জ, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ময়মনসিংহ, রাজবাড়ী, সিলেট, সাতক্ষীরা, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নোয়াখালী, কিশোরগঞ্জ, গাইবান্ধা, শরীয়তপুর, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, খাগড়াছড়ি, ঝিনাইদহ, পাবনা, মাদারীপুর, মাগুরা, সুনামগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা, নেত্রকোণা, ভোলা, টাঙ্গাইল, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নড়াইল।

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে আজ থেকে দেশে ১১ দফা বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। যাত্রীবাহী বাসে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভা-সমাবেশ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে ভেঙে পড়ল বিএনপির সভামঞ্চ

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে সমাবেশ চলছিল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় হঠাৎ মঞ্চ ভেঙে পড়ে যান নেতাকর্মীরা।

বুধবার বেলা ১১টার পর চট্টগ্রামের কর্ণফুলী সিডিএ আবাসিক মাঠে মিছিল নিয়ে সমবেত হতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। এর পরই এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত নেতকর্মীদের উদ্ধার করা হয়।

সমাবেশের শুরুতে বিএনপি নেতারা গণআন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি দেন।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবদীন ফারুক।

মহানগর বিএনপির সাবেক সহদপ্তর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী জানান, আমরা সমাবেশের অনুমতি পেয়েছি মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে। বুধবার সঠিক সময় সমাবেশও শুরু হয়। তবে সমাবেশ মঞ্চে বেশি নেতাকর্মী ওঠেপড়ে। এতেই মঞ্চটি একটু দেবে গেছে।

চলন্ত বাসে নামাজ আদায় করা যাবে?

প্রশ্ন: আমি চট্টগ্রামে থাকি। কয়েকদিনের মধ্যে আমার ঢাকা যেতে হবে। বাসে যাব। বাসের মধ্যে নামাজ আদায় করা তো সম্ভব না। কী করব?

উত্তর: বাসে যেহেতু সাধারণত দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে নামাজ পড়া যায় না তাই কাছাকাছি যাতায়াতের ক্ষেত্রে ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পূর্বে গন্তব্যে পৌঁছে নামাজ আদায় করা সম্ভব হবেনা বলে মনে হলে এবং নেমে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ অথবা অসুবিধাজনক না হলে পথিমধ্যে নেমে ফরজ নামাজ পড়ে নিবে।

আর দূরের যাত্রা হলে অথবা যে ক্ষেত্রে নেমে গেলে ঝুঁকি অথবা সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা থাকে সে ক্ষেত্রে বাস না থামলে দাঁড়িয়ে সিট ধরে কিংবা সিটেই যেভাবে সম্ভব বসে বা ইশারায় কিবলা নির্ধারণ করে নামাজ আদায় করে নিতে হবে।

আর কিবলা নির্ধারণের জন্য কম্পাস, GPS ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি নামাজরত অবস্থায় কিবলা ঘুরে যাচ্ছে বলে বুঝা যায়, তাহলে ওই দিকে সীনা ঘুরিয়ে নিতে হবে। আর সতর্কতামূলক পরবর্তীতে এই নামাজ পূণরায় পড়ে নেওয়া উত্তম হবে। আল্লাহতায়ালা সর্বজ্ঞ।

তথ্যসূত্র: ইলাউস সুনান: ৭/২১২; মাআরিফুস সুনান: ৩/৩৯৪; আদ্দুররুল মুখতার: ২/১০১

কুরআন না বুঝে পড়লে কি সওয়াব হবে?

ইসলামের প্রতিটি নির্দেশনা তার অনুসারীদের জন্যে কল্যাণবান্ধব। ফলে, যে কুরআন মানুষের জীবনবিধান, তা পাঠ করলেও সওয়াব হয়। দুনিয়ার আর কোনো বিতাব অথবা বই নেই, যা শুধু পড়লেও পাঠকের সওয়াব হয়।

হাদিসে এসেছ, হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন: মানুষের মধ্যে আল্লাহর কিছু পরিবারভুক্ত লোক আছে।

সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, তারা কারা? তিনি বললেন, যারা কুরআনওয়ালা: এরা আল্লাহর পরিবারভুক্ত ও তার বিশেষ লোক। (তারগিব ওয়া তারহিব: ০২/৩০৩)

জিকির, কুরআন তেলাওয়াত ও এর আয়াতগুলো নিয়ে চিন্তা করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। আল্লাহর ভালোবাসার মাধ্যমকে অবলম্বন করে যারা তার নৈকট্য লাভ করে, তারা তার পরিবারভুক্ত ও বিশেষ লোক। আল্লাহও তাদেরকে ভালোবাসেন এবং তারাও তাকে ভালোবাসে।

তিরমিজিতে হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) এর বর্ণনায় এসেছে- যে আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পড়বে, সে একটি নেকি পাবে। আর প্রতিটি নেকি দশগুণের সমান। আমি বলি না: ‘আলিফ লাম মিম’ একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মিম একটি হরফ। (তিরমিজি, হা. ২৯১০)

কুরআন তেলাওয়াতের যেমন সওয়াব রয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে কুরআনের অর্থ ও মর্মাথ অনুধাবন করাও কুরআন-হাদিসেরই নির্দেশনা। এমন নয় যে, একজন সারাজীবন শুধু কুরআন তেলাওয়াতই করে যাবে বা শুধু কুরআন মুখস্ত করেই বসে থাকবে। বরং কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা বোঝার জন্যেও চেষ্টা করতে হবে।

যেমন ইরশাদ হয়েছে- “আমি আপনার প্রতি এ বরকতপূর্ণ কিতাব নামিয়েছি; তারা যেন এর আয়াতগুলো অনুধাবন করে এবং জ্ঞানীরা উপদেশ গ্রহণ করে।” (সুরা সোয়াদ: ২৯)

আরেক আয়াতে এসেছে, “তারা কি কুরআন নিয়ে চিন্তা করে না? নাকি তাদের অন্তকরণ বন্ধ?” (সুরা মোহাম্মাদ: ০৪)

আরেক আয়াতে এসেছে, “উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে আমি কোরআনকে সহজ করেছি; অতএব, কেউ কি আছে চিন্তা করবে?” (সুরা কামার: ১৭) তবে, এর অর্থ এই নয় যে, কুরআন না বুঝে পড়লে কোনো সওয়াব হবে না। কেননা, কুরআন তেলাওয়াত একটি স্বতন্ত্র ইবাদত।

আমরা জানি, নফল নামাজে কুরআন তেলাওয়াত করার অনেক ফজিলতের কথা কুরআন-হাদিসে এসেছে। আচ্ছা, এই ফজিলত কারা লাভ করবে? যারা কুরআনের আরবি ভাষা জানে, শুধু তারাই? নাকি যারা অনারবি, তারাও?

নিশ্চয়ই এই ফজিলত আরবি-অনারবি, সবার জন্যেই অবারিত। এখন যদি কুরআন তেলাওয়াতের সওয়াবকে এর অর্থ বুঝে পড়ার সাথে শর্তযুক্ত করা হয়, তাহলে দুনিয়ার অসংখ্য মানুষ যারা আরবি জানে না, তাদের তেলাওয়াতের কী হবে?

আল্লাহর অনুগ্রহ কি এতটাই সংকীর্ণ যে, তারা সওয়াব পাবে না? তা ছাড়া যেসব আয়াত বা হাদিসে কুরআন পড়ার ফজিলতের কথা এসেছে, সেসব জায়গায় কুরআন বুঝে পড়ার কোনো শর্ত আরোপ করা হয়নি।

বরং, সাধারণভাবে বলা হয়েছে, কুরআন তেলাওয়াত করলে প্রতি হরফে দশ নেকি। এখানে বুঝে না বুঝে পড়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

কুরআন তেলাওয়াতের সওয়াব আর কুরআন বুঝে পড়ার গুরুত্ব; দু’টি আলাদা বিষয়। একটিকে আরেকটির সাথে সাংঘর্ষিক মনে করা ঠিক নয়।

শুধু তেলাওয়াত করলে যেমন সওয়াবের কথা বর্ণিত আছে, তেমনি কুরআন বুঝে পড়াও শরিয়তের নির্দেশ। হ্যাঁ, আপনি যদি কুরআন বুঝে পড়েন, তাহলে এর প্রতি আমল করার গুরুত্ব আপনার কাছে বেড়ে যাবে।

এবং এটা খুব দরকারি একটা কাজ। আর এটাই হচ্ছে মূল কথা। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বোঝার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: অনুবাদক, প্রাবন্ধিক

আলবেনিতে বাফার নতুন প্রেসিডেন্ট সঞ্জয়, সেক্রেটারি ফরহাদ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনিতে বাংলাদেশি আমেরিকান ফাউন্ডেশন অব আলবেনির (বাফা) দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (৯ জানুয়ারি) কোহোসে বাফার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উক্ত নির্বাচনে সঞ্জয় সিকদার প্রেসিডেন্ট এবং ডা. মোহাম্মদ ফরহাদ জেনারেল সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনার সাদিক আহমেদ, জুবায়ের রহমান এবং শফিকুর রহমান নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশি আমেরিকান ফাউন্ডেশন অব আলবেনির (বাফা) নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন- পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ডা. হুমায়ুন কবির, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ খান তুষার, ভাইস প্রেসিডেন্ট সোহেল আহমেদ, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মিজানুর রহমান প্রধান, কালচারাল সেক্রেটারি জয়া সাহা ও ডিরেক্টর রহিম বাদশা।

এছাড়াও উপদেষ্টামণ্ডলীর নির্বাচিত সদস্যারা হলেন- অ্যাডভাইজার কো-অর্ডিনেটর আবুল বাশার, অ্যাডভাইজার মোদাচ্ছের হোসেন, প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির, জাবেদ মুনির, তানিয়া মনির, জগবন্ধু দেবনাথ (দেব), দিলরুবা কলি প্রমুখ।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মালদ্বীপ দূতাবাসের আলোচনা সভা

যথাযোগ্য মর্যাদায় মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে ১০ জানুয়ারি মালদ্বীপের বাংলাদেশ দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হাইকমিশনার রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান দিবসটির তাৎপর্য উল্লেখ করে বাংলাদেশিদের উদ্দেশে তার মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে সীমিত পরিসরে হাইকমিশনের অভ্যর্থনা কক্ষে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থায়ীভাবে খুশকি দূর করতে রসুনের ৫ ব্যবহার

মাথার ত্বকের অনেক সাধারণ একটি সমস্যা হচ্চে খুশকি। মূলত এটি হয়ে থাকে মাথার ত্বকের মৃত চামড়া ওঠার কারণে। আর অতিরিক্ত পরিমাণে খুশকির ফলে চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়।

অন্টি-ড্যান্ড্রাফট শ্যাম্পু ও বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করার ফলে খুশকির সমস্যা কিছুটা কমলেও তা একবারে দূর হয় না। কিন্তু এ সমস্যাটির পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে পারেন রসুনের ব্যবহারেই।

রসুন বিভিন্ন স্বাস্থ্য এবং ত্বকের সমস্যার জন্য একটি প্রাচীন ঘরোয়া প্রতিকার। এটিতে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর খুশকির সমস্যা নিরাময়ের জন্য অ্যান্টিফাঙ্গাল অনেক ভালো কাজ করে এবং স্থায়ীভাবে দূর করতে পারে আপনার এ সমস্যাটি। তবে মনে রাখবেন, রসুন সরাসরি আপনার মাথার ত্বকে ব্যবহার করা যাবে না।

তা হলে আসুন জেনে নিই কীভাবে রসুনের ব্যবহারে স্থায়ীভাবে দূর করবেন খুশকি—

১. রসুন ও জলপাই তেল
রসুনের তেল ও জলপাই তেল ব্যবহার করে দূর করতে পারেন খুশকির সমস্যা। আর এই দুটি উপাদান ব্যবহার করলে পেয়ে যেতে পারেন স্থায়ী সমাধান।
এর জন্য রসুনের তেল দুই চামিচ ও জলপাই তেল পাঁচ চামচ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এর পর ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিলেই পাবেন উপকার।

২. রসুন ও নারিকেল তেল
খুশকি সমস্যা সমাধানের উপায় হিসেবে রসুনের তেল ও নারিকেল তেলের মিশ্রণও অনেক ভালো কার্যকরী। এটি ব্যবহারেও পুনরাবৃত্তি বন্ধ হতে পারে খুশকি সমস্যার।
এর জন্য দুই চামিচ রসুনের তেল ও চার চামচ নারিকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য গরম করে নিন। এর পর সেটি ঠাণ্ডা হয়ে এলে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিলে মিলবে সমাধান।

৩. রসুনের গুঁড়া ও দই
মাথা থেকে স্খায়ীভাবে খুশকি দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন রসুনের গুঁড়া ও দইয়ের মিশ্রণ।
এর জন্য দুই চামচ রসুনের গুঁড়া ও পাঁচ চামচ দইয়ের সঙ্গে সামান্য পানি নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এর পর মাথার ত্বকে নারিকেল তেল ভালো করে ম্যাসাজ করে নিয়ে তার ওপরে মিশ্রণটি লাগান। ২০-৩০ মিনিট রেখে দিয়ে ধুয়ে নিলেই মিলবে উপকার।

৪. রসুনের রস ও অ্যালোভেরা জেল
রসুনের রস ও অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে ১০ মিনিটেই তৈরি করে নিতে পারেন খুশকি দূর করার দাওয়াই।
এর জন্য একটি পাত্রে রসুনের রস দুই চামিচ ও অ্যালোভেরা জেল চার চামচ নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। পরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিলেই মিলবে সমাধান।

৫. রসুন, মধু ও লেবু
অনেক উপকারী এই তিনটি উপাদান ব্যবহার করে সহজেই দূর করতে পারেন খুসকি সমস্যা।
এর জন্য একটি পাত্রে রসুনের তেল দুই চামচ, এক চামচ মধু ও দুই চামচ লেবু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এর পর মাথার ত্বকে নারিকেল তেল ভালো করে ম্যাসাজ করে নিয়ে তার ওপরে মিশ্রণটি লাগান। শাওয়া ক্যাপ পরে ২০ মিনিট রেখে অপেক্ষা করুন। পরে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিলেই মিলবে উপকার।

তথ্যসূত্র: স্টাইলক্রেজ ডটকম

শীতকালে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক

শীতকালে সাধারণত তাপমাত্রা অনেকটাই কম থাকে এবং আবহাওয়া থাকে শুষ্ক। আর এ সময়টায় দেখা দেওয়া সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে— ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

এ সময়টায় অনেকের উজ্জ্বল ত্বকও গ্রীষ্মের রোদের মতো শুকনো ও খিটখিটে ত্বকে রূপান্তরিত হয়। আর এমন ক্ষেত্রে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাতে চুলকানি এবং লালভাবও দেখা দিতে পারে।

ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে অনেকেই অনেক ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু শুধু এটুকুতেই যথেষ্ট নয়। ত্বককে ভালো রাখতে জানুন কেন ত্বক শুষ্ক হয় আর সেই অনুযায়ী কিছু অভ্যাসের পরিবর্তনেই আপনার ত্বক আরও ভালো থাকতে পারে। শীতকালে যে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক তা নিয়েই রইল আজকের টিপস—

১. অতিরিক্ত ত্বক ধোয়ার কারণে
আপনার মুখ অতিরিক্ত পরিমাণে ধোয়ার কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজিং ফ্যাক্টর হারিয়ে যায়। আর এটি পরবর্তী ছয় ঘণ্টা ত্বকে আর ফিরে আসে না। ত্বক ধোয়ার পরে ময়েশ্চারাইজ না করা হয়, তা হলে আপনার ত্বক তার সব প্রাকৃতিক তেল হারিয়ে ফেলতে পারে, যা এটিকে টানটান ও শুষ্ক করে তোলে।

তাই আপনার যখন প্রয়োজন শুধু তখনই ত্বক পরিষ্কার করুন। আর ত্বক পরিষ্কারের পরে অবশ্যই ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে নিতে হবে।

২. গরম পনি দিয়ে গোসল করলে
শীতকালে গরম পানি দিয়ে গোসল করা আরামদায়ক হলেও এটির একটি খারাপ দিক রয়েছে। আর তা হচ্ছে অত্যধিক গরম পানি আপনার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এবং শীতকালে ত্বক শুষ্ক রাখতে পারে। এ ছাড়া এটি আপনার ত্বককে লাল, ফ্ল্যাকি এবং সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। তাই অতিরিক্ত পরিমাণে গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।

৩. ত্বকে রাসায়নিকের ব্যবহার
ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা দূর করতে এক্সফোলিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ হলেও বেশি পরিমাণে স্ক্রাব বা রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্ক হতে পারে। তাই ত্বকে যতটা সম্ভব কম রাসায়নিক ব্যবহার করতে হবে আর স্ক্রাব বা পরিষ্কার করার পরেই ময়শ্চারাইজ করতে ভুলবেন না।

৪. পর্যাপ্ত পানির অভাবে
শীতকালে আপনি কী পরিমাণে পানি পান করছেন তার ওপর নজর রাখতে হবে। কারণ সঠিক হাইড্রেশন না হলেও ত্বকের শুষ্কতা বেশি দেখা দিতে পারে ও ত্বক ক্র্যাক করতে থাকে। তাই ত্বকের সুরক্ষার জন্য হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

৫. ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং
শীতকালে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল অনেক সময় কমে যেতে পারে। তাই এ সময় ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ময়শ্চারাইজিং করলে তা ত্বকের প্রাকৃতিক তেলকে লক করতে সাহায্য করতে পারে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে পারে।

তথ্যসূত্র: স্টাইলক্রেজ ডটকম