সোমবার ,১৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 516

সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক হাবিবুর রহমান নিহত

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সময়ের আলোর সিনিয়র রিপোর্টার হাবিবুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মঙ্গলবার (১৮ জনুয়ারি) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে তিনটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে আসছে বৃষ্টি

দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, চুয়াডাঙ্গা ও মৌলভীবাজার জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ সময় সারা দেশের কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাতের আভাসও রয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে পরের তিন দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তবে পরে আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, নওগাঁ, দিনাজপুর ও পঞ্চগড় জেলায় এখন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বুধবার তাপমাত্রা বাড়তে পারে। এখন শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করছে। উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ছে। এতে রাতে শীতের অনুভূতি বাড়ছে। আগামী ২৩-২৪ জানুয়ারির দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দেন তিনি।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপবলয়ের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

গত সোমবার তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় সেখানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৮, ময়মনসিংহে ১২ দশমিক ৭, চট্টগ্রামে ১৪ দশমিক ৭, সিলেটে ১৩ দশমিক ২, রাজশাহী ১১ দশমিক ৪, রংপুরে ১১ দশমিক ৮, খুলনায় ১২ দশমিক ৫ এবং বরিশালে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

সূর্য উঠার আগে

হঠাৎ দেখে চমকে নির্বাক হয়ে গেছি থমকে, মনে হলো দেখে তারে অনেক দিনের চেনা। পুরনো প্রেমিককে বহু বছর পর হঠাৎ দেখলে এমনটি মনে হয়। হবে না কেন ত্রিশ বছর আগে শেষ হয়ে যাওয়া সম্পর্ক মুহূর্তে একেক করে মনের দুয়ারে এসে হাজির হয়ে গেল।

লেনা আমাকে দেখেনি, ভাবলাম একটু সারপ্রাইজ দিই। পেছন থেকে জড়িয়ে ধরতেই ভয়ে চিৎকার করে উঠতেই নজরে পড়ল আমাকে। প্রথম দেখাতেই বলল- আরে তুমি? হঠাৎ? কেমন আছো? কোথায় আছো? কী করছো? কোথায় যাবে? বলতে বলতে জড়িয়ে ধরল আমাকে। আমার বলার কিছু ছিল না। বেশ কিছুক্ষণ কল্পনার রাজ্য থেকে বের হয়ে বললাম চলো কফি হাউসে বসি। কাজ শেষে একটু শপিং করতে এসেছিলাম, বাসায় ফিরতে দেরি হবে।

এক্সপ্রেসো হাউসে ঢুকে দুই কাপ কফি অর্ডার দিয়ে বসলাম। হলো কিছুক্ষণ স্মৃতিচারণ অতীত এবং বর্তমানকে নিয়ে। শেষে বিদায়ের পালা, যাবার বেলা লেনা শুধু বলল- আমাকে ফেলে সেই যে চলে গেলে আর একবারও যোগাযোগ করলে না! তা হঠাৎ কেন আমাকে দেখে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলে? আমি বললাম ফেলে ঠিক নয়, তবে চলে গিয়েছিলাম। সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম হৃদয়ে তোমাকে এবং তোমার ভালোবাসাকে, তাইতো আজ তোমাকে দেখে চিনতে একটুও দেরি হয়নি। বিদায় বেলা লেনা তার বিজনেস কার্ডটি হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো যদি মন চায় ফোন কর। যাবার বেলা বললো বাসায় যেতে হবে তাড়া আছে, আশা করি আবার দেখা হবে।

এদিকে আমারও বাসায় আসতে বেশ দেরি হয়ে গেল। বাসায় ঢুকে দেখি আমার স্ত্রী বেশ মন খারাপ করে বসে আছে। জিজ্ঞেস করলাম কি ব্যাপার মন খারাপ কেন? সে বললো তুমি ভুলে গেছো আজ আমার জন্মদিন? গতকাল বলেছিলে বাইরে ডিনারে নিয়ে যাবে।

আমি বললাম সমস্যা কোথায় রাত তো বেশি হয়নি, একটু ফ্রেশ হয়ে চল বাইরে যাই?
কারিনা প্রথমে যেতে রাজি না হলেও পরে রাজি হয়ে গেল। ডিনারে যে রেস্টুরেন্টে ঢুকেছি সেখানেই লেনা এসেছে তার স্বামীর সঙ্গে ডিনারে। ওয়াট অ্যা কোইনসিডেন্স!

লেনা আমাকে দূর হতে দেখেছে। নতুন করে অল্প সময়ের মধ্যে আবারও দেখা! পরিচয় করিয়ে দিল লেনার স্বামী পিটারকে। আমি পরিচয় করে দিলাম কারিনাকে। পিটার বললো, চল আমরা এক টেবিলে বসি। কারিনার চোখে চোখ পড়তেই সে রাজি হয়ে গেল। পিটার খুব মজার মানুষ, অল্প সময়ের মধ্যে আমাদেরকে আপন করে নিয়েছে। পিটার, লেনার চেয়ে বয়সে বেশ বড়। রিয়েল স্টেটের ব্যবসা করে, মানে দেশের ধনীদের মধ্যে একজন। ছেলেমেয়ে হয়নি তাদের। লেনার সঙ্গে বিয়ের পর লেনা লিভমডার্ন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় এবং তাদের আর কোন সন্তান হবে না এমনটি ডাক্তারি রিপোর্টে জানানো হয়। এ সময় লেনার মাথার চুল পড়ে যায়, চেহারার এই বিকৃতি অবস্থায় অন্য কোন ছেলে হলে হয়তবা তাকে ছেড়ে চলে যেত, কিন্তু না পিটার তা করেনি। বয়সে বড় হলেও ভালোবাসা দিয়ে আকড়ে ধরে আছে সেই থেকে লেনাকে। অনেক কিছুই জানা হলো, অনেক কথা বলা হলো। বিদায় বেলা লেনা কানের কাছে ফিস ফিস করে বলে গেল, আবার হবে তো দেখা? এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো!

আমি কারিনাকে নিয়ে বাড়ি আসার পথে ভাবছি, জানিনা লেনা এখন কার কথা এবং কী কথা ভাবছে! পুরনো প্রেমের উদয় হলো নাতো? এমনটি প্রশ্ন ভাবনায় ঢুকেছে।

চলছে দিনকাল, কাজ আর বাসা। এদিকে সামনে বড় দিনের ছুটি, কারিনার সখ একটি ভালো ক্যামেরা কিনবে। ভাবলাম তাহলে আমি বড় দিনের উপহার হিসাবে একটি ক্যামেরা কিনি, যেই ভাবনা সেই কাজ। বাড়িতে এসে উপহারটি কারিনার হাতে তুলে দিলাম। উপহারটি পেয়ে সে তো মহাখুশি।

তাড়াহুড়ো করে সেও আমার হাতে তার কেনা উপহারটি দিল। খুলে দেখি এক বিস্ময়কর মহাকাব্য, যার কথা শুনেছি কিন্তু চোখে দেখিনি এর আগে। হতভম্ভ হয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে বইটি দেখছি, দেখছি বইয়ের ভেতর এবং বাইরে। আশ্চর্য কিছুই তো বুঝতে পারছি নে? কি হবে এ বই দিয়ে যদি পড়তেই না পারি? ১৫০০ খ্রিস্টাব্দে কোনো এক ব্যক্তি এক উদ্ভট অক্ষরে মিরাকেল এই কাব্য লিখেছিল। শুনেছি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপান্তরিত করা যায় এমন ধরনের তন্ত্র মন্ত্র রয়েছে এই বইয়ের মাঝে। আজ আমার হাতে সেই বই, ভাবতেই গা শিউরে উঠছে!

রাতে কারিনাকে জিজ্ঞেস করলাম সে কীভাবে এই বই পেল?

উত্তরে সে বললো মিসর সফরে যখন গিয়েছিলাম তখন এক বৃদ্ধ লোক ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজিতে বলেছিল এই বইটি সম্পর্কে। তখন তোমার কথা মনে পড়ে যায়।
কি কথা?
তুমি বলেছিলে আমাদের প্রথম পরিচয়ে, আমি স্বপ্নের রাজ্যে বাস করি তবে স্বপ্নের সত্যি কখনো অনুভব করিনি। জীবনের সখ যদি এমন কোন কাব্য থাকত তাহলে যত টাকা হোক না কেন কিনতাম।

বৃদ্ধ বেচারা যখন বললো ভাবলাম খুব বেশি নয় সামান্য পয়সার বিনিময়ে বইটি বিক্রি করতে চায়, কি আসে যায় যদি তার কথা সত্যি না হয়! খুব তো বেশি টাকা নয়, কিনি বইটি। বেচারার দিনটি ভালো যাবে আমারও একটি স্মৃতি থেকে যাবে, সঙ্গে তোমাকে বড় দিনে উপহারটি দিতে পারব।

মহাকাব্য আমার হাতে, তবে সত্য কিনা বা কি লিখা এ তো জানার কোন উপায় নেই! বেশ ভাবনায় পড়ে গেলাম! লেনা পেশাগতভাবে আর্কিওলজিস্ট হিসাবে কাজ করে, ভাবলাম তাকে ফোন করলে হয়তবা কোন তথ্য পাওয়া যেতে পারে। পরের দিন সকালে লেনাকে ফোন করলাম এবং বিষয়টি সম্পর্কে বললাম। লেনা আমার কথা শুনে টেলিফোনেই একজন প্রবীণ আর্কিওলজিস্টের ঠিকানা দিলো। স্টকহোমের পুরনো শহরের একটি কর্ণারে দুই তলার উপর এক ভয়ংকর আকৃতির চেহারার মানুষ দেখে নিজেই একটু ঘাবড়ে গেলাম। তবুও এসেছি যখন তাকে বইটি দেখালাম।

বড় এক লেন্স চোখের সামনে ধরে কিছুক্ষণ পরই একটু উত্তেজিত স্বরে জিজ্ঞেস করল, কোথায় পেলে এই মহাকাব্য? ঘটনা খুলে বললাম যা শুনেছি কারিনার থেকে। বৃদ্ধ আর্কিওলজিস্ট শুধু বললো না এ কাজ আমি করতে পারব না।

কি কাজ তুমি করতে পারবে না আমি প্রশ্ন করলাম? উত্তরে বললো, তোমাকে এ ভাষা শিখাতে পারব না কারণ তুমি এই কাব্যের রহস্য জানতে পারলে এর ওপর এক্সপেরিমেন্ট চালাবে তখন মিরাকেল ঘটনা ঘটবে যার সঠিক কারণ কেউ পৃথিবীতে দিতে পারবে না।

আমি বৃদ্ধ লোকটিকে বহু অনুরোধ করার পর বৃদ্ধ লোকটি কাব্যের রহস্য আমাকে জানাল এবং পড়া এবং বোঝার টেকনিক শিখিয়ে দিল।

বৃদ্ধ আর্কিওলজিস্টকে বিদায় দিয়ে বাড়িতে আসতেই টেলিভিশনের পর্দায় রাতের খবরে জানতে পারলাম কয়েক ঘণ্টা আগে এ যুগের সবচেয়ে পুরোনো আর্কিওলজিস্টের মৃত্যু হয়েছে। (কোনো দেশ বা মহাদেশের নির্দিষ্ট বিলুপ্ত সভ্যতার সামাজিক স্থিতি, রীতি-নীতি, সংস্কৃতি, বিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ও নিয়মমাফিক পদ্ধতিতে কাজ করার বিষয়কে সাধারণত আর্কিওলজি বলা হয়। এর পাশাপাশি শুধুমাত্র পুরনো সভ্যতার অংশবিশেষ, নিদর্শন, স্থাপত্য, ভাস্কর্য পুনরুদ্ধারই নয়, সেগুলোকে সংরক্ষণ করে সামাজিক স্তরে মানুষের কাছে সেই ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা এবং তথ্য তুলে ধরার দায়িত্বও থাকে আর্কিওলজিস্ট অর্থাৎ প্রত্নতাত্ত্বিকদের)।

আমার মনটা বেশ খারাপ হয়ে গেল, কারো সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার না করে রাতের ডিনার সেরে বিছনায় চলে গেলাম।

কারিনা জিজ্ঞেস করল, শরীর খারাপ করলো কিনা! উত্তরে বললাম না, তবে একটু ক্লান্ত মনে হচ্ছে।

ঘুম আসছে না তো গুণগুণ করে গান করতে শুরু করলাম- জানি না এখন তুমি কার কথা ভাবছ/আনমনে কার ছবি চুপি চুপি আঁকছ?

কারিনার দেওয়া মহাকাব্যটি একটু পড়তেই কখন ঘুমিয়ে গেছি মনে নেই। তবে সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতের স্বপ্নের কথাগুলো বেশ মনে পড়ছে। এ স্বপ্ন আগের মতো না? এ যেন সত্যিকার ঘটনার অভিজ্ঞতা।

হঠাৎ দেখি লেনা ফোন করেছে, ফোনটি ধরে হ্যালো বলতেই বলল তোমার সঙ্গে দেখা করব, খুবই জরুরি। অফিসে লাঞ্চের সময় আসবে কিন্তু?

আমি শুধু বললাম, মনটি তোমার কেন দুরু দুরু কাঁপছে? সে বললো না ঠিক আছে পরে দেখা হবে।

লাঞ্চে লেনার সঙ্গে দেখা হতেই বলতে শুরু করল- আমি পিটারকে ভালোবাসি, সে আমার জন্য অনেক কিছু করেছে তাকে ছেড়ে তোমাকে নতুন করে বরণ করতে পারব না। তাছাড়া তুমি কি পারবে তোমার সংসার, ছেলে-মেয়ে, কারিনাকে ছেড়ে আমার সঙ্গে থাকতে?

আমি একটু অবাক হলাম প্রথমে, পরে একটুও দেরি হলো না তার সব কথা বুঝতে। রাতে তো আমি লেনাকেই স্বপ্নে দেখেছি এবং তার সঙ্গে কিছুটা মনের বদল হয়েছে। এ স্বপ্ন শুধু আমার একার নয়, যাকে নিয়ে ভাবছি তারও। সেক্ষেত্রে আমি যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি সেও সে স্বপ্নের অংশীদার হয়ে যায়। মহাকাব্যে এমনটি তন্ত্র-মন্ত্র রয়েছে। গতকাল কিছুটা রিসার্স করেছিলাম কল্পনাতে, অথচ সেটা সত্যি সত্যি ঘটেছে, ভাবতেই অবাক লাগছে!

লেনা লাঞ্চ শেষে বিদায় নিল, তবে লেনার চোখ দেখে মনে হলো সে বলছে- “কি চোখে তোমায় দেখি, বোঝাতে পারিনি আজও হয়তো, এ দেখাই শেষ দেখা নয়তো”।

আমরা প্রতিদিনই স্বপ্নে দেখা করি, দেশ-বিদেশ ঘুরি। পাশে দুজন দুজনার সঙ্গীর সাথেই রাতে ঘুমোই, তবে ঘুমের ঘোরে নানা ধরনের ঘটনা ঘটে; যা ইদানীং কারিনা লক্ষ্য করছে। এমনকি আমার দেওয়া সেই ক্যামেরা দিয়ে রাতের স্বপ্নে যে আমি কথা বলি সবই সে রেকর্ড করে চলছে। পরে কোনো এক সময় আমাদের দুই পরিবারের মধ্যে পুনর্মিলন হয়। কারিনা এবং পিটার একে অপরের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে আলোচনায় ঘটনাটি উঠে আসে। সময়ের সাথে সাথে কারিনা এবং পিটার মাঝে মধ্যে দেখা করে। এ দেখা সেই স্বপ্নে দেখা নয়। তাদের দেখা রিয়েল। আমি স্বপ্নের রাজ্যে লেনাকে নিয়ে ব্যস্ত, এদিকে আমার কারিনা লেনার পিটারকে নিয়ে নতুন ভালোবাসার রিয়েল কাব্য রচনা করেছে।

আর আমি “বসে আছি পথ চেয়ে, ফাগুনেরও গান গেয়ে, যত ভাবি ভুলে যাব, মনও মানে না”।

গল্পের আমি, নাম তার মাটস। মাটস ঘটে যাওয়া ঘটনাটি এভাবেই বর্ণনা করেছিল সেদিন রাতে। আমি বললাম তারপর কী হলো? মাটস শুধু বলল- তার আর পর নেই, আমি স্বপ্নের রাজ্যে বসবাস করছি সেই থেকে…।

জন্মনিয়ন্ত্রণে কনডম কেন জনপ্রিয়?

জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য কনডম পদ্ধতি সবার কাছে পরিচিত। নানা কারণে এটির মাধ্যমে জন্মনিয়ন্ত্রণের সফলতার হার তুলনামূলক কম হলেও এটি জনপ্রিয় পদ্ধতি।

এ ব্যাপারে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের প্রসূতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোসা.আফরোজা সরকার জলি বলেন, ১০০ দম্পতির মধ্যে কনডম ব্যবহারে জন্মনিয়ন্ত্রণে সফলতার হার ৮০ শতাংশের কাছাকাছি। বাকি ৫ থেকে ২০ শতাংশ সফল হন না। এরপরও এদেশে কনডম জনপ্রিয় হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে।

কনডম খুব সহজে পাওয়া যায়। তুলনামূলক দাম কম। এটি নষ্ট করা বা ডিসপজেবল সুবিধাজনক। এটি ব্যবহারে তেমন কোনো বিধির প্রয়োজন নেই। সামান্য কিছু কৌশল শিখলেই অনায়াসে ব্যবহার করা যায়।

বেরিয়ার পদ্ধতি হিসেবে কনডম ব্যবহারে জন্মনিয়ন্ত্রণে সফলতার হার অন্যান্য পদ্ধতিরে চেয়ে কম হলেও এর বিশেষ কিছু সুবিধা রয়েছে। এটিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ ছাড়াও অনেকগুলো যৌন রোগ থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

যৌনবাহিত রোগ সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটিভ ডিজিজের মধ্যে পেলভিক ইনফ্লামাটরি অন্যতম। পুরুষ থেকে এ রোগ নারী দেহে ছড়িয়ে তাদের ইন্টারনাল সংক্রমণ হয়। অথচ পুরুষ সঙ্গী কনডম ব্যবহার করলে নারীরা অনায়াসে রোগটি থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারেন।

আবার সালভাইক্যাল বা জরায়ু ক্যান্সারে আমাদের দেশে অনেক নারীর মৃত্যু হয়। নারীদের জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্তের হার অনেক বেশি। পুরুষ সঙ্গী কনডমে অভ্যস্ত হলে এ ধরনের দম্পতি সংক্রমণ থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পেতে পারেন।

অনিদ্রার কারণে কি ডায়াবেটিস হতে পারে?

আমরা অনেকেই শুনে থাকি যে, ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রার কারণে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দেয়। আর এগুলোর মধ্যে বিপাকীয় কার্যক্রম ব্যাহত, গ্যাস্ট্রিক, স্ট্রেসসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন তৈরি হয় যে, অনিদ্রার কারণে ডায়াবেটিস হতে পারে কিনা?

এ বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনসোমনিয়া বা পর্যাপ্ত ঘুম না হয়ে থাকলে তা বিপাকীয় ক্রম ব্যাহত করতে পারে। এ ছাড়া অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ হয়ে থাকে। আর এটি ইনস্যুলিন প্রতিরোধের দিকে পরিচালিত করতে পারে এবং ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়।

এই স্ট্রেস হরমোনগুলো কার্বোহাইড্রেটযুক্ত ও চিনিযুক্ত উচ্চ খাবার এবং পানীয়গুলোর প্রতি আপনার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে তুলতে পারে। এতে করে ওজন বাড়তে পারে এবং এভাবে একপর্যায়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হতে পারে।

শুধু তাই নয়, অপর্যাপ্ত ঘুম লেপটিন হরমোনকেও কমিয়ে দেয়, যা শরীরে কার্বোহাইড্রেটের আকাঙ্ক্ষা বাড়ায়। আর কার্বোহাইড্রেটের বিপাক নিয়ন্ত্রণের জন্যও লেপটিন দায়ী।

তাই আপনি যদি নিদ্রাহীনতায় ভুগে থাকেন, তবে চিনির মাত্রার ওপর বিশেষ নজর রাখতে হবে।

আমেরিকান একাডেমি অব স্লিপ মেডিসিন এবং স্লিপ রিসার্চ সোসাইটির মতে, সুস্থ ও ফিট থাকার জন্য প্রতি রাতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমানো গুরুত্বপূর্ণ। আর দিনেরবেলা ক্লান্ত বোধ করলে তা রাতে খারাপ ঘুম হওয়ার একটি প্রধান লক্ষণ।

ভিসির পদত্যাগের দাবিতে অটল শাবি শিক্ষার্থীরা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলা, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আজ মঙ্গলবারও আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের সামনে মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে জড়ো হয়ে মিছিল বের করেন তারা।

মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন হল ঘুরে গোল চত্বরে এসে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, সিলেট-১ আসনের সাংসদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সোমবার দিবাগত রাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তার পাঠানো প্রতিনিধির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। এরপর প্রধান ফটকের সামনে অবস্থানরত পুলিশ, রায়ট কার ও জলকামান প্রত্যাহার করা হয়। প্রধান ফটক থেকে পুলিশ সরে যাওয়ার পর শিক্ষার্থীরাও উপাচার্যের ভবন থেকে সরে যান।

তবে সরে যাওয়ার আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় গোলচত্বরে জড়ো হয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিয়ে যান।

সোমবার সন্ধ্যায় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনের সড়কে ফরিদ উদ্দিন আহমেদের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা।

কুশপুত্তলিকা দাহ করার আগে বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, নিজের আত্মরক্ষার জন্য যে উপাচার্য সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করতে পারেন, তিনি কোনো গ্রহণযোগ্য শিক্ষক হতে পারেন না। আমরা অবিলম্বে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবি করছি। ন্যূনতম সম্মানবোধ থাকলে তিনি নিজেই পদত্যাগ করবেন বলে আমরা আশা করি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে পদত্যাগ করতে হবে।

ছাত্র অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, বর্তমান সরকার ছাত্রবান্ধব নয়। পেটোয়া বাহিনী দিয়ে তারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ছাত্রসমাজের কাছে দুঃখ প্রকাশের দাবি করেন তিনি।

এই বক্তব্যের পরই অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের কুশপুত্তলিকায় কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা। এ সময় তারা ‘ছাত্র মারা ভিসি, চাই না চাই না’, ‘যে ভিসি গ্রেনেড মারে, সেই ভিসি চাই না’ ইত্যাদি বলে স্লোগান দেন।

রোববার দুপুরে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। পরে সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ পুলিশ সদস্য, ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ১৫ শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ তার বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।

উপাচার্য জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই শিক্ষার্থীদের কাল সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে হল ত্যাগ করা নির্দেশ দেন।

রাষ্ট্রপতিকে শাবি শিক্ষার্থীদের খোলা চিঠি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে খোলা চিঠি দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে ক্যাম্পাসে আচার্যের কাছে পাঠানো ওই চিঠিটি পাঠ করে শোনান আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আবেদীন।

শিক্ষার্থীরা চিঠিতে উল্লেখ করেন, আমরা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছি। ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহিদ ও দুই লাখ বীরাঙ্গনার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের বিধি মোতাবেক আপনি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য আপনি সাংবিধানিক বিধি মোতাবেক আপনার প্রতিনিধিস্বরূপ উপাচার্য নিয়োগ করে থাকেন।

আমরা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশের কল্যাণে নিজেদের প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে অধ্যয়নে নিবেদিত আছি।

গত ১৬ জানুয়ারি শাবিপ্রবির ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনের সামনে নিরাপদ আবাসন পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তিন দফা দাবি করা হয়। এসময় আন্দোলনরত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের আবাসিক ছাত্রী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর বিনা উস্কানিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে পুলিশের নিষ্ঠুর হামলা করে।

এসময় বাংলাদেশের জনগণের টাকায় রাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ক্রয়কৃত আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত পুলিশের নির্বিচার লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেডের শিকার হয় নিরস্ত্র শিক্ষার্থীরা। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ২০ এর বেশি। এরমধ্যে কারো মাথা ফেটেছে, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রচণ্ড জখম হয়ে মারাত্মক আহত হয়েছেন অনেকে।

ছাত্রীদের ওপর অসম্ভব নিষ্ঠুরভাবে পুরুষ পুলিশ সদস্যরা মুহুর্মুহু লাঠি চার্জ করেছে। ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুলিশ ডেকে এনে শিক্ষার্থীদের ওপর এমন নৃশংস হামলার ঘটনা স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। দাবি না মেনে উল্টো পুলিশি হামলায় শিক্ষার্থীদের মৃত্যু ঝুঁকিতে ফেলার ঘটনায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যেভাবে মূল কুশীলবের ভূমিকা পালন করেছেন। এটা সরাসরি সংবিধানবিরোধী এবং ফরিদ উদ্দিন আহমদের ওপর অর্পিত দায়িত্বের সরাসরি অপব্যবহার ও বরখেলাপ।

এ ঘটনায় শাবিপ্রবির সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ হতবাক এবং সংক্ষুব্ধ। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে, আমাদের মহামান্য আচার্য তাঁর জীবন অভিজ্ঞতা থেকে এটুকু বুঝতে পারেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশ, দশ ও নিজেদের ভালমন্দ অনুধাবন করার সক্ষমতা রাখি। আজ এটা দিনের মত পরিষ্কার যে, আপনার প্রতিনিধি হিসেবে ফরিদ উদ্দিন আহমদ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের দায়িত্ব পালনের সব নৈতিক, যৌক্তিক ও সাংবিধানিক যোগ্যতা হারিয়েছেন।

এ ঘটনা আমাদের দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করেছে যে- এই ‘অথর্ব, অযোগ্য ও স্বৈরাচারী’ ব্যক্তিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী ক্ষমতায় বহাল রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলমন্ত্রের পরিপন্থী। বর্তমানে শাবিপ্রবির কোনো শিক্ষার্থীই এই উপাচার্য দায়িত্বে থাকাকালে ক্যাম্পাসে নিরাপদ বোধ করছে না।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার হামলার পর সোমবারও সারাদিন ক্যাম্পাসে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলফটকে জলকামান ও রায়ট-কারসহ পুলিশের উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা আমাদের মহামান্য আচার্যর কাছে আবেদন করছি, অবিলম্বে ক্যাম্পাসে ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য পুলিশ-র্যা বসহ যেকোনো নিরাপত্তাবাহিনীকে মোতায়েন না করার নির্দেশ দিয়ে আমাদের নিরাপত্তা বিধান করুন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে, শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা উপচার্যের পদ থেকে ১৬ জানুয়ারির হামলার মূল মদদদাতা ফরিদ উদ্দিন আহমদের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করে তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান হিসেবে মহামান্য আচার্যের কাছে আমাদের আবেদন, আপনার সরাসরি হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্যের অপসারণ নিশ্চিত করে, একজন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে উদ্যোগ নিন।

পারিবারিক কলহের জেরে শিমুকে হত্যা

পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন সরদার।

শিমু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মঙ্গলবার ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ তথ্য দেন এসপি মারুফ হাসান।

প্রাথমিকভাবে এই হত্যার দায় স্বীকার করেছেন শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল।

সংবাদসম্মেলনে এসপি মারুফ হাসান বলেন, স্ত্রী শিমু হত্যার দায় স্বীকার করেছেন খন্দকার তার স্বামী শাখাওয়াত আলীম নোবেল। অভিনেত্রী শিমুর লাশ গুম করতে তাকে বন্ধু ফরহাদ সহায়তা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ আরও জানায়, গত রোববার সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে যেকোনো সময় শিমুকে হত্যা করা হয়। যে গাড়ি ব্যবহার করে শিমুর লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে সে গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়েছে পুলিশ। অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

নোবেল নেশাগ্রস্ত, শিমুর সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো

পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন সরদার।

শিমু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মঙ্গলবার ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ তথ্য দেন এসপি মারুফ হাসান।

প্রাথমিকভাবে এই হত্যার দায় স্বীকার করেছেন শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল।

সংবাদসম্মেলনে এসপি মারুফ হাসান বলেন, স্ত্রী শিমু হত্যার দায় স্বীকার করেছেন খন্দকার তার স্বামী শাখাওয়াত আলীম নোবেল। অভিনেত্রী শিমুর লাশ গুম করতে তাকে বন্ধু ফরহাদ সহায়তা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ আরও জানায়, গত রোববার সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে যেকোনো সময় শিমুকে হত্যা করা হয়। যে গাড়ি ব্যবহার করে শিমুর লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে সে গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়েছে পুলিশ। অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

বিপিএল শুরুর আগেই ক্রিকেটারদের দুঃসংবাদ!

দরজায় কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২১ তারিখে বসবে বিপিএলের অষ্টম আসর।

ফ্রাঞ্চাইজিগুলো দল গুছিয়ে ফেলেছে ইতোমধ্যে। বিদেশি তারকাদের সিংহভাগ এসে পড়েছেন।

এরই মধ্যে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ জমা হলো বিপিএলের আকাশে। করোনার হানা পড়েছে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে।

সোমবার করা প্রথমবারের করোনাভাইরাস পরীক্ষায় বেশ কয়েকজনের পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার ও বুধবার করা পরীক্ষায় এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবারের রিপোর্টে আক্রান্তের সংখ্যা ৪-৫ জন বলে জানিয়েছে বিসিবির একটি সূত্র। আক্রান্তরা কারা আর কোন দলের সে তথ্য প্রকাশ করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

বিসিবির মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে, করোনা আক্রান্ত ক্রিকেটারদের ইতোমধ্যে আলাদা করা হয়েছে। দলের সঙ্গে টিম হোটেলে উঠতে পারবেন না তারা। কোনো উপসর্গ না থাকলে নতুন পরীক্ষা ছাড়াই দশ দিন পর দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন তারা। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি চাইলে নিজ উদ্যোগে করোনা পরীক্ষা করাতে পারবে।