শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 465

বিশ্বরঙ বাসন্তী সুন্দরী ২০২২-এর গ্র্যান্ড ফিনালে

“বিশ্বরঙ” সুদীর্ঘ ২৭ বছর ধরে বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যতম ফ্যাশন ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত একটি নাম। ফ্যাশন হাউজটি এই ২৭ বছরে বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে বহু প্রতিভাবান মডেল উপহার দিয়েছে বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে। যারা নিজস্ব প্রতিভায় প্রতিনিয়ত আলোকিত করছে বাংলাদেশের মিডিয়া অঙ্গন।

বিশ্বরঙ এর আয়োজনে “২০ – ২০ কালারস্” এবং “শারদ সাজে বিশ্বরঙ এর দিদি” প্লাটফর্ম থেকে যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদের সবাই এখন মিডিয়া জগতের নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপনে ভালো ভালো কাজ উপহার দিচ্ছেন। তারা হয়তো আগামী সময়ের উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবেন। সেই ধারাবাহিকতায় ঋতুরাজ বসন্ত উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ‘বিশ্বরঙ বাসন্তী সুন্দরী ২০২২’ প্রতিযোগিতার।

বিশ্বরঙ এর প্রতিষ্ঠা ও কর্ণধার বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা জানান, তাদের আয়োজিত বিগত সময়ের সকল প্রতিযোগিতার মতোই “বাসন্তী সুন্দরী ২০২২” প্রতিযোগিতাটি দেশব্যাপী ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হবে। তাই এই প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে, পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ এ আয়োজন করা হচ্ছে।

র‌্যাম্প মডেলদের ক্যাটওয়াক, প্রতিযোগীদের ফ্যাশন শো, গান, নৃত্য, জনপ্রিয় সেলিব্রেটিদের প্রাণবন্ত আড্ডা আর পারফরম্যান্স, শ্বাসরুদ্ধকর উত্তেজনায় ভরা প্রতিযোগিতার নানান পর্ব নিয়ে সাজানো হয়েছে এই আয়োজন।

জানা গেছে, অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী সামিনা চৌধুরী, স্বনামধন্য অভিনেত্রী শম্পা রেজা, প্রখ্যাত মডেল – অভিনেত্রী – নৃত্য শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ, চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া, স্বনামধন্য নির্মাতা চন্দন রায় চৌধুরী, এবং স্বনামধন্য ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা।

আরও উপস্থিত থাকবেন যমুনা গ্রুপের পরিচালক ডক্টর মোহাম্মদ আলমগীর আলম, সংগীত শিল্পী কর্নিয়া, লাক্স ফটো সুন্দরী রেবেকা সুলতানা দীপা, নায়ক শিপন মিত্র, সংগীত শিল্পী কোনাল, নৃত্য শিল্পী রুমানা রওশন, সংগীত শিল্পী তারিক মৃধা, মডেল ও অভিনেতা সাঞ্জু জন, আরজে ও সংগীত শিল্পী রেহান, সংগীত শিল্পী সালমা, সংগীত শিল্পী জাহেদ পারভেজ পাবেল, নৃত্য শিল্পী রাণী চৌধুরী সহ সন্মানিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এই আয়োজনের ভেন্যু পার্টনার যমুনা ফিউচার পার্ক এবং মিডিয়া পার্টনার যমুনা টেলিভিশন
ও দৈনিক যুগান্তর।

জানা গেছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫টায়, যমুনা ফিউচার পার্কের (ওয়েস্ট কোর্ট) এ গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে। বিপ্লব সাহা প্রত্যাশা করছেন – সবার প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে ভালোবাসা দিবসের এই আনন্দ – আয়োজন হোক ভালোবাসার মানুষে কানায় – কানায় পরিপূর্ণ।

তবু খালি থাকবে ৫ লাখ আসন

উচ্চ মাধ্যমিকে এবার পাশ করেছে প্রায় ১৩ লাখ ৭ হাজার শিক্ষার্থী। অন্যদিকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন আছে ১৪ লাখ ১৮ হাজার। তবে এরপরও এ স্তরে ৫ লাখের বেশি আসন খালি থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এইচএসসি পাশের পর অন্তত ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। এছাড়া একটি অংশ বিদেশে লেখাপড়া করতে যান। অনেকেই নার্সিংসহ বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষায় ভিড়ে যান। ফলে সবমিলে আসনে নয়, সংকট দেখা দেবে পছন্দের বিভাগ আর প্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে। এটা চিরাচরিত দৃশ্য বলেই মনে করেন তারা।

এদিকে এবার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন সংকট দেখা দিতে পারে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে। তিনটি মাত্র বিষয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হয়েছে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাধারণত শিক্ষার্থীদের পাণ্ডিত্য(!) যাচাই করতে গোটা বই থেকে কঠিন প্রশ্ন করে থাকে। ফলে পছন্দের প্রতিষ্ঠানে আসন সংকটের পাশাপাশি প্রশ্নপত্রের সংকটেও পড়তে পারে তারা।

রোববার সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা যে সিলেবাসে হয়েছে, ঠিক সেই সিলেবাসের ওপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাগুলো হওয়া যৌক্তিক ও সঠিক। যে সিলেবাসে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসেছে, সে অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা না হলে তাদের প্রতি সুবিচার করা হবে না। এর বাইরে অন্য কিছু কেউ করবেন বলে মনে করি না। যদি কেউ করতে চান, তাদের অনুরোধ করব। ইতোমধ্যে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে বলে জানান। এছাড়া গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও কয়েকটিতে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী এ সময় আসন সংখ্যা এবং গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, ভর্তিতে আসন সংকট হবে না।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কর্মকর্তারা জানান, গতবছর শতভাগ শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশ করেছিল। সংখ্যার বিচারে তা এবারের চেয়েও বেশি ছিল, ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন। কিন্তু এখন পর্যন্ত বাস্তবতা হচ্ছে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শত শত আসন খালি আছে। বিশেষ করে প্রথমবারের মতো গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয় এখনও ভর্তি শেষ করতে পারেনি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বিভিন্ন কলেজ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়েও আসন খালি আছে।

২০১৯ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশ করেছিল ৯ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ শিক্ষার্থী। ওই বছর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও স্নাতক কলেজসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিল ৭ লাখ ৮২ হাজার ৬১৬ জন। এদের মধ্যে অন্তত ১ লাখ শিক্ষার্থী আগের বছর এইচএসসি পাশ করা। অন্যদিকে ২০১৯ সালে বিভিন্ন ধরনের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন ছিল ৯ লাখ ২৬ হাজার ৬১টি। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যার চেয়েও ১ হাজার ৪১৩ জন বেশি ভর্তি করা হয়েছিল। এরপরও ২ লাখ ২৬ হাজার ৫৫৪টি আসন খালি ছিল।

২০২০ সালে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসন ছিল ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৭০৬টি। ভর্তি হয়েছে ১১ লাখ ৮১ হাজার ১৯৮ জন। আসন খালি ছিল ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৮টি। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যার অতিরিক্ত ৭৩৬ জন ভর্তি করার পরও এ শূন্যতা ছিল।

বিগত বছরগুলোর ভর্তির প্রবণতা থেকে ইউজিসি বলছে, যদি ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীও ভর্তি হয় তাহলে ৯ লাখ ১৫ হাজারের মতো আসন লাগবে। যেহেতু উচ্চশিক্ষা স্তরের প্রতিষ্ঠানে আসন আছে ১৪ লাখ ১৮ হাজার, তাই ভর্তিতে সংকট দূরের কথা, ৫ লাখের মতো আসন শূন্যই থাকবে।

এ প্রসঙ্গে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর রোববার রাতে যুগান্তরকে বলেন, চলতি বছর উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে আসনের ক্ষেত্রে কোনো সংকট হবে না। প্রথমত, সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় আসে না। গত বছরও আগের পাশ করা এবং নতুন পাশ করা মিলিয়ে মোট আসনের ৮৩ শতাংশের মতো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। সেটা পৌনে ১২ লাখের মতো। আবার এদের মধ্যে আগের বছর পাশ করা অনেকে আছে। যেটা ৪ শতাংশের কম হবে না। দ্বিতীয়ত, নিয়মিতদের মধ্যে ঝরে যাওয়ার পর যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, তাদের প্রায় সবাই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে। আর পাশ করা সবাই যদি ভর্তি হতে চায়, তবুও সংকট হবে না। কেননা, পাশ করা শিক্ষার্থীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিদেশে পড়তে যায়।

তিনি বলেন, তবে এটা ঠিক, সংকট হবে পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও বিষয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে। বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেলসহ হাতেগোনা কিছু প্রতিষ্ঠানে তীব্র প্রতিযোগিতা হবে। এ ক্ষেত্রে অবশ্য যার টাকা আছে, তার কোনো সংকট নেই। পাবলিক প্রতিষ্ঠানে চান্স না পেলে এসে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বা মেডিকেলে ভর্তি হয়ে যাবে। সুতরাং, পছন্দের প্রতিষ্ঠান ও বিষয়ে ভর্তির এ সংকট থাকবে, যেটা সর্বত্র আছে। উন্নত বিশ্বেও কিছু প্রতিষ্ঠানে অনেক আবেদন পড়ে। আবার কিছু অনেক সুযোগ দিয়ে ডেকে নেয়। তাই ভর্তির সংকট সারা বিশ্বেরই চিত্র। এটা সমাধানযোগ্য নয়, কখনোই সমাধান হবেও না।

ইউজিসির তথ্য অনুসারে, উচ্চশিক্ষায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০ হাজার আসন আছে। এছাড়া ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ লাখ ৩ হাজার ৬৭৫, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বিভিন্ন কলেজে ডিগ্রি পাশ ও স্নাতকে ১০ লাখ ৯৩ লাখ ৮১১, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ফাজিল ও অনার্স মাদ্রাসায় ৬০ হাজার আসন আছে প্রথমবর্ষে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা নির্ধারিত নেই। তবে সর্বশেষ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় গত বছর। দুটি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪০, সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ১০ হাজার ৪০৪, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজে ২৩ হাজার ৩৩০ আসন আছে। ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ৭২০, ছয়টি টেক্সটাইল কলেজে ৭২০, সরকারি ও বেসরকারি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি প্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার ৬শ, ১৪টি মেরিন অ্যান্ড অ্যারোনটিকাল কলেজে ৬৫৪, ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ৩ হাজার এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ২৯০টি আসন আছে।

ইউজিসি সদস্য ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে দেশের ২০টি সাধারণ ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৬টি কৃষি প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারও ওইসব প্রতিষ্ঠানই গুচ্ছ পদ্ধতিতে আসছে। এখন পর্যন্ত গুচ্ছের আওতা বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত সর্বনিম্ন সাড়ে ৩ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীরা আবেদনের সুযোগ পায়। আর কলেজগুলোতে জিপিএ-২ পেলেও আবেদন করা যায়। তবে ভালো ফল ছাড়া ভর্তির সুযোগ কম। সেই হিসাবে এইচএসসি-আলিম পাশ করা সবাই উচ্চশিক্ষায় যাবে না।

ভর্তির সংকট সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাশ করাদের মধ্যে কেউ উচ্চশিক্ষায় যাবেন। কেউ এখনই কাজে চলে যাবেন। কেউ কারিগরি শিক্ষায় যাবেন। আমাদের একেবারেই মনে হয় না, আসন সংকট হবে। তিনি বলেন, যে সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আছে, সেখানে এবং যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে এবং অন্যান্য যে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আছে, সেগুলোতে সবমিলিয়ে অনেক কলেজ আছে দেশে। সবমিলে প্রায় আড়াই হাজার বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি দেওয়া হয়। আমরা প্রতিবছরই দেখি-অনেক আসন আসলে খালি থেকে যায়।

দ্বিতীয়বার ভর্তির সুযোগ : এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে দ্বিতীয়বার শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ দেওয়া উচিত। যদি একেবারে বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশ্বমানের কথা চিন্তা করি, তাহলে আসলে কোনো বাধা থাকার কথা নয়। কিন্তু আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ঠিক করেছে একবারের বেশি না। আগে দুবার দেওয়া হতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একবার পরীক্ষা দেওয়ার পর আরও সুযোগ ছিল। এখন সেই সুযোগ রাখা হচ্ছে না। এটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তারা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

এ নিয়ে ইউজিসিসহ তার কথা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা মনে করি, শিক্ষার্থীদের জন্য এ সুযোগ যদি বাড়াই, তাতে তো অসুবিধা নেই। আপনি যে মেধার শিক্ষার্থী নেবেন, আপনি তো সেই মেধার শিক্ষার্থীই নিচ্ছেন। আপনি তো তার থেকে মেধার মান কমিয়ে নিচ্ছেন না। যদি একাধিক সুযোগ দিয়ে একই মেধার শিক্ষার্থী নেন, তাহলে সেই ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের আপত্তি থাকা উচিত না। আমরা যেমন কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে বয়সের যে বাধা ছিল, সেটাও তুলে দিয়েছি।’ এ সময় তিনি বৈশ্বিক চিত্র তুলে ধরে বলেন, এগুলোর কোনোটাই কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। যে কোনো পর্যায় থেকে যে কেউ যেন একটা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান, সেই সুযোগটা আমাদের করে দিতে হবে।

৫০০ নম্বরের মধ্যে ৪৯৯ পেল কাশ্মীরের মেধাবী ছাত্রী

ভারতের কাশ্মীরে এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৫০০ নম্বরের মধ্যে ৪৯৯ পেয়ে প্রথম হয়েছে শ্রীনগরের এলাহীবাগ সৌরার বাসিন্দা আরুসা পারভেজ।

জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর অ্যান্ড বোর্ড অব স্কুল এডুকেশনের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় শীর্ষস্থান দখল করা এ কৃতী ছাত্রীকে সমাজাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছে হিজাব না পরায়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকায়।

তাক লাগানো সাফল্যের পরই উপত্যকায় সবার নজরে এসেছিলেন তিনি। তার ছবিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারেরও খুশির অন্ত ছিল না। নানা দিক থেকে অভিনন্দন বার্তাও আসতে থাকে।

কিন্তু একইসঙ্গে সমাজমাধ্যমে অশালীন মন্তব্যের শিকার হয়েছেন আরুসা। আরুসাকে নির্লজ্জ বলে গালাগাল করে তার শিরশ্চেদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদ শূন্যই থাকছে

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির (এফডিসি) নির্বাচনে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে চেম্বারজজ আদালতের জারি করা স্থিতাবস্থাও বহাল রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি এ বিষয়ে জারি করা রুলের নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারের করা লিভ টু আপিলের ওপর সোমবার শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে আপাতত শূন্যই থাকছে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ।

রুল শুনানির দিন আগামীকাল (সোমবার) ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

নিপুণ আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রোকনউদ্দিন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে শুনানির দিনটি ছিল গত রোববার। পরে তা একদিন পিছিয়ে আজ সোমবার ধার্য করা হয়।

উল্লেখ্য, জায়েদ খান ও নিপুণ আক্তার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদটি আপাতত শূন্য রয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের চেম্বার আদালত ওই পদে স্থিতাবস্থা জারি করে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। সেখানেই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে।

ফলে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে কে আসীন হচ্ছেন এ নিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা আরও বাড়ল।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিপুণকে ১৩ ভোটে হারিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। ফল না মেনে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনাসহ একাধিক অভিযোগ আনেন নিপুণ।

পরে নির্বাচনি আপিল বোর্ডে জায়েদ খান ও কার্যকরী পরিষদের সদস্য চুন্নুর পদ বাতিলের আবেদন করেন তিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে করণীয় জানতে আবেদন করেন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান।

সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে আপিল বোর্ডকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার দায়ে বিজয়ী প্রার্থী জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করেন। একই সঙ্গে নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দেন।

এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন জায়েদ খান। ৭ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন নিপুণ। ৯ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থা জারি করেন চেম্বার আদালত।

বিয়ের পর প্রথম ভালোবাসা দিবস কেমন কাটছে ভিকি-ক্যাটের

আজ ভ্যালেন্টাইনস ডে। বিশেষ দিনটিতে মনের মানুষের দর্শন পেতে কে না চায়? আজ দুনিয়াজুড়ে প্রেমিক-প্রেমিকারা একে অন্যের হাত ধরে সামনে চলার অঙ্গীকার করছেন।

বলিউড তারকারাও পিছিয়ে নেই। ভ্যালেন্টাইনস ডে পালন করতে সিনেমার শুটিং বাদ দিয়ে মুম্বাই ফিরেছেন ভিকি-ক্যাট।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড বাবলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার রাতে মুম্বাই বিমানবন্দরে একে অপরের সঙ্গে হাতে হাত ধরে ক্যামেরাবন্দি হন ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। বিয়ের পর প্রথম ভালোবাসা দিবস কাটাতে দুজনেই নিজেদের কাজ থেকে বিরতি নিয়ে কাছাকাছি এসেছেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, এক মুহূর্তের জন্য একে অপরের হাত ছাড়েননি বলিউডের এই নতুন দম্পতি। নীল জিন্স ও ডেনিম জ্যাকেট পরে ক্যামেরাবন্দি হয়েছিলেন বলিউডের এই দম্পতি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস কয়েক আগেই গাঁটছড়া বেঁধেছেন বলিউডের ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। বিয়ের পর প্রথম ভ্যালেন্টাইন কেমন করে কাটবে নবদম্পতির, তা জানার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন অনুরাগীরা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বলিউডের নতুন দম্পতি ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। রাজকীয় বিয়ের রেশ খানিকটা কাটলেও তাদের বিবাহিত জীবন কেমন কাটছে তা জানার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ভক্তরা।

তবে বিয়ের কিছু দিনের মধ্যেই কাজে ফিরেছেন ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। যার ফলে ঠিকমতো সংসারটা যেন হচ্ছে না তাদের। বিয়ের সপ্তাহখানেকের মধ্যে মধ্যপ্রদেশে চলে আসেন ভিকি কৌশল। ক্যাটরিনা ছিলেন জুহুর বাড়িতে। কিছু দিন আগেই ইন্দোরে এসে স্বামীর সঙ্গে দেখাও করে গেছেন ক্যাটরিনা কাইফ। সেই ছবিও ধরা পড়েছিল ক্যামেরায়।

এবার ভ্যালেন্টাইনস ডে সেলিব্রেট করতে একে অপরের সঙ্গে ধরা দিলেন ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। বিজয় সেতুপতির সঙ্গে মেরি ক্রিসমাস ছবির কাজ শুরু করবেন ক্যাটরিনা। এ ছাড়া সালমান খানের সঙ্গে টাইগার- সিনেমার বাকি শুটিং করার কথা আছে ক্যাটরিনার।

প্রসঙ্গত গত বছর ৯ ডিসেম্বর রাজস্থানের সোয়াই মাধোপুরের সিক্স সেন্স ফোর্ট বারওয়ারাতে বসেছিল ভিক্যাটের রাজকীয় বিয়ের আসর।

সাকিবসহ আইপিএলে দল পেলেন না যারা

প্রথমবারের মতো আইপিএল নিলামে দল পেলেন না সাকিব আল হাসান। অর্থাৎ এবারের আইপিএল খেলা হচ্ছে না বিশ্বসেরা অন্যতম অলরাউন্ডারের।

২০১১ আইপিএল নিলামের পর এই প্রথম নিলামে অবিক্রীত থেকে গেলেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। নিলামের দুই দিনই নাম ডাকা হয়েছিল সাকিবের। কিন্তু কলকাতাসহ ১০ দলের কেউ সাকিবে আগ্রহ দেখায়নি।

বিষয়টি নিয়ে সাকিবভক্তসহ ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্যের (২ কোটি) সাকিব কেন অবিক্রীত থাকলেন?

তবে সেই বিস্ময় আর না থাকারই কথা যখন দেখা গেল সাকিবের মতোই আরো কয়েকজন নামিদামি তারকা দল পাননি।

দল না পাওয়ার তালিকা আছেন দুই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক, আইপিএলের সব আসরে খেলা খেলোয়াড়সহ আরও অনেকে।

বেঙ্গালুরুর শনি ও রোববার অনুষ্ঠিত এই নিলামে দল পাননি ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এইউন মরগান।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়া অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকেও নেয়নি কোনো দল।

দল পাননি মার্টিন গাপটিলের মতো মারকুটে কিউই তারকা, টি-টোয়েন্টির শীর্ষ বোলার তাবরাইজ শামসিও।

অবিক্রীত রয়েছেন পাঞ্জাব কিংসের সাবেক খেলোয়াড় ইংলিশ অলরাউন্ডার ক্রিস জর্ডানও। তার প্রতিও কেউ আগ্রহ দেখায়নি।

ভাগ্য খুলেনি আফগানিস্তানের দুর্দান্ত অফ-ব্রেক বোলার মুজিব উর রহমানের।

দেড় কোটি রুপি ভিত্তিমূল্যের ইংলিশ ব্যাটার ডেভিড মালানের প্রতি কেউ আগ্রহ দেখায়নি। একই ভাগ্য অস্ট্রেলিয়ার মারনাস লাবুশেন ও নিউজিল্যান্ডের নিশামের।

তবে ভারতীয়রা বিস্মিত অন্য ঘটনায়। সেটি হচ্ছে সুরেশ রায়নার অবিক্রীত থেকে যাওয়াটা। চেন্নাই সুপার কিংসের অবিচ্ছেদ্য অংশ রায়নাকে কেনেনি কেউ। রায়নার মতো ভাগ্য বরণ করতে হয়েছে ভারতীয় দলের তারকা চেতেশ্বর পূজারা ও ইশান্ত শর্মাকেও।

একনজরে আইপিএল নিলামে অবিক্রীত আন্তর্জাতিক তারকাদের তালিকা-

সাকিব আল হাসান, স্টিভেন স্মিথ, অ্যারন ফিঞ্চ, অ্যাডাম জ্যাম্পা, এইউন মরগান, মারনাস লাবুশেন, দাভিদ মালান, মার্টিন গাপটিল, জিমি নিশাম, ইমরান তাহির, আদিল রশিদ, তাবরাইজ শামসি, মুজিব উর রহমান, কলিন মুনরো, ময়েসেস হেনরিকস, আকিল হোসেইন, কেন রিচার্ডসন, রোস্টন চেজ, বেন কাটিং, অ্যান্ড্রু টাই, বেন ম্যাকডারমট, রহমানুল্লাহ গুরবাজ, চারিথ আসালঙ্কা, ইশ সোধি, কায়েস আহমেদ, সন্দীপ লামিছানে, শেলডন কটরেল, ইশান্ত শর্মা, চেতেশ্বর পূজারা ও সুরেশ রায়না।

সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করে যেমন দল বানালো লখনৌ

আইপিএলের মেগা অকশনে সব থেকে কম ক্রিকেটার কিনেছে নতুন ফ্রাঞ্চাইজি লখনৌ সুপার জায়ান্টস। অথচ নিলামের জন্য বরাদ্দ সব টাকা শেষ করে বসে আছে তারা।

এ তথ্য দিয়ে গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, নিলামের টেবিলে বসে সব থেকে বেশি অর্থ খরচ করেছে লখনৌ। নিলামের আগে ৩ জন খেলোয়াড় নেওয়ার সুবিধায়ও সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করেছিল তারা।

নিলামের আগে ২ জন ভারতীয় লোকেশ রাহুল ও রবি বিষ্ণোইকে সরাসরি সাইন করায় দলটি। প্রীতি জিনতার পাঞ্জাব ছেড়ে রাহুল যোগ দিয়েছেন লখনৌয়ে। দলটির অধিনায়কের দায়িত্বও তার কাঁধে। সেজন্য রাহুলের পেছনে লখনৌয় খরচ করেছে ১৭ কোটি রুপি!

যা আইপিএলের ইতিহাসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়ার রেকর্ড। এর আগে ২০১৮ সালের নিলামের আগে বিরাট কোহলিকে ১৭ কোটি রুপিতে দলে রেখে দিয়েছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু।

রবি বিষ্ণোইকে দলে ভেড়াতে ৪ কোটি রুপি খরচ করেছে লখনৌ। তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিদেশি তারকা মার্কাস স্টইনিসকে দলে নেয় লখনৌ। তার জন্য দলটির ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ২০ লাভ রুপি।

লখনউ নিলাম থেকে মোট ১৮ জন ক্রিকেটারকে দলে নিয়েছে। যাদের মধ্যে ১২ জন ভারতীয় ও ৬ জন বিদেশি। সবমিলিয়ে নতুন ফ্রাঞ্চাইজির স্কোয়াড দাঁড়াল ২১ জনে। ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে সব থেকে ছোট স্কোয়াড তাদেরই।

নিলামের প্রথম দিন থেকেই চমক দেখানো শুরু করে লখনৌ। সব থেকে বেশি ১০ কোটি টাকা দিয়ে তারা কিনেছে এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না খেলা ভারতীয় পেসার আভেশ খানকে।

বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে নিলামে লখনউ সব থেকে বেশি টাকা খরচ করেছে জেসন হোল্ডারের পেছনে। ৮ কোটি ২৫ লাখে তাকে কিনেছে তারা।

ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা তারকাদের মধ্যে লখনউ সব থেকে বেশি ৮ কোটি ২৫ লাখে কিনেছে ক্রুণাল পান্ডিয়াকে।

যদিও কুইন্টন ডি কককে ৬ কোটি ৭৫ লাখ এবং কৃষ্ণাপ্পা গৌতমকে মাত্র ৯০ লাখ রুপিতে কিনে রীতিমতো ছক্কা হাঁকিয়েছে দলটি।

একনজরে দেখে নিই লখনৌ সুপার জায়ান্টসসের সম্পূর্ণ স্কোয়াড:-

ভারতীয়: লোকেশ রাহুল (১৭ কোটি), রবি বিষ্ণোই (৪ কোটি), আবেশ খান (১০ কোটি), মণীশ পাণ্ডে (৪ কোটি ৬০ লাখ), দীপক হুডা (৫ কোটি ৭৫ লাখ), ক্রুণাল পান্ডিয়া (৮ কোটি ২৫ লক্ষ), অঙ্কিত রাজপুত (৫০ লাখ), মায়াঙ্ক যাদব (২০ লাখ), করণ শর্মা (২০ লাখ), আয়ূষ বাদোনি (২০ লাখ), মহসিন খান (২০ লাখ), মনন ভোরা (২০ লাখ), শাহবাজ নদিম (৫০ লাখ) ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতম (৯০ লাখ)।

বিদেশি: মার্কাস স্টইনিস (৯.২ কোটি), কুইন্টন ডি’কক (৬ কোটি ৭৫ লাখ), মার্ক উড (৭ কোটি ৫০ লাখ), জেসন হোল্ডার (৮ কোটি ৭৫ লাখ), এভিন লুইস (২ কোটি), কাইল মায়ের্স (৫০ লাখ) ও দুষ্মন্ত চামিরা (২ কোটি)।

গোপনে রেলব্রিজে প্রেমিক-প্রেমিকা, ট্রেন আসতে দেখে আতঙ্কে নিচে ঝাঁপ

ফাগুনের হিমেল হাওয়ায় গোপনে দেখা করতে যান প্রেমিক ও প্রেমিকা। রেলব্রিজের ওপর বসে ভালোবাসার গল্পে মেতেও উঠেছিলেন ওই যুগল। তবে হঠাৎ করে ওই ব্রিজের কাছাকাছি ট্রেন আসতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন তারা। ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন রেলব্রিজের নিচে। এতে দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

রোববার বিকালে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের রেলব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত প্রেমিক শামীমের ডানহাত ও প্রেমিকার (১৮) মাজার হাড় ভেঙে যায়। বর্তমানে তারা দুজনেই ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

প্রেমিক শামীম পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের গোলাবাড়ি বনগ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে ও প্রেমিকার বাড়ি কালুখালী উপজেলায়।

এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আকাশ সোমবার সকালে যুগান্তরকে বলেন, আহত ওই প্রেমিক-প্রেমিকাকে রোববার বিকালে হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

খুলনায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল যুবকের

খুলনায় ট্রাকচাপায় সুজন (৩০) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরের শিপইয়ার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সুজন রূপসার আইচগাতী ইউনিয়নের বেল্লাল হোসেনের ছেলে।

লবণচরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শরীফুল ইসলাম জানান, মোটরসাইকেলে রূপসা সেতু পার হয়ে খুলনার দিকে যাচ্ছিলেন সুজন।

শিপইয়ার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকচালককে আটক করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

ইউক্রেনে হামলা করলে রাশিয়াকে ‘দ্রুত’ জবাব: বাইডেন

ইউক্রেনের ওপর রাশিয়া যে কোনো ধরনের আগ্রাসন চালালে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে ‘দ্রুত’ জবাব দেবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

স্থানীয় সময় রোববার হোয়াইট হাউসে তিনি এসব কথা বলেছেন। খবর- আলজাজিরা।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেনে হামলা চালানোর জন্য মস্কো একটি ‘অজুহাত’ খুঁজছে। এ অবস্থায় উত্তেজনা কমানোর জন্য কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভালোদিমির জেলেনস্কি।

জেলেনস্কির অফিস জানিয়েছে, রাশিয়া যদি তার পশ্চিম প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে হামলা চালায় তবে তার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সিবিএস নিউজকে বলেছিলেন, গত ১০ দিনে রাশিয়ার বাহিনীর কার্যক্রমে ‘নাটকীয় উত্তেজনা’ দেখা গেছে। তারা ‘মূলত যে কোনো সময় একটি সামরিক পদক্ষেপ শুরু করতে পারে’।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ইউক্রেন সীমান্তে ১ লাখ সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া। তবে দেশটি জানিয়েছে, তাদের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নেয়। তবে ইউক্রেনকে ন্যাটো সামরিক জোটের অংশ হতে দেওয়া হবে না। ক্রেমলিন বিশ্বাস করে পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো সম্প্রসারণ তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।