শনিবার ,১৩ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 329

এবারের ঈদ ইত্যাদিতে যেসব চমক থাকছে

প্রতি রোজার ঈদেই দর্শকদের কাছে আনন্দের আলাদা মাত্রা তৈরি করে ইত্যাদি।

জনপ্রিয় এই ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটি ঈদুল ফিতরের পরদিন বাংলাদেশ টেলিভিশনে রাত আটটার বাংলা সংবাদের পর প্রচার হবে।

নানা চমক নিয়ে এবারের ঈদ ইত্যাদি সাজিয়েছেন জনপ্রিয় নির্মাতা হানিফ সংকেত। এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে মিরপুর শহিদ সোহ্রাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে।

বরাবরের মতো এবারও ‘ইত্যাদি’ শুরু হয়েছে ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ এ গানটি দিয়ে। থাকছে দেশাত্মবোধক গান, গেয়েছেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনসহ পাঁচ সংগীত তারকা। বাকিরা হলেন—রবি চৌধুরী, শুভ্রদেব, এস আই টুটুল ও বাপ্পা মজুমদার।
গানটি লিখেছেন খ্যাতিমান গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, সুর করেছেন হানিফ সংকেত এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন মেহেদী।

বাড়তি চমক হিসেবে থাকছে বিদেশে ঈদের খাবার এবং গ্রিস প্রবাসী কয়েকজন কৃষিকর্মীর প্রবাসের ঈদের অনুভূতি নিয়ে প্রতিবেদন। এ ছাড়া ঈদকে ঘিরে ডজনখানেক বিদ্রূপাত্মক রসালো নাট্যাংশ রয়েছে এবারের পর্বে।

নৃত্য অনুষ্ঠানের পাশাপাশি থাকছে দস্যু চরিত্রের চার তারকার সংলাপ। আর, কাল্পনিক এ দস্যু চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় চার অভিনয় তারকা—শহীদুজ্জামান সেলিম, সালাহউদ্দিন লাভলু, মীর সাব্বির ও তানিয়া আহমেদ।

এর বাইরে করোনা ও তার পার্শ্বপ্রভাব নিয়ে একটি ভিন্নধর্মী গান গেয়েছেন অভিনয় তারকা চঞ্চল চৌধুরী ও মেহের আফরোজ শাওন।

সুরে সুরে গানের গল্পে ফেরদৌস তারিনের অভিনয়ের মাধ্যমে উঠে এসেছে এক দম্পতির তিন সময়ের ঈদের কথা।

দলীয় সংগীত পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন তারকা জুটি সিয়াম আহমেদ ও পূজা চেরি।

ব্যতিক্রমী উপকরণের মাধ্যমে নির্বাচিত ছয় জন দর্শকের মুখোমুখি হয়েছেন অভিনয় তারকা অপূর্ব ও পূর্ণিমা।

ঈদ ইত্যাদির এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন -সোলায়মান খোকা, জিয়াউল হাসান কিসলু, শবনম পারভীন, বড়দা মিঠু, আফজাল শরীফ, সুভাশিষ ভৌমিক, জিল্লুর রহমান, আমিন আজাদ, কামাল বায়েজিদ, জিয়াউল হক পলাশ, সাব্বির আহমেদ, নাদিয়া আফরিন মিম, বিলু বড়ুয়া, জামিল হোসেন, সজল, সাজ্জাদ সাজু, মতিউর রহমান, জাহিদ শিকদার, নাফা, সঞ্জীব আহমেদ, আবু হেনা রনি, তারিক স্বপন, নজরুল ইসলাম, রতন খান, নিপু, সাবরিনা নিসা, সুবর্ণা মজুমদার, সঞ্জয় রাজ, সিলভিয়া, রবিন চৌধুরী, তিন্নি গ্লোরিয়া, মনজুর আলম, বেলাল আহমেদ মুরাদ ও আরো অনেকে।

ইত্যাদির শিল্প নিদের্শনা দিয়েছেন মুকিমূল আনোয়ার মুকিম। পরিচালকের সহকারী হিসাবে ছিলেন রানা সরকার ও মামুন মোহাম্মদ।

ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।

মায়োর্কাকে হারিয়ে দুইয়ে ফিরল বার্সা

লা লিগায় রোববার রাতে টেবিলের ১৭তম স্থানে থাকা মায়োর্কার বিপক্ষে ২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। এই জয়ে দ্বিতীয় স্থান আরও মজবুত করল কাতালান ক্লাবটি। যদি বাকি থাকা চার ম্যাচে কোনো অঘটন না ঘটে তবে দ্বিতীয় স্থানে থেকেই এ মৌসুম শেষ করবে কাতালান ক্লাবটি। চলতি মৌসুমে এই দুই দলের প্রথম দেখায় ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল বার্সেলোনা।

ম্যাচের ২৫তম মিনিটে জর্দি আলবার বাড়ানো বল থেকে গোল করেন মেমফিস ডিপাই। এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বার্সেলোনা। এর পর দ্বিতীয়ার্ধের নবম মিনিটে বুস্কেটসের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। বার্সেলোনার জার্সিতে এটি তার ১৮তম গোল।

ম্যাচের ৭৯ মিনিটে ব্যবধান কমায় সফরকারীরা। সালভা সেভিয়ার দারুণ ফ্রি-কিকে ডি বক্সে ভলিতে গোলটি করেন রাইয়ো। বাকি সময়ে আরেকটি সুযোগ পেলেও সমতায় ফিরতে পারেনি তারা।

লিগে ৩৪ ম্যাচে ১৯ জয় ও ৯ ড্রয়ে বার্সেলোনার পয়েন্ট হলো ৬৬। সমান ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে সেভিয়া। ৬১ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে গতবারের চ্যাম্পিয়ন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ৩৪ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বরে আছে মায়োর্কা।

এ বছর টাইগাররা যে যেখানে ঈদ করবেন

জাতীয় ক্রিকেট দলের অনেকেরই ঈদ কিংবা বিশেষ দিনগুলো কাটে বিদেশের মাটিতে। স্বজনহীনতার সেইসব উৎসব অনেকটা নিঃসঙ্গতার হাজার বছরের মতো আকূলতায় ভরা। অনেককেই স্বজনদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে হয় ভিডিও কলে।

তবে এবারের ঈদ আর তেমন মন খারাপের হচ্ছে না, মুঠোফোনের পর্দায় মেটাতে হচ্ছে না দূর আলিঙ্গনের স্বাদ। এবার ক্রিকেটারদের ঈদ হবে স্বজনদের সামনে মুখোমুখি বসিবার; সরাসরি-স্বশরীরে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষ করেই তাই মোসাদ্দেক হোসে সৈকতরা পাড়ি দিয়েছে বাড়িতে। তবে এবার ঈদেও ক্রিকেটারদের তাড়া আছে, ঈদের পরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি। কয়েকদিনের ছুটি কাটিয়ে তাই ফিরতে হবে ক্যাম্পে।

আর সেই স্বল্প ছুটিকে কাজে লাগিয়ে ঈদ আনন্দে মাততে ৩০ এপ্রিল ডিপিএল পর্ব শেষ করেই সেদিন রাতেই বাড়ির পথ ধরেছেন শ্রীলংকা সিরিজে টেস্ট দলে ডাক পাওয়া নুরুল হাসান সোহান।

টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হকও রোববার কক্সবাজারে নিজ বাড়িতে গেছেন ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে। মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিমও বাবা-মার সঙ্গে ঈদ করতে গেছেন নিজ জেলা বগুড়ায়। জানা গেছে, অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও নিজ জেলা মাগুরায় ঈদ করতে পারেন।

ঈদ কাটিয়ে ৮ মে শ্রীলংকা সিরিজের জন্য রিপোর্টিং করতে হবে ঢাকায়। তার পর রাজধানীর পাট চুকিয়ে সোজা প্রথম টেস্টের ভেন্যু চট্টগ্রামে যাবেন ক্রিকেটাররা। সেখানে ৯ মে থেকে অনুশীলন শুরু হবে। সিরিজের প্রথম টেস্ট ১৫ মে চট্টগ্রামে শুরু হবে। আর দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ২৩ মে ঢাকায়।

এবার বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ফেরির ধাক্কা

পদ্মা সেতু নয় ঈদ যাত্রায় এবার বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ফেরির ধাক্কা লেগেছে। এতে ফেরিতে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্সের সামনের বড় একটি অংশ ভেঙ্গে গেছে।

ফেরির যাত্রীরা জানায়, রোববার রাত আড়াইটার দিকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে মাঝিকান্দি ঘাটের উদ্দেশ্য ছেড়ে আসে ফেরি ফরিদপুর। পদ্মা সেতুর নদীর মাঝে বসানো পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে ফেরিটির। এতে ওই ফেরির ঢাকনার কাছে থাকার একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সামনের বড় একটি অংশ ভেঙ্গে যায়। তখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে অন্য যাত্রীদের মাঝে।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার মাঝিকান্দি ঘাটের ম্যানেজার সালাউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ফেরিটি ঝড়ের কারণে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে লেগে গেছে। ফেরিটি নিরাপদে আছে।

ফেরিটির কোন ক্ষতি হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা আমাদের মেরিন কর্মকর্তারা বলতে পারবে।

মাওয়া নদী বন্দরের মেরিন কর্মকর্তা আহম্মেদ আলীকে একাধিক বার কল করলেও রিসিভ করেননি তিনি।

নাজিরপুরে অর্ধশত পরিবারে ঈদ উদযাপন

পিরোজপুরের নাজিরপুরের অর্ধশত পরিবার আজ ঈদ পালন করছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এসব পরিবার ঈদ পালন করছেন বলে তারা জানান।

জানা গেছে, উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুরের খেজুরতলা গ্রামে এ ঈদ পালন করা হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বাবুল খান জানান, তারা অর্ধশত পরিবারের ৬০ পুরুষ স্থানীয় খেজুরতলা বাজারের আল-আমিন জামে মসজিদে সোমবার সকাল ৯টায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। ওই নামাজে ইমামতি করনে স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান। প্রায় ১৩ বছর ধরে এ মসজিদে ঈদের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করছেন বলে জানান তিনি।

বাবুল খান আরো জানান, তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা শুরু করেন। সে অনুযায়ী রোববার তাদের ৩০টি রোজা পূর্ন হওয়ায় সোমবার তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন।

প্রতিবছর জেলাসহ পার্শ্ববর্তী বাগেরহাট জেলার কচুয়া ও চিতলমারী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন বলেও জানান তিনি।

ঘোস্ট অব কিয়েভ’ নিয়ে নতুন দাবি

ইউক্রেনের ‘মিগ-২৯’ যুদ্ধবিমানের চালকের আসনে এক হেলমেটধারী। ইউক্রেনের নানা শহরে যুদ্ধবিমান নিয়ে উড়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। নিখুঁত লক্ষ্যভেদে আকাশ থেকে নামিয়ে আনছেন রাশিয়ান বিমানবাহিনীর বিমান। ইউক্রেনের ফাইটার পাইলট মেজর স্তেপান তারাবালকাকে ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে কোনো কোনো সংবাদমাধ্যমে।

ইউক্রেনের এই বীর পাইলট নাকি এপর্যন্ত প্রায় ৪০টি শত্রু বিমান ভুপাতিত করেছে- একজন ইউক্রেনিয়ান পাইলটের জন্য এক অবিশ্বাস্য সাফল্য – যেখানে আকাশ যুদ্ধে কীনা রাশিয়ারই একছত্র আধিপত্য।

তবে এখন ইউক্রেনের এয়ার ফোর্স কমান্ডই ফেসবুকে এক সতর্কতামূলক পোস্টে জানাচ্ছে, ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’ আসলে এক কাল্পনিক সুপারহিরো চরিত্র, এটি তৈরি করেছে ইউক্রেনিয়ানরা।

ওই পোস্টে ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কোন তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার আগে যেন সেটি তারা যাচাই করে দেখেন।

এর আগে যেসব খবর ছড়ানো হয়েছিল, তাতে দাবি করা হয় ইউক্রেনের এই দুর্ধর্ষ পাইলট হচ্ছেন ২৯ বছর বয়সী মেজর স্টেপান। কিন্তু কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, তিনি গত ১৩ই মার্চ নিহত হন এবং তাকে মরণোত্তর বীরত্ব পদক ‘হিরো অব ইউক্রেন’ দেয়া হয়েছে।

কিন্তু ইউক্রেনের বিমান বাহিনী বলছে, মেজর স্তেপান ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’ নন, তিনি ৪০টি বিমানও ধ্বংস করেননি।

বিমান বাহিনীর মতে, ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’ আসলে তাদের ৪০তম ট্যাকটিক্যাল এভিয়েশন ব্রিগেডের পাইলটদের একটি সম্মিলিত প্রতিমূর্তি, যারা কিয়েভের আকাশকে সুরক্ষিত রাখছে। এটা কোনো একক ব্যক্তির যুদ্ধের বীরত্বগাথা নয়।

ইউক্রেনের একটি মডেল এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের বিক্রি বাড়ানোর জন্য ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’কে মার্কেটিং ব্রান্ড হিসেবে ব্যবহার করে। ইউক্রেনিয়ান ইরিনা কোস্টরিংকো এই কিংবদন্তীতে অনুপ্রাণিত একটি সামরিক ব্যাজ প্রদর্শন করেন।
এমনকি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টারাবল্কার বীরত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি ভিডিও টুইট করে।

তার হেলমেট এবং গগলস লন্ডনে নিলামে তোলা হবেও বলে টাইমস এক জানায়।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বিবিসিকে জানিয়েছিলেন, একজন পাইলট ৪০টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে পারেন কীনা, সেটা তারা সন্দেহ করেন।

ইউক্রেনের সামরিক ইতিহাসবিদ মিখাইল ঝিরোহভ ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’ এর গল্পকে মনোবল বাড়ানোর জন্য একধরণের প্রোপাগান্ডা বলে বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইউক্রেনের আকাশে রুশদেরই আধিপত্য। তাই একজন ইউক্রেনিয়ান বড় জোর দুটি বা তিনটি বিমান হয়তো গুলি করে ফেলে দিতে পারেন।

টুইটারে ভাইরাল হওয়া অসংখ্য ভিডিওতে দেখা গেছে, ইউক্রেনের ‘মিগ-২৯’ যুদ্ধবিমানের চালকের আসনে এক হেলমেটধারী। ইউক্রেনের নানা শহরে যুদ্ধবিমান নিয়ে উড়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। নিখুঁত লক্ষ্যভেদে আকাশ থেকে নামিয়ে আনছেন রাশিয়ান বিমানবাহিনীর বিমান। যদিও ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’র অস্তিত্বকে নাকচ করে দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। টুইটারে ভাইরাল ওই ভিডিওটি ভুয়া বলে দাবি করে রয়টার্স জানায়, ওই ভিডিও আসলে ২০০৮ সালে ‘ডিজিটাল কমব্যাট সিমুলেটর’ (ডিসিএস) নামে একটি ভিডিও গেমের ফুটেজ। সূত্র: বিবিসি

ফিলিপাইনে অগ্নিকাণ্ডে ছয় শিশুসহ নিহত ৮

ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ছয় শিশু রয়েছে।

সোমবার স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানায় বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৫টার দিকে আগুন লাগে। এতে পুড়ে গেছে ৮০টির মতো ঘর। একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে তা জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা গ্রেগ বিছায়দা এএফপিকে জানান, আগুন নেভাতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে গিয়েছিল। এ কারণে ভুক্তভোগীরা ঘর থেকে বের হতে পারেননি।

এক জাহাজেই দুই কোটি লিটারের বেশি সয়াবিন তেল!

দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা যখন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে কেনাকাটায় ব্যস্ত তখনই বাজার থেকে উধাও হয়ে গেল সয়াবিন তেল।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী, বনানী, তেজকুনীপাড়াসহ বড় বড় কাঁচাবাজারের মুদি দোকানগুলোতেও এ ভোজ্যতেলের দেখা মিলছে না।

দুএকটি দোকানে পাওয়া গেলেও চাহিদার তুলনায় তা একেবারেই অপ্রতুল।

এমন সংকটের মধ্যেই সুখবর, সোয়া দুই কোটি লিটার সয়াবিন তেল নিয়ে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে একটি জাহাজ।
পর পুরোদমে খালাসও চলছে এর।

এই জাহাজে মোট ২ কোটি ২৯ লাখ লিটার সয়াবিন তেল রয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, এমভি ওরিয়েন্ট চ্যালেঞ্জ জাহাজে আমদানি করা সয়াবিন তেল খালাস প্রায় শেষ পর্যায়ে। খালাস শেষে কাল বন্দর ত্যাগ করার কথা রয়েছে। পাঁচটি ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানি এ বিপুল তেল আমদানি করেছে।

দেশে অপরিশোধিত আকারে সয়াবিন তেল আমদানি হয়। গত অর্থবছরের হিসাবে, অপরিশোধিত আকারে প্রতি মাসে গড়ে আমদানি হয় ৬৫ হাজার টন। এ হিসাবে ২ কোটি ২৯ লাখ টন সয়াবিন তেল দিয়ে অন্তত ১০ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব।

প্রসঙ্গত, দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি আমদানি করে পূরণ করা হয়। সাত থেকে আটটি প্রতিষ্ঠান অপরিশোধিত তেল আমদানি করে পরিশোধন করে বাজারে ছাড়ে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, এ বছর মার্চ ও এপ্রিল দুই মাসে সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে ৯২ হাজার টন, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে (১ মার্চ-২৮ এপ্রিল) ১ লাখ ৩৭ হাজার টন সয়াবিন তেল বন্দরের কাস্টম বন্ডেড ট্যাংক টার্মিনাল থেকে খালাস করেছে কোম্পানিগুলো।

মুহিতকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে তোপের মুখে বিএনপির মুক্তাদির

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সদ্য প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ‘সমালোচনা করে’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাকে সিলেটে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ।

শুক্রবার রাত ১টার দিকে মারা যান সিলেট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আবুল মাল আবদুল মুহিত। এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে সিলেটজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে। দলমত নির্বিশেষে সবাই শোক জানাচ্ছেন।

এরইমধ্যে শনিবার ভোরে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন সিলেট-১ আসনে মুহিতের এক সময়কার প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। স্ট্যাটাসে তিনি মুহিতের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে তার অর্থনৈতিক নীতির সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগের হয়ে মন্ত্রিত্ব করায় তার কড়া সমালোচনা করেন।

মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে সমালোচনা করায় বিপাকে পড়েছেন মুক্তাদির। পরে সমালোচনার মুখে পড়ে আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

গত নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ছিলেন মুক্তাদির। ওই নির্বাচনে মুক্তাদিরকে পরাজিত করে জয়ী হন মুহিতের অনুজ বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ফেসবুকে শনিবার ভোরে দেওয়া স্ট্যাটাসে লেখেন (বানান ও বাক্য অপরিবর্তিত)- ‘জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি। আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুন। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।
জনাব মুহিত ছিলেন কলেজজীবনে আমার চাচার সহপাঠী। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ছিলেন ভোটারবিহীন জবর-দখলকারী একটি সরকারের অংশ। যে সরকার ইলিয়াস আলীসহ সিলেটের কমপক্ষে চারজন এবং সারা দেশের কয়েকশ’ গুমের জন্য অভিযুক্ত।

অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাকালে তার অনুসৃত ভুল অর্থনৈতিক নীতি এবং একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত প্রকল্প ও ক্রয় প্রস্তাব পাশের দায় এই জাতিকে পরিশোধ করতে হবে বহু বছর ধরে। তার স্মৃতির সঙ্গে এই পীড়াদায়ক বাস্তবতা জড়িয়ে থাকবে বহুদিন। তার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করি।’

মুক্তাদিরের এই স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়ায় সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আবদুর রহমান জামিল ফেসবুকে লিখেছেন ‘মুক্তাদির সাহেব! ভালো পরিবারে জন্ম আপনার। কিন্তু ভাবতে অবাক লাগে, ক্ষমতার লোভ এতটাই যে, একজন মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির ব্যাপারে এমন মন্তব্য! সত্যিই ভাবতে অবাক লাগে, কতটা নিচু মনের মানুষ হলে এমনটা বলা যায়?’

মুক্তাদিরের স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট দিয়ে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম চৌধুরী ফেসবুকে লেখেন ‘আদর্শিক বৈপরীত্য থাকলেও আপনাকে একজন জ্ঞানী, সজ্জন, ভদ্র ও ডায়নামিক মানুষ হিসেবে জানতাম। আপনার কাছ থেকে এমনটা আশা করিনি। শুধু আমি নয়, সিলেটের কেউই এটা আশা করেনি।’

মুক্তাদিরকে সিলেটে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ।

সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এইচ ইলিয়াস দিনার লিখেছেন, ‘মুক্তাদির সাহেব আপনি একজন নিচু ও হিংসা মনোভাবের মানুষ এটা আগে জানা যায়নি…সিলেটের মানুষ খুব আন্তরিক মনের আর যাই হোক আপনার ঠাঁই এই সিলেটে আর কোনো দিন হবে না। আপনাকে বয়কট ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো…’

এদিকে এমন স্ট্যাটাসের জন্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে ‘গণধোলাই দিয়ে সিলেট থেকে বিতাড়িত করার’ ঘোষণা দিয়েছে সিলেট মহানগর যুবলীগ।

সিলেট মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি ও সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন ঘোষণা দিয়ে বলা হয়, ‘সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে খন্দকার মুক্তাদির যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ কখনও তা করতে পারে না।

বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে খন্দকার মুক্তাদিরকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে সিলেটবাসী ও দেশবাসীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমাপ্রার্থনার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘অন্যথায় খন্দকার মুক্তাদিরকে সিলেট থেকে বিতাড়িত ও প্রকাশ্যে গণধোলাই দেয়া হবে।’

এদিকে সমালোচনার মুখে শনিবার বিকালে ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন মুক্তাদির। এতে তিনি লেখেন, ‘সদ্য প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সম্পর্কে আমার শোকবানীটি হয়ত কারও কারও মনঃপুত হয়নি। একটু মনযোগ দিয়ে পড়লেই দেখবেন শোকবানীটির মধ্যে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান হয়েছে, তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়েছে। অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষণ প্রাতিষ্ঠানিক, ব্যাক্তিগত নয়। জনাব মুহিত আমার চাচার সহপাঠী ছিলেন, আমরা পারিবারিক পর্যায়ে যখন তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করি বা করতাম তখন মুহিত চাচাই সম্বোধন করি, তার সঙ্গে আমাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সে কারণে তার কাছে প্রত্যাশাও ছিল বেশি।
‘এটিতো কোন অমূলক কথা নয়, যে সরকারের তিনি অংশ ছিলেন সেই সরকারের সম্পর্কে আমার উল্লেখিত কথাগুলি দেশে এবং বিদেশে ব্যাক্তি পর্যায়ে -রাস্ট্রীয় পর্যায়ে বহুবার উচ্চারিত হয়েছে, এমনকি সাম্প্রতিক কালেও উচ্চারিত হয়েছে। আর তার অর্থনৈতিক নীতি আমার শুধু না অনেক দেশ বরেণ্য অর্থনীতিবিদের মনপুত হয়নি, আর যে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রকল্পের কথা বলা হচ্ছে সেগুলি কোনো ব্যাক্তির দুর্নীতি না, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি। পারমাণবিক বিদুৎ প্রকল্প সহ অনেকগুলি প্রকল্প সেই সময়ে গৃহীত হয়েছে যেগুলির উপযোগিতা এবং প্রকল্পের মূল্যমান নিয়ে গভীর প্রশ্ন রয়েছে৷ কিন্ত কেউই জনাব মুহিতের ব্যাক্তিগত সততা নিয়ে প্রশ্ন নিয়ে তুলেনি এবং সেটি তোলার অবকাশ আছে বলেও আমার মনে হয় না। তিনি একজন দার্শনিক স্বভাবের হাসিখুশি মানুষ ছিলেন। এটিও সত্য তার অনুসৃত অর্থনৈতিক নীতি প্রশ্নবিদ্ধ হলেও এত বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী একজন মুহিত সাহেব খুঁজে পাওয়া যাবে না। আল্লাহ তাকে মাগফেরাত দান করুন।’

মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় মুহিত

বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মানুষের শ্রদ্ধা-ভালবাসা আর রাষ্ট্রীয় সম্মানে সিক্ত হয়ে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

রোববার দুপুর ৩টার দিকে শহরের রায়নগর এলাকায় পারিবারিক গোরস্থানে বাবা অ্যাডভোকেট আবু আহমদ আবদুল হাফিজ এবং মা সৈয়দ শাহার বানু চৌধুরীর কবরের পাশে মুহিতকে সমাহিত করা হয়।

এর আগে দুপুর ২টা ১৮ মিনিটে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জানাজার নামাজে ইমামতি করেন আল্লামা মুহিবুল হক গাছবাড়ি। জানাজায় মানুষের ঢল নামে। আগে থেকেই অনেক মানুষ সেখানে অপেক্ষায় ছিলেন। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় নগরীর রায়নগরে মুহিতের পারিবারিক গোরস্থানে। সেখানে দুপুর পৌনে ৩টায় দাফন সম্পন্ন হয়।

জানাজার আগে সাবেক অর্থমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিচারণ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ‌ কে আব্দুল মো‌মেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, সংসদ সদস্য মু‌হিবুর রহমান মা‌নিক, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, হা‌বিবুর রহমান হা‌বিব, হাফিজ আহমদ মজুমদার, আব্দুল মজিদ। এ সময় সি‌লেট সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আবুল মাল আবদুল মুহিতকে শেষবিদায় জানিয়েছেন সিলেটবাসী। রোববার বেলা ১২টার দিকে প্রয়াত অর্থমন্ত্রীর মরদেহ বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে করে শহিদ মিনারে আনার পর সর্বস্তরের মানুষ ফুলেল শ্রদ্ধার মাধ্যমে তাকে বিদায় জানান।

শেষ যাত্রায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সহকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত হলেন এই নেতা।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুহিতকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের জন্য সকাল থেকে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আসতে শুরু করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে কালো কাপড় দিয়ে বিশেষ মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে কফিনবাহী অ্যাম্বুলেন্স আসার পর বিভিন্ন স্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রথমেই সিলেট মহানগর পুলিশের একটি চৌকস দল ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করে। এরপর প্রয়াতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

শুক্রবার রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মুহিত।