শনিবার ,১৩ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 324

এক হাজার টাকার লাল নোট ‘বাতিলের ঘোষণা’ গুজব

এক হাজার টাকার লাল নোট ‘বাতিলের ঘোষণা’ গুজব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র জিএম আবুল কালাম আজাদ বুধবার বিকালে যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ‘১০০০ টাকার লাল নোট বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক’, এমন তথ্য প্রচার করেছে বেসরকারি একটি টেলিভিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’ ও ‘মিথ্যা’ বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সয়াবিন আমদানিতে ৫% ভ্যাটও প্রত্যাহার চান ব্যবসায়ীরা

সয়াবিন তেলের বাজারে অস্থিরতা থামাতে আমদানিতে যে ৫ শতাংশ ভ্যাট এখন বহাল রয়েছে, তাও প্রত্যাহারের সুপারিশ জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি রাইস ব্র্যান, সানফ্লাওয়ার ও ক্যানোলাসহ যে কোনো ধরনের ভোজ্যতেল করমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন তারা।

বুধবার দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এই দাবি জানায়।

ভোজ্যতেলের আমদানি, মজুত, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এই প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব বাজার পরিস্থিতির কারণে দেশের বাজারে ভোজ্য তেল নিয়ে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা সামাল দেওয়ার জন্য বর্তমানে আমদানি পর্যায়ে যে ৫ শতাংশ ভ্যাট আছে, তাও তুলে দেওয়ার জন্য আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, আমি মনে করি এই তেল আমদানির প্রক্রিয়াটি আরো সহজ করা দরকার। ইতোমধ্যে সয়াবিন ও পাম তেলের ওপর থাকা শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে বৈশ্বিক অস্থির পরিস্থিতিতেও দেশে তার সুফল পাওয়া যাচ্ছে। তবে সংকট দীর্ঘায়িত হতে চলেছে। শুধু সয়াবিন তেল দিয়ে চাহিদা পূরণ কঠিন হয়ে পড়বে। এ পরিস্থিতিতে সানফ্লাওয়ারসহ যত পরিশোধিত তেল আছে সেগুলো বিদেশ থেকে আমদানির পথ সুগম করতে হবে। এর জন্য এসব তেলে থাকা সব ধরনের শুল্ক-ভ্যাট ট্যাক্স তুলে নিতে হবে। তাহলে দেশে এ ধরনের তেলের পর্যাপ্ত আমদানি হবে এবং তা ক্রেতা পর্যায়ে কেনা সহজলভ্য হয়ে উঠবে।

শেখ হাসিনা পদত্যাগ করলেই নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে গ্যারান্টি নেই: গয়েশ্বর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘কথা পরিষ্কার- আমরা এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাব না। আন্দোলন হোক আর না হোক শেখ হাসিনাকে যেতেই হবে। আমরা ঘুমিয়ে থাকি বা রাস্তায় না নামি, আর যেনতেনভাবে নির্বাচন করার সক্ষমতা শেখ হাসিনার নেই। তার সঙ্গে আলাপের কিছু নেই।’

‘প্রতিদিনই তো আলাপ হচ্ছে। উনি পদত্যাগ করলেই তো পারে। তবে তিনি পদত্যাগ করলেই নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে সেটারও গ্যারান্টি নেই। সেজন্য পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করতে হবে এবং সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। তারপর যে সরকার হবে তারাই সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কীভাবে হবে।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘আগে সরকারের পদত্যাগ নিশ্চিত করি তারপর নির্বাচনকালীন সরকারের নাম ঠিক করা যাবে। আগে সন্তান ভূমিষ্ঠ হোক। পরে নাম ঠিক করা হবে।’

বুধবার বিকালে এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে জাতীয় ঐক্য ও অবৈধ সরকারের পদত্যাগ আজ সময়ের দাবি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমদ খানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জয়নুল আবেদীন, গণঅধিকার পরিষদের ড. রেজা কিবরিয়া, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতারা।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আজকে চারিদিকে অনেক ধরনের ঘটনা ঘটছে। বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এখনো ঘটেনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আমাদের আগ্রহ ছিল না। নানাভাবে চাপ দেওয়া শুরু হয়। পরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ভাবলেন ক্ষমতায় কে আসবে আসুক, কিন্তু দেশকে বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়াটা বন্ধ হবে। তবে সেটি হয়নি। সে সময় আমি প্রথম দুই নেত্রীর মুক্তি চাই। আওয়ামী লীগের নেতারা কিন্তু শেখ হাসিনার মুক্তি চায়নি। সেই আওয়ামী লীগ নিয়েই রাজনীতি করছেন শেখ হাসিনা। আমাদের নেতা তারেক রহমান শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে গিয়েছিলেন। অথচ আজকে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার থাকবে কি না- সেটা নিয়ে টানাটানি।’

শ্রীলংকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘জনগণের মনে যে ক্ষোভ সেটারই প্রতিফলন ঘটেছে। রাজাপাকসের পরিবারের দমন পীড়ন ও লুটের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে সেখানকার মানুষ। তেমনই বাংলাদেশের অবস্থা। এখানেও চলছে লুটপাট আর ক্ষমতার অপব্যবহার। আজকে মাথা প্রতি গড় আয়ের কথা বলছেন। কিন্তু মাথা প্রতি ব্যয়ের কথা বলছেন না কেন? আগামীতে ঋণের সুদের টাকা পরিশোধ করতে গেলে বুঝা যাবে কী হবে? এখন চালের সের ১০০ টাকা হলে ২ বছর পর চালের সের হবে ৩০০ টাকা।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘গণতন্ত্র তো উন্নয়নের বাধা না। বরং জনগণকে নিয়ে করেন। দেশে দুর্নীতি কিন্তু শতভাগ হচ্ছে। ১ টাকার জিনিস ৫ গুণ বাড়ানো হচ্ছে। পদ্মা সেতুর দুই পাশে জমি অধিগ্রহণ করার নামে কত টাকা লুট করা হয়েছে খোঁজ নিলেই জানা যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের পতন হলে আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেব রাষ্ট্র সংস্কার কীভাবে করা যায়। আগে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামি। রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে আমাদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। আজকে খালেদা জিয়ার সাজা আইনসিদ্ধ না। এটা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তা না হলে হাজী সেলিম কেমনে বিদেশ যায়? এ বিষয়ে দলের আইনজীবীরা রিট পিটিশন দায়ের না করায় উষ্মা প্রকাশ করেন গয়েশ্বর। সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনের ফল লুট করল আপনারা কলম বিরতি করলেন না একদিনের জন্য? কেন? আপনারা স্বরাষ্ট্র সচিবকে আদালতে হাজির করেন।’

‘নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে’ সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগে নিজেরা সামলান। শ্রীলংকার ওয়াসার এমডিকে দেখেছেন কীভাবে বেঁধে পচা পানি খাইয়েছে! এখানে কী হবে সেটা ভাবেন?’

ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে যাব না। সুতরাং শেখ হাসিনার উচিত শ্রীলংকার দিকে তাকানো। না হলে হেলিকপ্টারে চড়ার সময়ও পাবেন না। আমরা যখন দেশের আসল স্বাধীনতা ভোগ করব, আমি দোয়া করি ততদিন আপনারা (মুক্তিযোদ্ধা) বেঁচে থাকেন।’

তিনি বলেন, ‘ইতিহাস বিকৃত করে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃত দেয় না। শুধু একজন লোকই দেশ স্বাধীন করেছে বলে প্রচার করেছে! অন্যদের অবদান মুছে ফেলে তাদেরকে বঞ্চিত করা জাতির জন্য লজ্জাজনক। আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন দল। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই দানবকে সরাতে হবে। এটা খুব জরুরি। সম্মিলিতভাবে এই দানব সরকারের পদত্যাগ ও পতন ঘটাতে চাই। এটাই এখন মূল লক্ষ্য; নির্বাচন পরে। আজকে অনেক আলেম-ওলামাদের জেলে রাখা হয়েছে। আমাদের উচিত মজলুমদের জন্য কিছু করা।’

সভাপতির বক্তব্যে ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, ‘আমাদের দিন এসে গেছে। এখন কত তাড়াতাড়ি এই জোচ্চোর ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরাতে পারি ততই মঙ্গল। তবে ঘরে বসে থাকলে কিন্তু কিছুই হবে না। অবিলম্বে সরকার পতনের কর্মসূচি দিয়ে রাজপথে নেমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা আবারো মাঠে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধ কখনো শেষ হয় না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আবারো মুক্তিযুদ্ধ করতে হবে।’

ভেঙে দেওয়া হচ্ছে যুবদলের কমিটি

ভেঙে দেওয়া হচ্ছে জাতীয়তাবাদী যুবদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটি। বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গ সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব যে কোনো সময় ঘোষণা হতে পারে। এবার সাবেক ছাত্রনেতাদের সমন্বয়ে ‘সুপার ফাইভ’ কমিটি দেওয়া হবে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করবেন।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা জানান, সরকারবিরোধী আন্দোলনের আগে দলকে সংগঠিত করার অংশ হিসাবে যুবদলের নতুন কমিটি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজেই যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতাদের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি সংগঠনটির সাবেক কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতার মতামত নেন। তারা যুবদলের বর্তমান ও সাবেক ছাত্রনেতাদের নাম প্রস্তাব করেছেন।

জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুগান্তরকে বলেন, কমিটি গঠন একটি চলমান প্রক্রিয়া। সে অনুযায়ী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে পুনর্গঠন কাজ চলছে।

সূত্র জানায়, মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবদলের কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মতামত নেন তারেক রহমান। বেলা ৩টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৫১ জন নেতা পৃথকভাবে ভার্চুয়ালি মতামত দেন। তবে এই মতামত প্রক্রিয়ায় যুবদলের বর্তমান কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে রাখা হয়নি।

মতামত দেওয়া একাধিক নেতা জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাদের কয়েকটি প্রশ্ন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রশ্ন হলো-সাংগঠনিকভাবে যুবদলকে কীভাবে শক্তিশালী করা যেতে পারে? এক্ষেত্রে বর্তমান কমিটি রেখে, নাকি নতুন কমিটি করতে হবে? নতুন কমিটিতে কাকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে যোগ্য মনে করেন? বেশিরভাগ নেতাই নতুন কমিটির পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি সাইফুল আলম নিরবকে সভাপতি ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস পর ১১৪ সদস্যের আবার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। পূর্ণাঙ্গ না হওয়ায় ওই কমিটি দিয়েই চলছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম।

বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরই তৃণমূল থেকে দলকে শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নেয় হাইকমান্ড। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর কার্যক্রম শুরু করেন। সারা দেশে থানা-উপজেলা-পৌর, এমনকি ইউনিয়ন পর্যন্ত ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই সময় যুবদলকে ঢেলে সাজাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে পৃথক এগারোটি টিম গঠন করে। এতে ‘এক নেতার এক পদ নীতি’ যেমন মানতে নির্দেশ দেওয়া হয়, তেমনি স্থানীয় সক্রিয় ও সাবেক ছাত্রনেতাদের মূল্যায়নের জন্য বলা হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সে নির্দেশনা মানা হয়নি বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতাকর্মীদের। সংগঠনটির বিভাগীয় অনেক টিমের বিরুদ্ধেই আর্থিক কেলেঙ্কারি, উপঢৌকন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়ে ক্ষুব্ধ বিএনপির হাইকমান্ডও। যে কারণে মেয়াদোত্তীর্ণ আংশিক কমিটিকে আর পূর্ণাঙ্গ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা : এদিকে যুবদলের নতুন কমিটিতে শীর্ষ পদ পেতে লবিং-তদবির করছেন এক ডজনেরও বেশি নেতা। তারা সবাই বর্তমান যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক শীর্ষ নেতা। বিএনপির একটি সূত্র জানায়, নতুন কমিটিতে যুবদলের বর্তমান সভাপতি সাইফুল আলম নিরব থাকছেন না। ত্যাগী ও পরীক্ষিত এই নেতাকে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি দেওয়া হতে পারে। নতুন কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন- সংগঠনটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সহ-সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মোনায়েম মুন্না, আলী আকবর চুন্নু, মাহবুবুল হাসান ভূইয়া পিংকু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান। এছাড়াও সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে যুবদলের শীর্ষ দুই পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন-ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, সাবেক সভাপতি রাজিব আহসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ও ইসহাক সরকার।

জানতে চাইলে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু যুগান্তরকে বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সারা দেশে যুবদলকে সংগঠিত করতে কাজ করেছি। এখন হাইকমানন্ড যে সিদ্ধান্ত নেবে তা মেনেই রাজনীতি করব।

নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। নতুন কমিটি হলে তিনি যোগ্য, ত্যাগীদেরই জায়গা দেবেন।

এসএম জাহাঙ্গীর বলেন, আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রাজপথে ছিলেন এবং থাকবেন তাদের দিয়েই নতুন কমিটি গঠন করা হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

আকরামুল হাসান বলেন, ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের সমন্বয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি করার একটা রেওয়াজ রয়েছে। যারা যোগ্য ও ত্যাগী তাদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি হবে বলে আশা করি।

হলের ছাদে বৃষ্টিতে ভিজতে গিয়ে প্রাণ গেল জাবি ছাত্রের

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আবাসিক হলের ছাদে বৃষ্টিতে ভিজতে গিয়ে পাঁচতলার ছাদ থেকে পড়ে স্নাতকোত্তর শ্রেণির ছাত্র অমিত কুমার বিশ্বাস মারা গেছেন।

মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে দুপুর ২টার দিকে শহীদ রফিক-জব্বার হলের ছাদ থেকে পড়ে মারাত্মকভাবে আহত হয় অমিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ রফিক-জব্বার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

অমিত কুমার বিশ্বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের (২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

অধ্যাপক সোহেল আহমেদ জানান, বৃষ্টিতে ভেজার সময় ছাদ থেকে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন অমিত কুমার বিশ্বাস। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার পর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। পরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

এদিকে অমিতের মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্যাম্পাসের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে।

ফেরদৌসী রহমানকে নিয়ে ‘গানের পাখি’

উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীত শিল্পী ফেরদৌসী রহমানের জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম নির্মিত হয়েছে। এটি পরিচালনা করেছেন সন্দিপ বিশ্বাস। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রযোজিত ৪৯ মিনিট দৈর্ঘ্যের এ তথ্যচিত্রটির নাম ‘গানের পাখি’।

১৯৪১ সালের ২৮ জুন অবিভক্ত ভারতবর্ষের কোচবিহার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন কিংবদন্তি শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমেদের একমাত্র কন্যা ফেরদৌসী রহমান। তার শৈশব এবং কৈশোর কেটেছে কোচবিহার ও কলকাতায়। দেশভাগের পর পরিপূর্ণ শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ঢাকায়।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে তিনি গানের শুভারম্ভ করেছিলেন। শিশুদের জনপ্রিয় সংগীত শিক্ষার আসর ‘এসো গান শিখি’ দীর্ঘ সাত দশক ধরে বাংলাদেশের সংগীত শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী শ্রোতাদের কাছে তার গাওয়া গান আজও সমান জনপ্রিয়।

বাংলা উর্দু মিলিয়ে প্রায় ২৫০টি চলচ্চিত্রে প্লে- ব্যাকের পাশাপাশি তার গাওয়া গানের সংখ্যা প্রায় ৫০০০; যার মধ্যে রয়েছে ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, গজল এবং উচ্চাঙ্গ সংগীত।

এছাড়াও তিনি জার্মান, রুশ, চীনসহ একাধিক ভাষায় গান করেছেন। ফেরদৌসী রহমানের জীবনের এমন নানা দিক ফুটে উঠেছে গানের পাখি ডকুমেন্টারি ফিল্মে। ডকুমেন্টারি ফিল্মটি শিগগিরই প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে।

ঝড় তুলেছে ‘দেখোনা তুমি’

বাংলা গানের অনলাইন ভুবনে নতুন ঝড় তুলে দিলেন তিনি। জনপ্রিয় গায়িকা ঐশীর কণ্ঠে ‘দেখোনা তুমি’ শিরোনামে নতুন একটি গান নিয়ে শ্রোতাদের সামনে আবারও হাজির হলেন দেশের শীর্ষ সঙ্গীতকার শওকাত।

কিংবদন্তিসম জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী জেমসের ‘পাগলা হাওয়া’ এবং আইউব বাচ্চুর‘এক আকাশ তারা’ গানের সুরস্রষ্টা শওকাত মাত্র পাঁচ দিন আগে ঐশীর কণ্ঠে তার সৃষ্টি নতুন এ গানটি প্রকাশ করেন, তারই নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে।

ইউটিউবে বিস্ময়কর জনপ্রিয়তায় অভিষিক্ত গানটির ভিউয়ার সংখ্যাও এদিকে বাড়ছে প্রতিনিয়ত। দেশে-বিদেশে অগণিত শ্রোতার অভিনন্দন, লাইক, লাভ আর কমেন্টের বন্যায় সিক্ত হচ্ছেন শওকাত।

দর্শকশ্রোতার মন কেড়ে নেয়া ‘দেখোনা তুমি’ গানটির চমৎকার কাব্যময় কথাগুলোও লিখেছেন শওকাত। এর সুর সংযোজন এবং মিউজিক আয়োজনও তারই হাতে রচিত। আর শাহরিয়ার পলকের পরিচালনায় নির্মিত মিউজিক ভিডিওতে অনবদ্য ভিএফএক্স উপস্থাপন করা হয়েছে।

ফ্লাইওভারে পড়েছিল যুবকের লাশ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আতাদী ফ্লাইওভার হাইওয়ে এক্সপ্রেস উপর থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।যুবকের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টার সময় স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হামিদ উদ্দিন জানান, ধারণা করা হচ্ছে বৃষ্টির ভেতর আতাদী ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন এই অজ্ঞাত যুবক। যে কোন সময় অজ্ঞাত কোন পরিবহণ তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। বুধবার ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠানো হবে।

তুচ্ছ ঘটনায় হামলা, ৯৯৯ এ ফোন করে রক্ষা

নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ আল আমিন ও বেলাল গং এর হামলায় নাসির উদ্দিন ডাক্তার বাড়ির একই পরিবারের ৬ জন আহত হয়েছেন।

সদর উপজেলার ৮নং এওজবালিয়া ইউনিয়নের করমুল্লা বাজারে সোমবার এ ঘটনা ঘটে।

হামলার সময় বাড়িঘর ও মাক্রোবাস ভাঙচুরসহ স্বর্নালংকার ও নগদ ৫ লাখ টাকা লুটপাটের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ সময় ৯৯৯ এ ফোন করলে পুলিশ এসে আহতেদর উদ্ধার করে।

আহতরা হলেন – গ্রাম্য চিকিৎসক নাসির উদ্দিন (৫৫), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৪৫) , তার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (১৮), ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৫), মেয়ে নাসিমা আক্তার (৩০), ছেলের বউ শিমুলী আক্তার (২২)। আহতদের মধ্যে নাসির ও তার ২ পুত্র নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

আহত নাসিমা আক্তার জানান, গত ৯ মে সোমবার সকাল ১১টায় ঝড়ের মধ্যে বেলালের ছেলেরা আমাদের বাড়ির নারিকেল গাছে উঠে নারিকেল পেড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। আমার বাবা ডাক্তার নাসির উদ্দিন এতে বাধা দিলে তারা বাড়ি গিয়ে তাদের বাবা বেলালকে সত্য মিথ্যা বানিয়ে বলে। ছেলেদের কথা শুনে বেলাল ক্ষিপ্ত হয়ে লোহার রড নিয়ে আমাদের বাড়ির পাশে এসে আমার বাবাকে পেয়ে মারধর করে চলে যায়। একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় বেলাল পাশ্ববর্তী তার আত্মীয় আল আমিন, মামুন ,জুয়েল, দেলোয়ার, আবদুল সহিদসহ অজ্ঞাত ২০/২৫ জন দেশিয় ধারালো অস্ত্র, দা, লাঠিসোঠা, লোহার রড নিয়ে এসে আমাদের বাড়িতে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। আমার ভাইদের কুপিয়ে আহত করে। এসময় তাদের বাঁচাতে আসলে তারা আমার বাবা নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্যদের পিটিয়ে আহত করে এবং ঘরে থাকা নগদ ৫ লাখ টাকা, ৫ ভরি স্বর্নালংকার লুট করে নিয়ে যায়। ঘরের দরজা জানালা ভাঙচুর করে। আমার ভাই অন্যের মাইক্রোবাস চালিয়ে সংসার চালায়। তারা বাড়িতে থাকা মাক্রোবাসটিও ব্যাপক ভাংচুর করে। পরে কোন উপায় না দেখে আমরা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমাদের প্রাণ বাঁচায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছি।

সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন জানান, ৯৯৯ এ ফোন আসা মাত্রই আমি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইউএস ওপেন খেলেই অবসর নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা

ফ্রেঞ্চ ওপেনের প্রস্তুতি সারতে আপাতত রোমে রয়েছেন ৬ বারের গ্র্যান্ড স্লাম বিজয়ী ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। সেখান থেকেই নিজের অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন তিনি।

এ বছরের ইউএস ওপেনের পরেই সম্ভবত টেনিসকে বিদায় জানাচ্ছেন সানিয়া। এ পর্যন্ত সেরকমই পরিকল্পনা করে রেখেছেন তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

রোমে ক্লে-কোর্টে ইটালিয়ান ওপেন খেলছেন তিনি। সানিয়ার জুটি লুসি রাদেকা। সোমবার প্রথম রাউন্ডে সানিয়া-রাদেকা জুটি ৬-১, ৬-২ গেমে উড়িয়ে দিয়েছেন পোল্যান্ডের অ্যালিসায়া রোসোলস্কা ও নিউজিল্যান্ডের এরিন রুটলিফ জুটিকে।

ষষ্ঠ বাছাই সানিয়াদের প্রি-কোয়ার্টারে খেলতে হবে এলিনা রিবাকিনা-লিউডমিলা সামসোনোভা জুটির সঙ্গে।

সানিয়া আগেই জানিয়েছিলেন, এই বছরই টেনিসকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু ঠিক কবে অবসর নেবেন জানাননি।

মঙ্গলবার সানিয়া জানালেন, বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্লাম ইউএস ওপেন খেলেই অবসরের পরিকল্পনা করেছেন তিনি। তবে নতুন করে চোট পেলে তার আগেই সরে দাঁড়াবেন।

সানিয়া জানালেন, শরীর ফিট থাকলে বা নতুন করে চোট না পেলে তিনি ফ্রেঞ্চ ওপেনের পরে বছরের বাকি দু’টি গ্র্যান্ড স্লাম উইম্বলডন ও ইউএস ওপেনেও খেলবেন। প্রতিটি প্রতিযোগিতার আগে প্রস্তুতি সারার জন্য সংশ্লিষ্ট কোর্টের দু’-একটি প্রতিযোগিতাতেও খেলবেন।

তবে কোন কোন প্রস্তুতি প্রতিযোগিতায় খেলবেন, তা এখনও ঠিক করেননি। এখন যেমন ক্লে-কোর্টের প্রস্তুতি সারতে রোমে খেলছেন। এরপর ১৫ মে থেকে ফ্রান্সের স্ট্রসবার্গে আরও একটি প্রতিযোগিতায় খেলতে পারেন। সেটিও চূড়ান্ত নয়। ২২ মে থেকে ফ্রেঞ্চ ওপেন শুরু হচ্ছে। চলবে ৫ জুন পর্যন্ত।

বছরের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্লাম উইম্বলডন চলবে ২৭ জুন থেকে ১০ জুলাই। তার আগে বার্মিংহাম, বার্লিন বা ইস্টবোর্নে ঘাসের কোর্টে প্রস্তুতি সারতে পারেন সানিয়া। বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্লাম ইউএস ওপেন শুরু ২৯ অগস্ট থেকে। চলবে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তত দিন পর্যন্ত চোটমুক্ত থাকলে খেলে যাবেন সানিয়া। তার পরেই টেনিসকে বিদায় জানাবেন তিনি