শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 317

বাড়ির মূল্য বৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্রে লাভবান সাড়ে ৮ কোটি মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন প্রায় সাড়ে ৮ কোটি মানুষ। মাত্র কয়েক বছর আগে কেনা তাদের বাড়ির মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেকে তাদের বাড়ি বিক্রয় করে অন্য খাতে বিনিয়োগ করার চিন্তা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ৮ কোটি ৩০ লাখ মানুষের নিজেদের বাড়ি রয়েছে বলে এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বর্তমান সময়কে বিরাট রাজনৈতিক বিভাজন ও নাটকীয় সাংস্কৃতিক উত্থানের যুগ হিসেবে দেখছেন। এর মধ্যে নীরবে এমন এক সময়ের আবির্ভাব ঘটেছে যখন বিপুলসংখ্যক আমেরিকানের জন্য সুযোগ আর্থিকভাবে পুরস্কৃত হওয়ার। ১৫ কোটি ৮০ লাখ আমেরিকানের কর্মসংস্থান রয়েছে, মানুষ যখন চাঁদে পা রেখেছে ওই সময়ের পর কর্মজীবীদের সম্ভাবনা আর কখনো এত উজ্জ্বল ছিল না।

মোট কর্মী সংখ্যার প্রায় অর্ধেকের রিটায়ারমেন্ট অ্যাকাউন্ট আরও স্ফীত হয়ে ওঠেছে স্টক মার্কেটে দীর্ঘকাল যাবত বিনিয়োগ করার কারণে। যারা নিজ বাড়ির মালিক, তাদের বাড়ির মূল্য বৃদ্ধি তাদের ভাগ্যতারকাকে আরও উজ্জ্বল করেছে। কিন্তু এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো আলোড়ন নেই। যে দেশে চমক সৃষ্টিকারী খবরও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাসি হয়ে যায়, সেখানে স্থাবর সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না, যারা বিশেষ করে তাদের নিজ বাড়িতে বাস করেন এবং কখনো বাড়ি বিক্রয় করার কথা ভাবেন না। কিন্তু যারা আসলেই রিয়েল এস্টেট সম্পত্তির মূল্য নিয়ে ভাবেন, তারা যারা বাড়ি কেনার সম্ভাব্য ব্যক্তি, তাদের ও মালিকদের সম্পদের মধ্যে অসমতার কথা ভাবেন।]

অস্থির স্টক মার্কেট হয়তো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাড়ির বর্তমান মূল্য বাড়ি মালিকদের জন্য লোভনীয় দ্রুততার সঙ্গে বৃদ্ধি পেলেও তা অচিরেই শেষ হবে। অর্থনীতিতে মন্দা আসবে, মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়বে, জ্বালানির মূল্য এবং যেকোনো বিনিয়োগে ব্যাংকের সূদের হার যেভাবে বৃদ্ধি পাবে তাতে বিগত বছরগুলোতে স্থাবর সম্পদ, বিশেষ করে বাড়ির মূল্যে আয়ের যে স্বপ্ন দেখতেন তা সামান্যই অর্জিত হবে।

গত মার্চ মাসে ৪৫ লাখ লোক স্বেচ্ছায় তাদের কাজ ত্যাগ করেছে। ২০২০ সালে ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিসটিকস পরিসংখ্যার রাখতে শুরু করার পর এটাই ছিল চাকরি ত্যাগের সর্বোচ্চ সংখ্যা। কয়েক বছর আগে স্বেচ্ছায় কাজ ছেড়ে দেওয়ার মাসিক গড় ছিল ৩০ লাখ থেকে ৩৫ লাখ।

একজন অর্থনীতিবিদ মধ্যপন্থি সেন্টার ফর ইকনমিক পলিসি রিসার্চের কো-ফাউন্ডার ডিন বেকার বলেছেন, কাজ ত্যাগ করার প্রবণতা থেকে সহজে নেতিবাচক দিক ধারণা করা যেতে পারে, কিন্তু কর্মত্যাগকারী ৪০ হাজার পরিবার হয়তো ভালোই করছে। ইউএস ফরেস্ট সাভিস থেকে অবসর গ্রহণকারী ডিউইট মেকিনসন বলেন, আমাদের বিনিয়োগের কারণে মোট সম্পদের পরিমাণ মিলিওনিয়ারের পর্যায় ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা ৪০ বছর আগে আমরা যখন বিয়ে করি তখন ধারণা করার মত ছিল না। ক্রেডিট সুইসের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে মিলিওনিয়ারের সংখ্যা ২২ মিলিয়ন বা ২ কোটি ২০ লাখ, যা ২০১৪ সালে ছিল ১৫ মিলিয়ন।

প্রতিটি অর্থনৈতিক লেনদেনের বিভিন্ন দিক থাকে। ২০০০ সালে কেউ বাড়ির দাম কম বলে ভাবতো না। কিন্তু ছয় বছর পর বাড়ির দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায় এবং দেশের যেকোনো স্থানে ভাড়াটেদের পক্ষে বাড়ি কেনা বাস্তবে অসম্ভব হয়ে পড়ে। এক দশক আগে হাউজিং মার্কেট চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল। পরিস্থিতি এমন শোনীয় অবস্থায় চলে গিয়েছিল যে বাড়ির জন্য নেওয়া ঋণের মর্টগেজ পরিশোধ করতে না পারায় ২০০৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সময়ে ৭০ লাখের অধিক বাড়ি ফোরক্লোজারে চলে যায়। যারা দ্বিতীয় বাড়ির মালিক হওয়ার আশা করছিল তাদের সেই আশা দুরাশায় পরিণত হয়।

কিন্তু এখন এর বিপরীতটাই সত্য। লোকজনের কাছে বাড়ির চেয়েও বেশি অর্থ আছে, তাদের কাছে ব্যাংকের দায়দেনাও কম। ফোরক্লোজারের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে, যা ২০১৯ সালে মাত্র ১ লাখ ৪৪ হাজার ছিল। করোনা মহামারির কারণে মরাটরিয়ামের সুবিধার কারণে ফোরক্লোজার কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

রোমে হিলাল কমিটির প্রীতি সমাবেশ

ইতালির রোমে হিলাল কমিটির প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ মে বুধবার রোমের তরপিনাত্তারা মুসলিম সেন্টার (টিএমসি মসজিদে) “হিলাল কমিটি” ইতালির আয়োজনে রোমে অবস্থানকারী ওলামায়ে কেরামদের নিয়ে এই ঈদ প্রীতি সমাবেশ করা হয়।

মাওলানা রুহুল আমিনের পরিচালনায় ও মাওলানা হুমায়ুন রশীদ রাজীর সভাপতিত্বে
প্রীতি সমাবেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন- হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন, হাফেজ মাহফুজুর রহমান, মাওলানা নজমুল হুদা, মুফতি মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাফেজ মাওলানা ফজলুল করীম প্রমুখ।

এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্যে ওলামায়ে কেরাম বলেন, মুসলিম কমিউনিটি ও সাংস্কৃতিক যথাভাবে উদযাপন, ইসলামিক বিধিবিধান পালন, আগামী প্রজন্মকে ইউরোপিয়ান মুসলিম হিসেবে গড়ে তুলতে ওলামায়ে কেরামদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সমাজিক নেতা ও মুসলিম জনতাকে সম্পৃক্ত করতে আহবান করেন। সমাবেশে রোমের অধিকাংশ মসজিদের ইমাম-খতিবরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে তরপিনাত্তারা মুসলিম সেন্টারের ওলামায়ে কেরামসহ উপস্থিত সব মুসল্লিদের সুন্দর আপ্যায়নের মাধ্যমে প্রীতি সমাবেশের কার্যক্রম সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম প্রত্যাশা করেন- আল্লাহ যেন মুসলিম উম্মাসহ সব মানবতাকে রক্ষ করেন এবং তারই জমিনে তারই হকুমের আলোকে পরিচালিত হয়।

সম্মেলন প্রত্যাশীদের তোপের মুখে ছাত্রলীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক

ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা না করায় তোপের মুখে পড়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

শনিবার দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে উপস্থিত হলে ছাত্রলীগের সম্মেলন প্রত্যাশীদের একাংশের তোপের মুখে পড়েন তারা। এসময় সম্মেলন প্রত্যাশীদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক।

এ বিষেয়ে জানতে চাইলে সম্মেলন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আরিফ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমরা তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সম্মেলনের নির্দেশনা দিয়েছেন। আপনারা সম্মেলন আয়োজনে কতটা কাজ করছেন। তারা প্রথমে বলেন- এটা নেত্রীর কোন নির্দেশনা না। ওবায়দুল কাদের নিজের মন গড়া বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, জয়-লেখক ছাত্রলীগের সম্মেলনকে মন গড়া বলার পর আমরা তাদের প্রশ্ন করি যে, যদি মন গড়াই হয় তাহলে যুব মহিলা লীগ ও মহিলা লীগ প্রেস দিল কীভাবে যে তারা আওয়ামীলীগের নির্দেশে সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই কথা বলার পর জয়-লেখক বলেন, কাদের ভাই নিজেই তো আমাদের ব্যাপারে কনফিউজড।

আরিফ বলেন, ‘আমাদের প্রশ্নের এক পর্যায়ে জয়-লেখক বলেন, আমাদের দুই দিনের ভেতর তারিখ নিতে বলেছিলেন নিতে পারি নাই। দেখি আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে আপার (শেখ হাসিনার) সঙ্গে কথা বলে তারিখ নির্ধারণ করব।’

উল্লেখ্য, এর আগে ৭ মে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সহযোগী সদস্যগুলোকে সম্মেলন করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

গত মঙ্গলবার (১০ মে) সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সম্মেলন করার নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওই সভায় উপস্থিত থাকা ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে দু-এক দিনের মধ্যে আওয়ামী লীগের দপ্তর সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারিখ নির্ধারণের জন্য নির্দেশনা দেন কাদের। তবে, আওয়ামী লীগের দপ্তর সেলে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জয়-লেখক এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি।

রাবি শিক্ষকের বাসায় দিনদুপুরে চুরি

দিনদুপুরে ঘরের দরজা ভেঙে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বাসা থেকে সোনার গহনা ও টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমপাড়ার ডব্লিউ-৯/এফ নম্বর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদা আক্তার জানান, ঈদের ছুটি শেষে তারা বাসায় ফেরেননি। এ সুযোগে দিনদুপুরে দরজা ভেঙে চোরেরা তার বাসায় ঢুকে সোনার গহনা, আংটি, গোল্ড মেডেল ও প্রায় ২০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়৷

চুরির ঘটনা জানার পর শুক্রবার ওই শিক্ষকের স্বামী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া কোয়ার্টারে আসেন৷

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পশ্চিমপাড়ার ডব্লিউ-৯/এফ নম্বর বাড়ির তিন তলার পূর্ব পাশের ফ্ল্যাটে আমরা থাকি। শুক্রবার এসে দেখি দরজার তালা ভাঙা৷ একটা আলমারি ছিল, সেটার তালাও ভাঙা ছিল। পুরো ঘর এলোমেলো হয়ে আছে। ভাবলাম হয়তো চোরেরা সব নিয়ে গেছে। কিন্তু পরে দেখি আমাদের ফোন, ল্যাপটপসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ছাড়া সোনার অলঙ্কার ও টাকাগুলো নিয়ে গেছে। পুলিশ এসে দেখে গেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, সেদিন ওই বাসায় চুরি হয়েছে শুনেই সেখানে যাই। তারা কেউ বাসায় ছিলেন না৷ তাদের থানায় অভিযোগ দিতে বলেছি৷

এ ব্যাপারে মতিহার থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তুহিন বলেন, এ ঘটনার ব্যাপারে কিছু জানি না৷ এখন পর্যন্ত আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি

মেয়ের অভিনয় দেখে যে বার্তা দিলেন শাহরুখ-গৌরী

নির্মাতা জয়া আখতারের ‘দ্য আর্চিস’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে নাম লেখালেন শাহরুখ খানের কন্যা সুহানা খান। শনিবার সিনেমাটির টিজার প্রকাশ্যে আসার পরই এ নিয়ে মাতামাতি শুরু করে দিয়েছে শাহরুখ ভক্তরা।

সিনেমাটির টিজার প্রকাশের পর দেখেছেন শাহরুখ খান। মেয়ের সিনেমার টিজার দেখে উচ্ছ্বসিত তিনি। তবে মেয়েকে বাবা হিসেবে লম্বা উপদেশ দিয়েছেন কিং খান।

দ্য আর্চিস’-এর টিজার শেয়ার করে কিং খান লেখেন, ‘মনে রেখো সুহানা, কখনও পারফেক্ট হতে যেও না। নিজের সত্তা বজায় রেখো, তাতেই চলবে। উদার মন নিয়ে এগিয়ে চলো, অভিনেতা হিসেবে সবটুকু উজাড় করে দিও… ইটপাটকেল কিংবা করতালির কোনওটাই মনে রেখো না। ’

শাহরুখ খান আরো লেখেন, ‘যে অংশটা স্ক্রিনের মধ্যে রয়েছে, সেটা সব সময় তোমারই থাকবে… তুমি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে এসেছ, বেবি। কিন্তু মানুষের মনের রাস্তাটা অনন্ত… ভেসে চলো এবং যতোটা পারো মানুষের মুখে হাসি ফোটাও। তোমার সঙ্গে থাকুক লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন। ইতি, আরেক অভিনেতা। ’

শাহরুখের পাশাপাশি মেয়ে সুহানার ছবির টিজার শেয়ার করে গৌরী খান লিখেছেন, ‘তুই করে দেখিয়েছিস’। জোয়ার দেখানো পথে হেঁটে বলিউডে সফল হবে মেয়ে, বিশ্বাস শাহরুখ-পত্নীর।

জানা যায়, ‘দ্য আর্চিস’ সিনেমা সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়েছে ১৮ এপ্রিল থেকে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সিনেমাটি ২০২৩ সালে মুক্তি পাবে।

‘দ্য আর্চিস’ সিনেমা দিয়েই একসঙ্গে তিন তারকা সন্তানের বলিউডে অভিষেক হচ্ছে। সুহানা ছাড়াও আরো রয়েছে অমিতাভ বচ্চনের নাতি অগস্ত্য নন্দা এবং শ্রীদেবী ও বনি কাপুরের ছোট মেয়ে খুশি কাপুর।

শরীরে আগের মতো জোর নেই: আনুশকা

প্রায় চার বছর ধরে পর্দার আড়ালে রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। এই কয়েক বছরে পাল্টে গেছে তার জীবন। স্বামী-সন্তান-সংসার নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে ফের পর্দায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তার কামব্যাক সিনেমা ‘চাকদাহ এক্সপ্রেস’।

ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের আইকন ঝুলন গোস্বামীর বায়োপিকে দেখা যাবে আনুশকাকে। আপতত ক্রিকেট প্র্যাকটিসে ডুবে আছেন তিনি। কিন্তু মেয়ে ভামিকার জন্মের পর অভিনয়ে ফিরে যথেষ্ট ভয়ে ছিলেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আনুশকা জানান, ‘আমি শুরু থেকেই চাকদহ এক্সপ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। সিনেমাটি আরও আগে করার কথা ছিল, কিন্তু মহামারি করোনা শুরু হলো এবং আমিও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লাম। তাই কাজটা পিছিয়ে যায়। দ্বিতীয় দফায় যখন এ সিনেমাটি নিয়ে কাজ শুরু করলাম, আমি সত্যিই খুব নার্ভাস ছিলাম। আমার সবে একটা বাচ্চা হয়েছে, আমি এখন আর আগের মতো শক্তিশালী নই।

তিনি আরও জানান, ১৮ মাস ধরে কোনো ট্রেনিং করিনি। আমার সত্যি সেই শারীরিক শক্তিটা নেই, যা আগে ছিল। আগের পরিস্থিতি হলে আমি জিমে নিজেকে আরও বেশি করে পুশ করতাম, কিন্তু এখন সেটা সম্ভব নয়।’

তবে মা হওয়ার পর এ প্রোজেক্টের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকবেন কিনা, সে ব্যাপারে মনে প্রশ্ন জেগেছিল আনুশকার। তবে অন্তরের ডাক শুনেই তিনি কাজটা নিয়ে এগিয়েছেন।

জানা গেছে, প্রসিত রায় পরিচালিত ‘চাকদাহ এক্সপ্রেস’ সরাসরি মুক্তি পাবে নেটফ্লিক্সে। ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দেখা যাবে সিনেমাটি।

মাংস-ডিমে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড!

মানবদেহের হৃদযন্ত্রের জন্য ওমেগা-৩ ফ্যাটি আসিড জরুরি একটি উপাদান। সাধারণত সামুদ্রিক মাছে এ ফ্যাটি অ্যাসিডটি অধিকমাত্রায় পাওয়া যায়।

এবার ব্রয়লার মুরগির মাংসে ও লেয়ার মুরগির ডিমে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধকরণে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল সাবেক শিক্ষার্থী।

তাদের ‘আপিজ সেইফ ফুড এগ্রো লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে দুই বছর ধরে ব্রয়লার মুরগির মাংস ও লেয়ার মুরগির ডিমের ওপর গবেষণা করে তারা এ সাফল্য পান।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ ‘সেইফ ওমেগা-৩ ব্রয়লার’ ও ‘সেইফ ওমেগা-৩ এগ’ নামে দুটি পণ্য শিগগিরই বাজারজাত করবে প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আপিজ সেইফ ফুড এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ জিকরুল হাকিম।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক কৃষিবিদ মো. আহসান হাবীব।

এ সময় তারা জানান, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় তাদের লেয়ার মুরগির ডিমের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩৭৪ দশমিক ২৯ মিলিগ্রাম ও ব্রয়লার মুরগির মাংসের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ গ্রামে ১৮৭ দশমিক ১৫ মিলিগ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি আসিড পাওয়া গেছে; যা ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রা থেকে বেশি। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রসূতি মা ও সন্তানের ব্রেইন ভালো রাখতে সহায়তা করে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে, চোখ ও ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

গবেষণার বিষয়ে কৃষিবিদ জিকরুল হাকিম জানান, গবেষণা প্রকল্পটি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয়ে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে শেষ হয়। প্রকল্পটিতে মুরগির খাদ্যাভাস ও খাদ্য গ্রহণে পরিবর্তন আনা হয়। এ সময় মুরগিকে প্রতিদিনের খাদ্যের সঙ্গে কড লিভার অয়েল, ফ্ল্যাক্স সিড অয়েল, ফিশ অয়েল ইত্যাদি ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ উপাদান সরবরাহ করা হয়।

পণ্যগুলোর দাম সম্পর্কে কৃষিবিদ মো. আহসান হাবীব জানান, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ড্রেসিং ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম কেজিপ্রতি ৫৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ডিমের দাম প্রতি ডজন ২২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন সুপারশপে পণ্যগুলো পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বাকৃবির চারজন তরুণ শিক্ষার্থীর উদ্যোগে আপিজ সেইফ ফুড এগ্রো লিমিটেড যাত্রা শুরু করে। নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের জোগান দেওয়া ও দেশের মেধাবী ও পরিশ্রমী জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিক্ষেত্রে সমৃদ্ধি আনা সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য। বর্তমানে ২৫ জন জনবল রয়েছে, ঢাকাসহ চারটি বিভাগীয় শহরে প্রায় ৪ হাজারের অধিক পরিবারে নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের জোগান দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

নাকে পলিপের চিকিৎসায় কী করবেন?

নাকে পলিপ একটি পরিচিত রোগ। শিশু থেকে সব বয়সি মানুষের এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। পলিপ বড় হয়ে গেলে অস্ত্রোপচার করা লাগে। সঠিক চিকিৎসা নিলে সুস্থ জীবনযাপন করা হয়।

নাকের আশপাশে কিছু প্রকোষ্ঠ (সাইনাস) আছে। চোখের ঠিক নিচে যে উঁচু হাড়টি আছে তার ভেতরে থাকে ম্যাক্সিলারি সাইনাস, নাক আর চোখের মাঝখানে যে ক্ষুদ্র স্থান সেখানে থাকে বেশ কয়েকটি ইথময়েড সাইনাস। কপালের সম্মুখভাগে থাকে ফ্রন্টাল সাইনাস। চোখের পেছন দিকে থাকে স্ফেনয়েড সাইনাস। এ সাইনাসগুলোর আবরণী অনেক সময় ফুলতে ফুলতে আঙ্গুরের থোকার মতো আকার ধারণ করে। একেই আমরা ডাক্তারি পরিভাষায় পলিপ বলে থাকি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইমপালস হাসপাতালের নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন অধ্যাপক ডা. জাহীর আল-আমিন।

সাধারণত ইথময়েড সাইনাস থেকে পলিপ তৈরি হয়। কখনও কখনও ম্যাক্সিলারি সাইনাস থেকেও পলিপ তৈরি হতে পারে। নাকের মধ্যে ফাংগাস ইনফেকশন আমরা অনেক সময় দেখে থাকি। নাকের ফাংগাল (ছত্রাক) ইনফেকশন থেকে নাকের উভয় দিকে এবং এ ক্ষেত্রে একাধিক সাইনাস পলিপ দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এ পলিপগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে সাইনাসের ভেতর থাকে।

এক সময় এটা বাড়তে বাড়তে সাইনাস থেকে নাকের ভেতরে চলে আসে এবং তখন আমরা খালি চোখে নাকের ভেতরে পলিপ দেখতে পাই। এগুলো দেখতে অনেক সময় সাদা আঙ্গুরের থোকার মতো থাকে। অনেক সময় পলিপে ইনফেকশন হলে বা আঘাতজনিত কারণে এর ত্বকের স্তর মিউকোসা ক্ষতিগ্রস্ত হলে অনেক সময় এটা লালচে রঙ ধারণ করতে পারে। রোগীরা সাধারণত যাকে পলিপ বলে থাকেন সেটা আসলে নাকের মধ্যে মাংস ফুলে যাওয়াকে তারা বুঝিয়ে থাকেন। মেডিকেলের ভাষায় একে হাইপারট্রপিড ইনফেরিয়র টারবিনেট বলা হয়। নাকের ভেতরে, পার্শ্ব দেয়ালে দুই দিকে দুইটি তাকের মতো মাংসপিণ্ড থাকে।

একে আমরা ইনফেরিয়র টারবিনেট বলি। এই ইনফেরিয়র টারবিনেটের প্রদাহ হলে এর আকৃতি বড় হয়ে যায়। যাকে হাইপারট্রপিড ইনফেরিয়র টারবিনেট বলা হয়। এটা সাইনাস থেকে আসে না। নাকের ভেতর থেকে এর উৎপত্তি। মেডিকেল ভাষায় এটা পলিপ নয়। অনেক ক্ষেত্রেই পলিপ এবং হাইপারট্রপিড ইনফেরিয়র টারবিনেটের কারণ একই এবং এ দুটো একসঙ্গে বিদ্যমান থাকে।

উপসর্গ

* প্রাথমিক পর্যায়ে রোগীরা সাধারণত নাক দিয়ে সর্দি ঝরা, নাক বন্ধ ভাব এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন। নাকের এ সর্দি সামনের দিকে আসতে পারে। অনেক সময় এটা সামনের দিকে না এসে পেছন দিকে চলে যায় এবং ঢোক গিলা বা গলা পরিষ্কার করার মতো প্রবণতা দেখা যায়। নাক বন্ধ থাকাটা প্রাথমিক পর্যায়ে একদিকে থাকে এবং কিছুক্ষণ পরপর এটা দিক পরিবর্তন করে নাকের দুই দিকে হয়। কিছু সময় এক নাক বন্ধ থাকে আবার কিছু সময় আরেক নাক বন্ধ থাকে। অসুখ যত বাড়তে থাকে ততই দেখা যায় ধীরে ধীরে দুটো নাকই বন্ধ হয়ে যায়, প্রথমে আংশিকভাবে এবং পরে সম্পূর্ণভাবে।

* হাঁচি থাকতে পারে এবং অল্প ধুলাবালি বা ধোঁয়াতে গেলেই প্রচণ্ড হাঁচি হতে থাকে। সিগারেটের বা রান্নার ধোঁয়া সহ্য হয় না। দম বন্ধ ভাব চলে আসে।

* নাকের ঘ্রাণশক্তি কমে যায় এবং অনেক সময় নাকে দুর্গন্ধ পাওয়া যায়।

* মাথাব্যথা সাধারণত প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, পলিপ যখন বেশ বড় আকার ধারণ করে তখন মাথাব্যথা চলে যায়। এর কারণ যে অবস্থাতে আমরা পলিপ দেখতে পাই সে অবস্থাতে মাথাব্যথার সমস্যা সাধারণত থাকে না। মাথা এবং কপালের সম্মুখ বা নাক এবং এর আশপাশে একটা বন্ধ ভাব থাকতে পারে। এ সময় রোগীর ইতিহাস নিলে অবশ্যই দেখা যাবে, কয়েক মাস বা কয়েক বছর আগে যখন এ রোগ শুরু হয়েছিল তখন তাদের মাথাব্যথার সমস্যা ছিল। পলিপ যখন বেশি বড় হয়ে যায় তখন মাথাব্যথার সমস্যাটা এতটা প্রকট থাকে না।

* দেখা যায় কিছু কিছু রোগীর গলায় খুসখুস ভাব থাকে। অনেকের আবার কাশিও থাকতে পারে। গলায় নিয়মিত প্রদাহ বা মুখ দিয়ে নিয়মিত শ্বাস নেয়ার ফলে অনেক সময় গলার স্বর বসে যায় বা গলা বসা বা স্বরভঙ্গ থাকতে পারে।

* নাকের পেছনে ইউস্টেশিয়ান টিউব আক্রান্ত হওয়ার কারণে অনেক সময় মধ্য কর্ণে সমস্যা হয়ে থাকে। কান বন্ধ বন্ধ ভাব বা কানের ভেতর পানি যাওয়ার কারণে কান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাথা ঘুরানোর সমস্যাও থাকতে পারে। মধ্যকর্ণের এ সমস্যা থেকে অল্প-স্বল্প মাথা ঘুরানোভাব থেকে শুরু করে মারাত্মক রকমের মাথা ঘুরানোর সমস্যা থাকতে পারে। এ ছাড়াও কানের ভেতরে শোঁ শোঁ আওয়াজের সমস্যাও হতে পারে। কানের ভেতরে অনেক দিন পানি জমে থাকলে কানের পর্দা নষ্ট হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদে কান পাকা রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

কারণ : নাকের পলিপের কারণ নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। সাধারণভাবে বলা যায় নাকের এলার্জি এর অন্যতম কারণ। এ এলার্জি নাকের ভেতরে ধুলাবালি বা ধোঁয়ার এলার্জি থেকে হতে পারে। অনেকে মনে করেন, নাকের ভেতরে ক্রনিক ইনফেকশনও এ এলার্জির কারণ হতে পারে। নাকের ভেতরে ফাংগাল ইনফেকশনের এলার্জি থেকে কিছু কিছু রোগীর উভয় নাকে এবং অনেক সাইনাসজুড়ে পলিপ তৈরি হয়। নাকের ভেতরে রক্তনালির অসাঞ্জস্যতা বা অস্থিরতা থেকেও অনেক সময় পলিপ তৈরি হয় বলে অনেকে মনে করেন। নাকের এলার্জি যেটাকে আমরা এলার্জিক রাইনাইটিস বলি, গলার এলার্জি যেটাকে আমরা এলার্জিক ফ্যারিনজাইটিস এবং ফুসফুসের এলার্জি যেটাকে আমরা অ্যাজমা বা হাঁপানি বলে থাকি- এর একটা আরেকটার সঙ্গে সম্পৃক্ত। যাদের নাকের এলার্জি আছে তাদের শতকরা ১৭ থেকে ১৯ ভাগ রোগীর ক্ষেত্রে হাঁপানিও আছে। যাদের হাঁপানি আছে তাদের ৫৫ থেকে ৭০ ভাগ রোগীর ক্ষেত্রে নাকের এলার্জিও থাকে। বিশেষভাবে বলা উচিত, নাকের এলার্জি ও ফুসফুসের এলার্জির (হাঁপানি) একটির প্রভাব আরেকটির ওপর পড়ে। নাকের এলার্জি ঠিকমতো কন্ট্রোল না করলে অনেক সময় হাঁপানি বেড়ে যেতে পারে বা হাঁপানির চিকিৎসা করা দুরূহ হতে পারে। সে রকম ফুসফুসের এলার্জি বা হাঁপানি ঠিকমতো চিকিৎসা করা না হলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া নাকের ওপর পড়ে।

চিকিৎসা : প্রাথমিক চিকিৎসা হল ধুলাবালি, ধোঁয়া ও ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলা। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে নাকে স্টেরয়েড জাতীয় স্প্রে ব্যবহার করলে এটা চলে যেতে পারে। পলিপ যদি নাককে সম্পূর্ণ অথবা আংশিকরূপে বন্ধ করে দেয় তাহলে সাধারণত ওষুধে কাজ হতে চায় না। এরকম ক্ষেত্রে অপারেশনের মাধ্যমে পলিপ ফেলে দেয়া ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। নাকের পলিপের কয়েক ধরনের অপারেশন হতে পারে। আমরা অবশ করে পলিপ বের করে নিয়ে আসতে পারি। এতে নাকের ভেতরের অংশটুকু সাধারণত কিছুটা দূর করা সম্ভব। অজ্ঞান করে আরও ভালোভাবে আমরা পলিপগুলো ফেলতে পারি। এতেও সাইনাসের ভেতরে যে ঝিল্লি থেকে পলিপগুলো তৈরি হয় সেটা সম্পূর্ণভাবে দূর করা সম্ভব নয়। আধুনিক এ যুগে পলিপের সর্বশেষ এবং সর্বাধুনিক চিকিৎসা হল এন্ডোস্কোপের মাধ্যমে পলিপগুলো শিকড় থেকে অর্থাৎ সাইনাসের যে ঝিল্লি থেকে পলিপ উৎপত্তি হয় সেখান থেকে সম্পূর্ণরূপে ফেলে দেয়া। এন্ডোস্কোপ ব্যবহার করে আমরা অতি সূক্ষ্মভাবে পলিপের উৎপত্তিস্থল থেকে পলিপকে ফেলে দিতে পারি এবং যে কোনো সাইনাস নাক থেকে যত দূরেই হোক না কেন তার ভেতরে সূক্ষ্মভাবে প্রবেশ করে পলিপটাকে সম্পূর্ণভাবে বের করে ফেলা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় এন্ডোস্কোপের সাহায্যে পলিপ ফেলে দেয়া ছাড়া বিকল্প কোনো অপারেশন নেই। পলিপগুলো তাদের উৎপত্তিস্থল থেকে সম্পূর্ণভাবে ফেলে দিলে সাধারণত নতুন করে পলিপ হয় না। পুরনো পদ্ধতিতে পলিপের অপারেশন করা হলে পলিপের কিছুটা অংশ সাইনাসের ভেতরে থেকে যেত এবং তা থেকে পলিপ আবার নতুন করে খুব তাড়াতাড়ি গজিয়ে যেত। যেহেতু পলিপ সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হয় না, সেহেতু পলিপ উদ্ভূত সমস্যাগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খুব একটা দূরীভূত হতো না। বলে রাখা দরকার, সাধারণত পলিপ ছাড়াও নাকের ভেতর কিছু মারাত্মক ইনফেকশন, টিউমার, ক্যান্সার এবং অন্যান্য কিছু জটিল সমস্যা আপাতদৃষ্টিতে পলিপ আকারে প্রকাশ পেতে পারে। যদি মেডিকেল চিকিৎসাতে এ পলিপ বা পলিপের উপসর্গ সম্পূর্ণরূপে দূর না হয় তবে এ পলিপ থেকে বায়োপসি নিয়ে দেখা উচিত, সেটা আসলে পলিপ নাকি অন্য কোনো সমস্যা। যা অনেক সময় মারাত্মক জটিলও হতে পারে। অপারেশনের মাধ্যমে পলিপ চিকিৎসা করাতে কিছুটা দেরি করা যেতে পারে। তবে বায়োপসি করা থেকে অবশ্যই লম্বা সময় বিরত থাকা উচিত নয়।

টস হারলেন মুমিনুল হক

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টে শ্রীলংকার মুখোমুখি বাংলাদেশ।

টসে হারলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক।

বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন লংকান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে।

বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক জানিয়েছেন, টস জিতে আগে ব্যাটিং নিতেন তিনি। তবে এখন আগে বোলিং পাওয়ায় প্রথম ঘণ্টায় থাকা উইকেটের সুবিধা কাজে লাগাতে চান।

এদিকে শ্রীলংকার লক্ষ্য পঞ্চম দিনে বাংলাদেশকে চেপে ধরা।

আজ রোববার সকাল ১০টায় শুরু হবে প্রথম টেস্ট।

বাংলাদেশ একাদশ

তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হাসান শান্ত, মমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), সাকিব আল হাসান, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম, খালেদ আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।

সাকিবকে নিয়ে শ্রীলংকার বিপক্ষে বাংলাদেশ একাদশে যারা

কোভিড পজিটিভ হওয়ায় শ্রীলংকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দল থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। শুক্রবার সকালে খবর আসে তার নেগেটিভ হওয়ার। এরপর চট্টগ্রামে এসে দলের সঙ্গে যোগ দেন এই অলরাউন্ডার।

শনিবার ফিটনেস টেস্টে উতরে আজ শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্টে খেলার ছাড়পত্রও পেয়েছেন সাকিব।

সাকিবকে নিয়েই একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ দল।

সাকিবের সঙ্গে আছেন তাইজুল ইসলাম ও নাঈম হাসান।

আঙুলের চোটে মেহেদী হাসান মিরাজ ছিটকে যাওয়ার পর দলে এসেছিলেন অফ স্পিনার নাঈম। এই তরুণ এবার চলে এলেন একাদশেও।

চোট ও অসুস্থতা কাটিয়ে একাদশে ফিরেছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। তার সঙ্গী সৈয়দ খালেদ আহমেদ। চোটের জন‍্য স্কোয়াডেই নেই পেসার তাসকিন আহমেদ। দলে থাকলেও একাদশে নেই আরেক গতিময় পেসার ইবাদত হোসেন।

একনজরে বাংলাদেশ একাদশ:

মুমিনুল হক (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন কুমার দাস, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, শরিফুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ।

শ্রীলংকা একাদশ

দিমুথ করুনারত্নে (অধিনায়ক), ওশাদা ফার্নান্দো, কুশাল মেন্ডিস, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, দিনেশ চন্ডিমাল, নিরোশান ডিকওয়েলা, রমেশ মেন্ডিস, লাসিথ এম্বুলডেনিয়া, বিশ্ব ফার্নান্দো এবং অসিথা ফার্নান্দো।