মঙ্গলবার ,৯ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 305

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ ট্রাস্টির জামিন নামঞ্জুর করে পুলিশে দিলেন হাইকোর্ট

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জমি কেনা সংক্রান্ত অর্থ আত্মসাতের মামলায় আসামি ট্রাস্টি বোর্ডের চার সদস্যের আগাম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আসামিদের হাইকোর্ট থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে শাহবাগ থানা পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের নিম্ন আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে।

রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

চার আসামি হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এমএ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহান।

এর আগে বুধবার আংশিক শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজান সাঈদ সময়ের আবেদন করলে রোববার দিন ধার্য করেন আদালত। বুধবার বোর্ডের সদস্যের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, এএফ হাসান আরিফ। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।

এ বিষয়ে দুদকে অভিযোগকারী আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ড. সুফী সাগর সামস বলেন, আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছি। আসামিরা যেন কোনোমতেই প্রভাব খাটিয়ে বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা কিংবা ফাঁক দিয়ে বেঁচে যেতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অন্যদিকে মামলার অন্যতম আসামি আজিম উদ্দিন দেশে আছেন কি না বিদেশে পালিয়ে গেছেন- তা নিয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এখন বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচাতে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

প্রায় ৩০৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ৫ মে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। অপর আসামিরা হলেন- বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এমএ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান ও আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আমিন মো. হিলালী।

এ মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডেভেলপমেন্টের নামে ৯ হাজার ৯৬ দশমিক ৮৮ ডেসিমাল জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা অতিরিক্ত অর্থ হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তর ও গোপন করার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যায়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থাৎ সরকারের সুপারিশ/অনুমোদনকে পাশ কাটিয়ে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের কিছু সদস্যের অনুমোদনের মাধ্যমে এই অর্থ লোপাট করা হয়। এ ছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির আরও অভিযোগ রয়েছে। সেসব অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।

সার্ভার জটিলতার কবলে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ

উপবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের তথ্য সার্ভারে আপলোড নিয়ে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষকরা। ১৬ মে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের শেষ দিন ছিল রোববার। কিন্তু অধিকাংশ জেলায় ৩০-৪০ শতাংশ তথ্যই আপলোড করতে পারেননি তারা।

মূলত সার্ভার জটিলতার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় কাজ শেষ না হওয়া শিক্ষকদের শিক্ষা কর্মকর্তাদের রোষানলে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কেন না, এ ধরনের পরিস্থিতি মওকা বুঝে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা শিক্ষকদের শাস্তির ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের ঘুস নিয়ে থাকেন। টেলিফোনে যুগান্তরকে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তারা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আলমগীর মোহাম্মদ মনসুরুল আলম বলেছেন, শুরুর দিকে সার্ভারে সমস্যা ছিল। পরে সার্ভারের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।

এখন যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য এন্ট্রির কাজ শেষ না হয়ে থাকে তাহলে সময় বাড়ানো হবে। যদি কেউ শিক্ষকদের কোনো ভাবে হয়রানির চেষ্টা করেন, তবে অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, রোববারের মধ্যে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের তথ্য সার্ভারে এন্ট্রির কথা ছিল। এই দুই বিভাগে প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থী আছে। কিন্তু রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত মাত্র ১০ লাখ ২১ হাজার তথ্য এন্ট্রি হয়েছে।

এই সংখ্যা ৩৩ শতাংশের কিছু বেশি। ঢাকা শহরে এই হার আরও কম। ঢাকা জেলার ১৭ থানায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেনানিবাস থানায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ১৭ হাজার ১৫৩ জন। কিন্তু মাত্র ৬১ জনের তথ্য এন্ট্রি হয়েছে।

এভাবে ডেমরায় ৫৯০৯০ জনের মধ্যে ৪২৬ জন, ধামরাইয়ে ৭৩৭৫৫ জনের মধ্যে ১৯৮১, ধানমন্ডিতে ১২৮৫১ জনের মধ্যে ১২১, দোহারে ৪০৪৪৯ জনের মধ্যে ৪২২ জনের তথ্য আপলোড করা সম্ভব হয়েছে।

লালবাগে ৩৬৯১৭ জনের মধ্যে ১৩৭৮ এবং মিরপুরে শিক্ষার্থী আছে ৬৬৪৮৮, এন্ট্রি হয়েছে ১০৭১ জনের। এভাবে বাকিগুলোতেও এই নাজুক পরিস্থিতি।

নাম প্রকাশ না করে রাজধানীর বকসিবাজার এলাকার এক শিক্ষক জানান, সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালনে তারা রাত জেগে তথ্য আপলোডের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সার্ভারে তথ্যই নিচ্ছিল না। পরে অবস্থার উন্নতি হওয়ায় কিছু কাজ হয়েছে।

কিন্তু এরই মধ্যে সময় শেষ হয়ে গেছে। আর ময়মনসিংহের এক শিক্ষক জানান, প্রথমে তারা সার্ভার জটিলতায় পড়েন। আর এখন ইন্টারনেটের ফ্রিকোয়েন্সি জটিলতা মোকাবেলা করছেন। এই অবস্থায় ডাটা এন্ট্রির সময় বাড়ানো জরুরি।

ডিপিইর সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, আগে প্রকল্পের মাধ্যমে উপবৃত্তির অর্থ দেওয়া হতো। সর্বশেষ প্রকল্পের পক্ষে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান নগদ অর্থ বণ্টনের দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু গত জুলাই থেকে প্রকল্প নেই।

ফলে নগদ যে সফটওয়্যারে কাজ করত সেটিও আর নেই। এ কারণে নতুন করে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়েছে। এখন সরকারি রাজস্ব খাতের অর্থ থেকে উপবৃত্তি দেওয়া হবে। যদিও গত জুলাই থেকে শিক্ষার্থীরা এই অর্থ পায়নি।

এখন গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া অর্থ দেওয়া হবে। এরপর চলতি বছরের ৬ মাসের অর্থ দেওয়া হবে। গত জানুয়ারিতে যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সঙ্গে এখনকার তথ্যের মিল হওয়ার কথা নয়। কেন না, গতবার যে ছাত্রটি চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েছে, এবার সে পঞ্চম শ্রেণিতে।

এ জন্য শিক্ষকদের কষ্ট দিয়ে ৪ মাসের মাথায় ফের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে যেই অভিভাবক যে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের নাম দিচ্ছেন সেটির মাধ্যমে অর্থ পৌঁছানো হবে

মঞ্চে আসছে পদাতিকের ‘পাকে বিপাকে’

পদাতিক নাট্য সংসদের জনপ্রিয় প্রযোজনা ‘পকে বিপাকে’ নাটকটি আবারও মঞ্চস্থ হচ্ছে ২৩ মে। সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটারে মঞ্চায়ন হবে নাটকটির। মনোজ মিত্রের রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন সঞ্জীব কুমার দে। আর এটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- শাখাওয়াত হোসেন শিমুল, ইমরান খান, এখলাসুর প্রান্ত, জিনাত ইসলাম প্রমুখ।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে- নিঝুম রাতে গ্রামের আল পথ ধরে কাঁপা গলায় গান গেয়ে এগিয়ে আসছে হাবলা জনার্দন। হঠাৎ তার আর্তচিৎকারে কেঁপে ওঠে বিলের চারিধার, যেন বিষাক্ত সাপ দিয়েছে ছোবল। জনার্দন ছুটে যায় এক লণ্ঠনের আলোর দিকে, যেখানে বসে আছেন জমিদার নবকৃষ্ণ। নবকৃষ্ণ বাবুর কুকীর্তি তুলে ধরে হাবলা জনার্দন। যেন তিন বছর আগের পুষে রাখা ক্রোধ মেটাচ্ছে সে।

এদিকে জমিদার নবকৃষ্ণ ভয়ে অস্থির বর্গাদার পান্তু দাস তার ধান লুট করার পরিকল্পনা ঠেকিয়ে দেয় কিনা, সেই চিন্তায়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পান্থর ভাই ডালিমকে নিয়ে আসে নবকৃষ্ণ। এর মধ্যে অন্ধকার ভেদ করে বেরিয়ে আসে নবকৃষ্ণের রক্ষিতা দুর্বা। নবকৃষ্ণের বন্দুক লুট করে পান্থকে সাহায্য করার চেষ্টা করে সে। এভাবেই এগিয়ে যায় মনোজ মিত্রের পাকে বিপাকে নাটকের কাহিনী।

হিন্দি ভাষা বিতর্কে এবার মুখ খুললেন অক্ষয়

বলিউড বনাম দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির এ বিভাজন মোটেই ভালো লাগছে না অভিনেতা অক্ষয় কুমারের।

‘হিন্দি বিতর্কে’ উত্তাল বলিউড এবং দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। হিন্দি রাষ্ট্রভাষা কিনা, তা নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অজয় দেবগন আর কানাড়া অভিনেতা কিচ্চা সুদীপ। এ বিষয়ে এবার মুখ খুললেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। দুই ইন্ডাস্ট্রির মধ্যেই এ রকম বিভাজন মোটেই ভালো লাগছে না তার।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয় অভিনেতা জানিয়েছেন, এ ভাগাভাগি আমার অপছন্দের। কেউ যখন দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি বা উত্তরের ইন্ডাস্ট্রি বলে, আমার খুব খারাপ লাগে। আমার মনে হয় আমরা একটাই ইন্ডাস্ট্রি। আমাদের বুঝতে হবে, এভাবেই ব্রিটিশরা এসে আমাদের ভাগ করে দিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমরা তা থেকে শিক্ষা নিইনি। আমরা এখনও বুঝতে পারছি না। যে দিন বুঝতে শিখব যে আমরা সবাই একই ইন্ডাস্ট্রির অংশ, সে দিন অনেক ভালো কাজ করতে পারব।

হিন্দি ছাড়া অন্যান্য ভাষার অনেক ছবি ভারতজুড়ে প্রচুর ব্যবসা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার ২’, ‘আরআরআ’ ও ‘পুষ্প দ্য রাইস’। এর পরই অভিনেতা অজয় দেবগণ কানাড়া অভিনেতা কিচ্চা সুদীপের হিন্দি ও কানাড়া ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এবং ভাষা সম্পর্কে মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় টুইট করেছেন।

দক্ষিণী তারকা কিচ্চা সুদীপ, ‘কেজিএফ ২’-এর ব্যাপক সাফল্যের পর সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, হিন্দি আর আমাদের রাষ্ট্রীয় ভাষা নেই। সুদীপের এই কথা হজম করতে পারেননি বলিউডের ‘সিংহম’।

টুইটারের দেয়ালে হিন্দিতে অজয় প্রশ্ন রাখেন— যদি হিন্দি সত্যি রাষ্ট্রীয় ভাষা না হয়, তবে সুদীপ কেন নিজের ছবি হিন্দিতে ডাবিং করে রিলিজ করেন। অজয় লেখেন— কিচ্চা সুদীপ ভাই, যদি তোমার মতানুসারে হিন্দি আমাদের রাষ্ট্রীয় ভাষা না হয়, তা হলে তুমি কেন তোমার মাতৃভাষায় তৈরি ছবি হিন্দিতে ডাবিং করে রিলিজ কর? হিন্দি আমার মাতৃভাষা এবং আমাদের রাষ্ট্রীয় ভাষা, সেটি থাকবেই।

অজয়ের টুইটের জবাবও দিয়েছেন সুদীপ। জানান, যে প্রেক্ষাপটে তিনি এই কথা বলেছেন তা একদম ভিন্ন। হয়তো অজয় তাকে ভুল বুঝেছেন। কেন ওই বক্তব্য রেখেছেন তিনি, তা সামনাসামনি দেখা হলে বিস্তারিত জানাবেন। কোনো রকম তর্ক করা বা বিতর্ককে উসকে দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই, জানান কিচ্চা সুদীপ। এই থেকেই ভাষা বিতর্কে উত্তাল দুই ইন্ডাস্ট্রি।

৭ ওভারেই নেই ৫ উইকেট, ‘ডাক’ মারলেন ৩ জন!

রীতিমতো দুঃস্বপ্ন দিয়ে সূচনা হয়েছে ঢাকা টেস্ট। টস জিতে ব্যাটিং নেওয়াটাই কাল হয়ে দাঁড়াল মুমিনুলদের।

মাঠে বল গড়াতেই আউট ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়।

লংকান পেসার কাসুন রাজিথার প্রথম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে ব্যাট প্যাডের ফাঁক গলে বোল্ড হয়েছেন জয়। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি।

পরের ওভারেই বিদায় নেন অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। আসিথা ফার্নান্ডোর ওভারের চতুর্থ বলটি লেগ সাইডে খেলতে গেলে উল্টো দিকে বল উঠে যায়, জয়াবিক্রমের দুর্দান্ত ক্যাচ হন। তিনিও ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই।

প্রথম ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে বিধ্বস্ত দলের হাল ধরবেন কি উল্টো সাজঘরে ফিরে দলকে আরও ডোবালেন অধিনায়ক মুমিনুল।

ব্যর্থতার বলয় এই ইনিংসের ছিঁড়তে পারলেন না মুমিনুল হক। আসিথা ফার্নান্দোর দ্বিতীয় শিকার তিনি।

অফ স্টাম্পে পিচ করে অ্যাঙ্গেলে বেরিয়ে যাওয়া বলটি অনায়াসেই ছেড়ে দিতে পারতেন মুমিনুল। বাংলাদেশ অধিনায়ক খেলবেন কী ছাড়বেন ভেবে শেষ মুহূর্তে ব্যাট পেতে দিলেন। ততক্ষণে দেরি হয়ে গেল বেশ। বল তার ব্যাটের কানায় আলতো ছুঁয়ে আশ্রয় নিল কিপারের গ্লাভসে।

৯ রানে আউট হলেন মুমিনুল। এই নিয়ে টানা ৬ ইনিংসে তিনি বিদায় নিলেন দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগে। সবশেষ ১৪ ইনিংসের ১১টিতেই তিনি স্পর্শ করতে পারলেন না ১০।

এবার ফের রাজিথার আঘাত। তার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হলেন শান্ত। তাকে বোল্ড করে দিলেন এ পেসার।

রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে ক্রিজের বেশ দূর থেকে বল করেন রাজিথা। বল একটু ভেতরে ঢোকা বলে সামনে অনেক পা বাড়িয়ে খেলতে গিয়ে ব্যাট-প্যাডের মধ্যে ফাঁক রয়ে যায় অনেক। সেখান দিয়েই বল ভেতরে ঢুকে আঘাত করে স্টাম্পে। কয়েকবার ডিগবাজি খেয়ে স্টাম্প চলে যায় কিপারের কাছে।

১৭ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফিরলেন শান্ত।

রাজিথার পরের বলেই আউট সাকিব। তিনিও রানের খাতা খুলতেই পারেননি। রাজিথার ৩য় শিকার তিনি।

অর্থাৎ ৭ ওভারে ২৪ রানেই দলের অর্ধেক ব্যাটার নেই বাংলাদেশের!

১৩ বছর পর ‘গোল্ডেন ডাক’ সাকিবের

রীতিমতো দুঃস্বপ্ন দিয়ে সূচনা হয়েছে ঢাকা টেস্ট। টস জিতে ব্যাটিং নেওয়াটাই কাল হয়ে দাঁড়াল মুমিনুলদের।

৭ ওভারেই দলের অর্ধেক ব্যাটার হাওয়া। এর মধ্যে শূন্য রানে ফিরেছেন তিনজন! তিনজনের মধ্যে অলরাউন্ডার সাকিব মারলেন ‘গোল্ডেন ডাক’।

১৩ বছরের বেশি সময় পর টেস্টে প্রথম বলে আউট হলেন সাকিব আল হাসান। ক্যারিয়ারে প্রথম ‘গোল্ডেন ডাক’ পেয়েছিলেন তিনি সেই ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে। প্রতিপক্ষ সেবারও ছিল শ্রীলংকা, চট্টগ্রামে এলবিডব্লিউ হয়েছিলেন অজান্ত মেন্ডিসের বলে।

সব মিলিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১১১ ইনিংসে তার পঞ্চম শূন্য এটি।

পেসার রাজিথার তৃতীয় শিকার সাকিব। রাউন্ড দ্য উইকেটে ক্রিজের বেশ দূর থেকে করা তার ডেলিভারিটি লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে মিস করেন সাকিব। বল লাগে পায়ে। জোরাল আবেদনে একটু ভেবে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার।

সাকিব রিভিউ নেন সঙ্গে সঙ্গেই। তবে রিভিউয়ে দেখা যায়, ব্যাটে লাগেনি বল। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায়, বল আঘাত করছিল লেগ স্টাম্পে। আম্পায়ার্স কলে টিকে থাকে সিদ্ধান্ত।

তার আগে শূন্য রানে ফেরেন অভিজ্ঞ ওপেনার তামিম ইকবাল ও ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়।

তাদের এমন বিদায়ে দলের হাল ধরতে পারেননি ওয়ান ডাউনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত ও অধিনায়ক মুমিনুল হক।

আসিথা ফার্নান্দোর বলে আউট হওয়ার আগে দুটি বাউন্ডারিতে মাত্র ৯ রান করতে সক্ষম হন মুমিনুল।

পেসার রাজিথার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন শান্ত। তাকে বোল্ড করে দিলেন এ পেসার।

রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে ক্রিজের বেশ দূর থেকে বল করেন রাজিথা। বল একটু ভেতরে ঢোকা বলে সামনে অনেক পা বাড়িয়ে খেলতে গিয়ে ব্যাট-প্যাডের মধ্যে ফাঁক রয়ে যায় অনেক। সেখান দিয়েই বল ভেতরে ঢুকে আঘাত করে স্টাম্পে। কয়েকবার ডিগবাজি খেয়ে স্টাম্প চলে যায় কিপারের কাছে।

১৭ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন শান্ত।

তার আগে মাঠে বল গড়াতেই আউট ওপেনার মাহমুদল হাসান জয়।

লঙ্কান পেসার কাসুন রাজিথার প্রথম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে ব্যাট প্যাডের ফাঁক গলে বোল্ড হয়েছেন জয়।

পরের ওভারেই বিদায় নেন অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। আসিথা ফার্নান্ডোর ওভারের চতুর্থ বলটি লেগ সাইডে খেলতে গেলে উল্টো দিকে বল উঠে যায়, জয়াবিক্রমের দুর্দান্ত ক্যাচ হন। তিনিও ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই।

দলের এই চরম বিপর্যয়ে হাল ধরেছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় ১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩২ রান।

৪৭ বলে ২২ রান করে অপরাজিত মুশফিক। ৫৪ বলে ২৬ রানে লিটন।

রামগতিতে শিয়ালের মাংস বিক্রির দায়ে কারাদণ্ড

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে শিয়ালের মাংস বিক্রির দায়ে রঞ্জিত চন্দ্র দাস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার সকালে উপজেলার আলেকজান্ডার বাজারে শিয়ালের মাংস বিক্রি করার সময় তাকে আটক করা হয়। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম ও রামগতি থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রঞ্জিত রামগতি পৌরসভার চর ডাক্তার এলাকার কোমদ চন্দ্র দাসের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রঞ্জিত বিভিন্ন রোগের নিরাময় হবে জানিয়ে বাজারে বসে শিয়াল মাংস বিক্রি করছিল। প্রশাসন খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে কারাদণ্ড দেন।

রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম শান্তনু চৌধুরী জানান, আলেকজান্ডার বাজারে শিয়ালের মাংস বিক্রয় করার অপরাধে অভিযান চালিয়ে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইনে রঞ্জিত চন্দ্র দাসকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তার কাছ থেকে প্রায় ৬ কেজি শিয়ালের মাংস ও চামড়া জব্দ করা হয়।

ইউরোপকে নিজস্ব সেনাবাহিনী গঠনের তাগিদ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউকে নিজস্ব সেনাবাহিনী গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্থাটির পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল।

তিনি বলেন, ইইউকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিজের নিরাপত্তা রক্ষা করার দায়িত্ব নিতে হবে। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।

ব্রাসেলসে তিনি রোববার রাতে এক বক্তৃতায় বলেন, নতুন নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রমাণ করছে, ইইউকে নিজের নিরাপত্তা রক্ষার ব্যাপারে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে।

বোরেল বলেন, আমাদের একটি অত্যাধুনিক ইউরোপীয় সেনাবাহিনী প্রয়োজন যা হবে অনেক বেশি কার্যকর।

এর আগে এক বক্তৃতায় জোসেপ বোরেল বলেছিলেন, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনে রাশিয়া হামলা করলে ওই দুই দেশ ন্যাটো জোটের সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও ইইউ তাদের রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত ইইউ কিয়েভকে ২০০ কোটি ইউরো সহায়তা দিয়েছে। এই সহায়তা দিয়ে ইউক্রেনকে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহ করার সুযোগ দিয়েছে ইউরোপ।

রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযান শুরু হওয়ার পর ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের জনগণ ব্যাপকভাবে ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। এর জের ধরে গত ১৫ মে দেশ দুটি একযোগে মার্কিন নেতৃত্বাধীন এই সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে।

এ ঘটনা পাশ্চাত্যের সঙ্গে রাশিয়ার মুখোমুখি অব্স্থানকে আরও সংঘাতময় করে তুলেছে। রাশিয়া ন্যাটো জোটে ওই দুই দেশের অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

জেল পালানো সেই ৬ ফিলিস্তিনিকে আরও ৫ বছরের কারাদণ্ড

ইসরাইলের একটি হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে টানেলের মাধ্যমে পালিয়ে যাওয়া ছয় ফিলিস্তিনি বন্দিকে অতিরিক্ত পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার ইহুদিবাদী দেশটির আদালত ওই ফিলিস্তিনিদের জেল পালানোর দায়ে অতিরিক্ত কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যাককে পাঁচ হাজার শেকেল (ইসরাইলি মুদ্রা) বা ১৬০ মার্কিন ডলার অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে। খবর ডেইলি সাবাহর।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের ওই হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে ছয় ফিলিস্তিনি টানেল বানিয়ে পালিয়ে যান।

তাদের মধ্যে পাঁচজন ইসলামিক জিহাদ গ্রুপের সদস্য এবং একজন ফিলিস্তিনের প্রধান দল ফাতাহ গ্রুপের সাবেক কমান্ডার বলে জানা গেছে।

উত্তর ইসরাইলের গিলবোয়া কারাগার থেকে সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যাওয়া ছয়জনের মধ্যে চারজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ছিলেন।

তারা একই সেলে বন্দি ছিলেন। ইসরাইলিরা ২০০৪ সালে ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক’ ফিলিস্তিনি বন্দিদের রাখার জন্য এই কারাগার নির্মাণ করেছিল। ফিলিস্তিনিরা তাদের বীর উপাধি দিয়েছেন।

মুদ্রাবাজারে বহুমুখী তদারকি জোরদার

ডলারের সংকট থেকে উত্তরণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে বহুমুখী তদারকি জোরদার করা হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের তদারকির ফলে গত দুই কার্যদিবসে বাজারে ডলারের দাম বাড়েনি। আগের দামেই ব্যাংকে ডলার বিক্রি হচ্ছে। এদিকে কার্ব মার্কেটে বা খোলা বাজারেও নগদ ডলারের দাম ব্যাংকের প্রায় সমান হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ডলারের জোগান বাড়ানো হয়েছে। তবে ব্যাংকে নগদ ডলারের সংকট প্রকট হয়েছে। বিদেশি দেনা শোধেও ডলারের সংকট আছে।

আন্তর্জাতিক বৈদেশিক মুদ্রাবাজার রোববার বন্ধ থাকায় অভ্যন্তরীণ আন্তঃব্যাংকে ডলারের তেমন চাহিদা ছিল না। তার পরও প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে বিক্রি হয়েছে। তবে লেনদেন হচ্ছে খুবই কম। ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার না থাকায় আন্তঃব্যাংকে কেউ বিক্রি করতে চাচ্ছে না। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংক দৈনিক লেনদেন শেষে তাদের মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ডলার নিজেদের কাছে রাখতে পারে। এর বেশি থাকলে বাজারে বিক্রি করতে হবে। বাজারে বিক্রি করা সম্ভব না হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিক্রি করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তখন ডলার কিনে নেয়। কিন্তু বর্তমানে বিদেশি সিটি ব্যাংক এনএ, এইচএসবিসি, বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ছাড়া অন্য ব্যাংকগুলোর কাছে ডলারের প্রবাহ খুবই কম। বিশেষ নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলো প্রচণ্ড ডলার সংকটে রয়েছে। যেসব ব্যাংকের কাছে ডলারের প্রবাহ আছে তারাও আন্তঃব্যাংকে ডলার বিক্রি করছে কম। কারণ এলসির পেমেন্টের জন্য তারা নিজেদের কাছে ডলার রাখছে। এ ছাড়া করপোরেট প্যাকেজের আওতায় অন্য ব্যাংকে বেশি দামে বিক্রি করছে। করপোরেট প্যাকেজের নামে সর্বোচ্চ ৯৬ টাকা দরেও ডলার বিক্রি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়টি তদারকি শুরু করেছে। ফলে এখন করপোরেট বিক্রির হার কমেছে। একই ডলারের ক্রয় মূল্য ও বিক্রয় মূল্যেও ব্যবধান যাতে ১০ পয়সার বেশি না হয় সেদিকেও নজরদারি করা হচ্ছে। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোর এলসি খোলা ও বকেয়া দায়দেনার তথ্য নিয়ে নিজেরা বিশ্লেষণ করে বাজারের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, সামনের এলসির দেনা পরিশোধের চাপ কিছুটা কমবে। তবে ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়বে। কেননা করোনার সময় যেসব ঋণের কিস্তি স্থগিত করা হয়েছিল সেগুলো এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে। এলসি মার্জিন আরোপের ফলে নতুন এলসি খোলার হার কমেছে। বিশেষ করে অপ্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি খোলা অনেক কমেছে। এখন জ্বালানি তেল, সার, গ্যাস, কৃষি ও শিল্প উপকরণ আমদানির এলসি খোলার হার বেড়েছে। রিজার্ভ থেকে এখন অগ্রাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি সরকারি খাতের আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য ডলার ছাড়া হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার প্রায় তিন কোটি ডলার ছেড়েছে। এদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় রিজার্ভ বেড়ে চার হাজার ২৩০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে।

এদিকে ডলার বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গত বুধবার সোনালী ব্যাংকে একটি বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা)। বৈঠকে তারা বাজার স্থিতিশীল রাখতে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অপ্রয়োজনীয় খাতে ডলারের জোগান কমানো, রেমিট্যান্স বাড়াতে হুন্ডির প্রবণতা কমানো, ব্যাংক ও কার্ব মার্কেটে ডলারের দামের ব্যবধান কমিয়ে আনা, ব্যাংকগুলোর চাহিদা অনুযায়ী রিজার্ভ থেকে ডলারের জোগান আরও বাড়ানো। তারা ব্যাংকগুলোকেও এলসি খোলার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও ডলারের দামের বিষয়টি তদারকি করছে। প্রতিদিন নিজেদের ব্যাংকের যে বিনিময় হার ঘোষণা করা হয়, এর চেয়ে কোনো ক্রমেই যাতে বেশি দামে ডলার বিক্রি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখছে। কোনো দেনা শোধ করার জন্য আগাম ডলার মজুত যাতে না রাখা হয় সেদিকে দৃষ্টি রেখেছে। কেননা, আগে অনেক শাখা গ্রাহকের এলসির দেনা শোধ করতে আগাম ডলার রেখে দিত। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদরকিও বেড়েছে।

তবে বাজারে নগদ ডলারের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। যে কারণে নগদ ডলারের দাম বেড়েই চলেছে। বেসরকারি খাতের প্রায় সব ব্যাংকই ৯৫ টাকা দরে ডলার কিনে ৯৭ টাকা বিক্রি করছে। আগে ৯৮ টাকা করে বিক্রি করত। এখন বিক্রি মূল্য এক টাকা কমলেও ক্রয় মূল্য কমেনি। ফলে প্রবাসীরা উপকৃত হচ্ছে। কেননা তাদের অনেকে রেমিট্যান্সের অর্থ নগদ এনে ব্যাংকে বিক্রি করছে। প্রায় সব ব্যাংকেই নগদ ডলার ৯১ থেকে ৯৫ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।

কার্ব মার্কেটে গত মঙ্গলবার প্রতি ডলার ১০৪ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। এখন তা কমে ৯৬ টাকায় নেমে এসেছে। রোববার দিলকুশা এলাকায় ভাসমান ব্যবসায়ীরা ৯৪ টাকা করে ডলার কিনেছেন। বিক্রি করেছেন ৯৬ টাকা দরে। কিছু ব্যাংকের চেয়েও কার্ব মার্কেটে দাম কম। সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা কার্ব মার্কেটের তথ্য সংগ্রহ করেছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেছেন। যে কারণে তারাও ডলারের দাম কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে এখানে ডলার যেমন বিক্রি কমেছে, তেমনি কেনাও কমেছে।