সোমবার ,১৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 272

ঋণমুক্তির দোয়া

ইসলাম আমাদের জীবনের সকল সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছে, এবং এর উপযুক্ত সমাধানও দিয়েছে। আমাদের উচিত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশিত পন্থা অনুসরণ করা।

পৃথিবীতে যত ধরনের বোঝা হতে পারে, তন্মধ্যে ঋণের বোঝা সবচেয়ে ভারী। অতিমাত্রায় ঋণগ্রস্ত হওয়ার কারণে মানসিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। কখনো কখনো এই অস্থিরতা হতাশায় রূপ নেয়। আর ঋণ পরিশোধে অপারগতায় সৃষ্ট এই তীব্র হতাশা অনেক ক্ষেত্রে মানুষকে আত্মহত্যার মতো জঘন্য কাজের দিকে ঠেলে দেয়।

সময়মতো পরিশোধ করা না গেলে, ঋণের বোঝা আরও ভারী হতে থাকে। ইসলামে সাধ্যের বাইরে ঋণ দেওয়া-নেওয়া দুটিই নিষেধ। তবে ঋণগ্রস্তের ঋণ মাফ করে দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য আখিরাতে অনেক বড় পুরস্কার রয়েছে বলে হাদিসে এসেছে।

ঋণমুক্তির জন্য হাদিসে বিভিন্ন দোয়া বর্ণিত হয়েছে। এ দোয়াগুলো অত্যন্ত কার্যকর। সময়মতো ঋণ পরিশোধের সর্বাত্মক চেষ্টা করার পাশাপাশি দোয়াগুলো ভালো করে মুখস্থ করে নিয়ে নিয়মিত আমল করতে পারলে আল্লাহ চান তো ঋণমুক্ত হওয়া সম্ভব।

১. সুযোগ পেলেই বেশি বেশি এ দোয়া পড়তে হবে। ফরজ নামাজের পর পড়ব। আজানের পর পড়ব। দুই খুতবার মাঝে পড়ব। জুমার দিন আসরের পর পড়ব। নফল সুন্নতের সিজদা ও শেষ বৈঠকে পড়ব اللَّهُمَّ فَارِجَ الْهَمِّ، كَاشِفَ الْغَمِّ، مُجِيبَ دَعْوَةِ الْمُضْطَرِّينَ، رَحْمَانَ
الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَرَحِيمَهُمَا، أَنْتَ رَحْمَانِي فَارْحَمْنِي رَحْمَةً تُغْنِينِي بِهَا عَنْ رَحْمَةِ مَنْ سِوَاكَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ফা-রিজাল হাম্মি। কা-শিফাল গম্মি। মুজীবা দা’ওয়াতিল মুদতাররীন। রাহমা-নাদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি ওয়া রহীমাহুমা। আনতা রহমানী, ফারহামনী রহমাতান্‌ তুগনীনী বিহা আন রহমাতি মান সিওয়াক।

অনুবাদ: হে আল্লাহ, আপনি পেরেশানি দুর করার মালিক, দুশ্চিন্তা লাঘবকারী, দুর্দশাগ্রস্ত, দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া সকল নিরুপায় মানুষের দোয়া ও আহবানে সাড়া দানকারী, দুনিয়া এবং আখিরাতে আপনি রহমান, উভয় জগতে আপনি রাহিম, আপনি আমাকে দয়া করে দিন। আমাকে এমন অনুগ্রহ দ্বারা দয়া করুন যা আপনার রহমত ছাড়া অন্য সবার অনুগ্রহ থেকে আমাকে সম্পুর্ণ অমুখাপেক্ষী করে দিবে। (তাবরানী, কিতাবুদ দুআ- ১০৪১। মুসতাদরাকে হাকেম ১৮৯৮)

২. পাশাপাশি এই দোয়াটিও পড়ব। সকাল-সন্ধ্যার আমলের সাথে এই দোয়াটিও পড়া অভ্যাসে পরিণত করতে পারি।
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكِ عَمَّنْ سِوَاكَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনী বি হা’লালিকা আ’ন হা’রামিকা ওয়া আগনিনী বিফাদলিকা আ’ম্মান সিওয়াক।

অনুবাদ: হে আল্লাহ! হারামের পরিবর্তে আপনার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট করে দিন। আর আপনাকে ছাড়া আমাকে কারো মুখাপেক্ষী করবেন না । স্বীয় অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে স্বচ্ছলতা দান করুন। (তিরমিযি ৩৫৬৩)।

৩. হাদিসে বর্ণিত ঋণমুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া হলো-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

বাংলা উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল-‘আজযি ওয়াল-কাসালি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল-বুখলি ওয়াল-জুবনি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন দ্বালা‘য়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজা-ল।

বাংলা অর্থ: ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুঃশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ২৮৯৩)

পরিপূর্ণ আত্মবিশ্বাস আর একিনের সঙ্গে পড়ব। ইনশাআল্লাহ ঋণ যত বেশিই হোক, রাব্বে কারীম একটা ব্যবস্থা করেই দেবেন। রাব্বে কারীম ঋণমুক্ত জীবন দান করুন। আমীন।

বাসায় রক্তচাপ মাপতে যা করবেন

রক্তচাপ স্বাভাবিক না থাকলে বিপদ। খেয়াল না করলে অনেক সময় রক্তচাপ অতিমাত্রায় কমে গিয়ে কিংবা বেড়ে গিয়ে বড় বিপদ হতে পারে। বাসায়ও রক্তচাপ মাপা যায়। তবে এক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

যারা রক্তচাপের ওষুধ খান, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও যাদের রক্তচাপ ওঠানামা করে, তাদের জন্য এই সতর্করা বেশি জরুরি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শরদিন্দু শেখর রায়।

* রক্তচাপ মাপতে মনিটরযুক্ত যন্ত্রের চেয়ে সাধারণ স্ফিগনোম্যানোমিটারই ভালো। বছরে একবার যন্ত্রটি পরীক্ষা করিয়ে নেবেন।

* চা-কফি পান করার পর, ব্যায়ামের পর, খাদ্যগ্রহণ বা ধূমপান করার পর বা খুব অস্থিরতার সময় রক্তচাপ না মাপাই ভালো।

* একই সময়ে রক্তচাপ দেখা ভালো, বিশেষ করে যদি রক্তচাপের ওঠানামার সমস্যা থাকে। যেমন : সকাল ১০টা ও রাত ৮টা-এমন দুটো সময় ঠিক করে নিলেন।

* রক্তচাপ মাপার আগে শান্ত হয়ে ৫-১০ মিনিট বসুন। ঢিলে হাতের বা হাফহাতা জামা পরুন। হাতটি টেবিলের ওপর বিছিয়ে দিন এমনভাবে যেন তা হার্টের লেভেলে থাকে। কাফটা ঠিক করে বাঁধতে হবে। বেশি ঢিলে বা টাইট হবে না। শিশু ও বেশি স্থূল ব্যক্তিদের জন্য আলাদা কাফ লাগে। স্টেথোস্কোপের ডায়াফ্রামটা ঠিক জায়গায় বসাতে হবে।

* অস্বাভাবিক রক্তচাপ পাওয়া গেলে আধ ঘণ্টা পর আবার মাপুন। অস্থির বা উদ্বিগ্ন হবেন না। সিস্টোলিক ১৮০ ও ডায়াস্টোলিক ১২০-এর ওপর আবারও পেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন বা হাসপাতালে যান। এছাড়া রক্তচাপ একটু কম-বেশি হলেও নিজে নিজে ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করবেন না বা ওষুধ বন্ধ করে দেবেন না।

* প্রতিদিন বা বারবার রক্তচাপ মাপার দরকার নেই। এতে অযথা উদ্বেগ বাড়বে। মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, ঝাপসা দেখা, দম আটকে আসা ইত্যাদি সমস্যা হলে দেখতে পারেন। কোনো ওষুধ নতুন শুরু করার বা পরিবর্তন করার পরের দুই সপ্তাহে কয়েকবার মাপা উচিত।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: ২৫ জুনের এসএসসি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আগামী ২৫ জুনের এসএসসি পরীক্ষা (ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র) ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী ওই দিন সাধারণ ৯ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসির ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র, মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিলের বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি বোর্ডের ভোকেশনালের এসএসসি ও দাখিলের গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সেটি আগের দিন অর্থাৎ ২৪ জুন আয়োজন করা হবে।

তিনি বলেন, শুধু একটি পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। অন্য সব পরীক্ষা নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী আয়োজন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে হবে। যদি কেউ পরে প্রবেশ করে তবে গেটে রেজিস্ট্রার খাতায় দেরির কারণ উল্লেখ করে ভেতরে প্রবেশ করতে হবে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট বাড়তি সময় দেওয়া হবে।

দীপু মনি বলেন, ২০২২ সালের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার সময় তিন ঘণ্টার বদলে দুই ঘণ্টা (এমসিকিউ ২০ মিনিট ও সিকিউ ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট) করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে ৬০ দিনের মধ্যে এ পরীক্ষা ফল প্রকাশ করা হবে।

সরকারের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে।

১৫ জুন থেকে তিন সপ্তাহ কোচিং সেন্টার বন্ধ

এসএসসি-সমমান পরীক্ষার জন্য আগামী ১৫ জুন থেকে পরবর্তী তিন সপ্তাহ পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভাশেষে এ কথা জানান তিনি।

দীপু মনি বলেন, এ বছর এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ শিক্ষার্থী। আগামী ১৯ জুন এ পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ৬ জুলাই পর্যন্ত। সারা দেশে তিন হাজার ৭৯০ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি জানান, এ বছর সাধারণ ৯টি বোর্ডের অধীনে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর বাইরে দাখিলে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

ওমর সানী-জায়েদ খান দ্বন্দ্ব নিয়ে যা বললেন ডিপজল

শুক্রবার রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে ছিল ঢাকাই ছবির খল অভিনেতা ডিপজলের ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান। যেখানে উপস্থিত হন ১০ হাজারের মতো অতিথি।তারকাদের মিলনমেলায় পরিণত হয় সেই বিয়ের অনুষ্ঠান।

আর এমন জমকালো আয়োজনে ঘটেছে অপ্রীতিকর ঘটনা, যা নিয়ে হতভম্ব চলচ্চিত্রাঙ্গন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানা গেছে, চিত্রনায়ক ওমর সানীকে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলির হুমকি দেন আরেক নায়ক জায়েদ খান। তার আগে জায়েদকে সবার সামনেই কষে চড় মারেন ওমর সানী। এ ঘটনায় দুজনের মধ্যে তুমুল বাকবিতণ্ডা হয়। ঘটনার সময় ডিপজলসহ চলচ্চিত্রের কয়েক অভিনয়শিল্পী সোফায় বসা ছিলেন।

একপর্যায়ে সানী ও জায়েদ দুজনেই না খেয়ে অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।

অপ্রীতিকর ঘটনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় অভিনেতা ও প্রযোজক ডিপজলের কাছে।তিনি বিস্তারিত কিছুই বলতে চাননি।

ডিপজল বলেন, ‘ওই একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে দুজনের মধ্যে। এটুকুই।’

জায়েদ খানের পিস্তল বের করে হুমকি দেওয়ার কথাও এড়িয়ে গেলেন ডিপজল।

বললেন, ‘না ভাই, আমি এসব জানি না। এসব ব্যাপারে আমার কোনো কিছু বলার ইচ্ছা নাই। বলতেও চাই না। হয়তো আগে থেকে তাদের মধ্যে রাগারাগি ছিল, এ কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। আমি বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, এর বেশি কিছু জানি না।’

যদিও জায়েদ পিস্তল বের করে হুমকি দিয়েছিলেন ও তার আগে তাকে কষে চড় মারার কথা স্বীকার করেছেন ওমর সানী।

এ নায়ক বলেছেন, ‘আমি জায়েদ খানকে চড় মেরেছি। কিন্তু কী কারণে মেরেছি, সেটিও তো জানতে হবে সবাইকে। আর চড় মারার পর আমাকে মারতে সে পিস্তল বের করবে! কত্ত বড় সাহস!’

রোজিনা, অঞ্জনা ও সুচরিতাদের মতো বর্ষীয়ান অভিনেত্রীদের সামনেই ঘটে এ ঘটনা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোফা ছেড়ে উঠে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন ডিপজল।

ওমর সানী ও জায়েদকে থামিয়ে দিয়ে ডিপজল তাদের বলেন, ‘এই আমার ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান! এত বড় অনুষ্ঠান, এত মানুষ— এসব কী হচ্ছে? অনেক মানুষ থাকায় কেউ এখনো টের পায়নি।’

এর পর ওমর সানীকে ডেকে ডিপজল বলেন, খাইয়া যাবা না? সানী বলেন, আমার মাথা গরম। আমি খাব না।

এর পর গাড়ি চালিয়ে বের হয়ে যান ওমর সানী। সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনা ঘটেছে। ওমর সানী বের হওয়ার আধাঘণ্টা পর জায়েদ খানও বের হয়ে যান।

হঠাৎ কী এমন ঘটল যে, বিয়ের মতো আনন্দঘন অনুষ্ঠানে জায়েদকে দেখেই চড় মেরে বসলেন ওমর সানী! জায়েদও পিস্তল বের করলেন!

ডিপজলের বক্তব্য অনুযায়ী, জায়েদ খানের ওপর আগে থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন ওমর সানী। তিনি জায়েদ খানকে খুঁজছিলেন। ডিপজলের ছেলের বিয়েতে তাকে পাবেন, এটি জেনেই সেখানে যান সানী।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একজন চলচ্চিত্রশিল্পী নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে শনিবার রাতে বলেন, ‘ চিত্রনায়িকা মৌসুমীর সঙ্গে জায়েদ খান খারাপ আচরণ করেছেন এমনটি শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে জায়েদের ওপর ভীষণ বিরক্ত ছিলেন ওমর সানী। ডিপজলের কাছে বিচারও দিয়েছিলেন সানী। সেই সময় ডিপজল বলেছিলেন, ‘থাক, বাদ দাও। মারামারি করার দরকার নেই। সামনে জায়েদ আর মৌসুমীকে কোনো ডিস্টার্ব করবে না। মৌসুমীর কাছেও যাবে না।’

‘কিন্তু ডিপজলের এমন সমাধান ওমর সানী মেনে নেননি। কয়েক দিন ধরে তাই জায়েদ খানকে খুঁজছিলেন। আর শুক্রবার বিয়ের অনুষ্ঠানে তাকে পেয়েই গায়ে হাত তোলেন সানী।’

নয়নতারার বিয়ের আনন্দ মাটি করে দিল এক নোটিশ

সাত বছর প্রেমের সফল পরিণতি দিয়েছেন ভারতের দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নয়নতারা।

বৃহস্পতিবার তামিলনাড়ুর মহাবালিপুরমের একটি হোটেলে প্রেমিক ভিগনেশ শিবনের গলায় মালা পরিয়ে শুরু করেছেন দাম্পত্য জীবন।

নববিবাহিত দম্পতি যখন মধুচন্দ্রিমা কোথায় সারবেন সেই সুখচিন্তায় ব্যস্ত, তখনই এলো এক আইনি নোটিশ, যা তাদের সব আনন্দকে মাটি করে দিয়েছে। রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন অভিনেত্রী।
নোটিশে অভিনেত্রী ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে মন্দিরের নিয়ম ভাঙার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তিরুপতি মন্দিরের পক্ষ থেকে এ অভিনেত্রীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

যেখানে বলা হয়েছে— নয়নতারা ও ভিগনেশ মন্দিরের নিয়ম ভেঙেছেন। সদ্যবিবাহিত এ জুটি জুতা পরে ঢুকেছিলেন মন্দিরে। তার ওপর মন্দিরের অভ্যন্তরে ফটোশুট করেছেন তারা, যা একেবারেই মন্দিরের নিয়মের বাইরে।

ভাইরাল হওয়া নয়নতারা-ভিগনেশের বিয়ের একটি ছবিও সে অভিযোগের সত্যতা দিচ্ছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নবদম্পতি জুতা পরে মন্দির ঢুকছেন। তা চোখে পড়েছে মন্দিরের নিরাপত্তারক্ষীর।
তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম বোর্ডের প্রধান নিরাপত্তারক্ষী নরসিংহ কিশোর বলেন, জুতা পরে মন্দিরে ঢোকা একেবারেই নিষিদ্ধ। তার ওপর তারা ছবিও তুলেছেন। এখানে কোনো ব্যক্তিগত ক্যামেরা নিয়ে ঢোকাও নিষেধ। এর পর আমরা অভিনেত্রীকে নোটিশ পাঠিয়েছি।

নোটিশ পাওয়ার পর পর নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন ‘লেডি সুপারস্টার’ নয়নতারা।

মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ক্ষমা চেয়েছেন ইতোমধ্যে।

অভিনেত্রী জানান, জুতা পরে মন্দিরে পা রাখার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। প্রয়োজনে ভিডিওবার্তা দিয়ে এ কর্মের জন্য সবার কাছে ক্ষমা চাইতেও রাজি বলে জানান নয়নতারা।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ‘নানুম রাউডি ধান’ সিনেমার শুটিংয়ে নয়নতারা-বিগনেশের প্রেমের শুরু। ২০২১ সালে বাগদান সেরেছেন তারা। অবশেষে বিয়েতে পূর্ণতা পেল তাদের প্রেম।
বর্তমানে নিজ নিজ কাজ নিয়ে ব্যস্ত নয়নতারা ও বিগনেশ। নায়িকার হাতে রয়েছে ‘আনাত্তে’ সিনেমার কাজ। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন তামিল সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা রজনীকান্ত। সিনেমায় রজনীকান্তের স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাবে নয়নতারাকে।

অন্যদিকে ‘কাতুবাকুলা রেন্ডু কাদাল’ সিনেমার পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত বিগনেশ শিবান। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন নয়নতারা, সামান্থা আক্কিনেনি ও বিজয় সেতুপাতি।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া ডট কম

চলে গেলেন ঢাকার ক্রিকেটের ‘গব্বর সিং’

ঘরোয়া ক্রিকেটের তখন রমরমা অবস্থা। গুণী ক্রিকেটারের মিছিল লেগেই ছিল। সত্তুরের দশকের সেই স্বর্ণপ্রসবা সময়ে গতির ঝড় তুলতেন মাহমুদুল হাসান।

যিনি সাজু নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন ঢাকার ক্রিকেটে। ইয়াং পেগাসাস থেকে মোহামেডানে এসে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন এই দীর্ঘদেহী পেসার। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে শনিবার ৭৫ বছর বয়সে লালমাটিয়ায় নিজের বাসায় মারা গেলেন তিনি।

৬ ফুটের বেশি উচ্চতর এই স্ট্রাইক বোলার লম্বা গোঁফের জন্য ‘গব্বর সিং’ নামে আদৃত ছিলেন বন্ধু ও ভক্তদের কাছে। জাতীয় দলের হয়ে কোনোদিন খেলা হয়নি তার। অথচ, তার দ্রুতগতির বল সামলাতে হিমশিম খেতে হতো ব্যাটারদের। মোহামেডান অনেক সময় অল্প রান করেও ভরসা করত তার আগুনে পেস বোলিংয়ের ওপর। নিরাশ করতেন না তিনি। সেই সেঙ্গ লেজের দিকে ব্যাট হাতে মাঠে বড় বড় ছয় মারতেও সিদ্ধহস্ত ছিলেন সাজু।

হার মানেননি তামিম, শেষ বিকালে জ্বলে উঠলেন এবাদত

ওয়েস্ট ইন্ডিজেও ব্যর্থ বাংলাদেশি ব্যাটাররা। তবে তামিমের দারুণ ইনিংস অন্যদের ব্যর্থতা ঢেকে দিয়েছে। বলাই বাহুল্য, যে খেলা হয়েছে উইন্ডিজ বোলার বনাম তামিম ইকবাল।

কুলিজ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথম দিন ১৪০ রানে অপরাজিত থাকা তামিম ১৬২ রানেও হার মানেননি। তার শতকের সহায়তায় শনিবার ৭ উইকেটে ৩১০ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

আর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৬৬ ওভার খেলে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০১ রান করে ফেলেছেন উইন্ডিজরা।

অর্থাৎ দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ১০৯ রানে এগিয়ে রয়েছেন টাইগাররা।

বাংলাদেশের ইনিংসে তামিমের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ মাত্র ৫৪ ও ৩৫ রান, যথাক্রমে নাজমুল হোসেন শান্ত ও নাঈম হাসানের।

কিন্তু রানে ফেরার জন্য নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়া মুমিনুল হক আউট হয়েছেন শূন্যতে। রানের খাতা খুলতে পারেননি ওপেনার মাহমুদুল হাসানও। নেতৃত্বের ভার কাঁধে নিয়েই যেন নুয়ে পড়লেন ফর্মের তুঙ্গে থাকা লিটস দাস। তার সংগ্রহ মাত্র ৪ রান।

এ ম্যাচে সাকিব আল হাসান না থাকায় অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করছেন লিটন।

ইয়াসির আলী (১১), মেহেদী হাসান মিরাজ (৭) ও মোসাদ্দেক হোসেন করেন ১৯ রান।

ব্যাট হাতে তামিমের আলো ছড়ানোর পর ফিল্ডিংয়ে নেমে বল হাতে উজ্জ্বল ডানহাতি পেসার এবাদত হোসেন।

বোলিংয়ে নেমে শুরুতে তেমন সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রেসিডেন্টস একাদশের দুই ওপেনার জেরেমি সোলোজানো ও ত্যাজনারায়ণ চন্দরপল গড়েন ১০৯ রানের জুটি।

শিবনারায়ণ চন্দরপলের ছেলে ত্যাজনারায়ণ ফেরেন ৫৯ রানে।

নতুন স্পেলে এসে দারুণ বল করেন এবাদত। ইনিংসের ৪৭তম ওভারে পর পর দুই বলে টেভিন ইমলাচ ও অ্যালিক অ্যাথানাজকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান তিনি।

এর চার ওভার পর ফের উইন্ডিজ শিবিরে আঘাত এবাদতের। রস্টোন চেজকে লিটন দাসের হাতে ক্যাচে পরিণত করেন তিনি।

৮৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন সোলোজানো।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৯৭ ওভারে ৩১০/৭ ইনিংস ঘোষণা (তামিম ১৬২*, জয় ০, শান্ত ৫৪, মুমিনুল ০, লিটন ৪*, ইয়াসির আহত অবসর ১১, সোহান ৩৫, মিরাজ ৭, মোসাদ্দেক ১৯, রেজাউর ০*; ম্যাকসুইন ১৪-১-৫৭-১, লুইস ১৫-৩-৪৭-২, মিন্ডলে ১০-৪-২২-১, আর্চিবল্ড ১০-১-৩২-০, চার্লস ১৮-৪-৫৭-১, চেইস ৪-১-১৭-০, ওয়ারিক্যান ১৭-৭-৩৪-১ ক্যারিয়াহ ৯-০-৩১-১)।

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রেসিডেন্ট একাদশ ১ম ইনিংস: ৬৬ ওভারে ২০১/৪ (চন্দরপল ৫৯, সলোজানো ৮৩*, ইমলাক ২৭, এথেনাজে ০, চেইস ৬, ক্যারিয়াহ ২১*; ইবাদত ১২-০-৫১-৩, খালেদ ১২-৩-৩১-০, রেজাউর ১৩-১-৪৭-১, মিরাজ ১৩-৫-২৫-০, তাইজুল ১১-৩-৩৬-০, মোসাদ্দেক ৪-১-৬-০, শান্ত ১-০-৩-০)।

পরকীয়া সন্দেহে নববধূকে গলা কেটে হত্যা

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগে পরকীয়া সন্দেহে রুপালি বেগম (২০) নামে এক নববধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে স্বামী।

শনিবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সোনাদিয়া গ্রামের আবু তাহের বাবুল মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুপালি বেগম উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মনির চৌকিদারবাড়ির সিরাজ মিয়ার মেয়ে। তিনি সোনাদিয়া গ্রামের আবু তাহের বাবুল মেম্বারের বাড়ির মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে ইউসুফ নবী রুবেলের (২৬) স্ত্রী। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ঘাতক স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কবিরহাট থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তিন মাস আগে পারিবারিকভাবে রুবেলের সঙ্গে বিয়ে হয় রুপালি বেগমের। কিছু দিন থেকে ভাসুর রফিকের সঙ্গে পরকীয়া সন্দেহে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ দেখা দেয়।

এ পরকীয়ার জেরে শনিবার দিবাগত রাতে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রুবেল তার স্ত্রীর গায়ের ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফল কাটা ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে।

ওসি আরও জানান, ওই সময় ঘরে থাকা বৃদ্ধ মায়ের চিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে হত্যাকারীকে আটক করে। পরকীয়ার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের ভাশুর রফিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রাখা হয়েছে। লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আগুনে পুড়ল ২ দোকান

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কাঁঠালকান্দি গ্রামে আগুনে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার দিবাগত রাত ১১টায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাত ১১টায় দিকে উপজেলার আদমপুর ও ইসলামপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানের কাঁঠালকান্দি গ্রামের গ্রাম্য ছোট বাজারে আগুন লাগে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামবাসীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।

খবর পেয়ে কমলগঞ্জস্থ ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ছুটে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণের আনার পূর্বেই বাজারে অবস্থিত মনাফ আলীর মুদি দোকান ও ডা. কনক ভট্টাচার্যের ওষুধের দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসসূত্রে জানা যায়, রাত ১১টায় আগুন দেখতে পেয়ে প্রতিবেশী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।