রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 271

বাজেট নিয়ে সমালোচনায় রুমিন ফারহানা, যা বললেন

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘গালভরা নাম দেওয়া বাজেটটি আওয়ামী লীগের বাইরে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার কতটা সংস্থান করেছে, সেটা টিসিবির ট্রাকের পেছনে লাইনের দৈর্ঘ্য দেখলেই বোঝা যায়।’

রোববার জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ সমালোচনা করেন।

রুমিন বলেন, ‘২০২১-২২ অর্থবছরে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট প্রণীত হলেও বছর শেষে ১০ হাজার ১৮১ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকায়।করোনাকালে দেওয়া এই বাজেটের শিরোনাম ছিল ‘জীবন-জীবিকার প্রাধান্য ও আগামীর বাংলাদেশ’।

দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে বিএনপিদলীয় এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘গত কয়েক মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিশেষ করে ভোজ্যতেলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে।আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির দাম যতটা বেড়েছে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু বড় ব্যবসায়ী এবং তেলের মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের দিতে হয়েছে অনেক বেশি মূল্য।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বেশ কিছুদিন আগে হিসাব দিয়ে জানিয়েছিল মাত্র ১৫ দিনে বাজার থেকে এক হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন মিল মালিক এবং কিছু বড় তেল ব্যবসায়ী।এই টাকার ভাগ কত দূর গেছে- তা নিয়ে প্রশ্ন রেখে গেলাম।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘খাবারের কষ্ট এমন জিনিস যা ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে ৮০ বছরের বৃদ্ধ এমনকি ক্যানসারের রোগীকেও বাধ্য করেছে টিসিবির লাইনে দাঁড়াতে। প্রথম শ্রেণিতে পড়া ছোট্ট একটা মেয়ে দাঁড়িয়েছিল টিসিবির ট্রাকের পেছনে, কিন্তু ছবিতে দেখেছিলাম, শিশুটির হাত পৌঁছায়নি ট্রাকের পণ্য পর্যন্ত।’

আগামী বাজেটে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রস্তাবিত বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘২৭টি মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা বলা হলেও চলতি অর্থবছরে প্রথম ১১ মাসে মাত্র ৫৮ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে। অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে বরাদ্দের মাত্র ৪১ শতাংশ ব্যয় করতে পেরেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।’

‘যে মন্ত্রণালয় করোনার মতো এত জরুরি অবস্থায় তার বরাদ্দ অর্থ খরচে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, সেই মন্ত্রণালয়কে ন্যূনতম জবাবদিহির আওতায় আনা হয়নি।’

সকাল ১১টার মধ্যে সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বললেন কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, স্মরণকালের বৃহত্তম জনসভা হবে, যে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

‘আজকে এ পদ্মা সেতু যার স্বপ্ন, এই পদ্মা সেতু যার কমিটমেন্ট, এই পদ্মা সেতুর জন্য যিনি পারিবারিকভাবে অপমানিত হয়েছেন, তার সেই স্বপ্নের পদ্মা সেতু। বাঙালির সক্ষমতার পদ্মা সেতু এবং অপমানের প্রতিশোধের এই পদ্মা সেতু।’

রোববার সন্ধ্যায় আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাস্থল পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের সোয়া ৭টার দিকে মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ির ইউনিয়নের বাংলাবাজার ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছেন।মন্ত্রীর গাড়িবহর নিয়ে মুন্সীগঞ্জ প্রান্ত থেকে পদ্মা সেতু কাজের অগ্রগতি দেখতে দেখতে এপারে (মাদারীপুর) এসে পৌঁছান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের এমপি নুর-ই-আলম চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনসভার সমন্বয়ক মির্জা আজম এমপি, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, ইকবাল হোসেন অপু এমপি, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, মাদারীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ সময় বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা এপারে ভাষণ দেবেন এবং ওপারে সুধী সমাবেশ করবেন। আপনারা সবাই ওই দিন সকাল ১১টার মধ্যে প্রস্তুত থাকবেন।’

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা: কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক মেয়র মুক্তিকে

টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তার জামিন বিষয়ে রুল তিন সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর ফলে সাবেক মেয়র মুক্তিকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ।

এর আগে গত ২৮ এপ্রিল ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে মামলাটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

গত ২৭ এপ্রিল এই মামলায় সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।

এক যুগে ফল উৎপাদন বেড়েছে ২২শতাংশ: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, গত কয়েক বছরে ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ‘সফলতার উদাহরণ’ হয়েছে। কিন্তু দেশের মানুষের চাহিদার তুলনায় তা এখনও অনেক কম।

১৬ জুন ‘জাতীয় ফল মেলা’ সামনে রেখে সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের ফল উৎপাদনের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ২০০৮-০৯ সালে দেশে ফলের উৎপাদন ছিল প্রায় ১ কোটি টন, আর এখন প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টন ফলের উৎপাদন হচ্ছে। গত ১২ বছরে ফলের উৎপাদন বেড়েছে ২২ শতাংশ।

আবদুর রাজ্জাক বলেন, এ মুহূর্তে বিশ্বে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির সর্বোচ্চ হারের রেকর্ড বাংলাদেশের। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) হিসাবে বছরে সাড়ে ১১ শতাংশ হারে বাড়ছে ফল উৎপাদন।

কাঁঠাল উৎপাদনে এখন বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়, আমে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, পেঁপে উৎপাদনে চতুর্দশ অবস্থানে রয়েছে। মৌসুমি ফল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ।

দেশে ৭২ প্রজাতির ফল উৎপাদন হচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২০ বছর আগে আম আর কাঁঠাল ছিল দেশের প্রধান ফল। এখন বাংলাদেশে ৭২ প্রজাতির ফলের চাষ হচ্ছে, যা আগে ৫৬ প্রজাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

কিন্তু এই উৎপাদনও দেশের প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। দৈনিক যেখানে মাথাপিছু ২০০ গ্রাম ফলের চাহিদা রয়েছে, সেখানে যোগান রয়েছে ৮৫ গ্রামের।

মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার সঠিক নিয়ম

বর্তমানে স্মার্টফোন জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্মার্টফোন ছাড়া যেন চলা ভার। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটু পর পর নিউজফিড স্ক্রল, অনলাইনে খাবার অর্ডার, ইউটিউবে ভিডিও দেখা সবই স্মার্টফোনেই। তাই স্মার্টফোন ব্যবহার যেমন করতে হবে তেমনই সঠিক নিয়ম মেনে মোবাইল চার্জ না দিলে এর আয়ু কমে যায়।

বেশির ভাগ মানুষ সঠিক নিয়ম মেনে মোবাইল ফোন চার্জে দেয় না। এ কারণে অল্পদিনের মধ্যে মোবাইলের ব্যাটারিতে সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যা প্রভাব ফেলে ফোনেও। ফলে বিপাকে পড়তে হয় আপনাকে।

মোবাইল চার্জ দেওয়ার সঠিক নিয়ম-

* স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সঠিক সময় হলো, যখন ব্যাটারিতে ৫০ শতাংশ থেকে কম পরিমাণ চার্জ থাকবে। ৫০ শতাংশ কমে গেলে চার্জ দিতে হবে।

* মোবাইল ৯০-৯৫ শতাংশ থেকে বেশি চার্জ দেওয়া যাবে না। ৯০ শতাংশ ব্যাটারি চার্জ হয়ে যাওয়ার পর চার্জার খুলে দিতে হবে। তবে মাসে এক বা দুই বার সম্পূর্ণ ০% থেকে ১০০% ফুল চার্জ দেওয়া যেতে পারে।

* ব্যাটারির চার্জ ২০ শতাংশের নিচে নামার আগেই অবশ্যই চার্জে দিতে হবে।

* স্মার্টফোন চার্জে অবস্থায় ব্যবহার করা যাবে না।

* অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে প্রায় প্রত্যেক সময়, কিছু না কিছু অ্যাপ কাজ করতেই থাকে। যেগুলো সাধারণত প্রয়োজন হয় না। অযথা মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যায়। তাই অপ্রয়োজনীয় কোনো কিছু ব্যবহার না করলে ভালো।

গুগল ক্রোমে হ্যাকারদের হামলা

প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের ক্রোম ব্রাউজারে আবারও হামলা করেছে হ্যাকাররা। সম্প্রতি এমন কিছু ত্রুটি খুঁজে পাওয়া গেছে যেগুলো ওই ব্রাউজারের নিরাপত্তায় সমস্যা তৈরি করতে পারে। কোনো ম্যালওয়ার ওই ত্রুটি বা তার জন্য তৈরি হওয়া ফাঁকফোকর খুঁজে কোনো সিস্টেমে হামলা চালাতে পারে। ফলে সমস্যায় পড়বেন ব্যবহারকারীরা।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিমের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে ব্যবহারকারীদের। এ সংস্থাটির কাজ হলো ইন্টারনেটে কোনো ত্রুটি বা ম্যালওয়ার খুঁজে পেলে তা নিয়ে সাধারণ ব্যবহারকারীদের সতর্ক করা। সেখান থেকে কীভাবে তারা সুরক্ষিত থাকবে সে বিষয়ে নিশ্চিত করা। সম্প্রতি যে ম্যালওয়ারটির খোঁজ পাওয়া গেছে তা ‘হাই রিস্ক’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা ক্রোম ওএসের ৯৬.০.৪৬৬৪.২০৯-র আগের কোনো ভার্সন ব্যবহার করেন তারা এ ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে পাড়েন। এমনকি তাদের কম্পিউটারে ম্যালওয়ার ঢুকে তথ্য চুরি করে নিতে পারে হ্যাকাররা। গুগলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি ব্লগপোস্ট করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং ত্রুটিমুক্ত করার জন্য তাদের সংস্থার বিশেষজ্ঞরা কাজ করছে। বিভিন্ন প্যাচ ফাইল ব্যবহারকারীদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব ব্যবহারকারীরা যেন তাদের ক্রোম বুক আপডেট করে। লেটেস্ট ভার্সনে আপডেট করলে আর কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে গুগল।

জামাকাপড় থেকে উৎপন্ন হবে বিদ্যুৎ

প্রসারণশীল এবং জলরোধী একধরনের কাপড় থেকে উৎপন্ন হবে বিদ্যুৎ। এমনই এক কাপড় উদ্ভাবন করেছে সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (এনটিইউ) এবং চায়নার সিনহুয়া ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা এ কাপড়টি শরীরের ক্ষুদ্রতম নড়াচড়া থেকে উৎপন্ন শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে পরিণত করতে পারে।

কাপড়টিতে একটি পলিমার রয়েছে যা যান্ত্রিক চাপকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখান যে, নতুন এ উদ্ভাবিত কাপড়ের ৩ সেমি x ৪ সেমি টুকরোতে টোকা দিলে ১০০টি এলইডি বাতি জ্বালানোর মতো যথেষ্ট বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন হয়।

বিজ্ঞানীদের তৈরি করা প্রোটোটাইপ কাপড়টি দুটি উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। যখন এটিকে চাপা হয়, তখন এ চাপ থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এ পদ্ধতিকে বলে পিজোইলেকট্রিক ক্রিয়া। আবার যখন এটি অন্য কোনো উপাদানের (যেমন ত্বক অথবা রাবারের গ্লাভস) সংস্পর্শে আসে বা এদের সঙ্গে ঘর্ষণে লিপ্ত হয়, তখনো বিদ্যুৎ তৈরি হয়। ঘর্ষণ অথবা সংস্পর্শ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ প্রক্রিয়ার নাম হলো ট্রাইবোইলেকট্রিক প্রভাব।

ফেব্রিক প্রটোটাইপটি তৈরি করার জন্য, এটিতে বেস লেয়ার হিসাবে প্রসারণশীল পাতলা সিনথেটিক কাপড় (স্প্যান্ডেক্স) ব্যবহার করা হয়েছে।

এ গবেষণার টিম লিডার অধ্যাপক লি বলেন, ‘দিনদিন ব্যাটারির ক্ষমতা ও গুণাবলি বৃদ্ধি এবং যন্ত্রপাতি চালনায় বিদ্যুৎ শক্তির চাহিদা হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও পরিধানযোগ্য যন্ত্রপাতিতে ঘনঘন ব্যাটারি পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। এসব যন্ত্রপাতিতে আমাদের নব্য আবিষ্কৃত প্রটোটাইপটির ব্যবহারে মানুষের দেহের কম্পন থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তি ব্যাটারির জীবনকাল বাড়াতে পারে। এমনকি এসব যন্ত্রপাতির জন্য শক্তির উৎস হিসাবে আর আলাদাভাবে ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে না।

ফেব্রিক এ প্রটোটাইপ কাপড়টি প্রতি বর্গমিটারে ২.৩৪ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। কাপড়টি যতই ধোয়া অথবা ভাঁজ করা হোক না কেন, এটি পাঁচ মাস পর্যন্ত স্থিতিশীল বৈদ্যুতিক প্রবাহ বজায় রাখতে পারে।

ডা. হুমায়ূন কবিরের ‘বানর ও মানুষের গল্প’ বই নিয়ে আলোচনা

‘বানর ও মানুষের গল্প’ বইয়ে গল্প মাত্র চারটি। কিন্তু মাত্র এই চারটি গল্পের মধ্য দিয়েই লেখক ডা. হুমায়ূন কবির বার বার মৃত্যুর কথা বলতে গিয়ে আদতে জীবনের জয়গানকে মূখ্য করে তুলেছেন। সেখান সমাজ, মানুষ, সময় ও রাজনীতির নানা কথাও বারাবার উঠে আসে।

শনিবার বিকালে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বাতিঘরে ডা.হুমায়ুন কবির রচিত গল্পগ্রন্থ ‘বানর ও মানুষের গল্প’ নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান হয়।

এদিন বইটি নিয়ে আলোচনা করেন, আজফার হোসেন, কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক ও গল্পকার মোজাফফর হোসেন। উপস্থিত ছিলেন লেখক ডা. হুমায়ূন কবির। সঞ্চালনা করেন বইটির প্রকাশনা সংস্থা সময় প্রকাশনীর প্রকাশক ফরিদ আহমেদ।

আজফার হোসেন বলেন, নিজস্ব শৈলিকে লেখক এই লেখায় পুরোপুরি তুলে ধরেছেন। ‘বানর ও মানুষের গল্প’ গল্পগ্রন্থে মরে যাওয়ার কথা বলেই জীবনেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে। মানুষ কিভাবে বেঁচে থাকে তিনি সেই কথাটাই বলেছেন। বইয়ের চরিত্রগুলো আমাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে যাবে।

আনিসুল হক বলেন, ডা হুমায়ূন কবির পুরো প্রস্তুতি নিয়ে সাহিত্য চর্চা করেছেন। তার লেখা সুখপাঠ্য।

মোজাফফর হোসেন বলেন, সমসাময়িক সময়ে পড়া ভালো গল্পের বই। গল্পগুলোতে চিন্তার উদ্রেক করে।

কুয়েতের স্থানীয় আইন লঙ্ঘন করে প্রবাসীদের বিক্ষোভ

কুয়েতের স্থানীয় আইন লঙ্ঘন করে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) অবমাননায় অবস্থান ও বিক্ষোভ করে প্রবাসীরা। দেশটিতে বিদেশী ও প্রবাসীদের যে কোনো ধরনের বিক্ষোভ সভা সমাবেশ করা নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয়।

কুয়েতের ফাহাহিল এলাকায় শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে কিছু সংখ্যক প্রবাসী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সমর্থনে অবস্থান ও বিক্ষোভের আয়োজন করে। শনিবার স্থানীয় আরবি দৈনিক আল রাই পত্রিকায় অবস্থান ও বিক্ষোভের সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদ উল্লেখ করা হয় আইন লঙ্ঘন করার প্রবাসীদের গ্রেফতার নির্দেশ জারি করা হয়। গ্রেফতার কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন। গ্রেফতারকৃতদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং তারা পুনরায় যেন কুয়েতে প্রবেশ করতে না পারে সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীসহ সবাইকে যথাযথভাবে স্থানীয় আইন মেনে চলতে বলা হয়েছে।

হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)কে নিয়ে ভারতে বিজেপি দুই নেতা অবমাননাকর বক্তব্য প্রতিবাদের ঝড় শুরু হয় কুয়েত, কাতার,আরব আমিরাত সহ আরব দেশ গুলো থেকে এরপর বিভিন্ন দেশের মুসলিম নাগরিকরা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করছে।

জেনেভায় শেষ হলো আইএলও সম্মেলন

ইজারল্যান্ডের জেনেভায় গত ২৭ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর ১১০তম সম্মেলন।

শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৬টায় সম্মেলনের সব কার্যক্রম শেষ হয়। এদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত সম্মেলনের প্ল্যানারি সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

স্ট্যান্ডার্ড সেটিং কমিটি ও কমিটি অন দি অ্যাপ্লিকেশন অব স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট উপস্থাপন ও পর্যালোচনার পর তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

শনিবারের এই সেশনে শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এহসান এ এলাহী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর জেনারেল অতিরিক্ত সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব হুমায়ুন কবির এবং শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় শ্রমিক লীগের ট্রেড ইউনিয়ন সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ হোসাইন অংশ নেন।

আইএলওর মহাসচিব গাই রাইডারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সদস্য ফিরোজ হোসাইনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অন্য সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা এই সেশনে রিপোর্টের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। সভা সমাপনীর পর শ্রমিক প্রতিনিধি মো. ফিরোজ হোসাইন এই সেশনের সভাপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে পরিচিত হন।

আইএলওর মহাসচিব গাই রাইডারের সঙ্গে পরিচিতি পর্বে ফিরোজ হোসাইন বাংলাদেশের কথা বললে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করেন এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

এর আগে সংসদ সদস্য এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য শামসুন নাহার ভূঁইয়া এবং শ্রমিক প্রতিনিধি ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ হোসাইন সাইড লাইনে ভারতের শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ ছাড়া ভারতের এম্প্লয়ার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।