সোমবার ,১৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 259

বানভাসি মানুষের পাশে ওসি

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা আক্রান্ত জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন থানা পুলিশের সদস্যরা। পুলিশের আইজি ড. বেনজীর আহমেদের নির্দেশে পুলিশ সুপারের (অতিরিক্ত ডিআইজি) প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বানভাসি মানুষের পাশে থাকছেন পুলিশ সদস্যরা।

এরই ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জের ছাতক থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা কয়েক দিন ধরে সাধারণ মানুষকে পানিবন্দি অবস্থা থেকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছে। সেইসঙ্গে ওসির নিজ অর্থায়নে শুকনা খাবার, চাল, ডাল, মুড়ি, গুড়, চিড়াসহ থানার ম্যাচে রান্না করা ভুনা খিচুড়ি বন্যার্তদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন।

সোমবার রাতে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান নেতৃত্বে পৌর শহরের বৌলা, তাতিকোনা, চরেরবন্দ, মোগলপাড়া, কালারুকা ও মণ্ডলীভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রেসহ প্রায় দেড় হাজার মানুষের মধ্যে চাল, ডাল, মুড়ি, গুড়, চিড়াসহ থানা ম্যাচে রান্না করা ভুনা খিচুড়ি খাবার বানভাসি মানুষদের মাঝে বিতরণ করেন।

আশপাশের পানিবন্দি মানুষের মধ্যে নিয়মিত তৈরি করা খাবারের প্যাকেট করে বানভাসি বাসাবাড়ি গিয়ে তার নিজ হাতে নৌকা দিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন ওসি। এছাড়া তার নেতৃত্বে উপজেলার এলাকার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রসহ বন্যার্ত মানুষের মাঝে শুকনো খাদ্য এবং ত্রাণসামগ্রী ও রান্না করা ভুনা খিচুড়ি বিতরণ করা হয়।

ওসি জানান, পুলিশের সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছাতকে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য জেলা পুলিশের খাদ্য ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের দুই নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে: পেসকোভ

রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ বলেছেন, ইউক্রেনে আটক হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

রুশ সেনারা ২৭ বছর বয়সী অ্যান্ডি হুয়েন এবং ৩৯ বছর বয়সী আলেক্সান্ডার ড্রুয়েক নামে দুইজন আমেরিকানকে আটক করে।

অ্যান্ডি হুয়েন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন এবং আলেক্সান্ডার ড্রুয়েক যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন।

তারা দুইজনই ৯ জুন খারকিভ থেকে নিখোঁজ হন।

রুশ সেনারা যুক্তরাষ্ট্রের এ দুই সেনাকে আটক করে কথিত দোনেৎস্ক রিপাবলিকের হাতে তুলে দিয়েছে, এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। এখন দোনেৎস্কে তাদের বিচার করা হতে পারে।

আটক এ দুই সেনার ব্যপারে তথ্য জিজ্ঞেস করা হয় রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভের কাছে।

তিনি বলেছেন, তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে। এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারি না।

দিমিত্রি পেসকোভ আরও বলেছেন, এগুলো হলো আদালতের সিদ্ধান্ত। আমরা এগুলো নিয়ে মন্তব্য করি না এবং হস্তক্ষেপ করার কোনো এখতিয়ার আমাদের নেই।

তবে এই দুই আমেরিকানকে যে রুশ সেনারা দোনেৎস্ক রিপাবলিকের হাতে তুলে দিয়েছে সেটি স্বীকার করেননি পেসকোভ।

এদিকে এর আগে দুই ব্রিটিশ সেনা এবং একজন মরক্কোর নাগরিককে ‘ভাড়াটে সেনা’ হিসেবে কাজ করার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেয় দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মহাশক্তিশালী ‘সারমাত মিসাইল’ মোতায়েন করা হবে: পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মঙ্গলবার বলেছেন, রাশিয়া তাদের সেনাবাহিনীর শক্তি আরও বৃদ্ধি করবে।

টিভিতে দেওয়া একটি ভাষণে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, সামরিক হুমকি ও ঝুঁকি বিবেচনা করে আমরা আমাদের সেনবাহিনীর উন্নতি ও শক্তি বৃদ্ধি বাড়াতে থাকব।

এরপর পুতিন মহাশক্তিশালী সারমাত ব্যালাস্টিক মিসাইলটি মোতায়েন করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, এ বছরের শেষে কার্যক্রম শুরু করার জন্য সারমাত মোতায়েন করা হবে।

সারমাত মিসাইলটি একসঙ্গে ১০টি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বহন করতে পারে।

এর আগে গত ২০ এপ্রিল সারমাত পারমাণবিক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক মিসাইলটির সফল পরিক্ষা চালায় রুশ সেনারা।

ওই সময় পুতিন বলেছিলেন, এই নতুন অস্ত্রটির আছে উচ্চগতি ও উচ্চক্ষমতা। এটি সকল আধুনিক মিসাইল বিধ্বংসী ব্যবস্থাকে ভেদ করতে সক্ষম। এটির মতো অন্য কোনো মিসাইল পৃথিবীতে নেই এবং খুব সহসা আসবেও না।

পুতিন আরও বলেন, এমন সত্যিকারের অদ্বিতীয় অস্ত্রটি আমাদের সামরিক বাহিনীর শক্তি আরও বাড়াবে। বাইরের শত্রুদের হুমকি থেকে রাশিয়াকে বাঁচাবে এবং যারা রাশিয়ার ক্ষতি করার চেষ্টা করবে তাদের চিন্তার খাবার (বিষয়) দেবে।

সূত্র: আল জাজিরা

সর্বোচ্চ সক্ষমতা নিয়ে মাঠে নিরাপত্তা বাহিনী

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান ঘিরে যে কোনো ধরনের অপতৎপরতা এড়াতে সক্ষমতার সবটুকু নিয়ে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পদ্মা সেতু এলাকা এবং ঢাকা মহানগরীসহ পুরো দেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এ নিয়ে কাজ করছে। ২৫ জুন সেতু উদ্বোধনের দুদিন আগে থেকেই ঢাকা মহানগরীতে পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দেশের বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি মাথায় রেখে যে কোনো নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কাজ এড়াতে দফায় দফায় বৈঠক করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ ব্যক্তিরা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি করা হচ্ছে। জঙ্গি, নাশকতাকারী, তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও সব ধরনের অপরাধীদের ধরতে চলছে অভিযান। অনলাইনে গুজব ও উসকানি প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং করছেন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট একাধিক ইউনিট। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এসব তথ্য জানিয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু নির্মাণের পর তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই ভালো না লাগা কাজ করতে পারে। সেজন্য এই চক্রগুলো বহুল প্রত্যাশিত সেতু উদ্বোধনের দিনটিকে ঘিরে নাশকতার চেষ্টা করতে পারে-এমন আশঙ্কাকে তারা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। উদ্বোধনের সময় যখন কাছাকাছি, তখন বেশ কয়েকটি রসহ্যজনক অগ্নিকাণ্ড তাদের এই আশঙ্কাকে আরও গাঢ় করেছে। সে কারণেই নিরাপত্তা নিশ্চিতে সামান্যতম ছাড় দিতে চায় না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেতুর আশপাশের সড়কগুলোতে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা।

সেখানে থাকছে ওয়াচ টাওয়ার, কন্ট্রোল রুম ও ডগ স্কোয়াড। দুই পারে ‘পদ্মা সেতু উত্তর’ ও ‘পদ্মা সেতু দক্ষিণ’ নামে নতুন দুটি থানা চালু হচ্ছে। আজ বিকালে থানাগুলোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া পদ্মা নদীতে ২৪ ঘণ্টা স্পিডবোট দিয়ে নৌপুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার টহল চলছে। সেতুর উদ্বোধন ঘিরে সতর্ক থাকতে এবং সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল যুগান্তরকে বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ঘিরে সব প্রস্তুতি দৃশ্যমান নয়। তবে এটুকু বলছি, নিরাপত্তা নিশ্চিতে যা যা করণীয় তার সবই করা হচ্ছে। সেতুর নিরাপত্তায় দুটি নতুন থানা চালু হচ্ছে। সেখানে কোস্টগার্ডের একটি ক্যাম্প থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২৫ তারিখে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যাতে না করা যায় সেজন্য একটি প্রচেষ্টা রয়েছে। কিন্তু এতে কারা জড়িত-সেটি এখনই সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। তবে পদ্মা সেতু যারা চায়নি তারাই এমনটি করতে পারে-আপাতত এ রকম ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রে কেবল পদ্মা সেতুই নয়, দেশের যে কোনো প্রান্তেই ‘কিছু একটা’ ঘটানো হতে পারে। সে কারণেই এত সতর্কতা। এজন্য মেগা প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্পের নিরাপত্তা নজরদারিতে শীর্ষে রয়েছে-হাইটেক পার্ক, ইনকিউভেটর, পাবনার রূপপুরে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর তলদেশের টানেল।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, উদ্বোধন অনুষ্ঠানকে বাধাগ্রস্ত করা এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা হতে পারে এমন আশঙ্কাকে সামনে রেখে নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। এক্ষেত্রে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও সংগঠন যাতে ঢাকা মহানগরীসহ দেশব্যাপী নাশকতা, অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য পুলিশ সুপারদের তাদের আওতাধীন মোবাইল পার্টির মাধ্যমে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীর সন্দেহজনক মেস, আবাসিক হোটেল, ছাত্রাবাস, পরিত্যক্ত কারখানা এবং অন্যান্য সন্দেহভাজন প্রতিষ্ঠানে ১৪ জুন থেকে ২৫ জুন নিয়মিত তল্লাশি করতে বলা হয়েছে। প্রতিটি থানা এলাকায় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আগমন ও অবস্থানের বিষয়ে নজরদারি করতে বলা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে তল্লাশি পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি ‘ছক’ করে দেওয়া হয়েছে। ওই ছকে নির্ধারিত বিভাগ, তল্লাশির সংখ্যা, তল্লাশিকৃত হোটেল বা স্থানের নাম ও ঠিকানা, সেখানে আটক হলে তার সংখ্যা, আটককৃতদের নাম ও ঠিকানা, গৃহীত ব্যবস্থা এবং কিছু উদ্ধার হলে তা উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে পরদিন সকাল ছয়টা পর্যন্ত অভিযানে পাওয়া ফলাফল ছকের মাধ্যমে সকাল ১০টার মধ্যে ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনারকে (ক্রাইম) পাঠাতে বলেছে।

এছাড়া ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ডিসিদের দেওয়া এক নির্দেশনায় বলেছেন, জঙ্গি, নাশকতাকারী, তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও সব ধরনের অপরাধীদের সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এরপর সুনির্দিষ্ট কৌশলগত স্থান চিহ্নিত করে তল্লাশি পরিচালনা করতে হবে। সোশ্যাল, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় গুজব ও অপপ্রচার রোধে অনলাইন নজরদারির মাধ্যমে যে কোনো চক্রান্ত প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে র‌্যাবের গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, তারা পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা কর্মসূচিকে উদ্বোধনের দিন এবং তার পূর্ববর্তী করণীয়-এই দুই ভাগে ভাগ করে কাজ করছেন। পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের প্রতিটি ঘটনায় টিম পাঠিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতেও কাজ করছেন তারা। এসব এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি পেট্রোলিং বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া জরুরি সাড়াদানের জন্য হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্বোধনী দিনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভিতে নজরদারি, ডগ স্কোয়াড মোতায়েনসহ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর বাইরে উদ্বোধনের দিন মানুষের চলাচলের বিষয়েও এসেছে বিশেষ নির্দেশনা। পুলিশের একাধিক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক জনসাধারণ যানবাহনসহ ঢাকা মহানগরের ওপর দিয়ে চলাচল করবে। তাদের চলাচল নির্বিঘ্ন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দুদিন আগে থেকেই অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েনের ব্যবস্থা করতে হবে। বিশেষ করে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে টোল আদায় দ্রুততম করতে হবে।

এজন্য টোল কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে প্রায় সবাই একযোগে নিজেদের গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার জন্য যাত্রা করবে। তখন রাজধানীর যানজট মোকাবিলায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগকে তৎপর থাকতে হবে। এছাড়া পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আগে, অনুষ্ঠান চলাকালে এবং পরবর্তীকালে অংশকারীদের ফিরতি যাত্রার সময় যে কোনো দুর্ঘটনা মোকাবিলায় অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার যানবাহন যাতায়াতের জন্য রাস্তা যথাসম্ভব প্রস্তুত রাখতে হবে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী সমাবেশে মহারাজের নেতৃত্বে যাবেন ১৫ হাজার নেতাকর্মী

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশ সফল করতে পিরোজপুর জেলা থেকে মুক্তিযোদ্ধাসহ ১৫ হাজার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী যোগ দেবেন।

পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন মহারাজের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে যাবেন। তাই ২৪ জুন পিরোজপুরের বিভিন্ন লঞ্চঘাট থেকে ৬টি বিলাসবহুল লঞ্চ বন্দর ত্যাগ করবে। ২৫ জুন সকাল ৮টায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী সমাবেশে অংশ নেবেন নেতাকর্মীরা। এ সফরের লঞ্চ ভাড়া এবং ১৫ হাজার নেতাকর্মীর চারবেলা খাবারের ব্যয় বহন করছেন মহারাজ।

জানা গেছে, স্বপ্নের সেতুর উদ্বোধনী সমাবেশে পিরোজপুর জেলার মুক্তিযোদ্ধাসহ প্রায় সব জনপ্রতিনিধি, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী অংশ নেবেন। তাদের বহনে ইতিমধ্যে ভাড়া করা হয়েছে বিলাসবহুল কীর্তনখোলা-১০, যুবরাজ-৭, সুরভী-৯, পারাবত-৮, মর্নিংসান-৯ ও ঈগল-৮ লঞ্চ। ১৫ হাজার নেতাকর্মীদের চারবেলা খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে লঞ্চের মধ্যেই। লঞ্চভাড়া ও খাবার খরচ মহিউদ্দিন মহারাজ বহন করবেন।

নেতাকর্মীদের সুবিধার্থে পিরোজপুরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ছাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ভান্ডারিয়া উপজেলার নেতাকর্মীরা চরখালী লঞ্চঘাট থেকে কীর্তনখোলা-১০ ও যুবরাজ-৭ লঞ্চে উঠে রওনা হবেন। বড়মাছুয়া স্টিমারঘাট হতে সুরভী-৯ লঞ্চে সমাবেশস্থলে যাবেন মঠবাড়িয়া উপজেলার নেতাকর্মীরা। ইন্দুরকানী উপজেলার নেতাকর্মীরা ইন্দুরকানী লঞ্চঘাট হতে পারাবত-৮ লঞ্চে উঠে বন্দর ত্যাগ করবেন। কাউখালী উপজেলার নেতাকর্মীরা কাউখালী লঞ্চঘাট হতে মর্নিংসান-৯ লঞ্চে রওনা হবে।

এছাড়া পিরোজপুর সদর উপজেলা, নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলার নেতাকর্মীরা হুলারহাট লঞ্চঘাট থেকে ঈগল-৮ লঞ্চে উঠে সব লঞ্চ কাউখালী আমরাজুরী ফেরিঘাটে একত্রিত হবে। সেখানে আতশবাজি ফুটানোর মধ্যদিয়ে একযোগে লঞ্চগুলো সমাবেশস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা করবে।

নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভায় অংশ নেবে না জেএসডি

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে অংশ নেবে না জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)। সোমবার বিকালে জেএসডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইভিএমে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে কি না এবং কীভাবে তা আরও উন্নত করা যায় সে বিষয়ে মঙ্গলবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবে ইসি। ওই সভায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জেএসডিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জেএসডি জানায়, নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করা অর্থহীন ও অপ্রয়োজনীয়। এ কারণে জেএসডি এতে অংশ নেবে না।

জেএসডি মনে করে নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের কোনো দাবি রাজনৈতিক দল বা জনগণের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়নি। ইভিএম নির্বাচনে জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশের অন্তরায় এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা। জনগণ বিশ্বাস করে ইভিএম সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখার ‘ডিজিটাল কারচুপির’ নির্ভরযোগ্য মেশিন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্বে প্রযুক্তির অধিকারী বিভিন্ন দেশ যেমন- যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, মালয়েশিয়াসহ বহু দেশ যেখানে ইভিএম বর্জন করছে, সেখানে প্রযুক্তিগত দিক থেকে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ ইভিএম ব্যবহারের দিকে এগোচ্ছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা সমীচীন হবে না এবং জনগণ এই চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত মেনেও নেবে না।

জাতীয় পার্টির ত্রাণ কমিটি গঠন

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে আহবায়ক করে জাতীয় পার্টি ত্রাণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে ভয়াবহ বন্যায় দূর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবে জাতীয় পার্টি।

এছাড়া জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের নির্দেশনায় শুরু থেকে তৃণমূল পর্যায়ে যারা বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে তাদেরও সার্বিক সহায়তা করবে জাতীয় পার্টির এই ত্রাণ কমিটি।

এদিকে আগামীকাল বুধবার বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও ত্রাণ কমিটির আহবায়ক এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের সভাপতিত্বে গঠিত ত্রাণ কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় পার্টি গঠিত ত্রাণ কমিটির সদস্যরা হলেন-

আহ্বায়ক- এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কো- চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি, সদস্য- প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, সুনীল শুভ রায়, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, এটিইউ তাজ রহমান, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, এমরান হোসেন মিয়া, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক, মনিরুল ইসলাম মিলন, পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ এমপি, মোমিন চৌধুরী বাবু, ইয়াহ্ ইয়া চৌধুরী, এইচ এম শাহরিয়ার আসিফ, গোলাম মোহাম্মদ রাজু, ফকরুল আহসান শাহজাদা, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, মো. হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন খালেদ, ওসমান আলী চেয়ারম্যান, সৈয়দ ইফতেকার আহসান হাসান, আনোয়ার হোসেন তোতা, সুমন আশরাফ, জহিরুর ইসলাম মিন্টু, আহাদ চৌধুরী শাহীন, গোলাম মোস্তফা, এস এম আল জুবায়ের, শামীম আহমেদ রিজভী, মিজানুর রহমান মিরু, নুরুল হক নুরু, দ্বীন ইসলাম শেখ, ফজলে এলাহী সোহাগ, আব্দুস সাত্তার, আলমগীর হোসেন, আহমেদ রিয়াজ, কাজী মামুন, জহিরুল ইসলাম মিন্টু, আল মামুন।

‘চিরুনি অভিযান চালিয়ে অবৈধ ১৬৪৬ বাস ধ্বংস করব’

রাজধানীতে চিরুনি অভিযান চালিয়ে অবৈধ ১৬৪৬টি বাস জব্দ করে সেগুলো ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র (ডিএসসিসি) ও বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

মঙ্গলবার দুপুরে ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ২৩তম সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র একথা জানান।

এর আগে মেয়র বাস রুট রেশনালাইজেশনের আওতায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীর তিন (২২, ২৩ ও ২৬ নম্বর) রুটে ঢাকা নগর পরিবহণের ২০০ নতুন বাস চালু করার ঘোষণা দেন।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ, বিআরটিএ এবং ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে আমরা আগামী ১৭ জুলাই থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত যৌথ অভিযান করব। এই অবৈধ ১৬৪৬টি বাস, যারা বিভিন্নভাবে লুকিয়ে-চুকিয়ে বিভিন্ন রুটে চলে। এদেরকে আমরা ঢাকা শহরের যেখানে পাই সেখানেই ব্যবস্থা নেব। শুধু দিনের বেলায়ই নয়, প্রয়োজনে আমরা রাতেও অভিযান পরিচালনা করব। তারা টার্মিনালে রাখলে টার্মিনালে থেকে খুঁজে বের করব, রাস্তায় রাখলে রাস্তার মধ্যে খুঁজে বের করব। কাউন্টারের পাশে রাখলে কাউন্টারের পাশ থেকে আমরা খুঁজে বের করব। আমরা চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে এই ১৬৪৬টি বাস জব্দ করব, ধ্বংস করব।’

আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রুটগুলোতে যাত্রী ছাউনি, বাস-বেসহ সব অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পন্ন হবে বলে মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

২১ নম্বর রুটে পারমিটবিহীন ও অবৈধ কোনো বাস চলবে না জানিয়ে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘২১ নম্বর রুট ঘাটারচর থেকে কাঁচপুরে ঢাকা নগর পরিবহণ ছাড়া অন্য কোনো বাস চলবে না। এই রুটে শুধু ঢাকা নগর পরিবহনই চলবে।”

সভায় অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান মো. আনিসুর রহমান মিয়া, ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মুনিবুর রহমান, গণপরিবহণ বিশেষজ্ঞ ড. এসএম সালেহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি আজমল উদ্দিন আহমেদসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশকে মানুষের ভরসাস্থল হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে বিপদে পড়া মানুষের ভরসাস্থল হয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমি দুনিয়ার অনেক জায়গায় গিয়েছি। গ্রেট ব্রিটেনে দেখেছি একজন সিপাহীকেও জনসাধারণ শ্রদ্ধা করে। কোনো পুলিশ কর্মচারীকে দেখলে তারা আশ্রয় নেওয়ার জন্য তার কাছে দৌড়ে যায়। তারা মনে করে পুলিশ তাদের সহায়।’

মঙ্গলবার গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে দুটি থানাসহ পুলিশের পাঁচটি উন্নয়ন ও বিশেষ কাজ উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশেও পুলিশ বাহিনী সেভাবেই জনগণের আস্থা অর্জন করবে, যেন জনগণ মনে করে যে তার জীবন রক্ষায়, মান রক্ষায় পুলিশই হচ্ছে শেষ ভরসা। কাজেই সেই ভরসার স্থান হিসেবে পুলিশকে জনগণের সামনে নিজেকে তুলে ধরতে হবে।’

করোনা মোকাবিলায় পুলিশের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা স্মরণ করে এই বাহিনীর প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ পুলিশের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৮ মে সারদা পুলিশ একাডেমিতে যে ভাষণ দিয়েছিলেন- সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আপনারা জনগণের সাহায্য-সহযোগিতায় এদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করবেন’। জাতির পিতার এই নির্দেশ আপনারা মেনে চলবেন, সেটাই আমি চাই।

প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে ‘পদ্মা সেতু (উত্তর) থানা’ ও ‘পদ্মা সেতু (দক্ষিণ) থানা’ উদ্বোধনের পাশাপাশি গৃহহীন, ভূমিহীন অসহায় মানুষের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক নির্মিত ১২০টি গৃহ হস্তান্তর, নবনির্মিত ১২টি পুলিশ হাসপাতাল, বাংলাদেশ পুলিশের জন্য ছয়টি নারী ব্যারাক এবং অনলাইন জিডি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আখতার হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।

নিউইয়র্ক সিটি নির্বাচনে সাত বাংলাদেশি প্রার্থীকে কংগ্রেসম্যানের সমর্থন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সিটি নির্বাচনে অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪ থেকে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি-আমেরিকান ৭ প্রার্থীকে সমর্থন জানালেন ইউএস কংগ্রেসের চেয়ার অব দ্য হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটি এবং কুইন্স কাউন্টি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির চেয়ারম্যান গ্রেগরী মিক্স।

এ সময় ডেমোক্র্যাট পার্টি মনোনীত ষ্টেট আসেম্বলিম্যান ডেভিট ওয়েপ্রিনের গ্রুপকেও সমর্থন জানান তিনি। আগামী ২৮ জুন মঙ্গলবার নিউইয়র্ক সিটির অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

কংগ্রেসম্যান গ্রেগরী মিক্সের সমর্থন প্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন- অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর জুডিশিয়াল ডেলিগেট পদপ্রার্থী জেমি কাজী, আনাফ আলম, সাবুল উদ্দিন, নূসরাত আলম ও মোহাম্মদ এম রহমান, ফিমেল স্টেট কমিটি মেম্বার জামিলা উদ্দিন এবং অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪-বি এর ফিমেল ডিস্ট্রিক্ট লিডার পদপ্রার্থী মাজেদা উদ্দিন।

শুক্রবার (১৭ জুন) বাদ জুমা জ্যামাইকার লিটল বাংলাদেশ মোড়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কংগ্রেসম্যান গ্রেগরী মিক্স উল্লেখিত প্রার্থীদের সমর্থন জানান। এ সময় তিনি তাদের ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠানে উল্লেখিত প্রার্থীরা ছাড়াও স্টেট আসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন ও ডিস্ট্রিক্ট লিডার মার্থা টেইলর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে- মোর্শেদ আলম, অ্যাসাল-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবা উদ্দিন, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জ্যামাইকা ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা এবিএম ওসমান গনি, কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার মোহাম্মদ তুহিন, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট জুলফিকার হায়দার, রাব্বী সৈয়দ, কাজী হেলাল আহমেদ, আবিদ রহমান, ইয়ুথ ফোরামের মাসুদুর রহমান, শাহ ফারুক রহমান, ইসরাত আলম, পল, ওমেন্স ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট সালেহা আলম প্রমুখসহ ডেভিড ওয়েপ্রিনের ক্যাম্পেইনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।