সোমবার ,১৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 260

ভারি বৃষ্টিতে মহানবীর (সা.) আমল

ভারি বৃষ্টির কারণে সিলেট বিভাগের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আল্লাহতায়ালার কাছে আমাদের সবিনয় প্রার্থনা তিনি যেন সবার জানমালের সুরক্ষা করেন।

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে মহানবী (সা.) দোয়া করতেন তা এখন আমাদের অনেক বেশি বেশি করা প্রয়োজন।

হাদিসে এসেছে হজরত মা আয়েশা (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) বৃষ্টি নামতে দেখলে বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা সাইয়িবান নাফিয়া’ অর্থাৎ হে আল্লাহ, উপকারী বৃষ্টি আমাদের ওপর বর্ষণ করুন।’ (বোখারি)

প্রবল ঘূর্ণিঝড়-বৃষ্টিতে যদি মানুষের জন জীবনের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে কিংবা ফসল নষ্ট হয় কিংবা চলাচলের রাস্তা-ঘাট পানিতে তলিয়ে যায়, তবে সে অবস্থায় প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করতেন-

`আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা।’ (বুখারি)

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমাদের থেকে (ঘূর্ণিঝড়, বৃষ্টি) ফিরিয়ে নাও, আমাদের ওপর দিয়ো না।’

আবু দাউদের বর্ণনায় রয়েছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, বৃষ্টির সময় করা দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।’

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেঘ-বৃষ্টির ক্ষতি ও ভয়াবহতা থেকে হেফাজত থাকতে তাসবিহ তাহলিল ও দোয়া পড়তেন। যাতে মেঘ-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের ক্ষতির সম্মুখীন হতে না হয়।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকতে এ দোয়া পড়তেন-আল্লাহুম্মা হাওয়াইলানা ওয়া লা আলাইনা; আল্লাহুম্মা আলাল আকামি ওয়াল ঝিবালি ওয়াল উঝামি ওয়াজ জিরাবি ওয়াল আওদিয়াতি ওয়া মানাবিতিশ শাজারি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের আশে-পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর। আমাদের ওপরে করিও না। হে আল্লাহ! টিলা, পাহাড়, উচ্চভূমি, মালভূমি, উপত্যকা এবং বনাঞ্চলে বৃষ্টি বর্ষণ কর।’ (বুখারি)

বৃষ্টি বর্ষণের বিষয়ে প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন, ‘আমার বান্দারা যদি আমার বিধান যথাযথ মেনে চলত, তবে আমি তাদের রাতের বেলায় বৃষ্টি দিতাম আর সকাল বেলায় সূর্য (আলো) দিতাম এবং কখনও তাদের বজ্রপাতের আওয়াজ শুনাতাম না।’ (মুসনাদে আহমদ)
বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের সবার দায়িত্ব বেশি বেশি দোয়া করা আর সামর্থ অনুযায়ী বন্যার্তদের সেবায় নিজেদেরকে নিয়োজিত করা।

আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে মহানবী (সা.)এর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনার তৌফিক দিন। আমিন।

লেখক: ইসলামি গবেষক ও কলামিস্ট
masumon83@yahoo.com

বুন্ডি

তুমি যখন বড় হবে
ফুলের মতো উঠবে ফুটে
দেখবে সবাই একই চোখে
ভাববে তারা কেমন করে
সেটা জানতে চাই!

ঢেকে রাখো মুখটি তোমার
বুকটি যেন না দেখা যায়
হইছো তুমি বড় এখন
কী করে বোঝাই!

বাগানে যে ফুল ফুটেছে
তার মাঝেতে মধু আছে
মৌমাছিরা নেচে নেচে
সে মধু আনে সেচে
বাকি মধু মুখটি ভরে
পরাগ রেণু গায়ে করে
উড়াল দিয়ে পড়ে এসে
অন্য ফুলের গায়।
পরাগায়ন ঘটে শেষে
ফুলের মাঝে তাই।

পরাগায়ন করে গেল
বিনিময়ে মধু পেল
সে মধু নিয়ে গেল
মৌচাকে জমা হলো
দরকারে করিবে পান
এ ছিলো তাদের প্লান
হলো না সে প্লান পূর্ণ কখনও।

প্রকৃতির ব্যবহারে মুগ্ধ না হয়ে
খোলামেলা জীবনের বিসর্জন দিয়ে
বুন্ডিকে রাখা হলো পর্দার আড়ালে
ভাবনায় ঢুকে গেল
আখেরাত পার হবো
থাকিবো সুখে।

এ আশা যে দিল
সেই সর্বনাশ করিল।
কে করিল এ নিয়ম নুতন করে?
কুৎসিত কুচিন্তা আর প্রলোভন ছাড়া
নারী জাতি পেয়েছে কি ভালো কিছু আর?

বুন্ডির জীবনে যত সব বাধা
যার ফলে জীবনটা
ভরিল জটিলতায়
ভাবিতে হইবে এখন জীবন ভরে
শেষ নাহি হবে তার
চলিবে জীবন ভর
এমনি করে।

তুমি আমি রব শুধু
ক্ষণিকের তরে
প্রকৃতি চলিবে তার মতো করে
জানিতে পারিব না মোরা
সবকিছু তার।
শেষ হবে অপরিপূর্ণ
জীবনটি সবার!

রাজীব সরকারের রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিৎ ও অন্যান্য

গবেষক, রম্য লেখক রাজীব সরকারের সম্প্রতি প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিৎ ও বিবিধ প্রসঙ্গ। গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে প্রবন্ধ রয়েছে চারটি। এসব প্রবন্ধে বহুল চর্চিত রবীন্দ্রনাথকে তিনি নতুনভাবে উন্মোচনের সফল প্রয়াস রেখেছেন। প্রসঙ্গত ‘গোরা: চিরায়ত মহাকাব্যিক উপন্যাস’ এর বিষয়ে বলা যাক। গোরা যে এখনো সমকালীন সামাজিক প্রেক্ষিত বিচারে প্রাসঙ্গিক এবং তা যে কেবল ভারতীয় সমাজকে তুলে ধরে বাংলা সাহিত্যেরই এক সেরা উপন্যাস নয়, বিশ্বসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ এক আসন পেতে পারে তা তিনি তথ্য-উপাত্তের আলোকে প্রমাণ করতে পেরেছেন।

রবীন্দ্রনাথ কতটা গভীরভাবে, সূক্ষ্মভাবে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি পর্যবেক্ষণ করেছেন, তার প্রেক্ষিতে জনস্বাস্থ্যকে বিবেচনা করেছেন এবং তা আজও কতটা প্রাসঙ্গিক, তার গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন ‘মহামারি, জনস্বাস্থ্য, রবীন্দ্রনাথ’।

রাজীব সরকার নিজে একজন তার্কিক এবং সাংগঠনিকভাবেও তিনি এর সঙ্গে জড়িত। তার এ প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, তার চিন্তা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বিশেষ এক ভূমিকা রাখে বলে মনে হয়-তিনি তার গবেষণার বিষয়কে তার্কিকের দ্বান্দ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন এবং সত্য আবিষ্কারে প্রয়াসী হন। ‘ধর্মীয় সহিষ্ণুতাই সভ্যতার রক্ষাকবচ’, ‘সকলেই পাঠক নয়, কেউ কেউ পাঠক’, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অসামাজিকতা’ প্রভৃতি প্রবন্ধ তার উজ্জ্বল উদাহরণ। এসব প্রবন্ধে রাজীব তার গবেষণায় অনুপঙ্খ বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন এবং যে সিদ্ধান্ত তার নিজস্ব। অনন্য আহমদ শরীফকে নিয়ে প্রবন্ধ ‘আহমদ শরীফের ইহজাগতিকতা’। ইহজাগতিকতার একটি আভিধানিক তথা টার্মিনলজিক্যাল মিনিং আছে। রাজীব সরকার তা বিবেচনায় রেখেই আহমদ শরীফের মূল্যায়ন করেছেন এবং তার ইহজাগতিকতার এক তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন।

একইভাবে রাজীব সরকার রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিৎ ও বিবিধ প্রসঙ্গ গ্রন্থে সত্যজিৎ, যতীন সরকার, শিবনারায়ণ রায়, এন্ডু কিশোরের মতো ব্যক্তিত্বের জীবন ও কর্মের তাৎপর্যপূর্ণ দিকগুলো আপন উদ্ভাবনী ক্ষমতায় উন্মোচিত করেছেন, সরকার এবং দাবি করা যায়, তাদের নতুনভাবে বোঝার জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। রাজীব সরকার তাদের রচনা, আন্দোলন, প্রাতিষ্ঠানিক কর্মযজ্ঞকেই কেবল তার এসব প্রবন্ধে বিশেষ গুরুত্ব দেননি, গুরুত্ব দিয়েছেন তাদের জীবনাচরণকেও এবং তা তাদের প্রাপ্যতার বিবেচনায়ই। যাদের বিষয়ে বিস্তৃত গবেষণা বা গবেষণাগ্রন্থ রচিত হয়েছে বা হতে পারে, তাদের অনেকের বিষয়ে তিনি এ গ্রন্থে সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ রচনা করেছেন বা কোনো প্রবন্ধে বিশেষভাবে আলোচনায় এনেছেন বা তার কোনো বিশেষ দিক নিয়ে একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ লিখেছেন। তবে এসব প্রবন্ধ গবেষকের গভীর চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রজ্ঞার ফসল বলে বিবেচনা করা যায়। প্রকৃতপক্ষে তিনি তার ইনটুইশানকে প্রয়োগ করেছেন লেখক-চিন্তাবিদ-সমাজ সংস্কারক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক, সম্পাদকদের প্রতিভা ও কর্মের মূল্যায়নে, যাদের মূল্যায়নে তার দৃষ্টিভঙ্গি বিশেষ সহায়ক হয়েছে এবং তা দিয়ে তিনি তাদের নতুনভাবে উন্মোচিত করতে পেরেছেন।

সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে, যেমন কবিতা, গল্প-উপন্যাস, আমাদের সাহিত্য যতটা সমৃদ্ধ, এমনকি বিশ্ব মানদণ্ডে, চিন্তা বা মননশীলতার ক্ষেত্রে ততটা নয়। এ ক্ষেত্রে নিবেদিত মানুষ বিরল। রাজীব সরকার তার পঠন-পাঠন, চিন্তা, প্রজ্ঞা, সাধনায় আমাদের সমকালীন গবেষণার ক্ষেত্রে উজ্জ্বল স্বাক্ষর রাখছেন, তার এ যাত্রা, তার সামর্থ্য তাকে এক অনন্য গন্তব্যে পৌঁছে দেবে সে আস্থা তার ওপর রাখা যায়, উক্ত আস্থারই এক উজ্জ্বল দলিল রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিৎ ও বিবিধ প্রসঙ্গ।

রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিৎ ও বিবিধ প্রসঙ্গ রাজীব সরকার প্রকাশক কথা প্রকাশ প্রচ্ছদ তৌহিন হাসান মূল্য ২০০ টাকা।

ইবির প্রধান প্রকৌশলীর বাসা থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মুন্সী শহিদ উদ্দিন মোহাম্মদ তারেকের বাসার নিচতলার ঘর থেকে রুবিয়া খাতুন (১৩) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কাটাইখানা মোড়সংলগ্ন এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

রুবিয়া শহিদ উদ্দিনের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সাব্বিরুল আলম।

রুবিয়া খাতুন রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের মো. নবী আলীর মেয়ে। রুবিয়া ঈদুল ফিতরের প্রায় এক সপ্তাহ পর শহিদ উদ্দিনের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ শুরু করে।

পুলিশ, বাড়ির মালিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল ফিতরের পর থেকে রুবিয়া মোহাম্মদ তারেকের বাসায় থেকে কাজ করছিল। রোববার বিকাল থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বাসার লোকজন নিচতলার কক্ষটি বন্ধ দেখতে পায়। ডাকাডাকি করার পরও দরজা না খোলায় তাদের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ গিয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে দরজা ভেঙে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

ওই বাড়ির মালিক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মুন্সী শহিদ উদ্দিন মোহাম্মদ তারেক বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে খবর পাই রুবিয়া নিখোঁজ। পরে নিচতলার রুম বন্ধ পাওয়া যায়। ডাকাডাকি করে সাড়া না মিললে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমরা দোতলায় থাকতাম। মেয়েটি রোজার ঈদের এক সপ্তাহ পরে আমার বাসায় বুয়ার কাজ শুরু করে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সাব্বিরুল আলম বলেন, ঘরের দরজা ভেঙে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

পানিবন্দি সরকারি প্রাথমিকে পাঠদান স্থগিত রাখার নির্দেশ

দেশের যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিবন্দি রয়েছে, সেগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণি পাঠদান স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

রোববার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার কারণে অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জলমগ্ন হয়ে আছে। বাস্তবতার নিরিখে এসব জলমগ্ন বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব নয়। সারা দেশে যেসব বিদ্যালয় জলমগ্ন হয়ে আছে সেসব বিদ্যালয় বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণি পাঠদান স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।

জলমগ্ন বিদ্যালয়গুলোয় শ্রেণি পাঠদান স্থগিত থাকলেও শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন এবং বিদ্যালয়ের সম্পদ রক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এতে বলা হয়, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন মাঠপর্যায়ের শিক্ষকসহ সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করবেন এবং প্রয়োজনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করাসহ ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে সহায়তা করবেন।

উদ্ভূত বন্যা পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়মিত কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। কন্ট্রোল রুম ফোন নম্বর: ০২-৫৫০৭৪৯৬৯।

রন্ধনশিল্পী হাসিনা আনছারকে সংবর্ধনা

পুরান ঢাকার লালবাগে নারীদের কল্যাণে ও উন্নয়নে সেবামূলক কাজ করা নারী সংগঠন ‘নারী তুমি অনন্যা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে রন্ধনশিল্পী হাসিনা আনছারকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। দেশের রন্ধনশিল্পে অবদান রাখার জন্য তাকে এই সংবর্ধনা দেয় সংগঠনটি।

সংগঠনটির উদ্যোগে গতকাল এক আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে হাসিনা আনছারকে সংবর্ধিত করা হয়।

ফাউন্ডেশনের প্রধান আফরোজা আহমেদ জবার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হাসিনা আনছার তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমি একজন রন্ধনশিল্পী। এই প্রোফেশনে থেকে আমি আমার দেশ ও দেশের খাবারকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রমোট করার চেষ্টা করে চলেছি।’

সম্প্রতি তার সম্পাদনায় ‘ঐতিহ্যবাহী রান্না সেরা ১০০ রেসিপি’ বইটির প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড প্রকাশ পেয়েছে। চতুর্থ খণ্ড প্রায় শেষের দিকে। তার ইচ্ছা, ১০ খণ্ড পর্যন্ত এই আঞ্চলিক রান্নার রেসিপি বইটি বের করবেন।

দেশের জন্য কাজ করছেন জানিয়ে এই রন্ধনশিল্পী বলেন, ‘সবার আগে দেশ, এটাই আমার কনসেপ্ট।’

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে হাসিনা আনছারের হাতে সংবর্ধনা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এ সময় নারী উদ্যোক্তা, সংগঠনের সদস্যসহ অনেক সুনামধন্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মেডিটেশনের উপকারিতা

মেডিটেশনের উপকারিতা এখন প্রমাণিত সত্য। নিয়মিত মেডিটেশন চর্চা করলে একজন মানুষ মানসিকভাবে সুস্থ থাকেন, প্রাণবন্ত ও প্রশান্ত থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথের চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, গভীর শিথিলায়ন ওষুধ ও সার্জারির মতোই দ্রুত ক্রনিক ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল স্কুলের এনেসথেসিওলজি ও ব্যথা গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. ডেনিস টার্ক বলেছেন, মেডিটেশন শর্ট সার্কিটে করে ব্যথা বিনাশের সঙ্গে সঙ্গে ব্যথার সঙ্গে জড়িত আবেগকেও বিনাশ করে।

বিভিন্ন গবেষণার বরাত দিয়ে মেডিটেশনের উপকারিতার নানা দিক নিয়ে লিখেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অধ্যাপক তানিয়া আফরোজ।

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত চিকিৎসা মাসিক প্রিভেনশনের জুন, ১৯৯৭ সংখ্যায় সারা দেশে পরিচালিত জরিপের ফলাফল বলা হয়েছে, ৩০ শতাংশ আমেরিকান ব্যথানাশক সেবন করে, ৩৫ শতাংশ ব্যাথা অবহেলা করে, ২৭ শতাংশ মেডিটেশন করে ব্যথা কমায়। পঁচাত্তর শতাংশ আমেরিকান মনে করেন যে, ওষুধ ছাড়াই ব্যাথা উপশম সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের ২৩ শতাংশ নাগরিক জানান যে, তাদের ডাক্তাররা তাদেরকে ওষুধ বাদ দিয়ে শিথিলায়নের মাধ্যমে ব্যথা উপশমের পরামর্শ দিয়েছেন।

মেডিটেশনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ২০১১ সালে যোগ-মেডিটেশনের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার করেন, মেডিটেশন প্রশিক্ষণের জন্য দেশব্যাপী বরাদ্দ করেন ১০ মিলিয়ন পাউন্ড।

বাংলাদেশেও ৯০’র দশক থেকে জনপ্রিয় হতে শুরু করে ধ্যান বা মেডিটেশন। গত ৩০ বছরে মেডিটেশন বা ধ্যানচর্চায় সুস্থতার নজির স্থাপন করেন দেশের হাজার হাজার মানুষ। ২০১৩ সালে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মিলে তৈরি জাতীয় চিকিৎসা নীতিমালায় বলা হয়, চিকিৎসকরা যেন স্ট্রেস-আক্রান্ত ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের নিয়মিত যোগ, মেডিটেশন, শিথিলায়ন, দমচর্চা ইত্যাদির পরামর্শ দেন। দেশের সচেতন চিকিৎসকরাও এখন মেডিটেশনের পাশাপাশি ব্যথা উপশম ও দ্রুত নিরাময়ে মেডিটেশনের পরামর্শ দিচ্ছেন।

এছাড়া ২০১৫-১৬ সালে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতেও যোগ-মেডিটেশনের শারীরিক-মানসিক উপকারিতা বিবেচনা করে এ সেবা থেকে স্থায়ীভাবে ট্যাক্স প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং একইসঙ্গে যোগকে দাতব্য কার্যক্রমের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
দুঃখজনক হলো, আমাদের দেশে ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে মেডিটেশনের ওপর আবারও ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসা নীতিমালার (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন প্রণীত ‘ন্যাশনাল গাইডলাইন ফর ম্যানেজমেন্ট অব হাইপারটেনশন ইন বাংলাদেশ) বক্তব্যের সঙ্গে একেবারেই সাংঘর্ষিক।
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘বৈশ্বিক এই দুর্যোগকালে জনগণের মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোবল অটুট রাখার স্বার্থে মেডিটেশন সেবার ওপর মূসক অব্যাহতি বলবৎ রাখার প্রস্তাব করছি‘।

এর ফলে নিয়মিত মেডিটেশন চর্চাকারীর চিকিৎসা ব্যয় কমে যায়। আর এর প্রভাব পড়ে অর্থনীতিতে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে আরও দরিদ্র হয়ে পড়া বা নিঃস্ব হয়ে পড়া জনগোষ্ঠী দেশের বোঝাতে রূপান্তরিত হয়।

কাজেই, চিকিৎসা ব্যয় কমে গেলে দেশের জিডিপি বাড়বে। তাছাড়া ভ্যাট অব্যাহতির মাধ্যমে মেডিটেশনকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া গেলে বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রশান্তি বাড়তে থাকবে যার প্রভাব পড়বে আমাদের সামাজিক জীবনে।

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে আছি: শাকিব খান

চেরাপুঞ্জির রেকর্ড বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক বন্যায় জনদুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

গত ১৬ জুন থেকে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকটে ভুগছে বয়স্ক, নারী ও শিশুরা। শহর-গ্রাম নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে হাহাকার চলছে। নিরাপদ আশ্রয় না পেয়ে নৌকায় মাথা গোঁজার ঠাই নিয়েছেন অশীতিপররাও।

এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান।
বন্যার্তদের জন্য তহবিল গঠন করছেন ঢাকাই ছবির পোস্টার বয়।

বন্যাকবলিত এলাকার একটা ছবি শেয়ার করে শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন শাকিব খান।

লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও সংবাদমাধ্যম ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে জেনেছি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। বন্যা কবলিত মানুষের দুর্দশা আমাকে ভীষণভাবে কষ্ট দিচ্ছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়া মানুষের পাশে আছি। তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে আমার সামর্থ্যের মধ্যে অর্থ সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছি।’

‘সেই সঙ্গে একটি তহবিল গঠনেরও কথা ভেবেছি; যা থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও অন্যান্য সহায়তা পৌঁছে যাবে কষ্টে থাকা সেই সব বানভাসি মানুষের সাময়িক সংকট মোকাবিলায়। বন্যা কবলিতদের যে কোনো ধরনের সহায়তা দিয়ে যারা পাশে থাকতে চান, এই ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন skhumanity1@gmail.com।’

সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে শাকিব খান আরও লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ও প্রবাসে থাকা আগ্রহী বিত্তবানদের কাছে আহ্বান – আপনারাও নিজেদের সামর্থ্যের মধ্য থেকে বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোক। সবার জন্য প্রার্থনা।’

দুদিনে বন্যার্তদের ১৬ লাখ টাকার সহায়তা দিলেন তরুণ গায়ক

টানা ভারি বর্ষণ, আসাম ও মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক বন্যায় জনদুর্ভোগ মারাত্মক রূপ নিয়েছে।

খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকটের পাশাপাশি স্যানিটেশন সমস্যা চলছে গত ১৭ তারিখ থেকেই। বয়স্ক, নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। না খেয়ে লাখ লাখ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এসব বানভাসি মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে বাংলাদেশের সেলিব্রিটিরা সক্রিয় হয়েছেন।

এবারের ঈদুল আজহায় ১৪-১৫টি গরু কুরবানি না দিয়ে সেই অর্থ বন্যার্তদের দিচ্ছেন অভিনেতা-প্রযোজক অনন্ত জলিল।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যার্তদের জন্য ১০ ট্রাক খাদ্যসামগ্রী পাঠাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

তবে এসব মানবিক কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি চমক দেখিয়েছেন ‘কুঁড়েঘর’ ব্যান্ডের তরুণ সংগীতশিল্পী তাশরীফ খান।

বন্যার্তদের সহায়তায় তিনি একাই দুদিনে ১৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করেছেন।

ফেসবুক লাইভে এসে এ সংগীতশিল্পী বলেন, ‘দুদিনে ১৬ লাখ টাকা অনুদান এসেছে। আমাদের সব নম্বরের লিমিট শেষ। এখন কেউ টাকা পাঠাবেন না। আমরা এটা বন্যার্তদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়ার পর প্রয়োজন হলে আবার জানাব।’

বন্যার্তের সহায়তায় বেশ কিছু দিন ধরেই সিলেটে অবস্থান করছেন তাশরীফ। বিপুল অর্থ সংগ্রহ করে বন্যার্তের পাশে তার দাঁড়ানোর বিষয়টি ফেসবুকে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।

আমি যদি কোচিংও করি তাতেও সমস্যা: সাকিব

বোলারদের পারফরম্যান্সে কোনো ঘাটতি নেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে টাইগারদের পিছিয়ে দিয়েছেন ব্যাটাররা।

ব্যাটারদের বাজে পারফরম্যান্সের কারণে এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭ উইকেটের ব্যবধানে হারলেন টাইগাররা।

দ্বিতীয়বারের মতো নেতৃত্ব কাঁধে নিয়েই পরাজয়ের তেতো স্বাদ নিলেন সাকিব আল হাসান।

হয়তো এ কারণেই সতীর্থদের ছাড়লেন না। রীতিমতো ধুয়ে দিলেন। শুধু মানসিক নয়; ব্যাটারদের টেকনিক্যাল সমস্যাও আছে বলে জানালেন তিনি।

এতদিন দেখা গেছে ম্যাচ হারের পর কোচ-অধিনায়করা ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়াতে। কিন্তু এবার বাংলাদেশ অধিনায়ক যেন একটু ক্ষেপেই গেলেন।

অ্যান্টিগায় হারের পর ম্যাচপরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক সাকিব বলেন, ‘টেকনিক্যালি অনেক সমস্যা আছে। টেকনিক্যালি সাউন্ড এমন খেলোয়াড় খুব বেশি আছে আমাদের, তা মনে হয় না। আমাদের দলের যারা আছে সবারই টেকনিক্যাল সমস্যা আছে। তাদের উপায় খুঁজে বের করতে হবে কীভাবে রান করতে হবে, ক্রিজে থাকতে হবে। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

অ্যান্টিগা টেস্টে ব্যাট হাতে আর সবার চেয়ে উজ্জ্বল সাকিব। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে টানা দুই হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। সোহানের সঙ্গে ১২৩ রানের জুটি গড়ে টার্গেট দিতে পেরেছেন উইন্ডিজকে। টেস্টের আয়ু বাড়িয়েছেন চতুর্থ দিনে।

তবে কি তিনি মুমিনুল-শান্তদের কোচিং করাবেন টেকনিক্যাল সমস্যা দূর করতে?

সাকিবের বক্তব্য, একই সঙ্গে অধিনায়ক আর কোচের ভূমিকা পালন করার কোনো ইচ্ছেই নেই তার।

সাকিব বলেন, ‘দেখেন এটা তো আসলে আমার খুব বেশি আলোচনার বিষয় না। কোচেরই আলোচনা করার বিষয়। এখন আমি যদি কোচিংও করি অধিনায়কত্বও করি তা হলে তো সমস্যা। আমার কাজ যতটুকু, ততটুকুতে থাকা আমার মনে হয় বেটার। আমার দায়িত্ব যতটুকু, ততটুকু পালন করার চেষ্টা করব। বাকি যার যে কাজ তা তাদের জায়গা থেকে করলে সবার জন্য কাজটা সহজ হবে।’

তবে ব্যাটিংয়ের এই দৈন্যতা ব্যক্তিগতভাবেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করেন সাকিব।

এ অলরাউন্ডার বলেন, ‘এটা যার যার ব্যক্তিগতভাবে আনা সম্ভব। এটি কাউকে বলে দিয়ে কাজ হবে বলে আমার মনে হয় না। সুতরাং এটা ব্যক্তিগতভাবে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে কীভাবে সে রানে ফিরতে পারে বা ক্রিজে বেশিক্ষণ সময় কাটাতে পারবে।’

প্রসঙ্গত অ্যান্টিগা টেস্টে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল মাত্র ১০৩ রানে। ১১ ব্যাটসম্যানের ছয়জনই শূন্য রানে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৫। সাকিব ও সোহানের জুটিতে কিছুটা মুখ রক্ষা হয়। তবে এ ইনিংসে ২৫ রানের কোটা পার করতে পারেননি ৮ ব্যাটার।