রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 248

৫ বছরের শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা, লোমহর্ষক বর্ণনা

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী মিফতাহুল মালিহা আফরাকে (৫) পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে আসামি আনোয়ার হোসেন স্বপন (৩৮)।

রোববার বিকালে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসানের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় সে।

গ্রেফতার স্বপন উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের নেয়াজপুর এলাকার মৃত কবির আহম্মদের ছেলে।

পুলিশ জানায়, নেয়াজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাকপ্রাথমিক শ্রেণির ছাত্রী আফরা শনিবার বেলা ১১টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের হয়। স্কুলের মাঠ দিয়ে নিজের বাড়িতে ফিরছিল স’ মিল কর্মচারী প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন স্বপন।

আফরা স্কুলের টয়লেটে প্রাকৃতিক কাজ সেরে বের হওয়ার সময় প্রতিবেশী স্বপন তাকে মুখ চেপে ধরে পাশের জঙ্গলে কড়ইগাছের নিচে নিয়ে যায়। চিৎকার করতে চাইলে তাকে টয়লেটের দেয়ালের সঙ্গে আঘাত করে জখম করে।

এ সময় কড়ইগাছের নিচে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। আফরা চিৎকার করে মাকে বলে দিতে চায় স্বপনের নির্যাতনের কথা। তখন ক্ষিপ্ত হয়ে স্বপন তার গলা চেপে ধরে নির্মমভাবে হত্যা করে তাকে। একপর্যায়ে গলায় গাছের মোটা লতা পেঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

পরে আফরাকে গাছের সঙ্গে হেলান দিয়ে রেখে চলে যায়। আফরার স্বজনদের সঙ্গে মিলে আফরাকে খোঁজও করে স্বপন। একপর্যায়ে আফরা যে কোনো স্থান থেকে ফিরে আসবে বলেও আফরার মাকে সান্ত্বনাও দেয় সে। তখনো আফরার মা জানত না স্বপনই আফরার খুনি। কড়ইগাছের নিচে আফরার নিথর দেহ রেখে স্বপন আফরার খোঁজে মাঠে নামে।

সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) সার্কেল মাশকুর রহমান বলেন, আফরার মরদেহ পাওয়ার পর পরই স্বপনকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। এর পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রোববার আফরাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। স্থানীয়রা স্বপনের ফাঁসি দাবি করেন।

উল্লেখ্য, শনিবার ক্লাসের চলাকালীন সময়ে বেরিয়ে নিখোঁজ হয় আফরা। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্কুলের পেছনে কবরস্থানের জঙ্গলে গাছের সঙ্গে লতা পেঁচানো অবস্থায় আফরার নিথর দেহের খোঁজ মিলে।

পদ্মা সেতু চালুর পর ‘যানবাহনশূন্য’ দৌলতদিয়া ফেরিঘাট

স্বপ্নের পদ্মা সেতু গত ২৫ জুন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেটি চালু হওয়ায় অনেকটা যানবাহন শূন্য হয়ে পড়েছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়াঘাট প্রান্ত।

প্রতি বছর কুরবানির ঈদে যেখানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া প্রান্তে পারাপারের জন্য অপেক্ষা করত পশুবাহী অনেক ট্রাক। কিন্ত আজ সেই ঘাটে নেই তেমন কোনো যানবাহন।

ঘাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘাটে যানবাহন না থাকায় যাত্রীর দেখা মিলছে না। যেখানে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের চিত্র ছিল ভোগান্তির অপর নাম; সেই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্ত এখন স্বস্তির অপর নাম হয়েছে।

স্বাভাবিক সময়ে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন ফেরিতে নদী পারাপার হতো। এখন পর্যাপ্ত ফেরি থাকলেও দুই-একটা গাড়ি আসছে। এবং সেই গাড়িগুলো সরাসরি ফেরিতে উঠে নদী পাড়ি দিয়ে চলে যাচ্ছে।

সোমবার সকাল থেকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ মোড় থেকে দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক যানবাহন শূন্য দেখা যায়।

রাজবাড়ী থেকে ভানে কাঁঠাল বোঝাই করে দৌলতদিয়াঘাটে নিয়ে আসা ভ্যানচালক উজ্জ্বল বলেন, দুদিন ধরে ঘাটে কাঁঠাল বিক্রি করছি। আগে এই ফেরিঘাটে ঝালমুড়ি বিক্রি করতাম, এখন পেশা পরিবর্তন করে কাঁঠালের সময় কাঁঠালের ব্যবসা করে ভালো লাভ হচ্ছে।

কুষ্টিয়া থেকে দৌলতদিয়াঘাটে আসা লোকাল বাসের চালক চান্দু কাজী বলেন, সকালে আমাদের মায়ের আঁচল বাসে করে অল্পসংখ্যক লোক নিয়ে ঘাটে এসেছি। এখন যাত্রী শূন্য গাড়ি নিয়ে কুষ্টিয়ায় ফিরে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, যেখানে দূরপাল্লার পরিবহনেরই বাস নেই; সেখানে আমাদের গাড়িতে যাত্রী থাকবে কী করে?

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়াঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) নাসির উদ্দীন খান যুগান্তরকে বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই এই নৌরুটে যানবাহনের চাপ কমে গেছে। কিছু কিছু জেলার যানবাহন সরাসরি পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ঢাকাতে প্রবেশ করছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান বাইডেনের

রাশিয়ার বিরুদ্ধে শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি-৭ নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

রোববার জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত জি৭-এর ৪৮তম বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। খবর রয়টার্সের।

বৈঠকে বাইডেন জি-৭ নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘রাশিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের অবশ্যই একসঙ্গে থাকতে হবে।’

এর আগে বৈঠকের শুরুতে জি-৭ ভুক্ত সাত দেশের মধ্যে চার দেশ রাশিয়া থেকে সোনা আমদানি নিষিদ্ধের জন্য মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে সম্মত হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ‘বিশ্বের ধনী দেশের নেতারা রাশিয়া থেকে সোনা আমদানির ওপর একসঙ্গে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেবেন। সোনা রপ্তানি করে রাশিয়া কোটি কোটি ডলার আয় করে থাকে। মস্কোর ওপর চাপ বাড়াতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে।’

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে সোনা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জাপান। জি-৭ এর বাকি তিন দেশ জার্মানি, ফ্রান্স এবং ইতালিও রাশিয়া থেকে সোনা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জো বাইডেন।

রোববার ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে— ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং কানাডা রাশিয়ান সোনা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে সম্মত হয়েছে। গত বছর এক হাজার ৫৫০ কোটি ডলার সোনা রপ্তানি করে আয় করেছে।

জার্মান সরকারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, জি-৭ নেতারা রাশিয়ান তেলের সম্ভাব্য মূল্যসীমার বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা করছেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্টের দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, সম্মেলনে প্যারিস রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের মূল্যসীমা নির্ধারণের জন্য চাপ দেবে।

উল্লেখ্য, জি৭-এর নেতারা ইউক্রেনে যুদ্ধ এবং খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনার জন্য এই শীর্ষ সম্মেলনে জড়ো হয়েছেন। জার্মানির মিউনিখে রোববার থেকে শুরু হয়েছে এই সম্মেলন, যা চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত।

ইউক্রেনে মাইন অপসারণ করবে রোবট

ইউক্রেনে মাইন অপসারণের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে রোবট। একটি অমুনাফাভোগী মাইন সরানো প্রতিষ্ঠানকে দুটি রোবটিক কুকুর দিতে সম্মত হয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর চার মাস পেরিয়ে গেছে। এতে দেশটিতে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ছড়িয়ে পড়েছে।

এসব উদ্ধারে কাজ করবে রোবট। খবর ফরেন পলিসির।

ইউক্রেনে মাইন অপসারণে কাজ করছে হালো ট্রাস্ট। সংস্থাটি গত আট বছরে প্রায় দুই হাজার বিস্ফোরকজনিত ক্ষতির ঘটনা নথিবদ্ধ করেছে। এতে নারী, পুরুষ ও শিশু সবাই আক্রান্ত হয়েছে।

হালো ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক ক্রিস হুইটলি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের দুটি রোবটিক কুকুর দিচ্ছে। বস্টন ডিনামিক্সের তৈরি রোবটটি ‘স্পট’ নামে পরিচিত।

২০১৪ সাল থেকেই ইউক্রেনকে বিস্ফোরক ও ল্যান্ডমাইন সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর তা আরও বেড়েছে।

এ যুদ্ধ এখন সীমান্ত এলাকা ছাড়িয়ে পড়েছে গ্রামাঞ্চলেও। বিস্তৃত কৃষিক্ষেত্র এবং বনাঞ্চলগুলো এখন বিস্ফোরক দিয়ে ভরা। যে কোনো সময় এসব বিস্ফোরিত হতে পারে।

রোবটিক কুকুর স্পট হালো ট্রাস্টকে দেওয়া হবে কিনা, সে সম্পর্কে বস্টন ডিনামিক্স অফিসিয়ালি কোনো মন্তব্য করেনি। প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং ডিরেক্টর নিকোলাস নোয়েল বলেছেন, ‘স্পট একটি কার্যকর রোবট। এটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। নিরাপদ দূরত্বে থেকে বিপজ্জনক জায়গায় অনুসন্ধানী তৎপরতা চালাতে পারে।’

মার্কিন সেনাবাহিনীর ফিউচার কমান্ড রোবট হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এই রোবট দিয়ে মানুষের সাহায্য ছাড়াই একই ধরনের কাজ বারবার করানোর জন্য প্রোগ্রামিং করা সম্ভব। তবে এই রোবট দিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় কাজ করার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। কারণ পূর্বানুমান এবং পূর্বাভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এগুলো প্রোগ্রামিং করা হয়। নতুন পরিবেশে নতুন ধরনের পদার্থের সংস্পর্শে এগুলো কতটা নির্ভরযোগ্য, সে ব্যাপারে একটা অনিশ্চয়তা আছে।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের এক গ্রামবাসী বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর আগে আমরা ভালোই ছিলাম। পশু চরাতাম, চাষবাস করতাম। কিন্তু এখন নিজের জমিতেই গরুগুলো নিয়ে যেতে ভয় হয়।’

আরেক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, তাদের পশুর জন্য খাদ্যের সংস্থান করতে না পারায় সেগুলো জবাই করে ফেলতে হয়েছে।

পূর্বাঞ্চলের দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলে হালো ট্রাস্ট স্থানীয় চার শতাধিক নারী-পুরুষকে নিয়োজিত করেছে মাইন অপসারণ কাজের জন্য। যারা এসেছে তুলনামূলক দরিদ্র পল্লী এলাকা থেকে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০১৬ সাল থেকে তারা এ পর্যন্ত শত শত বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। তারা এখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষ অপসারণ, বিশেষ করে ক্ষতিকর বস্তু সরানোর কাজে ব্যস্ত। এ ছাড়া মাইন ও বিস্ফোরককবলিত এলাকায় সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন করছে তারা।

ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর সংস্থাটির কাজের চাপ বেড়ে গেছে। হুইটলি আশা করছেন, স্পট দিয়ে রাশিয়ার ছোড়া গুচ্ছবোমার আবর্জনা পরিষ্কার করা সহজ হবে। সারা দেশেই এগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। সাধারণত ক্লাস্টার বোমা যেখানে ফেলা হয়, সেখানে এর অনেক বোমা অবিস্ফোরিত থেকে যায়, যা পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে থেকে যায়। একেকটি ব্যাচে ৫০ থেকে ১০০টি শেল থাকে।

বর্তমানে বুচা ও ব্রোভারি শহরে ট্রাস্টের ১০টি টিম কাজ করছে। যুদ্ধ শুরুর পর ট্রাস্টের ইউক্রেনীয় কর্মীরা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছেন। অনেকে মারিউপোল ও দোনবাসের মতো রুশনিয়ন্ত্রিত এলাকায় আটকা পড়েছেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, কর্মীসংকটের কারণে ট্রাস্টের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

হুইটলি বলেন, ‘মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে না ফেলে মাইন ও বিস্ফোরক পরিষ্কারের কাজটি করা গেলে আমাদের কাজে গতিশীলতা আসবে। যেখানে মানুষের পক্ষে ঢোকা অসম্ভব, সেই জায়গাগুলোয়ও আমাদের টিম কাজ করতে পারবে।’

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে প্রথম স্পট ব্যবহার করা হয়। দূরবর্তী এলাকা সন্দেহভাজন টার্গেটে অনুসন্ধান কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসএমই খাতের সম্ভাবনা অপার

এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান বলেছেন, করোনা মহামারির কারণে উন্নত দেশগুলো তাদের উৎপদন ও সরবরাহ চেইন বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের পণ্যে চাহিদা বাড়বে। দেশের অভ্যন্তরে যে আমদানিনির্ভর বাজার রয়েছে, আমাদের উদ্যোক্তারা যদি তাও ধরতে পারে তাহলে এসএমই খাত অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটা কার্যকর ভূমিকা রাখার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। যুগান্তরকে তিনি রোববার এসব কথা বলেছেন। সাক্ষৎকার নিয়েছেন মাহাদী হাসান

যুগান্তর : দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবস্থান কেমন?

মাসুদুর রহমান : কোভিড-পরবর্তী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প যে পর্যায়ে থাকবে আশা করেছিলাম, সেখানে নেই। করোনার কারণে উদ্যোক্তারা বড় ধরনের বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। পাশাপাশি এই শিল্পের অধিকাংশ পণ্য তৈরি করা হয় বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে। কিন্তু ২০২০ সালে বড় বড় উৎসবে কোনো পণ্য উৎপাদন করতে পারেননি। উপরন্তু ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে যে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, এর প্রভাবও আমাদের ওপর এসে পড়েছে। এ কারণে আমাদের ভোক্তারাও ব্যয় সংকোচন করেছেন। ফলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এখন টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করছেন।

যুগান্তর : এই শিল্প দেশের অর্থনীতেতে কী ধরনের অবদান রাখছে?

মাসুদুর রহমান : দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৮০ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের। এই একটি পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে এ খাতের গুরুত্ব কতটুকু। এটা কি পরিমাণ আবদান রাখে। পাশাপাশি যে কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসএমই খাত চালিকাশক্তির ভূমিকা পালন করে। আমাদের এখানে সেটি এখনো হয়ে উঠেনি। আমাদের জাতীয় আয়ে এসএমই খাতের অবদান ২৫-২৭ ভাগ। কিন্তু ভারতে ৬০ ভাগ, ভিয়েতনামে ৪৫ ভাগের ওপরে।

যুগান্তর : বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় এসএমই খাত কীভাবে সাহায্য করতে পারে?

মাসুদুর রহমান : কোভিড ও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের ফলে সারা বিশ্বে একটা পরিবর্তন আসছে। চীনকেন্দ্রিক যে উৎপাদনব্যবস্থা এবং সাপ্লাই চেন তৈরি হয়েছিল, তা বড় অর্থনীতির দেশগুলো বিকেন্দ্রীকরণ করার চেষ্টা করছে। এটা আমাদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। আমাদের সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে তৈরি পোশাক শিল্পের মাধ্যমে। এ খাতে একটি বড় নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের অভ্যন্তরীণ বাজারের যে চাহিদা আছে তার বড় একটা অংশ বিদেশ থেকে আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এখন আমাদের উদ্যোক্তারা যদি অভ্যন্তরীণ বাজারটিকেও ধরতে পারে, তাহলে এসএমই খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটা কার্যকর ভূমিকা রাখার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

যুগান্তর : উদ্যোক্তাদের আর্থিক সংকটে কাটাতে এসএমই ফাউন্ডেশন কী ভূমিকা রাখছে?

মাসুদুর রহমান : আমাদের যে আর্থিক কাঠামো রয়েছে তাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ বিতরণ এবং ঋণ নিয়ে যাওয়াটা একটা বড় সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি সমাধানে সরকারি পর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের প্রণোদনা বিতরণের দায়িত্ব দিয়েছিল। তবে যে অর্থ দেওয়া হয়েছিল, তা অত্যন্ত সীমিত। এ অর্থ দিয়ে ব্যাপকসংখ্যক উদ্যোক্তাকে সন্তুষ্ট করতে পারব না।

যুগান্তর : জাতীয় এসএমই মেলা আয়োজনের উদ্দেশ্য কী?

মাসুদুর রহমান : আমরা প্রতিবছর জাতীয় এসএমই মেলার আয়োজন করে থাকি। আটটি বিভাগীয় শহরে আঞ্চলিক মেলা করা হয়। মেলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতা, সরবরাহকারী এবং করপোরেট যে ক্লাইন্টদের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের সংযোগ তৈরি করে দেওয়া। মেলায় এসএমই খাতের বিভিন্ন ক্যাটাগরির উদ্যোক্তারা পণ্য নিয়ে আসেন। সেখান থেকে অধিকাংশ ক্রয় করেন বড় বড় ব্যবসায়ী। মেলার মাধ্যমে স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে যোগাযোগ ও পণ্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বাজার সংযোগ তৈরি হয়।

যুগান্তর : সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

মাসুদুর রহমান : যুগান্তরকেও ধন্যবাদ।

তেলের দাম নিয়ে সুখবর দিলেন বাণিজ্য সচিব

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমায় আগামী দু-একদিনের মধ্যে দেশের বাজারেও সেটি কমে আসবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার দ্বাদশ মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তপন কান্তি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমায় অভ্যন্তরীণ বাজারে শিগগিরই এ দাম সমন্বয় করা হবে।

তিনি বলেন, তেলের দামের ক্ষেত্রে আগামী দু’একদিনের মধ্যে একটা সুখবর আসতে পারে। আশা করছি তেলের দাম কমবে। এখন সেই হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে। ট্যারিফ কমিশন তেল রিফাইনারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক করে আমাদের জানালে তার পর আমরা জানাতে পারব কত টাকা কমবে। তবে এটি বলা যায় যে, তেলের দাম কমবে।

কোটি কোটি টাকা খরচে নাচ-গান হয়, বন্যার্তরা ত্রাণ পায় না: মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে, আর অসহায় বানভাসিরা ত্রাণ পায় না। যখন দেশের মানুষ বন্যার পানিতে ভেসে মানবেতর জীবনযাপন করে; তখন কোটি কোটি টাকা খরচ করে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের নামে নাচ-গান হয়।

এ সময় তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াই পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন।

রোববার দুপুরে কিশোরগঞ্জের হাওড় উপজেলা ইটনার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কলেজ এবং মহেশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুন প্রমুখ।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কলেজ এবং মহেশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে পাঁচ শতাধিক অসহায় বানভাসির হাতে ত্রাণ উপহার তুলে দেওয়া হয়।

বিএনপিকে একহাত নিলেন সুলতান মনসুর

সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ।২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে গণফোরামের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।সেই সুলতান মনসুর জাতীয় সংসদে বিএনপিকে একহাত নিলেন।

তিনি এখন বিএনপিকে কোনো রাজনৈতিক দলই মনে করছেন না।বলেছেন, ‘বিএনপি হচ্ছে নো পার্টি, এটা একটি প্ল্যাটফর্ম। তাদের কোনো রাজনৈতিক দর্শন নেই।’

রোববার জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সাধারণ আলোচনায় দাঁড়িয়ে তিনি একথা বলেন।

সুলতান মনসুর বলেন, ‘তাদের দর্শন হচ্ছে সরকার, ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলা। তাদের রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে কীভাবে পাকিস্তানের বন্ধুদের খুশি রাখার ভূমিকা রাখা যায়। সেটি হলো এই রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য। কিন্তু সেটা এই দেশে কোনো দিন ফলবে না।’

এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি। তারপর হন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।কিন্তু ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর ‘সংস্কারপন্থি’ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আওয়ামী লীগ থেকে ছিটকে পড়েন।তারপর থেকে আর রাজনীতিতে খুবএকটা সুবিধা করতে পারেননি।আওয়ামী লীগও তাদের দুর্দিনের এই ‘সংস্কারপন্থি’ নেতাকে সুদিনে আর ঠাঁই দেয়নি দলে।ফলে রাজনীতির অঙ্গনে একসময়ের প্রভাবশালী সুলতান মনসুর কোনঠাসা হয়ে পড়েন।

২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ড. কামাল হোসেনের গণফোরামে নাম লিখিয়ে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।ওই নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল, আর এই জোটভুক্ত দলগুলোর অধিকাংশ নেতা বিএনপির প্রতীকেই প্রার্থী হয়েছিলেন।

কিন্তু রোববার উল্টো সুর সুলতান মনসুরে মুখে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি ইঙ্গিত করে সংসদে তিনি বলেন, ‘এই দলের কোনো নেতৃত্ব নেই। বাছুররা এই দেশে আসতেও পারবে না, তাদের হাতে বাংলাদেশে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।’

বন্যায় সরকার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না- বিএনপির এই সমালোচনার দিকে ইঙ্গিত করে সুলতান মনসুর বলেন, ‘সরকারের সক্রিয়তা না থাকলে সামরিক বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসনযন্ত্র কীভাবে মানুষের সেবায় কাজ করল?শুধু বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা নয়। ভারত বিরোধিতা করে, শেখ হাসিনাকে বিরোধিতা করে, সরকার বিরোধিতা করে রাজনীতি কোনো দিন হতে পারে না।’

এ সময় নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও ব্যাখ্যা করেন সুলতান মনসুর। তিনি বলেন, ‘পদ্মা, মেঘনা, যমুনা তোমার আমার ঠিকানা- এই স্লোগানকে ধারণ করে যে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জীবন শুরু করেছিলাম। সেই পদ্মায় শনিবার সেতু উদ্বোধন হয়েছে। বিশ্বের মধ্যে প্রথম খরস্রোতা নদীর মধ্যে পদ্মা সেতু।এই সংসদে বলেছিলাম, জাতির পিতাকে যারা মেনে নেবে, তারাই শুধু রাজনীতি করতে পারবে, ক্ষমতায় যাওয়া সুযোগ থাকবে। তাছাড়া কোনো সুযোগ থাকবে না।’

সুপ্রিমকোর্টের ১২ বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত

করোনা সংক্রমণ দেশে বেড়েছে। নতুন অনেক রোগী শনাক্ত হচ্ছেন। সুপ্রিমকোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতি কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন।

সোমবার আপিল বিভাগে বিচারকার্য পরিচালনার সময় প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ১২ বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় কোর্ট পরিচালনা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। এ সময় কোর্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে সব আইনজীবীর সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

জানা গেছে, আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বিচারপতি মো. ইকবাল কবীরসহ ১২ বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বাইক আরোহীরা পদ্মা সেতু পার হচ্ছেন যেভাবে

পদ্মা সেতু সাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার দিনেই ঘটে মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা।

১০৫ কিলোমিটার গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে নিহত হন দুই যুবক। অথচ সেতুতে গাড়ির গতি ৮০ কিলোমিটারের ওপরে তোলা নিষিদ্ধ।

দুর্ঘটনার পর পরই পদ্মা সেতুতে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এতে বিপাকে পড়েন রোববার সেতু পাড়ি দিয়ে দুই প্রান্তে আসা বাইকাররা। তারা কীভাবে নিজেদের বাড়ি ফিরবেন মোটরসাইকেল নিয়ে সে দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন।

আর সেই দুশ্চিন্তা লাঘব করে দিয়েছে নতুন এক কৌশল। পিকআপ-ভ্যানে উঠিয়ে তারা তাদের মোটরসাইকেল নিয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দিচ্ছেন।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সোমবার সকালে এমন চিত্রই দেখা গেল। এ নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল ফেসবুকে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্রাকে করে মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছেন চালকরা।

তাদের একজন বললেন, হঠাৎ এই নিষেধাজ্ঞায় খরচটা বেড়েই গেল। নিজে চালিয়ে পদ্মা সেতু পার হলে ১০০ টাকা টোল দিতে হতো। এখন পিকআপ-ভ্যানে উঠিয়ে নিয়ে যেতে প্রতি মোটরসাইকেলে ৪০০ টাকা করে গুনতে হচ্ছে।

তবে এভাবে মোটরসাইকেল নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারছেন বলে খুশি তারা।