শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 234

যেভাবে কানের যত্ন নেবেন বর্ষা মৌসুমে

বর্ষাকালে কানের বিশেষ যত্ন নিতে হয়। যখন তখন বৃষ্টিতে ভিজে কানের ভেতর পানি ঢুকে যেতে পারে। এ থেকে কানে ব্যথা ও পর্দা ফাটার ঘটনাও ঘটতে পারে।

বর্ষাকালে কানের রোগ ও যত্ন সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন নাক, কান ও গলারোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জাহীর আল-আমিন।

কানে ছত্রাক সংক্রমণকে চিকিৎসার পরিভাষায় অটোমাইকোসিস বলে। ফাঙ্গাস ছাড়াও কানে অন্যান্য সংক্রমণের কারণগুলো হলো ঠান্ডা লাগা এবং অ্যালার্জি।

স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি এবং হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণেও কানে নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ সারা বছরই ঘটলেও বর্ষাকালে এ ধরনের সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যায়। এ ছাড়া কানের ময়লা বা ওয়াক্স সঠিকভাবে বের হতে না পারলেও তা ছত্রাক সংক্রমণে ইন্ধন জোগায়।

পাশাপাশি, কান বন্ধ, কানে অস্বস্তি, কান ফুলে যাওয়া, হালকা চুলকানি, কানে ব্যথা, শ্রবণক্ষমতা কমে যাওয়া, কান থেকে তরল নিঃসৃত হওয়া, কানে তীব্র ব্যথা হওয়া ইত্যাদি কানে সংক্রমণের উপসর্গ। এমনকি জ্বরও হতে পারে সংক্রমণের লক্ষণ।

বর্ষাকালে কানের যত্ন হিসাবে গোসলের পর শুকনো কাপড় দিয়ে কান মুছে নিন। কানের ওয়াক্স এমনিই বের হয়ে আসে। আলাদা করে কটনবাড ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। কোনো কিছু দিয়ে খোঁচাখুঁচিও করতে হয় না। বরং এসব করতে গিয়ে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কানে ক্ষত তৈরি হতে পারে। সেখান থেকে হতে পারে সংক্রমণ। আর কানে ওয়াক্স জমে পাথর হয়ে গেলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে তিনি কানে দেওয়ার জন্য ড্রপ দেবেন। সেই ড্রপ কয়েকদিন ব্যবহারে কানের ওয়াক্স নরম হয়ে যায়।

এরপর ইএনটি চিকিৎসক সহজেই সেই ওয়াক্স বের করে দেন। খুব বেশি ঠান্ডা জিনিস খাবেন না। বর্ষাকালে ঠান্ডা খাবার থেকে গলায় সংক্রমণ ও সেখান থেকে কানে সংক্রমণ হওয়া নতুন কিছু নয়।

ব্যথার ওষুধ খাবেন নাকি ফিজিওথেরাপি নেবেন?

ব্যথার ওষুধের ব্যবহার বাড়ছে দিন দিন। দীর্ঘমেয়াদে এই ওষুধ খেলে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ব্যাথানাশক ওষুধ, বিশেষ করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করে এমন ওষুধ গ্রহণের বিরোধী।

এখন চিকিৎসার উদ্দেশ্য কেবল রোগ ভালো করা নয়, একটি রোগ ভালো করতে গিয়ে যাতে শরীরের অন্য ক্ষতি না হয়ে যায় সে দিকেও খেয়াল রাখেন চিকিৎসকরা। যেমন শারীরিক ব্যথা; ব্যথাবিরোধী ওষুধগুলো আমাদের শরীরে অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করে থাকে, যা অনেক সময় মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

ব্যথায় ওষুধ খাবেন নাকি ফিজিওথেরাপি নেবেন এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আলী।

শারীরিক ব্যথার ধরন : যেসব শারীরিক ব্যথা আমাদের বেশি ভোগায় তার মধ্যে ঘাড়, কোমর, হাঁটু, কাঁধ, হাতের কুনুই, পায়ের গোড়ালি এবং পিঠ ব্যথা অন্যতম। চল্লিশোর্ধ্ব নারী-পুরুষ সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন। যারা দীর্ঘ সময় অফিসে বসে কাজ করেন অথবা প্রতিদিন অফিসে যাতায়াতের জন্য যানবাহনে বসে থাকেন তাদের মধ্যে ব্যথায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।

এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের ঘাড়, কোমর, হাঁটু ও কাঁধ ব্যথা বেশি হয়। তাছাড়াও যারা ভারি কাজ অথবা সংসারের কাজ যেমন কাপড়কাঁচা ঘরমোছা ইত্যাদি অত্যধিক পরিমাণে করে থাকেন তাদেরও ব্যথায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।

ব্যথার ওষুধ কীভাবে কাজ করে : ব্যথার ওষুধ গ্রহণের ফলে এর উপাদান পাকস্থলি থেকে রক্তের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছায় এবং কোষ থেকে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ ঘটায় যা বিভিন্ন মেকানিজম (যেমন- পেইন গেট থিউরি)-এর মাধ্যমে ব্যথার স্থানের প্রদাহ কমাতে চেষ্টা করে। কিন্তু ব্যথার ওষুধ পাকস্থলি ও কিডনির মাধ্যমে শরীরে ছড়ায় বলে তা পাকস্থলিতে ক্ষতের সৃষ্টি করতে পারে অথবা আগে থেকেই পাকস্থলিতে ক্ষত বা আলসার থাকলে তা বাড়িয়ে দিতে পারে।

একইভাবে দীর্ঘদিন কিডনি দিয়ে ব্যথার ওষুধ নিঃসরণ হলে কিডনির স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। তাছাড়া ব্যথার ওষুধ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। যেমন- ঘাড় ব্যথার জন্য কেউ ব্যথানাশক সেবন করল, তা কি শুধু ঘাড়েই ছড়াবে? না, এই ওষুধের উপাদানগুলো রক্তের মাধ্যমে সারা শরীরে পৌঁছে যাবে এবং শরীরের সুস্থ অংশে অনাকাক্সিক্ষত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে। বিষয়টি মশা মারতে কামান দাগার মতোই অনভিপ্রেত। তাই দীর্ঘদিন ব্যথানাশক সেবন করলে তা শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবেই।

ফিজিওথেরাপি কীভাবে কাজ করে : ফিজিওথেরাপি স্থানীয় বা লোকাল চিকিৎসা। অর্থাৎ শরীরের যে অংশ ব্যথায় আক্রান্ত সাধারণত সেই অংশেই ফিজিওথেরাপি প্রয়োগ করা হয়। শুধু ব্যথা নিরাময় ফিজিওথেরাপির উদ্দেশ্য নয়, ব্যথার কারণ নির্ণয় করে তা নির্মূল করাই এর লক্ষ্য। ধরুন, পিএলআইডি বা কোমরের কশেরুকার চাকতি সরে গিয়ে তা স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে কোমর ও পায়ে ব্যথা সৃষ্টি করল।

এ ক্ষেত্রে ব্যথার ওষুধের কাজ কি? ব্যথানাশক কেবল সাময়িকভাবে ব্যথা কমাতে পারবে কিন্তু স্নায়ুর ওপর যে চাপ সৃষ্টি হল তা সরানোর ক্ষমতা ব্যথার ওষুধের নেই। পক্ষান্তরে ইলেক্ট্রোথেরাপির মাধ্যমে সাময়িক ব্যথা নিয়ন্ত্রণ এবং ম্যানিপুলেটিভ থেরাপির মাধ্যমে স্নায়ুর চাপ সরানো সম্ভব। অর্থাৎ ফিজিওথেরাপি ব্যথা ও ব্যথার কারণ দুটোর উপরেই কাজ করে।

তাই এটি দ্রুত ও কার্যকরি এবং যেহেতু এটি কিডনি ও পাকস্থলির ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না, তাই এটি গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না।

অন্যান্য রোগে ফিজিওথেরাপি : ব্যথা ছাড়াও স্ট্রোক পারালাইসিস, বেলস পালসি ইত্যাদিতেও ফিজিওথেরাপি বেশ কার্যকর। মুখ বেঁকে যাওয়া বা বেলস পালসিতে রোগীরা প্রদাহ ও ভাইরাসবিরোধী ওষুধের সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ফিজিওথেরাপি নেয়া শুরু করলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। আর স্ট্রোক প্যারালাইসিস রোগীরা একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের অধীনে চিকিৎসা নিলে স্ট্রোক নিরাময় হয়ে আবার কর্মক্ষমতা ও সচলতা ফিরে পেতে পারেন।

কোথায় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পাবেন : সঠিক ফিজিওথেরাপির প্রথম ধাপ হল সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়। ঠিক কি কারণে আপনার শরীরে ব্যথা হচ্ছে তা নির্ণয় করতে না পারলে কখনই ফিজিওথেরাপি ফলপ্রসূ হবে না। উদাহরণ স্বরুপ বলা যায়; হার্টের রোগ বা প্রেসার থেকে অনেক সময় ঘাড় কাঁধ বা বুক ব্যথা হতে পারে কিন্তু কারণ না জেনেই যদি এসব ক্ষেত্রেও ফিজিওথেরাপি প্রয়োগ করা হয় তা কি কাজ করবে?

তাই প্রথমেই ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞকে রোগ নির্ণয় করার সুযোগ দিতে হবে। আবার অনেকেই ফিজিওথেরাপির নামে না জেনে বিভিন্ন ধরনের ম্যাসাজ বা মালিশ বা টানাটানি করে থাকেন। এটিও হিতে বিপরীত ফল আনতে পারে। তাই একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ফিজিওথেরাপি নিলেই তা সবচেয়ে ভালো ফল দেবে। যত্রতত্র গজিয়ে উঠা সেন্টারে ফিজিওথেরাপি না নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

ফিজিওথেরাপি একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি। এ চিকিৎসা নিয়ে অবহেলার সুযোগ নেই। একজন রোগীর সুস্থ হওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই ফিজিওথেরাপি নেয়া উচিত। অনেই মনে করেন সাময়িক আরাম পাওয়ার জন্যই ফিজিওথেরাপি দেওয়া হয়।

ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। সাময়িক ব্যথা মুক্তির জন্য আপনি ব্যথানাশক খেতে পারেন, কিন্তু ফিজিওর মূল্য উদ্দেশ্য হল রোগীকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্যথা ও ব্যথার কারণ মুক্ত করা এবং প্যারালাইসিসসহ অন্যান্য অচল রোগীর সচলতা ফিরিয়ে দেয়া।

‘ভয়’- এর মুখোমুখি অঙ্কুশ-নুসরাত!

২০১৯ সাল থেকে শ্যুটিং শুরু হয়েছিল ‘ভয়’ছবির। তারপর মহামারি করোনার কারণে শ্যুটিং বন্ধ হয়ে যায়। এই ছবিতে বাংলাদেশের নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে এই ছবির শ্যুটিং। রাজা চন্দের আগামী ছবি ‘ভয়’-এর শ্যুটিংয়ে সারাদিন ব্যস্ততার মধ্যেই কেটেছে নুসরাত আর অঙ্কুশ। ইকো এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে আসছে এই ছবি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ফের শ্যুটিং চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নির্মাতারা।

বারুইপুরের শাসন রেল স্টেশনের কাছে বিখ্য়াত কেষ্ট মণ্ডলের বাড়িতে শ্যুটিং হওয়ার করা রয়েছে। সিনেমায় অঙ্কুশ সাঁতারের প্রশিক্ষক। তার ছোট বোন অটিস্টিক। মা ক্যানসারে আক্রান্ত। বোন যে স্কুলে পড়ে, সেই স্কুলের শিক্ষিকা নুসরাত ফারিয়া। অঙ্কুশ-নুসরাত ছাড়াও ছবিতে আরও অভিনয় করছেন বরুণ চক্রবর্তী, অভিষেক সিংহ, অসীম রায় চৌধুরী, অমিতাভ গঙ্গোপাধ্যায়, সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায়, অরুণাভ দত্ত প্রমুখ।

‘ভয়’-এর পাশাপাশি বিরসা দাশগুপ্ত পরিচালিত ‘বিবাহ অভিযান ২’ ছবিতেও ফের একবার জুটি বাঁধবেন অঙ্কুশ-নুসরত।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

বিয়ে করলেন শবনম ফারিয়ার সাবেক স্বামী, যা বললেন অভিনেত্রী

নাটকের জনপ্রিয় মুখ শবনম ফারিয়ার সঙ্গে সাবেক স্বামী হারুনুর রশীদ অপুর ছাড়াছাড়ি হওয়ার দেড় বছর হতে চলল। বিচ্ছেদ যাতনা ভুলে অভিনয়ে নিয়মিত হয়েছেন এই নায়িকা। নতুন সম্পর্কে জড়ানোর গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে তার সম্পর্কে।

নতুন সম্পর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এটেছেন শবনম। অভিনয়টাকেই গুরুত্ব দিতে চাচ্ছেন।

শবনমের ভক্তদের জন্য নতুন খবর হচ্ছে শবনম ফারিয়ার সাবেক স্বামী হারুনুর রশীদ অপু বিয়ে করেছেন। তার নতুন স্ত্রীর নাম নওরিন আহমেদ। তিনি তরুণ উপস্থাপিকা ও মডেল। এই খবর শবনমই দিয়েছেন নিজের ফেসবুকে। অপু-নওরিনের ছবি দিয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শবনম ফারিয়া।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের স্টোরিতে প্রাক্তন স্বামীর বিয়ের ছবি যুক্ত করে ফারিয়া লিখেছেন, ‘অভিনন্দন, শুভকামনা।’

অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ভালোবেসে প্রেমিক হারুনুর রশীদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু সংসার দীর্ঘতর হয়নি। এক বছর ৯ মাস টিকে তাদের সেই সংসার।

২৭ নভেম্বর অপুকে ডিভোর্স দেন শবনম। দুজনের সম্মতিতেই এই বিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

এ প্রসঙ্গে শবনম ফারিয়া বলেছিলেন, এই বিচ্ছেদের পেছনে উল্লেখযোগ্য কারণ নেই। একে অপরের প্রতি কোনো অভিযোগও নেই। দুজনেই চেয়েছি নিজেদের মতো ভালো থাকতে। তাই আলাদা হয়ে গেছি।

শবনম তখন আরও বলেছিলেন, আমি আর অপু অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসঙ্গে থাকতে! কিন্তু বিষয়টা একটা পর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়। চলতি বছরের শুরুতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা আর একসঙ্গে থাকতে চাই না। দুজনেরই সমস্যা হচ্ছিল। তাই বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়েছি।

২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে শবনম-অপুর পরিচয় হয়। এরপর বন্ধুত্ব এবং প্রেম। অপু এখন অন্যের সঙ্গী।

অবিশ্বাস্য! দুই ম্যাচে হলো ১৮৭ গোল

এক ম্যাচে একটি দল জিতেছে ৯৫-০ গোলে। আরেক ম্যাচের ফলাফল ৯১-১ গোল। দুই ম্যাচ মিলে ১৮৭ গোল! এ-ও কি সম্ভব! ৯০ মিনিটে ফুটবল ম্যাচে এত গোল হয় কী করে?

শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এমন ঘটনাই ঘটেছে সিয়েরা লিওনের দ্বিতীয় স্তরের ফুটবল লিগে।

দুই ম্যাচে ১৮৭ গোলের অকল্পনীয় ঘটনায় তোলপাড় পশ্চিম আফ্রিকার দেশটি।

কাহুনলা রেঞ্জার্স ৯৫–০ গোলে হারিয়েছে লোম্বেবু ইউনাইটেডকে। আর ককুইমা লেবাননের বিপক্ষে গালফ এফসির জয়টি ৯১–১ গোলে।

তার ম্যাচ দুটির প্রায় সব গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে।

প্রথমার্ধে ৯৫–০ গোলের ম্যাচটির স্কোরলাইন ছিল ২–০। অর্থাৎ ৯৩ গোল হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে! যার মানে প্রতি মিনিটে ২টি করে গোল হয়েছে।

আরেকটি ম্যাচের অবস্থাও একই। এর দ্বিতীয়ার্ধে হয়েছে ৮৪ গোল। প্রথমার্ধে স্কোরবোর্ডে ছিল ৭–১।

স্বাভাবিকভাবে এমন দুটি ম্যাচকে পাতানো বলে দাবি করেছে

এটাকে পাতানো ম্যাচের ভয়ংকর এক ঘটনা বলেছেন সিয়েরা লিওনে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এসএলএফএ)।

সংস্থাটির প্রধান ড্যাডি ব্রিমা বলেছেন, ‘এমন ঘটনায় কেউ শাস্তি পাবে না, এমনটা হতে পারে না। আমরা দ্রুতই তদন্ত শুরু করব।’

ম্যাচ পাতানোর মতো অপরাধমূলককাণ্ডে জড়িত নন দাবি করে ৯৫–০ গোলে হারা লোম্বেবুর মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইয়ান সাইয়েদ জাল্লো বলেছেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধে আমরা অনেক গোল খেয়েছি। আমি এটা নিয়ে হতাশ। তবে আমি কোনোভাবেই ম্যাচ পাতানোর সঙ্গে জড়িত নই।’

এমন জয়ে খুশির বদলে ক্ষমা চেয়েছেন কাহুনলা রেঞ্জার্স দলটির প্রধান নির্বাহী এরিক কেইটেল। তিনি বলেছেন, ‘আমার দলের এমন জয়ের জন্য আমি দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ক্ষমা চেয়েই কথা শুরু করছি। প্রতিপক্ষ দলের এমন অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’

সিয়েরা লিওনে দেশটি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো এই যে, বাংলা ভাষাকে তারা তাদের দেশের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসাবে ঘোষণা করেছে ২০০২ সালে।

তথ্যসূত্র: গোল ডট কম

ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর যা বললেন সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটারার

শুরুটা ভালো হলেও শেষ পর্যন্ত এজবাস্টন টেস্টে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের। জো রুট ও জনি বেয়ারস্টোর মারমুখী ব্যাটিং ও জোড়া শতকের কাছে লাঞ্চের আগেই অসহায় আত্মসমর্পণ করে বুমরাহ বাহিনী। ফলে এজবাস্টনে আরও বড় অর্জন হয়েছে ইংল্যান্ডের।

মঙ্গলবার ভারতের বিপক্ষে ৩৭৮ রান তাড়া করে ৭ উইকেটে জিতেছে বেন স্টোকসের দল। এই পরাজয়ের ফলে ভারতের সাবেক ক্রিকেটারা ধুইয়ে দিলেন বুমরাহদেরকে।

ভারতের এমন হারে দেশটির সাবেক ওপেনার বীরেন্দ্র শেবাগ মনে করেন, রাহুল দ্রাবিড়-প্রশিক্ষিত ভারতীয় দলের সব কিছু ঠিকঠাক নেই। এজবাস্টন টেস্টে ইংল্যান্ড রেকর্ড ৩৭৮ রান তাড়া করে ৭ উইকেটে জেতার পরে নানা প্রশ্নই উঠছে। শেবাগ মনে করেন, কিছু জিনিস যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমাধান করা দরকার।

ভারতের হতশ্রী পারফরম্যান্স দেখার পর টুইটারে শেবাগ লিখেছেন, ‘ভারতের বেশ কয়েকটি সমস্যার সমাধান করতে হবে। ব্যাটিং অর্ডারের প্রথম ছয়ে একমাত্র পূজারা এবং পন্ত রান করেছেন। জাদেজা দুর্দান্ত ব্যাটিং করছে। তবে আমাদের টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্মে থাকা দরকার। চতুর্থ ইনিংসে বোলিং একেবারে জঘন্য ছিল।’

তবে জো রুটে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন শেবাগ। জো রুট ২৮তম টেস্ট শতরান করে ফেলেছেন। এবং পাঁচ ম্যাচের সিরিজে চতুর্থ শতরান করেন। শেবাগ তাই যোগ করেছেন, ‘এই সিরিজে চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি করে ফেললেন অসাধারণ রান মেশিন জো রুট। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান। সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় পাওয়ার জন্য ইংল্যান্ডকে শুভেচ্ছা।’

ভারতীয় ব্যাটিং মাস্টার শচীন টেন্ডুলকারও ইংল্যান্ডের প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত। তিনি লিখেছেন, ‘ইংল্যান্ডের এই বিশেষ জয় সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে। জো রুট এবং জনি বেয়ারস্টো দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন এবং ওদের দেখে ব্যাটিং করা খুব সহজ মনে হচ্ছে। দুরন্ত জয়ের জন্য ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন।’

সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান মনে করেন এই হার ভারতের ক্ষতি করেছে। ইরফান বলেছেন, ‘টিম ইংল্যান্ডের এই জয় আসলে টিম ইন্ডিয়ার কাছে বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে।’

নবাবগঞ্জে কৈলাইল ইউনিয়ন আ.লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় মঙ্গলবার বিকালে কৈলাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন মেলেং উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগ আহবায়ক মিজানুর রহমান ভুইয়া কিসমত এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম মাস্টার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন ও সাধারণ সম্পাদক পদে কাউন্সিলরদের ভোটে অজহারুল হক বাবুল নির্বাচিত হয় বলে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন রাত ১১টায় গণমাধ্যমকে জানায়।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর প্রধান অতিথি হিসেবে (ভার্চুয়ালি) উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন। পান্নু মাদবর এর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব মোল্লা, বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. আবুল হোসেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ড. অ্যাডভোকেট সাফিল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলী মো. রমযান, ডা. মো. বাবুল মিয়া, মো. সাহিন খাঁন, ইউসুফ হারুন টিপু, অজহার উদ্দিন কাজল, তাজুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক লীগ আহবায়ক সাদের হোসেন বুলু, যুগ্ম অহবায়ক মেহেদী হাসান স্বপন, ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সম্রাট, তাতি লীগ সাধারল সম্পাদক হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

রেল কর্মচারী যুবককে কুপিয়ে হত্যা

স্কুলছাত্র সানি হত্যার রেশ কাটতে না কাটতে রাজশাহী মহানগরীতে এবার সোহেল রানা (২২) নামে এক রেল কর্মচারীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়া থানার বেলদারপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এলাকায় ওই যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সোহেল রানা নগরীর ১৯নং ওয়ার্ডের শিরোইল কলোনি এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে। তিনি রেলওয়ের ওয়েম্যান পদে চাকরি করতেন। এ ঘটনায় আহত হয় অভিযুক্ত ঘাতক ফারুক হোসেন। তার বাড়িও একই এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বেলদারপাড়ার বাংলা মদ ব্যবসায়ী টগরের বাড়িতে মদ কেনা ও পান করা নিয়ে সোহেল রানা ও ফারুকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে টগরের বাড়ি থেকে বের হয়ে সড়কের ওপর ফারুক হোসেন অতর্কিত সোহেল রানাকে ধারাল ছুরি দিয়ে আঘাত করতে থাকেন। এ সময় সোহেল রানা ও ফারুকের মধ্যে ধ্বস্তাধস্তি হয়।

এতে ছুরিকাঘাতে সোহেল রানা গুরুতর জখম হয়। লোকজন তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে একই সময়ে হামলাকারী ফারুক হোসেনকেও মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। তবে পুলিশ হেফাজতে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ফারুকের ছুরিকাঘাতে সোহেল রানা নিহত হয়েছে। তবে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন ফারুক দাবি করেছে, তারা উভয়েই গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়। সোহেল রানার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, রোববার রাতে বোয়ালিয়া থানার হেতেমখা সাহাজীপাড়ায় একদল কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসীর স্কুল ছাত্র সানিকে অপহরণ ও পরে কুপিয়ে হত্যা করে।

মধ্যরাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৭

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের সাত শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, বরিশাল সদর আসনের এমপি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারী ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপ ক্যাম্পাসে রাজনীতি করে। এর মধ্যে একটি পক্ষের এমপির অনুসারীদের নেতৃত্বে অমিত হাসান রক্তিম ও ময়িদুর রহমান বাকি এবং মেয়রপন্থীদের নেতৃত্বে আহমেদ মহিউদ্দিন আহম্মেদ সিফাত ও সৈয়দ রুম্মান ইসলামসহ বেশ কয়েকজন রয়েছেন। উভয় পক্ষই দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের নামে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকালে বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডের কলেজ এভিনিউ তিন মাথা এলাকায় তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র রাইদুল ইসলাম নিরবকে মারধর করে স্থানীয় যুবকরা। যার প্রতিবাদে সেখানে সড়ক অবরোধ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে হামলাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের আশ্বাসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সড়ক অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা। যদিও এরআগেই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপ দুই ভাগে বিভক্ত হয়। যা নিয়ে বেশ কয়েকবার তাদের মধ্যে সামনা সামনি ও মোবাইল ফোনে তর্ক–বিতর্কও হয়।

একপর্যায়ে মধ্যরাতে হঠাৎ করেই ছাত্রলীগের পৃথক দুগ্রুপের মধ্যে প্রকাশ্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। এসময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আর এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ৭ জন গুরুতর আহত হন।

ছাত্রলীগের একাংশের নেতা ময়িদুর রহমান বাকিসহ তার অনুসারী ছাব্বির হোসেন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অপরদিকে অপরাংশের ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহম্মেদ সিফাত ও সৈয়দ রুম্মান ইসলামসহ তাদের অনুসারী তমাল, মেহেদি হাসান ও আল সামাদ শান্ত নামে মোট ৫ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অমিত হাসান রক্তিম বলেন, সিফাত গ্রুপের হামলায় আহত হয়ে তাদের সহপাঠী মহিদুর রহমান বাকি ও ছাব্বির হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সৈয়দ রুম্মান ইসলাম দাবি করেছেন, তাদের পক্ষের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন এবং তিনিসহ আহতরা হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাদের ওপর হামলা ও পাল্টা হামলার কারণ সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি।

এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. খোরশেদ আলম বলেন, মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে হঠাৎ করেই দুদল ছাত্রদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ৬ জনের মতো আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রাতেই খবর পেয়ে আমরা বিষয়টি ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত রাখার পাশাপাশি বিষয়টি খতিয়ে দেখার কার্যক্রম শুরু করেছি। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত রয়েছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সবাই বিষয়টি নিয়ে বসবেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে রাতের এ ঘটনায় থানা পুলিশের কর্মকর্তারা ক্যাম্পাসে গিয়ে পরিস্থিত শান্ত করার পাশাপাশি হাসপাতালে যান বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার এসআই মেহেদি হাসান।

ব্রিটেনের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীর পদত্যাগ, চাপের মুখে বরিস জনসন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সরকারের প্রভাবশালী ও ঊর্ধ্বতন দুজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। এ ঘটনায় বরিস জনসনের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সরকারের অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ আকস্মিকভাবে অল্প কিছু সময়ের ব্যবধানে তাদের পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন।

তাদের এই পদত্যাগের ফলে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পাশাপাশি কনজারভেটিভ সরকারের সংকট আরও গভীর হলো।

জনসন এর আগে এতো বড়ো বিপদের মুখে কখনো পড়েননি। এখন এই সংকট কাটিয়ে তিনি ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন কি না সেটা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যৌন অসদাচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত একজন এমপি ক্রিস পিঞ্চারকে তার সরকারে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জনসন দুঃখ প্রকাশ করার পর এই দুই মন্ত্রী তাদের পদ থেকে সরে দাঁড়ান।

পিঞ্চারের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর গত সপ্তাহে কনজারভেটিভ পার্টি থেকে তার এমপি পদ বাতিল করা হয়। প্রধানমন্ত্রী জনসন স্বীকার করেন এমন একজন ব্যক্তি যে সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য নন সেটা বুঝতে না পেরে তিনি ভুল করেছেন।

এর আগেও বরিস জনসনের বিরুদ্ধে কোভিড মহামারির বিধি-নিষেধ ভঙ্গ করে পার্টি আয়োজনের অভিযোগ ওঠেছে। এ জন্য পুলিশ তাকে জরিমানাও করেছে।

এই দুই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কাছে লেখা পদত্যাগ পত্রে সরকার পরিচালনার মান বজায় রাখতে জনসনের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ঋষি সুনাক বলেছেন, জনগণ আশা করে যে যথাযথভাবে, দক্ষতা ও গুরুত্বের সঙ্গে সরকার পরিচালিত হবে।

করোনাভাইরাস মহামারির সময় জনগণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য নানা ধরনের অর্থ সহযোগিতার কথা ঘোষণা করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এই অর্থমন্ত্রী জনপ্রিয় ও আলোচিত হয়ে ওঠেন।

আর সাজিদ জাভিদ জানান, একের পর এক কেলেঙ্কারির পর তিনি মনে করেন না যে এই সরকারের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখতে পারবেন।

তিনি বলেন, অনেক এমপি ও জনগণ জাতীয় স্বার্থ বজায় রাখার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী জনসনের ক্ষমতার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ রাজনীতিক সাজিদ জাভিদ এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্বাস্থ্য ও অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগের পর বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা কিয়ের স্টার্মার বলেছেন, এটা এখন পরিষ্কার যে সরকার ভেঙে পড়ছে।

মাত্র গতমাসেই প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তার দলের এমপিদের এক আস্থা ভোটে জয়ী হন। যদিও দলের বিশাল সংখ্যক এমপি তার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন। এ কারণে ব্রিটিশ আইন অনুসারে আগামী এক বছর প্রধানমন্ত্রী জনসনের বিরুদ্ধে নতুন করে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করা যাবে না।

তবে কয়েকজন এমপি তাকে ক্ষমা থেকে সরানোর জন্য এই আইন পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।

সূত্র : বিবিসি