শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 226

সাকিব-মুশফিক অনুপস্থিত, যা বললেন মিরাজ

বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান আর মুশফিকুর রহিমকে দলে নেই। সাকিব তবুও অন্য দুই ফরম্যাট খেলেছেন, মুশফিক ছুটি নিয়েছেন গোটা সফর থেকে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই দুই সেনানীর বিকল্প খোঁজা সহজ নয় মোটেও। তবে এজন্য সুযোগ দেখছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

সংবাদমাধ্যমকে মিরাজ বলেন, ‘মুশফিক ভাই হজের জন্য খেলছেন না। সাকিব ভাই পারিবারিক কারণে খেলছেন না। আমার কাছে যে জিনিসটা মনে হয়, যারা তাদের জায়গায় এসেছেন, তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাদের ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তারা যদি ভালো ক্রিকেট খেলে তো তাদের ক্যারিয়ারে ভালো হবে। নিজেদের জায়গা ভালো কিছু করতে পারবে তারা যদি এই সুযোগটা নিতে পারে তাহলে তাদের ক্যারিয়ারের জন্য এবং দেশের জন্য ভালো হবে।’

মুশফিকের অভাব পূরণ করা না গেলেও উইকেটের পিছনে তার বিকল্প আছে। ব্যাটিংয়ে লিটন দাস, নুরুল হাসান সোহানরা পুরোপুরি না পারলেও কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন। তবে সাকিবের না থাকা দলের ভাবনার কারণ। বাঁহাতি অলরাউন্ডার না থাকা মানে বাড়তি একজন ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলতে হবে, না হয় বাড়তি একজন বোলার। সেক্ষেত্রে একাদশ তৈরিতে হিমশিম খেতে হয় গোটা দলকে। এক সাকিবের অভাব পূরণ হয় না দুইজন ক্রিকেটার দিয়েও!

সবশেষ ওয়ানডেতে যেমন একজন ব্যাটসম্যান কম নিয়ে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদকে খেলাতে হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচেও ৬ ব্যাটসম্যান ৫ বোলারের পথে হাঁটতে হবে দলকে। এ থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পেতে মিরাজ দায়িত্ব নিতে চান নিজের কাঁধে। উপায় হিসেবে জানালেন, শেষদিকে ব্যাট হাতে দলের জন্য কিছু রান যোগ করতে চেষ্টা করবেন।

মিরাজের বলেন, ‘সাকিব ভাই খেললে তো এই জিনিসটা হয় না। উনি যেহেতু খেলছেন না, আমি মনে করি আমাদের সবার জন্য একটা সুযোগ। আমরা ব্যাটসম্যানরা যদি দায়িত্ব সহকারে খেলতে পারি তবে ভালো হবে। উনি থাকলে সব সময় আমাদের জন্য ভালো হয়। বাড়তি সুবিধা থাকে। কিন্তু যেহেতু খেলছে না এর জন্য তো একটা উপায় বের করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কীভাবে ভালো খেলতে হবে, এর জন্য আমাকে হয়তো একটু বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। আমি লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং করি। আমাকে একটু বেশি ফোকাসড থাকতে হবে, টিমের রোল যেন গুরুত্বপূর্ণভাবে পালন করতে পারি। দল যদি আমার কাছ থেকে ৩০-৪০ রান আশা করে, আমি যদি ওভাবে দিতে পারি তখন হয়তো একটু সুবিধা হবে টিমের জন্য।’

গাজীপুরে ঝুট গুদামে আগুন

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ি থানাধীন দেওয়ালিয়াবাড়ি এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট কাজ করছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল হামিদ মিয়া।

তিনি জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ি থানাধীন দেওয়ালিয়াবাড়ি এলাকায় একটি ঝুটগুদামে আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা।

মুহুর্তেই আগুন পাশের ঝুটগুদামে ছড়িয়ে পরে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ শুরু করে।

এখনো আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান।

বাঁশখালীতে যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টা, বিশিষ্ট শিল্পপতি যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যুগান্তরের চট্টগ্রামের বাঁশখালী প্রতিনিধি আবু বক্করের আয়োজনে বুধবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারার মদিনাতুল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ বেলাল উদ্দিন, হাফেজ কলিম উদ্দিন, হাফেজ ইমাম হোসেন, হাফেজ আনোয়ারুল ইসলাম, হাফেজ বশির আহমদ, মোস্তাফা আলী, হাফেজ রহিম উদ্দিন, হাফেজ মফিজুল আলম প্রমুখ।

খতমে কুরআন শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও তার জীবনের সব গুনাহ মাফ চেয়ে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

শ্রীলংকায় জরুরি অবস্থা জারি

শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরই দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

বুধবার সকালে দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন বলে বিবিসি জানিয়েছে। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে জারি করা হয়েছে কারফিউ।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে একটি সামরিক বিমানে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। প্রেসিডেন্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় আবারও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে দেশটিতে। হাজারো বিক্ষোভকারী জড়ো হন রাজধানী কলম্বোতে।

প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভ দমনে টিয়ার শেল ছুড়েছে পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেরও পদত্যাগ চাইছেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় ভোরে মালের ভেলেনা বিমানবন্দরে পৌঁছায় গোতাবায়াকে বহনকারী সামরিক বিমান। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও দুই নিরাপত্তা প্রহরি। কলম্বোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাদের নিয়ে রওনা দেয় সামরিক বিমানটি।

মালদ্বীপে পৌঁছানোর পর গোতাবায়া, তার স্ত্রী ও দুই দেহরক্ষীকে গোপনস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসেকে পালিয়ে যেতে ভারত সহায়তা করেছে বলে ওঠা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে শ্রীলংকার ভারতীয় দূতাবাস।

এক বিবৃতিতে তারা এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেছে, তারা শ্রীলঙ্কার জনগনকে সমর্থন করা অব্যাহত রাখবে।

দায়িত্বে থাকা অবস্থায় দায়মুক্তি পেয়ে থাকেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট। সেই কারণে পদত্যাগের আগেই দেশ ছাড়তে চেয়েছেন গোতাবায়া রাজাপাকসে। নতুন প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করতে পারে এই আশঙ্কা ছিল তার।

শ্রীলংকার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আলোচনায় যে ৩ নাম

নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সংকট ও গণআন্দোলনের মধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে একটি সামরিক বিমানে করে মালদ্বীপে পাড়ি জমান তিনি।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেও আগেই পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে প্রেসিডেন্টের পলায়নের পর শ্রীলংকার শাসনভার এখন কার হাতে। কার নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রটি।

ডেইলি মিররের খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেও পদ থেকে সরে যেতে চান। তিনি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন। ২০ জুলাই পার্লামেন্ট সদস্যদের গোপন ভোটে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।

প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে মালদ্বীপে পাড়ি জমানোর ফলে শ্রীলংকার ক্ষমতা কঠামোয় উল্লেখযোগ্য শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। কারণ প্রেসিডেন্ট হিসেবে গোতাবায়া রাজাপাকসে বিস্তৃত নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। সেইসাথে শ্রীলংকান সেনাবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

তাই এখন শ্রীলংকার নতুন প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

গোতাবায়া পদত্যাগ করলে তার জায়গায় সম্ভাব্য প্রার্থী হচ্ছেন তিনজন। তারা হলেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে, শ্রীলংকা পদুজানা পেরামুনার (এসএলপিপি) এমপি ডালেস আলাহাপেরুমা ও বিরোধীদলীয় নেতা সাজিদ প্রেমাদাসা।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে বাকি মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকতে চান। এসএলপিপির একটি অংশ তাকে সমর্থনও করে যাচ্ছে। তবে এসএলপিপির আরেকটি অংশ তাকে সে পদে রাখতে চায় না। তাকে রুখতে তারা বদ্ধপরিকর।

এসএলপিপির এ অংশের সমর্থন আছে ডালেস আলাহাপেরুমার প্রতি। এর আগে রাজনৈতিক দল এসজেবি তাদের প্রার্থী হিসেবে সাজিদ প্রেমাদাসার নাম ঘোষণা করেছে। যে প্রার্থী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পাবেন, তিনিই প্রেসিডেন্ট হবেন।

সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্থিতিশীল রাজনৈতিক এই পরিস্থিতিতে সামনে চলে আসতে পারেন শ্রীলংকার পার্লামেন্টের স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেওয়ার্দেনা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দেশটিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রেসিডেন্ট হিসাবে তারই শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু তিনিও রাজাপাকসে পরিবারের মিত্র এবং এই কারণে জনগণ তাকে গ্রহণ করবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।

গত সোমবার শ্রীলংকার প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা সজিথ প্রেমাদাসা বিবিসিকে বলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট পদে যেতে চেষ্টা করবেন। কিন্তু বর্তমান অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রাজনীতিবিদদের মধ্যেই সন্দেহের কারণে তারও জনসমর্থনের অভাব রয়েছে।

এদিকে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরই দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

বুধবার সকালে দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন বলে বিবিসি জানিয়েছে। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে জারি করা হয়েছে কারফিউ।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে একটি সামরিক বিমানে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। প্রেসিডেন্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় আবারও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে দেশটিতে। হাজারো বিক্ষোভকারী জড়ো হন রাজধানী কলম্বোতে।

প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভ দমনে টিয়ার শেল ছুড়েছে পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেরও পদত্যাগ চাইছেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় ভোরে মালের ভেলেনা বিমানবন্দরে পৌঁছায় গোতাবায়াকে বহনকারী সামরিক বিমান। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও দুই নিরাপত্তা প্রহরি। কলম্বোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাদের নিয়ে রওনা দেয় সামরিক বিমানটি।

মালদ্বীপে পৌঁছানোর পর গোতাবায়া, তার স্ত্রী ও দুই দেহরক্ষীকে গোপনস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসেকে পালিয়ে যেতে ভারত সহায়তা করেছে বলে ওঠা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে শ্রীলংকার ভারতীয় দূতাবাস।

এক বিবৃতিতে তারা এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেছে, তারা শ্রীলঙ্কার জনগনকে সমর্থন করা অব্যাহত রাখবে।

দায়িত্বে থাকা অবস্থায় দায়মুক্তি পেয়ে থাকেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট। সেই কারণে পদত্যাগের আগেই দেশ ছাড়তে চেয়েছেন গোতাবায়া রাজাপাকসে। নতুন প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করতে পারে এই আশঙ্কা ছিল তার।

প্রবল চাপে জাতীয় সঞ্চয় ব্যাংকে তারল্য সংকট

প্রবল চাপে পড়েছে জাতীয় সঞ্চয়। সব খাতেই মানুষের সঞ্চয়ের প্রবণতা কমে যাচ্ছে। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সঞ্চয়ের প্রবৃদ্ধিতে। অব্যাহত গতিতে সঞ্চয় কমার কারণে ব্যাংক, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে।

সরকার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে নীতিমালা কঠোর করায় ও মানুষের সক্ষমতার অভাবে এর বিক্রি অর্ধেকে নেমে গেছে। পণ্য ও সেবার মূল্যে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও মানুষের আয় কমায় সঞ্চয় করার প্রবণতা কমে গেছে। এছাড়া চড়া মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যাংকে টাকা রাখলে তা বাড়ার চেয়ে বরং কমে যাচ্ছে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, অব্যাহতভাবে সঞ্চয় কমে যাওয়ার প্রবণতা ভালো লক্ষণ নয়। সঞ্চয় না বাড়লে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঋণের জোগান দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এতে বাধাগ্রস্ত হবে অর্থনীতির বিকাশ। যা দেশের মানুষের আয় কমিয়ে দেবে। নতুন কর্মসংস্থান বাড়ার গতি থমকে যাবে। চাকরিচ্যুতির সংখ্যা বেড়ে যাবে। এসব বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে এখনই সতর্ক হতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে সংকট আরও প্রকট হবে।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সঞ্চয় কমার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়া। এ কারণে মানুষের খরচ বেড়েছে। অন্যদিকে করোনার পর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পুরোপুরি না হওয়া ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় মানুষের আয় না বেড়ে বরং আরও কমেছে।

এতে মানুষ এখন নিত্যদিনের খরচ মিটিয়ে নগদ টাকা জমা রাখতে পারছেন কম। ফলে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে সঞ্চয় কমছে। এতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন তারল্যের জোগান কমে গেছে। এটি এখনও প্রকট আকার ধারণ করেনি। তবে এভাবে চলতে থাকলে এক সময় প্রকট আকার ধারণ করবে বলে তারা সতর্ক করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, মোট জাতীয় সঞ্চয়ের মধ্যে ৭০ শতাংশ আসে ব্যাংক খাত থেকে। বাকি ৩০ শতাংশ জাতীয় সঞ্চয়পত্র, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে।

ব্যাংকিং খাতে মে পর্র্যন্ত গ্রাহকদের আমানতের স্থিতি ১৪ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে মেয়াদি বা কিস্তি ভিত্তি সঞ্চয় প্রকল্পে আমানত ১২ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। চলতি আমানত ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। চলতি আমানত যে কোনো সময় গ্রাহক তুলে নিতে পারেন। কিন্তু মেয়াদি আমানত সাধারণত গ্রাহকরা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তোলেন না। আর তুলে নিলেও মুনাফা খুবই কম দেওয়া হয়। সঞ্চয়কারীরা মূলত মেয়াদি আমানতের হিসাবেই সঞ্চয় করেন। আর মেয়াদি সঞ্চয় দিয়েই ব্যাংকগুলো শিল্প খাতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বিতরণ করে। ব্যাংক খাতে সার্বিক আমানত কমার পাশাপাশি মেয়াদি আমানতও কমতে শুরু করেছে। মোট আমানতের ৮০ শতাংশই মেয়াদি আমানত। বাকি ২০ শতাংশ চলতি আমানত। ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে মোট আমানত বেড়েছিল ৫৫ শতাংশ। সদ্য বিদায়ি অর্থবছরের একই সময়ে মোট আমানতের প্রবৃদ্ধি তো বাড়েইনি। উলটো কমেছে ৪০ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরের আলোচ্য সময়ে চলতি আমানত বেড়েছিল ৩০২ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে বাড়ার পরিবর্তে কমেছে ৭৯ শতাংশ। মেয়াদি আমানত ২০২০-২১ অর্থবছরে বেড়েছিল ৪৪ শতাংশ। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের একই সময়ে বাড়ার পরিবর্তে কমেছে ৩৫ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন গবেষক বলেন, করোনার সময়ে অর্থনীতিতে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তা থেকে এখনও পরিত্রাণ পাওয়া যায়নি। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে একটু সময় লাগবে। তবে আমানতের প্রবৃদ্ধির হার কমার গতি হ্রাস পেয়েছে। ৩ মাস আগেও আমানতের প্রবৃদ্ধি কমেছিল ৬০ শতাংশ। এখন তা কমে ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে। বর্তমানে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমানতের প্রবৃদ্ধির গতি হয়তো আরও একটু কমতে পারে। তবে তা ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে বলে আশা করেন ওই কর্মকর্তা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমানতের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক। অর্থাৎ আগের চেয়ে আমানত কমছে। গত বছরের মার্চে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমানতের স্থিতি ছিল ৪৩ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের একই সময়ে তা ৪২ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। আলোচ্য এক বছরের ব্যবধানে আমানত কমেছে ১ হাজার কোটি টাকা। আমানত কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ।

এ খাতে দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাবে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান সংকটে পড়েছে। যে কারণে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি গ্রাহকদের আস্থায় কিছুটা চিড় ধরেছে। এসব কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমানত কমেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উলে­খ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরি বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে মেয়াদি আমানত ছাড়া অন্য কোনো আমানত রাখা যায় না। ওখানে আমানত রাখতে গেলে ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাল-জালিয়াতির কারণে অনেক গ্রাহক টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি করেছে। যে কারণে আমানত কমছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি খাতের সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বেশি। এ কারণে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ঋণ নিলে সরকারকে বেশি সুদ দিতে হয়। এতে সরকারের খরচ বেড়ে যায়। এ কারণে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে সরকার বিনিয়োগ নীতিমালা কঠোর করেছে। একই সঙ্গে পণ্য ও সেবার মূল্য বাড়ায় এবং আয় কমায় মানুষের ক্রয় করার সক্ষমতাও কমেছে। এসব মিলে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ অর্ধেক কমে গেছে। জাতীয় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের স্থিতি মে পর্র্যন্ত ৩ লাখ ৪০৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০২০-২১ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ছিল ৩৭ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা। সদ্য বিদায়ি অর্থবছরের একই সময়ে নিট বিক্রি হয়েছে ১৮ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমেছে ৫৫ শতাংশ। অর্ধেকের বেশি কমে গেছে।

এদিকে গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের একই মাসে নিট বিক্রি কমেছে ৪ গুণের বেশি। গত বছরের মে মাসে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল ২ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। মে মাসে তা কমে বিক্রি দাঁড়িয়েছে ৬৩৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ ওই সময়ের ব্যবধানে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি কমেছে ৪ গুণের বেশি।

করোনার আগে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে সঞ্চয় বেড়েছিল। কিন্তু করোনার পর সঞ্চয় কমতে শুরু করেছে। কেননা করোনার সময়ে অনেকে সঞ্চয় তুলে দৈনন্দিন খরচ নির্বাহ করেছেন। ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২০ সালে সঞ্চয় বেড়েছিল ২২ শতাংশ। গত বছরে বেড়েছে ১৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের মে মাসে (পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে) মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। অনেকে মনে করেন প্রকৃত মূল্যস্ফীতির হার ১২ শতাংশের বেশি। ব্যাংকে মেয়াদি আমানতের বিপরীতে সুদ দেওয়া হয় ৬ থেকে ৭ শতাংশ। যা মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম।

এছাড়া আমানত ভেঙে নেওয়ার সময় ব্যাংকের নানা ধরনের ফি, সরকারের কর বাদ দিলে মূল টাকা আরও কমে যায়। এতে ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে বাড়ার পরিবর্তে আরও কমে যায়। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুদের হার বেশি হলেও ওখানে ফেরত পাওয়া নিয়ে আছে নানা ঝুঁকি। এছাড়া সরকারের কর, প্রতিষ্ঠানে ফি ও মূল্যস্ফীতির হার সমন্বয় করলে প্রাপ্ত অর্থ নেতিবাচক হয়ে যায়।

ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে মুনাফার হার খুবই কম। অনেক ক্ষেত্রে তা ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে। সরকারি খাতের সঞ্চয়পত্রগুলোতে ভালো মুনাফা পাওয়া গেলেও এগুলো সবার পক্ষে কেনা সম্ভব হয় না কঠোর বিধিনিষেধের কারণে। এছাড়া প্রার্ন্তিক মানুষের পক্ষে তা কেনা সম্ভবও নয়।

চার দশকে ৪১ প্রতিষ্ঠান

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম। একজন সফল উদ্যোক্তা। বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়নে এক অনবদ্য ‘আইকন’। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান, দৈনিক যুগান্তর, যমুনা টিভি ও যমুনা ফিউচার পার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা। ৪১ বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। দেশের আমদানি-রপ্তানি শিল্পের অগ্রদূত।

একটি সুখী ও সমৃদ্ধিশালী নতুন বাংলাদেশ গঠনের ভিশন ও মিশন নিয়ে ১৯৭৪ সালে প্রাইভেট শিল্পখাতে আধুনিকায়নের ধূমকেতু হয়ে আসেন তরুণ উদ্যোক্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম। যুদ্ধপীড়িত দেশবাসীর রুটি-রুজির অন্বেষণে ভিত গাড়েন তার স্বপ্নপুষ্ট যমুনার। বাস্তবিক এক স্বপ্নকাতর মানুষ। একজন সার্থক স্বপ্নচারী।

যমুনা ইলেকট্রনিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়ে শুরু হয় নুরুল ইসলামের প্রথম পথচলা। পরের বছর ১৯৭৫ সাল থেকেই-এর আওতায় বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ উৎপাদন শুরু হয়। পরবর্তীকালে যমুনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ একটি জায়ান্ট গোষ্ঠী হিসাবে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

একটি সমৃদ্ধ জাতি বিনির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেন নুরুল ইসলাম। তার বিচক্ষণ নেতৃত্বে চার দশক ধরে জাতীয় অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে যমুনা গ্রুপ। কর্মসংস্থান হয়েছে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের। সফল ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামের দক্ষতায় যমুনা গ্রুপ আজ বহুমাত্রিক পণ্য পরিসীমার জন্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে উন্নীত হয়েছে। টেক্সটাইল থেকে আবাসন-যমুনা গ্রুপের রয়েছে বৈচিত্র্যিক ব্যবসায়িক চিন্তা। গত ৪৬ বছরে যমুনা গ্রুপ বৈদ্যুতিক, ইঞ্জিনিয়ারিং, রাসায়নিক, চামড়া, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইলসহ স্পিনিং, বুনন ও রঞ্জন, কসমেটিকস, বেভারিজ, আবাসন, হাউজিং, প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া খাতে অর্থলগ্নি করেছে। স্থানীয় ও বৈশ্বিক-উভয় বাজারে যমুনা গ্রুপের পণ্যের সুনাম রয়েছে। জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত, ইতালি থেকে প্রযুক্তি ও যন্ত্রাংশ আমদানির মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে সেরা কোয়ালিটির পণ্য উৎপাদন করে ‘টেক্সটাইলের নতুন বিশ্ব’ গড়ে তুলেছে যমুনা গ্রুপ।

উৎপাদন শিল্প থেকে শুরু করে মিডিয়াখ্যাত-বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়িক ক্ষেত্র যমুনা গ্রুপ। গ্রুপের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টিভি। দুটি গণমাধ্যমই জাতির মানবাধিকার সুরক্ষার অভিপ্রায় নিয়ে সত্য ও স্বাধীন খবর প্রকাশ করে যাচ্ছে।

যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের যেসব প্রতিষ্ঠান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে: ২০০০-২০০১ সালে শামীম কম্পোজিট মিলস লিমিটেড জাতীয় রপ্তানি স্বর্ণপদক, ১৯৯৮-১৯৯৯ সালে শামীম স্পিনিং মিলস লিমিটেড জাতীয় রপ্তানি রৌপ্যপদক, ১৯৯৮-১৯৯৯ সালে যমুনা নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড জাতীয় রপ্তানি ব্রোঞ্জপদক লাভ করে। এ ছাড়া ১৯৯৮-১৯৯৯ স্ক্যান সিমেন্টের (হাইডেলবার্গ সিমেন্ট গ্রুপ) ‘বেটার বিল্ডিং বেটার উইনিং কম্পিটিশন ২০০২ জিতে নেয় যমুনা বিল্ডার্স লিমিটেড। একই বছর জার্মানির মাইলস হ্যান্ডেল গিসেলশ্যাপ্ট ইন্টারন্যাশনাল এমবিএইচ অ্যান্ড কোম্পানি পুরস্কার লাভ করে যমুনা নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও করপোরেট পরিচালনা: যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসাবে নুরুল ইসলাম তার স্টাফ ও কর্মীদের প্রকৃত ও সত্যিকার হিউম্যান রিসোর্স তথা মানবসম্পদ হিসাবে বিবেচনা করতেন। তিনি মনে করতেন, এ মানবসম্পদই কোম্পানির অব্যাহত উন্নতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে। ব্যবসায় উদ্যোগের প্রতিটি স্তরের কর্মীদের প্রাধান্য দিয়ে একটি শক্তিশালী দল গড়ে তোলার ব্যাপারে দৃঢ়প্রত্যয়ী ছিলেন তিনি।

তার বিশ্বাস ছিল, একমাত্র দক্ষ শ্রমিকরাই কোম্পানি ও শিল্পের আসল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উপলব্ধি করতে পারেন। শিল্পখাত নিয়ে তাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। একমাত্র কর্মীরাই জানেন বাজারের অসংখ্য প্রতিযোগীর মধ্যে কীভাবে টিকে থাকতে হয়। কোম্পানির কাস্টমার বা সেবাগ্রহীতাদের প্রতিও তারা যথেষ্ট অনুগত। প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই ব্যবসার ‘পরশপাথর’-এটাই ছিল তার মূল দর্শন।

পরিবেশের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : যমুনা গ্রুপে সমৃদ্ধি ও উন্নতি মানে পরিবেশ, সমাজ ও অর্থনীতির মধ্যে একটি ভারসাম্য গড়ে তোলা। এ মনোভাব নিয়েই কোম্পানি গড়ে তোলেন তিনি। পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধ থেকেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করতেন নুরুল ইসলাম।

যমুনা গ্রুপের যত প্রতিষ্ঠান-

১. যুগান্তর, একটি স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিক, ২. যমুনা ফিউচার পার্ক এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল, ৩. যমুনা টিভি, ৪. যমুনা হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড, ৫. ক্রাউন বেভারেজ লিমিটেড, ৬. যমুনা নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড, ৭. যমুনা ডেনিমস লিমিটেড, ৮. যমুনা স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ৯. শামীম স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ১০. শামীম কম্পোজিট মিলস লিমিটেড, ১১. শামীম রোটর স্পিনিং লিমিটেড, ১২. শামীম গার্মেন্টস, ১৩. যমুনা ডেনিমস গার্মেন্টস, ১৪. যমুনা ডেনিমস ওয়েভিং লিমিটেড, ১৫. প্যাগাসাস লেদারস লিমিটেড, ১৬. যমুনা ডিস্ট্রিলারি লিমিটেড, ১৭. যমুনা ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড লিমিটেড, ১৮. যমুনা ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইলস, ১৯. যমুনা টায়ার অ্যান্ড রাবারস ইন্ডাস্ট্রিজ, ২০. যমুনা পেপারস মিলস, ২১. যমুনা আয়রন অ্যান্ড স্টিল মিলস লিমিটেড, ২২. যমুনা গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ, ২৩. যমুনা পাওয়ার লিমিটেড, ২৪. যমুনা প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং লিমিটেড, ২৫. যমুনা ফ্যান অ্যান্ড ক্যাবলস লিমিটেড, ২৫. যমুনা পলি সিল্ক লিমিটেড, ২৬. যমুনা লজিস্টিক অ্যান্ড শিপিং লিমিটেড, ২৭. যমুনা বিল্ডার্স লিমিটেড, ২৮. যমুনা গ্যাস লিমিটেড, ২৯. হোলসেল ক্লাব লিমিটেড, ৩০. যমুনা ওয়াশিং, ৩১. হুরিয়ান এইচটিএফ লিমিটেড, ৩২. যমুনা মিডিয়া লিমিটেড, ৩৩. লন প্রসেসিং লিমিটেড, ৩৪. যমুনা ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং, ৩৫. যমুনা ফুডস লিমিটেড ৩৬. হোরক্যাচার লিমিটেড, ৩৭. যমুনা ব্রেয়ারি অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, ৩৮. যমুনা ডেনিমস টেকনোলজি লিমিটেড।

যমুনা গ্রুপের বেড়ে ওঠার গল্প

১৯৭৪ : বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি আমদানি করে বাংলাদেশে বিশ্বমানের শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম। তার সাহসী সব পদক্ষেপ, প্রগতিশীল দূরদর্শন ও নিরলস পরিশ্রমে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে একটি একটি করে সফলতার ইট গাঁথেন তিনি। গড়ে তোলেন আজকের এ বিশাল বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য।

১৯৭৫ : যমুনা গ্রুপের প্রথম সফল উদ্যোগ যুমনা ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের যাত্রা শুরু। বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক খুচরা যন্ত্রপাতি উৎপাদনে পথিকৃৎ বলা হয় এ কোম্পানিকে। পরবর্তী সময়ে পিভিসি কম্পাউন্ড ও পাইপও উৎপাদন শুরু করে।

১৯৭৮ : যমুনা ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রতিষ্ঠা। শুরু হয় সিলিং ফ্যান ও ব্যালাস্টসহ অন্যান্য আরও কিছু সামগ্রী তৈরি।

১৯৮০ : যমুনা ক্যাবলস অ্যান্ড রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশেই বিদ্যুতের উচ্চ ও নিন্ম ভোল্টেজের তার তৈরি শুরু করেন নুরুল ইসলাম।

১৯৮২ : এনামেল্ড কপার তৈরির জন্য প্রতিষ্ঠা করেন যমুনা ওয়্যারস।

১৯৮৮ : শিল্প ও ওষুধখাতে ব্যবহৃত তরল রাসায়নিক পদার্থ তৈরির জন্য প্রতিষ্ঠা করা যমুনা ডিসটিলারি লিমিটেড। বর্তমানে বাংলাদেশের রাসায়নিক খাতে নেতৃত্ব দিচ্ছে এ কোম্পানি।

১৯৯২ : বিখ্যাত ‘পেগাসাস সুজ লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যমুনা গ্রুপ জুতা শিল্পের জগতে প্রবেশ করে। কোম্পানিতে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে লেদার সুজ, স্পোর্টস সুজ, স্যান্ডেল ও স্নিকার্স। কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াকরণের জন্য পরবর্তী সময়ে যোগ করা হয় পেগাসাস লেদার প্রসেসিং ইউনিট। একই বছর যমুনা নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেক্সটাইলস ও তৈরি পোশাকখাতে প্রবেশ করে যমুনা। এ বছরই প্রতিষ্ঠা করা হয় যমুনা ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড। দেশীয় বিজ্ঞাপন খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে একই বছরে যাত্রা শুরু রুবিকন অ্যাডভারটাইজিংয়ের।

১৯৯৩ : যাত্রা শুরু যমুনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী ব্যবসায় উদ্যোগ কসমেটিক কোম্পানি অ্যারোমেটিক কসমেটিক লিমিটেড। অ্যারোমেটিক ব্র্যান্ড নামে নানা ধরনের কসমেটিকস ও টয়লেট্রিজ সামগ্রী উৎপাদন করে।

১৯৯৬ : যমুনা গ্রুপে টেক্সটাইলস ও তৈরি পোশাক উদ্যোগ এগিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠা হয় শামীম স্পিনিং মিলস লিমিটেড।

১৯৯৭ : পিভিসি ও পিইউ কোটেড সিনথেটিক লেদার উৎপাদনের জন্য প্রতিষ্ঠা হয় পেগাসাস লেদারস লিমিটেড।

১৯৯৮ : যাত্রা শুরু করে শামীম কম্পোজিট মিলস লিমিটেড।

১৯৯৯ : জাতীয় দৈনিক যুগান্তর প্রকাশনার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় যমুনা প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং লিমিটেড। সে বছরই গ্রুপের আবাসন ব্যবসার উদ্যোগে যোগ হয় আরেক প্রতিষ্ঠান যমুনা বিল্ডার্স লিমিটেড। পরবর্তী সময়ে নিজের এ প্রতিষ্ঠান দিয়েই এশিয়ার সবচেয়ে বড় শপিংমল ও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স যমুনা ফিউচার পার্ক নির্মাণ করেন তিনি। রাজধানী ঢাকার নিউ উত্তরা মডেল টাউন নামে বৃহৎ আবাসিক ও যমুনা সিটি তারই সৃষ্টিশীল দুটি বড় নির্মাণ শিল্প।

২০০০ : শামীম রোটর স্পিনিং লিমিটেড যাত্রা শুরু করে। একই বছর ১ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে দেশের সর্বাধিক পাঠকপ্রিয় শীর্ষ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা।

২০০৪ : মিডিয়া জগতের অন্যতম দর্শকপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির অনুমোদন লাভ। প্রায় এক দশক আইনি লড়াইয়ে জিতে ব্রডকাস্টিংয়ে আসেন ২০১৪ সালের ৫ এপ্রিল।

ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের উৎসব: অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি

পবিত্র ঈদুল আজহা ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের জন্য ত্যাগের উৎসব। মহান আল্লাহতালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য প্রতি বছর এই দিনে আমরা পশু কুরবানি দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহতালার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে থাকি। ঈদুল আজহার এই উৎসবে ধনী-গরিব কোনো ভেদাভেদ নেই। সব মুসলমান মিলেমিশে এ উৎসবে শামিল হই।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সোমবার দিনব্যাপী ঢাকার নবাবগঞ্জের চুরাইন ইউনিয়নের কামারখোলা গ্রামের নিজ বাড়িতে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক মহিলা এবং শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি জাতীয় পার্টির নেতাকর্মী, স্থানীয় সুধীজন ও নানান শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়ে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পেরে আজ আমি আনন্দিত। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি। আমার পরিবারের সব সদস্যদের জন্য দোয়া করবেন। আমি আপনাদের সাফল্য ও মঙ্গল কামনা করি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- নাজমা আক্তার এমপি, ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদসহ ঢাকা জেলা ও নবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টি, মহিলা জাতীয় পার্টি, যুব সংহতি, ছাত্র সমাজ, কৃষক পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

সাড়ে ৫ লাখ চামড়া সংগ্রহ করেছেন ট্যানারিমালিকরা

এবারের কুরবানি ঈদের প্রথম দুদিনে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ কাঁচা চামড়া সরাসরি সংগ্রহ করেছেন ট্যানারিমালিকেরা। যা গত বছরের চেয়ে প্রায় দেড় লাখ বেশি।

গত বছর কুরবানির ঈদে সবমিলিয়ে ট্যানারিমালিকেরা প্রায় তিন লাখ কাঁচা সংগ্রহ করেছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ।

তিনি বলেন, ঈদের দিন ও পরদিন সোমবার—এই দুদিনে ট্যানারি মালিকেরা সরাসরি সাড়ে পাঁচ লাখ কাঁচা চামড়া কিনেছেন। আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার থেকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের আড়ত ও হাট থেকে লবণযুক্ত চামড়া কেনা শুরু করবেন তারা।

চলতি মৌসুমে প্রায় এক কোটি চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য ছিল জানিয়ে এই ব্যবসায়ী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী সারা দেশে এবার কুরবানি হয়েছে ৯৯ লাখ গবাদিপশু। এর মধ্যে খাসি ও বকরির চামড়া রয়েছে। তার একটি অংশ আবার নষ্টও হয়েছে। সে কারণে চলতি মৌসুমে শেষ পর্যন্ত ৯০–৯৫ লাখ চামড়া সংগ্রহ হবে বলে মনে হচ্ছে।

সাধারণত কুরবানির চামড়ার বড় অংশই লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করেন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও আড়তদারেরা। পাশাপাশি ট্যানারিমালিকেরাও সরাসরি কিছুসংখ্যক কাঁচা চামড়া কেনেন। তবে রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ২০১৭ সালে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তরের পর থেকে সরাসরি কাঁচা চামড়া কেনা বাড়িয়েছেন ট্যানারিমালিকেরা।

১৭ জুলাই থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসছে ইসি

আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৭ জুলাই থেকে এই সংলাপ শুরু হয়ে চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত।

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.) সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ১৭ জুলাই থেকে সকাল-বিকাল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচনি সংলাপ করা হবে। প্রতিদিন চারটি দলের সঙ্গে সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন। নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের ব্যবহার নিয়ে মত জানতে ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেখানে ২৮টির মতো রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। তবে সেখানে অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ ১১টি দল ইসির আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে।

গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয় কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন। এর পর থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করে আসছে কমিশন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষাবিদ, বিশিষ্টজনদের, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষকদের পরামর্শ নেন তারা। এর পর ইভিএম যাচাই করতে দেশসেরা প্রযুক্তিবিদ, রাজনৈতিক দলগুলোকেও আমন্ত্রণ জানায়। এবার আয়োজন করতে যাচ্ছে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ।