শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 227

কাপড়ের তলে আমরা সবাই ন্যাংটা

শৃঙ্খলা জীবনে শিখতে যদি চাও,
পিপীলিকার সাথে একটু সময় কাটাও।

কাকের মধ্যে যে একতা আছে,
আছে কি সেটা মানুষের মাঝে?

বিশ্বস্ততা কারে কয় দেখতে যদি চাও,
কুকুরের সাথেও একটু সময় কাটাও।

কবুতরের মধ্যে যে স্বচ্ছতা আছে
পাবে না সেটা কোনো মানুষের মাঝে!

মৌমাছির মধ্যে যে সাম্যতা রয়েছে,
দেখেও কী কখনও তা বোধগম্য হয়েছে?

হিংসা, ক্রোধ, আর লোভ-লালসা
মানুষের হৃদয়ে বেঁধেছে বাসা।
নৈতিকতার অবনতি,
দূর করব কী করে?

ছোটবেলায় ন্যাংটা হওয়া নতুন কিছু নয়,
বড় হয়ে সেই ন্যাংটা হতে কেন এত ভয়?

জীবনে হয়েছিল দেখার সেই সুযোগটি।
চোখ দুটি খোলা ছিল,
দেখেছিলাম সবকিছু, ভরেছিলো মনটি।

প্রচণ্ড শীতে গাছগুলোর পাতা যখন ঝরে পড়ে গেল,
দেখে মনে হলো সবকিছু মরে গেছে।
কিছুদিন পরে সেই ন্যাংটা গাছগুলো তুষারে ঢাকা পড়ে
এক অপূর্ব নতুন রূপ ধারণ করল।
মানুষের মুখ ছাড়া কিছুই দেখার উপায় নেই।
বরফ গলে গেল, আস্তে আস্তে শীতের দাপট কমতে শুরু করল।
সূর্যের কিরণ দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে লাগল,
আবার গাছগুলো তার নতুন জীবন ফিরে পেল।

নর-নারী তার দেহের কাপড় হাল্কা পাতলাভাবে পরতে পরতে, কোনো এক সময় সূর্যের আলোকে নিজেদের ন্যাংটা করে, উজাড় করে দিল।

দেখে মনে হলো অপূর্ব এক নিদর্শন
যার মধ্যে রয়েছে জ্বলন্ত জীবন!
এমন একটি দেশে যখন
এসেছিলাম বহু বছর আগে।
দেখেছিলাম যা আমি জীবনে প্রথম,
শেয়ার করবো তার কিছু অনুভূতি এখন।

অন্যরকম অনুভূতি এসেছিল হৃদয়ে,
না দেখলে সারাজীবন কল্পনাই করিতাম,
দেখেছিলাম বলে আজ বলিতে পারিলাম।

সৌন্দর্যের এত রূপ স্রষ্টার সৃষ্টিতে,
জানতাম না জীবনে না দেখিলে দৃষ্টিতে।

সুন্দরীর সৌন্দর্য না দেখিলে জীবনে,
বেঁচে থাকার মানে কী এ সুন্দর ভুবনে?

নিখিলের শোভা যদি না দেখিতে পাই!
বেঁচে থেকে হবে কী বাকিটি সময়?

সুন্দরকে দেখতে সুন্দর মন চাই,
তা না হলে বেঁচে থাকার কোনো মানে নাই।

ধর্মের দোহাই দিয়ে আজীবন ভরে,
তলে তলে করি পাপ কেউ যেন না জানে।

সত্যকে স্বীকার করে চলিতে শিখিলে,
বুঝিতে সহজ হতো ভালোবাসা কারে কয়।

ভালোবাসা যার মাঝে জীবনে আসেনি,
মনে রেখো সে কখনও ভালেবাসতে শেখেনি।

প্রেম-প্রীতি জীবনে আসিবে বার বার,
মরণ হইবে মোদের জীবনে একবার।

ভালোবাসার মধ্যে শুধু রয়েছে ভালোবাসা,
বেঁচে থাকো জীবনে এটাই হোক আশা।

স্রষ্টার সৃষ্ট জীব হয়ে জন্মেছি যখন,
অমানুষ হয়ে যেন না মরি কখন।

গরমে ন্যাংটা নারী আর শীতে ন্যাংটা গাছ,
বিষয়টি বুঝতে কেটেছিল আমার বারোটি মাস।

কুরবানির মাংস কি অমুসলিমদের দেওয়া যাবে?

কুরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্যবান পুরুষ-নারীর ওপর কুরবানি ওয়াজিব। এটি ইসলামের মৌলিক ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।

আদম (আ.) থেকে শুরু করে সব নবীর যুগেই কুরবানি পালিত হয়েছে।এটি ‘শাআইরে ইসলাম’ তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্তর্ভুক্ত।

সুতরাং এর মাধ্যমে ‘শাআইরে ইসলামের’বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এছাড়া গরিব-দুখী ও পাড়া-প্রতিবেশীর আপ্যায়নের ব্যবস্থা হয়। আমাদের আশপাশে অনেক প্রতিবেশী রয়েছে। যারা অন্য ধর্মের। এক্ষেত্রে অনেকের মনে হয়তো প্রশ্ন দেখা দিতে পারে কুরবানির মাংস অমুসলিমদের দেওয়া যাবে কি না? আসুন জেনে নেই এ বিষয়ে কুরআন-হাদীস কী বলে?

কোনো কোনো মুসলিমদের ধারণা কুরবানির মাংস অমুসলিমদের দেওয়া যাবে না। এ ধারনা ঠিক না। কুরবানির মাংস অমুসলিমদের দেওয়া যায়। এতে অসুবিধার কিছু নেই। বিশেষত অমুসলিম যদি প্রতিবেশী হয়। কারণ প্রতিবেশী হিসেবে তার হক রয়েছে। সাহাবীগণ অমুসলিম প্রতিবেশীর হকের প্রতি সবিশেষ লক্ষ্য রাখতেন।

আব্দুল্লাজ ইবনে আমর (রা.) এর বাড়িতে একবার একটি বকরি (ছাগল) জবেহ করা হল। যখন তিনি বাড়িতে ফিরলেন জিজ্ঞস করলেন, তোমরা কি আমাদের ইহুদী প্রতিবেশীকে এ গোশত হাদিয়া (দান) পাঠিয়েছ? এভাবে দুবার জিজ্ঞেস করলেন। আমি রাসূলুল্লাহ (স.) কে বলতে শুনেছি।

প্রতিবেশীর অধিকার প্রসঙ্গে জিবরাইল (আ.) আমাকে অবিরত উপদেশ দিতেন। এমনকি আমার ধারনা হল যে হয়ত শীঘ্রই প্রতিবেশীকে উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিবে। (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯৪৩)

সুতরাং অমুসলিমকে কুরবানীর মাংসসহ অন্যান্য যে কোনো জিনিস দান করা যাবে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:

‘দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে স্বদেশ হতে বের করে দেয়নি তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যাংবিচার করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। আল্লাহ তো ন্যায়পরায়নদের ভালোবাসেন।

আল্লাহ কেবল তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। তোমাদেরকে স্বদেশ হতে বের করে দিয়েছে এবং তোমাদেরকে বের করার কাজে সহায়তা করেছে। তাদের সঙ্গে যারা বন্ধুত্ব করে তারা তো জালেম।’ (সূরা মুমতাহিনা ৬০:৮-৯)

যেভাবে গরুর মাংস খেলে উচ্চরক্তচাপ নিয়ে ঝুঁকি নেই

উচ্চরক্তচাপের রোগীদের গরুর মাংস খাওয়ায় ভীতি কাজ করছে। তাই বলে উৎসব আয়োজনেও লাল মাংস খাওয়া যাবে না? সঠিক পদ্ধতিতে গরুর মাংস খেলে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেলিমেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও কো-অর্ডিনেটর ডা. মোহাম্মদ যায়েদ হোসেন।

১. মাংস রান্না করার আগে মাংস থেকে ছুরি দিয়ে অতিরিক্ত চর্বি ছাড়িয়ে নিন। শুধু মাংসের টুকরা রান্না করতে পারেন। এই রান্না করা মাংস উচ্চরক্তচাপ, হার্ট ও এলার্জি রোগীরা খেতে পারবেন।

২. আপনি গরুর মাংস খেতে পারলেও দীর্ঘ সময়ের জন্য খেতে পারবেন না। ঈদের দিন থেকে শুরু করে পর পর তিন দিন খেতে পারেন।

৩. মাংস অবশ্যই খাওয়া যাবে তবে দিনে দুই বেলার বেশি নয়। আর মাংসের পরিমাণ হবে ছোট হলে তিন টুকরা আর বড় হলে দুই টুকরা।

৪. শিক কাবাব কমবেশি সবারই বেশ পছন্দ, বিশেষ করে গরুর মাংসের শিক কাবাব। আর উচ্চরক্তচাপ, হার্ট ও এলার্জির রোগীরা গরুর মাংসের শিক কাবাব ও চাপ খেতে পারেন। কারণ এই খাবারগুলোতে চর্বি থাকে না।

৫. গরুর শরীরের সিনা ও পাজরের মাংসে কোনো চর্বি থাকে না। তাই উচ্চরক্তচাপ, হার্ট ও এলার্জি রোগীরা শিনা ও পাজরের মাংস খেতে পারবেন। এই মাংস খেলে তেমন ক্ষতির শঙ্কা নেই।

৬. যাদের অতিরিক্ত এলার্জির সমস্যা আছে তারা মাংস খেতে পারবেন। তবে খাওয়ার আগে একটি এন্টি হিসটাসিন খেয়ে নিতে পারেন। আর উচ্চরক্ত চাপ-হার্টের রোগীরা শরীরের কোলেস্টোরল কমায় এমন ওষুধ খেতে পারেন।

যেভাবে লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

লাল মাংসের স্বাদই আলাদা। তবে লাল মাংস নিয়ে এতো বেশি সতর্কতা যে এই মাংসের প্রতি আমাদের এক ধরণের ভীতি জন্মেছে। সঠিক উপায়ে লাল মাংস থেকে তা শরীরের জন্য উপকারী।

কুরবানির ঈদে গরু, খাশি বা যে কোনো ধরনের লাল মাংস একটু বেশি খাওয়া হয়ে থাকে।

লাল মাংস প্রচুর জিংকসমৃদ্ধ, যা আমাদের রক্তশূন্যতা পূরণ করে। তবে এর কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েট কনসালট্যান্ট পুষ্টিবিদ জান্নাত আরা ঊর্মি।

লাল মাংসে (রেডমিট) প্রচুর পরিমাণে সাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল থাকে, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, গ্যাস্টিক ও কোলেস্টেরলের সমস্যা হতে পারে।

আসুন জেনে নিই যেভাবে মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো-

১. মাংস ছোট টুকরো করে কাটুন। মাংস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে খেলে সবচেয়ে ভালো। এতে মাংস থেকে অতিরিক্ত চর্বি ও তেল থাকে না।

২. মাংসের দৃশ্যমান চর্বি ছড়িয়ে রান্না করুন।

৩. গরুর মাংসের যেসব জায়গায় অতিরিক্ত চর্বি থাকে, যেসব জায়গায় জীবাণু থাকার আশঙ্কা থাকে। তাই চর্বি ছাড়িয়ে নিন।

৪. অতিরিক্ত মাংস খাওয়া যাবে না। প্রতি বেলায় ২ থেকে ৩ পিস মাংস খেতে পারেন।

৫. মাংস রান্নায় তেলের ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন। মাংসের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সবজি ও সালাদ খান।

৬. লাল মাংস খেলে অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। চাহিদামাফিক পানি পান করুন।

৭. মাংস খেয়ে ক্যালোরির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম করুন ও হাঁটুন।

সন্তান কোলে, তবে কি মা হলেন সোনম?

সোনম কাপুর সন্তান সম্ভবা-এ খবর পুরনো। সন্তানকে বুকের মাঝে আগলে রেখেছেন নায়িকা; শুয়ে আছেন হাসপাতালের বিছানায়। ফুটফুটে সন্তান পেয়ে অভিনেত্রীর চোখোমুখে উচ্ছ্বাস।

এমন একটি ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবিতে মাকে দেখে সোনম কাপুর ছাড়া অন্য কাউকে মনে করার উপায় নেই।

এছাড়া প্রেগনেন্সির তৃতীয় পর্যায়ে থাকা সোনম সন্তান প্রসব করতেও পারেন বলে সহজেই মনে করতে পারেন অনেকে। কিন্তু সোনমের সন্তান প্রসব নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য নেই, কাপুর পরিবারে নেই কোনো আনন্দ। তবে কি চুপিসারেই সন্তান প্রসব করলেন সোনম?

এসব নিয়ে জল্পনায় নেটিজেনরা। অনেকে তো এই ছবিটি দেখেই শুভেচ্ছা জানানো শুরু করেছেন সোনম-আনন্দকে।

তবে না, সোনমের সন্তান এখনও পৃথিবীর আলো দেখেনি। যে ছবিটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, সেটি আসল ছবি নয়। কেউ ফটোশপে এডিট করে এমন ছবি বানিয়েছেন। নিশ্চিত করেছেন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

মার্চ মাসে মা হতে যাওয়ার সুখবর দেন সোনম। এর পর থেকে প্রেগন্যান্সির বিভিন্ন পর্যায়ের ছবি ছবি ও ভিডিও দিয়ে যাচ্ছেন অভিনেত্রী। এই মুহূর্তে লন্ডনে রয়েছেন তিনি।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

যে কারণে ঈদে ভক্তদের দেখা দেননি সালমান খান

ঈদুল আজহার দিনে ‘বলিউড বাদশাহ’ শাহরুখ খান ভক্তদের দেখা দিলেও নিরাশ করেছেন ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। তাকে দেখতে ঈদের দিন ভক্তরা ভিড় করলেও একবারের জন্যও বাসভবন ‘গ্যালাক্সি’র বাইরে বের হননি ‘ভাইজান’।

মুম্বাইয়ের সংবাদমাধ্যমের দাবি, সিধু মুসে ওয়ালার হত্যাকাণ্ডের পর আর কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না সালমান খান। গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দলের হুমকি বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তিনি।

গায়ক সিধু মুসেওয়ালার খুনের মামলার অন্যতম প্রধান হিসেবে আপাতত পুলিশ হেফাজতে লরেন্স। অতীতে সালমানকেও হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এছাড়া তার বাবা ও আইনজীবিকেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

জানা গেছে, নিরাপত্তার কারণেই তাই আর জনসমক্ষে আসেন না সালমান। ‘গ্যালক্সি’র চারপাশে ১৫টির মতো সিসি ক্যামেরা বসানো আছে। রয়েছে কড়া পুলিশ পাহারাও। সব মিলিয়ে এবছরের পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা ছিল।

এদিকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে মন্নতের ব্যালকনিতে এসেছিলেন বলিউডের নায়ক শাহরুখ খান। ছোট ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যানদের উদ্দেশে হাত নাড়েন তিনি।

২ বছর ধরে করোনার কারণে শাহরুখ খানের ‘ঈদ দর্শন’ স্থগিত ছিল। তবে চলতি বছর খুশির ঈদের মন্নতের ব্যালকনিতে ধরা দিয়েছিলেন শাহরুখ, বকরি ঈদেও হতাশ করলেন না তারকা।

জিম্বাবুয়ে সিরিজে ছুটি, সিপিএল খেলবেন সাকিব

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজের থাকছেন না তিনি।

এর একমাত্র কারণ ছুটি নিয়েছেন দেশসেরা অলরাউন্ডার।

ছুটি নিয়ে সেই সময়টা বিশ্রামে থেকে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) যোগ দেবেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে দেশে ফিরেই ৩ দিন বিশ্রাম নিয়েই জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বাংলাদেশ দল।

জুলাইয়ের শেষে ও আগস্টের শুরুতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সমান তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।

সেই সফরে না গিয়ে সাকিব চলে যাবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজে। ৩১ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাচ্ছে সিপিএল। এবারের আসরে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে খেলবেন তিনি। সরাসরি চুক্তিতে তাকে দলে ভিড়িয়েছে গায়ানা।

সিপিএলে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই বিসিবির ছাড়পত্র পেয়েছেন সাকিব। ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান জালাল ইউনূস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, সাকিবকে সিপিএলের জন্য অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে।’

সে হিসেবে এবারের সিপিএলে একমাত্র বাংলাদেশি খেলোয়াড় সাকিবই।

সিপিএলের এখন পর্যন্ত তিনবার খেলেছেন সাকিব। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে জ্যামাইকা তালওয়াসের হয়ে খেলেন তিনি। জ্যামাইকার হয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বাদ পান।

এরপর ২০১৮ সালে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের হয়ে খেলেন তিনি। পরের বছর দলটির হয়ে সিপিএল শিরোপার স্বাদ নেন।

ভারতে ‘ভুয়া’ আইপিএলে বাজি ধরতেন শোয়েব, প্রতারিত রাশিয়ানরা

ভারতীয় এক ব্যক্তির অভিনব এক প্রতারণার ফাঁদে আটকে সর্বশান্ত হতে চলেছিল রাশিয়ানরা।

ভারতের গুজরাটের মহীসেনার মলিপুর গ্রামের এক খামারে ‘ ভুয়া আইপিএল’ টুর্নামেন্ট চালু করেন শোয়েব দাবদা নামে এক ভারতীয় জুয়াড়ি।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভুয়া টুর্নামেন্টটি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলে ফেলার পর পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এ ঘটনায় সব মিলিয়ে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই ‘ভুয়া আইপিএল’ ইন্টারনেটে প্রচার করে রাশিয়ানদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন শোয়েব আর তার সঙ্গীরা।

কিভাবে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন শোয়েব, তার বর্ণনায় পুলিশ কর্মকর্তা ভবেশ রাথোড় বলেছেন, ‘ কয়েক সপ্তাহ আগে গুজরাটের গোলাম মহীশ নামের ব্যক্তির খামারটি ভাড়া করেন শোয়েব। সেখানে হ্যালোজেন বাতি লাগান। আইপিএলের দলের জার্সি কিনে ২১ জন খামার শ্রমিককে আইপিএলের ক্রিকেটার হিসেবে সামনে উপস্থিত করেন। ম্যাচপ্রতি ৪০০ রুপির বিনিময়ে তাদের ভাড়া করেন তিনি। আম্পায়ার সাজিয়ে তাদের হাতে ওয়াকিটকি দেন শোয়েব। বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলের কণ্ঠ নকল করেতে পারেন এমন একজনকে আনেন। এরপর মাঠে পাঁচটি এইচডি ক্যামেরা বসিয়ে শুরু করেন টুর্নামেন্ট। পালা করে চেন্নাই সুপার কিংস, মুম্বাই ইন্ডিয়ানস, গুজরাট টাইটানসের জার্সি পরে খেলার অভিনয় করতে থাকেন শ্রমিকরা।

কৃত্রিম সেসব ম্যাচ সরাসরি স্ট্রিমিং করা হয় ইউটিউবে। মাঠের দর্শকদের আওয়াজ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে সংযুক্ত করা হয় স্ট্রিমিংয়ের সঙ্গে।

এভাবেই গুজরাটের ওই গ্রামে চলতে থাকে ভুয়া আইপিএল। আর যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামের মাধ্যমে এর ওপর বাজি ধরতে শুরু করেন রাশিয়ানরা।

গ্রেফতার শোয়েব বলেছেন, ৮ মাস রাশিয়ার এক পানশালায় কাজ করেছেন তিনি। সেখানে আসিফ মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় তার। ভুয়া আইপিএল আয়োজনের পরিকল্পনাটা মূলত আসে আসিফের মাথা থেকে। এরপর দেশে ফিরে এই প্রতারণার ফাঁদ পাতেন রাশিয়ানদের জন্য।

আর ক্রিকেটে মোটমুটি অজ্ঞ রাশিয়ানরাও ভুয়া আইপিএলের জুয়ায় মাতেন।

কিভাবে রাশিয়ানেদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন শোয়েব ও তার সহযোগীরা?

পুলিশ জানিয়েছে, শোয়েব সরাসরি টেলিগ্রামের মাধ্যমে বাজি ধরতেন। আম্পায়ারকে ওয়াকিটকির মাধ্যমে চার-ছয়ের সংকেত দিতে বলতেন। ব্যাটার-বোলাররা জানাতেন এখন কোন শটটি খেলতে হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী বোলাররা সেভাবেই ধীরগতিতে বল করতেন, যাতে চার বা ছয় মারতেন ব্যাটাররা।

এভাবে চোখে ধুলো দিয়ে রাশিয়ার কয়েকটি শহরে বাজি ধরতেন জুয়াড়ি শোয়েব।

ভারতের গণমাধ্যমে এ সংবাদ প্রকাশের পর সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ঈদের দিনেও পাতে জোটেনি এক টুকরো মাংস

ঈদের আমেজ এখনো শেষ হয়নি। সারা দেশে পশু কুরবানি হয়েছে। এসব পশুর মাংসের হকদার দুস্থ, প্রতিবেশী এবং যারা কুরবানি দেননি তারাও। প্রায় সবাই কুরবানির মাংস বণ্টনের আগে এই নীতি অনুস্মরণ করেন।

তবে উপকূলীয় জেলেপাড়াগুলোর চিত্র একেবারেই উল্টো।

ঈদের দিনেও জেলেপাড়ার মানুষের ভাগ্যে জোটে না এক টুকরো মাংস। ঈদের দিনেও তাদের পাতে ছিল একমুঠো সাদা ভাত আর ডাল।

ঈদুল আজহার দিন সকালে চরফ্যাশনের ২১ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামপাড়া-মহল্লায় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন পশু কুরবানি দেওয়ার চিত্র থাকলেও তার উল্টো চিত্র ছিল চরফ্যাশনের উপকূলীয় জেলেপাড়ায় । ঈদের নামাজের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ ছিল তাদের ঈদ।

উনুনে রান্না হয়েছে সেই প্রতিদিনের মতো সামান্য ডালভাত । একদিকে কাজ নেই নদীতে মাছ নেই চলছে অবরোধ, অন্যদিকে পশু কুরবানির মাংস জেলেপাড়াবাসীর কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। যেখানে পরিবারের সদস্যদের তিনবেলা মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা ।

চরফ্যাশনের বেতুয়া মেঘনা নদীর জেলে আনোয়ারা বেগম বলেন, ঈদ হলেও এই ঈদ তো আমাদের জন্য নয়। আমি গাঙ্গে (নদী) গেলে পুরুষ আর বাড়িতে এলে নারী। অনেক আশা নিয়ে জাল টানি। কখনো মাছ মেলে, কখনো মেলে না। স্বামী মারা গেছেন। জীবন-সংগ্রামের সঙ্গে যুদ্ধ করা সমাজকে পরোয়া না করে শুধু বেঁচে থাকার তাগিদে কখনো নদীতে বা কখনো খালের জাল ফেলে মাছ ধরি। মাছ বিক্রির টাকায় সেমাই চিনি নিয়ে ফিরলেই চুলায় রান্না উঠে ঈদের। এবার নদীতে মাছ নেই, তাই আমাগো ঈদও নেই।

জেলে আনোয়ারা বেগমের মতো জেলে হাসান বলেন, টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা, নদীতে ইলিশ নেই। এই সংকটে ঈদ আনন্দবঞ্চিত আমরা চরফ্যাশনের মেঘনা-তেঁতুলিয়াপাড়ের ইলিশ শিকারিরা। দীর্ঘ সময় কর্মহীন থাকায় সংসারে অচলাবস্থা। তাই ভিন্ন কোনো আয়োজন ছাড়াই বছরের অন্যদিনের মতো ডাল-ভাতে কাটছে ঈদ। কেউ সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসেনি ।

জেলে হাসান বলেন, আজ আমার ঘরে ঢাল মরিচ ভাজা হয়েছে। এর বেশি কিছু জোটেনি। জসিম উদ্দিন মাঝি। পেশায় জেলে। স্ত্রী নাজমা এবং দুই সন্তানসহ ঢালচরের হাজিপুর গ্রামের সাইফুল হাজির বাড়ির আঙিনায় ঝুপড়ি করে আশ্রয় নিয়েছে। এই দম্পতির ১২ সদস্যের সংসার চলে মেঘনায় মাছ ধরে। কিন্তু গত দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার পর এখন মাছের আকাল। তাই এবারের ঈদ তাদের জন্য আনন্দের পরিবর্তে এসেছে হতাশা নিয়ে।

একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জন্য কোনো সহায়তা না পাওয়াসহ নানান কারণে এই ঈদের আনন্দ থেকে উপকূলীয় এলাকার ৪০ হাজার জেলে পরিবার এবারের ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত।

এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ঈদে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থা থেকে বরাদ্দ করা অনুদান তাদের সহযোগিতা করা হয়েছে।

পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার রকেট হামলায় নিহত বেড়ে ৩৩

পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের চাসিভ ইয়ার শহরের একটি ভবনে রাশিয়ার রকেট হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার রকেট হামলায় চাসিভ ইয়ার শহরের পাঁচতলা যে ভবনটি ধসে পড়েছে, সে ভবনের ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে সর্বশেষ এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হামলার এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন।

এখনও উদ্ধারকাজ চলছে বলেও জানিয়েছে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়া এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনে ৩৪টি রকেট হামলা চালিয়েছে।