ওজন বাড়াতেও প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম করুন

0
216

বর্তমান বিশ্বে স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যার মধ্যে ওজনাধিক্য অন্যতম। ওজন কমানো নিয়ে যেমন অনেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন, পাশাপাশি কম ওজনের কারণেও অনেকে ভুগছেন নানা স্বাস্থ্য জটিলতায়

কম ওজনে যেসব জটিলতা

বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী দেহের আদর্শ ওজন থাকে। যদি কারো ওজন অতিরিক্ত কম থাকে, তবে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ে সমস্যা, ঘন ঘন অসুস্থতা, রক্তস্বল্পতা, চুল-দাঁত দুর্বল হওয়া, অনিয়মিত মাসিক, ক্লান্তি, অপরিণত শিশু জন্মদান ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। এ জন্য সঠিক ওজন বজায় রাখা খুব জরুরি।

করণীয়

পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ : সামুদ্রিক মাছ, চর্বিহীন দুধ, চর্বিহীন মাংস, খোসাসহ শস্য, ডিম, বাদাম, বিচি ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখুন এবং এই খাবারগুলো ২-৩ বার পরিবেশন করুন।

সীমাবদ্ধ খাদ্য তালিকা নয় : যে খাদ্য তালিকায় নির্দিষ্ট পুস্টি উপাদান বাদ দেওয়া হয়, সে ধরনের খাদ্য তালিকা এড়িয়ে চলুন। চেষ্টা করুন সব ধরনের পুষ্টি উপাদান রেখে খাবার গ্রহণ করতে।

চর্বিহীন পেশি বাড়ান : ওজন বাড়াতে চর্বিহীন পেশি বাড়ানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে ব্যায়াম, ভারোত্তোলন, কার্ডিওটাইপ ব্যায়াম সাহায্য করতে পারে।

ক্ষুধা নিয়ন্ত্রক হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখুন : লেপটিন, ইনসুলিন, ঘেরলিন, পেপটাইড—এই হরমোনগুলো ক্ষুুধা নিয়ন্ত্রণ করে। লেপটিন ক্ষুধা কমায়, ঘেরলিন ক্ষুধা বাড়ায়। তাই যাঁরা ওজন বাড়াতে চান, তাঁরা অবশ্যই এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন।

যেসব ব্যায়াম করবেন : কার্ডিও, স্কোয়াট, লাঞ্জেস, জাম্পিং, ভারোত্তোলন, দেহের ওপরাংশের ব্যায়াম বিশেষ করে পেটের ব্যায়ামগুলো করুন।

খেয়াল করুন

* দিনে অন্তত ছয় থেকে আটবার খাবার খাবেন।

* প্রতিদিন এক ঘণ্টা ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। ব্যায়ামের সঠিক সময় সকালের নাশতার দুই ঘণ্টা পর হলে ভালো হয়।

* ভারোত্তোলন দুই কেজি থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ান।

* পর্যাপ্ত সুপেয় পানি পান করুন, যেন অন্ত্র পরিষ্কার থাকে। স্বাস্থ্যসম্মত ওজন বজায় রাখতে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

* উচ্চ মাত্রার আঁশযুক্ত খাবার যেমন খোসাসহ ফল, সবজি, ডাল ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখুন।

পরামর্শ দিয়েছেন-

লাবীবা তাসনীম আনিকা

পুষ্টিবিদ, ইন্সপিরন ফিটনেস ও ডায়েট কনসালট্যান্সি সেন্টার

ধানমণ্ডি, ঢাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here