বিশ্বের যেকোনো দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখে বাংলাদেশ: লিটন

0
51

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল আজ বুধবার মুখোমুখি হচ্ছে শক্তিশালী পাকিস্তানের। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এই সিরিজে নামার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রস্তুতি সিরিজে খুব একটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেনি বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরে ফিরে আসে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে সেই ব্যর্থতা কাটিয়ে এবার নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে মাঠে নামছে টাইগাররা।

আত্মবিশ্বাসী লিটন দাস
বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক লিটন দাস প্রথম ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, দল চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এবং আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। তিনি বলেন,

‘আমাদের বিশ্বাস আছে, পৃথিবীর যেকোনো দলকে হারিয়ে দিতে পারি। আমরা যদি ধারাবাহিক হতাম, তাহলে হয়তো বিশ্বের সেরা দলগুলোর ভেতরেই থাকতাম। আমরা যেহেতু পেছনের দল, তার মানে আমাদের কিছু ঘাটতি আছে। ওই জিনিসগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

লিটনের মতে, ধারাবাহিকতা না থাকাই বাংলাদেশের বড় সমস্যা। তবে সেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে দল কাজ করছে। তিনি আরও বলেন,

‘প্রতিটা সিরিজেই আলাদা চ্যালেঞ্জ থাকে। আমরা চেষ্টা করছি দল হিসেবে একসঙ্গে পারফর্ম করতে।’

চোখ রাঙাচ্ছে পাকিস্তান
পাকিস্তান এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী টি-টোয়েন্টি দল। বাবর আজমের নেতৃত্বে ঘরের মাঠে তারা বরাবরই দাপটের সঙ্গে খেলে আসছে। তাদের দলে আছে বিশ্বমানের পেসার ও স্পিনাররা, যারা ঘরের মাঠে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকে।

চাপে থাকা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ
বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। সম্প্রতি ব্যাটাররা ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেননি। তবে লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়দের ওপরই থাকবে ইনিংস গঠনের দায়িত্ব। বোলিং আক্রমণেও পরিবর্তন আসতে পারে—তাসকিন, শরীফুল এবং মেহেদী হাসান মিরাজের কাঁধে থাকবে উইকেট নেওয়ার গুরুদায়িত্ব।

প্রথম ম্যাচেই তৈরি হতে পারে সিরিজের মোড়
এই সিরিজের প্রথম ম্যাচের ফলই অনেকটা নির্ধারণ করে দিতে পারে সিরিজের ভবিষ্যৎ গতিপথ। একটি জয় যেমন আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারে, তেমনি একটি হার আবারো চাপ বাড়াতে পারে টাইগারদের উপর।

বাংলাদেশ দল আজ মাঠে নামবে একটি বার্তা নিয়ে—তারা হাল ছাড়তে রাজি নয়। প্রতিপক্ষ যতই শক্তিশালী হোক না কেন, লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনাই তাদের লক্ষ্য।