মঙ্গলবার ,৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 683

অবশেষে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার কুমিল্লার সেই ইকবাল

কুমিল্লায় পবিত্র কুরআন অবমাননার ঘটনায় আলোচিত যুবক ইকবাল হোসেনকে অবশেষে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম (ক্রাইম অ্যান্ড অ্যাডমিন) জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ঘোরাঘুরির সময় ইকবাল নামে ওই যুবককে আমরা সৈকত এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছি।

এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। দলটি কক্সবাজার পৌঁছালে এই যুবককে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহ‌মেদ বলেন, কক্সবাজারে ইকবাল হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এটা প্রধান সন্দেহভাজন ইকবাল কি-না, তা যাছাই করে দেখবেন তারা।

ইকবালকে জিজ্ঞাসাবাদে কুমিল্লার নানুয়া দীঘির পাড়ে পূজামণ্ডপে কুরআন রেখে সাম্প্রদায়িক উসকানি সৃষ্টির পেছনের ঘটনা জানা যাবে বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পুলিশ কর্মকর্তারা।

গত ১৩ অক্টোবর ভোরে দুর্গাপূজার মধ্যে নানুয়া দীঘির পাড়ে দর্পন সংঘের পূজামণ্ডপে হনুমানের মূর্তির কোলে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন রাখা দেখে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। হামলা, ভাংচুর চালানো হয় অন্তত আটটি মন্দিরে।

তার জের ধরে সেদিনই চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মন্দিরে হামলা হয়, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় পাঁচজন।

এর পরের কয়েকদিনে নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ কয়েকটি জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা হয়। তাতে নোয়াখালীতে নিহত হয় দুজন।

এর মধ্যে কুমিল্লা পুলিশ বুধবার নানুয়া দীঘির পাড়ের দুটি সিসি ক্যামেরার ভিডিও বিশ্লেষণ করে ইকবাল নামে ওই যুবককে শনাক্তের কথা জানায়।

একটি সিসি ক্যামেরার ভিডিওতে এক যুবককে রাত ২টার পর স্থানীয় দারোগাবাড়ী শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী (রহ.) এর মাজার থেকে বেরিয়ে পূজামণ্ডপের দিকে যেতে দেখা যায়, তখন তার হাতে বই জাতীয় কিছু ছিল।

এরপর ৩টা ১২ মিনিটের দিকে তাকে পূজামণ্ডপের দিক থেকে ফিরে আসতে দেখা যায় আরেক ভিডিওতে, তখন তার হাতে ছিল একটি ‘গদা’।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর ভোরে নানুয়া দীঘির ওই পূজামণ্ডপে থাকা হনুমানের মূর্তির কোলে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন রাখা ছিল। তখন হনুমানের মূর্তির হাতে থাকা গদাটি পাওয়া যায়নি।

কারও কথা রেকর্ড ও ফাঁস করা জায়েজ আছে কি?

প্রশ্ন: অনুমতি ছাড়া কারও কোনো কথা রেকর্ড করা জায়েজ আছে কি?

উত্তর: একে অপরের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যেসব কথাবর্তা হয় তা আমানত স্বরূপ। এ জন্য অনুমতি ছাড়া ইনকামিং বা আউটগোয়িং কোনো কল রেকর্ড করা যাবে না।

সুতরাং অনুমতি ছাড়া কারও কল রেকর্ড করা এবং তা প্রকাশ করা গুনাহের কাজ। বিশেষত কোনো গোপন কথা, যা একে অপরের মাঝে গোপন রাখার শর্ত আরোপ করা হয় এবং শ্রবণকারীকে আমানতদ্বার ভেবে কথা বলা হয়, এমন কথাবার্তা তো রেকর্ড করা ও প্রকাশ করার প্রশ্নই আসে না।

সুতরাং অনুমতি ছাড়া কারও কল রেকর্ড করা এবং তা ভিন্ন খাতে বা নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যবহার করা নাজায়েজ। এহেন কাজ থেকে মুসলিম হিসেবে বিরত থাকা একান্ত আবশ্যক।

কেননা হাদিস শরিফে এসেছে, জাবির ইবন আব্দুল্লাহ রাজি থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কথা বলার পর এদিক-সেদিক তাকায়, তবে তার এ কথা (শ্রবণকারীর জন্য) আমানত বলে গণ্য। (তিরমিজি শরিফ ১৯৫৯)

হযরত হাসান বসরি (রহ.) বলেন, তোমার ভাইয়ের গোপন বিষয় কারও কাছে বলা–এটিও খিয়ানত। (আসসামত, ইবনু আবিদদুনয়া ৪০৪)

এ ব্যাপারে রাষ্ট্রীয় আইন—

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের ‘চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার’ রয়েছে।

অর্থাৎ, ফোনে যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিকের গোপনীয়তা অক্ষুণ্ণ রাখার নিশ্চয়তা দেয় আইন। তার মানে, ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া ফোনালাপ রেকর্ড করা এবং রেকর্ড ছড়িয়ে দেওয়া আইনত অপরাধ।

আইনজীবীরা মনে করেন, অনুমতি ছাড়া কারও ফোনালাপের রেকর্ড ছড়িয়ে দিলে তিনি প্রচলিত আইন অনুযায়ী মানহানির মামলা করতে পারেন। ডিজিটাল মাধ্যমে রেকর্ড ছড়ানো হলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও মামলা করতে পারেন।

লেখক: আরবি প্রভাষক, দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা, ঢাকা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) আজ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) আজ। সমগ্র মানবজাতির শিরোমণি মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের দিন আজ। ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল শেষ নবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) মা আমিনার কোলে জন্ম নেন।

৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের এ দিনে ৬৩ বছর বয়সে তিনি ওফাত লাভ করেন। বিশ্বের মুসলমানরা দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি বা সিরাতুন্নবী (সা.) হিসাবে পালন করেন। এদিন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ছুটি থাকে।

পবিত্র এ দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। দিনটি উপলক্ষ্যে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সশস্ত্র বাহিনীর সব স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। জাতীয় পতাকা ও ‘কালিমা তায়্যিবা’ অঙ্কিত ব্যানার ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দ্বীপ ও লাইট পোস্টে টাঙানো হবে। রাতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোয় আলোকসজ্জা করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আজ জাতীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বেসরকারি সংস্থাগুলোয় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করছে। দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, বৃদ্ধনিবাস ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে আজ উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোয় যথাযথভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করা হবে। দিনটি উদযাপনে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার বাদ মাগরিব ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে। এদিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।

সিলেটে তালামীযের শোভাযাত্রা : সিলেট ব্যুরো জানায়, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট নগরীতে বিশাল র‌্যালি করেছে। ‘মুবারক র‌্যালি’তে কয়েক হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করে। নগরীর সোবহানীঘাটস্থ হযরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সিলেট বিভাগের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা জমায়েত হন।

র‌্যালি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক সুলতান আহমদের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান ফরহাদ ও সদস্য সচিব এসএম মনোয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত র‌্যালিপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হযরত আল্লামা মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী। প্রধান বক্তা ছিলেন তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ দুলাল আহমদ।

এ সময় বক্তারা বলেন, মুসলমান ও হিন্দুদের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ইসলাম কখনো অশান্তি সৃষ্টি ও সংঘাতকে সমর্থন করে না। অতিথি হিসাবে র‌্যালিতে ছিলেন আনজুমানে আল ইসলাহর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম মনোওর আলী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব, আনজুমানে আল ইসলাহর সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাহফিলে মিলাদুন্নবি (সা.) বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ হাসান চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আবু ছালেহ মো. কুতবুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নজমুল হুদা খান, মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ম্যানেজার মাওলানা গুফরান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুজতবা হাসান চৌধুরী নুমান প্রমুখ।

পরিশ্রমের সময় বুকে ব্যথা কেন হয়, করণীয়

পরিশ্রমের কাজ করার অনেকে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। সেটি কখনও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। আর মৃদ্যু ব্যথা প্রায়ই হতে পারে।

এমন ব্যথা অনেকে গুরুত্ব দেন না। এটি বড় বিপদের কারণও হতে পারে।

এ ধরণের বুকে ব্যথার কারণ ও উপসর্গ নিয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন মেডিনোভা হাসপাতালের মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. তৌফিকুর রহমান ফারুক।

পরিশ্রমের সময় অথাৎ সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময়, পাহাড়ে উঠার সময়, দৌড়ে বাসে উঠার সময়, তাড়াহুড়া করে কোনো কাজ করার সময়, বাজারের ব্যাগ হাতে নিয়ে হাঁটার সময়, ভারী কাজ করার সময়, কোনো ভারী জিনিস তোলার সময়, অত্যাধিক উত্তেজিত হলে, খাবার পর ভরাপেটে হাঁটলে বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হতে পারে।

পরিশ্রমের সময় হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে ব্লক থাকলে বা রক্তপ্রবাহে বাধাগ্রস্ত হলে বুকে ব্যথা হতে পারে। হৃদপিণ্ডের করোনারী রক্তনালিতে ব্লক থাকলে বা রক্তনালিতে চর্বির আস্তর জমে রক্তনালি সরু হলে পরিশ্রমের সময় অতিরিক্ত রক্ত সরবরাহের প্রয়োজন হয়। কিন্তু রক্তনালিতে ব্লক থাকার কারণে রক্ত সরবরাহের ঘাটতি দেখা যায় ফলে হৃদপিণ্ডের মাংশপেশিতে অক্সিজেন ও খাবার অভাব দেখা যায় এতে বুকে ব্যথা করে।

হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে ব্লকজনিত ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝখানে হয়, কখনও কখনও বামপাশে অথবা ডানপাশেও হতে পারে। এ ব্যথা বুকের ওপর দিকে গলার কাছে একং বাম হাত দিয়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

হৃদপিণ্ডের রক্তনালির ব্লকজনিত ব্যথা ওপরের পেটে হতে পারে বা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা ভেবে ভুল হতে পারে। তাছাড়া এ ধরনের ব্যথা শুধু গলার ওপর চাপ চাপ ধরনের হতে পারে, মনে হয় গলায় কিছু আটকে আছে এবং নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসবে। এ ছাড়া হৃদপিণ্ডের ব্লকজনিত ব্যথা পিঠের পেছনে হতে পারে, ডান হাত বা বামহাতেও হতে পারে।

কী সমস্যা হতে পারে

হৃদপিণ্ডের ব্লকজনিত ব্যথা হলে তা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা ভেবে ভুল হতে পারে। তা পরিণামে সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় ওপরের পেটে ব্যথা হলে তা রোগী নিজে অথবা অনেকে তা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা মনে করে অ্যান্টাসিড বা গ্যাস্ট্রিক এর অন্য ওষুধ দিয়ে রোগীকে আশ্বস্ত করাতে পারেন যা রোগীর জন্য মারাত্মক হতে পারে।

পেট ব্যথা গ্যাস্ট্রিকের জন্য না রক্তনালির ব্লকের জন্য তা কীভাবে বুঝা যায়

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা সাধারণত বহুদিন ধরে মাঝে মাঝে হয়। কিন্তু হার্টের রক্তনালির ব্লকের কারণে হার্ট-অ্যাটাক হলে ওপরের পেটের ব্যথা প্রথম বারের জন্য বা নতুন ধরনের ব্যথা অনুভূত হলে এবং এর সঙ্গে যদি প্রচুর ঘাম হয় বা বমি বমি ভাব হয় তবে তা হার্ট অ্যাটাকের জন্য হওয়ার আশংকা বেশি।

পেটে ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের কারণে হলে কী করা উচিত

কোনো রোগীর কোনোদিন পেটে ব্যথা না হলে এবং হঠাৎ করে কোনোদিন পেটে ব্যথা হলে, সঙ্গে প্রচুর ঘাম হলে বা বমি হলে সে ক্ষেত্রে যেহেতু হৃদপিণ্ডের ব্লকজনিত কারণে হওয়ার আশংকা বেশি, সে ক্ষেত্রে অতিসত্ত্বর নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ইসিজি বা রক্ত পরীক্ষা যেমন কার্ডিয়াক ট্রপোনিন আই পরীক্ষাটি করিয়ে নেওয়া উচিত।

হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে ব্লকজনিত বুকে ব্যথার বৈশিষ্ট কী

হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে ব্লকজনিত বুকে ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝখানে হয়। পরিশ্রম করলে বাড়ে, বিশ্রাম নিলে কমে, নাইট্রেট জাতীয় ওষুধ জিহ্বার নিচে দিলে বা জিহ্বার নিচে স্প্রে করলে কমে। বুকের ব্যথা বাম হাতের ভেতরের দিক দিয়ে নিচের দিকে নামে, বুকে ব্যথার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

করণীয়

পরিশ্রমের সময় বুকে ব্যথা হলে তা হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে ব্লকজনিত কারণে হতে পারে বিধায় অতিসত্বর হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম, ইটিটি এবং অন্য পরীক্ষা যেমন- করোনারী এনজিওগ্রাম করতে পারেন।

হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে ব্লকজনিত কারণে বুকে ব্যথা হলে ইসিজি স্বাভাবিক থাকতে পারে।

 

সন্তান মাদকাসক্ত কিনা বুঝবেন ৯ লক্ষণে

মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে আগে জানতে হবে মাদকাসক্তি কী? নেশায় জড়িয়ে পড়া বা মাদকাসক্তি একটি ব্যাধি। সাধারণত চিকিৎসাবিদ্যায় মাদকাসক্তিকে বলা হয়, ক্রনিক রিলাক্সিং ব্রেইন ডিজিজ বা বারবার হতে পারে এমন স্নায়ুবিক রোগ।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য ও পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন ব্যক্তিকে মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত করার কিছু শর্ত আছে। প্রথমত, যেকোনো উপায়েই হোক নেশাদ্রব্য সংগ্রহ করতে হবে, যেটিকে ইংরেজিতে ক্রেভিং বলে। দ্বিতীয়ত, নেশাবস্তু গ্রহণের মাত্রা ক্রমশ বাড়িয়ে দেয় বা বাধ্য হয়, যেটিকে টলারেন্স বলা হয়। তৃতীয়, নেশাবস্তুর প্রতি দৈহিক এবং মানসিক নির্ভরতা গড়ে ওঠে। নেশাবস্তুটি গ্রহণ করতে না পারলে তার দৈহিক ও মানসিক অবস্থার ভারসাম্য নষ্ট হয়।

ভয়াবহ সংবাদ হলো, গোটা বিশ্বের মতো আমাদের দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ১৮ বছরের বেশি ৩ দশমকি ৩০ শতাংশ, ১২-১৭ বছর বয়সী ১ দশমিক ৫০ ও ৭-১১ বছর বয়সীদের মধ্যে ০ দশমিক ২০ শতাংশ মানুষ মাদকাসক্ত। অর্থাৎ, ৭ বছরের শিশুও মাদকাসক্ত হয়েছে এমন প্রমাণ রয়েছে। সার্বিকভাবে দেখা যায়, পুরুষদের মধ্যে ৪ দশমিক ৮০ এবং নারীদের ০ দশমিক ৬০ শতাংশ মাদকাসক্ত।

মাদকাসক্তদের মধ্যে গাঁজায় আসক্ত ৪২ দশমিক ৭০, মদে ২৭ দশমিক ৫০, এমফেটামিন জাতীয় ওষুধে ১৫ দশমিক ২০, আফিম জাতীয় দ্রব্যে ৫ দশমিক ৩০ এবং ঘুমের বড়ি বা ট্যাবলেট খায় ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ জরিপ থেকে আমরা আমাদের দেশে মাদকাসক্তের সার্বিক একটা চিত্র বুঝতে পারি।

খুব ভয়ের ব্যাপার হলো, দেশের তরুণ-তরুণী কিংবা কিশোর-কিশোরীরা মাদকে বেশি আসক্ত হচ্ছে। দেশে মাদকাসক্তের প্রায় ৬৩ শতাংশ তরুণ-তরুণী। কিশোর বা তরুণদের ক্ষেত্রে সঙ্গত কারণেই আমরা বলে থাকি, ওদের আবেগ অনিয়ন্ত্রিত এবং বয়সটিতে বন্ধুদের প্রভাব অনেক বেশি থাকে। এদের মধ্যে অনেকেই নিছক কৌতূহলের বশে নেশা করে। অনেকের ক্ষেত্রে সামাজিক বা ব্যক্তিগত কোনো হতাশা থেকে শুরু হয়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত হয়েও অনেকে কিন্তু মাদকে ঝুঁকে পড়ে। দেশে নানা জাতীয় মাদকের সহজলভ্যতাও মাদকাসক্তির অন্যতম কারণ।

এ ছাড়া মাদকাসক্তের পেছনে পারিবারিক অনেক কারণও আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। যেমন, কোনো সংসার বা পরিবারে পারিবারিক কলহ দিনের পর দিন চলতে থাকে, মা-বাবা কিংবা বড় ভাই-বোনদের কেউ মাদকাসক্ত, মা-বাবার সাথে শিশু-কিশোর বয়সে সন্তানের স্নেহপূর্ণ সম্পর্কের ঘাটতির কারণেও মাদকে আসক্তির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এখন আসা যাক তরুণ-তরুণীরা মূলত কোন কোন মাদকে আসক্ত হয়। সাম্প্রতিক ডিএসএম-৫ বা ডায়াগনোস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অব মেন্টাল ডিস-অর্ডারসের পঞ্চম সংস্করণে ১০টি দ্রব্যকে মাদক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো, অ্যালকোহল বা মদ, ক্যাফেইন, ক্যানাবিস বা গাঁজাজাতীয় দ্রব্য, হ্যাল্যুসিনোজেনস বা বিভ্রম সৃষ্টিকারী দ্রব্য (এলএসডি, বিভিন্ন ধরনের ইনহ্যাল্যান্টস অর্থাৎ যেগুলো শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা হয়), অপিওয়েডস বা আফিম জাতীয় দ্রব্য, সিডেটিভ বা উত্তেজনা প্রশমনকারী দ্রব্য (ঘুমের ওষুধ, হিপনোটিকস বা সম্মোহক পদার্থ), অ্যানজিওলাইটিকস বা উদ্বেগ প্রশমক দ্রব্য, স্টিম্যুলেন্টস বা স্নায়ু উত্তেজক দ্রব্য (অ্যামফিটামিন জাতীয় দ্রব্য বা কোকেইন) এবং বিভিন্ন তামাকজাতীয় দ্রব্য।

সূত্র: ডক্টর টিভি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলে অগ্নিকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে হলের ১০ তলার একটি রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার দেওয়ান আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলের একটি কক্ষে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পাই। আমাদের দুটি ইউনিট আগুন নির্বাপনে কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, শটসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে, তবে তেমন বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমাদের ইউনিট সেখানে কাজ করছে।

সাড়ে ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে ফায়ারসার্ভিস। তবে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জয় হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় উদ্বেগে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

সুপার টুয়েলভের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ওমানের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না মাহমুদউল্লাহদের।

প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে দ্বিতীয় ম্যাচকে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পরিণত করেছিল টাইগাররা।

আর সেই ম্যাচেই কি না হারের শঙ্কা! ওমানের মতো দুর্বল বিপক্ষেও জয়টা হেসেখেলে আসেনি। আল আমেরাত স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশকে খেলতে হয়েছে লড়াকু পারফরম্যান্স দিয়ে। ব্যাট হাতে বাজে শুরুর পর ১৫৩ রানের পুঁজি দাঁড় করে টাইগাররা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওমান যেভাবে খেলছিল ১৫ ওভারের সময়ে মনে হচ্ছিল, স্কটল্যান্ডের মত বাংলাদেশকে হারিয়ে ওমান অঘটনের জন্ম দেবে। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ঘণ্টা বাজবে বাংলাদেশের।

অবশ্য সাকিবের অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে সেই শঙ্কা কাটিয়ে ২৬ রানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। টিকিয়ে রেখেছে বিশ্বকাপের মূলপর্বে যাওয়ার আশা।

বাংলাদেশের এমন জয়ে যেন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন ক্রিকেটপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাজারও ব্যস্ততা মাঝে খেলা উপভোগ করেছেন। দেশের জয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওমানে থাকা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

তিনি বলেছেন, জয় হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় উদ্বেগে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ম্যাচের পরপরই আমাকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ জয় স্বস্তিদায়ক।

‘বি’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে খেলতে হবে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে। সুপার টুয়েলভে যেতে হলে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ খেলতে আসা পাপুয়া নিউগিনিকে হারাতেই হবে টাইগারদের।

মুশফিককে সাতে নামানো নিয়ে যা বললেন সাকিব

ব্যাট হাতে মুশফিকুর রহিমের ফর্ম মোটেও ভালো যাচ্ছে না। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে রানের জন্য রীতিমত সংগ্রাম করেছেন। বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচেও ব্যর্থ হয়েছেন।

বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। দুই ছক্কা ও এক চারে ৩৬ বলে ৩৮ রান করেন। ৩৮ রানে উইকেটে থিতু হয়েও সরাসরি বোল্ড হয়ে যান ক্রিস গ্রেভসের বলে।

পরের ম্যাচে অর্থাৎ ওমানের বিপক্ষে মুশফিককে নামানো হয়েছে ৭ নম্বরে। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নেমেছেন আটে।

ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেলেও মুশফিকের এই ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই ভালো চোখে দেখছেন না।

কিন্তু তার আগেই এ বিষয়ে কথা বললেন ম্যাচ জয়ের নায়ক অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। মুশফিকের সাতে ব্যাট করানোকে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের খুবই সাধারণ চর্চা বলে উল্লেখ করেছেন।

ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বললেন, ‘পরিস্থিতি অনুযায়ী কোচ-অধিনায়ক যেটা ভালো মনে করেছেন তাদেরকেই পাঠানো হয়েছে। যারা ঐ পরিস্থিতি সামলানোর যোগ্য। একটা সময় ছিল যখন মনে হয়েছে ১৭০-১৮০ রানও করে ফেলতে পারতাম, যদি সবার ব্যাটিং ক্লিক করত। সে কারণেই অনেককে পরিবর্তন করে পাঠানো হয়েছে।‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন হয়েই থাকে। যখন একটা দল ১০-১১ ওভারে ১-২ উইকেট হারায় তখন ৬-৭ নম্বর ব্যাটসম্যান স্বাভাবিকভাবেই ওপরের দিকে চলে আসে। টি-টোয়েন্টিতে এটা খুবই সাধারণ চর্চা।’

শরণখোলায় টানা বৃষ্টিতে পানিবন্দি ৩ হাজার পরিবার

টানা দুদিনের ভারি বর্ষণে শরণখোলা উপজেলার নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এলাকার অন্তত তিন হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার বহু মাছের ঘের, পুকুর তলিয়ে মাছ ভেসে গেছে।

মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রায়েন্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য গুদামে পানি উঠে ভিজিডি চাল ভিজে গেছে। ভেজা চাল নিয়ে বিপাকে পড়েছে কর্তৃপক্ষ।

রায়েন্দা পাইলট হাইস্কুলের কেন্দ্র খেলার মাঠ পানিতে টইটুম্বুর। এছাড়া, রায়েন্দা শহরের ফলপট্টি, কাচা বাজার, পূর্ব মাথা, টিঅ্যান্ডটি, সরকারি খাদ্য গুদাম এলাকা, শহরতলীর উত্তর কদমতলা, জিলবুনিয়া এবং সাউথখালী ইউনিয়নের বগী, গাবতলা, উত্তর সাইথখালী, দক্ষিণ সাউথখালী, বকুলতলা এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কে এম মিজানুর রহমান জানান, গুদামে ৬০০ বস্তা ভিজিডি চাল রয়েছে। এর মধ্যে নিচ থেকে বেশ কিছু চালের বস্তা সম্পূর্ণ ভিজে গেছে। সকাল থেকে শুকনা চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ভেজা চাল থেকে পঁচা গন্ধ ছড়াচ্ছে।

শহরতলীর উত্তর কদমতলা এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম জীবন জানান, বৃষ্টির পানি সরতে না পারায় তার এলাকার রাস্তাঘাট, অসংখ্য ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে।

সাউথখালী ইউপির চেয়রম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, তার ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামের দুই সহস্রাধিক পরিবারের বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। বহু ঘের ও পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।

রায়েন্দা সদর ইউনিয়নের ওয়ার্ড মেম্বর জালাল আহমেদ রুমি জানান, রায়েন্দা বাজারসহ তার ওয়ার্ডে এক হাজার পানিবন্দি পরিবার রয়েছে। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি নামতে পারছে না।

উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ বলেন, অতিবৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৫৪০টি মাছের ঘের, পুকুর ডুবে ১৩ মেট্রিক টন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ভেসে গেছে। প্রাথমিকভাবে জরিপ করে দেখা গেছে অবকাঠামো ও ভেসে যাওয়া মাছের আর্থিক ক্ষতির পরিমান ৩০লাখ টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়াসিম উদ্দিন বলেন, এই বৃষ্টিতে আমন ধানের তেমন ক্ষতি হবে না, বরং উপকার হবে। এতে সার, ওষুধ কম ব্যবহার হবে। পোকার উপদ্রব কমবে। সমস্ত স্লুইস গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদী হলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পিস্তলসহ যাত্রী আটক

কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পিস্তলসহ এ এইচ এম সেলিম (৬৮) নামের এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বিমানবন্দরের ভেতর থেকে তাকে আটক করে কর্তব্যরত এপিবিএন পুলিশের সদস্যরা।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ১৪ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাঈমুল হক।

তিনি জানান, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী যাত্রী এ এইচ এম সেলিম ব্যাগে পিস্তল নিয়ে বিমানবন্দরের বহির্গমন স্ক্যানিং পার হওয়ার সময় বিষয়টি ধরা পড়লে কর্তব্যরত এপিবিএন সদস্যরা পিস্তলসহ তাকে আটক করেন। এর পর সেলিম তার পিস্তলের বৈধ লাইসেন্স প্রদর্শন করেন। তবে তার সঙ্গে পিস্তল থাকার বিষয়টি তিনি বিমানবন্দরে প্রবেশ করার সময় অবগত না করায় তাকে আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ এইচ এম সেলিমকে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান এপিবিএন পুলিশের এ কর্মকর্তা।