শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 632

মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঢাকায় আসছেন আজ

বাংলাদেশে আসছেন মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল নাসিম। চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ রোববার তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কূটনৈতিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট চারদিনের সফরে আসছেন। সফরে তার সঙ্গে দেশটির দুজন মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব থাকবেন।

তার এ সফরে মালদ্বীপে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান তথা শ্রমবাজার সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হবে।

এছাড়া আলোচনার টেবিলে স্থান পাবে স্বাস্থ্যসেবা, উচ্চশিক্ষা এবং বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মালদ্বীপকে সহায়তা দেওয়ার মতো বিষয়গুলো।

মুজাদ্দেদে আলফে সানি (রহ.)

মাথা বরাবর একটি সাইনবোর্ড। ইংরেজিতে লেখা ‘দরগাহ শরিফ’। নাক বরাবর বড় বড় উর্দু হরফ। লেখা-‘কুতুবে রাব্বানি মুজাদ্দেদে আলফে সানি (রহ.) কা রওজা শরিফ।’

ডানে মোটা দাগে লেখা আয়াতুল কুরসি। বিড়বিড়িয়ে পাঠ করতে করতে ঢুকলাম। হাতের দু’পাশে জমকালো দুটি বাংলো। মুজাদ্দেদে আলফে সানি (রহ.)-এর বংশধরের নিবাস এটি। পূর্ব-দক্ষিণে রয়েছে আরও একটি ভবন। হাতের ইশারায় ভেতরে যেতে বলল একজন। দেখলাম, বড় একটি কামরা।

ওপরে লেখা-‘লঙ্গরখানা’। ভেতরে বড় সাইজের ৫০টি নিচু টেবিল সাজানো। দু’পাশে বসার জন্য বেশ কয়েকটি বিছানা। একসঙ্গে ৪০০ লোকের খাবার খাওয়ার সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা। গোটা দরগাহে সব মিলিয়ে রয়েছে ১৫টি ভবন।

মুজাদ্দেদে আলফে সানি (রহ.)-এর সমাধিক্ষেত্র মসজিদের পূর্ব-উত্তরে। ওজুখানার পাশে প্রধান ফটক। ওপরে বেশকিছু সতর্কবাণী লেখা-‘নারীদের ভেতরে যাওয়া নিষেধ, বাচ্চাদের সঙ্গে নেবেন না’, ইত্যাদি। কে শোনে কার কথা! সমাধিক্ষেত্রে ঢোকার আগে চারপাশে রয়েছে অজানা ৩০টি কবর।

সেগুলোর ওপর আগরবাতি জ্বলছে। নজর আটকাল গম্বুজেঘেরা আলাদা একটি ঘরে। গেটে লেখা হজরতজির নাম। অতি আগ্রহে কদম রাখলাম ভেতরে। এখানেও চোখে পড়ল মা-বোনদের। কুরআন শরিফ হাতে বসে আছেন তারা; কেউ বা তাবিজ, পানির বোতল, তেলের শিশি নিয়ে কবরের পাশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভিড় ঠেলে এগোলাম সামনে। দেখলাম, ক’জন দু’হাত তুলে প্রার্থনা করছে।

একে একে লাইন পেয়ে গেলাম। প্রাণভরে সালাম দিলাম ভেতরে ঢুকে। কবরের ওপর রয়েছে বিশেষ কিসিমের ঝাড়বাতি। মুজাদ্দেদে আলফে সানি (রহ.)-এর পাশেই শুয়ে আছেন তার দুই ছেলে। বড় বুজুর্গ ছিলেন তারাও। নাম-খাজা আহমদ (রহ.) ও খাজা সাঈদ (রহ.)।

দরগাহের অপর পাশে আলাদা করে রয়েছে তার তৃতীয় ছেলের কবর। নাম-খাজা মাসুম (রহ.)। হজরতের কবরের পাশে চোখে পড়ল একটি রুপির বাক্স। কবর জেয়ারত শেষে দর্শনার্থীরা কিছু না কিছু ফেলে যান তাতে।

পা ফেললাম সমাধিক্ষেত্রের দ্বিতীয় তলায়। ওপর থেকে দেখতে লাগলাম পুরো দরগাহ এলাকা। সময় তখন মধ্যদুপুর। মসজিদে জুমার আজান পড়ল। এ জুমার দিনেই ১৫৬১ খ্রিষ্টাব্দ মোতাবেক ৯৭১ হিজরির ১৪ শাওয়াল দিনগত রাতে তার জন্ম। আবুল বারাকাত তার উপনাম। বদরুদ্দিন তার উপাধি। জন্মের প্রায় ৪০০ বছর আগে প্রসিদ্ধ অলি শায়খ আহমদ জাম (রহ.) তার নাম রাখেন ‘আহমদ’।

জন্মের সময় তার মা অদৃশ্য আওয়াজে জানতে পারেন বিষয়টি। পিতা শায়খ আবদুল আহাদ (রহ.) ছিলেন মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় খলিফা উমর (রা.)-এর ২৭তম অধস্তন পুরুষ। ‘হে আল্লাহ, উমর ইবনুল খাত্তাব অথবা আবু জাহেলের মাধ্যমে ইসলামকে শক্তিশালী করো।’ রাসূল (সা.) একবার এ দোয়া করেছিলেন।

মহানবি (সা.)-এর সেই দোয়া হজরত উমর (রা.)-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। রাসূল (সা.)-এর ওফাতের হাজার বছর পর যখন পৃথিবীময় আবার শিরক, বেদাত, কুফরির সয়লাব হলো, তখন উমর (রা.)-এর বংশধর মুজাদ্দেদে আলফে সানি (রহ.)-এর মাধ্যমে ইসলাম আবার শিরক, বেদাতমুক্ত হয়। বিশেষভাবে বাদশাহ আকবরের দিন-ই এলাহিকে চিরতরে নিঃশেষ করার অবদান মুজাদ্দেদে আলফে সানি (রহ.)-এরই।

তিনি পিতার কাছে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। কয়েক বছরের মধ্যেই কুরআনুল কারিমের হিফজ সম্পন্ন করেন। এরপর চলে যান শিয়ালকোটের বিখ্যাত আলেম কামাল কাশ্মীরির কাছে।

সেখানে হাদিস, ফিকহ ও তাফসিরের পাশাপাশি আরবি সাহিত্যও অধ্যয়ন করেন। এরপর দেশে ফিরে অধ্যয়ন ও অধ্যাপনায় মনোনিবেশ করেন। কিন্তু জ্ঞানার্জনের অদম্য আগ্রহ তাকে আবার রাহতাস ও জৌনপুরে নিয়ে যায়। তিনি আগ্রায় অবস্থান করে আবুল ফজল ও আবুল ফয়জের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন। সেখানে থাকাবস্থায় খুব কাছ থেকে সমসাময়িক চিন্তাধারা, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের সুযোগ পান।

কিছুদিনের মধ্যেই স্বীয় পিতা তাকে সেরহিন্দে ডেকে পাঠান। তিনি পিতার কাছ থেকে চিশতিয়া তরিকার দীক্ষা গ্রহণ করেন। সে সময় তিনি সোহরাওয়ার্দিয়া ও কাদরিয়া তরিকার দীক্ষাও লাভ করেন। তার উস্তাদ ইয়াকুব কাশ্মীরি (রহ.)-এর মাধ্যমে তিনি আরও একটি তরিকার শিক্ষা গ্রহণ করেন। কিন্তু কোনোটার দ্বারাই পরিপূর্ণ আত্মতৃপ্তি পাচ্ছিলেন না। ১০০৮ হিজরিতে হজযাত্রায় দিল্লি পৌঁছলে তার জনৈক বন্ধু খাজা বাকিবিল্লাহ নকশেবন্দি (রহ.)-এর কামালাত সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। শায়খের প্রতি অন্তরে আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। তিনি তার খেদমতে হাজির হন। খাজা সাহেবের সান্নিধ্যে অল্পদিন অবস্থান করার দ্বারা মুজাদ্দেদ (রহ.)-এর বহুদিনের আধ্যাত্মিক অতৃপ্তির অবসান ঘটে। অপরদিকে খাজা সাহেব (রহ.) মুজাদ্দেদে আলে সানি (রহ.)-এর সততা, সরলতা, সুন্নতের অনুসরণ ও শরিয়তের পালন দেখে অভিভূত হন। শায়খের নির্দেশে তিনি নিজ এলাকা সেরহিন্দে ফিরে আসেন।

কর্মজীবনে আসার পর তার কাছে স্পষ্ট হয়, রাষ্ট্র কীভাবে ইসলামের বিরোধিতায় অবতীর্ণ হয়েছে। তার ইমানি সুপ্ত আগুন জ্বলে ওঠে। অবস্থার পরিবর্তনই তার মূল টার্গেটে পরিণত হয়। অবতীর্ণ হন বিপ্লবের ময়দানে। সংশোধনের নিয়তে রাজ্যের কর্মকর্তাদের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের কাছে যাতায়াত আরম্ভ করেন। তারা দেখতে পেল, তিনি শুধু রক্ত-মাংসে গড়া একজন মানুষ নন; তার ভেতর রয়েছে মনুষ্যত্বের যাবতীয় গুণাবলি। তখন তারা তার সামনে নিজেদের সোপর্দ করে দিল। তার এ তৎপরতার সময় সম্রাট আকবর জীবিত ছিল। এর কিছুদিন পরই আকবর মারা যায়।

মুজাদ্দেদে আলফে সানি (রহ.) স্বীয় চিন্তাধারাকে বিভিন্ন রচনা দ্বারা প্রকাশ করেছেন। আল বাবদা ওয়াল মাআদ, রিসালা-ই তাহলিলিয়্যা, রিসালা ফি ইসবাতিন নবুওয়্যাহ ওয়া আদাবিল মুরিদিন, রদ্দে রাওয়াফিজ ও মাকতুবাত তার উল্লেখযোগ্য রচনা। অনেকের ধারণা, মাওলানা রুমি (রহ.)-এর মসনবির পর তার মাকতুবাতই ইসলামি দর্শন, নিগূঢ় তত্ত্ব, শরিয়ত ও তরিকতের বড় ভান্ডার। বিশ্বময় ইসলামের আলো ছড়িয়ে ১০৩৪ হিজরির ২৮ সফরে তিনি রাব্বে কারিমের ডাকে সাড়া দেন।

প্রিন্সিপাল অফিসার নেবে এনসিসি ব্যাংক

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড (এনসিসি ব্যাংক)। প্রতিষ্ঠানের ইনফরমেশন টেকনোলজি বিভাগে ‘এক্সিকিউটিভ অফিসার/প্রিন্সিপাল অফিসার’ পদে লোক নিয়োগ দেবে। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

 

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ অফিসার/প্রিন্সিপাল অফিসার
পদ সংখ্যা: অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স বা সমমান বিষয়ে ন্যূনতম স্নাতক ও মাস্টার্স পাস হতে হবে। ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে।
অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৫ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
চাকরির ধরন: ফুল টাইম
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
কাজের স্থান: ঢাকা
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩৩ বছর

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা বিডিজবসের ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের ঠিকানা— https://jobs.bdjobs.com/jobdetails.asp?id=1006933&fcatId=2&ln=1

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০২১

৬৫ হাজার টাকা বেতনে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি

জনবল নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওযাটারএইড। প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ শাখায় সার্ভিস বিভাগে ‘প্রোগ্রাম অফিসার’ পদে জনবল নেবে তারা। আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে।

 

পদের নাম: প্রোগ্রাম অফিসার

যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হবে।

অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট কাজে অন্তত দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

কর্মস্থল: ঢাকার বাইরে

বেতন: ৫৮,০০০ থেকে ৬৫,০০০

চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন

বয়স: অনির্ধারিত

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা বিডিজবসের ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০২১

কাঠমিস্ত্রির কাজ করেও ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম

কাঠমিস্ত্রির কাজের ফাঁকে ফাঁকে পড়াশোনা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রথমবর্ষ (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় ‘বি’ ইউনিটে প্রথম হয়েছেন মোস্তাকিম আলী। এ অদম্য পরিশ্রমী ও মেধাবী মোস্তাকিমকে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) সংবর্ধনা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার আরএমপির সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাঁধাইড় মিশনপাড়া গ্রামের সামাউন আলীর ছেলে মোস্তাকিমকে আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। একই সঙ্গে শিক্ষা উপকরণ কেনার জন্য তাকে আরএমপি কমিশনার আর্থিক সহায়তা দেন।

অনুষ্ঠানে আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্য অর্জনে মোস্তাকিমের মতো তরুণ মেধাবীদের এগিয়ে আসতে হবে। তরুণদের মেধা বিকাশে এবং অন্যসব ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, যে কোনো মেধাবীর প্রয়োজনে আরএমপি সব সময় পাশে থাকবে। এ সময় মোস্তাকিম বলেন, এ সংবর্ধনা ভবিষ্যতে দেশের জন্য কাজ করতে আমাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তিনি পুলিশ কমিশনারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জানা গেছে, দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় মোস্তাকিম। তার বাবা পেশায় কাঠমিস্ত্রি। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে মোস্তাকিম বাবার পেশায় যুক্ত হন। দিনে তিনি কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন এবং রাতে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। মুন্ডুমালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৭ সালে তিনি জিপিএ-৪.৫৫ নিয়ে মাধ্যমিক এবং ফজর আলী মোল্লা ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০২০ সালে জিপিএ-৪.৮৩ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদিনা ফজলুল হক ডিগ্রি কলেজে ইংরেজি বিষয়ে অনার্সে ভর্তি হলেও পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আকাক্সক্ষা থেকে এইচএসসিতে পুনরায় মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেন এবং রাবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। ভর্তি পরীক্ষার ১৫ দিন আগে প্রস্তুতির জন্য বাবার কাছ থেকে তিনি ছুটি নেন। পরীক্ষায় তিনি ‘বি’ ইউনিটের গ্রুপ-৩ এ ৮০ দশমিক ৩০ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

কোচিং সেন্টার ২৫ নভেম্বর থেকে বন্ধ

আগামী ২ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ কারণে ২৫ নভেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তিনি জানান, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ পরীক্ষর্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ ও ছাত্রী ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২। গত বছরের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৩৩ হাজার ৯০১। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে অংশ নেবে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭। এর মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ ও ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা দেবে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ পরীক্ষার্র্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ ও ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬। এছাড়া এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। যার মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ ও ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন কোচিং সেন্টার রয়েছে। কখনো কখনো এসব কোচিং সেন্টারকে ভিত্তি করেই বিভিন্ন গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা করা হয়। তাই সব কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি তদারক করছে।

তিনি মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। কেউ যদি তার পরে আসে তবে তাকে গেটে রেজিস্টার খাতায় পরিচয় ও দেরি হওয়ার কারণ উল্লেখ করে প্রবেশ করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নপত্রের সেট নির্বাচন কেন্দ্রে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্রের মধ্যে কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধু কেন্দ্র সচিব মোবাইল ফোন (ছবি তোলা যায় না) ব্যবহার করতে পারবেন।

যানজটের কারণে পরীক্ষার হলে পৌঁছতে শিক্ষার্থীদের দেরি হচ্ছে-সাংবাদিকরা এ বিষয়টি সম্পর্কে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি জানান, আগামী বছর থেকে যেসব পরীক্ষায় ছাত্রছাত্রী বেশি থাকে সেগুলো দেরিতে বা ‘অফিস আওয়ার’ শুরুর পরে পরীক্ষা শুরু করা যায় কিনা সে ব্যাপারে চিন্তা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেবিক্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। তাদের জন্য অতিরিক্ত ১০ মিনিট সময় বেশি দেওয়া হবে। তবে অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম, সেবিব্রাল পালসিদের ২০ মিনিট সময় বেশি থাকবে।

নতুন বছরে পাঠ্যবই সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, প্রতিবছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হচ্ছে। এবারও তার ব্যত্যয় হবে না, বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীরা নতুন বই পাবে। তবে গত বছর পাঠ্যপুস্তক উৎসব করা সম্ভব হয়নি, এবারও হয়তো পাঠ্যপুস্তক উৎসব করা সম্ভব নাও হতে পারে বলে জানান তিনি।

ক্যাটরিনার দিকে তাকিয়ে সালমানের ধমক খেয়েছিলেন তিনি!

ক্যাটরিনার নাম উচ্চারিত হলে সালমান খানের নাম চলে আসাটা স্বাভাবিক।

ক্যাটরিনা ও সালমান খানের সম্পর্ক নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৩ সালে বলিউডে অভিষেক হয় ক্যাটরিনার। তার পর থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সালমানের সঙ্গেই ছিলেন তিনি।

এতে বলা হয়, নবাগতা ক্যাটরিনাকে তখন পথ দেখাচ্ছেন সালমান। হাতে ধরে শিখিয়ে দিচ্ছেন বলিউডের কীভাবে পথ চলতে হবে তা। এ সময় বলিউডের ‘টাইগার’ ক্যাটরিনাকে সব সময় আগলে রাখার তাগিদ অনুভব করতেন।

ক্যাটরিনার জন্য ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও বিবাদে জড়িয়েছিলেন সালমান। সে তালিকায় আছেন বরুণ ধাওয়ানও।

একদিন হাঁটতে বেরিয়েছিলেন ক্যাটরিনা ও সালমান। সঙ্গেই ছিলেন বরুণ এবং অর্জুন কাপুর।

 

একসঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে বরুণ সদ্য বলিউডে পা রাখা ক্যাটরিনার দিকে তাকাচ্ছিলেন বারবার। ক্যাটরিনা এ বিষয়টি আমলে না নিলেও চোখ এড়ায়নি সালমানের। এর পর আর যায় কোথায়! বরুণকে কড়া ধমক দিয়েছিলেন সালমান।

সালমানের বকুনি খেয়ে বরুণ খুললেন ‘আই হেট ক্যাটরিনা ক্লাব’। পাশে পেলেন বন্ধু অর্জুনকে।

আর এ ঘটনা করণ জোহরের অনুষ্ঠানে এসে ফাঁস করেন ক্যাটরিনা।

এদিকে ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনার বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে বলিউড পাড়ায়।

৭ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান চলবে বলে শোনা যাচ্ছে।

বিয়ের জন্যে ইতোমধ্যেই ৭০০ বছরের পুরনো রাজস্থানের সাওয়াই মাধোপুর জেলার সিক্স সেন্সেস ফোর্ট হোটেল পুরোপুরি বুকিং করে নেওয়া হয়েছে। কারণ, দুই পরিবারেরই একাধিক আত্মীয় নভেম্বরের শেষেই চলে আসবেন রাজস্থানে। তারা সেখানেই থাকবেন। একাধিক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে নিযুক্ত করা হয়েছে এই বিয়ের অনুষ্ঠান করার জন্য।

যদিও এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি ভিকি বা ক্যাটরিনা।

সারিকা-শিবলী নওমানের রেডি ফ্ল্যাট

নতুন একটি টেলিফিল্মে জুটিবদ্ধ হলেন সারিকা সাবরীন ও শিবলী নওমান। টেলিফিল্মটির নাম ‘রেডি ফ্ল্যাট’। রণক ইকরামের রচনা ও মাহমুদ নিয়াজ চন্দ্রদ্বীপের পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন- আনন্দ খালেদ, হাফিজুর রহমান সুরুজ, শেলী আহসান, অদিতি, এস এম আশরাফুল আলম, হোসাইন আরমান ও জিয়ান।

টেলিফিল্মটির গল্প গড়ে ওঠেছে নবনী আর মুশফিককে নিয়ে। নির্মম বাস্তবতায় থমকে যায় এদের সুন্দর একটা সম্পর্ক। দীর্ঘদিন যোগাযোগহীনতার পর হাউজিং কোম্পানির সেলস এক্সিকিউটিভ মুশফিকের সঙ্গে দেখা হয় নবনীর। ততদিনে নবনীর সঙ্গে শিপনের বিয়ে প্রায় ঠিক। এতে নবনীর চরিত্রে সারিকা, মুশফিক চরিত্রে শিবলী নওমান এবং শিপনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আনন্দ খালেদ।

টেলিফিল্ম প্রসঙ্গে পরিচালক মাহমুদ নিয়াজ চন্দ্রদ্বীপ বলেন, ‘রোমান্টিক গল্প হলেও গল্পটিতে একটু অন্যরকম ছোঁয়া আছে। দর্শক গল্পে এই সময়টা কে খুঁজে পাবেন।’ ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় এটি ১৯ নভেম্বর দুপুর ৩টা ০৫ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে প্রচার হবে।

কোহলির বিশ্বরেকর্ড ভাঙার দুয়ারে গাপটিল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেই দুবাই থেকে সোজা ভারতে চলে গেছে নিউজিল্যান্ড দল। বিরাট কোহলিদের বিপক্ষে এ মুহূর্তে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছেন কিউইরা।

শুক্রবার রাতে রাঁচির জেএসসিএ ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড।

এ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ও ভারত দুই দেশের সমর্থকরা তাকিয়ে থাকবেন কিউই ওপেনার মার্টিন গাপটিলের ব্যাটের দিকে।

কারণ আর মাত্র ১১ রান করলেই ভারত দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির একটি রেকর্ড ভেঙে ফেলবেন গাপটিল।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক হয়ে যাবেন কিউই ওপেনার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১১০ ম্যাচে ৩২১৭ রান করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন গাপটিল। এই ফরম্যাটে ৯৫ ম্যাচে ৩২২৭ রান করে সবার ওপরে রয়েছেন কোহলি।

অর্থাৎ আর মাত্র ১১ রান করলেই কোহলিকে টপকে বিশ্বরেকর্ড নিজের করে নেবেন গাপটিল।

গাপটিল অবশ্য এ রেকর্ড কতদিন ধরে রাখতে পারবেন তা প্রশ্ন রাখে। কারণ তার পেছনেই দৌড়াচ্ছেন ভারতের ওপেনার রোহিত শর্মা। ১১৭ ম্যাচ খেলে ৩০৮৬ রান নিয়ে তালিকায় তৃতীয় স্থানে হিটম্যানখ্যাত ভারতের নতুন অধিনায়ক।

 

তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো, হিন্দুস্তান টাইমস

কিপিং করলে সে ব্যাটিং ভালো করে: মুশফিকের বাবা

পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে নেই মুশফিকের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়।

চোটের কারণে নেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব। তবে মুশফিক খেলার জন্য পুরোপুরি ফিট ছিলেন। দুবাই থেকে দেশে ফিরে একা একা অনুশীলনও করেছেন।

তার মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে কেন স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে সে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

বিসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর টানা চার টেস্টে খেলানোর জন্য মুশফিককে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। যদিও মুশফিক জানিয়েছেন, তিনি বিশ্রাম চাননি। পাকিস্তান সিরিজ খেলতে চেয়েছিলেন।

তবে ক্রিকেটের এই ক্ষুদে সংস্করণে ফর্মহীনতার জন্যই যে পাকিস্তান সিরিজে বাদ পড়েছেন মুশফিক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আর কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে মুশফিকের ব্যাট না হাসার কারণ জানিয়েছেন তার বাবা মাহবুব হামিদ।

যুগান্তরকে তিনি বলেন, বিশ্বকাপে মুশফিকের পারফরম্যান্স নিয়ে আমিও হতাশ। তার কাছে আরও ভালো কিছু আশা করেছিলাম। কিন্তু তার প্রস্তুতি আশানুরূপ হয়নি। ফলে আরব আমিরাতে ভালো করেনি। আসলে কিপিং করলে ব্যাটিং ভালো করতে পারে মুশফিক। কিন্তু জিম্বাবুয়ে সফরসহ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাকে কিপিং দেওয়া হয়নি। বায়ো বাবল বিধির কারণে তো অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলেইনি মুশফিক।

মাহবুব হামিদের কথা স্পষ্ট যে, কিপিং ছেড়ে দেওয়ায় ব্যাটিংয়ে রান পাচ্ছেন না মুশফিক। বিশ্বকাপেও কিপিং করেননি তিনি। সেখানেও ব্যর্থ বাংলাদেশের এ সেরা ব্যাটসম্যান।

কিপিংয়ে মুশফিককে না রাখার পেছনে নিজেকেই দায়ী করলেন বাবা মাহবুব হামিদ। তিনি জানান, জিম্বাবুয়ে সফরে তিনি ও মুশফিকের মা করোনায় আক্রান্ত হলে সিরিজ বাদ দিয়ে দেশে ফিরে আসেন মুশফিক। ওই সিরিজে নুরুল হাসান সোহান সুযোগ পেয়ে ভালো কিপিং করেন। পরবর্তী সময় মুশফিক আর গ্লাভস হাতে নেননি।