শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 630

মালদ্বীপে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

মালদ্বীপের বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল দ্বীপ দেশের ফুভামুল্লাহ আইল্যান্ড সফর করেন।

এ সময় প্রবাসীদের জন্য Fuvahmulah City Council , Mission for Migrant Workers Maldives ও বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সহযোগিতায় ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক অনুষ্ঠিত হয়।

কিডনি দিয়ে ছোট বোনকে বাঁচালেন বড় বোন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আরও একটি কিডনি প্রতিস্থাপন সফল হয়েছে। শনিবার (২০ নভেম্বর) এক বড় বোন তার ছোট বোনকে কিডনি দিয়ে জীবন বাঁচিয়েছেন। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৫৬৫টি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন হলো।

সফল এ কিডনি প্রতিস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, অধ্যাপক ডা. তৌহিদ মো. সাইফুল হোসেন দিপু, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত চিকিৎসক টিম।

শনিবার বিএসএমএমইউতে ১৬ বছর বয়সী আতুকিয়া নামের এক রোগীকে কিডনি দেন তার বোন ২৯ বছর বয়সী দেলোয়ারা। বর্তমানে কিডনি গ্রহীতা ও কিডনি দাতা উভয়েই সুস্থ আছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের নির্দেশনায় পুরোদমে এগিয়ে চলছে কিডনি প্রতিস্থাপন কার্যক্রম। করোনাসহ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রোগীদের জীবন বাঁচাতে বর্তমানে এ কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হয়েছে।

ইউরোলজি বিভাগের এ কার্যক্রমে প্রধান ভূমিকা রাখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও দেশের বিশিষ্ট ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল।

এর আগে গত ১৪ নভেম্বর ২৩ বছর বয়সী মো. আবু হেনা শিশির নামে রোগীর সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়। কিডনি দান করেন রোগীর মা ৪০ বছর বয়সী শারমিন আকতার।

খাবারে কতটুকু চর্বি থাকবে

কম চর্বিযুক্ত খাবার হল খাবারে সম্পৃক্ত চর্বি ও কোলেস্টেরল এর মাত্রা কম থাকা। যেহেতু চর্বিজাতীয় খাবারে ক্যালরি অনেক বেশি থাকে (১ গ্রাম চর্বি ভেঙে ৯.১ কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়) তাই অধিক চর্বিযুক্ত খাবার কম খেতে হবে।

খাবারে কতটুকু চর্বি থাকবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. মো. তৌফিকুর রহমান ফারুক।

অধিক চর্বিযুক্ত খাবার ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তের চর্বির মাত্রা কিছুটা বাড়ায় ও রক্তে খারাপ চর্বির মাত্রা বাড়িয়ে রক্তনালিতে চর্বির আস্তর বা প্ল্যাক তৈরি করে হৃদযন্ত্রের করোনারি ধমনীতে ও অন্যান্য রক্তনালিতে ব্লক করতে পারে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য বা ওজন কমানোর জন্য ও হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য বা হৃদরোগ হলে কম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবারের পাশাপাশি কম চর্বিযুক্ত খাবার খেতে হবে। খাবারে চর্বি জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমালে মোট ক্যালরির পরিমাণ কমবে।

অতি কম চর্বিযুক্ত খাবার হল যদি মোট ক্যালরির শতকরা ১৫ ভাগের কম চর্বি জাতীয় খাবার থেকে আসে। যদিও প্রাণিজ চর্বি ও ট্রপিক্যাল তেল বাদ দেয়া হয় তথাপি ন্যাশনাল একাডেমি অব প্রেসের তথ্য অনুযায়ী অধিক চর্বিযুক্ত খাবারেও সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি থাকতে পারে কারণ সব চর্বিতেই কিছু না কিছু সম্পৃক্ত চর্বি থাকে, তাই কোনো ব্যক্তি যদি মাত্র শতকরা ২০ ভাগ সম্পৃক্ত চর্বি যুক্ত খাবার গ্রহণ করে থাকে তাহলেও তার মোট ক্যালরির শতকরা ৭ শতাংশ সম্পৃক্ত চর্বি থেকে আসবে, যদি তার মোট ক্যালরির শতকরা ৩৫ ভাগ চর্বি থেকে আসে।

তাই দি ইন্সটিটিউট অব মেডিসিন মোট ক্যালরির ৩৫ ভাগের বেশি চর্বিযুক্ত খাবার থেকে অনুমোদন করে না। কম চর্বিযুক্ত খাবার হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য প্রচার করা হয়। খাবারের মোট ক্যালরির চর্বির মাত্রা শতকরা ৩৫-৪০ ভাগ থেকে কমিয়ে ১৫-২০ ভাগ করলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল যেমন এলডিএল ও টোটাল কোলেস্টেরলের মাত্রা শতকরা ১০-২০ ভাগ কমে, সেক্ষেত্রে খাবারে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ কমাতে হবে। সম্পৃক্ত চর্বি বেশি খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। রক্তে এইচডিএল বেশি থাকলে তা হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো ও হৃদরোগ প্রতিরোধক। অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যেমন সামুদ্রিক মাছ, ওলিভ তেল খেলে রক্তে ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়ে।

অভিজ্ঞতা ছাড়াই নিয়োগ দেবে বিআইএসটি

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (বিআইএসটি)। এতে ‘অফিস এক্সিকিউটিভ’ পদে লোক নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। থাকবে ফুল টাইম অথবা পার্ট টাইম দুভাবেই কাজের সুযোগ।

 

পদের নাম: অফিস এক্সিকিউটিভ
পদ সংখ্যা: অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর পাস হতে হবে।
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
চাকরির ধরন: ফুল টাইম/পার্ট টাইম
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
কাজের স্থান: যে কোনো স্থান

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রক্রিয়া: এতে আবেদনের জন্য সিভি মেইল করতে হবে এ ঠিকানায়— bist.bd@live.com
অথবা বিডিজবসের ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের ঠিকানা—

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

জনবল নিয়োগ দেবে রূপালী ব্যাংক

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রূপালী ব্যাংক লিমিটেড। এতে আইটি বিভাগে ‘চিফ ইনফরমেশন টেকনোলজি অফিসার’ পদে লোক নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: চিফ ইনফরমেশন টেকনোলজি অফিসার
পদ সংখ্যা: অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ, মাস্টার্স অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ১০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সিএ বা কস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট কোর্স সম্পন্ন হতে হবে।
চাকরির ধরন: ফুল টাইম
বেতন: অনির্ধারিত
কাজের স্থান: ঢাকা
বয়সসীমা: অনির্ধারিত

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা ওই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের ঠিকানা— https://www.rupalibank.org/

 

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

কারিগরি শিক্ষা দক্ষতা বৃদ্ধি প্রকল্পে অদক্ষতা

কারিগরি শিক্ষায় দক্ষতা বৃদ্ধির প্রকল্প বাস্তবায়নেই রয়েছে অদক্ষতা। ফলে গতি নেই কার্যক্রমে। শুরু থেকে সাড়ে ৩ বছরে ব্যয় হয়েছে মাত্র ৮৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ১৫ শতাংশ। প্রস্তাব অনুযায়ী অবশিষ্ট আছে ১১৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা। আগামী ৭-৮ মাসে অর্থাৎ ২০২২ সালে জুনের মধ্যে এত টাকা ব্যয় করা সম্ভব কিনা-তা নিয়ে প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের। সেই সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে ২০১৮ সালে বরাদ্দ বাড়ানো হলেও এখন কেন সংশোধন করা হচ্ছে সেটিও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। ‘স্কিলস-২১ ইমপাওয়ারিং সিটিজেনস ফর ইনক্লুসিভ অ্যান্ড সাসটেইনেবল গ্রোথ’ শীর্ষক প্রকল্পে বিরাজ করছে এমন অবস্থা। এতে বাড়ছে ব্যয় ও মেয়াদ। এটির প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে ৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা। ওই সভায় এসব প্রশ্ন তোলা হয়। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন শনিবার যুগান্তরকে বলেন, এ ধরনের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে এটি দুঃখজনক। কেননা এক্ষেত্রে শুধু অদক্ষতাই বলা যায় না, অবহেলাও আছে। কেননা এখানে করোনা মহামারির দোহাই দিলে হবে না। ওই সময় অন্য সব কাজকর্মই চলেছে প্রযুক্তির সহায়তায়। তাহলে এ প্রকল্পের কাজ চলতে কি সমস্যা ছিল? এটিতো এমন নয় যে জটিল কোনো নকশা তৈরি কিংবা করিগরি কাজ ছিল। তাহলে বাস্তবায়নের এ অবস্থা হবে কেন? অদক্ষতা হোক আর অবহেলাই হোক এর জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আমি নতুন এসেছি। তাই এ প্রকল্পটির বিষয়ে কিছুই জানা নেই। এছাড়া আইন অনুযায়ী গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন। জানতে চাইলে একই অধিদপ্তরের অপর পরিচালক (পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন/পিআইইউ) মোশাররফ হোসেনও বলেন আমি নতুন এসেছি। এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।

সূত্র জানায়, ‘স্কিলস-২১ ইমপাওয়ারিং সিটিজেনস ফর ইনক্লুসিভ অ্যান্ড সাসটেনেবল গ্রোথ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রকল্পটির মূল অনুমোদিত ব্যয় ছিল ১৭৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সেখান থেকে ২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বাড়িয়ে এখন প্রস্তাব করা হয়েছে ২০৪ কোটি টাকা। এছাড়া মেয়াদ ছিল ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এখন ৬ মাস বাড়িয়ে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত করা হচ্ছে। তবে এখানেই দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। এছাড়া আরও অনেক বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

প্রকল্পের ধীরগতি ও সংশোধনের কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, এটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম দেরিতে শুরু হয়েছে। এছাড়া কোভিড-১৯ মহামারি উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে প্রকল্পের কাজ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এ জন্য প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবশিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য উন্নয়ন সহযোগী ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) উদ্যোগ নিয়েছে। সংস্থাটির অপারেশনাল ডিউরেশন অব ফিন্যান্সিং অ্যাগ্রিমেন্টের মেয়াদ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সংশোধন করতে হচ্ছে। এছাড়া করোনাকালীন যেসব শ্রমিক বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও সনদায়নের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরও অতিরিক্ত ৩ মিলিয়ন ইউরো সমপরিমাণ ২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা এ প্রকল্পে অনুদান হিসাবে দেয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পের কিছু অংশের প্রাক্কলিত ব্যয় বৃদ্ধি প্রশিক্ষণের নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্তি ও মেয়াদকাল ৬ মাস বৃদ্ধিসহ প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়।

বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সাবেক সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়েজ উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ধীরগতির জন্য যারা দায়ী তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত। বিশেষ করে প্রকল্প পরিচালক, বাস্তবায়নকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যেসব কর্মকর্তা তদারকির দায়িত্বে ছিলেন তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। এছাড়া অবহেলার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন দেরি হওয়ায় শাস্তির কোনো নজির নেই। ফলে বারবার একই ঘটনা ঘটছে। এতে অর্থ ও সময়ের অপচয় ঘটেই চলছে। করোনাকালীন বিশ্বের সব কিছুই চলেছে তাহলে এ প্রকল্পের কাজ কেন চলল না।

পরিকল্পনা কমিশনের মতামত নিতে গিয়ে পিইসি সভার কার্যপত্রে বলা হয়, ২০১৮ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশন হতে প্রাপ্ত ২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা টপআপ মূলে পাওয়া যায়। সেটির জন্য চলতি বছরে প্রকল্পটি সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০১৮ সালে প্রকল্প সংশোধন না করে কেন চলতি বছরে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির কাছে জানতে চাওয়া হয়। প্রকল্পের মিডটার্ম ইভালুয়েশন (এমটিই) অনুযায়ী আরটিএপিপিতে (সংশোধিত কারিগরি প্রকল্প প্রস্তাব) টিএপিপি (কারিগরি প্রকল্প প্রস্তাব) থেকে লোকাল ট্রেনিং খাতের আওতায় ইয়ুথ ট্রেনিং টার্গেট ১৭ হাজার ৫০০ জন হতে কমিয়ে ১৩ হাজার ২৫০ জন করা হয়েছে। শিক্ষক ও অন্যদের ট্রেনিং ১ হাজার ৫০০ জন থেকে বৃদ্ধি করে ৩ হাজার ২৪০ জন করা হয়েছে। এ বিষয় জানতে চাওয়া হয়। এছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষনের ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের প্রাক্কলিত ব্যয় কমানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বা সফর এ পর্যন্ত কতটি অনুষ্ঠিত হয়েছে তার তথ্য দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি যে ৭টি মডেল ইনস্টিটিউট ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ ও মেরামত প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলোর তালিকা আরটিএপিপি তে সংযুক্ত আছে কিনা সেটিও জানতে চাওয়া হয়।

প্রকল্পের আওতায় যেসব কার্যক্রম হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ভ্রমণ, পরামর্শক সেবা এবং কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক উপকরণ সংগ্রহ করা। এছাড়া প্রকৌশল সরঞ্জামাদি, সভা ও ওয়ার্কশপ এবং সেমিনার কনফারেন্স আয়োজন করা।

২৫ বিশ্ববিদ্যালয়কে ইউজিসির শোকজ

আইন লঙ্ঘন করে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৫ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ভাড়া বাড়িতেই এসব প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর কার্যক্রম চালাচ্ছে। ২০১০ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সরকার কয়েক দফা আলটিমেটাম দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি এ শোকজ (কারণ দর্শানোর) নোটিশ পাঠানো হয়।

ইউজিসি সদস্য (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ যুগান্তরকে বলেন, আইন অনুযায়ী একটি বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ ১২ বছর সময় পেয়ে থাকে। এর মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করতে হবে। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় তা পারেনি, সেগুলোর কর্তৃপক্ষের কাছে বক্তব্য চাওয়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রোফাইল পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘন এবং সনদ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ ও প্রমাণ থাকে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার মতো প্রস্তাব আসতে পারে।

দেশে ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমতি দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে বর্তমানে চালু আছে ৯৯টি। ১৯৯২ সালে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ শুরু হয়। ২০১০ সালের আগে ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়। এরমধ্যে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ আদালতে মামলার রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালে সরকার বন্ধ করে দেয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অবশিষ্ট ৫১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬টি স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম শুরু করেছে। বাকি ২৫ প্রতিষ্ঠানের কোনোটি আংশিক ক্যাম্পাস নির্মাণ করেছে। কিছু প্রতিষ্ঠান জমি কিনেছে। আবার কিছু কোনো ধরনেরই পদক্ষেপ নেয়নি। স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে ২০১০ সালের পর থেকে সরকার এসব প্রতিষ্ঠানকে কয়েক দফা আলটিমেটাম দিয়েছে। সর্বশেষ দেওয়া আলটিমেটামে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার সময় বেঁধে দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তখন বলা হয়েছিল-যেসব বিশ্ববিদ্যালয় এ নির্দেশ পালন করতে পারবে না তাদের ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হবে। সে অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ছাত্রছাত্রী ভর্তি বন্ধ থাকার কথা ছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এরমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরিবর্তন আসে। বারবার আলটিমেটাম দেওয়ার পরও তা প্রতিপালনে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে এতদিন মন্ত্রণালয় রহস্যজনক কারণে ‘নিশ্চুপ’ ছিল। এমনকি এ সংক্রান্ত মিটিং পর্যন্ত হয়নি। যদিও এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ ও অনুষদ খোলার অনুমোদন বন্ধ এবং সমাবর্তন আয়োজনের অনুমতি স্থগিত থাকার কথা। সেই অবস্থান থেকেও সরে আসা হয়েছে। অবশেষে চার বছরে এই প্রথম ‘শোকজ’র মতো ব্যবস্থা নেওয়া হলো।

ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ইউএসটিসি, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সেন্ট্রাল উইমেনস ইউনিভার্সিটি, আইইউবিএটি, আইআইইউসি, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, এআইইউবি, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি, গণবিশ্ববিদ্যালয়, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, বিইউবিটি, ইউল্যাব ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি। তবে এগুলোর মধ্যে কোনোটির বিরুদ্ধে সনদ বাণিজ্য আবার কোনোটির বিরুদ্ধে অননুমেদিত ক্যাম্পাস ও প্রোগ্রাম পরিচালনার অভিযোগ আছে। এ সংক্রান্ত তথ্য ইউজিসি ওয়েবসাইটে (www.ugc.gov.bd) প্রকাশ করেছে।

এদিকে ২০১০ সালে সরকার নতুন আইন তৈরি করে।

এর অধীনে স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৮টির ইতোমধ্যে ৭ বছর পার হয়েছে। তবে এগুলোর মধ্যে চারটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এগুলো হচ্ছে, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি, হামদর্দ ইউনিভার্সিটি, নটরডেম ইউনিভার্সিটি এবং জেডএইচ সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এগুলোর মধ্যে একটির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ক্যাম্পাস ও প্রোগ্রাম পরিচালনার অভিযোগ আছে।

ইউজিসি পরিচালক (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) ওমর ফারুখ যুগান্তরকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতির পর অস্থায়ী ক্যাম্পাসে অবস্থানের মেয়াদ ৭ বছর। তবে এরপরও সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আরও ৫ বছর থাকতে পারে। সে হিসাবে ১২ বছর পর্যন্ত অস্থায়ী ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ আছে। পুরানো ৫১টিসহ যে ৭৯টির সবমিলে ১২ বছর পূর্ণ হয়েছে, সেগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ১২ বছরের বেশি বয়সিগুলোর মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান স্থায়ী ক্যাম্পাসে যায়নি এখন সেগুলোকে শোকজ করা হয়েছে। আর যেগুলোর বয়স ১২ হয়নি সেসব প্রতিষ্ঠান মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনের সুযোগ পাচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি আবেদন করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, ইউজিসি যে শোকজ করেছে তাতে ৯নং ধারা লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় অখণ্ড ও নিষ্কণ্টক জমিতে ক্যাম্পাস নির্মাণসহ ৭টি বিষয়ে উপধারা আছে। জানা গেছে, শোকজ দেওয়া ২৫ বিশ্ববিদ্যালয়র কোনোটিকে ৩ দিন আবার কোনোটিকে ৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। শোকজে যেসব প্রতিষ্ঠান স্থায়ী ক্যাম্পাসে গিয়ে আগের ঠিকানায় (অস্থায়ী) নানা নামে ক্যাম্পাস ধরে রেখেছে সেগুলোর বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলোর একটি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। আরেকটি প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয়টিও আশুলিয়ায় নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণ করলেও রাজধানীর শুক্রবাদে একাধিক ক্যাম্পাস আছে প্রতিষ্ঠানটির।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইনের ৯(১) অনুযায়ী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস হবে অখণ্ড, নিষ্কণ্টক এবং দায়মুক্ত জমিতে। কিন্তু এ প্রতিষ্ঠানের একাধিক ক্যাম্পাস আছে। এর সব ক্যাম্পাসকেই স্থায়ীর মর্যাদা দিতে ইউজিসির ওপর চাপ আছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনার সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপরি স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেছে। কিছু আংশিক গেছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যাওয়া ও ক্যাম্পাস নির্মাণের কোনো উদ্যোগ না নেওয়া প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে কিছু একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শোকজের জবাব এলে তা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রিন্সেস দিবারূপে ফিরছেন নাদিয়া

গত বছর থেকে দেশে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় অন্যান্য ধারাবাহিক নাটকের পাশাপাশি একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচারিত কায়সার আহমেদ পরিচালিত ‘বকুলপুর’ নামে ধারাবাহিক নাটকটিও প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি বেশ দর্শকপ্রিয় একটি নাটক ছিল।

অবশেষে আবারও নির্মাণকাজ শুরু করেছেন নির্মাতা। তবে ফিরতি যাত্রায় নাটকের নামে কিছুটা পরিবর্তন এনেছেন পরিচালক। নতুন নাম দিয়েছেন ‘বকুলপুর রিটার্নস’। গতকাল থেকে মানিকগঞ্জে এর দৃশ্যধারণ শুরু হয়েছে। এ নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় একটি চরিত্র ‘প্রিন্সেস দিবা’। এ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন নাদিয়া আহমেদ।

বকুলপুর রিটার্নসেও একই চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে নাদিয়া বলেন, ‘ধারাবাহিকটি অল্প সময়ে এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, নাটকটি প্রচারের সময় থেকে প্রচার বন্ধ হওয়ার পরও যখন যেখানে গিয়েছি, দর্শকের কাছ থেকে বেশ সাড়া পেয়েছি। সবাই জিজ্ঞেস করতেন এ নাটকটি আবার প্রচারে আসবে কিনা নতুন করে। অবশেষে দর্শকের সেই কৌতূহল শেষ হচ্ছে। আমরা আবারও কাজ শুরু করেছি। আশা করছি বকুলপুর রিটার্নসও জনপ্রিয়তা পাবে।’

এ নাটক ছাড়াও নাদিয়া একই পরিচালকের ‘অন্দর মহল’ নামে নতুন একটি ধারাবাহিক নাটকের কাজ করছেন। পাশাপাশি সৈয়দ শাকিল পরিচালিত ‘বোকা পরিবার’ নামে নতুন একটি ধারাবাহিক নাটকের শুটিংও করছেন। তার অভিনীত অন্য ধারাবাহিক নাটকগুলো হচ্ছে সাজিন আহমেদ বাবুর ‘করপোরেট ভালোবাসা’, সোহাগ কাজীর ‘বউ বিরোধ’ ও জুয়েল শরীফের ‘পদ্মলোচন’।

সরকারি অনুদানের সিনেমায় কাজ করছেন শাহেদ

সিনেমায় দীর্ঘদিন কাজ করলেও সরকারি অনুদানের সিনেমায় কখনো দেখা যায়নি শাহেদ শরীফ খানকে। এবার অনুদানের সিনেমায় অভিষেক হচ্ছে তার। অরুণা বিশ্বাসের পরিচালনায় ‘অসম্ভব’ একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এ অভিনেতা। চলতি মাসের শেষার্ধে এর শুটিং শুরু হবে মানিকগঞ্জে।

এতে অভিনয় প্রসঙ্গে শাহেদ বলেন, ‘মূলত যাত্রাশিল্প নিয়ে এর গল্প তৈরি হয়েছে। আমি এখানে একজন যাত্রাভিনয় শিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করব। এ ধরনের চরিত্রে এবারই প্রথম অভিনয় করছি। গ্রামীণ পটভূমির গল্পের সিনেমাটি আশা করছি দর্শকের ভালো লাগবে।’

এ অভিনেতা আরও কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করছেন। সম্প্রতি ওয়াজেদ আলী সুমনের পরিচালনায় ‘অন্তরাত্মা’ নামের একটি সিনেমার কাজ শেষ করেছেন। এ ছাড়া রফিকুল ইসলাম বুলবুলের ‘এই মন পাবে শুধু কষ্ট’ নামের আরেকটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এদিকে নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করছেন তিনি।

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে হেরে হোয়াইটওয়াশের আশঙ্কায় পড়ে গেছে বাংলাদেশ দল।

এমন আশঙ্কার মধ্যেই বাংলাদেশ দলে দুঃসংবাদ যে, এ ম্যাচে দেশসেরা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের সার্ভিস নাও পেতে পারে দল।

অবশ্য সেটি শনিবারের ম্যাচে এক দশর্কের অপ্রত্যাশিত কাণ্ডের জন্যে নয়। পেশীটে টান লেগেছে কাটার মাস্টারের। শেষ ম্যাচে অনিশ্চিত তিনি।

এ বিষয়ে বিসিবি জানিয়েছে, দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ের সময় শরীরের একপাশে টান লাগে মোস্তাফিজের। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে। আজ তার অবস্থা দেখার পর বোঝা যাবে মোস্তাফিজ আগামীকাল শেষ ম্যাচে খেলার জন্য ফিট কি না।

এদিকে টপ অর্ডারের ব্যর্থতার জন্য শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ দলে ডাক পেয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ব্যাটসম্যান পারভেজ হোসেন ইমন ও দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি।

শনিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছে বিসিবি।

নাঈম শেখ ও সাইফ আহমেদের জায়গায় তাদের দেখা যেতে পারে একাদশে।

শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ দলের সম্ভাব্য একাদশ:

নাঈম শেখ, পারভেজ হোসেন ইমন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, নাজমুল হোসেন শান্ত, মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, নুরুল হাসান সোহান (উইকেকিপার), শেখ মেহেদী হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ।