শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 629

ক্রিকেট নিয়ে মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ১৫

গোপালগঞ্জে ক্রিকেট খেলা নিয়ে শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় ইটের আঘাতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর রাজিউর রহমান ও সংবাদকর্মীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

রোববার রাত ৯টা থেকে থেমে থেমে এ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২টায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

এ দিকে মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন ভবনের কাঁচ ভাংচুর করা হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৫ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করেছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন, সায়েম (২২) সরোয়ার (২৩), সাফিক (২০), সাখাওয়াত হোসেন (২০)।

শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. জাকির হোসেন বলেন, মেডিকেল কলেজের ছাত্রীদের ইভটিজিং করাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূচনা হয়। মেডিকেল কলেজের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্রিকেট খেলেন। এসময়ে মাঠের পাশ দিয়ে মেডিকেল ছাত্রীরা গেলে তাদের উদ্দেশ্য করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা নানা মন্তব্য করে থাকেন। যে কারণে ওই মাঠে ক্রিকেট খেলতে নিষেধ করে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। ওই নিষেধ করাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।

তবে ছাত্রীদের ইভটিজিংয়ের ঘটনা অস্বীকার করে পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী বিজয় রঞ্জন বলেন, সন্ধ্যার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের মসজিদের পাশে ক্রিকেট খেলেন। কিন্তু মেডিকেলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এটা মেনে নিতে পারেনি। আজ রাতে সেখানে ক্রিকেট খেলছিলেন বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা। এসময় মেডিকেলের একজন শিক্ষক আমাদের এক শিক্ষার্থীকে ডেকে ধমক দিয়ে কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হলে মেডিকেলে কয়েকজন শিক্ষার্থী বশেমুরবিপ্রবি অজয় দেবনাথ, পিয়াল, মুরাদ, সায়েমকে মারপিট করে। পরে খবর পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা আসলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে আমাদের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

প্রেমিক কথা বন্ধ করায় পুলিশে অভিযোগ তরুণীর, অতঃপর…

মান-অভিমান না থাকলে প্রেম পূর্ণতা পায় না। প্রিয় মানুষটির সঙ্গে নানা কারণে মান-অভিমান হতেই পারে। অনেক সময় এই মান-অভিমান থেকে দুজনের মধ্যে কথাও বন্ধ থাকে। আবার সময়ের সঙ্গে তা নিজেরাই তা মিটিয়ে নেন।

কিন্তু প্রেমিক কথা বন্ধ করায় পুলিশের কাছে অভিযোগ করে বসলেন এক তরুণী। তবে পুলিশ অবশ্য ওই তরুণীর অভিযোগ উড়িয়ে দেয়নি। বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করেছে ।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়ারা এলাকার এক তরুণীর প্রেমিক তার সঙ্গে কথা বন্ধ করায় পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেমিকের জন্মদিনে ওই তরুণী তাকে শুভেচ্ছা জানাননি। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে মেয়েটির প্রেমিক তার সঙ্গে কথা বন্ধ করে দেন।

মেয়েটি অবশ্য বেশ কয়েকবার প্রেমিকের মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাতেও তার প্রেমিকের মন গলেনি।

কোনোভাবেই প্রেমিকের মান ভাঙাতে না পেরে শেষমেষ পুলিশের শরণাপন্ন হন ওই তরুণী। পুলিশকে গিয়ে অনুরোধ করেন প্রেমিকের সঙ্গে তাকে কথা বলিয়ে দিতে।

তরুণীর অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ তার প্রেমিককে ডেকে পাঠায়। দুজনের সঙ্গে আলোচনার পর পুলিশ ওই যুগলকে বিয়ে করার পরামর্শ দেয়।

তাদের পরিবারও পুলিশের পরামর্শের ব্যাপারে একমত হন। ওই যুগলের বিয়েও হয়ে গেছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

রাস্তায় টাকার বৃষ্টি, কুড়াতে ভিড় জমালো মানুষ

রাস্তায় জুড়ে ছড়িয়ে আছে সারি সারি কাগুজে নোট। ঠিক যেমন শিলাবৃষ্টির পর ছড়িয়ে থাকে শিলা। ছড়িয়ে থাকা টাকা কুড়াতে ভিড় জমিয়েছে মানুষ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সেই দৃশ্য।

বার্তা সংস্থা এপি শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগোতে এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানেই একটি রাস্তা ঢেকে গেছে কাগুজে নোটে। আর অর্থ সংগ্রহের এমন সুযোগ হাতছাড়া না করে যে যেভাবে পারছেন পকেট ভারি করছেন মানুষ। পকেট কিংবা ব্যাগ না থাকায় কেউ কেউ রীতিমতো কোলে তুলে নিয়েছেন টাকার বান্ডিল।

ওই ভিডিও দেখে তো রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছে নেটিজেনদের। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন এভাবে রাস্তাজুড়ে নোট ছড়িয়ে রয়েছে? কীভাবে মাঝপথে উড়ছে টাকা?

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে একটি ট্রাকে করে সান ডিয়েগো থেকে ফেডারেল ডিপোজিট ইনসিওরেন্স কর্পোরেশনে (এফডিআইসি) এই নোট নিয়ে যাচ্ছিল। পথে ট্রাকের একটি দরজা খুলে যাওয়ায় রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে হাজার হাজার নোট।

এ ব্যাপারে ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে টহল পুলিশ সার্জেন্ট কার্টিস মার্টিন জানান, ট্রাকের একটি দরজা খোলা থাকায় নোটের কয়েকটি ব্যাগ রাস্তায় পড়ে যায়। সেই ব্যাগগুলো ফেটে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে নোট।

ভাইরাল ভিডিওতে কয়েকজনকে হাসতে হাসতে নোট কুড়াতেও দেখা গেছে। এই ঘটনার পর ওই রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

অবশ্য এই টাকা নিজেদের কাছে রাখা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পুলিশ। যারা টাকা কুড়িয়েছেন তাদের ফেরত দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ফেরত না দিলে অনলাইনে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তবে ঠিক টাকা বেহাত হয়েছে সে ব্যাপারে মুখ খোলেনি কর্তৃপক্ষ। অবশ্য কয়েকজন কর্তৃপক্ষের কাছে কুড়িয়ে পাওয়া অর্থ ফেরতও দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পুলিশ সার্জেন্ট মার্টিন জানান, অনেক টাকা ফেরত দিয়েছে মানুষ। অনেক টাকা কুড়িয়েও পেয়েছে মানুষ।

এদিকে, সব টাকা কুড়িয়ে নেওয়ার পর স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ওই রাস্তায় ফের যানচলাচল শুরু হয়।

ব্যয় বাড়ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা

সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রগাধিকারভুক্ত (ফাস্টট্র্যাক) মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা (১৫ হাজার ৮৭০ কোটি)। সাত খাতে মূলত এই ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্প অনুমোদনের পর ৭ বছর চলে গেছে। এখন পর্যন্ত বাস্তব অগ্রগতি ৪৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। এছাড়া আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৪৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ব্যয় বৃদ্ধি সংক্রান্ত খাতগুলো হচ্ছে-চ্যানেল, জেটি, ভূমি উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সিভিল কার্যক্রম। এছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, পরামর্শক, ভ্যাট-আইটি ও আমদানি শুল্ক, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন ও টাউনশিপ নির্মাণেও ব্যয় বাড়ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) শরিফা খান এর আগে যুগান্তরকে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা রাখতেই সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে জাপান অত্যন্ত কম সুদে বলতে গেলে অনুদানের মতোই অর্থ দিচ্ছে। তারা যেহেতু মেয়াদ ও ব্যয় বাড়াতে সম্মত আছে, সেখানে সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে ব্যয় আগে করা হলেও ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিসহ অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রেই অনুমতি নেওয়া আছে। তাই আমরা অনেক বিষয়েই আপত্তি তুলিনি।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পের মূল অনুমোদিত ব্যয় হচ্ছে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৪ হাজার ৯২৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণ থেকে ২৮ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা আছে। এছাড়া বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ২ হাজার ১১৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। এখন প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৫ হাজার ৮৭০ কোটি ৪১ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। যা আগের ব্যয়ের তুলনায় ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। প্রকল্পটির ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৭টি কারণ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এদিকে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু কাক্সিক্ষত বাস্তবায়ন না হওয়ায় এখন সাড়ে তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)।

প্রকল্পটি সংশোধনের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জেটি, ভূমি উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সিভিল কার্যক্রম খাতে ব্যয় বাড়ছে ১৪ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা। এছাড়া পাওয়ার প্ল্যান্ট অঙ্গে বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৯৭২ কোটি টাকা। এখন ১ হাজার ৪০১ কোটি ২৭ লাখ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে প্রস্তাবিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৩৭৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার কারণে নিরাপত্তার জন্য এই ব্যয় বাড়ছে। পরামর্শক সেবার পরিমাণ ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় বাড়ছে ৩২৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। ভ্যাট-আইটি, আমদানি শুল্ক খাতে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকা হতে ২ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন দাঁড়াচ্ছে ৫ হাজার ১৮৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম খাতে বরাদ্দ ছিল ১০০ কোটি টাকা। এখন বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৩১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। পল্লী বিদ্যুতায়ন ও টাউনশিপ নির্মাণ খাতে বরাদ্দ ছিল ৭১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সেখান থেকে ৩৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বাড়িয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে ১০৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এছাড়া ২০১৬ সালে গুলশানের হলি আর্টিজান হামলার কারণে নিরাপত্তার জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। সেই সঙ্গে টাউনশিপ এলাকায় ইটিপি, এসটিপি বা ডব্লিউটিপি স্থাপনসহ আধুনিক নগরায়ণের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে এ খাতে ৩২১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা থেকে ১১৩ কোটি টাকা বাড়িয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে ৪৩৫ কোটি টাকা। এছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ায় কিছু খাতে ব্যয় বাড়ছে।

সঞ্চয়পত্রের ১১ স্কিম: সমন্বিত নীতিমালার আওতায় আসছে

সমন্বিত নীতিমালার আওতায় পরিচালিত হবে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের স্কিম। বর্তমান পারিবারিক ও পেনশনসহ ১১ ধরনের সঞ্চয়পত্র আছে। প্রতিটির জন্য আছে আলাদা নীতিমালা। সবকটিকে একটি নীতিমালায় আনতে প্রণয়ন করা হয়েছে সমন্বিত সঞ্চয়পত্র নীতিমালা। এ সংক্রান্ত খসড়া অনুমোদনের জন্য জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর থেকে পাঠানো হয়েছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে (আইআরডি)। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি কার্যকর হলে পৃথক নীতিমালার জটিলতা কাটবে। গ্রাহকদের অনলাইনে সেবা নিতে সুবিধা হবে। একই ডকুমেন্ট দিয়ে সব স্কিমের সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে। এতে ব্যাংক ও ডাকঘরের কার্যক্রমও সহজ হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ আলম যুগান্তরকে বলেন, বর্তমান প্রতিটি সঞ্চয়পত্র ম্যানুয়াল এবং পৃথক নীতিমালায় পরিচালনা হচ্ছে। সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইনে সব নীতিমালাকে একসঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি সমন্বিত নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত হচ্ছে। খসড়াটি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমোদনের পর কার্যকর হবে।

সূত্র জানায়, সমন্বিত সঞ্চয়পত্র নীতিমালা দ্রুত অনুমোদনের জন্য বৈঠক থেকে তাগিদ দেওয়া হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় এ সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য সঞ্চয়পত্রের সমন্বিত খসড়া নীতিমালাটি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। নীতিমালাটি দ্রুত অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। ওই সভায় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সমন্বিত নীতিমালাটি দ্রুত চূড়ান্ত করতে যুগ্মসচিবকে (সঞ্চয়) নির্দেশ দেন। সূত্রমতে, বর্তমান সঞ্চয়পত্রের স্কিমগুলোর মধ্যে চারটি সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্টের আওতায় ইস্যু করা হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে-পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র এবং পেনশনার সঞ্চয়পত্র। উল্লিখিত সঞ্চয়পত্রের মধ্যে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র পরিচালনা হচ্ছে ‘সঞ্চয়পত্র বিধিমালা ১৯৭৭’-এর মাধ্যমে। এছাড়া পরিবার সঞ্চয়পত্র পরিচালিত হচ্ছে ‘পরিবার সঞ্চয়পত্র নীতিমালা ২০০৯ দ্বারা। আর পেনশনার সঞ্চয়পত্র একইভাবে ‘পেনশনার সঞ্চয়পত্র নীতিমালা ২০০৯’-এর মাধ্যমে পরিচালনা হচ্ছে। আর ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড বেচাকেনা হচ্ছে ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড বিধিমালা ২০০২ এবং ইউএস ডলার প্রিমিয়ার বন্ড পরিচালিত হচ্ছে ইউএস ডলার প্রিমিয়ার বন্ড বিধিমালা ২০০২ আলোকে। এছাড়া ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড বিধিমালা ১৯৮১ আলোকে চলছে এই বন্ড বেচাকেনা। এর বাইরে রয়েছে বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড, ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের অধীনে সাধারণ হিসাব, মেয়াদি হিসাব, ডাকঘর জীবন বিমা। এসব সঞ্চয় স্কিম পৃথকভাবে নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত হলেও প্রয়োজনীয় শর্ত ও ক্রয় করার ক্ষেত্রে ডকুমেন্ট প্রায় সবকটির একই। শুধু সুদ ও ক্রেতার বয়স এবং শ্রেণি ভিন্নতা আছে। আর সঞ্চয়পত্রের মূল্যায়ন, আয়কর হার, ক্রয় পদ্ধতি ও নিবন্ধন, নগদায়ন পদ্ধতি, মনোনয়ন ব্যক্তি, সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে করণীয় এবং অন্যান্য শর্তবলি প্রায় একই রকম।

প্রসঙ্গত, এর আগে সরকার সঞ্চয়পত্র কিনতে ভোটার আইডি কার্ড এবং টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সঞ্চয়পত্র কেনার ক্ষেত্রে জারি করেছে একটি গাইডলাইন। এর আগে সুদহারও কমানো হয়েছে। মূলত সঞ্চয়পত্র খাতে কালোটাকা, ধনী এবং করপোরেট বিনিয়োগ ঠেকাতে নানা ধরনের বিধান চালু করা হচ্ছে। ব্যাংক খাতের সুদহার কমে যাওয়ায় অধিক মুনাফার আশায় এখন অনেকে সঞ্চয়পত্র কিনছেন। এতে সুবিধাভোগী নিম্ন ও মধ্যম শ্রেণির কাছে সঞ্চয়পত্রের সুবিধা কম যাচ্ছে। প্রকৃত সুবিধাভোগীর কাছে সঞ্চয়পত্রের সুবিধা পৌঁছে দিতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের ৪৮ নেতাকর্মী বহিষ্কার

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আরও ৪৮ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থী, চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ ও দলের বিপক্ষে অপপ্রচারের কারণে তাদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ): সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে তৃণমূল পর্যায়ের ১৬ আওয়ামী লীগ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়। এরা হলেন-পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আয়ুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মমিন ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক-২ শহিদুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তাহমিদুর রহমান দুলাল, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক আব্দুল মমিন টুটুল, কার্যকরী সদস্য আমজাদ হোসেন ও এই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল। উধুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রানা আহমেদ ইয়াসিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রুহুল আমিন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছাইদুর রহমান এবং কার্যকরী সদস্য আশরাফ আলী। বাঙ্গালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন খান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল মালেক সরকার, ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহেব আলী ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদক মকবুল হোসেন এবং দূর্গানগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রজব আলী।

মতলব (চাঁদপুর): চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার চার চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৯ জন আওয়ামী লীগ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন-ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম নবী বাদল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক, ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাজাহান, ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মনির পাটোয়ারী ও ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি মজিদ বেপারী (মধু), সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক জোবাইর আজম পাঠান স্বপন, ষাটনল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আনিসুর রহমান, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী কামাল হোসেন গাজী, এখলাছপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য সাইফুল ইসলাম লিমন, সুলতানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব ও সদস্য লিয়াকত আলী, বাগানবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার, আইনবিষয়ক সম্পাদক মোতাহার হোসেন বাচ্চু, ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।

নেত্রকোনা: জেলার পূর্বধলা উপজেলায় ১০ জনকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আশরাফ আলী খান খসরু এমপি স্বাক্ষরিত শনিবার সন্ধ্যায় এক চিঠিতে তাদের বহিষ্কার করা হয়। তারা হলেন-ঘাঘড়া ইউনিয়নের মো. মাজহারুল ইসলাম, জারিয়া ইউনিয়নের মো. ইউনুস আলী মন্ডল, মো. আমিনুল ইসলাম, আগিয়া ইউনিয়নের ছানোয়ার হোসেন চৌধুরী, বিশকাকুনি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন, খলিশাউড় ইউনিয়নের মো. ইয়াকুব আলী, গোহালাকান্দা ইউনিয়নের মো. আনোয়ার হোসেন, হাসনাত জামান খোকন, বৈরাটি ইউনিয়নের আনিসুজ্জামান তালুকদার ও মো. সাজ্জাত হোসেন।

মুন্সীগঞ্জ: বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আখতারুজ্জামান জীবনকে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও তার নির্বাচনে সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোক্তার হোসেন গাজী ও যুগ্ম-সম্পাদক গজনবী মেম্বারকে।

রংপুর রাজশাহী খুলনা বরিশালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যারা

চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। গণভবনে শনিবার দলটির স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। পাশাপাশি সভায় নির্বাচন কমিশনের তফশিল ঘোষিত তিনটি পৌরসভার দলীয় প্রার্থী বাছাই করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, পৌরসভা নির্বাচনে পাবনা জেলার আটঘরিয়া পৌরসভায় মো. শহিদুল ইসলাম রতন, নরসংদী জেলার রায়পুরা পৌরসভায় মোহাম্মদ মাহবুব আলম শাহীন এবং কক্সবাজার জেলার টেকনাফ পৌরসভায় মোহাম্মদ ইসলামকে নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

রংপুর বিভাগ : চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রংপুর বিভাগে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরিতে মো. আবুল হোসেন, বেংহারীবনগ্রামে মো. আবুল কালাম আজাদ (আবু), চন্দনবাড়িতে মো. নজরুল ইসলাম প্রধান, বোদায় মো. মসিউর রহমান, সাকোয়ায় মো. হাফিজুর রহমান, পাঁচপীরে অজয় কুমার রায়, কাজলদিঘীকা লিয়াকগঞ্জে মো. আব্দুল মোমিন, বরশশীতে মো. মউর রহমান, মাড়েয়াবামনহাটে আবু আনছার মো. রেজাউল করিম, ময়দানদিঘীতে মো. আব্দুল জব্বার এবং আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুরে মো. দেলোয়ার হোসেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়ায় মো. মনিরুল হক, আখানগরে মো. রোমান বাদশাহ, আকচায় সুব্রত কুমার বর্মন, বালিয়ায় মো. নূর এ আলম ছিদ্দিকী, আউলিয়াপুরে মো. আতিকুর রহমান, চিলারংয়ে হৃষীকেশ রায় (লিটন), রহিমানপুরে মো. খেলাফত হোসেন, রায়পুরে মো. নূরুল ইসলাম, জামালপুরে এসএম এমদাদুল হক, মোহাম্মদপুর মো. সোহাগ, সালন্দরে মো. মাহবুব আলম, গড়েয়ায় মো. রইছ উদ্দীন, রাজাগাঁওয়ে মো. খাদেমুল ইসলাম, দেবীপুরে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, নারগুনে মো. সেরেকুল ইসলাম, জগন্নাথপুরে মো. আলাউদ্দীন, শুখানপুখুরীতে মো. আনিছুর রহমান, বেগুনবাড়ীতে মো. বনি আমীন, রুহিয়া পশ্চিমে অনিল কুমার সেন, ঢোলারহাটে সীমান্ত কুমার বর্মন (নির্মল) নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন।

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ীতে মো. মকছেদুল গনি শাহ, ভেড়ভেড়ীতে মো. হাফিজুল হক, আঙ্গারপাড়ায় গোলাম মোস্তফা, খামারপাড়ায় মো. সাজেদুল হক, ভাবকীতে মো. শফিকুল ইসলাম, গোয়ালডিহিতে মো. আইনুল হক শাহ্্। কাহারোল উপজেলায় ডাবরে সত্যজিৎ রায়, রসুলপুরে সঞ্জয় কুমার মিত্র, মুকুন্দপুরে একেএম ফারুক, তারগাঁওয়ে আবু সাহিন মো. মনোয়ারুজ্জামান, সুন্দরপুরে শরীফ উদ্দিন আহমেদ, রামচন্দ্রপুরে মো. আতাউর রহমান। বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুরে সত্যজিৎ রায়, পলাশবাড়ীতে মো. মোস্তাক আহাম্মদ সিদ্দিকী, শতগ্রামে মতিয়ার রহমান, পাল্টাপুরে মো. আবদুর রহমান, সুজালপুরে মহেষ চন্দ্র রায়, মোহাম্মদপুরে মো. ওয়াহেদুজ্জামান, সাতোরে মো. জাকির হোসেন, মোহনপুরে মো. তাইজুল ইসলাম, মরিচায় মো. আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী মনোনয়ন পেয়েছেন।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাইয়ে মো. আনোয়ারুল হক সরকার, বালাপাড়ায় মো. জহুরুল ইসলাম ভুঁইয়া ডিমলায় মো. আবুল কাসেম সরকার, নাউতারায় মো. সাইফুল ইসলাম, খালিশা চাপানীতে মো. আতাউর রহমান সরকার, ঝুনাগাছ চাপানীতে মো. মোজাম্মেল হক, পূর্ব ছাতনাইয়ে মো. আব্দুস ছাত্তার সরকার (বুলু)। সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুরে জিকো আহমেদ, কাশিরাম বেলপুকুরে মো. গোলাম রকিব সোহন, বাঙ্গালীপুরে মো. শাহাজাদা সরকার, বোতলাগাড়ীতে মো. আবদুল হাফিজ, খাতামধুপুরে মোছা. হাসিনা বেগম নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন।

লালমনিরহারের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতায় মো. আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল, গড্ডিমারীতে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, সিঙ্গিমারীতে মো. মনোয়ার হোসেন, টংভাঙ্গায় মো. সেলিম হোসেন, সির্ন্দুণায় মো. নুরুজ্জামান, পাটিকাপাড়ায় মো. মজিবুল আলম, ডাউয়াবাড়ীতে মো. মশিউর রহমান, নওদাবাসে একেএম ফজলুল হক, গোতামারীতে মো. মোজাম্মেল হক, ভেলাগুড়িতে মো. শফিকুল ইসলাম, সানিয়াজানে মো. আবুল হাসেম তালুকদার, ফকিরপাড়ায় মো. নুরল ইসলাম নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন।

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুরে মো. আতিয়ার রহমান, গোপালপুরে মো. শামছুল আলম, লোহানীপাড়ায় মো. ডলু শাহ্্, কালুপাড়ায় মো. আব্দুল মান্নান সরকার, বিষ্ণুপুরে মো. ফিন্দিউল হাসান চৌধুরী, রাধানগরে মো. কামাল উদ্দিন, গোপীনাথপুরে মো. লুৎফর রহমান, রামনাথপুরে মোছা. মোহছিনা বেগম, মধুপুরে মো. নূর আলম, দামোদরপুরে মো. আজিজুল হক সরকার। গংগাচড়া উপজেলার বেতগাড়ীতে মো. মোহাইমিন ইসলাম, কোলকোন্দে মো. সোহরাব আলী, বড়বিলে মো. শহীদ চৌধুরী, গংগাচড়ায় মো. মাজহারুল ইসলাম লেবু, লক্ষ্মীটারীতে মো. জুয়েল রানা, গজঘন্টায় মো. লিয়াকত আলী, মর্ণেয়ায় মো. মোছাদ্দেক আলী, আলমবিদিতরে মো. হারুন অর রশিদ ও নোহালীতে মো. আবুল কালাম আজাদ নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাইয়ে মো. আব্দুল জলিল সরকার, দলদলিয়ায় মো. লিয়াকত আলী, দুর্গাপুরে মো. খায়রুল ইসলাম, পান্ডুলে মো. তহসীন আলী, বুড়াবুড়ীতে মো. আসাদুজ্জামান খন্দকার, ধরণীবাড়ীতে মো. আব্দুল গফফার, ধামশ্রেণীতে সিরাজুল হক সরকার, গুনাইগাছে মো. আব্দুর রউফ, বজরায় মো. রেজাউল করিম আমিন, তবকপুরে মো. মোখলেছুর রহমান, হাতিয়ায় মো. শায়খুল ইসলাম, বেগমগঞ্জে মো. আকতার হোসেন, সাহেবের আলগায় লুৎফা বেগম প্রধান। রাজারহাট উপজেলায় ঘড়িয়ালডাঙ্গায় রবীন্দ্রনাথ কর্মকার, ছিনাইয়ে মো. সাদেকুল হক, রাজারহাটে মো. এনামুল হক, বিদ্যানন্দে মো. তাইজুল ইসলাম, উমরমজিদে মো. জহুরুল ইসলাম তালুকদার, নাজিমখানে মো. আব্দুল মালেক, চাকিরপশারে মো. আব্দুস ছালাম নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামদিয়ায় মো. মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী বাবলু, কাটাবাড়ীতে জোবায়ের হাসান মো. শফিক মাহমুদ, শাখাহারে মো. তাহাজুল ইসলাম, রাজাহারে মো. আ. লতিফ সরকার, সাপমারায় মো. সামীম রেজা, দরবন্তে আবু রুশদ মো. শরিফুল ইসলাম, তালুককানুপুরে মো. মাসুদ রানা, নাকাইয়ে মো. মোকছেদুল আমীন, হরিরামপুরে মো. জাহিদুল ইসলাম মন্ডল, রাখালবুরুজে মোছা. নুরজাহান বেগম, ফুলবাড়ীতে শান্তনু কুমার দেব, গুমানীগঞ্জে মানিক, কোচাশহরে মো. আবু সুফিয়ান মন্ডল, শিবপুরে মো. সেকেন্দার আলী মন্ডল, মহিমাগঞ্জে মো. রেজওয়ানুর রহমান, শালমারায় মো. আনিছুর রহমান। পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ীতে মো. মাহাবুবুর রহমান এবং বরিশাল ইউপিতে মো. শামীম মিয়া নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন।

রাজশাহী বিভাগ : জয়পুরহাটের জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধলাহার ইউপিতে মো. কোরবান আলী, দোগাছীতে মো. সামসুল আলম, ভাদসায় মো. ছরোয়ার হোসেন, মোহাম্মদাবাদে মো. আতাউর রহমান, পুরানাপৈলে মো. খোরশেদ আলম, আমদইয়ে মো. শাহানুর আলম সাবু, বম্বুতে মোল্লা শামসুল আলম, জামালপুরে মো. হাসানুজ্জামান মিঠু, চকবরকতে মো. শাহজাহান মনোনয়ন পেয়েছেন। বগুড়ার কাহালু উপজেলার কাহালু সদরে মো. এনামুল হক (মিঠু), বীরকেদারে এসএম আকরাম হোসেন, মুরইলে মো. হারেজ উদ্দীন, কালাইয়ে মো. আজহার আলী, মালঞ্চায় মো. আব্দুল হাকিম, নারহট্টে মো. রুহুল আমিন তালুকদার (বেলাল), পাইকড়ে মো. মিটু চৌধুরী, জামগ্রামে মো. মনোয়ার হোসেন। নন্দীগ্রাম উপজেলার নন্দীগ্রামে মো. মখলেছুর রহমান (মিন্টু), ভাটগ্রামে মো. জুলফিকার আলী, ভাটরায় মো. মোরশেদুল বারী, থালতামাঝ গ্রামে মো. হাফিজুর রহমান। এছাড়া বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়ায় মো. শফিকুল ইসলাম মনোনয়ন পেয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাটে মোহা. আব্দুল খালেক, গোহালবাড়ীতে মোহা. ইয়াসিন আলী, দলদলীতে মো. আনিসুর রহমান, জামবাড়ীয়ায় মো. পিয়ারুল ইসলাম। নাচোল উপজেলার কসবায় মো. আজিজুর রহমান, ফতেপুরে মো. ইসমাইল হক, নাচোলে মো. কাবুল হোসেন, নেজামপুরে মো. নজরুল ইসলাম মনোনয়ন পেয়েছেন।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জে মো. আক্কাছ আলী প্রামাণিক, ভোঁপাড়ায় মো. নাজিম উদ্দিন মন্ডল, বিশায় মো. মান্নান মোল্লা, হাটকালুপাড়ায় মো. আব্দুস শুকুর সরদার, কালিকাপুরে মো. নাজমুল হক প্রামাণিক, মনিয়ারীতে মো. খায়রল ইসলাম, পাঁচুপুরে মো. আফছার প্রামাণিক, সাহাগোলায় মোছা. শামসুন নাহার। মহাদেবপুর উপজেলার মহাদেবপুরে মো. সাঈদ হাসান, রাইগাঁতে মো. আরিফুর রহমান সরদার, চান্দাশে এসএম নুরুজ্জামান, হাতুড়ে মো. মোশারফ হোসেন, সফাপুরে মো. ময়নুল ইসলাম, চেরাগপুরে শিবনাথ মিশ্র, ভীমপুরে মো. হাসান আলী মন্ডল, এনায়েতপুরে মো. মেহেদী হাসান মিঞা, উত্তরগ্রামে মো. বজলুর রশীদ, খাজুরে মো. বেলাল উদ্দীন। ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাটে মো. কামরুজ্জামান, ইসবপুরে মো. মাহফুজুল আলম, আলোমপুরে মো. ওসমান গনী, আড়ানগরে মো. শাহজাহান আলী, আগ্রাদ্বিগুনে মো. ছালেহ উদ্দীন, জাহানপুরে মো. গোলাম কিবরিয়া, খেলনায় মো. নাজমুল হোসেন এবং উমারে মো. ওবায়দুল হক সরকার আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুরে আলহাজ মো. শফিউল আলম, শলুয়ায় মো. আবুল কালাম আজাদ, সরদহে মো. হাসানুজ্জামান, নিমপাড়ায় মো. মনিরুজ্জামান, চারঘাটে মো. ফজলুল হক, ভায়ালক্ষ্মীপুরে মো. আঃ মজিদ প্রাং। বাঘা উপজেলার চকরাজাপুরে ডি.এম. বাবুল মনোয়ার, বাউসায় মো. শফিকুর রহমান, আড়ানীতে মো. রফিকুল ইসলাম। দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়ায় মো. সাইফুল ইসলাম, কিসমতগণকৈড়ে মো. আবুল কালাম আজাদ, পানানগরে মো. আজাহার আলী, দেলুয়াবাড়ীতে মো. আহসান হাবিব, বালুকায় মো. আকতার আলী ও জয়নগরে মো. মিজানুর রহমান মনোনয়ন পেয়েছেন।

নাটোর সিংড়া উপজেলার সুকাশে এসএম মোফাজ্জল হোসেন, ডাহিয়ায় মো. মামুন সিরাজুল মজিদ, ইটালীতে মো. আরিফুল ইসলাম, কলমে মো. মইনুল হক চুনু, চামারীতে মো. রশিদুল ইসলাম, হাতিয়ান্দহে মো. মোস্তাকুর রহমান, লালোরে মো. নজরুল ইসলাম, শেরকোলে মো. লুৎফুল হাবিব, তাজপুরে মো. মিনহাজ উদ্দিন, চৌগ্রামে মো. জাহেদুল ইসলাম, ছাতারদিঘীতে মো. আব্দুর রউফ সরদার ও রামানন্দখাজুয়ায় মো. ইদ্রিস আলী আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুরে এসএম হাসেবুল হক (হাসান), গাড়াদহে মো. সাইফুল ইসলাম, পোতাজিয়ায় মো. আলমগীর জাহান, রুপবাটিতে মো. আব্দুল মজিদ মোল্লা, গালায় মো. আব্দুল বাতেন, বেলতৈলে সরকার মোহাম্মদ আলী, খুকনীতে মো. মুল্লুক চাঁদ, কৈজুরীতে মো. সাইফুল ইসলাম, নরিনায় মো. আবু শামিম, জামালপুরে মো. সুলতান মাহমুদ। চৌহালী উপজেলার সদিয়াচাঁদপুরে মো. জাহাঙ্গীর আলম, উমারপুরে মো. আব্দুর রাজ্জাক, খাষকাউলিয়ায় মো. আবু ছাইদ, বাঘুটিয়ায় মো. আবুল কালাম, স্থলে মো. নজরুল ইসলাম, ঘোরজানে মো. আকতারুজ্জামান সরকার, খাষপুকুরিয়ায় মো. আবু দাউদ। কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাটে মো. আঃ মালেক খাঁন, ঝাঐলে মো. আলতাফ হোসেন (ঠান্ডু), জামতৈলে মো. মোকবুল হোসেন, রায়দৌলতপুরে মো. আঃ রশিদ আকন্দ মনোনয়ন পেয়েছেন।

পাবনার পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছায় মো. উম্মাত আলী, দাপুনিয়ায় মোছা. আম্বিয়া খাতুন, মালঞ্চিতে মো. আব্দুল আলিম, দোগাছিতে মো. আলতাব হোসেন, হিমায়েতপুরে মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, ভাঁড়ারায় মো. আবু সাঈদ খান, চরতারাপুরে রবিউল হক (টুটুল), আতাইকুলায় খোন্দকার আতিয়ার হোসেন, গয়েশপুরে মো. সামসুল মন্ডল, সাদুল্লাপুরে মো. রইস উদ্দিন খাঁন। আটঘরিয়া উপজেলার মাজপারায় মো. ইন্তাজ আলী খান, চাঁদভায় মো. সাইফুল ইসলাম, দেবোত্তরে আবু হামিদ মো. মোহাঈম্মীন হোসেন চঞ্চল, একদন্তে মো. মহসিন আলী মোল্লা, লক্ষ্মীপুরে আনোয়ার হোসেন। ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচে মো. নূর-উন-নবী মন্ডল, অষ্টমনিষায় সুলতানা জাহান, পার ভাঙ্গুড়ায় মো. হেদায়তুল হক, দিলপাশারে অশোক কমার ঘোষ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

খুলনা বিভাগ : কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার গোপগ্রামে মো. আলমগীর হোসেন, শিমুলিয়ায় আব্দুল মজিদ খাঁন, জয়ন্তীহাজরা মো. আব্দুর রাজ্জাক, বেতবাড়ীয়ায় মো. বাবুল আখতার, ওসমানপুরে মো. আনিচুর রহমান, জানিপুরে মো. হবিবর রহমান, আমবাড়ীয়ায় মো. মনিরুজ্জামান বিশ্বাস, খোকসায় মো. আঃ মালেক, শোমসপুরে মো. বদর উদ্দিন খান। কুমারখালী উপজেলার কয়ায় সাদিয়া জামিল, শিলাইদহে মো. সালাহ্উদ্দীন খান তারেক, জগন্নাথপুরে শেখ ফারুক আজম, সদকীতে মিনহাজুল আবেদীন দ্বীপ, নন্দলালপুরে মো. নওশের আলী বিশ্বাস, চাপড়ায় মনির হাসান, বাগুলাটে মো. আজিজুল হক নবা, যদুবয়রায় মো. মিজানুর রহমান, চাঁদপুরে মো. সোহরাব উদ্দিন মিয়া, পান্টিতে মো. কামরুজ্জামান ও চরসাদীপুরে মো. তোফাজ্জল হোসেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়ায় মো. আবুল কালাম আজাদ, মোমিনপুরে মো. আব্দুল্লাহ-আল মামুন, কুতুবপুরে আলী আহম্মেদ হাসানুজ্জামান, পদ্মবিলায় মো. আলম। ঝিনাইদহের ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটিতে মো. শফি উদ্দীন আহমেদ, মধুহাটিতে মো. আলমগীর আজাদ, সাগান্নায় মোজাম্মেল হোসেন শেখ, হলিধানীতে মো. আবুল হাসেম, কুমড়াবাড়ীয়ায় মো. আশরাফুল ইসলাম, গান্নায় আতিকুল হাসান মাসুম, মহারাজপুরে আরিফ আহমেদ, পোড়াহাটিতে মো. শহিদুল ইসলাম হিরন, হরিশংকরপুরে আব্দুল্লাহ আল মাসুম, পদ্মাকরে সৈয়দ নিজামুল গনি, দোগাছিতে মো. ইসহাক আলী জোয়ার্দ্দার, ফুরসুন্দিতে মো. শহিদুল ইসলাম শিকদার, ঘোড়শালে মো. পারভেজ মাসুদ, কালীচরণপুরে কৃষ্ণ পদ দত্ত ও নলডাঙ্গায় মো. রেজাউল করিম মনোনয়ন পেয়েছেন।

যশোরের অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগে মো. মফিজ উদ্দিন, সুন্দলীতে বিকাশ রায়, চলিশিয়ায় মো. মশিউর রহমান, পায়রা মো. হাফিজুর রহমান বিশ্বাস, শ্রীধরপুরে মো. নাসির উদ্দীন, বাঘুটিয়ায় অর্জুন সেন, শুভরাড়ায় মো. ইদ্রিস আলী শেখ, সিদ্দিপাশায় খান এ কামাল হাচান। মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুরে মো. আব্দুল হালিম মোল্যা, আমলসারে সেবানন্দ বিশ্বাস, শ্রীপুরে মো. মসিয়ার রহমান, শ্রীকোলে কাজী তারিকুল ইসলাম, কাদিরপাড়ায় মো. লিয়াকত আলি বিশ্বাস, দ্বারিয়াপুরে আব্দুস সবুর, সবদালপুরে পান্না খাতুন, নাকোলে হুমাউনুর রশিদ।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নলদীতে মো. আবুল কালাম আজাদ মিয়া, লাহুড়িয়ায় মোসা. ফাতেমা বেগম, শালনগরে মো. লাবু মিয়া, নোয়াগ্রামে মুন্সী জোসেফ হোসেন, লক্ষ্মীপাশায় কাজী বনি আমীন, জয়পুরে মো. সাইফুল ইসলাম সুমন, লোহাগড়ায় নাজমিন বেগম, দিঘলিয়ায় নীনা ইয়াছমিন, মল্লিকপুরে মো. শহিদুর রহমান শহীদ, কোটাকোলে হাচান আল মামুদ, ইতনায় শেখ সিহানুক রহমান, কাশিপুরে মো. মতিয়ার রহমান। খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমায় বিধান রায়। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে মো. শমসের আলী ঢালী, নুরনগরে মো. বখতিয়ার আহমেদ, মুন্সীগঞ্জে অসীম কুমার মৃধা, বুড়িগোয়ালিনীতে ভবতোষ কুমার মন্ডল, আটুলিয়ায় গাজী কামরুল ইসলাম, পদ্মপুকুরে এসএম আতাউর রহমান, গাবুরায় জি, এম, শফিউল আযম লেনিন, কৈখালীতে জিএম রেজাউল করিম, রমজাননগরে মো. শাহনুর আলম এবং তালা উপজেলার কুমিরায় শেখ আজিজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

বরিশাল বিভাগ : পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালীতে মু. সাইদুজ্জামান মামুন, ছোটবাইশদিয়ায় এবিএম আবদুল মান্নান, চালিতাবুনিয়ায় মু. জাহিদুর রহমান, চরমোন্তাজে এ. কে. সামসুদ্দিন। কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জে মো. বাবুল মিয়া, টিয়াখালীতে সৈয়দ মশিউর রহমান, চাকামইয়ায় মো. হুমায়ন কবির। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলায় মো. শাহাজাদা তালুকদার, কাচিয়ায় আঃ রব কাজী, হাসাননগরে মো. আবেদ, টগবীতে মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার, পক্ষিয়ায় মো. আবুল কালাম, বড়মানিকায় জসিমউদ্দিন, কুতুবায় নজমুল আহাসান। তজুমুদ্দিন উপজেলার সোনাপুরে মেহেদী হাসান। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দিতে গাওসেল আলম খান (লাল), দুর্গাপাশায় মো. হানিফ তালুকদার, নিয়ামতিতে মতিউর রহমান (বাদশা)। বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশায় মো. দেলোয়ার হোসেন এবং হিজলা উপজেলার ধূলখোলায় একেএম, জসীম উদ্দিন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।

গরু-ছাগল-ডিমও ঘুস নেন বরগুনার এসপি

ডিমও ঘুস নেন বরগুনার পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক। ঘুসের তালিকায় আছে পাতিহাঁস, গরু-ছাগলও। সম্প্রতি এলাকার চিহ্নিত অপরাধীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কয়েকটি ছবি ভাইরাল হলে তার বিষয়ে একটি বিশেষ গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। এছাড়া এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি মহিলা কনস্টেবলদের আবাসিক ব্যারাকে গিয়ে নাচের প্রশিক্ষণ উপভোগ করেন। যেখানে অন্য কারও প্রবেশ নিষেধ। চালু করেছেন বিশেষ ব্যায়ামাগার, যা নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসপি মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক যুগান্তরকে বলেন, ‘এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। জেলা পুলিশ সদস্যদের একটি কালচারাল সংগঠন আছে। সেখানে মহিলা কনস্টেবলরা নাচের রিহার্সেল করেন, যা দেখার জন্য পুলিশ সদস্যদের অনেকেই যান। আমিও গিয়েছি। কিন্তু শুধু আমি যে একমাত্র গিয়েছি, এমন অভিযোগ সত্য নয়। কারণ একা দেখাটা নাজায়েজ কাজ।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বড় খানার নামে বিভিন্ন থানা থেকে মাছ, মাংসসহ টাকা নেওয়া ও বদলি করে টাকা নেওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। এগুলো ভুয়া অভিযোগ। কে বা কারা এসব নাজায়েজ অভিযোগ করল বুঝতে পারছি না।’

বিশেষ গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এই পুলিশ সুপারের ব্যক্তিগত দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, ‘আমতলী থানা পরিদর্শনের সময় ডিমও ঘুস নিয়েছেন এই এসপি। উৎকোচের তালিকায় আছে পাতিহাঁসও। চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে বিনামূলে নিয়েছেন ৯টি গরু, যা তিনি সম্প্রতি সাড়ে ৪ লাখ টাকায় বিক্রিও করেছেন। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বরগুনা পুলিশ লাইনের হলরুমে বড় খানার আয়োজন করেন এসপি। এ উপলক্ষ্যে সদর পুলিশ থানা থেকে ৭০ কেজি গরুর মাংস, আমতলী থানা থেকে ৫০ কেজি গলদা চিংড়ি, পাথরঘাটা থানা থেকে ৬০ কেজি ইলিশ, তালতলী থানা থেকে ১৫ হাজার টাকা, বামনা ও বেতাগী থানা থেকে ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। কর্মস্থলে বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সস্যদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধাও নিয়ে থাকেন তিনি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি এসপি জাহাঙ্গীর মল্লিক মাসিক অপরাধ দমন সভায় বসে বরগুনার ৬টি থানার ওসির কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা উৎকোচ নিয়ে থাকেন। পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসের পেছনে টেনিস মাঠ, ব্যাডমিন্টন খেলার মাঠ ঠিক করেছেন ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে টাকা এনে। এছাড়া বরগুনাস্থ পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্থ আদায় করেন। এই সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্যদের মধ্যে অপরাধ শাখার অফিস রিডার আতিকুর রহমান পুলিশ সুপারের ভাগনে হিসাবে পরিচিত। এ চক্রের বাকি দুজন হলেন রেশন স্টোরের ইনচার্জ এসআই মো. খলিলুর রহমান ও কনস্টেবল মো. লিটন হোসেন।

এদিকে ওয়ারেন্ট তামিলে বরাবরের মতোই ব্যর্থ বরগুনার পুলিশ সদস্যরা। এসব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময় কৈফিয়ত তলব করেন এসপি। গত মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৭ মাসে ওয়ারেন্ট তামিলে ব্যর্থ ও মামলার তদন্তে অগ্রগতি বিষয়ে কৈফিয়ত তলব করে নিরস্ত্র এসআই ও এএসআইদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা হারে ৭০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। অপরাধ শাখার রিডার আতিকুর রহমান কৈফিয়ত তলবের অফিস কপিতে ডিসপ্যাচ রেজিস্ট্রারের স্মারক ব্যবহার না করে ভুয়া ও বানোয়াট স্মারক ব্যবহার করতেন। অক্টোবর থেকে এমন কার্যক্রম বন্ধ আছে। থানা এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ফোর্সরা সোর্সমানির টাকা পান না। এসব বিষয়ের পাশাপাশি বদলি বাণিজ্যের সঙ্গে সরাসরি জড়িত আছেন জাহাঙ্গীর মল্লিক।

কোন থানা থেকে কতজনকে, কত টাকা নিয়ে পোস্টিং অর্ডার করেছেন তাদের নাম ও ঘুসের পরিমাণসহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে এই প্রতিবেদনে। এভাবে এসপির ঘুস লেনদেনের দীর্ঘ ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়েছে ৭ পৃষ্ঠার গোয়েন্দা প্রতিবেদনে। এর এক স্থানে এসপির নৈতিক স্খলনের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বলা হয়, এসপি জাহাঙ্গীর মল্লিক পুলিশ লাইন্সের মহিলা ব্যারাক ভবনের নিচতলার হলরুমে গত মার্চ মাসে বিনোদনকেন্দ্র তৈরি করেন। ৬ জন মহিলা কনস্টেবলের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, এসপি ওই বিনোদন কক্ষে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর তাদের নিয়ে নাচ শেখার প্র্যাকটিস করতেন। রাজকীয় স্টাইলে এসপি সোফার ওপর বিশেষ ভঙ্গিতে শুয়ে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তা উপভোগ করতেন। তবে এই নাচের অনুষ্ঠানে দর্শক মাত্র একজনই থাকতেন। তিনি হলেন এসপি জাহাঙ্গীর। ২/৩ ঘণ্টাব্যাপী এই নাচগান পর্ব চলাকালে সেখানে কোনো অফিসার, ফোর্স ও দেহরক্ষীর প্রবেশের অনুমতি ছিল না। কিন্তু এই নাচ অনুষ্ঠানের গোপন রহস্য ফাঁস হয়ে গেলে সেটি বেশিদিন আর চালাতে পারেননি। গত জুলাই থেকে বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে বিশেষ নাচানাচির এই অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলেও মহিলা পুলিশ ব্যারাকের দ্বিতীয় তলায় ব্যায়ামাগারটি তিনি চালু রেখেছিলেন। প্রতিদিন ভোর ৫টার দিকে হাঁটতে বের হয়ে ওই ব্যায়ামাগারে যেতেন। সেখানে সকাল ৮টা পর্যন্ত অবস্থান করতেন। এ সময়ও ব্যায়ামাগারের আশপাশে কেউ যেতে পারতেন না। যদিও ওই ব্যায়ামাগারে কোনো পুরুষ পুলিশ সদস্যের প্রবেশের অনুমতি ছিল না।

আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বাসসের।

পরবর্তী তিনি দিনে আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময়ের শেষের দিকে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বাড়তি অংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপের বাড়তি অংশ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

শনিবার নিম্নচাপটি স্থল লঘুচাপে পরিণত হয়। সেদিন আকাশ মেঘমুক্ত ছিল।

শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় তেঁতুলিয়ায় ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ৩২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন জাতীয় মুদ্রণ ব্যবসায়ী সমিতি’র আত্মপ্রকাশ

এম. পারভেজ পাটোয়ারী : “পারষ্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও হৃদ্যতা হোক আগামী দিনের পথ চলার অঙ্গীকার।” এ স্লোগানকে সামনে নিয়ে ৬ নভেম্বর ঢাকার পল্টনের সুং ফুড গার্ডেনে মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি বিশেষ সভায় “জাতীয় মুদ্রণ ব্যবসায়ী সমিতি” নামে একটি নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ লাভ করে।

দেওয়ান মোঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে আসাদুল্লাহ টিটোর সঞ্চালনায় মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের পরস্পরের হিতার্থে ও সহযোগিতার উদ্দেশে একটি পেশাজীবী সংগঠন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা থেকে বক্তব্য প্রদান করেন ব্যবসায়ী আর কে বণিক, মোঃ ইউনুস আলী, মোঃ শাহ আলম, মনিরুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, আশিস বণিক, বাহাউদ্দিন সোহেল, মাসুম আল মামুন, সজীব সরকার, মোঃ সারোয়ার হোসেন, মোফাজ্জল হোসেন (সরদার খোকন), কামরুল হুদা সবুজ মাল, বশির আহমেদ, সরজিৎ কুমার সরকার, এম এইচ উজ্জল, মোঃ আজহার, পংকজ সরকার, ওসমান গণি, হামীম হাবিবুল্লাহ, মোমিন মেহেদী প্রমুখ।

বক্তারা এ ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সুন্দর আগামীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে এ সংগঠনের অগ্রগতিকে আরো বেগবান করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

উপস্থিত ব্যবসায়ীদের মূল্যবান মতামতের ভিত্তিতে আগামী নব্বই দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্য নিয়ে আসাদুল্লাহ টিটোকে আহবায়ক যথাক্রমে মনিরুল ইসলাম ও আশিস বণিককে যুগ্ম আহবায়ক করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্ধসঢ়;বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন। সভাপতি সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে সভা সমাপ্ত ঘোষণা করেন।