শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 615

বোস্টন প্রবাসী রোকেয়া খানম আর নেই

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টন প্রবাসী রোকেয়া খানম আর নেই। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বোস্টনে ছেলের বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি চার মেয়ে দুই ছেলেসহ অসংখ্য নাতি-নাতনি ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।

রোকেয়া খানম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিউ ইংল্যান্ড শাখার সভাপতি ওসমান গণির শাশুড়ি। তার বাড়ি বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানায়। রোকেয়া খানমের স্বামী একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। প্রায় ১৯ বছর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ছেলে ও মেয়ের কাছে এসে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টনে বসবাস করেন। গত বৃহস্পতিবার বিকালে মেয়ে জেসমিন গণির বাসা থেকে ছেলের বাসায় গিয়ে বিছানায় বিশ্রাম নিতে গিয়ে আকস্মিকভাবেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ নভেম্বর) বোস্টনে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার মরদেহ মুসলিম কবরস্থানে দাফন করা হবে। রোকেয়া খানমের আকস্মিক মৃত্যুতে বোস্টন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ বোস্টন প্রবাসী বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আহমদ আরবারি হত্যা মামলায় ৩ শ্বেতাঙ্গ দোষী সাব্যস্ত

গত বছরের আলোচিত আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ যুবক আহমদ আরবারি হত্যাকাণ্ডে তিন শ্বেতাঙ্গ পুরুষকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন ১২ সদস্যের এক মার্কিন জুরি বোর্ড। জুরিদের এমন রায় আরও একবার যুক্তরাষ্ট্রকে বর্ণগত সংখ্যালঘু এক নাগরিকের ওপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা স্বীকার করতে বাধ্য করল।

৬৫ বছর বয়সী গ্রেগরি ম্যাকমাইকেল, তার ছেলে ট্রাভিস ম্যাকমাইকেল এবং প্রতিবেশী উইলিয়াম রোডি ব্রায়ানকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ব্রাউন্সউইকে আহমদ আরবারি নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে ধাওয়া করে হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ বিচারপর্বে জুরিরা বিবাদীপক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় আইনজীবীদের বক্তব্য শোনেন।

প্রধান কৌঁসুলি লিন্ডা দুনিকস্কি বলেন, তারা (দোষী তিন ব্যক্তি) আহমদ আরবারিকে তাদের ড্রাইভওয়েতে হামলার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ আহমদ ছিলেন একজন কৃষ্ণাঙ্গ এবং তিনি রাস্তায় দৌড়াচ্ছিলেন।

ঘণ্টাব্যাপী যুক্তিখণ্ডনে দুনিকস্কি আসামিপক্ষের বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। আসামিপক্ষের দাবি— ২৫ বছর বয়সি আরবারিকে তাদের বিপজ্জনক মনে হয়েছিল।

লিন্ডা দুনিকস্কি বলেন, তাদের (আসামিপক্ষ) জন্য আহমদ হুমকি হতে পারে বলে তারা তাকে হত্যা করেননি। কারণ আহমদের সঙ্গে কোনো অস্ত্র ছিল না। তিনি কারও জন্য কোনো হুমকি সৃষ্টি করেননি। এমনকি সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকার উপায়ও তার ছিল না। আরবারি প্রাণে বাঁচতে প্রায় পাঁচ মিনিটের মতো ছুটেছেন।

হত্যা ও প্রচণ্ড আক্রমণ ছাড়াও অপহরণের চেষ্টা এবং আরবারিকে বর্ণগতভাবে চিহ্নিত করার মতো রাষ্ট্রীয় ঘৃণাজনিত অপরাধে তিন আসামিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসামিপক্ষের হয়ে একমাত্র ট্রাভিস ম্যাকমাইকেল সাক্ষ্য দিতে আদালতে দাঁড়ান। তিনি আদালতকে জানান, আত্মরক্ষায় অত্যন্ত কাছ থেকে তিনি শটগান দিয়ে গুলি ছোড়েন।

আরবারির হত্যার ভিডিওটি ফাঁস হওয়া এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও ভাইরাল হয়ে যাওয়ার দুই মাসের বেশি সময় পরেও পুলিশ সন্দেহভাজনদের অভিযুক্ত না করায় গত বছর গোটা যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দেয়।

কাশি থেকে রোগ নির্ণয় করবেন যেভাবে

কাশি যে কোনো বয়সেই হয়ে থাকে। ফুসফুসের বাতাস যখন কোনো কারণে প্রচণ্ড বেগে স্বরযন্ত্র দিয়ে বেরিয়ে আসে, সেটিই কাশি। কাশি ফুসফুসের একটি আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা। ফুসফুসে কোনো কিছু ঢুকলে কাশির মাধ্যমে তা জানান দেয়।

শ্বাসনালি, স্বরযন্ত্র, গলবিলে বাইরে কোনো বস্তু গেলে আমাদের কাশি হয়। ফুসফুসের সাধারণ স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য কাশি প্রয়োজনীয়।

তাই বলে কি মানুষ ক্রমাগত কাশবে? মানুষ কাশলে বুঝতে হবে তিনি কোনো না কোনো অসুখে ভুগছেন। শুধু ফুসফুসের রোগের কারণেই কি কাশি হয়? ফুসফুস বহির্ভূত কারণেও কাশি হতে পারে।

কাশি থেকে রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. রাজাশিস চক্রবর্তী।

১-২ সপ্তাহ কাশি স্থায়ী হলে তাকে স্বল্পস্থায়ী কাশি বলে।

২ সপ্তাহের অধিক কাশি হলে তাকে দীর্ঘস্থায়ী কাশি বলে। স্বল্পস্থায়ী কাশি সাধারণ সর্দি-জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোনিয়ার কারণে হয়ে থাকে। কাশি তিন সপ্তাহের অধিক হলে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের টিউমার, যক্ষ্মার জন্য হয়ে থাকে। কাশির সঙ্গে থুথু বা কফ বের না হলে তা শুকনো কাশি। এ কাশি অ্যাজমা, কিছু ওষুধ এসিই ইনহিবিটর বা বিটা ব্লকার খেলেও হয়। কাশির সঙ্গে প্রচুর কফ ফুসফুসের ফোড়ার জন্য হয় বা ফুসফুসের কোনো কোনো জায়গায় স্থায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্রঙ্কাইটিস হয়।

কিছু কাশি শ্বাসতন্ত্রের উপরের অংশ অর্থাৎ নাক থেকে শ্বাসনালির সমস্যায় হয়। অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বা অ্যালার্জিজনিত সর্দি, সাইনোসাইটিস ও গলা ব্যথায় শ্বাসনালির উপরের অংশের সমস্যার জন্য হয়। নাকের পেছনেও সর্দি হয়। এ রোগীরা শুয়ে পড়লে কাশি হয়। সাইনোসাইটিসে নাকের পানি গলায় পড়ে কাশি হয়। গলা ব্যথা ফ্যারিনজাইটিসের জন্য হয়। রোগীর গলা প্রচণ্ড ব্যথাসহ কাশি হয়। কথা বলার যন্ত্র বা ল্যারিংসে প্রদাহ হলে কথা বলার সময় কাশি হয়।

ফ্যাসফ্যাসে কাশিতে রোগী বলে গলা ভেঙে গেছে। ভোকাল কর্ডে ইনফেকশন হলে কাশিতে জোর থাকে না, একে বভাইন কফ বলে। এ কাশি দিলে হালকা শব্দ হয়। ভোকাল কর্ড প্যারালাইসিস থেকে এমনটি হতে পারে। এ কর্ডে টিউমার বা ফুসফুসের টিউমার ভোকাল কর্ডকে আক্রান্ত করলে এমনটি হয়ে থাকে।

কাশি দিলে বুকের মাঝখানে প্রচণ্ড ব্যথা হলে শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া আক্রান্ত হয়। অ্যাজমার কাশি দিন-রাতের সঙ্গে বাড়ে-কমে। রাতে বা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কাশি বাড়ে। বাগানের ফুলের রেণু বেশি থাকলে অ্যাজমা রোগীর কাশি বেড়ে যায়।

শিক্ষক নিয়োগ দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এতে অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক পদে তিনজনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। ডাকযোগে করা যাবে আবেদন।

পদের নাম: প্রভষক
বিভাগ: অর্থনীতি

পদ সংখ্যা: ৩ জন

আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে প্রথম শ্রেণি বা ৪.০০ স্কেলে কমপক্ষে ৩.৫০ সিজিপিএ থাকতে হবে। আর মাধ্যমিকে ৫.০০ স্কেলে কমপক্ষে ৪.২৫ জিপিএ থাকা লাগবে।

বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

আবেদনের ঠিকানা: রেজিস্ট্রার দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৪ ডিসেম্বর ২০২১

কয়লাখনিতে নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ

শূন্যপদে জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলার অধীনে প্রতিষ্ঠান মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)। এতে বিভিন্ন পদে নবম গ্রেডে ৩৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)
পদ সংখ্যা: ৩ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি-ইন-সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অথবা ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং/ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং/ ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং/ ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অথবা ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল)
পদ সংখ্যা: ৭ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অথবা ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (মাইনিং)
পদ সংখ্যা: ৩ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং/ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং/ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেল রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অথবা ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (আইনসিটি)
পদ সংখ্যা: ২ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং/কম্পিউটার সায়েন্স/ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং/ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং/ইনফরমেশন অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং/ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং/ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং/ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং/সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং/ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিগ্রি অথবা ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (আইন)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল/ল অ্যান্ড জাস্টিস/ল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে প্রথম শ্রেণি/সমমানের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দ্বিতীয় শ্রেণি/সমমানের স্নাতকসহ (সম্মান) দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ)
পদ সংখ্যা: ৬ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিষয়ে প্রথম শ্রেণি/ সমমানের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণি/ সমমানের স্নাতকসহ (সম্মান) দ্বিতীয় শ্রেণি/ সমমানের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক/ স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ)
পদ সংখ্যা: ৭ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিং/অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম/ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ/ম্যানেজমেন্ট/ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম/ফিন্যান্স/ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং/ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স/মার্কেটিং/ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিষয়ে প্রথম শ্রেণি/সমমানের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণি/সমমানের স্নাতকসহ (সম্মান) দ্বিতীয় শ্রেণি/সমমানের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা বাণিজ্যিক বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি/বিবিএ/সিএ অথবা আইসিএমএ (ইন্টারমিডিয়েট)/এমবিএ ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (ভূতত্ত্ব)
পদ সংখ্যা: ৩ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিওলজি/জিওলজি অ্যান্ড মাইনিং/জিওলজিক্যাল সায়েন্স বিষয়ে প্রথম শ্রেণি/সমমানের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণি/সমমানের স্নাতকসহ (সম্মান) দ্বিতীয় শ্রেণি/সমমানের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (মেডিকেল)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রিসহ বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রাপ্ত অথবা দেশের বাইরে এমবিবিএস সমমানের সনদপ্রাপ্ত যা বিএমডিসি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে এবং বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকতে হবে।
বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://mgmcl.teletalk.com.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

ব্লক ছাড়াও কি হার্টঅ্যাটাক হয়?

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আতঙ্কের রোগ হচ্ছে হার্টঅ্যাটাক। সুস্থ-সবল মানুষ মুহূর্তেই বুকের ব্যথায় কাতর হয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণও হৃদরোগ।

প্রতি বছর বিশ্বে যে পরিমাণ লোক মারা যায়, তার ৩১ শতাংশ মারা যাচ্ছে হৃদরোগে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন যে হারে হৃদরোগ হচ্ছে, আগামী ২০৩০ সালে বিশ্বজুড়ে ২৩ মিলিয়ন লোক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে। হৃদরোগের বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো।

অনেক সময় পূর্বলক্ষণ ছাড়াও অনেকে হার্টঅ্যাটাক করেন। আবার অনেকের হার্টে ব্লক ধরা পড়ার পর হার্টঅ্যাটাক হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এসএম মোস্তফা জামান।

ভৌগোলিক কারণে অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ, ভারতসহ এ অঞ্চলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি। কারণ আমাদের দেশের মানুষ অল্প বয়সে ধূমপান করা শুরু করে, চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খায়। কোন খাবার স্বাস্থ্যকর আর কোনটা অস্বাস্থ্যকর, সে বিষয়ে আমাদের দেশের মানুষের ধারণা কম।

ভৌগোলিক কারণে এ দেশের মানুষের উচ্চতা কম। ফলে তাদের হার্টের করোনারি আর্টারি (ধমনি) সরু থাকে, যা সাধারণত অল্পতেই বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।

ব্লক ছাড়াও কি হার্টঅ্যাটাক হয়

একটা গ্রুপের রোগী আমরা পাই, যারা অল্প বয়স থেকে মাদকদব্য গ্রহণ করছে, তাদের কোনো রিস্ক ফ্যাক্টর নেই। তার পরও দেখা গেছে, তাদের বুকে ব্যথা আছে। তাদের হার্টঅ্যাটাক হয়েছে। এনজিওগ্রাম করে তাদের হার্ট নরমাল পাওয়া যাচ্ছে। তাদের আসলে এক ধরনের করোনারি স্পাজম হয়ে হার্টঅ্যাটাক হচ্ছে। হার্টঅ্যাটাক হয়েছে অথচ এনজিওগ্রাম করে করোনারি ধমনিতে ব্লক পাওয়া যাচ্ছে না।
কেন ব্লক ছাড়া হার্টঅ্যাটাক হচ্ছে, তা এখন চিন্তার বিষয়। এটি আমরা বলে থাকি— মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন নো অবস্ট্রাকটিভ করোনারি অ্যাথেরোসেক্লেরোসিস (মিনোকা)। এ বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম চালানোর জন্য আমরা সরকারের কাছে আবেদন রাখছি।

রিস্ক ফ্যাক্টর কি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

হৃদরোগের কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর আছে। এসবের কিছু আমাদের ছন্দগত জীবনযাপনের মাধ্যমে কমানো যায়। কিন্তু যদি কারও পরিবারে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও শিশুর জন্মগত হৃদরোগ থাকে, তবে সে ক্ষেত্রে ঝুঁকি কমানোর জন্য আমাদের কিছুই করার থাকে না।

হৃদরোগ প্রতিরোধে করণীয়

হার্ট পাওয়ারফুল করতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। যেমন— স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণের পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুদের জাঙ্ক ফুড খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। হৃদরোগ প্রতিরোধে কায়িক পরিশ্রম করা, হাঁটাহাঁটি করা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান না করা ও খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

চিকিৎসা

হার্টঅ্যাটাক একটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা, যেখানে জীবন ও মৃত্যু খুব কাছাকাছি চলে আসে। কোনো ব্যক্তির হার্টঅ্যাটাক হলে সে অল্পতেই ভালো হতে পারে। আবার হতে পারে প্রাণঘাতী। তাই হার্টঅ্যাটাকের চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। চিকিৎসক ও রোগীর পরিবারকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে রোগী যাতে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পায়। সাধারণত ইকো-ইসিজি করে নিশ্চিত হওয়া যায়, রোগীর হার্টঅ্যাটাক হয়েছে কিনা। হার্টঅ্যাটাকের চিকিৎসার প্রথম ধাপ হলো— এসপিরিন গ্রুপের ওষুধ ও ইনজেকশন দিয়ে রক্ত পাতলা করা।
এর পর প্রাথমিক এনজিওপ্লাস্টি করে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ করা। এর পরও অনেক সময় রোগী ঝুঁকিমুক্ত হয় না। যদি রোগীর অনিয়মিত হৃদস্পন্দন হয়, সে ক্ষেত্রে রোগীর ঝুঁকি থেকে যায়। এ অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা মোটেও অবহেলা করা যাবে না।

কেননা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ফলে আবারও হার্টঅ্যাটাক হতে পারে। তাই হার্টঅ্যাটাকের প্রথম ৪৮-৭২ ঘণ্টা অবিরাম ইসিজি মনিটরিং করে দেখতে হবে, অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যা আছে কিনা।
একই সঙ্গে রোগীর রক্তচাপ ঠিক আছে কিনা, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। বেড সাইড ইকো করে সর্বদা হৃদযন্ত্রের পর্দার অবস্থার ওপর নজর রাখতে হবে। স্টেথোস্কোপ দিয়ে দেখতে হবে হৃদযন্ত্র থেকে কোনো অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছে কিনা।

কারণ রোগীর হার্টের ভেতর বা বাইরের পর্দা ফেটে গেলে তা সবচেয়ে মারাত্মক অবস্থা বলে গণ্য করা হয়। এ অবস্থায় রোগীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সার্জারি না করলে মৃত্যুর ঝুঁকি ৯৯ শতাংশ বেড়ে যায়।
সর্বোপরি হার্টঅ্যাটাকের পর ২-৩ দিন রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। অবস্থা স্থিতিশীল হলে চিকিৎসকের দায়িত্ব, রোগীকে কাউন্সেলিং করে খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রা ও পরবর্তী চিকিৎসা, যেমন— এনজিওগ্রাম কখন করাবে ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত করা।

আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চায় আবরারের পরিবার

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার দুই বছর দুই মাস পর রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে।

রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হবে।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর দিনগত রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। আলোচিত এ হত্যা মামলার সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা চায় আবরারের পরিবার।

এ মামলার বাদী আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বলেন, আসামিদের সর্বোচ্চ সাজার আশায় আছি আমরা।

একই প্রত্যাশা ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভূঁঞারও। তিনি বলেন, মামলায় ৪৬ জন সাক্ষী ভালোভাবে সাক্ষ্য দিয়ে মামলা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। আশা করি ২৫ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।

আবরারের মা বলেন, আবরারকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন আসামিরা ভেঙে দিয়েছে। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এভাবে আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।

তবে আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী আমিনুল গণী টিটোর আশা আসামিরা ছাড়া পাবেন। তিনি বলেন, এ আদালতে যা কিছুই আদেশ আসুক না কেন, উচ্চ আদালত থেকে আমরা ছাড়া পাব। ঘটনার পর প্রথমে দাখিল করা জিডিটাই এফআইআর হিসাবে গণ্য করা উচিত ছিল। পরের এজাহারে আসামিদের নাম ঢোকানো হয়েছে। আসলদের ছেড়ে দিয়ে নকলদের আসামি করা হয়েছে।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলা বিচারে এসেছিল। দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ১৪ নভেম্বর বিচারক এ মামলার রায়ের জন্য ২৮ নভেম্বর তারিখ রাখেন।

এদিকে রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ও ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের। তবে খুনিদের চেহারা সহ্য করতে পারবেন না বলে থাকছেন না মা রোকেয়া খাতুন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ।

ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান।

এই মামলার তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত ২৫ আসামির মধ্যে ২১ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তারা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিওন, উপ সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ আইন সম্পাদক অমিত সাহা, শাখা ছাত্রলীগ সদস্য মুনতাসির আল জেমি, মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির ও ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত এবং এস এম মাহমুদ সেতু।

পরে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ। গ্রেফতার ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু ছাড়া বাকি সবাই এজাহারভুক্ত আসামি।

মামলার আট আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তারা হলেন- ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, অনিক সরকার, মুজাহিদুর রহমান, মেহেদি হাসান রবিন, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মনিরুজ্জামান মনির ও এএসএম নাজমুস সাদাত। মোর্শেদ অমত্য ইসলাম নামের পলাতক এক আসামি পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান। তাই এখন পলাতক রয়েছেন আর তিনজন আসামি।

তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ।

এর মধ্যে মোস্তবা রাফিদের নাম এজাহারে ছিল না। চার্জশিট দাখিলের পর ২০২০ সালের ১৫ মার্চ মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ স্থানান্তরের আদেশ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করে আইন মন্ত্রণালয়।

এরপর ১৮ মার্চ ওই আদালতে মামলাটি বদলির আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। করোনায় প্রথম দফা ছুটি শেষে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ২৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। এরপর মামলাটিতে ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

গত ১৪ মার্চ এ মামলায় কারাগারে থাকা ২২ আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। অপর তিন আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেনি। এরপর কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যও

ঢাবি মার্কেটিং বিভাগ অ্যালামনাইয়ের রজতজয়ন্তী ১৭ ডিসেম্বর

আগামী ১৭ ডিসেম্বর বর্ণাঢ্য আয়োজনে রজতজয়ন্তী উদযাপন করতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার মার্কেটিং বিভাগের সেমিনার কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ তালুকদার বলেন, আগামী ১৭ ডিসেম্বর ঢাবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আমরা মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের রজতজয়ন্তী আয়োজন করতে যাচ্ছি। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলবে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। এ বছর বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও ঢাবির শতবর্ষ পূর্তি। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই আমরা অনুষ্ঠান সাজিয়েছি।

তিনি জানান, রজতজয়ন্তীতে ‘বাংলাদেশে ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্ শীর্ষক আলোচনা পর্ব রাখা হয়েছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় ইভেন্ট হচ্ছে- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পীদের সঙ্গে ভারতীয় গায়ক নচিকেতা চক্রবর্তী ও তার দল সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। উপস্থাপনায় থাকবেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা।

অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ তালুকদারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন ঢাবি মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ও বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি সালাহ উদ্দিন আহমেদ।

সংগঠনকে আরও উজ্জীবিত করার অঙ্গীকার

টেলিভিশন ও নাটক সংশ্লিষ্ট অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’র সাধারণ সভা-২০২১ অনুষ্ঠিত হলো গতকাল রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য ও নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান এমপি। এ ছাড়া বিশেষভাবে আমন্ত্রিত হন সংগঠনের প্রবীণ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর ও মামুনুর রশীদ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিমের উপস্থাপনায় আমন্ত্রিত তিন অতিথি ও সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিমকে ফুল দিয়ে বরণ করার মধ্য দিয়েই শুরু হয় অনুষ্ঠান। বক্তব্য পর্বে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেন, ‘আমাকে এমন একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে নিমন্ত্রণ জানানোয় গর্ব বোধ করছি। কারণ এটি অভিনয় শিল্পীদের সংঘ। যাদের অভিনয়ে এদেশের কোটি কোটি দর্শক মুগ্ধ হন। আমি তাদের সাধারণ সভার উদ্বোধন ঘোষণা করছি, সেইসঙ্গে সাধারণ সভার সাফল্য কামনা করছি।’ মামুনুর রশীদ বলেন, ‘সাধারণ সভা এমনই একটি দিন, যা আমার প্রিয় সহকর্মীদের সঙ্গে সুন্দরভাবে কাটানোর মতো একটি দিন। এ দিনটির জন্য আমি বিশেষভাবে অপেক্ষা করি। একটি কথা আজ বলতে চাই, ষাট কিংবা সত্তরের পর শিল্পীদের অভিনয় করাটা কমে যায়। অভিনয় শিল্পী সংঘ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় এটা আমাদের জন্য কল্যাণকর। শিল্পীরা শিল্পের উৎকর্ষতা নিয়ে ভাববে, এমনটাই হওয়া উচিত। আর এভাবেই আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মুখ আরও উজ্জ্বল করব অভিনয় দিয়ে।’ আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘করোনায় আমরা অনেককে হারিয়েছি। তাতে আমাদের সংস্কৃতি অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো তা পূরণ করা সম্ভব নয়। করোনায় অনেক শিল্পীর অবস্থা খুবই দুর্বিষহ ছিল। তারপরও অভিনয় শিল্পী সংঘ যেভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে তাতে আমি এ সংঘের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ সাধারণ সভার শেষপ্রান্তে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননা তুলে দেন করভী মিজান, মুনিরা ইউসুফ মেমী ও তানিয়া আহমেদ। সভা শেষে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বের উপস্থাপনা করেন রওনক হাসান, সাজু খাদেম, জাকিয়া বারী মম ও শবনম ফারিয়া।

বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে রেশমী

চরিত্রশিল্পী হিসাবে এরইমধ্যে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন রেশমী। বেশ কিছুদিন তিনি টিভি নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন। সম্প্রতি তিনি ভারতের শ্যাম বেনেগালের পরিচালনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিকে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক বড় সৌভাগ্য যে, বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছি। যারা আমাকে এ বায়োপিকে একজন নেত্রীর ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য নির্বাচিত করেছেন তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’ তিনি জানিয়েছেন আগামী ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবেন। এদিকে নাটকের কাজ নিয়েও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এ অভিনেত্রী।