বুধবার ,১০ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 503

ইন্দোনেশিয়ায় দুই গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বে বারে অগ্নিসংযোগ, নিহত ১৯

কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়ার একটি কারাওকে বারে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অন্তত ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে পশ্চিম পাপুয়া প্রদেশের রাজধানী সোরং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর সিএনএনের।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে বারটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে একজনকে ছুরিকাঘাত করা হলে তার মৃত্যু হয়, এর পর ওই ভেন্যুটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হলে ভেতরে ১৮ জন আটকা পড়ে।

পশ্চিম পাপুয়া পুলিশের মুখপাত্র অ্যাডাম আরউইনি বলেছেন, তরুণদের মধ্যে মারামারি একটি সাধারণ ঘটনা, কিন্তু এটিই এত মৃত্যুর কারণ হলো। প্রথমবারের মতো এমনটি হলো।

স্পেনে ১০ বাংলাদেশির মুক্তি

স্পেনে মানবাধিকার সংগঠন ভালিয়ান্তে বাংলার সহযোগিতায় জেল থেকে ১০ জন বাংলাদেশি মুক্তি পেয়েছেন।

জানা যায়, গত ১ ডিসেম্বর রাতে মরক্কো থেকে একটা জাহাজে ১০ জন বাংলাদেশি স্পেনের উদ্দেশে জাহাজে রওনা দেন। স্পেনের গ্রানাডার মরটিল সাগরের মাঝখানে এসে পড়লে স্পেনের উদ্ধারকারী জাহাজ সালভা মেন্ত তাদের সাগর থেকে জীবিত উদ্ধার করে গ্রানাডার ক্যাম্পে নিয়ে যায়।

গ্রানাডার ক্যাম্পে তিন দিন রাখার পর স্পেনের ভেলেন্সিয়ার জেলে স্থানান্তর করা হয়। ভেলেন্সিয়ার জেল থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বাংলাদেশ অ্যাম্বাসিতে আনা হয়। অ্যাম্বাসির দায়িত্বশীল প্রবাসীদের দেশের ঠিকানা রাখে। তারপর ভেলেন্সিয়ার জেলে পুনরায় নেয়া হয়।

পঞ্চাশ দিন জেলে থাকার পর মাদ্রিদের কোর্টে মামলা করে মাদ্রিদের স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন ভালিয়ান্তে বাংলা।

অবশেষে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মাদ্রিদ অ্যাম্বাসির দায়িত্বশীল সবার সর্বোচ্চ সহযোগিতায় প্রবাসীদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

১০ জন প্রবাসীদের মধ্যে মাসুম আহমদ নামে একজন বলেন, আমরা জেলের মধ্যে অনেক সমস্যায় ছিলাম। আমাদের দেশে পাঠানোর জন্য অনেক চেষ্টা করে আমরা দেশে যেতে নারাজ ছিলাম। আমরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই ভেলেন্সিয়া ও মাদ্রিদের মানবাধিকার সংগঠন, মাদ্রিদের বাংলাদেশ অ্যাম্বাসির দায়িত্বশীল সর্বোপরি মাদ্রিদের বাঙালি কমিউনিটির সবার প্রতি আমাদের দেশে পাঠানো থেকে রক্ষা করার জন্য।

মাদ্রিদের ভালিয়ান্তে বাংলার সভাপতি ফজলে এলাহি বলেন, আমরা সবসময় প্রবাসীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, এটাও আমাদের জন্য বড় একটা পাওয়া। আমরা আমাদের বাংলাদেশি ভাইদের দেশে পাঠানো থেকে রক্ষা করতে পেরেছি। বাংলাদেশ অ্যাম্বাসির দায়িত্বশীল ও মাদ্রিদ কমিউনিটির সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই সহযোগিতা করার জন্য।

খেলাপি ঋণের অর্ধেকই শীর্ষ ৫ ব্যাংকে

ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের প্রায় অর্ধেকই রয়েছে শীর্ষ ৫ ব্যাংকে। বাকি ৫৬টি ব্যাংকে অর্ধেকের বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে। মোট খেলাপি ঋণের ৬২ শতাংশের বেশি রয়েছে শীর্ষ ১০টি ব্যাংকে। বাকি ৫১টি ব্যাংকে রয়েছে ৩৭ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ। দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণ ১ লাখ ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে ৫টি ব্যাংকে। অর্থাৎ ৫০ হাজার কোটি টাকা। বাকি ৫৬টি ব্যাংকে রয়েছে ৫৬ হাজার কোটি টাকা। মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে শীর্ষ ১০টি ব্যাংকে রয়েছে ৬৩ হাজার কোটি টাকা। বাকি ৫১টি ব্যাংকে রয়েছে ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

সোমবার রাতে প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ত্রৈমাসিক আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর্থিক ঝুঁকির মাত্রা তুলে ধরে। তবে এতে কোনো ব্যাংকের নাম প্রকাশ করা হয় না।

এদিকে নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণও বেড়েছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে এ খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ১০ হাজার ২৪৫

কোটি টাকা। গত সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা। ওই সময়ে মোট খেলাপি ঋণের হার ১৫ দশমিক ৪৭ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ।

উল্লেখ্য, সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে সরকারি খাতের সব ব্যাংকে। এর পরেই কয়েকটি বেসরকারি ও দুটি বিদেশি ব্যাংক।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ থাকায় শীর্ষ ৫টি ব্যাংকের বেশি ঝুঁকি রয়েছে।

একই সঙ্গে শীর্ষ ১০টি ব্যাংকের ঝুঁকিও কম নয়। তবে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের চেয়ে কম। খেলাপি ঋণের কারণে এসব ব্যাংকের মোটা অঙ্কের অর্থ প্রভিশন খাতে আটকে রয়েছে। এর বিপরীতে মূলধন ঘাটতিও রয়েছে। সব মিলে ব্যাংকগুলোর ঝুঁকির মাত্রা বেড়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিকভাবে মোট ঋণের ৩ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ হলেই ওই ব্যাংককে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, খেলাপি ঋণ যেমন শীর্ষ ১০ ব্যাংকের সবচেয়ে বেশি। তেমনই সম্পদের দিক থেকেও অন্য ১০টি ব্যাংক এগিয়ে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতে মোট সম্পদের ৪৭ শতাংশই রয়েছে ১০ ব্যাংকের হাতে। বাকি ৫১ ব্যাংকের হাতে রয়েছে ৫৪ শতাংশ সম্পদ। শীর্ষ ৫ ব্যাংকের হাতে রয়েছে ৩২ শতাংশ সম্পদ। বাকি ৫৬ ব্যাংকের হাতে রয়েছে ৬৮ শতাংশ সম্পদ। ব্যাংকগুলোর মধ্যে সুষম প্রতিযোগিতা না থাকার কারণে সম্পদ আহরণেও বৈষম্য রয়েছে। ব্যাংকগুলোর সম্পদ বলতে ঋণকে বোঝায়।

গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে ৭টি ব্যাংকের। ১৫ শতাংশের বেশি থেকে ২০ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ রয়েছে ৫টি ব্যাংকের। ১০ শতাংশের বেশি থেকে ১৫ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ রয়েছে ৩টি ব্যাংকের। ৫ শতাংশের বেশি থেকে ১০ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ রয়েছে ১০টি ব্যাংকের। ৩ শতাংশের বেশি থেকে ৫ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ আছে ১৯টি ব্যাংকের। ২ শতাংশের বেশি থেকে ৩ শতাংশের কম খেলাপি রয়েছে ৮টি ব্যাংকের। ২ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ আছে ৯টি ব্যাংকের।

২ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংক। মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে ৯০ শতাংশই দুই বছরের বেশি সময় ধরে খেলাপি হয়ে আছে। অর্থাৎ মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে ৯০ হাজার কোটি টাকাই আদায় অযোগ্য ঋণে পরিণত হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মে কোনো খেলাপি ঋণ দুই বছরের বেশি সময় আদায় না হলে তাকে আদায় অযোগ্য ঋণ হিসাবে ধরা হয়।

মোট খেলাপির মধ্যে নতুন খেলাপি হয়েছে মাত্র সাড়ে ৬ শতাংশ ঋণ। অর্থাৎ ৬ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। খেলাপি হওয়ার পর ছয় মাস অতিক্রম হলে তাকে সন্দেহজনক ঋণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। খেলাপি হওয়ার পর সন্দেহজনক পর্যায়ে গেছে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ ঋণ। অর্থাৎ ৪ হাজার ৭২৬ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকিং খাতে ঋণ ও আমানত বাড়লেও মূলধন কমেছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ব্যাংকিং খাতে মূলধন ছিল ৯ হাজার ৩৫ কোটি টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তা কম হয়েছে ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা মূলধন কমেছে। খেলাপি ঋণ বাড়ার ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ বাড়ার কারণে ব্যাংকিং খাতে মূলধন কমেছে।

‘বিএনপির রাজনীতিতেই ঘোর দুর্দিন চলছে’

দেশের রাজনীতিতে নয়, বিএনপির রাজনীতিতেই এখন ঘোর দুর্দিন অতিক্রম করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি মঙ্গলবার সকালে তার বাসভবনে এক ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে কূটচাল ব্যর্থ হওয়ায় বিএনপির হতাশা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বিএনপি নেতাদের গণঅভ্যুত্থানের হুমকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, জনগণ এখন হতাশাগ্রস্ত বিএনপির আন্দোলনের ডাককে শব্দদূষণ মনে করে।

‘বিএনপি ‘৬৯-এর মতো গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন দেখে, কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে যে অভ্যুত্থান দেখিয়েছে, তা বিএনপি দেখেও দেখে না, বুঝেও বুঝে না। ’

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি এখনও অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতা দখল করে জনগণের ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো সওয়ার হওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখে।

সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার ফের করোনায় আক্রান্ত

সাবেক স্পিকার ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। রোববার তার করোনা পরীক্ষা করা হলে ফল পজিটিভ আসে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি মঙ্গলবার যুগান্তরকে টেলিফোনে বলেন, ব্যারিস্টার জমির করোনায় আক্রান্ত তিনি বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এর আগে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জমির উদ্দিন সরকারের সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

তিনি পোস্টে লেখেন, সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ সিনিয়র অ্যাডভোকেট, সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, সাবেক স্পিকার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার করোনা আক্রান্ত হয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কিছুক্ষণ আগে স্যারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। স্যারের মনোবল শক্ত আছে। তিনি তার সুস্থতার জন্য সবার দোয়া প্রার্থনা করেছেন। দোয়া করি, আল্লাহ যেন স্যারকে দ্রুত পরিপূর্ণ সুস্থ করে দেন।

এদিকে শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তারা নিজ নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন।

শান্তি মিশনে এর কোনো প্রভাব পড়বে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেছেন, শান্তিরক্ষা মিশনে র‌্যাবকে নিষিদ্ধ করতে ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জাতিসংঘে চিঠি দিলেও তার কোনো ‘প্রভাব পড়বে না’।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ যখন শান্তিরক্ষা মিশনে কোনো দেশ থেকে সদস্য নেয়, তখন তারা যাচাই-বাছাই করে নেয়। শান্তি মিশনে না নেওয়ার জন্য যে ১২টি আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘে চিঠি দিয়েছেন, এতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাদের দেশের প্রতি কোনো মমত্ববোধ নেই। তবে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ হবে না।

তিনি আরও বলেন, র‌্যাব সদস্যদের কোনো বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দরকার থাকলে, যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করব, তাদের ট্রেনিং দিন।

প্রসঙ্গত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে গত ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ‘গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‌্যাবের বর্তমান ও সাবেক সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এর ধারবাহিকতা্য় র‍্যাবকে শান্তিরক্ষা মিশনে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জাতিসংঘে চিঠি দেয় গত সপ্তাহে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হওয়ায় বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হওয়ায় বিরক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন দ্রুত করতে হবে। কেননা দেরি হলে ব্যয় যেমন বাড়ে, তেমনি জনগণও সঠিক সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়।

মঙ্গলবার একনেক বৈঠকে এমন বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি। একনেকসভা শেষে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মামুন-আল-রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নেত্রকোনা-বিশিউড়া-ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করতে গিয়ে বিরক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কেননা প্রকল্পটি ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা ছিল। কিন্তু এখন মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মূল ব্যয় ছিল ২৬১ কোটি টাকা। এখন সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮১ কোটি ২০ লাখ টাকা। সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

মেগা চিপসেট কারখানা বানাচ্ছে ইন্টেল

চিপ নির্মাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান ইন্টেল বিশ্বের বৃহত্তম সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও রাজ্যের নিউ আরবানিতে বৃহৎ চিপসেট কারখানা তৈরি করা হচ্ছে। কারখানাটি তৈরিতে প্রাথমিকভাবে ২০ বিলিয়ন ডলারের অধিক বিনিয়োগ করবে ইন্টেল।

চলতি বছরের শেষ দিকে কারখানাটি তৈরির কাজ শুরু হবে এবং ২০২৫ সালে সেটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় ৪০০ হেক্টর জায়গায় এই মেগাসাইটে প্রাথমিকভাবে দুটি চিপ কারখানা করা হবে। পরবর্তীতে সেটি আটটিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া এখানে থাকবে সাপোর্ট অপারেশন এবং অন্যান্য ইন্টেল পার্টনার ইকোসিস্টেম। নতুন সাইটটিতে প্রাথমিকভাবে তিন হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ১০ হাজার লোক সাইটটি তৈরিতে কাজ করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী সুযোগ তৈরি হবে। এ ছাড়া ইন্টেল অতিরিক্ত ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করবে স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে; যার মাধ্যমে তারা স্থানীয় দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারে।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন যারা

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে রোববার ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১’ ঘোষণা করা হয়। অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদান করবেন।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন-

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন- আসাদ মান্নান, বিমল গুহ (কবিতা), ঝর্না রহমান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী (কথাসাহিত্য), হোসেনউদ্দীন হোসেন (প্রবন্ধ/গবেষণা), আমিনুর রহমান, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী (অনুবাদ), সাধনা আহমেদ (নাটক), রফিকুর রশীদ (শিশুসাহিত্য), পান্না কায়সার (মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক গবেষণা), হারুন-অর-রশিদ (বঙ্গবন্ধু-বিষয়ক গবেষণা), শুভাগত চৌধুরী (বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান), সুফিয়া খাতুন, হায়দার আকবর খান রনো (আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনি) ও আমিনুর রহমান সুলতান (ফোকলোর)।

শীতের সবজি পালংশাক

শীতকালীন সবজির মধ্যে অন্যতম হল পালংশাক; যা কিনা উচ্চমানের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর একটি শীতকালীন সবজি।

প্রাপ্ত উপাদান: পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিড।

উপকার: পালংশাক আমাদের শরীরে আর্থ্রাইটিস, অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করা ছাড়াও এটা হৃদরোগ এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

পালংশাকের প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ যেমন- ক্যারোটিনয়েডস ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রস্টেট ক্যান্সার ও ওভারিয়ান ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

বিশেষ করে আমাদের ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাছাড়া পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকার কারণে হাড়কে মজবুত করে তুলে, আমাদের শরীরের কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম এবং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।