বুধবার ,১০ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 497

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে মেয়াদ বাড়ল

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

আগামি ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যোগ্য নিয়োগকর্তারা বিদেশী কর্মীদের (বিভিন্ন সেক্টর) জন্য রেফারেন্সসহ ভিসা (ভিডিআর) আবেদন জমা দিতে হবে।

২৬ জানুয়ারি দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের এক নোটিশে বলা হয়েছে, ইমিগ্রেশন বিভাগের বিদেশী কর্মী বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, যোগ্য নিয়োগকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত যারা ১ নভেম্বর, ২০১৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত ভিডিআর চিঠি ইস্যু করা হয়েছে বা যারা ১ নভেম্বর, ২০২০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত ভিডিআর পেমেন্ট করেছেন কিন্তু চিঠি ছাপা হয়নি।

শর্তগুলো হল নিয়োগকর্তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়ান-স্টপ অ্যাপ্রুভাল সেন্টার (ওএসসি) থেকে বিদেশী কর্মীদের চাকরির জন্য শর্তসাপেক্ষ অনুমোদনের পত্রের একটি এক্সটেনশন পেয়েছে।

নিয়োগকর্তাদের বৈধ বায়োমেডিকাল পরীক্ষার রিপোর্ট, কোভিড-১৯ কভারেজ সহ বীমা এবং বিদেশী কর্মীদের জন্য নতুন স্বাস্থ্য বীমা সুরক্ষা প্রকল্প (SPIKPA) জমা দিতে হবে, বৃক্ষরোপণ খাত ছাড়া।

নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকর্তার প্রতিনিধিকে অবশ্যই পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন সদর দফতরে বা প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার জন্য নিয়োগকর্তার ঠিকানা অনুযায়ী রাজ্য অভিবাসন অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে।

নোটিশে বলা হয়, ভিডিআর চিঠির মেয়াদ বাড়ানোর মেয়াদ ছিল চিঠি জারির তারিখ থেকে চার মাস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিয়োগকর্তাদের বিদেশী কর্মীদের জন্য MyTravelPass-এর জন্য আবেদন করার দরকার নেই যাদের একটি নতুন বা বর্ধিত VDR চিঠি দেওয়া হয়েছে।

পাঁচ ব্যাংকের সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

‘অনিবার্য কারণে’ ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত পাঁচ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ও ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্য সচিব মো. আজিজুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঁচটি ব্যাংকে ‘অফিসার (ক্যাশ)’ পদে দশম গ্রেডের ১ হাজার ৪৩৯টি শূন্য পদে লোক নিয়োগ দেওয়ার কথা। সেজন্য আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল।

এর আগে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া এই পাঁচটি ব্যাংকের ‘অফিসার (ক্যাশ)’ নিয়োগের এমসিকিউ পরীক্ষা বাতিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরে আবারো নতুনভাবে এমসিকিউ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়। সমন্বিত ওই নিয়োগ পরীক্ষা ‘অনিবার্য কারণে’ স্থগিত করা হয়েছে বলে সিলেকশন কমিটির বুধবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সেখানে বলা হয়, পরীক্ষার পরবর্তী তারিখ ও সময় ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয় পরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেবে।

এই পাঁচ ব্যাংক হল- সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

লাল মাংসে কি কোলন ক্যান্সার হয়?

দুনিয়াজুড়ে সবচেয়ে জটিল রোগগুলোর মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার অন্যতম। বিশ্বে ক্যান্সার রোগীদের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এই ক্যান্সারে আক্রান্ত।

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার বলতে বৃহদান্ত্রের ক্যান্সার বোঝায়। সিকাম, এসেন্ডিং কোলন, ট্রান্সভার্স কোলন, ডিসেন্ডিং কোলন, রেক্টাম ও এপেন্ডিংয়ের ক্যান্সার।

যারা আশসমৃদ্ধ খাবার কম খান, জাঙ্কফুড এবং গরু ও খাসির মাংস বেশি খান তাদের কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছেন বৃহদান্ত ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক।

আঁশসমৃদ্ধ খাবার বৃহদান্ত্রের সঞ্চালন বা পেরিস্টালসিসকে দ্রুততর করে। ফলে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানগুলো কোলনের সংস্পর্শে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। ফলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার আশংকাও কমে। তৈলাক্ত খাবার, টিনজাত খাবার ও ফাস্টফুডও ঝুঁকিপূর্ণ।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, লাল মাংস যারা খান কোলন ক্যান্সার হওয়ার হার শতকরা ১২ ভাগ বেশি। অন্যদিকে প্রক্রিয়াজাত লাল মাংসে মৃত্যু ঝুঁকি তার চেয়েও বেশি।

যারা নিয়মিত লাল মাংস আহার করেন তাদের মধ্যে ধূমপান, মদ্যপানসহ নানা বদভ্যাস গড়ে ওঠে। এতে বেড়ে যায় হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি।

যারা সপ্তাহে পাঁচ বেলা গরু, খাসি কিংবা ভেড়ার মাংস খান, এক গবষণায় দেখা গেছে, তাদের কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এসব পশুর মাংসকে বলা হয় রেডমিট। রেডমিটকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় অন্যতম ক্যান্সারপ্রবণ খাবার বা কারসিনোজেন।

মাংসভোজিরা যদি তাদের খাদ্য তালিকায় লাল মাংসের পরিবর্তে সপ্তাহে একবেলা মাছ অন্তর্ভুক্ত করেন তবে এ অকাল মৃত্যুর হার ৭ ভাগ কমতে পারে। প্রক্রিয়াজাত মাংসের ক্ষেত্রে হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ও সোডিয়াম এবং নাইট্রেটের কারণে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ধরন পরিবর্তন

অনশন ভাঙার পর এবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের ধরন পরিবর্তন করেছেন। তবে দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, আমরা আগামীকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অবরোধ তুলে নেব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ সব ফটক খুলে দেব। সব একাডেমিক ভবনের তালাও খুলে দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব খাবার দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদে আমরা একটি টং স্থাপন করেছি। আমাদের এ টং খোলা থাকবে। সেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের সাধ্যমতো খাবারের ব্যবস্থা থাকবে।

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে জানিয়ে রাজ বলেন, উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের আহমেদের বাসার সামনে যে মানব প্রাচীর আছে, তা তুলে নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের আন্দোলনের ধরন পরিবর্তন করছি। আমরা জাফর স্যার এবং ইয়াসমিন ম্যামের অনুরোধে অনশন থেকে সরে এসেছি। যতদিন আমাদের দাবি আদায় না হচ্ছে, ততদিন আমরা ক্যাম্পাসে অবস্থান করে সব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, রোড পেইন্টিং এবং সভা, সমাবেশের মাধ্যমে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ঢাবির গেস্টরুমে শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের নির্যাতন

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্টরুমে এক ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. আকতারুলকে হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।

বুধবার রাতে ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের মেঘনা ৩০০২(ক) নম্বর রুমের (গণরুম) মো. আকতারুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী এ নির্যাতনের শিকার হন।

অভিযোগে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. আকতারুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাবা হার্টঅ্যাটাক করায় মানসিকভাবে তিনি বিপর্যস্ত ছিলেন। এ ছাড়া সকাল থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন বলে জানা যায়। এমন পরিস্থিতিতেও তাকে গেস্টরুমে বৈদ্যুতিক বাল্বের দিকে ১ ঘণ্টা তাকিয়ে থাকতে বলা হয়। ২০ মিনিট তাকানোর পর আকতার অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং এ ঘটনায় তাকে হাসপাতালে ইসিজি করানো হয়।

জানা যায়, আকতারের বাবা কয়েক দিন আগে হার্টঅ্যাটাক করে বর্তমানে হাসপাতালে আছেন এবং তার বড় ভাই একজন দিনমজুর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে ১০টায় তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় গায়ে শীতের পোশাকও ছিল না। এমনকি তার ভাইয়ের গায়েও শীতের পোশাক ছিল না। এমনই অর্থনৈতিক অসচ্ছলতায় রয়েছেন আকতার।

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৯-২০ সেশনের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কামরুজ্জামান রাজু, মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয় আহমেদ কাজল, সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়ামিন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম রোহান।

তারা সবাই হল শাখা ছাত্রলীগে পদপ্রত্যাশী আবু ইউনুস ও রবিউল ইসলাম রানার অনুসারী। তারা দুজনেই ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী।

এ বিষয়ে আখতার হল প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল বাছির যুগান্তরকে বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই আলোকে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে।

জয় পেলে শিল্পীদের জন্য যা যা করবেন ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। এর আগেই সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রার্থীরা।

নির্বাচনের দুদিন আগে গত ২৬ জানুয়ারি ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদের পরিচিতি পর্ব আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ইশতেহার তুলে ধরেন সভাপতি পদপ্রার্থী ইলিয়াস কাঞ্চন।

কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদের ২২ দফা ইশতেহার পাঠকের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

১. জাতির পিতার প্রতিষ্ঠিত এফডিসিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের উদ্যোগ নেওয়া।
২. চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট ২০২১- এর নীতিমালা অনুযায়ী শিল্পীদের কল্যাণে সর্বোচ্চ ব্যবহার।
৩. প্রধানমন্ত্রীর কাছে চলচ্চিত্রের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সহজ শর্তে বড় অংকের ফান্ডের ব্যবস্থা করা।
৪. অন্যায়ভাবে যেসব সদস্যের সদস্যপদ বাতিল, স্থগিত ও ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে তাদের অধিকার ফেরত দেয়া ও সদস্যপদ পুনর্বহাল।
৫. শিল্পী সমিতির মর্যাদা রক্ষা ও সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণে সচেষ্ট থাকা এবং কেউ একবার সদস্য হলে তাদের সদস্যপদ আজীবন সংরক্ষিত থাকবে। তবে সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও রাষ্ট্রবিরোধী গুরুতর কর্মকাণ্ডে কারও সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ এলে এবং তদন্তসাপেক্ষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সদস্যপদ স্থগিত হতে পারে, যা সাধারণসভায় উত্থাপন করে চূড়ান্ত অনুমোদন নেওয়া হবে। যে কোনো দুর্যোগ, সমস্যা ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে শিল্পী সমাজের পাশে দাঁড়ানো ও সহায়তা করা।
৬.সহায়তা গ্রহণকারীদের সম্মান ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় কোনো সহায়তা কর্মকাণ্ডের ছবি/ভিডিও জনসম্মুখে প্রকাশ না করা।
৭. আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে সব ধরনের ধর্মীয় উৎসবে (যেমন- দুই ঈদ, দুর্গাপূজা, বড়দিন ও বৌদ্ধ পূর্ণিমা) স্বল্প আয়ের সদস্যদের উৎসব ভাতা ও উপহার প্রদানের ব্যবস্থা করা।
৮. পার্শ্ববর্তী দেশ ও বিভিন্ন দেশের শিল্পী সংগঠনের সাথে পারস্পরিক মতবিনিময়।
৯. মত বিনিময় এবং শিল্পী বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষর।
১০. শিল্পীদের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা।
১১. শিল্পী সমিতির ওয়েবসাইট সমৃদ্ধ করতে প্রযুক্তিগত আরও উন্নয়ন, সব শিল্পীর প্রফাইল তৈরি করা। বিশেষ করে নৃত্য ও অ্যাকশন দৃশ্যে শিল্পীদের প্রফাইল তৈরি করে আন্তর্জাতিক কাস্টিং ডিরেক্টরদের প্রদান করা। নৃত্য ও অ্যাকশন দৃশ্যে ভাষার ব্যবহার না থাকায় বিশ্বের যে কোনো দেশের চলচ্চিত্রে নৃত্য ও অ্যাকশন দৃশ্যে আমাদের শিল্পীরা যেন কাজ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা, যা পার্শ্ববর্তী দেশ বিগত দিনে করেছে।
১২. শিল্পী সমিতির সভাপতিকে পদাধিকার বলে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্যসহ তথ্য মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন কমিটিতে সমিতির নেতাদের প্রতিনিধিত্বের জন্য অন্তর্ভুক্তীকরণের ব্যবস্থা করা।
১৩. ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্যে অভিনয় করা শিল্পীদের জন্য বিশেষ বিমা ও সবার জন্য গ্রুপ বিমার ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ।
১৪. শিল্পীদের চিকিৎসা কার্যক্রমের সুবিধার্থে কয়েকটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবের সাথে বিশেষ ছাড়ের জন্য চুক্তির উদ্যোগ ও বাস্তবায়ন।
১৫. শিল্পীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও তাদের বাবা-মাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
১৬. চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ ও অচলাবস্থা কাটিয়ে তুলতে চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ও অভিজ্ঞদের নিয়ে উপদেষ্টা কমিটি গঠন ও নতুন প্রযোজকদের চলচ্চিত্রের পান্ডুলিপি থেকে শুরু করে ছবি মুক্তি পর্যন্ত যাবতীয় সহায়তা প্রদান।
১৭. চলচ্চিত্র সংক্রান্ত সব সংগঠনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং পারস্পরিক স্বার্থে মতবিনিময়।
১৮. শিল্পী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া। যেখানে সব ধরনের শিল্পী তৈরির পাঠ্যসূচি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।
১৯. নৃত্যশিল্পীদের জন্য ড্যান্স স্টুডিও ও ফাইট অ্যান্ড স্টান্ট স্টুডিও এবং অত্যাধুনিক ইকুইপমেন্টসমৃদ্ধ জিমনেসিয়াম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া।
২০. সব শিল্পী উপযোগী মেকআপ সেলুন ও পার্লার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া।
২১. শিল্পীদের পেশার মান বৃদ্ধিতে দেশের ও দেশের বাইরের কিংবদন্তি শিল্পীদের নিয়ে বিশেষ সেমিনার ও ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা করা।
২২. প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফর ও বিদেশে সাংস্কৃতিক সফরে শিল্পীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের ইশতেহার পাঠের সময় উপস্থিত ছিলেন তার প্যানেলের সহ-সভাপতি রিয়াজ, ডি এ তায়েব, কোষাধ্যক্ষ আজাদ, কার্যকরী পদে ফেরদৌস, কেয়া ও সীমান্ত।

সব ভুলে ১৮ বছর পর জুটি বাঁধছেন হৃতিক-কারিনা!

বলিউডে একসময় জনপ্রিয় জুটিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি জুটি ছিল হৃতিক রোশন ও কারিনা কাপুর খানের জুটি। ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ সিনেমায় তাদের জুটিকে সব থেকে বেশি জনপ্রিয়তা পাই।

সর্বশেষ এই জুটি একসঙ্গে কাজ করেছেন ২০০৩ সালে। ‘ম্যায় প্রেম কি দিওয়ানি হু’ ছবিতে। এর পর আর একসঙ্গে দেখা যায়নি তাদের। তবে বলিউডে জোর খবর আবারও একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন হৃতিক ও কারিনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইট্টিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বলিউডের নামি প্রডাকশন হাউস ‘জংলি পিকচার্স’-এর পক্ষ থেকে নতুন ছবির জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে হৃতিক ও কারিনাকে। ছবির নামও ঠিক হয়ে গেছে। ছবির নাম ‘উলাজ’। এই ছবির স্ক্রিপ্ট শুনতে রাজি হয়েছেন তারা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন মনোমালিন্য ছিল এই জুটির। এবার সব কিছু কাটিয়ে একসঙ্গে কাজ করবেন তারা। ছবির শুটিং বেশিরভাগ হবে মুম্বাইয়ের বাইরে। তাই কথা চলছে দুজনের ডেট নিয়েও। এখন দেখার বিষয়, কবে সিনেমার কাজ শুরু করবেন তারা।

২০০০ সালে মুক্তি পায় আমিশা প্যাটেল ও হৃতিক রোশন অভিনীত ‘কহোনা পেয়ার হ্যায়’। এ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন হৃতিক। প্রথমে এই সিনেমা করার কথা ছিল কারিনার। কিন্তু মা ববিতা বাধ সাধেন। কারণ ছবিটি ছিল নায়ককেন্দ্রিক। আর সে জন্য মেয়েকে এই ছবি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে দেননি ববিতা।

কারিনা ডেবিউ করেন ‘রিফিউজি’ সিনেমা দিয়ে। তার বিপরীতে ছিলেন অভিষেক বচ্চন। সেই সময় অভিষেক ও কারিশমার প্রেম নিয়ে বলিউড জোর আলোচনা চলছিল। বিয়ের কথাও পাকা হয়ে গিয়েছিল কারিশমা-অভিষেকের। কিন্তু দুই পরিবারের মনোমালিন্যে বিয়ে ভেঙে যায়। তবে সেসব ব্যক্তিগত বিষয় প্রফেশনাল জীবনেও অনেক প্রভাব ফেলে।

তবে এর সঙ্গে হৃতিকের সম্পর্ক নেই। কারিনা ও হৃতিকের কী কারণে মনোমালিন্য তা জানা যায়নি। এবার সব ভুলে একসঙ্গে পর্দায় আসবেন তারা। স্বাভাবিকভাবেই এ জুটিকে দর্শক খুব পছন্দ করেন।

ব্যাটিংয়ে মাহমুদউল্লাহ বোলিংয়ে নাজমুল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের প্রথম পর্ব শেষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স দুই ম্যাচ থেকে পুরো চার পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির এই টি ২০ টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে ঢাকায় তিন ম্যাচের একটি জয় ও দুটি হারে দুই পয়েন্ট পাওয়া ফরচুন বরিশাল রয়েছে তলানিতে।

তাদের উপরে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দামি দল মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা। চার ম্যাচে তাদের সংগ্রহ মাত্র দুই পয়েন্ট। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স (তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট), সিলেট সানরাইজার্স (দুই ম্যাচে দুই পয়েন্ট) এবং খুলনা টাইগার্স (দুই ম্যাচে দুই পয়েন্ট)।

টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত হাফ সেঞ্চুরি হয়েছে মাত্র তিনটি। এর মধ্যে ঢাকার তামিম ইকবাল দুটি (৫০ ও ৫২ যথাক্রমে খুলনা টাইগার্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে) এবং খুলনার রনি তালুকদার (৬১, ঢাকার বিপক্ষে) একটি ফিফটি হাঁকিয়েছেন।

চার ম্যাচে ১২৪ রান নিয়ে এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত সংগ্রহের তালিকায় সবার উপরে ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে চট্টগ্রামের ইংলিশ অলরাউন্ডার বেনি হাওয়েল (তিন ম্যাচে ১১২ রান) এবং ঢাকার ওপেনার তামিম ইকবাল (চার ম্যাচে ১০৫ রান)।

বোলিংয়ে সবার উপরে সিলেটের বাঁ-হাতি স্পিনার নাজুমল ইসলাম। দুই ম্যাচে তার শিকার সাত উইকেট। সমান ছয়টি করে উইকেট নিয়ে দুইয়ে যথাক্রমে চট্টগ্রাম অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও তার সতীর্থ বাঁ-হাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। দুজনই সমান তিনটি ম্যাচ খেলেছেন। সমান পাঁচ উইকেট নিয়ে তিনে আছেন চারজন-কুমিল্লার নাহিদুল ইসলাম, বরিশালের আলজারি যোসেফ, খুলনার কামরুল ইসলাম রাব্বি ও বরিশালের ডুয়ানে ব্রাভো।

বিপিএলে প্রথমবার খেলতে আসা প্রোটিয়া ব্যাটার ফাফ ডু প্লেসি তার নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। কুমিল্লার হয়ে এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচে তার সংগ্রহ মাত্র আট রান (২ ও ৬)। টি ২০ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন ক্রিস গেইলও বড় ইনিংস উপহার দিতে পারেননি। বরিশালের হয়ে দুই ম্যাচে তিনি করেছেন ৪৩ রান (৩৬ ও ৭)।

মারা গেছেন এক ইনিংসে ৪২৮ রান করা সেই ক্রিকেটার

টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে ৪০০’রও বেশি রান করে ইতিহাস গড়েছেন মাত্র দুজন তারকা। দুজনই পাকিস্তানি- হানিফ মোহাম্মদ এবং আফতাব বালুচ।

যদিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্রায়ান লারার মতো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নয়। তাদের রেকর্ডটি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে।

সেই দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের একজন আফতাব বালুচ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন পরকালীন জগতে। ইন্নালিল্লাহে ওয়াইন্না ইলাইহে রাজেউন। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) বরাতে আফতাব বালুচের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো।

এক শোকবার্তায় পিসিবির চেয়ারম্যান রমিজ রাজা বলেছেন, ‘আফতাব বালুচের মৃত্যুর খবর শুনে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আমি যখন ক্রিকেটে বেড়ে উঠছিলাম, তখন আফতাব বালুচ ছিলেন অনেক বেশি জনপ্রিয় ক্রিকেটার। শুধু একাই আমি তাকে দেখে বড় হইনি, তার শেষ বেলায় তার বিপক্ষে খেলেছিলামও।’

১৯৭৩-৭৪ সালে কায়েদ-ই আজম ট্রফিতে এক ইনিংসে একাই ৪২৮ রানের বিশাল এক ইনিংস খেলেছিলেন আফতাব।করাচিতে সিন্ধ প্রদেশের হয়ে ইনিংসটি খেলেছিলেন বেলুচিস্তানের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে অধিনায়কত্বও করেন তিনি। তরুণ জাভেদ মিয়াঁদাদের সঙ্গে ১৭৪ রানের জুট গড়েছিলেন আফতাব। জাভেদ মিয়াঁদাদের ৮ম প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ছিল সেটি।

আফতাবের ৪২৮ রানে ভর করে সিন্ধ প্রদেশ ওই ম্যাচে ৭ উইকেট হারিয়ে ৯৫১ রান করে বেলুচিস্তানের বিপক্ষে।

ক্যারিয়ারে এটাই আফতাবের সেরা ইনিংস। জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলতে পেরেছেন মাত্র দুটি।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে আফতাদের প্রথম শ্রেণির অভিষেক হয়। প্রথম ম্যাচেই তিনি জানিয়ে দেন, নিজের আগমণী বার্তা। অপরাজিত ৭৭ রান করার পাশাপাশি নেন ১২ উইকেট। ১৯৬৯ সালে যে পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে হায়দরাবাদ ব্লুজের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়ে যায় পিডব্লিউডি।

সে সময় পাকিস্তানের জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়াটা ছিল দুর্বোধ্য ব্যাপার। সে সময় সাকিব মাহমুদ, মাজিদ খান, জহির আব্বাস, আসিফ ইকবাল, মুস্তাক মোহাম্মদ এবং তাদের পরপরই জাভেদ মিয়াঁদাদদের মতো তারকারা খেলত দলটিতে।

১৯৬৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকের পর তিনি দ্বিতীয় টেস্ট খেলার সুযোগ পান ১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লাহোরের গাদ্দাফী স্টেডিয়ামে। ওই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬০ রান করে পাকিস্তানকে ড্র করতে সহায়তা করেন।

বাড়িতে ডেকে নিয়ে ৫ বছরের শিশুর সঙ্গে বীভৎসতা

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় বাড়িতে ডেকে নিয়ে পাঁচ বছরের এক শিশুর সঙ্গে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মজিবুর রহমান মজির (৬৫) নামে এক ভ্যানচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার জামনগর ইউনিয়নের কুঠি বাঁশবাড়িয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে রাতে থানায় মামলা করেন।

ওই শিশুর মায়ের অভিযোগ, তার ছেলে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়ে। ওই শিশুকে প্রতিবেশী ভ্যানচালক মজিবুর রহমান মজির বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়ির একটি ফাঁকা ঘরে নিয়ে তার শিশুসন্তানকে যৌন নির্যাতন করা হয়।

বাড়ি ফিরে শিশুটি সবাইকে ঘটনাটি জানালে তিনি তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি সদস্য সুজন আলীকে বিষয়টি অবগত করেন। এর পর ইউপি সদস্য অভিযুক্ত মজিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে ঘটনার দায় স্বীকার করেন।

এর পর পুলিশকে খবর দিলে মজিরকে পুলিশ আটক করে থানায় নেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে রাতে থানায় একটি মামলা করেন।

বাগাতিপাড়া মডেল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, শিশুর মুখ গহ্বরে যৌনাচার করার অভিযোগে মজিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।