বুধবার ,১০ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 496

মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীর ধাওয়া খেয়ে বাংলাদেশে এসে আটক ৪

কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক অভিযানে মিয়ানমারের দুই নাগরিকসহ চারজন সংঘবদ্ধ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা মূল্যের ২ লাখ ৫৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন— হ্নীলা ইউপির ফুলের ডেইল এলাকার মো. রবিউল ইসলামের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪২), সাবরাং ইউপির শাহপরীর দ্বীপের মো. কালু মিয়ার ছেলে মো. হাফেজ আহমেদ (৪০), মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মন্দ্রাছে এলাকার মৃত উ চিংয়ের ছেলে ছেওয়াচি (৩৮) ও রয়েমপ্রি থানার দব্রিছাই গ্রামের মৃত উপান জ্য এর ছেলে নেম ইউ চ্য (৩৬)।

বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত বুধবার নাফ নদে একটি ট্রলারকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ৩টি স্পিডবোট নিয়ে ধাওয়া দিলে চারজন ব্যক্তি বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেন। তারা তাদের ট্রলার সাবরাং বিওপির বিআরএম ৫ থেকে প্রায় ৪০০ গজ দক্ষিণ-পূর্ব দিকে জিন্নাহখাল নামক স্থানে বালুচরের ওপরে উঠিয়ে দেয়।

পরে ওই ট্রলারে থাকা চারজন ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার সময় বিজিবি টহল দল তাদের আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তিদের কথাবার্তায় সন্দেহজনক হলে ট্রলারটিকে বৃহস্পতিবার টেকনাফ জেটিঘাটে নিয়ে আসা হয়। সন্ধ্যা ৬টায় ট্রলারটি তল্লাশি করে ইঞ্জিনের নিচ হতে অভিনব পদ্ধতিতে লুকানো একটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। ওই বস্তার ভিতর ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার ৭৮ হাজার পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা পাওয়া যায়।

আটক ব্যক্তিকে নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

তিনি আরও জানান, একই দিনে হোয়াইক্যং ইউপির খারাংখালী বিওপির উত্তর দিকে নাফ নদের সীমান্ত দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান নিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে বেড়িবাঁধে কৌশলে অবস্থান করে বিজিবি টহল দল।

রাতে ৫/৬ জন মাদককারবারি একটি কাঠের নৌকায় করে মিয়ানমার থেকে শূন্যরেখা পার হয়ে এ পাশের নাফ নদের তীরে ভিড়ে। ওঁৎ পেতে থাকা ২-৩ জন লোক বেড়িবাঁধ দিয়ে নিচে গিয়ে ওই নৌকাটির কাছে যায়। নৌকা থেকে মাদকের চালান নেওয়ার সময় বিজিবির টহল দল তাদের ধাওয়া করলে মাদককারবারিরা গুলি ছুড়ে।

আত্মরক্ষার্থে বিজিবির টহল দলও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা মাদককারবারিরা নৌকা থেকে লাফিয়ে নাফ নদে সাঁতার দিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়। টহল দল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে নদীর তীরে দুটি বস্তা উদ্ধার করে। ওই বস্তায় ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে।

এবারের আইপিএলের সব ম্যাচ হবে এক শহরে!

ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) আয়োজনে এগিয়ে যাচ্ছে বিসিসিআই (ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড)।

কঠিন বায়ো বাবল সুরক্ষায় আগামী ২৭ মার্চ থেকে ভারতের মাটিতেই আইপিএল গড়ানোর কথা। যদিও তা না হলে দ্বিতীয় ভেন্যু হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বেছে নিতে চাইছে ভারতীয় বোর্ড।

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসলেও বৃহস্পতিবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, করোনার জেরবারে এবার কম সংখ্যক ভেন্যুতে গোটা আইপিএল আয়োজন সারবেন তারা। পুরো টুর্নামেন্টই হবে মুম্বাই শহরে। অর্থাৎ ১০ দলের এই টুর্নামেন্ট হবে ওয়াংখেড়ে, ব্র্যাবোর্ন এবং ডিওয়াই পাতিল এই তিনি স্টেডিয়ামে।

এই তিনটি স্টেডিয়াম বেছে নেওয়া অন্যতম কারণ সেখানে করোনার সংক্রমণ অনেকটাই কমে গেছে। তাছাড়া এই শহরে তিন স্টেডিয়াম পাওয়ায় খেলোয়াড়দের হোটেল পরিবর্তন লাগছে না, যাতায়াতের জন্য বিমান ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। এতে খেলোয়াড়দের করোনা আক্রান্তের ঝুঁকি কমবে।

প্রয়োজন পড়লে আহমেদাবাদে প্লে-অফের ম্যাচগুলো আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বিসিসিআইয়ের।

সৌরভ গাঙ্গুলীর বোর্ডর ধারণা, গত আইপিএল ভারতের ভিন্ন ভিন্ন শহরে হওয়ায় বায়ো বাবল সুরক্ষা সেভাবে দেওয়া যায়নি। খেলোয়াড় ও স্টাফদের অনেকে করোনা আক্রান্ত হন। বিভিন্ন শহরে যাতায়াতের কারণেই করোনার আক্রমণে পড়তে হয়েছিল তাদের। এবার তাই এক শহরেই খেলা চালানোর পরিকল্পনা করেছেন আয়োজকরা।

যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, আগামী ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিসিসিআই।

প্রসঙ্গত, গতবার করোনা পরিস্থিতির মধ্যে চেন্নাই, মুম্বাই, আমদাবাদ ও দিল্লিতে শুরু হয়েছিল আইপিএল। কিন্তু কিছু দিন আয়োজনের পর বিভিন্ন দলে করোনার হানা পড়ে। টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়। পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইপিএলের বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, ইউনাইডেট নিউজ অব ইন্ডিয়া

মৌনিকে যে বার্তা দিলেন আনুশকা

বলিউড অভিনেত্রী মৌনি রায় প্রশংসায় ভাসছেন। বলিউড-টালিউডে তার সহকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছায় সিক্ত করছেন।

উপলক্ষ্য বিয়ে। বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ী সুরজের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন মৌনি।

বলিউড লাইফের খবরে বলা হয়েছে— গোয়ার পাঁচতারকা হোটেলে বসেছিল তাদের বিয়ের আসর। এতে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের কিছু বিশেষ রঙিন মুহূর্তের ছবি পোস্ট করেছেন মৌনি। এতে দেখা গেল বিয়েতে চাঁদেরহাট বসেছিল। অনেক সেলিব্রিটি এতে উপস্থিত ছিলেন।

মৌনিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট দিয়েছেন বলিউড নায়িকা আনুশকা শর্মা। ‘মৌরি ও সুরজ নামরিয়া তোমাদের অভিনন্দন। তোমাদের বন্ধুত্ব ও দাম্পত্য জীবন মধুর হোক। ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থেকো।’

মৌনি-সুরজকে আরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কঙ্গনা রানাউত, রাজকুমার রাও, দিশা পারমার, শ্রদ্ধা আরিয়া, অরিজিত, অমিত, সোনাল চৌহান, অঙ্গদ বেদি, করণ জোহর।
ইনস্টাগ্রামে বলিউড সেনসেশন আলিয়া একটি মিষ্টি বার্তা দিয়েছেন মৌনি ও সুরজকে। ‘অভিনন্দন মৌনি। তোমাকে অনেক সুন্দর ও আনন্দিত দেখাচ্ছে!!! বিশ্বের সব ভালোবাসা তুমি ও তোমার জীবনসঙ্গীর জন্য!’

বৃহস্পতিবার বিয়ের ছবি পোস্ট করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মৌনি। লিখেছেন, ‘সবশেষে আমি তাকে পেয়েছি। দু’হাত এক হয়েছে। আমার বন্ধু ও পরিবারের আশীর্বাদে। আমরা এখন বিবাহিত।

বিয়ের অনুষ্ঠানে মৌনি সুরজ নেচেছেন। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। মেহেন্দি হায় রেচনে ওয়ালি, হাতুন মেইন ঘেরি লালি’ গানের তালে তালে মৌনি সুরজের নাচ সবাইকে মুগ্ধ করেছে।

এফডিসিতে ঢুকে মনে হচ্ছে যুদ্ধ হবে: ইলিয়াস কাঞ্চন

কড়া নিরাপত্তায় চলছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন।

শুক্রবার সকাল ৯টায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) এ নির্বাচন শুরু হয়।

ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচন উপলক্ষে বিএফডিসির ভেতরে-বাইরে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। মোট ৩০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এফডিসির মূল ফটকের দুইপাশেই সারিবদ্ধভাবে পুলিশ সদস্যরা দাঁড়িয়ে ।

এমন কঠোর নিরাপত্তা বলয় দেখে সভাপতিপ্রার্থী ইলিয়াস কাঞ্চন জানালেন, এত নিরাপত্তার দরকার ছিল না। এমন পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে এফডিসিতে যুদ্ধ চলছে।

সকালেই ৯টা ১৬ মিনিটে সবার আগে প্রথম ভোটটি দেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

এ সময় সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরলে জনপ্রিয় এ অভিনেতা বলেন, ‘এফডিসিতে যখন ঢুকলাম, মনে হচ্ছে যুদ্ধ হবে! এত নিরাপত্তা তো এখানে আসলে দরকার নাই। এখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয় না, নিরাপত্তা একটু কম হলে ভালো হতো।’

ইলিয়াস কাঞ্চনের ভোট দেওয়া পরই তার প্যানেলের বাকি সদস্যরা ভোট দেওয়া শুরু করেন।

সাংবাদিকদের ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আশা করছি ভোটাররা সঠিক প্রার্থীকেই ভোট দেবেন। ভবিষ্যত তো বলা যায় না। তবে এখনো পর্যন্ত ভালোই দেখছি সার্বিক অবস্থা। আর ভোটাররা আসলে আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে।’

প্রসঙ্গত, শিল্পী সমিতির এই নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ৪২৮ জন। দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবার। যার একটির নেতৃত্ব আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ। অন্য প্যানেলের নেতৃত্বে মিশা সওদাগর-জায়েদ খান।

কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলে সহ-সভাপতি পদে রিয়াজ ও ডি এ তায়েব, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সাইমন সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শাহানুর, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নিরব, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে আরমান, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ইমন, কোষাধ্যক্ষ পদে আজাদ খান নির্বাচন করছেন।

এই প্যানেল থেকে কার্যকরী পরিষদের সদস্য হিসেবে অংশ নিচ্ছেন অমিত হাসান, শাকিল খান, নানা শাহ, আফজাল শরীফ, সাংকো পাঞ্জা, জেসমিন, কেয়া, পরীমনি, গাঙ্গুয়া, সীমান্ত।

নির্বাচনের প্রধান কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন পীরজাদা শহীদুল হারুণ। তার সঙ্গে সদস্য হিসেবে আছেন বিএইচ নিশান ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সোহানুর রহমান সোহানকে। এই বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেন।

করোনামুক্ত হলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের করোনামুক্ত হয়েছেন।

শুক্রবার সকালে জিএম কাদেরের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদের আরটিপিসিআরে নমুনা দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি। শুক্রবার তার ফল নেগেটিভ আসে।

চলতি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ১৫ জানুয়ারি সংসদের আরটিপিসিআরে করোনা পরীক্ষার নমুনা দেন জিএম কাদের। পরে পরীক্ষায় তার ফল পজিটিভ আসে।

একদিন খোকা

আকাশে কালো মেঘের খেলা
সাগরে উত্তাল জোয়ার নেশা,
তাই দেখে ভাসালে কেন ভেলা
আর কতদিন রইবে তুই বোকা?
——–খোকা
তোর কথা ভাবনায় আসে যখন
চোখের পলক দূরে হারায় তখন,
অজানা চিন্তার ভাঁজ নানা দলন
মনের ভিতর দানা বাঁধে এখন।
———খোকা
ছোট্টবেলা হারা বাবা ছিলাম যখন
মুখের ভাসন্ত চাপ লাগতো আপন,
চিলেকোঠের উল্টো নীলে পেখম
মনের ভিতর এতো আগুন জখম।
———খোকা
কিসের নেশায় কিসের আশায়
স্বপ্নগুলো পুড়িয়ে দিয়ে কাঁদায়,
দুদিনে বদলি গিয়ে নি:স্ব বেলায়
ভ্রষ্ট মৃত্তিকায় নিজ অস্তিত্ব ডুবায়।
———খোকা
আয় ফিরে মোর অবুঝ খোকা
বুকের ভিতর আগলে স্বর্গ রাখা,
জানতে যদি চাইতে ব্যথা মাখা
চোখের জলে পুড়ানো শত বাধা।
———খোকা
খোকারে তোর মনন জোড়া কেমন
ক্ষমার চোখে মোদের এক-ই মিলন,
মরে গেলে কবর দিবে আমায় যখন
স্মৃতি আঁকড়ে সেথায় খুঁজবি তখন!
———-খোকা
দুনিয়া মোহমায়া বুঝবে তুমি সেদিন
নি:স্ব হয়ে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হবে যেদিন,
কবরেতে বাবার দেহ আছে শতদিন
আমিও বাবার মতো হারাবো একদিন।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন যারা

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে রোববার ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১’ ঘোষণা করা হয়। অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদান করবেন।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন-

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন- আসাদ মান্নান, বিমল গুহ (কবিতা), ঝর্না রহমান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী (কথাসাহিত্য), হোসেনউদ্দীন হোসেন (প্রবন্ধ/গবেষণা), আমিনুর রহমান, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী (অনুবাদ), সাধনা আহমেদ (নাটক), রফিকুর রশীদ (শিশুসাহিত্য), পান্না কায়সার (মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক গবেষণা), হারুন-অর-রশিদ (বঙ্গবন্ধু-বিষয়ক গবেষণা), শুভাগত চৌধুরী (বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান), সুফিয়া খাতুন, হায়দার আকবর খান রনো (আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনি) ও আমিনুর রহমান সুলতান (ফোকলোর)।

নবীজি (সা.) যেভাবে পানি পান করতে বলেছেন

মহান রাব্বুল আলামিনের নিয়ামতসমূহের মধ্যে পানি অন্যতম। পানি ছাড়া মানুষের জীবনধারণ অসম্ভব। কেননা পৃথিবীর সব প্রাণের উৎস পানি এবং আমরা সবাই পানির ওপর নির্ভরশীল।

আল্লাহতায়ালা পানিকে শুধুমাত্র মানুষের পান করার চাহিদা মেটানোর জন্যই তৈরি করেননি। পানিকে করেছেন সৃষ্টির বিভিন্ন কাজের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। এছাড়া খাওয়া-দাওয়া, চলাফেরা, চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য সব কিছুই মানুষের জন্য ইবাদত হবে যখন এসব কাজ ইসলামি পদ্ধতিতে করা হবে।

যেমন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খাবার ও পানীয় গ্রহণ করা অত্যন্ত আবশ্যক। আবার জীবনধারণে পানি পান করাও আবশ্যক। পানির অপর নাম জীবন। জীবন বাঁচাতে পানি পানের বিকল্প নেই। সব সৃষ্টিরই বেঁচে থাকার তাগিদে পানি পান করতে হয়।

আর মানুষের পানি পানে রয়েছে কিছু ইসলামি নিয়ম ও পদ্ধতি। কাজটি ছোট হলেও প্রতিদিন অনেকবার মানুষকে পানি পান করতে হয়। পানি পানের সময় স্বয়ং বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুনির্দিষ্ট কিছু আমল করতেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাস্তব জীবনের এ আমলগুলো উঠে এসেছে হাদিসের বর্ণনায়।

পানি পান করার সুন্নতসমূহ:

১.ডান হাতে পান করা। কেননা শয়তান বাম হাত দিয়ে পানি পান করে। (সহিহ মুসলিম ২/১৭২)

২.বসে পান করা, দাঁড়িয়ে পান করা নিষেধ। (সহিহ মুসলিম ২/১৭৩)

৩. শুরুতে (বিছমিল্লাহ) পড়া এবং শেষে (আলহামদু লিল্লাহ) পড়া। (সুনানে তিরমিযী ২/১০)

৪. তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করা, নিঃশ্বাস ফেলার সময় গ্লাস থেকে মুখ আলাদা করা। (সহিহ মুসলিম ২/১৭৪)

৫. গ্লাসের ভাঙা অংশের দিক দিয়ে পান না করা। (সুনানে আবু দাউদ ২/১৬৭)

৬. জগ ইত্যাদি বড় পাত্রে মুখ লাগিয়ে পান করবেন না। কেননা এতে বেশি পানি চলে আসার বা সাপ-বিচ্ছু থাকার সম্ভাবনা থাকে। (বুখারী ২/৮৪১, মুসলিম ২/১৭৩)

৭. পানি পান করার পর অন্যজনকে দিতে হলে প্রথমে ডান পাশের জনকে দিবেন। সেও তার ডান পাশের জনকে দিবেন, এভাবেই চলবে। চা ও অন্যান্য পানীয়ের ক্ষেত্রে এটাই নিয়ম। (বুখারী ২/৮৪০ ও মুসলিম ২/১৭৪)

৮. ওজু করার পর যে পাত্রে হাত দিয়ে পানি নেয়া হয়, সে পাত্রের অবশিষ্ট পানি কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে পান করা। এতে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি হতে আরোগ্য লাভ হয়। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৫৬১৬)

৯. পানীয় দ্রব্য পান করে কাউকে দিতে হলে ডান দিকের ব্যক্তিকে আগে দেয়া এবং এই ধারাবাহিকতা অনুযায়ীই শেষ করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ৫৬১৯)

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন, ‘আর আমি প্রাণবান সবকিছু সৃষ্টি করলাম পানি হতে, তবুও কি তারা ঈমান আনবে না? (আম্বিয়া ৩০)।

আল্লাহ তায়ালা আরো ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করেছ? তোমরাই কি তা মেঘ হতে নামিয়ে আন, না আমি তা বর্ষণ করি? আমি ইচ্ছা করলে তা লবণাক্ত করে দিতে পারি। তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না? (ওয়াক্বিয়াহ ৬৮-৭০)।

আল্লাহ তায়ালা মাখলুক সৃষ্টিতে পানি ব্যবহার করেছেন। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন, আল্লাহ সমস্ত জীব সৃষ্টি করেছেন পানি হতে, ওদের কতেক পেটে ভর দিয়ে চলে (সাপ), কতেক দুই পায়ে চলে (মানুষ) এবং কতেক চলে চার পায়ে (জন্তু-জানোয়ার) আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।’ (সুরা: নুর : আয়াত : ৪৫)।

আল্লাহ অন্যত্র বলেন, অবিশ্বাসীরা কি ভেবে দেখেনা যে, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম, এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না। (সুরা: আম্বিয়া, আয়াত : ৩০)।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষের জীবিকা তথা ফলমূল তৈরিতে পরিমাণ মতো পানি দান করে থাকেন। যা ছাড়া কোনো ফলমূল উৎপন্ন হতো না।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, যে পবিত্রসত্তা তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করে দিয়েছেন, আর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তোমাদের জন্য ফল-ফসল উৎপাদন করেছেন তোমাদের খাদ্য হিসেবে। অতএব, আল্লাহর সঙ্গে তোমরা অন্য কাউকে সমকক্ষ করো না। বস্তুতঃ এসব তোমরা জান।’ (সুরা: বাকারা, আয়াত : ২২)।

হজরত সাহল ইবনু সা‘দ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে একটি পেয়ালা আনা হল। তিনি তা হতে পান করলেন। তখন তার ডান দিকে ছিল একজন বয়ঃকনিষ্ঠ বালক আর বয়স্ক লোকেরা ছিলেন তার বাম দিকে।

তিনি বললেন, হে বালক! তুমি কি আমাকে অবশিষ্ট (পানিটুকু) বয়স্কদেরকে দেওয়ার অনুমতি দিবে? সে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আপনার নিকট থেকে ফজিলত পাওয়ার ব্যাপারে আমি আমার চেয়ে অন্য কাউকে প্রাধান্য দিব না। অতঃপর তিনি তা তাকে প্রদান করলেন। (২৩৬৬, ২৪৫১, ২৬০২, ২৬০৫, ৫৬২০, মুসলিম ৩৬/১৭, হাদিস ২০৩০, আহমাদ ২২৮৮৭)।

আল্লাহতায়ালা সবাইকে নিত্যদিনের প্রত্যেকটি কাজে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নাহ সমুহ অনুসরণ ও অনুকরণ করার তাওফিক দান করুক। আমিন।

বইমেলায় আসছে সাড়া জাগানো বই ‘মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিষ্কার’

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২ উপলক্ষে সুলতানস থেকে প্রকাশিত হচ্ছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক থেকে মুদ্রিত প্রফেসর সেলিম টিএস আল-হাসসানি রচিত 1001 Inventions : The Enduring Legacy of Muslim Civilization নামক বিশ্ববিখ্যাত সাড়া জাগানো গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ গ্রন্থ ‘মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিস্কার’।

বাংলা ভাষায় গ্রন্থটি অনুবাদ করেছেন বেস্টসেলার বই প্রোডাক্টিভ মুসলিমের অনুবাদক মিরাজ রহমান এবং ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ মো. আবুল বাশার।

গ্রন্থটির প্রতিটি লাইনে লাইনে উঠে এসেছে বিশ্ব সভ্যতা বির্নিমাণের নেপথ্যে মুসলিম সভ্যতার অবদানের চেপে রাখা ইতিহাস। ৩৭৬ পৃষ্ঠা বা ৪৭ ফর্মা বৃহৎ কলেবরের এ গ্রন্থটিতে মোট ৮ অধ্যায়ে শতাধিক বিষয়ভিত্তিক শিরোনামে অসংখ্য আবিস্কার ও উন্নয়নের নেপথ্য মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান-ভূমিকার সত্য ইতিহাসগুলো সংকলিত হয়েছে।

এ ছাড়া মুসলিম সভ্যতার উন্নয়নের সময়কাল ও মুসলিম সভ্যতার প্রধান প্রধান অবদানের মানচিত্র শিরোনামের ২টি ব্যতিক্রমধর্মী টাইমলাইন সংযোজন করার পাশাপাশি সাড়ে ৯ ইঞ্চি বাই সাড়ে ৬ ইঞ্চি সাইজের বইটি যুক্ত করা হয়েছে অসংখ্য দূর্লভ ও বিরল হিস্ট্রিক্যাল ছবিও।

বইটি সম্পর্কে অনুবাদক মিরাজ রহমান বলেন,‘গোটা বিশ্বের ইতিহাস থেকে মুসলিম সভ্যতার অবদানমুখর একটি অধ্যায়কে মুছে ফেলে এবং সকল প্রকারের শিক্ষা পাঠ্যক্রম থেকে এ আলোচনাকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানমূখর যে সময়টিকে ‘ডার্ক এইজ’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিত করানো হয়েছে,এ গ্রন্থে মূলত সে সময়টিকে ‘গোল্ডেন এইজ’ বা স্বর্ণযুগ হিসেবে প্রমাণ করা হয়েছে।’

বইবাজার.কম, রকমারি.কম, ওয়াফিলাইফ.কম ও বইফেরী.কমসহ দেশের বিভিন্ন অনলাইন বুকশপে বইটির প্রি-অর্ডার চলছে। ৭০০ টাকা মুদ্রিত মূল্যের বইটি প্রি-অর্ডার ক্রয় করা যাবে ৪৫% ছাড়ে মাত্র ৩৮৫ টাকায়।

এছাড়া প্রত্যেক প্রি-অর্ডারকারীকে উপহার হিসেবে প্রদান করা হবে রাসুলের (সা.) দরুদ আঁকা আকর্ষণীয় নোটবুক। সরাসরি সুলতানস থেকে বইটি কিনেতে চাইলে কল করতে পারেন ০১৮১০০১১১২৫ বা ২৬ নম্বরে।

বিশ্ব সভ্যতা বিনির্মাণের নেপথ্যে যারা মুসলিম সভ্যতার অবদানের ইতিহাস জানতে চান; আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান-তথ্য-প্রযুক্তি এবং উন্নয়ন-আবিষ্কারে মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূমিকার সঠিক ইতিহাস যারা পড়তে চান— এ গ্রন্থ তাদের জন্য।

আমিরাতের চেম্বার অব কমার্সের মহাসচিবের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরাসরি নৌ যোগাযোগ চালুর অনুরোধ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবু জাফর। আমিরাত ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফসিসিআই) মহাসচিব হুমাইদ মোহাম্মদ বিন সালেমের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ করেন।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) এফসিসিআই কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয়েই ইউএই এফসিসিআই ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ ব্যবসায়িক কাউন্সিল সক্রিয় করতে সম্মত হন। এতে রাষ্ট্রদূত কৃষি, তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া শিল্প, এসএমই সেক্টর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরেন।
বাংলাদেশি পণ্য আমদানির পাশাপাশি বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করে এফসিসিআই মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে রাজনৈতিক স্তরে এবং জনগণের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। যেহেতু দুবাই মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল এবং এর বাইরেও একটি ট্রেডিং হাব ও গেটওয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, তাই দুবাইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্য সহজেই এ বাজারে পৌঁছাতে পারে।