শুক্রবার ,১৯ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 416

যেসব লক্ষণে বুঝবেন হিপ ফ্রাকচার, কী করবেন?

যেসব লক্ষণে বুঝবেন হিপ ফ্রাকচার, কী করবেন?
প্রতীকী ছবি
মানুষের শরীরে কোনো অঙ্গের ক্ষতি বা আঘাতের মধ্যে গুরুতর আঘাত হচ্ছে হিপ ফ্র্যাকচার। আর এটি এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে, এতে প্রাণও হারানোর শঙ্কা থাকে। এ সমস্যার ঝুঁকি বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়তে থাকে।

মূলত হিপ ফ্রাকচার হচ্ছে কোমরের হাড় ফেটে বা ভেঙে যাওয়া। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে এ সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। কারণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের হাড় দুর্বল হয়ে যায়। এ ছাড়া একাধিক ওষুধ সেবন, দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়া এবং ভারসাম্যের সমস্যাগুলোর কারণে বয়স্ক ব্যক্তিদের পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আর এসব কারণে পড়ে গিয়ে হিপ ফ্র্যাকচার হওয়াটা অন্যতম সাধারণ কারণ।

হিপ ফ্র্যাকচারের জন্য প্রায় সবক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেরামত বা প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক থেরাপিতেও ভালো হয়।

অনেকেই কোমরে ব্যথা সহ্য করলেও বুঝতে পারেন না যে এটি হিপ ফ্রাকচার কিনা। তাই জানুন যেসব লক্ষণে বুঝবেন হিপ ফ্রাকচার—

১. বসে থেকে উঠতে বা হাঁটতে সমস্যা অথবা অক্ষমতা
২. কুচকিতে তীব্র ব্যথা অনুভব করা
৩. পায়ের ওপরে ভর দিয়ে থাকতে অক্ষমতা
৪. আহত অঙ্গের চারপাশে ক্ষত বা ফুলে থাকা

এসব লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

এ ছাড়া হিপ ফ্রাকচারের সমস্যা এড়াতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা যেতে পারে। জানুন হিপ ফ্রাকচারের প্রতিকারে কী করবেন—

১. পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ নিয়ম হিসাবে ৫০ বা তার বেশি বয়সিদের দিনে অন্তত ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং ৬০০ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত।

২. হাড়কে মজবুত ও ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ব্যায়াম করতে হবে। এ ছাড়া ব্যায়াম আমাদের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় এবং পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম করে তোলে।

৩. ধূমপান করা বা অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে যেতে হবে। কারণ তামাক ও অ্যালকোহল ব্যবহারে হাড়ের ঘনত্ব কমে যেতে পারে।

৪. উঠে দাঁড়ানোর সময় ধীরে দাঁড়াতে হবে। তাড়াতাড়ি করে দাঁড়ানোর কারণে বা ঘুম থেকে উঠে তাড়াহুড়ো করে দাঁড়ালে রক্তচাপ কমে যেতে পারে এবং এর ফলে মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৫. বেশি বয়স হয়ে গেলে ঝুঁকি এড়াতে কোনো লাঠি বা ওয়াকারের সাহায্য নিয়ে হাটতে পারেন।

এসব সচেতনতা মেনে চলাচল করলে হিপ ফ্রাকচার হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কম হতে পারে।

তথ্যসূত্র: মায়োক্লিনিক ডট ওআরজি

প্রদাহজনিত আর্থাইটিস হলে করণীয়

ইনফ্লামেটরি আর্থাইটিস বা প্রদাহজনিত বাত হলে বিশ্রাম নিলে বেড়ে যায়। আবার কাজকর্ম শুরুর সাথে সাথে ব্যথাও কমে যায়। তরুণদের এটি বেশি হয়।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ঈশিতা বিশ্বাস।

তিনি বলেন, অনেক সময় প্রদাহজনিত বাতের সাথে এক্সট্রা আর্টিকুলার মেনুফেসটেশন হতে পারে। যেমন, অনেকের পায়ের তলায় ব্যথা করে, অনেক সময় অ্যাঙ্কেল জয়েন্টের পেছনের রগে ব্যথা হয়। অনেকের চোখ লাল হয়ে যায়।

পরিবারে কারও এ সমস্যা থাকলে অন্যদেরও হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। লক্ষণগুলো দেখা গেলে দেরি না করে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সাধারণত চিকিৎসক প্রদাহজনিত বাত-ব্যথার জন্য ওষুধের সাথে কিছু শরীর চর্চা দিয়ে থাকেন। এ ধরনের ব্যথা উপশমে শরীর চর্চা খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ডা. ঈশিতা বিশ্বাস বলেন, অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ব্যথার ওষুধের সাথে ডিজিজ মডিফায়িং বা ডিএমআরডি নামে একটি ওষুধ দেন চিকিৎসকরা। সেটি নিয়মিত সেবন করলে আশা করি উপকার পাবেন।

তবে ইনফ্লামেটরি আর্থাইটিসকে কোনো সময় হালকাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না। রোগটি সারাতে একটি সঠিক ডায়াগনসিস যেমন দরকার, তেমনি সঠিক ফলোআপও দরকার। এজন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

এসএসসি পর্যন্তই ঝরছে ৪৫ ভাগ শিক্ষার্থী

দেশে এসএসসি পর্যন্তই শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ৪৫ শতাংশ। প্রথম শ্রেণিতে যে সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি হয়, তার মধ্যে মাত্র ৫৫ ভাগ শিক্ষার্থী এসএসসি পাশ করে। বাকিরা দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে লেখাপড়ার কক্ষপথ থেকে ছিটকে পড়ে। ১১ বছরের সরকারি তথ্য পর্যালোচনা করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসএসসি পাশের পর এইচএসসি পর্যন্ত দুবছরে আরও ২৬ শতাংশ শিক্ষার্থী লেখাপড়া ছেড়ে দেয়। উচ্চমাধ্যমিক স্তর গণনায় নেওয়া হলে এই ঝরে পড়ার হার আরও বেড়ে যাবে। অন্যদিকে ২০২০ সালে করোনা শুরুর পর ঝরে পড়ার হার ত্বরান্বিত হয়েছে। অভিভাবকের আয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি দারিদ্র্যের প্রকোপ এর অন্যতম কারণ। যেসব শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে, তাদের মধ্যে বেশির ভাগ ছেলেশিশু বাড়তি আয়ের জন্য কাজে ভিড়ে গেছে। মেয়েদের মধ্যে অনেকে বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে। তবে এসএসসি স্তরে ঝরে পড়াদের মধ্যে বেশির ভাগই ছাত্রী।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল যে, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী করোনাকালে লেখাপড়া ছেড়ে দেবে। এর ফলে শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু বেড়ে যেতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত করোনার কারণে ঝরে পড়ার প্রকৃত চিত্র আনুষ্ঠানিক সমীক্ষায় বের হয়নি, তবে যে তথ্য আসছে, তা ভয়াবহ আর উদ্বেগজনকই বলতে হবে।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের অনেকেই হয়তো শিশুশ্রমে ভিড়ে গেছে কিংবা বিয়ে হয়েছে। লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই যদি ছাত্রী হয়ে থাকে, তবে তা উদ্বেগজনক খবর। এসব ছাত্রছাত্রীকে স্কুলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। আর এই উদ্যোগের আগে নিরপেক্ষ সমীক্ষা হওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ফিরিয়ে আনতে না পারলে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের যে অর্জন এবং সুনাম আছে, তা নষ্ট হবে।

শিক্ষার সার্বিক চিত্র নিয়ে প্রতিবছর দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়ে থাকে। এর একটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) ‘বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি’ নামে প্রকাশ করে। আরেকটি ‘বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান’ নামে প্রকাশ করে ব্যানবেইস (বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো)। ডিপিই-এর ২০১০ সালের প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণিতে ওই বছর ৩০ লাখ ৪৬ হাজার ৫১৩ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ২০২০ সালে নিয়মিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ছিল ১৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৮৮ জন। অর্থাৎ, ১০০ জনের মধ্যে ৫৫ দশমিক ২০ জন পরীক্ষা দিয়েছে। আবার এসব শিক্ষার্থীর সবাই ওই বছর পাশ করতে পারেনি। এই সংখ্যা ধরা হলে শিক্ষা শেষ করতে না পারা ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে।

উল্লিখিত দুই প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০১০ সালে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছে। এই স্তরে তখন পরীক্ষার্থী ছিল ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ৭৫৫ জন। তাদের মধ্যে পাশ করে ২৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭৮১ জন। এই ব্যাচটিই ২০১৭ সালে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা দেয়। ওইবছর পরীক্ষার্থী ছিল ২৪ লাখ ৮২ হাজার ৩৪২ জন। আর পাশ করেছিল ২০ লাখ ১৮ হাজার ২৭১ জন।

এদিকে করোনাকালে ঝরে পড়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ করা গেছে ছাত্রীদের মধ্যে। ২০২১ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৪ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। এতে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে নয়টি বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল ১৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৮০ জন। আর দুবছর আগে এসব বোর্ডে নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করেছিল ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৫৬ জন। বাকি ২ লাখ ৭৭ হাজার ৮৭৬ জনের হদিস নেই। ১১টি বোর্ডের তথ্য যুক্ত করা হলে এই সংখ্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ৭২ শতাংশই ছাত্রী। করোনা শুরু হওয়ার সময়ে এসব শিক্ষার্থী দশম শ্রেণিতে ছিল।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৯টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝরে পড়েছে মাদ্রাসায়। মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৭৯ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৫৬০ জন। বাদ পড়ে যায় ৭০ হাজার ২১৯ জন। এটা শতকরা হিসাবে ২১ দশমিক ৮২। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে কুমিল্লায় ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৯২ জন নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করলেও অংশ নেয় ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৯৪ জন। ৩৫ হাজার ৪৯৮ জন বা ১৫ দশমিক ১৪ শতাংশ ঝরে পড়ে।

এদিকে এবার এইচএসসি ও সমমানে মোট নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল ১২ লাখ ৮৭ হাজার ১৬২ জন। দুবছর আগে তাদের সঙ্গে মোট নিবন্ধিত হয়েছিল ১৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬৬১ জন। অর্থাৎ পরীক্ষার আগেই ২ লাখ ৮৮ হাজার ৪৯৯ জন ঝরে পড়ে, যা শতকরা ১৮ দশমিক ৩০ ভাগ। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ১ লাখ ৫৭ হাজার ২০২ জন; যার শতকরা হার ৫৪ দশমিক ৪৮।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২১ সালের এইচএসসি শিক্ষার্থীরা ২০১৯ সালে এসএসসি এবং ২০১৬ সালে জেএসসি পাশ করেছে। ২০১৯ সালে এসএসসি পাশ করেছিল ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। অর্থাৎ এইচএসসি পর্যন্ত ৪ লাখ ৬২ হাজার ৩ জন ঝরে গেছে, যার হার ২৬ শতাংশ ৪১ শতাংশ। আর জেএসসিতে (২০১৬ সালে) এই ব্যাচে পাশ করা শিক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪ জন।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। তাদেরকে প্রণোদনার অংশ হিসাবে উপবৃত্তি দেওয়া হয়। কিন্তু এটা পাওয়ার অপরিহার্য শর্ত তাকে ‘অবিবাহিত’ থাকতে হবে। কিন্তু যত লাখ ছাত্রী পরীক্ষায় বসছে না, তাদের মধ্যে যে ক’জনের বিয়ে হয়েছে, তাদেরকে যদি স্কুলে দেখতে চাই তাহলে ‘অবিবাহিত’ থাকার শর্ত তুলে দিতে হবে। নইলে তারা আগ্রহী হবে না।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক আমির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, করোনাকালে শিখন ঘাটতি আর ঝরে পড়ার হার নিরূপণে আলাদা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানুয়ারিতে এই কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যক্রম স্থগিত আছে। তবে স্কুল খোলার পর তথ্য আসছে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার প্রতিষ্ঠানের তথ্য এসেছে। সব তথ্য এলে ঝরে পড়ার চিত্র পাওয়া যাবে।

একই সংস্থার মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, করোনাকালে কিছু বাস্তব কারণে শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। এখন তারা কোথায় আছে, সেটা যেমন চিহ্নিত হওয়া দরকার তেমনই তাদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও জরুরি। সমীক্ষা শেষে এটি অবশ্যই আলোচনায় আসবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আমিনুল ইসলাম খান যুগান্তরকে বলেন, ঝরে পড়া আর শিক্ষার্থীর লেখাপড়া সমাপনের চিত্র বের করা আমাদের নিয়মিত কাজ। কিন্তু করোনাকালে এর বিশেষ কোনো প্রভাব আছে কি না, থাকলে বিশেষ কী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা অবশ্যই বিবেচনা জরুরি। মাত্র স্কুল খুলল। এ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

হাবিপ্রবিতে ‘জিনোম সিকোয়েন্স’ ল্যাব চালু

মানুষ, প্রাণী কিংবা উদ্ভিদের যেকোনো ধরনের রোগের কারণ ও জীবন রহস্য উন্মোচন এবং সেই অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে চিকিৎসা দেওয়ার সুবিধার্থে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) চালু হলো অত্যাধুনিক জিনোম সিকোয়েন্স ল্যাব ও রিসার্চ সেন্টার। রোববার সন্ধ্যায় এ অত্যাধুনিক গবেষণাগারের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

উদ্বোধনকালে শিক্ষমন্ত্রী বলেন, আধুনিক এই ল্যাব দেশের গবেষকদের গবেষণা কাজের পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে বেশ ভূমিকা পালন করবে। প্রাণী কিংবা উদ্ভিদের যেকোনো রোগের চিকিৎসার আগে জরুরি রোগ নির্ণয় ও এর জীবন রহস্য উন্মোচনের। আর এসব গবেষণার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত আধুনিক গবেষণাগারের।

রোববার সন্ধ্যায় এই গবেষণাগারের উদ্বোধনের পাশাপাশি মুজিবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে জোতির্ময় বঙ্গবন্ধু স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন এবং সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির হিসেবে যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

হাবিপ্রবির ভিসি প্রফেসর ড. এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. জাকিয়া তাবাসসুম জুঁই, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর মশিউর রহমান, হাবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. ইমরান পারভেজ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হাবিপ্রবির প্রফেসর নুর এ নাজমুন নাহার ও সহকারী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন দরুদ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এই ল্যাবে রয়েছে- পিসিআর, আরটিপিসিআর, ডাটা এ্যানালাইজড, ডিএনএ/আরএনএ নির্ণয়, খাদ্য কিংবা উদ্ভিদে হেভি ম্যাটাল নির্ণয় (আর্সেনিক, মেলামাইন), ডিজিজ ডায়াগনষ্টিক ইউনিট, ফুড নিউট্রিশন অ্যান্ড ক্যামিক্যাল এ্যানালাইসিস ইউনিট, মেটেরিয়াল সায়েন্স ইউনিট, সেল অ্যান্ড টিস্যুচালকার ইউনিট, ফোর আইআর ল্যাব। এই ল্যাবে যেকোনো জীবানু, ছত্রাক, ফাঙ্গাস, ব্যাকটেরিয়া বা যেকোনো ধরনের অনুজীব যেগুলো মানুষ, প্রাণী কিংবা উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টিকারী তাদের জীবন রহস্য উন্মোচন করা যাবে।

ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সেইসব রোগের চিকিৎসা দেওয়া যাবে। একইসঙ্গে মানুষ, প্রাণী কিংবা উদ্ভিদে যদি কোনো অপরিচিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায় তাহলে খুব সহজে অল্প সময়ের মধ্যে রোগ নির্ণয় করা যাবে। এই ল্যাব স্থাপনে খরচ হয়েছে প্রায় ৪ কোটি টাকা। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব খাত থেকেই করা হয়েছে।

সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প ‘শিমু’

দৃঢ়চেতা নারী পোশাক শ্রমিকদের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প নিয়ে রুবাইয়াত হোসেনের পরিচালনায় নির্মিত চলচ্চিত্র ‘শিমু’ ১১ মার্চ থেকে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে। ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিন, এবং সাভারের চন্দ্রিমা হলে দর্শকপ্রিয়তা নিয়ে চলছে ছবিটি।

‘শিমু’ প্রতিকুলতাকে জয় করে সামনে এগিয়ে চলা প্রতিটি সংগ্রামী মানুষের গল্প। এই সিনেমা প্রসঙ্গে পরিচালক রুবাইয়াত হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের যারা শ্রমজীবী নারী তারা যদি ছবিটি দেখেন, তাদের খুব ভালো লাগবে। কেননা তাদের নিজেদের গল্পটাকে পর্দায় দেখতে পাবেন।’

ছবির প্রধান চরিত্র শিমু চরিত্রে রূপদানকারী অভিনেত্রী রিকিতা নন্দিনী শিমু মনে করেন, এই ছবিটি যে নারী শ্রমিকরা দেখবেন কিংবা যারাই দেখবেন এই গল্পটাকে তারা নিজের করে ভাবতে পারবেন। যেকোনো পেশার মানুষই এ গল্পের সঙ্গে নিজেকে কানেক্ট করতে পারবেন। সেই সঙ্গে সবার কাছে আমার অনুরোধ থাকবে আপনারা হলে গিয়ে ছবিটি দেখবেন।

শ্রমিকনেত্রী ডালিয়া আক্তারের জীবনের সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন তিনিও। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিকিতা নন্দিনী শিমু, নভেরা রহমান, দীপান্বিতা মার্টিন, পারভীন পারু, মায়াবি মায়া, মোস্তফা মনোয়ার, শতাব্দী ওয়াদুদ, জয়রাজ, মোমেনা চৌধুরী, ওয়াহিদা মল্লিক জলি ও সামিনা লুৎফা প্রমুখ।

দুটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিতা চৌধুরী ও ভারতের শাহানা গোস্বামী। এদিকে এটি রুবাইয়াত হোসেনের তৃতীয় সিনেমা।

শখ কি ফিরে পাবেন পুরনো জায়গা?

জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী আনিকা কবির শখ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ে নেই। অভিনয়ে না থাকলেও পাশাপাশি তিনি মিডিয়ায় মানুষজনদের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলেন। এতে করে শখকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল নানা ধরনের গুঞ্জন। এসব গুঞ্জনের অবসান হয় কিছুদিন আগে।

মা হওয়ার অল্প সময় আগে তার এই অন্তধানের সব কিছুই পরিস্কার হয়। তিনি মিডিয়াকে জানান আড়াল হওয়ার কাহিনী। তবে অভিনয়ে ফিরে আসার বিষয়ে তখন কিছু জানাননি এই মডেল অভিনেত্রী। তবে মা হওয়ার পর কিছুদিন আগে একটি টিভি অনুষ্ঠানে তাকে নাচতে দেখা যায়।

তখনই গুঞ্জন শুরু হয়েছিল যে শিগগিরই শখ ফিরছেন অভিনয়ে। সেই গুঞ্জনটি সত্য হলো এখন। চলতি সপ্তাহেই একটি এক খণ্ডের নাটক দিয়ে বিরতি ভাঙছেন এই অভিনেত্রী।

এ প্রসঙ্গে শখের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও অভিনয়ের জন্য মুখিয়ে আছি। অনেক দিন নাটকে অভিনয় করছি না। তাই আমার অভিনয় যারা পছন্দ করেন, তারা অপেক্ষায় আছেন। সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই যে আমি এখন থেকে নিয়মিত অভিনয় করব। আশা করছি আমার অভিনীত নাটক সবাই দেখবেন।’

শখের ফিরে আসার ঘোষণায় স্বস্থি ফিরেছে অনেকের। তবে তিনি পুরনো জায়গা ফিরে পাবেন কি না তা নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। কারণ গত কয়েক বছরে অনেক তরুণ অভিনয়শিল্পী অভিষিক্ত হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন। তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে কতদুর এগুতে পারবেন, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই।

ইতিহাসের চূড়ায় রোনাল্ডো

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো বুড়িয়ে গেছেন, আগের মতো খেলতে পারেন না, দলের জন্য বোঝা-কত কিছুই না বলা হয়েছে তাকে নিয়ে। মাঝে ১০ ম্যাচে মাত্র এক গোল করায় ৩৭ বছর বয়সি পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের শেষ দেখে ফেলেছিলেন অনেকে।

কিন্তু ইতিহাস গড়া হ্যাটট্রিকে রোনাল্ডো আবারও দেখিয়ে দিলেন, সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে তার মতো কিংবদন্তির একটি ম্যাচই যথেষ্ট। ১২ মিনিটে ম্যানইউকে এগিয়ে দেওয়া প্রথম গোলে রেকর্ড ছোঁয়া, ৩৮ মিনিটের দ্বিতীয় গোলে ইতিহাসের নতুন চূড়ায় পা রাখা। ৮১ মিনিটে হ্যাটট্রিক করে দলের জয় নিশ্চিত করা। সোনায় সোহাগা বুঝি একেই বলে!

প্রাপ্তিতে টইটম্বুর ম্যাচ যেন রোনাল্ডোর জন্য। শনিবার ঘরের মাঠে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে রোনাল্ডো-জাদুতে টটেনহামকে ৩-২ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে এসেছে ম্যানইউ। ক্যারিয়ারের ৫৯তম হ্যাটট্রিকের পথে রোনাল্ডো গড়েছেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রেকর্ডটি। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন রোনাল্ডো।

পেশাদার ক্যারিয়ারে পর্তুগিজ মহাতারকার গোল সংখ্যা এখন ৮০৭। তিনি ভেঙেছেন অস্ট্রিয়া ও তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার সাবেক ফরোয়ার্ড জোসেফ বাইকানের ৮০৫ গোলের রেকর্ড। অফিসিয়াল পরিসংখ্যানবিদদের হিসাবে অনেক আগেই অবশ্য বাইকানকে ছাড়িয়ে গেছেন রোনাল্ডো। তবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিয়ে বির্তক আছে। চেক ফুটবল ফেডারেশনের হিসাব অনুযায়ী যেমন বাইকানের গোল সংখ্যা ৮২১। ফলে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে তর্কের ঊর্ধ্বে গিয়ে বসতে আরও অন্তত ১৪টি গোল চাই রোনাল্ডোর।

তবে ফিফার হিসাব অনুযায়ী সর্বোচ্চ গোলের নতুন বিশ্বরেকর্ড গত পরশু রাতেই গড়েছেন রোনাল্ডো। পর্তুগিজ তারকা অবশ্য নিজের অর্জনের

চেয়ে দলের জয়েই বেশি উচ্ছ্বসিত, ‘ওল্ড ট্রাফোর্ডে ফেরার পর প্রথম হ্যাটট্রিক পেয়ে দারুণ খুশি আমি। মাঠে ফেরার পর দলকে জেতাতে পারার যে অনুভূতি, তার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা চলে না। আমরা প্রমাণ করেছি, নিজেদের দিনে যেকোনো দলকে হারাতে পারি আমরা। ম্যানইউর মতো ক্লাবের কোনো সীমা নেই।’ সতীর্থ পল পগবা বলে দিলেন ভক্তদের মনের কথা, ‘দলে যদি ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার থাকে,

তাতে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে না। আজ তিনি দেখিয়ে দিলেন, কেন তিনি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।

পাকিস্তানকে ২৩৫ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে সোমবার ভোরে মাঠে নামেছে বাংলাদেশ। হ্যামিল্টনে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। ম্যাচ শুরু হয় ভোর ৪টায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ডই গড়ে ফেলল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।

হ্যামিল্টনে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৪ রানের সংগ্রহ করিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা, যা নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশ নারী দলের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

২০১৯ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষেই ৯ উইকেটে ২১১ রান করেছিলেন টাইগ্রেসরা। সেটি টপকে আজ ২৩৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পেয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ২৩৫ রান।

বাংলাদেশের এ রেকর্ড সংগ্রহের ইনিংসে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন ফারজানা হক পিংকি, শারমিন আক্তার সুপ্তা ও নিগার সুলতানা জ্যোতি। নারী বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ব্যাক টু ব্যাক ফিফটি হাঁকিয়েছেন ফারজানা পিংকি।

আগের দুই ম্যাচের মতো আজও উদ্বোধনী জুটিতে ভালো সূচনা এনে দেন শামীমা সুলতানা ও শারমিন সুপ্তা। দলীয় ৩৭ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১৭ রানে আউট হন শামীমা। এর পর ৪২ রানের জুটি গড়েন সুপ্তা ও পিংকি।

ব্যক্তিগত ৪৪ রানে উমাইমা সোহেলের বলে বোল্ড হয়ে নিজের উইকেট হারান সুপ্তা। তার ৫৫ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চারের মার। তৃতীয় উইকেটে ৯৬ রান যোগ করেন পিংকি ও জ্যোতি। সুপ্তার মতো জ্যোতিও আটকা পড়েন ফিফটির খুব কাছে গিয়ে। তার ৬৪ বলে ৪৬ রানের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে ফাতিমা সানার বলে লেগ বিফোরে কাটা পড়ে।

সুপ্তা ও জ্যোতি সুযোগ হাতছাড়া করলেও কোনো ভুল করেননি ফারজানা পিংকি। আগের ম্যাচে ৫২ রান করা পিংকি এই ম্যাচেও তুলে নেন ফিফটি, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নবমবার ৫০ ছোঁয়ার ঘটনা। তার ব্যাটে ভর করেই ২০০ পেরোয় বাংলাদেশের সংগ্রহ।

ইনিংসের ৪৭তম ওভারে পর পর দুই বলে আউট হন ফারজানা পিংকি ও ফাহিমা খাতুন। দুটি আউটেই রিভিউ নিয়ে সফল হয় পাকিস্তান। ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে ১১৫ বলে ৫ চারের মারে ৭১ রান করেন পিংকি।

মাঝে ১৩ বলে ১৬ রানের ক্যামিও খেলেন তারকা অলরাউন্ডার রুমানা আহমেদ। শেষ দিকে রিতু মণি ১৩ বলে ১১ ও সালমা খাতুন ১০ বলে ১১ রান করলে ২৩৪ রানে থামে বাংলাদেশ। শেষ ১২ ওভারে মাত্র দুটি বাউন্ডারি হাঁকাতে পেরেছেন টাইগ্রেসরা।

পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন নাশরা সিন্ধু। এ ছাড়া নিদা দার, ফাতিমা সানা ও উমাইমা সোহেলের শিকার ১টি করে উইকেট।

ঢাকাস্থ পীরগঞ্জ সমিতির সভাপতি ফিরোজ, সম্পাদক শাহীনুর

ঢাকাস্থ পীরগঞ্জ (রংপুর) সমিতি ২০২১-২২ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আ ন ম আল ফিরোজ (হিটু) ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন একই মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শাহীনুর ইসলাম।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে শুক্রবার অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় নতুন এ কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্য কর্মকর্তারা হলেন- সহসভাপতি শেরীফ নেওয়াজ স্বপন, মো. হুজুর আলী (যুগ্ম সচিব), আজিজার রহমান আজিজ, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সালাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজ আল ফারুক জুয়েল, এসএম শাহ জাহান রওশন, অর্থ সম্পাদক মাহমুদ আলম জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মামুন-অর-রশিদ মামুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম স্বপন, রেজাউল করিম রেজা, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এজিএম সাদিদ জাহান সৈকত, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাকিয়া খাতুন জয়া, প্রকাশনা সম্পাদক নেয়াজুল মাওলা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবু নোমান মো. এরশাদুল মুর্তুজা রুমেল, ক্রীড়া সম্পাদক আরমানুজ্জামান চৌধুরী তুষার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, প্রচার সম্পাদক মাহফুজার রহমান, দপ্তর সম্পাদক কে এস কে রাশেদুল সিদ্দিকি নির্বাচিতরা হয়েছেন।

নির্বাচিত কার্যকরী সদস্যরা হলেন, অতিরিক্ত সচিব জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল, সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী ম-ল, শরিফ নেওয়াজ শরিফ, এ টি এম তোসাদ্দেক হোসেন, নজরুল ইসলাম, আলমগীর কবির, রবিউল ইসলাম বেলাল, মাফরুহা খানম সুবর্ণা, রফিকুল ইসলাম প্রধান উজ্জল, এ বি এম খালেদুন সোহেল, মোস্তাফিজার রহমান, ওলিউর রহমান রূপম, নূর-ই নেয়ামত খান, ড, বদরুদ্দোজা বদরুল, গকুল চন্দ্র সরকার, আফরোজা খাতুন, লায়লা সরওয়ার স্বপ্না, শফিকুল ইসলাম, খন্দকার রমজান আলী, শফিউল আলম প্রধান কমল, রায়হানা জামান সম্পা, জায়রুল ইসলাম রিন্নু, আনোয়ারুল ইসলাম ও আনোয়ারুল ইসলাম শুভ।

কৃষক সেজে হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় কৃষক সেজে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি মো. আলমগীর হোসেনকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে চরএলাহী ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন চরবালুয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আলমগীর হোসেন চরএলাহী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চরবালুয়া গ্রামের ছাবের মাঝির ছেলে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাজ্জাদ রোমন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদে দুপুর ১২টায় এসআই আশরাফুল ইসলাম, রেজাউল, এএসআই ইউসুফ, শরীফ ও গনেশ কৃষক সেজে চাঞ্চল্যকর সৌরভ হত্যা মামলার পলাতক আসামি আলমগীরকে গ্রেফতার করেছে। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি চরবালুয়ার সৌরভ হোসেনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা (নম্বর-৫) দায়ের হলে আসামিরা পালিয়ে যায়