শুক্রবার ,১৪ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 362

ঈদের নাটকে কি ফিরছেন শিমু

এক সময় ঈদের একগুচ্ছ নাটকে অভিনয় করতেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অভিনয়েই অনিয়মিত। কালেভদ্রে তিনি নাটকে অভিনয় করেন। এক সময় ঈদের একগুচ্ছ নাটকে অভিনয় করতেন এই দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী। অথচ গত কয়েক বছরের ঈদের নাটকে তার দেখা নেই। শিমু ভক্তদের জন্য সুসংবাদ, আগামী ঈদের নাটকে অভিনয় করবেন তিনি। এরই মধ্যে একাধিক নাটকে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন। এর মধ্যে থেকে অন্তত দুটি নাটকে অভিনয়ের বিষয়ে মনস্থির করেছেন এই অভিনেত্রী। সপ্তাহ খানের মধ্যেই শুটিংয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হবে।

এ প্রসঙ্গে শিমু বলেন, আমি তো আগের মতো অভিনয়ে সময় দেই না। কারণ আমার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আছে। সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক ব্যস্ত থাকি আমি। তাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অভিনয়ের কাজটি করতে পারি না। কিছুদিন আগে আমার অভিনীত নতুন একটি টিভি বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু হয় টিভিতে। এটি প্রচারের আসার পর থেকেই ব্যাপক হারে অভিনয়ের প্রস্তাব আসছে। তবে বেশিরভাগ কাজই গতানুগতিক। তবে এর মধ্যে থেকে আমি দুটি নাটকে অভিনয়ের জন্য মনস্থির করেছি। আশা করছি নাটক দুটি ঈদের অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে। এছাড়া আবারো বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের সম্ভাবনা আছে আমার।

এদিকে এই অভিনেত্রী তার প্রতিষ্ঠিত উনন্নয়নমূলক সংস্থা ‘বেটা ফিউচার ফর ওমেন’ নিয়েই বেশি ব্যস্ত আছেন। এই সংস্থার মাধ্যমে উন্নয়নকামী মানুষদের দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন। প্রতিনিয়তই এটির কার্যক্রম বিস্তৃত হচ্ছে।

ফের হৃত্বিককে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য কঙ্গনার

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের সঙ্গে হৃত্বিক রোশনের বিতর্ক অজানা নেই অনুরাগীদের। ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ তারকাকে নিয়ে নানা সময় নানা বোমা ফাটিয়েছেন কঙ্গনা। কম জলঘোলা হয়নি সেই প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে।

সম্প্রতি ‘লকআপ’-এ সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে। আর সেখানেই এক প্রতিযোগীর গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজে পেয়ে হৃত্বিক প্রসঙ্গ টানলেন কঙ্গনা।

সম্প্রতি ‘লকআপ’-এ এক প্রতিযোগী স্বীকার করেন, অল্প বয়সেই বিয়ে করে নেন তিনি। তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু বিশেষ কেউ সেই বিয়ে সম্পর্কে জানেন না। তা ছাড়া সদ্য ‘লকআপ’-এর অন্য এক প্রতিযোগী ওই বিবাহিত প্রতিযোগীর প্রেমে পড়েছেন। প্রকাশ্যে সে কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন। কঙ্গনা দুই প্রতিযোগীর এ কথা জানার পরই নিজের প্রসঙ্গ টানেন। হৃত্বিক রোশন প্রসঙ্গ টেনে নাম না করে বলেন নানা বিস্ফোরক কথা।

হৃত্বিক প্রসঙ্গ টেনে কঙ্গনা রানাউত বলেন, ‘বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন প্রত্যেক কমবয়সি মেয়েরা। আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। কিন্তু তোমার প্রসঙ্গে কথা বলছি না। হতে পারে, বিবাহিত পুরুষরা অনেক বেশি দায়িত্ববান হন। অনেক বেশি আকর্ষণীয় হন। এমন অনেক গুণ থাকে তাদের মধ্যে, যা সহজেই আকৃষ্ট করে কোনো কমবয়সি মেয়েকে। ওরা এমন গল্প তৈরি করে রাখে নিজের স্ত্রীর সম্পর্কে যে ওরা কতই না অবিচারের শিকার।’

কঙ্গনা আরও বলেন, ‘আমার জীবনে এ ঘটনা বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা হয়ে রয়েছে। যখনই সেই সমস্ত কমবয়সি মেয়েরা ওই বিবাহিত পুরুষকে তার স্ত্রীর হাত থেকে রক্ষা করতে যায়, তখনই গল্প অন্য দিকে মোড় নেয়। আপনারা যদি স্ত্রীদের গল্প শোনেন, চমকে উঠবেন।’

ফেরানো হচ্ছে নিরপেক্ষ আম্পায়ার

টেস্ট ক্রিকেটে নিরপেক্ষ আম্পায়ার ফিরিয়ে আনছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

মহামারি করোনাকালে সফরের জটিলতা এড়াতে স্থানীয় আম্পায়ার দিয়ে ম্যাচ পরিচালনার অনুমতি দিয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

কিন্তু এই সুযোগে কিছু আম্পায়ারের পক্ষপাতমূলক আচরণ ফুটে ওঠে। যে কারণে প্রতিপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে টেস্টে ফের নিরপেক্ষ আম্পায়ার ফেরাতে যাচ্ছে আইসিসি।

এখন থেকে টেস্টে একজন নিরপেক্ষ আম্পায়ার রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ম শুধু ২০২২-২৩ মৌসুমের জন্য প্রযোজ্য।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আইসিসির সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এখন থেকে দুজন অনফিল্ড আম্পায়ারের মধ্যে একজন থাকবেন নিরপেক্ষ, আরেকজন স্থানীয়।

ম্যাচ রেফারি, টিভি আম্পায়ার নিরপেক্ষ থাকলেও চতুর্থ আম্পায়ার হবেন স্থানীয়। তবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে স্থানীয় আম্পায়ারই পরিচালনা করবেন।

লেভান্তেকে ৩ পেনাল্টি দিয়েও জয়ী বার্সা

টানা ১৪ ম্যাচ অপরাজিত যাত্রা নিয়ে বার্সেলোনা পা রেখেছিল লা লিগার অবনমন অঞ্চলে থাকা লেভান্তের মাঠে। সেই লেভান্তেই কিনা রীতিমতো হারিয়ে দেওয়ার হুমকিই দিচ্ছিল কোচ জাভি হার্নান্দেজের দলকে।

তাতে তাদের নিজেদেরও দোষ ছিল বৈকি, দলের রক্ষণ প্রতিপক্ষকে রীতিমতো ‘উপহার’ দিয়ে বসে তিন তিনটি পেনাল্টি। তবে এত কিছুর পরও বার্সা ঠিকই জয় তুলে নিয়েছে। ৩-২ গোলের এই জয়ে জাভির দল চাপটা ধরে রাখল লিগের শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের ওপর।

মাঝসপ্তাহেই বার্সা লড়বে আইনট্র্যাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে। সেই লড়াইকে সামনে রেখে লেভান্তের মাঠের এ ম্যাচে মিডফিল্ডার পেদ্রি গনজালেসকে কিছুটা বিশ্রাম দিতে চেয়েছিলেন কোচ জাভি। শেষ কিছু দিনে বার্সেলোনা দলে তার গুরুত্বটা বোঝা গেল দলের পারফর্ম্যান্সে। প্রথমার্ধে বলের দখলে থাকলেও তার অভাবেই যেন গোলের সুযোগ খুব একটা সৃষ্টি করতে পারল না বার্সা।

লেভান্তে সে সুযোগটা কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু দারুণ সুযোগই তৈরি করেছে। দুবার মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেন আর এরিক গার্সিয়ার কল্যাণে রক্ষা পায় বার্সা। বিরতির পর দানি আলভেসের ভুলে পেনাল্টি পেয়ে যায় দলটি। সে থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন হোসে লুইস মোরালেস। এর মিনিট দুয়েক পর বক্সে ভেসে আসা বলে হাত ছুঁইয়ে প্রতিপক্ষকে পেনাল্টি দিয়ে বসেন এরিক গার্সিয়া। রজার মার্তির নেওয়া সেই পেনাল্টি ঠেকিয়ে বার্সাকে আরও পিছিয়ে পড়ার হাত থেকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক টের স্টেগেন।

খেলার মোড়টা ঘুরল এর পরই। সেই পেনাল্টি সেভের পরই দুই মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ও নিকো গনজালেসকে তুলে পেদ্রি ও গাভিকে নামান বার্সা কোচ। এর কিছু পরই নিজেদের প্রথম গোল পায় বার্সা। দেম্বেলের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোলটি করেন পিয়েরে এমেরিক অবামেয়াং।

খেলার ৩ মিনিট পর আবারও গোলের দেখা পেয়ে যায় বার্সা। ডান পাশ থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে মাঝে থাকা পেদ্রিকে পাস বাড়ান গাভি। বদলে জাসার কপমু ওরার পেদ্রি প্রথম ছোঁয়াতেই বলটা পাঠান দূরের পোস্ট দিয়ে। ২-১ গোলে এগিয়ে যায় বার্সা।

তবে ৮২ মিনিটে আরও একটা পেনাল্টি যায় স্বাগতিকদের কাছে। সেবার গোল হজম করে ড্রয়ের শঙ্কা তাতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বার্সা শিবিরে। তখন আরও এক বদলি ম্যাচের গতিপথটাই পাল্টে দেয়। বার্সা কোচ উসমান দেম্বেলের জায়গায় আনেন লুক ডি ইয়ংকে। শেষমেশ গোলটা এলো তার মাথা থেকেই। ইনজুরি সময়ে জর্দি আলবার ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোলটি করেন তিনি। ৩-২ গোলের জয় তুলে নেয় বার্সা। এই জয়ের ফলে বার্সা সেভিয়াকে টপকে চলে আসে লা লিগার ২য় অবস্থানে।

কিশোরী ধর্ষণের মামলায় কারাগারে যুবক

নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচর আশ্রয়ণ কেন্দ্রে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মনির উদ্দিন (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। রোববার দুপুরে মনিরকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মনির উদ্দিন ভাসানচরের আশ্রয় কেন্দ্রের ৭৭নং ক্লাস্টারের জমির উদ্দিনের ছেলে।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমদাদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যায় একই ক্লাস্টারের মাইন উদ্দিন ওই কিশোরীকে টয়লেটে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় কিশোরী চিৎকার করলে সে পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ৭ এপ্রিল ভাসানচর থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। অপরদিকে নির্যাতিত কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

‘সেই সাইফুল আর আমি সাইফুল এক নই’

তরুণ বয়সে এক সময় অন্যের দোকানের কর্মচারী হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন সাইফুল ইসলাম। এরপর দিনে দিনে বাড়তে থাকে বয়স। একটা সময় নিজেই মোবাইল বিক্রির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসেন। ব্যবসা শুরুর দিন থেকে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমাতেন পবিত্র হজব্রত পালনে যাবেন বলে। কারণ আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টি। অনেকটা উৎসাহ ভরে দিন গুনছিলেন সময়টা আসবে কখন? তবে সময় যতো গড়িয়েছে সাইফুল ইসলামের হজ পালনে যাওয়ার ইচ্ছা ফিকে হয়ে যেতে বসেছে!

পাবনা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করার চার বছর অতিবাহিত হলেও এখনো পাসপোর্ট হাতে পাননি চাটমোহর পৌর শহরের নারিকেল পাড়া মহল্লার সাইফুল ইসলাম। অথচ চার বছর আগে আনন্দে আত্মহারা হয়ে সাইফুল ইসলামসহ তিন ব্যবসায়ী পাসপোর্ট করার জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দেন এবং পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ফিঙ্গার প্রিন্টও দিয়ে আসেন। দিনক্ষণ গণনা করছিলেন কখন হাতে পাবেন বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই পাসপোর্ট।

পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা ভুক্তভোগীকে বলেছেন, ঠিকানা আলাদা হলেও একই জেলার অপর এক ব্যক্তির সঙ্গে নিজের এবং বাবা-মায়ের নাম মিলে যাওয়ায় পাসপোর্ট পাচ্ছেন না তিনি। মূলত নাম জটিলতায় বিষয়টি ঝুলে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে বার বার পাসপোর্ট অফিসে ধর্ণা দিয়েও কোনো লাভ হয়নি ভুক্তভোগী এই ব্যবসায়ীর। হয়রানির শিকারের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। বাধ্য হয়ে হজব্রত পালনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হচ্ছে তাকে।

সাইফুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৮ সালে প্রতিবেশী দুইজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে পাসপোর্ট করার জন্য পাবনা সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দেন তিনি। পরে পাবনা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে নিজের ফিঙ্গারও দিয়ে আসেন। এর মাসখানেকের মাথায় অন্যদের মোবাইলে মেসেজ আসলেও মেসেজ আসেনি সাইফুল ইসলামের মোবাইলে। এরপর তিনি পাবনা পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করেন। প্রথমে তাকে বলা হয়, ‘তার নামে পাসপোর্ট আগেই হয়ে গেছে’! এরপর ঠিকানা আলাদা দেখে পাসপোর্ট অফিস থেকে পুনরায় তাকে আবেদন করতে বলা হয়। তাদের কথামতো সাইফুল ইসলাম পরপর দুইবার আবেদন করেন।

কাগজপত্রে দেখা গেছে, সাইফুল ইসলাম, তার বাবার নাম মোকসেদ আলী এবং মা রহিমা খাতুন। ঠিকানায় লেখা আছে, নারিকেল পাড়া, চাটমোহর, পাবনা। এদিকে অপর সাইফুল ইসলামের বাবা-মায়ের নাম একই। তবে তার বাড়ি একই জেলার সাঁথিয়া উপজেলায়। তিনি ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলামের আবেদনের কয়েকমাস আগে পাসপোর্ট করিয়েছেন।

অন্যদিকে ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম দুইবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে দুইবারই পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে বিষয়টির ব্যাপারে তদন্ত করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম এবং পূর্বের পাসপোর্ট গ্রহীতা সাইফুল ইসলাম এক ব্যক্তি নন। মিল নেই ফিঙ্গার প্রিন্টেও। অথচ অজ্ঞাত কারণ দেখিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।

সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘অনেক কষ্টে ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছি। মানুষের দোকানে কাজ করেছি। আল্লাহ আমাকে নিজের দোকান করার তৌফিক দান করেছেন। এরপর নিয়ত করি আল্লাহর সন্তুষ্টিতে হজ পালনে সৌদি আরবে যাব। কিন্তু পাসপোর্ট না পেয়ে এখন আমি হতাশ। বার বার পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে এর সুরাহার কথা বললে তারা পুনরায় আবদেন করতে বলেন। আর কতবার আমি নিজেকে প্রমাণ করব, সেই সাইফুল (পূর্বের পাসপোর্ট গ্রহীতা) আর আমি সাইফুল এক নই!’

এ ব্যাপারে জানতে পাবনা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকের সরকারি মোবাইল নাম্বারে বার বার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী ভবনে ‘সেই রাতে’ যা ঘটেছিল

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে দিনভর নানা নাটকীয়তার পরে শনিবার দিবাগত মধ্যরাতের পরে অনাস্থা ভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান খান।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে যখন পাকিস্তানের পার্লামেন্টে নানা ঘটনা ঘটছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী ভবনেও ঘটেছে অনেক নাটকীয় ঘটনা।

সবার নজর পার্লামেন্টের দিকে থাকলেও প্রধানমন্ত্রী ভবনে তখন অনেকগুলো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, একের পর এক ঘটনা ঘটেছে। তার কিছু ক্যামেরার সামনে ঘটেছে, কিছু ঘটেছে রুদ্ধদ্বার কক্ষে।

বিবিসি উর্দু জানিয়েছে, যখন ইফতারের কারণে পাকিস্তানের পার্লামেন্টের অধিবেশন মুলতবী করা হয়, তখন হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী ভবন সরগরম হয়ে ওঠে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেখানে তার আইন এবং রাজনৈতিক উপদেষ্টাও অংশ নেন। সেই সঙ্গে পার্লামেন্টের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং কয়েকজন আমলাকেও ডেকে পাঠানো হয়।

মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ইমরান খানের অভিযোগ অনুযায়ী, পাকিস্তান সরকারকে উৎখাত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের যড়যন্ত্রের বিষয়টি কিছু কর্মকর্তার কাছে প্রকাশ করা হবে।

সেই সময় পাকিস্তান পার্লামেন্টের স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার প্রধানমন্ত্রী ভবনে এসে পৌঁছান, তবে তাদের লাউঞ্জে অপেক্ষা করতে বলা হয়।

এ সময় হেলিকপ্টারে করে দুইজন অনাহুত অতিথি এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী ভবনে। ভবন ঘিরে অস্বাভাবিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি আর সশস্ত্র ব্যক্তি সজ্জিত হয়ে আসা ওই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে পৌনে এক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন।

এই দুই জন অতিথির উপস্থিতি ইমরান খানের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। তিনি অবশ্য হেলিকপ্টারের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু যারা আসবেন বলে তিনি প্রত্যাশা বা ধারনা করেছিলেন, ঘটেছিল একেবারেই তার উল্টো।

বিবিসি উর্দুকে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ইমরান খান আশা করছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশে পার্লামেন্ট বসার পর সেখানে যে হইচই শুরু হয়েছে, এরপর তিনি সেনাবাহিনীতে সদ্য যেসব রদবদল করেছেন, সেই সামরিক কর্মকর্তারা হেলিকপ্টারে করে তার সঙ্গে দেখা করতে আসবেন।

সেটা হয়তো হতো, কিন্তু সমস্যা হলো, সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে যে বৈপ্লবিক রদবদল তিনি করতে চেয়েছিলেন, সেটা কার্যকর করতে হলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হয়। কর্মকর্তাদের বরখাস্ত বা নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের সেই আইনি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। ফলে ইমরান খানের বরখাস্ত আদেশ বা নতুন নিয়োগের আদেশ কার্যকরও হয়নি।

বিবিসি উর্দু প্রথম প্রতিবেদনে বাজওয়ার নাম উল্লেখ না করে জানিয়েছিল, ইমরান খান ‘একজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে অপসারণ চেয়েছিলেন। ওই কর্মকর্তা তার সঙ্গে বৈঠকের জন্য ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হেলিকপ্টারে এসেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি জারি না করায় ওই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

রোববার সকালে যদিও সামরিক মুখপাত্র দাবি করেছেন যে, এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। আইএসপিআর এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিবিসি যে প্রতিবেদন করেছে, তার সঙ্গে বাস্তব ঘটনার মিল নেই।

তবে সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, সদ্য পদ হারানো প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শনিবার রাতে যাতে এরকম কোন রদবদল করতে না পারেন, সেজন্য রাতেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

যদি ইমরান খানের রদবদলের আদেশের প্রক্রিয়া সম্পন্নও করা হতো, তারপরেও সেটা যাতে বাতিল হয়ে যায়, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।

শনিবার মধ্যরাতে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট খোলা হয় এবং সেখানকার প্রধান বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডেকে পাঠানো হয়।

তখন জানানো হয়েছিল যে, হাইকোর্ট একটি জরুরি পিটিশনের শুনানি করবে, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইমরান খান রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন এবং সেনাপ্রধানকে পদচ্যুত করার সুপারিশ করেছেন। ফলে জনস্বার্থে আদালতের ওই আদেশ বাতিল করে দেওয়া উচিত।

তবে শেষপর্যন্ত যেহেতু ইমরান খানের ওই আদেশ কার্যকর হয়নি, ফলে ওই পিটিশনেরও আর শুনানি হয়নি।

তবে এর কিছু পরে, মধ্যরাতে পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার। এরপর পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে অনাস্থা ভোটে গদি হারান ইমরান খান। ভোটাভুটি শুরুর কিছুক্ষণ আগেই অবশ্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ভবন ছেড়ে চলে যান।

মোদির সঙ্গে বাইডেনের ভার্চুয়াল বৈঠক আজ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির সঙ্গে আজ সোমবার ভার্চুয়াল বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে রোববার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর আনাদোলুর।

বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের জেন সাকি বলেছেন, অর্থনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।

এ ছাড়া দুই নেতা করোনা পরিস্থিতি, জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব অর্থনীতি, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

এর আগে গত মার্চ মাসে এ দুই নেতার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কোয়ার্ড সম্মেলনে।

এতে বাইডেনের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনও বৈঠকে অংশ নেবেন।

করোনায় পর্যটনে ক্ষতি ৬০ হাজার কোটি টাকা

করোনায় পর্যটন খাতের ক্ষতি হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। করোনা না হলে দেশের অর্থনীতিতে এই খাত মূল্য সংযোজন করত প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকা। করোনা থাবার পরও অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান প্রায় ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে ক্ষতি হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। আর এই সময়ে কাজ হারিয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার শ্রমিক। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) ‘দ্য কোভিড-১৯ প্যান্ডামিক অ্যান্ড দ্য হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম সেক্টর ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত সংস্থার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংস্থার সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মোহাম্মদ ইউনূস। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ। গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনায় পর্যটন খাতের অন্যতম কয়েকটি উপখাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পরিবহণ সংস্থার। এ উপখাতের ক্ষতি ২৪ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা। এছাড়া হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ব্যবসায় ক্ষতি ১৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। ট্রাভেল এজেন্টের ১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা, ট্যুর অপারেটরদের ২৪০ কোটি টাকা এবং রেস্টুরেন্টের ক্ষতি ১৫ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে অন্যান্য (টোটা) ক্ষেত্রে ক্ষতি হয়েছে ১ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। এখান থেকে পুনরুদ্ধার সরকারের সহায়তা ছাড়া অসম্ভব। উপখাতগুলো প্রধানত সহজ শর্তে প্রণোদনা ও কম সুদে ঋণ সুবিধা চায়। সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন। যাতে পর্যটক এবং সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংস্থা অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা ও হয়রানি এড়াতে পারে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, সমীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) পুরো খাতে বিক্রয় এবং আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এই পতন হোটেল এবং রিসোর্টগুলোর জন্য প্রায় ৮৪ শতাংশ এবং ট্যুর অপারেটর এবং ট্রাভেল এজেন্ট এবং বিনোদন পার্কের জন্য ৯৮ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ। বেশিরভাগ এন্টারপ্রাইজে (ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে) তৃতীয় ত্রৈমাসিক (জুলাই-সেপেটম্বর) থেকে বিক্রয় রাজস্বের উন্নতি হয়েছে, যা ২০২১ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) আরও উন্নত হয়েছে। প্রাক-মহামারি বছরের তুলনায় মহামারি বছরে হোটেল ও রিসোর্ট নিয়োগ করা কর্মচারী গড় সংখ্যা ৪২ শতাংশ কম ছিল। কিন্তু কর্মী ছাঁটাই ৩১৭ শতাংশ বেশি ছিল। অন্যদিকে ২০১৯-২০ সালে ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর এবং পর্যটন এসএমইদের মাধ্যমে হোটেল এবং রিসোর্টে তুলনামূলকভাবে খুব কমই কোনো নিয়োগ এবং ছাঁটাই করা হয়েছিল। রেস্তোরাঁ, পরিবহণ সংস্থা ও বিনোদন পার্কের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন হলেও ২০১৯ ও ২০২০ সালে রেস্তোরাঁয় গড়ে দু’জনেরও বেশি কর্মচারী নিয়োগ করা হয়েছিল। অন্যদিকে ২০২০ সালে চারজনেরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে যদিও ২০১৯ সালে ছাঁটাই করা হয়নি। বিনোদন পার্কগুলো অন্যান্য সাব-সেক্টরের তুলনায় ২০১৯ সালে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। ২০২০ সালে নিট কর্মসংস্থান সৃষ্টির হার কম ছিল। সমস্ত সাব-সেক্টরে ধারাবাহিকভাবে মহামারি চলাকালীন নেট কর্মসংস্থান কমেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা মহামারির সময়টাতে পর্যটন খাতে মোট কাজ হারিয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২০০ শ্রমিক। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কাজ হারিয়েছে হোটেল এবং রেস্টুরেন্টে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাবেদ আহমেদ বলেন, পর্যটন খাত উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই। এটি প্রথম গবেষণা বলা হয়েছে। আশা করছি ভবিষ্যতে আরও বেশি গবেষণা করা হবে। এই খাত বিকাশে নীতি সহায়তার জন্য সঠিক তথ্যের প্রয়োজন। ড. বিনায়ক সেন বলেন, পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পুরো শ্রীলংকার অর্থনীতি ক্ষতির মুখে পড়েছে। যদিও এর পেছনে অন্যান্য কারণও আছে। তারপরও বাংলাদেশের উচিত শ্রীলংকা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে পর্যটন খাত পুনরুদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়া। করোনার সময় প্রণোদনার সুবিধা পেয়েছে পোশাক খাত। পর্যটন খাত পেলে এত শ্রমিক কাজ হারাত না।

ঈদের পর আর সংযম করা সম্ভব হবে না: চুন্নু

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, রমজানে সংযম সাধনা করছি আমরা কিন্তু ঈদের পর আর সংযম করা সম্ভব হবে না। দেশের মানুষ ভালো নেই, আমরা তাদের অধিকার আদায়ে রাজপথে থাকব।

রোববার বিকালে মোহাম্মদপুরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম সেন্টুর সভাপতিত্ব এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম পাঠান পরিচালনা করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব চুন্নু আরও বলেন, ‘জাতীয় পার্টি কারো দালালি করে না, জাতীয় পার্টি কারো লেজুরবৃত্তি করে না। আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি কারো সঙ্গে নেই। কারো প্রয়োজন হলে তারা জাতীয় পার্টির দালালি করবে। কারণ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে এসে জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কো চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, এসএম ফয়সল চিশতী, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, নাজমা আক্তার এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, ক্বারী হাবিবুল্লাহ বেলালী, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক।

উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শেরীফা কাদের এমপি, মনিরুল ইসলাম মিলন, আমানত হোসেন আমানত, মাহবুবুর রহমান লিপ্টন, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, সুলতান আহমেদ সেলিম, ইয়াহ ইয়া চৌধুরী, মো. জসিম উদ্দীন ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, মো. শামসুল হক, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন, আনিস উর রহমান খোকন, কাজী আবুল খায়ের, মাখন সরকার, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুলতান মাহমুদ, এমএ রাজ্জাক খান, জহিরুল ইসলাম মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক ভূঁইয়া, গোলাম মোস্তফা, মিজানুর রহমান মিরু, যুগ্ম সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আবু তৈয়ব, মোস্তফা কামাল, ডা. সেলিমা খান, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলে এলাহি সোহাগ, সরদার নজরুল ইসলাম, লোকমান ভূঁইয়া রাজু, এম মহিবুল, ফারুক আহমেদ, আলমগীর হোসেন, সুলতান আরা রিমা, শারমিন, মিনি খান, এসএম হাসেম, নাহার ইতি, আলাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন, হাজী সিরাজ, চৌধুরী পারভেজ সাজ্জাদ, আবুল বাশার, দুলাল, এমএম সেলিম, মো. আলী, নূরুন্নবী, কামাল।