শুক্রবার ,১৪ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 345

আবারো সিয়াম-পূজা জুটি

২০১৮ সালে ‘পোড়ামন-২’ নামের একটি সিনেমা দিয়ে নতুন জুটি হিসেবে অভিষেক হয় সিয়াম ও পূজা চেরীর। সিনেমাটির ব্যাপক ব্যবসায়িক সফলতার পর এই জুটিকে নিয়ে আবারো নির্মিত হয় সিনেমা। এম রাহিম পরিচালিত ‘শান’ নামের এই সিনেমাটি আগামী ঈদে মুক্তি পাচ্ছে।

ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভাগীয় শহরের বড় বড় সব সিনেমা হলে ইতোমধ্যে ছবিটি মুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। ঈদের দিন থেকে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সের সবগুলো শাখা, যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাস, শ্যামলী সিনেপ্লেক্স, ঐতিহ্যবাহী হল মধুমিতা ও আনন্দ সিনেমা হলে মুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত। বগুড়ার মধুবন, খুলনার শংখ ও লিবার্টি হলে ‘শান’ প্রদর্শনের বিষয়টি চূড়ান্ত।

এছাড়াও মানিকগঞ্জের নবীন হল, জয়দেবপুরের বর্ষা, শ্রীপুরের চন্দ্রিমা, টাঙ্গাইলের মালঞ্চ, ময়মনসিংহের ছায়াবানী, মধুপুরের মাধবী সিনেমা, মেহেরপুরের মেহেরপুর সিনেমা, জয়পুরহাটের পৃথিবী কমপ্লেক্স, গোপালগঞ্জের চিত্রবানী সিনেমা, শান্তহারে পূর্বাশা সিনেমা, সিরাজগঞ্জের রেড সিনেক্লাব এবং নারায়ণগঞ্জের সিনেস্কোপের মতো হলগুলোতে শান সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। এছাড়াও দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের বড় বড় হলগুলোতেও সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে বলে জানান ছবিরটির প্রযোজক ওয়াহিদুর রহমান ।

অ্যাকশন থ্রিলার গল্পের এ ছবিটি নির্মিত হয়েছে সত্য ঘটনা অবলম্বনে। আজাদ খানের গল্পে চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন যৌথভাবে আজাদ খান ও নাজিম উদ দৌলা। ফিল্মম্যান প্রডাকশনের ব্যানারে সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন ওয়াহিদুর রহমান এবং এম আতিকুর রহমান। ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন- মিশা সওদাগর, ডন, নাদের চৌধুরী, তাসকিন রহমান, সৈয়দ হাসান ইমাম, চম্পা, অরুণা বিশ্বাসসহ অনেকে।

রণবীরের বিষয়ে ক্যাটরিনাকে আগেই সাবধান করেছিলেন ইমরান হাশমি!

বলিউড সুপারস্টার রণবীর কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফের প্রণয়ের কথা কার না জানা! দীর্ঘ চার বছর চুটিয়ে প্রেমের পর ২০১৬ সালে আলাদা হয়ে যায় এ জুটি। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেন তারা। গেল ডিসেম্বরে ক্যাটরিনা বিয়ে করেন ভিকি কৌশলকে আর গত সপ্তাহে আলিয়া ভাটকে বিয়ে করেন রণবীর।

তবে রণবীর ও ক্যাটরিনার সম্পর্ক নিয়ে এখনও চর্চা হচ্ছে বলিউডে। নায়ক ইমরান হাশমিই নাকি ক্যাটরিনাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন রণবীরকে ছেড়ে আসার জন্য। করণ জোহরের চ্যাট শোতে ইমরানকে বলা হয়েছিল— রণবীর এবং ক্যাটরিনাকে তিনি কী পরামর্শ দিতে চান? তখন তিনি রণবীরকে পরামর্শ দেন— ‘প্রেম প্রেম খেলা বন্ধ করো।’ আর ক্যাটরিনার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘রণবীরকে ছাড়ো।’

রণবীর কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফকে শেষবার একসঙ্গে পর্দায় দেখা গিয়েছিল ‘জাগ্গা জাসুস’ সিনেমায়। তার পরই দুজনের পথ আলাদা হয়ে যায়। ছবিটিও বক্স অফিসে সেভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি। তবে বিচ্ছেদের পরও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন রণবীর এবং ক্যাট।

এদিকে মহেশ শর্মার ‘টাইগার-৩’ ছবিতে ক্যাটরিনার সঙ্গে প্রথমবার পর্দা ভাগ করবেন ইমরান, সঙ্গে রয়েছেন এ অভিনেত্রীর আরেক সাবেক সালমান খান।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

অবশেষে স্বস্তির জয়, আশা বাঁচিয়ে রাখল বার্সা

ইউরোপা লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগে ফ্রাঙ্কফুর্টের কাছে হারের পর লা লিগায় কাদিজের কাছে হেরে যান কাতালানরা। অবশেষে দুই ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল বার্সেলোনা।

বৃহস্পতিবার রাতে লা লিগায় রিয়াল সোসিয়াদের মাঠ থেকে ১-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে বার্সেলোনা। দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন পিয়েরি এমরিক অবামেয়াং।

সোসিয়েদাদের মাঠে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। খেলার ১১তম মিনিটে অবামেয়াংয়ের গোল স্বস্তি এনে দেয় বার্সেলোনা ডাগআউটে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি জাভির দল।

পুরো ম্যাচে ৪৪ ভাগ বলের দখল ছিল বার্সার পায়ে। প্রতিপক্ষের পোস্টে ১১টি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখে বার্সা। বল দখলে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা পায়নি সোসিয়াদাদ। বার্সার পোস্টে ৮টি শটের মধ্যে পাঁচটি লক্ষ্যে রাখে রিয়াল সোসিয়েদাদ।

তথ্যসূত্র: গোলডটকম।

শোয়েব ভাই অনেক ভাগ্যবান: সানিয়ার পোস্টে ভক্তের কমেন্ট

ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা তার সহজ কিন্তু চমৎকার ফ্যাশন সেন্স দিয়ে মুগ্ধ করেছেন ভক্তদের।

ইনস্টাগ্রামে একটি চমৎকার ফুলের-মুদ্রিত পোশাকে দুটি ছবি পোস্ট করেছেন। আর ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘গ্রীষ্মে এটি বসন্ত’।

৩৫ বছর বয়সি এ তারকা তার চোখে মেকআপ করে ভারি কানের দুল দিয়ে সাজিয়েছেন নিজেকে৷ সামগ্রিকভাবে এটি একটি ট্রেন্ডি কিন্তু অগোছালো চুলের সঙ্গে একটি অনায়াসে বিনয়ী চেহারা ছিল।

তার এই চেহারায় তার ভক্তরা তার প্রশংসায় মেতেছেন। কমেন্ট বক্সে সানিয়া মির্জাকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, রমাদান কারিম।

অন্য একজন ব্যবহারকারী কমেন্ট করেছেন, তার ধারণা সানিয়া রমজানের একটি মিলনমেলার জন্য পোশাক পরেছিলেন, ‘দাওয়াতে রমজান’।

আরেকজন লিখেছেন, সুন্দর গোলাপের মতো। অন্য আরেকজন লিখেছেন— শোয়েব ভাই অনেক ভাগ্যবান।

সানিয়া মির্জা এবং তার স্বামী পাকিস্তানী ক্রিকেট তারকা শোয়েব মালিককে অনেকে পাকিস্তান-ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক বলে মনে করেন।

ইনস্টাগ্রামে সানিয়া মির্জার ৯.১ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে। তার এই পোস্টটি করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ পোস্টে ৪২ হাজার লাইক পড়ে।

পাচারকালে ভেজাল কীটনাশকসহ ভর্তুকির সার আটক

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ভেজাল কীটনাশকসহ সরকারের ভর্তুকি দেওয়া সারের একটি চালান কালোবাজারে বিক্রির জন্য সরিয়ে নেওয়ার সময় আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে ট্রলারসহ ওই চালানটি আটক করা হয়।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদার জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রক্তি নদীর নৌপথে কিশোরগঞ্জের ভৈরবমুখী ইঞ্জিনচালিত ট্রলারটি আটক করা হয়।

ওই ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক কার্টুনভর্তি ভেজাল কীটনাশকের বোতল ও ভর্তুকির ২৭১ বস্তা ডিএপি (দানাদার) সার জব্দ করা হয়। এ সময় ট্রলারের মালিক, মাঝি সুকানিসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা পুলিশকে জানায়, কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারে ডিএপি সার ও কীটনাশকের চালান পৌঁছে দিতে তাহিরপুরের বিসিআইসি নিয়োজিত রাবেয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী নাগারপুর গ্রামের বাসিন্দা ডিলার হাফিজুর রহমান ট্রলারটি ভাড়া করেন।

এ বিষয়ে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রহিছ উদ্দিনের ছেলে ও বিসিআইসি নিয়োজিত ডিলার হাফিজুর রহমান বলেন, কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারে অপর এক ডিলারের নিকট ২৭১ বস্তা ডিএপি সার ফেরত পাঠাতে গিয়ে পুলিশ সারের চালান আটক করেছে। সারের সঙ্গে ভেজাল কীটনাশক আটকের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কোনো রকম সদুত্তর দিতে পারেননি।

তাহিরপুর উপজেলা সার বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রায়হান কবির বলেন, নৌপথে কালো বাজারে পাচারকালে সরকারের ভর্তুকির সার ও ভেজাল কীটনাশক আটকের খবর পেয়ে আইনিব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আল-আকসায় ইহুদিদের প্রার্থনা বন্ধের আহ্বান আরব লিগের

এবার মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডের ভেতরে ইহুদিদের প্রার্থনা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে আরব লিগ।

বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে এ ধরনের কর্মকাণ্ড মুসলিম অনুভূতির জন্য স্পষ্ট অপমান এবং এর ফলে ব্যাপক সংঘর্ষের সূত্রপাত হতে পারে বলেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে জোটটি। খবর আলজাজিরার।

পবিত্র আল-আকসা মসজিদ ঘিরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা চললেও এতদিন নীরব ছিল আরব দেশগুলোর জোট আরব লিগ। তবে ইসরাইলি কর্মকাণ্ড ও সাম্প্রতিক সহিংসতার বিষয়ে জোটটি জানিয়েছে, জেরুজালেমের পুরনো শহরে মুসলমানদের ইবাদতের অধিকার ক্ষুণ্ন করছে ইসরাইল। এর পাশাপাশি পুলিশি নিরাপত্তার মাধ্যমে উগ্র-জাতীয়তাবাদী ইহুদিদের পবিত্র এই স্থানে প্রবেশের সুযোগও করে দিচ্ছে দেশটি।

এর আগে গত রোববার অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরাইলি পুলিশের প্রবেশের পর ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ ছাড়া গত ১৫ এপ্রিল শুক্রবার আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরাইলি পুলিশের অভিযানে দেড় শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হন। এ ছাড়া প্রায় ৩০০ ফিলিস্তিনিকে আটক করে ইসরাইল।

হোটেলের ইফতারি খেয়ে ৯ বিচারকসহ ৩০ জন অসুস্থ

পাবনায় একটি অভিজাত হোটেলের ইফতারি খেয়ে জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৯ বিচারকসহ অন্তত ৩০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে শহরের রূপকথা সড়কের কাশমেরি ফুড গার্ডেনের সত্ত্বাধিকারী ও সরকারি এডওয়ার্ড কলেজছাত্র সংসদের সাবেক জিএস হাসানুর রহমান রনিসহ (৪৫) ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে রাতেই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেফতার অন্যরা হলেন- কাশমেরি ফুড গার্ডেনের ব্যবস্থাপক সাব্বির হোসেন (৪৬) ও নাজমুস সাদাত মাসুদ (৪০)। এ ঘটনায় শহরে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় পাবনা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একজন বিচারকের বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা ও ইফতারের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুজ্জামান, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান আল আজাদ ও সহকারী জজ মো. তৌহিদুল ইসলামসহ ৯ বিচারক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই অনুষ্ঠানের জন্য কাশমেরি ফুড গার্ডেন থেকে আনা ইফতারি খাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একে একে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের মধ্যে ছয় জনকে পাবনার বেসরকারি শিমলা হাসপাতালে নেয়া হয় এবং সেখানে তারা চিকিৎসা নেন। অন্যরা নিজ নিজ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পাবনা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, পাবনা জজকোর্ট কনফারেন্স রুমে এক ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়। এতে পাবনা শহরের রূপকথা সড়কের কাশমেরি ফুড গার্ডেনে অর্ডার দিয়ে ৭০ প্যাকেট ইফতার সামগ্রী ও বিরিয়ানি প্যাকেট আনা হয়। পরে ওই খাবার খেয়ে কমপক্ষে ৩০ জন অসুস্থ হন। পরীক্ষা করে দেখা যায়, খাবারগুলো খাওয়ার অনুপযুক্ত এবং দুর্গন্ধযুক্ত ও তৈলাক্ত।

পাবনার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (এসিজেএম) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী ইফতারের খাবার খেয়ে চরম অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিই। পরে আমি বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩-এর ৩৩ ধারায় মামলা করি। একইসঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করি।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও প্রশাসন) মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে মামলা হলে রাতেই তাদেরকে গ্রেফতার করে কারাগারের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ইলহানের আজাদ কাশ্মীর সফরের নিন্দা জানিয়েছে ভারত

মার্কিন নারী আইনপ্রণেতা ইলহান ওমরের পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর এলাকা সফরের নিন্দা জানিয়েছে ভারত।

চার দিনের ব্যক্তিগত সফরে গত বুধবার তিনি ইসলামাবাদ পৌঁছান। বৃহস্পতিবার পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর এলাকা সফর করেন ইলহান।

সেখানে তিনি পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্য নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

বৈঠকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ বিষয়ে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত।

মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ২০ এপ্রিল থেকে পাকিস্তান সফর করছেন। চার দিনের এ সফরে তিনি ইতোমধ্যে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার উত্তরসূরি শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

পাকিস্তানে গত সপ্তাহে নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়। তার পর এই প্রথম কোনো মার্কিন আইনপ্রণেতা দেশটি সফর করছেন। এ সফরে ইমরানের সঙ্গে ইলহানের বৈঠক নিয়ে পাকিস্তানে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

কারণ পাকিস্তানের সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী ইমরান দাবি করে আসছেন, তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র ছিল।

ইলহানের পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর এলাকা সফরের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের কাছে নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়া জানতে চান সাংবাদিকেরা। জবাবে তিনি বলেন, এটা নিন্দনীয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, এমন একজন রাজনীতিবিদ যদি তার দেশে বসে তার সংকীর্ণ রাজনীতির চর্চা করতে চান, তা হলে সেটি তার ব্যক্তিগত বিষয় হতে পারে। কিন্তু এ চর্চার অনুসরণে আমাদের আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা হলে তা আমাদের বিষয় হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিন্দনীয়।’

১৯ হাজার কোটি টাকার জোগান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

সংকটে পড়া ব্যাংকগুলোকে নগদ টাকার জোগান দিতে তারল্য সহায়তার আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ১৬ দিনে ১৯ হাজার কোটি টাকার জোগান দিয়েছে।

৩ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ব্যাংকগুলোকে ওই সহায়তা দেওয়া হয়। তবে ব্যাংকগুলোতে এখনও তারল্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করেনি। সার্বিকভাবে ব্যাংক খাতে ২ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। এগুলোর একটি অংশ বিভিন্ন বন্ডে বিনিয়োগ করা। আর কিছু ব্যাংক তারল্য ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে সংকটে পড়েছে।

সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংক থেকে মানুষের টাকা তোলার প্রবণতা বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে নতুন আমানত রাখার হার কমায় সঞ্চয়ের হার কমে গেছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সও কমেছে। এদিকে আমদানি ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়েছে। আমদানি ব্যয় মেটাতে ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা না থাকায় তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে। এতেও ব্যাংকগুলোর টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আটকে পড়েছে। বেড়েছে ঋণের প্রবাহও। এসব কারণে কিছু ব্যাংকে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে।

এছাড়া আসন্ন রোজার ঈদে ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার চাহিদা বাড়ে। এই সময়ে গ্রাহকরা বেশি মাত্রায় নগদ টাকা তুলে নেন। করোনার সংকট মোকাবিলায় টাকার প্রবাহও বাড়ানোর পক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসব কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চাহিদা অনুযায়ী টাকার জোগান দেওয়া হচ্ছে। ব্যাংকগুলো যে টাকা চাচ্ছে, তাতে কোনো কাটছাঁট করছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চাহিদা অনুযায়ীই টাকার জোগান দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, ১৮ এপ্রিল দুটি উপকরণের মাধ্যমে ১৯টি ব্যাংককে ৪ হাজার ৩৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। ১৭ এপ্রিল ৪ হাজার ৯৩১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, ১৩ এপ্রিল ৩ হাজার ৪৩৯ কোটি ৪ লাখ টাকা, ১০ এপ্রিল ৫৫১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এর আগে ৭ এপ্রিল ৬৯৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, ৬ এপ্রিল ৯২৪ কোটি টাকা, ৫ এপ্রিল ১ হাজার ৯০০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, ৪ এপ্রিল ১ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকা এবং ৩ এপ্রিল ৯৭৭ কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই ফেব্রুয়ারিতে ঋণ প্রবাহ বেড়েছে ৮৭ শতাংশ। এর বিপরীতে আমানত প্রবাহ কমেছে ৫০ শতাংশ। ঋণ ও আমানতের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হলে ঋণের চেয়ে আমানত বাড়তে হয় বেশি। কেননা আমানতের পুরো অর্থ ঋণ বিতরণ করা যায় না। ১৫ থেকে ১২ শতাংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গ্রাহকদের নিরাপত্তার জন্য জমা রাখতে হয়।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংকিং খাতে আমানত কমেছে ৫০ শতাংশ। এদিকে ঋণ প্রবাহ বেড়েছে ৮৭ শতাংশ। ফলে এখানে বড় অঙ্কের ঘাটতি রয়েছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দিয়ে তারল্য বাড়ে ব্যাংকে। কিন্তু রেমিট্যান্স কমায় তারল্য কমেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চে রেমিট্যান্স কমেছে ১৮ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই ফেব্রুয়ারিতে আমদানি বেড়েছে ৪৭ শতাংশ। এলসি খোলা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। রেমিট্যান্স কমায় আমদানির দেনা শোধ করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে পর্যাপ্ত ডলার নেই। ফলে তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে। চলতি অর্থবছরের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৮০০ কোটি ডলার কিনেছে বাণিজ্যক ব্যাংক থেকে। এর বিপরীতে প্রায় ৬৮ হাজার কোটি টাকা আটকে গেছে বাংলাদেশ ব্যাংকে।

এদিকে নানা প্রয়োজনে গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে নিচ্ছেন। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪১ শতাংশ বেশি নগদ অর্থ তুলেছেন। মার্চ ও এপ্রিলে রোজা ও ঈদের কারণে টাকা তোলার হার আরও বাড়বে। কেননা ঈদের সময়ে গ্রাহকের নগদ টাকার বেশি প্রয়োজন হয়। এদিকে ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার চাহিদা বাড়ায় কলমানির সুদের হারও বেড়ে গেছে। এক বছর আগে এ হার দেড় শতাংশের নিচে ছিল। ৬ মাস আগে ২ শতাংশের মধ্যে ছিল তা বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশে উঠেছে।

মূল্য সমন্বয় না হলে বাড়াতে হবে ভর্তুকি

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের মূল্য বেড়েছে ২৩৪ শতাংশ। টিএসপি সার বেড়েছে ৬৫ শতাংশ। এলএনজি গ্যাসের মূল্য বেড়েছে প্রতি এমএমবিটিইউতে ১৫ মার্কিন ডলার।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে এসব পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরে তা আগের মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে। কারণ সরকার মূল্য সমন্বয় (বৃদ্ধি) না করে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সারে ভর্তুকি দিচ্ছে। কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে আগামী বছরে এসব খাতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি গুনতে হবে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব-‘হয় মূল্য সমন্বয় করতে হবে, না হলে ভর্তুকি আরও বাড়াতে হবে।’ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আর্থিক মুদ্রা ও মুদ্রা বিনিময় হার সংক্রান্ত কো-অডিনেশন কাউন্সিল বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

অর্থ মন্ত্রণালয় হিসাবে মূল্য সমন্বয় করা না হলে আগামী অর্থবছরে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ বাবদ অর্থের প্রয়োজন হবে ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। এটি আগামী অর্থবছরের জিডিপির ১ দশমিক ৯০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ আছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১ দশমিক ১৭ শতাংশ। অর্থাৎ টাকার অঙ্কে এসব খাতে অতিরিক্ত ভর্তুকির প্রয়োজন ২৭ হাজার ৯১০ কোটি টাকা।

মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, সারে কৃষককে দেওয়া হচ্ছে ভর্তুকি মূল্যে। গ্যাস যাচ্ছে আবাসিকসহ শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। এসব পণ্যের মূল্য সমন্বয় করতে হলে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের প্রয়োজন। অর্থ বিভাগ প্রস্তাব করেছে দুটিই।

মূল্য সমন্বয় না হয় ভর্তুকি বাড়াতে হবে। তিনি আরও বলেন, এর আগে নতুন বছরের শুরুতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে অর্থ বিভাগ। অর্থনৈতিক কো-অডিনেশন কাউন্সিল বৈঠকে দেওয়া হয়েছিল সে প্রস্তাব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মূল্য বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। যে কারণে সংশোধিত বাজেটে ভর্তুকি বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দের চেয়ে আরও প্রায় ১২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

জানতে চাইলে সাবেক সিনিয়র অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, কৃষি ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানো যাবে না। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে হবে। আর ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে যে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে সেজন্য রাজস্ব আহরণ আরও বাড়াতে হবে। তিনি আরও বলেন, রপ্তানির সব খাতে প্রণোদনার প্রয়োজন আছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।

জানা গেছে, বিশ্ববাজারে এলএনজি গ্যাসের মূল্য বেড়েছে। যেখানে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্য ৫ মার্কিন ডলারের শতাংশের নিচে ছিল। সেটি এখন ২০ মার্কিন ডলারে উঠেছে। যে কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে বলা হয়, আগামী (২০২২-২৩) অর্থবছরে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। আর সেটি না হলে ভর্তুকির প্রয়োজন হবে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। সূত্র আরও জানায়, এখনই বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় বেড়েছে। যে কারণে সংশোধিত বাজেটে এ খাতে ভর্তুকি ৯ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়, গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করা না হলে এলএনজির আমদানির মূল্য পরিশোধ এবং প্রণোদনা প্যাকেজের সুদ ভর্তুকি পরিশোধ করতে আগামী অর্থবছরে ১৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।

সূত্র মতে, চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মোট ভর্তুকির অঙ্ক বাড়ানো হয়েছে। সেখানে সবচেয়ে বেশি গেছে এলএনজি খাতে। অর্থবছরের শুরুতে এ খাতে ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ ছিল ১০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে বেড়ে ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এদিকে সারের মূল্য সমন্বয় করা না হলে ২০২২-২৩ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা বাবদ ১৫ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে হিসাব কষছে অর্থ বিভাগ। এরই মধ্যে সংশোধিত বাজেটে সারের ভর্তুকি ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

জানা গেছে, বিশ্ববাজারে সারের মূল্য অস্বাভাবিক বেড়েছে। বেশি দামে আমদানি করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের হাতে তা তুলে দেওয়া হচ্ছে। সরকার এই মহূর্তে কৃষকের সারের মূল্য বাড়ানোর পথে হাঁটতে চাচ্ছে না। ফলে এ খাতে ভর্তুকি বাড়ানো হবে এমনি ধরে নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এছাড়া করোনার কারণে গরিব মানুষকে কম মূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে স্বল্পমূল্যে বিতরণ কর্মসূচির আওতায় ৩২ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন চাল দেওয়া হচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাবে এই কর্মসূচির ৭৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। আগামী তিন মাসে বাকি ২৫ শতাংশ বিতরণ করা হবে। আর এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে ভতুকি দেওয়া হয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকা। তবে আগামী অর্থবছরের জন্য এ খাতে আরও ৭৪৫ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকার ভর্তুকির প্রস্তাব করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।