শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 321

কৃষি ও মৎস্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ আলোচনা

মালদ্বীপে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়ে যোগদান করার পরে রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ। মালদ্বীপের সাথে দেশের দ্বিপক্ষীক উন্নয়নে মালদ্বীপের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি দের সাথে সাক্ষাৎ করে যাচ্ছেন,এরই ধারাবাহিকতায়।

১০ মে হাই কমিশনার রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ মালদ্বীপের ফিসারিজ, মেরিন রিসোর্সেস এন্ড এগ্রিকালচার মিনিস্টার ড. হুসেইন রশিদ এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এসময় উভয় দেশের কৃষি ও মৎস ক্ষেত্রে বিভিন্ন সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়। মালদ্বীপের কৃষি মৎস ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে মালদ্বীপ কে সহযোগিতা প্রদানের জন্যও বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। আলোচনাকালে মন্ত্রী এবং রাষ্ট্রদূত দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারকরন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে একযোগে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, পারমানেন্ট সেক্রেটারি ও ডিজি এগ্রিকালচার এবং দূতাবাসের প্রথম সচিব মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

২২৫ সহকারী পরিচালক নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘সহকারী পরিচালক (জেনারেল)’ পদে ২২৫ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। কোনো আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (জেনারেল)

পদ সংখ্যা: ২২৫ জন

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বা ন্যূনতম চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি। আগামী ১৫ জুনের আগে যাদের স্নাতক পরীক্ষার ফলাফর প্রকাশ হবে তাদের যে কেউ করতে পারবেন আবেদন।

এ ছাড়া পদটিতে আবেদনের বিস্তারিত দেখা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে— https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/openpdf.php

বেতন: ২২০০০/- থেকে ৫৩০৬০/-

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২১-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে(জন্ম তারিখ সর্বনিম্ন ১১/০৫/২০০১, সর্বোচ্চ ১১/০৫/১৯৯২ পর্যন্ত)। তবে প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন, https://erecruitment.bb.org.bd/

আবেদনের শেষ তারিখ: আগ্রহীরা আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

হঠাৎ হাত-পায়ে ব্যথা কি জটিল রোগের লক্ষণ?

হাত-পায়ে হঠাৎ ব্যথা দেখা দেয়। আঘাত ছাড়াও অনেক সময় এই ব্যথা হতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিয়ে এই ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষারীতিতে ‘অ্যাকিউট’ ও ’ক্রনিক’- দু’টো বহুল প্রচলিত শব্দ। অ্যাকিউট মানে স্বল্প মেয়াদ আর ক্রনিক মানে দীর্ঘমেয়াদের ব্যাপার। লিম্ব ইশকেমিয়া বা হাত পায়ের ধমনিতে রক্ত চলাচলে বিঘ্নসংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রেও এ রকম দুটো সময় সম্পর্কিত বিষয় রয়েছে।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকিমিয়া এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে ধমনিতে ব্লকের ঘটনা ঘটে সহসা এবং এর বহিঃপ্রকাশ ও একেবারে নাটকীয়। অন্যদিকে ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে এ ঘটনা দীর্ঘমেয়াদে ঘটে ও এর লক্ষণগুলো একটু একটু করে ধাপে ধাপে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও ভাস্কুলার সার্জন ডা. আবুল হাসান মুহাম্মদ বাশার।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ

আঘাতের কারণে রক্তনালি ছিঁড়ে কেটে বা থেঁতলে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাগুলো বাদ দিলে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণগুলো মোটামুটি নিম্নরূপ-

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড

আমরা সবাই জানি যে রক্ত তরল অবস্থায় রক্তনালির ভেতর দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়। রক্তনালি বা হৃৎপিণ্ডের ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াটা অস্বাভাবিক এবং বিপজ্জনক। বিভিন্ন কারণে হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের মধ্যে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। জমাট বাঁধা রক্তের এ টুকরো রক্তস্রোতের সঙ্গে প্রবাহিত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে শরীরের যে কোনো জায়গায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে এবং সেখানকার রক্ত সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। মস্তিষ্কে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তাকে স্ট্রোক (Stroke) বলা হয়। হাত বা পায়ের ধমনি বন্ধ হলে ঘটনাটি পরিচিত হয় অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়া নামে। হৃৎপিণ্ডের ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার অনেক কারণ আছে।

রক্তনালি

মাঝে মাঝে রক্তনালি বা ধমনি নিজেই অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হয়তো ধমনির ভেতরের দেয়ালে আগে থেকেই কলেস্টেরলের আস্তরণ ছিল। এ আস্তরণ কোন কারণে ভেঙে গেলে তার ওপর রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। এক পর্যায়ে এ জমাট রক্ত ধমনির রক্ত চলাচলের পুরো পথটাকেই বন্ধ করে দেয়। আর পুরো ঘটনাটা ঘটে অতি অল্প সময়ের মধ্যে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগীরা আগে থেকে ক্রনিক লিম্ব ইশকিমিয়ার লক্ষণাদি (যেমন হাঁটতে গেলে পায়ে ব্যথা) প্রকাশ করেন যদিও সেই সময় তারা তা টের পান না বা গুরুত্ব দেন না। ‘অ্যাকিউট অন ক্রনিক লিম্ব ইশকিমিয়া’র মূল দৃষ্টান্ত হলেন এসব রোগী।

কখনও ধমনির ফুলে যাওয়া অংশ বা অ্যানিউরিজম থেকে জমাট রক্ত ছুটে গিয়েও পরবর্তী অংশের ধমনি বন্ধ করে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার সৃষ্টি করতে পারে।

সারভাইকাল রিব

হাতের অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার ক্ষেত্রে সারভাইকাল রিবের কথা মাথায় না রাখলেই নয়। সারভাইকাল রিব ঘাড়ের নিচের দিকের কশেরুকা থেকে জন্ম নেয়া একটি বাড়তি হাড় যা কখনও কখনও হাতে রক্ত সরবরাহকারী সাবক্লাভিয়ান ধমনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এ চাপের ফলে ধমনির ভেতরের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে করে অনেক সময় ধমনির আঘাতপ্রাপ্ত অংশ ফুলে যায় (অ্যানিউরিজম) ও এর ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এ জমাট রক্ত ছুটে গিয়ে পরবর্তী অংশের ধমনি বন্ধ করে দিয়ে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার সৃষ্টি করে। রোগীরা ঠাণ্ডা হাত, তীব্র ব্যথা ও কালো/নীল আঙ্গুল নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন। এসব ক্ষেত্রে রক্তনালির অপারেশনের সঙ্গে সঙ্গে ঘাড়ের বাড়তি হাড় কেটে ফেলাও চিকিৎসার অংশ। সারভাইকাল রিব ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের বেশি হয়।

রক্ত

কখনও কখনও রক্তও অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ হয়ে ওঠে। রক্তের উপাদানগত সমস্যা বা কোনো কারণে সাময়িকভাবে রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে (যেমন পানিশূন্যতা) রক্ত ধমনির ভেতরেই জমাট বেঁধে যায় ও রক্ত চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার লক্ষণ

* হঠাৎ করে হাত বা পা ঠাণ্ডা হয়ে গিয়ে তীব্র ব্যথা শুরু হয়।

* হাত, পা দ্রুত ফ্যাকাসে ও নীল হয়ে যেতে শুরু করে।

* হাত-পায়ে বোধ শক্তি কমে যেতে থাকে।

* নাড়াচাড়ার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।

* আক্রান্ত অংশে নাড়ির স্পন্দন টের পাওয়া যায় না।

কী ঘটে

পিভিডি বা ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়ার সঙ্গে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার মূল তফাৎটা হল সময়ের। ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে যে ঘটনা অনেক দিন, মাস, বছর ধরে একটু একটু করে ঘটতে থাকে, অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার ক্ষেত্রে সে ঘটনাই কয়েক মিনিট বা ঘণ্টার মধ্যে ঘটে যায়। অর্থাৎ রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় একেবারে হঠাৎ করে। তাই অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার বহিঃপ্রকাশও অত্যন্ত নাটকীয়। ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে একটু একটু করে রক্ত চলাচল কমতে থাকায় শরীর বিকল্প রাস্তা বা কোলেটারাল (Collateral) তৈরি করে নেয়ার সময় পায়। অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়াতে বিকল্প পথ তৈরির সময় পাওয়া যায় না বলে আক্রান্ত অংশ হঠাৎ করে প্রায় পুরোপুরি রক্ত তথা অক্সিজেন ও পুষ্টি বঞ্চিত হয়ে পড়ে। দ্রুত রক্ত সরবরাহ ফিরিয়ে আনা না গেলে এর পরিণতি অঙ্গহানী।

করণীয়

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়া বুঝতে পারাটাই আসল কাজ। রোগীর লক্ষণ দেখে সমস্যার কথাটা মাথায় এলেই রক্ষা। দেখছি, যাচ্ছি, যাব করতে থাকলে বিপদ। রোগীর দায়িত্ব সময় নষ্ট না করে নিকটস্থ হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে যাওয়া। চিকিৎসকের দায়িত্ব রোগ নির্ণয় বা আন্দাজ করে দ্রুত রক্তনালি বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো। এ পাঠানো ব্যাপারটা নিয়ে আমাদের দেশে বিরাট সমস্যা দেখা যায়। প্রথমত রোগ নির্ণয়ে অনেকে ব্যর্থ হন, আবার রোগ নির্ণয় হলেও পাঠাতে বিলম্ব হয়। পথের দূরত্ব যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা এক্ষেত্রে দায়ী। কারণ যাই হোক, চিকিৎসার এ বিলম্বের মূল্য অনেক বেশি। যারা অর্থের মূল্য বোঝেন, তারা অর্থ উপার্জনে সময়ের দাম বুঝাতে বলেন- ‘টাইম ইজ মানি’। রক্তনালির চিকিৎসক হিসেবে আমরা অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ায় সময়ের দাম বুঝনোর জন্য বলি- ‘টাইম ইজ লিম্ব’।

সময় কম- কত কম

ধমনি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও হাত বা পা কতক্ষণ টিকে থাকতে পারে- এ প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দেয়া সম্ভব নয়। ব্যাপারটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। কোন ধমনিটি বন্ধ হয়েছে, হাত বা পায়ের রক্ত সরবরাহে তার ভূমিকা কতখানি, বিকল্প কোন ধমনি আছে কি না- এসবের ওপর নির্ভর করে সময়ের দৈর্ঘ্য। তবে এক্ষেত্রে ‘গোল্ডেন আওয়ার’ (Golden Hour) বলে একটা ধারণা প্রচলিত আছে। এ সময়ের ভেতরে ব্যবস্থা নেয়া গেলে সাধারণত স্থায়ী ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়। সময়টা ৬ ঘণ্টা। পায়ের ক্ষেত্রে হাঁটুর পেছনের পপলিটিয়াল ধমনি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিণতি সবচেয়ে ভয়াবহ। সময়মতো ব্যবস্থা না নেয়া গেলে এক্ষেত্রে পা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আশি শতাংশেরও বেশি।

চিকিৎসা

বন্ধ ধমনিকে চালু করাই অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা। কয়েকটি পদ্ধতিতে বন্ধ ধমনি চালু করা যায়-

অপারেশন

সাধারণত জমাট রক্ত দিয়ে বন্ধ হয় বলে এম্বোলেকটমি (Embolectomy) নামের এক ধরনের অপারেশনের মাধ্যমে ধমনির ভেতর থেকে জমাট রক্ত বের করে এনে রক্ত সরবরাহ চালু করা যায়। এ কাজে ‘ফগার্টি এম্বোলেকটমি ক্যাথেটার’ (Fogarty Embolectomy Catheter) নামে সরু এক ধরনের নল ব্যবহার করা হয়।

থ্রম্বোলাইসিস

এ পদ্ধতিতে অপারেশন ছাড়াই স্যালাইনের মাধ্যমে এক বিশেষ ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করে ধমনির ভেতরের জমাট রক্ত তরলায়িত করে রক্তপ্রবাহ চালু করা হয়। থ্রম্বোলাইসিসে ব্যবহৃত ওষুধগুলো আমাদের দেশে এখনও সহজলভ্য নয়, দামও অনেক বেশি।

ক্যাথেটার ডিরেক্টেড থ্রম্বোলাইসিস

এটাও এক ধরনের থ্রম্বোলাইসিস। এখানেও উপরে বর্ণিত থ্রম্বোলাইসিসে ব্যবহৃত ওষুধই ব্যবহার করা হয়। পার্থক্য হল এক্ষেত্রে ব্যবহার্য ওষুধকে স্যালাইনের মাধ্যমে প্রয়োগ না করে ক্যাথেটারের (সরু নল) মাধ্যমে জমাট রক্তপিণ্ডের ভেতরে সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। এতে করে জমাট রক্ত দ্রুত ও অনেক ভালোভাবে তরলায়িত হয়। জমাট রক্ত পরিষ্কার করে রক্তনালি চালু করার এটাই সর্বাধুনিক পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে রোগীকে একাধিকবার ক্যাথল্যাবে নিয়ে অ্যানজিওগ্রামের মাধ্যমে চিকিৎসার ফলাফল দেখতে হয়। ফলে সার্বিক চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেড়ে যায়।

অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার চিকিৎসায় আমাদের দেশে অপারেশনের চল বেশি। এর মূল কারণ তুলনামূলকভাবে কম খরচ। এদেশে থ্রম্বোলাইসিস বা ক্যাথেটার ডিরেকেটড থ্রম্বোলাইসিস জনপ্রিয় না হওয়ার মূল কারণও ওই খরচ। সরকারি হাসপাতালে এ আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির ব্যবস্থা করা গেলে ভবিষ্যতে এর প্রসার সম্ভব।

অংকন হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী অংকন বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ক্যাম্পাসের শান্ত চত্বরের পাশে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, অংকন বিশ্বাস হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বন্ধু মহলের কাছে সত্য ঘটনা উদঘাটন করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। এভাবে যেন আর কোনো অংকনকে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, অংকন হত্যার বিষয়ে আইনি সহায়তাসহ পরিবারের পাশে যেকোনো ধরনের সহযোগিতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

অংকনের মৃত্যু নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, অংকনের পরিবারকে অনুরোধ জানাচ্ছি তারা যেন আইনি সহায়তার জন্য উদ্যোগ নেয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে তার পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা করব।

উল্লেখ্য, ১৪ দিন হাসপাতালে থাকার পর গত ৮ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন ইংরেজি বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী অংকন বিশ্বাস।

বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম থেকে ৩৪৭৬ গবেষণা সম্পন্ন

এ পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) থেকে ৩ হাজার ৪৭৬টি গবেষণা প্রকল্প সম্পন্ন করেছে। শতভাগ শিক্ষককে গবেষণার আওতায় এনে গবেষণা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৫৭১টির অধিক গবেষণা প্রবন্ধ চালু রয়েছে।

এখন প্রতি বছর বাউরেস থেকে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এছাড়া এখন ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার গবেষণা প্রকল্প চলমান। এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৫৯টি প্রকল্প সংবলিত তিনটি বই প্রকাশ করেছে বাউরেস।

শেষ কর্মদিবসে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান। তিনি ২০১৯ সালে পরিচালকের দায়িত্ব নেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাউরেসের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান বলেন, তার সময়ে তিনটি বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সময়ে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ১১ জন কৃষককে প্রফেসর ড. আশরাফ আলী খান স্মৃতি কৃষি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ৫০ জন শিক্ষককে গ্লোবাল রিসার্চ ইমপ্যাক্ট রিকোগনাইজেশন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া গত দুই বছরে ৮টি জার্নাল ইস্যু প্রকাশ করা হয়েছে। বাউরেস কর্তৃক প্রকাশিত জার্নালটি আধুনিকায়ন করে সম্পূর্ণরূপে অটোমেশন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে গবেষণার আওতায় এনে গবেষণা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; যা বাউরেসের ইতিহাসে প্রথম। প্রায় ১ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর সব ঘাটতি কাটিয়ে বর্তমানে সব গবেষণা প্রকল্পের অধীনে প্রায় ৯ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী জুলাইয়ে এটি ১১ কোটিতে উন্নীত করার চেষ্টা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর মধ্যে শুধু প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের জন্য এ বছরের জানুয়ারি থেকে ৪৬টি গবেষণা প্রকল্পের জন্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণা প্রকল্পের ফলাফল প্রকাশনাকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বাউরেস কর্তৃক প্রতি আর্টিকেলের জন্য গবেষককে ক্ষেত্র বিশেষে ১০০ ডলার থেকে এক হাজার ডলার প্রদান করা হচ্ছে। গত দুই বছরে গবেষণা প্রকল্পের অধীনে ২৬৮ জন এমএস (মাস্টার্স) ফেলোকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা হারে মোট ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফেলোশিপ প্রদান করা হয়েছে। অর্থ সহায়তা বৃদ্ধি ফলে ২০২১ সালে বাকৃবি গবেষকগণ ৫৫৮টি গবেষণা প্রকল্প স্কোপাস জার্নালে প্রকাশ করেছেন, যা পূর্বের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। ইউজিসি থেকে বিশেষ বরাদ্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট, দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা থেকে আসে এ গবেষণা প্রকল্পের অর্থ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাউরেসের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. একেএম মমিনুল ইসলাম, সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. পরেশ কুমার শর্মা প্রমুখ।

উল্লেখ্য, বাকৃবির গবেষণা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার করার উদ্দেশ্যে ১৯৮৪ সালের ৩০ আগস্ট সিন্ডিকেটের ১৬১তম সভার অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) গঠিত হয়। বাউরেস প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষক এবং গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত গবেষণা প্রকল্প তদারকি, ব্যবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে।

ফোক লাইভে নোলক ও দিপা

বৈশাখী টিভি ফোক লাইভে অংশ নেবেন জনপ্রিয় কণ্ঠ শিল্পী নোলক ও দিপা। কিছু শেকড় সন্ধানী গান নিয়ে হাজির হবেন দুজন। ১৩ মে বৈশাখী ফোক লাইভে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে সরাসরি পারফর্ম করবেন এই গুণী শিল্পীরা ।

তারা বলেন, আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা এখনো তিনি আমাদের গাইবার শক্তি দিয়েছেন। দর্শকদের কথা মাথায় রেখে তাদের ভালো লাগা কিছু গান গাইব বৈশাখী টেলিভিশনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান বৈশাখী ফোক অনুষ্ঠানে।

গানগুলো দর্শকদের ভালো লাগবে বলে আমাদের বিশ্বাস। গানগুলো তাদের ভালো লাগলেই আমাদের পরম পাওয়া। আইনুন পুতুলের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন লিটু সোলায়মান। প্যানেল প্রযোজক মামুন আব্দুল্লাহ ও রবিউল হাসান প্রধান।

ক্যাটরিনা কি মা হচ্ছেন?

বলিউড সেনসেশন ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশল দম্পতি কি তাদের ভক্ত-শুভাকাঙক্ষীদের সুখবর দিতে চলেছেন? শোনা যাচ্ছে এই জুটি সন্তান জন্ম দিতে চলেছেন। এই খবরে বৃহস্পতিবার তোলপাড় হয়েছে নেটদুনিয়ায়।

বিটাউন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুঞ্জনের ওপর ভিত্তি করে হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ভিকি কৌশলের স্ত্রী নাকি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

ক্যাটরিনা ও ভিকি কৌশল গত ডিসেম্বরে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন। রাজস্থানে তাদের রাজকীয় বিয়ে মনে রাখার মতো। চার দিনব্যাপী চলে বিয়ের অনুষ্ঠান। রাজস্থান থেকেই সরাসরি মালদ্বীপে হানিমুনে গিয়েছিলেন তারকা দম্পতি। মুম্বাইয়ে ফেরার পর নতুন সংসার পাতেন ক্যাট।

বিয়ের পরই শ্রীরাম রাঘবনের মেরি ক্রিসমাস ছবির শুটে ফেরেন ক্যাট। কিন্তু এরই মাঝে কখনও উড়ে গেছেন সমুদ্রসৈকতে, কখনও লন্ডনে মায়ের কাছে, কখনও আবার নিউইয়র্কে পছন্দের রেস্তোরাঁয়। নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়।

বলিউডের অন্দরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে মা হতে চলেছেন ক্যাটরিনা।

তবে এই খবর নিয়ে মুখ খোলেননি ভিকি বা ক্যাটরিনা কেউ-ই। এমনকি কৌশল পরিবারের পক্ষ থেকেও কিছু জানা হয়নি।

শোনা যাচ্ছে, মেরি ক্রিসমাসের পর এ বছর আর কোনো ছবির শুট করবেন না ক্যাটরিনা। তার সব ছবির শুটিং পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ২০২৩ সালে। ইতোমধ্যে ক্যাটরিনার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রযোজক। কিন্তু তারা সবাই একসঙ্গে পিছিয়ে দিয়েছেন ছবির শুটিং। এভাবে সব ছবির পিছিয়ে যাওয়া কি নিছকই কাকতালীয়? নাকি সত্যিই মা হতে চলেছেন ক্যাট? সে উত্তর এখনও অজানা।

আমিরাতের টি-টোয়েন্টি লিগেও দল কিনলেন শাহরুখ

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) অন্যতম জনপ্রিয় দল কলকাতা নাইট রাইডার্স গ্রুপ এবার দল কিনল আরব আমিরাতের টি-টোয়েন্টি লিগে।

আমিরাতের লিগে আবুধাবি ফ্র্যাঞ্চাইজি পরিচালনা করবেন তারা। অর্থাৎ দলটির নাম আবুধাবি নাইট রাইডার্স।

ইউএই টি-টোয়েন্টি লিগের চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনির সঙ্গে এ নিয়ে নাইট কর্ণধার শাহরুখ খানের চুক্তি হয়েছে। চুক্তির বিষয়টি এক বিবৃতি দিয়ে নিশ্চিত করেছে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, ইউএইর টি-টোয়েন্টি লিগ এটা ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত যে, নাইট রাইডার্স গ্রুপ আবুধাবি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা ও পরিচালনা করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মর্যাদাপূর্ণ এ টি-টোয়েন্টি লিগের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকবে আবুধাবি নাইট রাইডার্স।

বিবৃতি এসেছে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের পক্ষ থেকেও।

শাহরুখ বলেছেন, গত কয়েক বছর ধরেই আমি নাইট রাইডার্স ব্র্যান্ডকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিচ্ছি। আমিরাতের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সম্ভাবনা কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছি আমরা। এই লিগের অংশ হতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত। এটি সফল হবে নিশ্চিত।

নাইট রাইডার্স ব্র্যান্ডকে শাহরুখ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছেন ইতোমধ্যে। তার গ্রুপটি সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত চারটি দল কিনেছে।

আইপিএলের পর ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) ও যুক্তরাষ্ট্রের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট মেজর লিগ ক্রিকেটেও (এমএলসি) দল কেনা আছে শাহরুখের নাইট রাইডার্সের।

আমিরাতের এই লিগে খেলবে মোট ছয় দল। শাহরুখের নাইট রাইডার্স ছাড়া অন্য পাঁচ দলের মালিকানা নিশ্চিত হয়ে গেছে। সেগুলো হলো— ভারতের আদানি গ্রুপ, ক্যাপ্রি গ্লোবাল, রিলায়েন্স স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস ভেঞ্চার লিমিটেড ও জিএমআর গ্রুপ এবং ইংল্যান্ডের ল্যান্সার কেপিট্যাল।

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এই লিগ। তবে প্রথম আসরটি চলতি বছর জুনে আয়োজন করতে চান এর আয়োজকরা। সে হিসেবে আগামী ২৯ মে আইপিএল শেষ হওয়ার পর পরই আমিরাতে বসতে পারে নতুন এই টি-টোয়েন্টি লিগ।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

করোনা নেগেটিভ সাকিব আল হাসান

করোনামুক্ত হয়েছেন সাকিব আল হাসান। নতুন করে করোনা পরীক্ষায় তার নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন।

বিস্তারিত আসছে…

প্রায় ১০০ বিঘা জমির ধান কেটে দিল ছাত্রলীগ নেতারা

কয়েকদিন ধরেই লাগাতার বৃষ্টি। এরমধ্যে দেখা দিয়েছে ধান কাটার শ্রমিক সংকট। অতিরিক্ত মজুরিতেও মিলছে না ধান কাটার শ্রমিক।

ফলে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা রাজা রাম বিলের দুই কৃষক মো. সেলিম ও মো. হাবিব তাদের রোপনকৃত পাকা বোরো ধান কেটে ঘরে তুলতে না পরায় দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ে কপালে। এতে করে ওই দুই কৃষক বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হতে যাচ্ছিল।

তবে গণমাধ্যম মারফত বিষয়টি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের নজরে আসলে তার নির্দেশে ওই দুই কৃষকের প্রায় ১০০ বিঘা জমির পাকা বোরো ধান কেটে ঘরে তুলে দিল ছাত্রলীগ নেতারা।

বৃহস্পতিবার যুগান্তরের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আরিফুর রহমান রাসেল।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের নজরে আসার পর তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন চৌধুরী তপু ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমকে অবহিত করে। তারা ওই দুই কৃষকের সঙ্গে কথা বলে আমাকে যাতয়াত ব্যবস্থা নিতে বলে। পরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওই দুই কৃষকের প্রায় ১০০ বিঘা জমির পাকা বোরো ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছি।

এ ব্যাপারে ওই দুই কৃষক মো. সেলিম ও মো. হাবিব বলেন, ছাত্রলীগের ছেলেদের কারনে আমরা পাকা ধানের ফসল ঘরে তুলতে পারছি। এতে আমরা বোরো চাষীরা বড় ক্ষতির মুখ থেকে রক্ষা পেয়েছি। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবো মানুষের সেবা করার জন্য তিনি যেন তার হায়াত দেন। এছাড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে তাদের এমন মহৎ কাজের জন্য ধন্যবাদ জানাই।

এদিকে এ ধান কাটা কার্যক্রমে অংশ নেন ফতেপুর ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য রাসেল মনি বাহাদুর, ইউপি সদস্য নাঈম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা কামাল উদ্দিন, মঈন উদ্দিন সম্রাট, আশরাফুল ইসলাম, বি এম নুর উদ্দিন, বিলাস চৌধুরী অংকন, মোরশেদ, রায়হান চৌধুরী, শাখাওয়াত হোসাইন সাজিদ, মো. হারুন, ইরফান সিরাজ, জাহেদ নয়ন, জাহেদুর রহমান জাহেদ, সাকলাইন মোস্তাক, আকিব সানি, মিফতাহুল হাসান, মো. আজিম, ওয়াহিদুল আলম রিয়াদ, মুহাম্মদ আইয়ুব, জাকির আহম্মদ, জালাল উদ্দিন আদর, মুহাম্মদ ইমন, জহিরুল ইসলাম রবিন, মাহফুজুর রহমান, সাজিদ সালাম সিহাম এবং জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।