শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 313

‘গণকমিশনের শ্বেতপত্র সত্যের অপলাপ’

মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন প্রকাশিত ২ খণ্ডের শ্বেতপত্রটিকে ‘ভুলে ভরা’ ও ‘সত্যের অপলাপ’ বলে মন্তব্য করেছে শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা।’

বুধবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ৫ সদস্যের একটি আভ্যন্তরীণ কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই শ্বেতপত্রটি নিরীক্ষা করেছে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা। এতে তারা দেখতে পেয়েছেন, গত ২ দশকের সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধি বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে চৌর্যবৃত্তির মাধ্যমেই প্রায় ৯০% তথ্য এখানে সংকলিত করা হয়েছে; এবং এক্ষেত্রে চূড়ান্ত অসততা ও স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নিয়ে এসব পুরাতন তথ্য যাচাই, সম্পাদনা বা হালনাগাদও করা হয়নি। ফলে এই শ্বেতপত্রের পাতায় পাতায় অসংখ্য ভুল তথ্য, অর্ধ সত্য ও নানা রকম অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে।

শ্বেতপত্রটির আলোচিত অংশ ওয়াজ মাহফিলের বক্তাদের তালিকা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মুফতি ফয়জুল্লাহ আমান কাসেমী বলেন, ২০১৯ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ১৫ জন বক্তার একটি তালিকা প্রণয়ন করে এবং এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়৷ এতে প্রমাণ হয় যে, বাংলাদেশ সরকার ওয়াজ মাহফিলে ধর্মের অপব্যবহার সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন রয়েছে। এরপরও এই ভুঁইফোড় সংগঠনটি এই বিষয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে এবং এর মাধ্যমে ফায়দা লুটার অশুভ পাঁয়তারা আটছে। আমরা আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করি, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ বিরোধি অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামও এখানে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

গণকমিশনের বিরুদ্ধে স্থিতিশীলতা বিনষ্টের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার মহাসচিব মাওলানা আব্দুর রহীম কাসেমী বলেন, আমরা মনে করি, বর্তমান স্থিতিশীল পরিবেশকে বিনষ্ট করে আলেম-উলামা ও সরকারকে মুখোমুখি করার একটি হীন, অপপ্রয়াস হিসাবেই গণকমিশন এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, শান্তির ধর্ম ইসলামকে ব্যবহার করে কোনো ধরণের অশান্তি সৃষ্টির সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না। সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ একটি দৃষ্টান্ত, এই মহান সাফল্যে কালিমা লেপনের যেকোনো প্রচেষ্টা বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা প্রতিহত করবে।

পরীমনির ধর্ষণচেষ্টা মামলায় নাসিরসহ ৩ জনের বিচার শুরু

ঢাকার বোট ক্লাবে ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টায় মারধরের অভিযোগে করা মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন (চার্জগঠন) করেছেন আদালত।

অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হলো।

বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন নাসিরসহ তিন আসামি।

মঙ্গলবার মামলার বাদী চিত্রনায়িকা পরীমনি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ নম্বর আদালতে উপস্থিত হন। তার উপস্থিতিতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে নাসিরসহ তিন আসামি আদালতে হাজিরা দেন। এসময় তাদের আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। পরীমনির আইনজীবী অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক এ বিষয় আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

গত বছরের ৯ জুন মধ্যরাতে সাভারে অবস্থিত ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ঘটনার চার দিন পর ১৩ জুন রাত ৮টার দিকে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এবং রাত ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনা প্রকাশ করেন নায়িকা পরীমনি।

পর দিন ১৪ জুন সকালে ব্যবসায়ী নাসিরউদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেন তিনি।

ওই দিন বিকালে উত্তরা থেকে নাসির ও অমিসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। এর পর ডিবির গুলশান জোনাল টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক কুমার সিকদার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

ওই মামলায় গত ১৫ জুন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসি নাসির ও অমির সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পরে ওই মামলায় রিমান্ড শেষে পরীমনির মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাদের।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ‘গত ৮ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বনানীর বাসা থেকে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি (৩০), অমি (৪০) ও বনিসহ (২০) দু’টি গাড়িতে করে তারা উত্তরার উদ্দেশে রওনা হন। পথে অমি বলে বেড়িবাঁধের ঢাকা বোট ক্লাবে তার দুই মিনিটের কাজ আছে।’

‘অমির কথামতো তারা সবাই রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা বোট ক্লাবের সামনে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করায়। কিন্তু বোট ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অমি কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলে। তখন ঢাকা বোট ক্লাবের সিকিউরিটি গার্ডরা গেট খুলে দেয়। অমি ক্লাবের ভেতরে গিয়ে বলে এখানকার পরিবেশ অনেক সুন্দর, তোমরা নামলে নামতে পার।’

এজাহারে পরীমনি আরও বলেন, ‘তখন আমার ছোট বোন বনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বোট ক্লাবে প্রবেশ করে ও বারের কাছের টয়লেট ব্যবহার করে। টয়লেট থেকে বের হতেই এক নম্বর বিবাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমাদের ডেকে বারের ভেতরে বসার অনুরোধ করেন এবং কফি খাওয়ার প্রস্তাব দেন। আমরা বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে অমিসহ এক নম্বর আসামি মদপানের জন্য জোর করেন। আমি মদপান করতে না চাইলে এক নম্বর আসামি জোর করে আমার মুখে মদের বোতল প্রবেশ করিয়ে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। এতে আমি সামনের দাঁতে ও ঠোঁটে আঘাত পাই।’

‘এক নম্বর আসামি (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেন ও আমাকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তিনি উত্তেজিত হয়ে টেবিলে থাকা গ্লাস ও মদের বোতল ভাঙচুর করে আমার গায়ে ছুড়ে মারেন। তখন কস্টিউম ডিজাইনার জিমি নাসির উদ্দিন মাহমুদকে বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে জখম করেন।’

জামিন বাতিল, ‘ক্যাসিনো সম্রাটকে’ আত্মসমর্পণের নির্দেশ

রাজধানীতে ক্যাসিনোকাণ্ডের মূলহোতা হিসেবে পরিচিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে সাতদিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছিলেন সম্রাট। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান তিন শর্তে ৯ জুন পর্যন্ত সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। যা বাতিল করলেন হাইকোর্ট।

এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন সম্রাটের উন্নত চিকিৎসা দরকার বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম খান। গত সোমবার তিনি বলেন, যুবলীগ নেতা সম্রাটের চিকিৎসার বিষয়ে বোর্ড মিটিং হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে তার উন্নত চিকিৎসা দরকার। তার চিকিৎসা দেশেও হতে পারে, বিদেশেও হতে পারে।

সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা চারটি হলো- অস্ত্র, মাদক, অর্থপাচার এবং দুদকের দায়ের করা মামলা। বর্তমানে এই মামলা ছাড়া সব মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন।

ক্যাসিনোকাণ্ডে ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর সম্রাটকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

তামিমের অর্ধশতক, পাঁচ বছর পর ওপেনিং জুটিতে রেকর্ড

চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিন সকালে তামিম ইকবালের অর্ধশতকে দারুণ সূচনা করলেন টাইগাররা। আগের দিন ৩৫ রানে অপরাজিত থাকা তামিম পাঁচ ওভারের মধ্যে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করলেন।

তৃতীয় দিন সকালে আগের দিনের সঙ্গে ১৫ রান যোগ করতে ২১ বল খেলেন তামিম। প্রথম ওভারে রমেশ মেন্ডিসের ওভার থেকে নেন ৩ রান।

পরের ওভারে বিশ্ব ফার্নান্দোকে দুই চার হাঁকান। পরের ওভারে অবশ্য মেডেন দেন এই ব্যাটসম্যান। পরের ওভারে ১ রান নেওয়া তামিম মেন্ডিসের করা দিনের পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে চার হাঁকিয়ে অর্ধশতক পূর্ণ করেন।

সব মিলিয়ে ৭৩ বলে ৭ চারে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তামিম। এটি তামিমের ক্যারিয়ারের ৩২তম অর্ধশতক। ফিফটিতে টেস্ট ক্যারিয়ারে ৪ হাজার ৯০০ রান পূর্ণ করেছেন। অপেক্ষা আর ১০০ রানের।

তৃতীয় দিন সকালে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জয় খেলেছেন মাত্র ৯ বল। যেটি থেকে করেছেন মাত্র ৫ রান।

এদিকে তৃতীয় দিন সকালে ৬১ ইনিংস পর ওপেনিংয়ে শতরানের জুটি গড়েছে দুই টাইগার ওপেনার তামিম ও জয়। আগের দিনের ৭৬ রানের সঙ্গে সকালে আরও ২৮ রান যোগ করেন জয় ও তামিম। যেখানে তামিমের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান এবং জয় যোগ করেন ৫ রান। পাঁচ বছর পর টেস্টে শতরানের ওপেনিং জুটি দেখল বাংলাদেশ।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তামিম ৭২ ও জয় ৪৪ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৮ ওভারে বিনা উইকেটে ১২৬ রান।

দর্শকদের মন জয় করেছে ‘মাশরাফি জুনিয়র’

দীপ্ত টিভিতে প্রতিদিন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘মাশরাফি জুনিয়র’। নাটকটি বর্তমানে দর্শকপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে। নাটকটিতে সাম্প্রতিক পর্বগুলোতে দেখা যাচ্ছে— দিলারা দেখে ফেলবে এই ভয়ে আলিয়াকে লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হয় সাদিক। সাদিকের মুখে অতীতের এক চরম সত্য জানতে পারে রুনা। ওদিকে ক্যাম্পিংয়ে মণিকে ভুলিয়ে পাহাড়ের খাদ থেকে ফেলে দিতে চায় রোহান। মণি কি এই বিপদ আঁচ করতে পারবে? রুনাও কি তার অতীত মেনে নিতে পারবে?

আহমেদ খান হীরকের গল্পে ‘মাশরাফি জুনিয়র’ এর চিত্রনাট্য করেছেন আসফিদুল হক আর সংলাপ লিখেছেন মো. মারুফ হাসান। সাজ্জাদ সুমনের পরিচালনায় এ ধারাবাহিকের অভিনয় দিয়ে এর মাঝেই দর্শকদের মন জয় করেছে সাফানা নমনি, অনিন্দ, হামিম, তৃষিতা।

নাটকে আরও অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ, গোলাম ফরিদা ছন্দা, ডা. এজাজ, ফজলুর রহমান বাবু, নাজনীন হাসান চুমকি, রুনা খান, লুৎফর রহমান জর্জ, আইরিন আফরোজ, মাইমুনা ফেরদৌস মমসহ অনেকে। প্রতিদিন টিভিতে প্রচারের পরপরই নাটকটি দেখা যাচ্ছে দীপ্ত টিভির ইউটিউব ও ফেসবুকে।

দুই বাংলার তারকাদের উপস্থিতিতে ‘দুই শহর প্রেম’

ভারতের কলকাতার নজরুল মঞ্চে শুরু হয়েছে টেলি সিনে অ্যাওয়ার্ডের ১৯তম আসর। বরাবরের মতো এবারো দুই বাংলার জনপ্রিয় সব তারকাদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। সুখবর হচ্ছে এ আসরের পর্দা উঠেছে বাংলাদেশি এক গায়িকার গানের মাধ্যমে। গানটির শিরোনাম ‘দুই শহর প্রেম’। কণ্ঠ দিয়েছেন বাংলাদেশের কণ্ঠশিল্পী ফাল্গুনী সরকার ফাগুন।

ঢাকা ও কলকাতার প্রেম নিয়ে কলকাতার জনপ্রিয় কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গীতি কবিতায়, জয় সরকারের সুর ও সংগীত আয়োজনে তৈরি হয়েছে গানটি। গানটির ভিডিওচিত্র নির্মাণ করেছেন ঢাকার নির্মাতা নোমান রবিন।

গানটির গীতিকার শ্রীজাত বলেন, আমার খুব সৌভাগ্য যে আমি এ রকম একটা গানে কাজ করতে পারছি। আমি গানটি লিখতে গিয়ে ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিলাম। ঢাকা-কলকাতার কত শত বছরের বোঝাপড়া। কত কত গল্প, কান্না, সুখ, সাহিত্য আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে। কাকে ছেড়ে কাকে ধরব? এটা শুধুমাত্র একটা গান না, এটা একটা দলিল একটা ইতিহাস একটা সংস্কৃতিও বটে।

কণ্ঠশিল্পী ফাল্গুনী সরকার বলেন, এটা আমার জন্য বড় প্রাপ্তি। আমার গানের মাধ্যমে এত বড় একটা উৎসবের যাত্রা শুরু হচ্ছে। আর এ গানের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাই অনেক বড়মাপের মানুষ। তাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও দারুণ।

আগামী ১৯ মে গুনগুন মিউজিক ইউটিউব চ্যানেল থেকে দুই শহর প্রেম মিউজিক ভিডিওটি প্রকাশ পাবে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মানদের নিয়ে নতুন সংগঠন

জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করা নতুন প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ করে রাখার জন্য একটি নতুন সংগঠন গঠন করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি পার্কে এ মতবিনিময় সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।

কমিউনিটি লিডার ইমরান ভূঁইয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভা ও ঈদ পুনর্মিলনীতে উপস্থিত ছিলেন জার্মান বাংলা বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল কবির, কমিউনিটি লিডার হাফিজুর রহমান আলম, নুরে হাসনাত শিপন, আতিকুল ইসলাম সবুজ, নাসির উদ্দিন, শিব্বির আহমেদ, নজরুল হোসেন, নেয়ামুল ভুঁইয়া, মনিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসাম, আকলিমা ভুঁইয়া, সাদ্দাম উল্লাহ আশিক সহ ফ্রাঙ্কফুর্ট প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের নেতারা।

মতবিনিময় সভায় সবার সর্ব সম্মতিক্রমে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মানদের নিয়ে একটি সংগঠন গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যে সংগঠনটি স্ব স্ব অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত দ্বিতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি জার্মানদের ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করবে। নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশ এবং বাংলা সংস্কৃতির প্রতিও আকৃষ্ট করতে ভূমিকা রাখবে সংগঠনটি।

এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মানদের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে বৃহৎ পরিসরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির উদ্যোক্তারা।

নিজেকে নির্দোষ দাবি নিউইয়র্কে পাতাল ট্রেনে হামলাকারীর

নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের পাতাল ট্রেনে গোলাগুলিতে অভিযুক্ত জেমস ফ্রাংক জেমস আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। ১২ এপ্রিল ব্রুকলিনের সাবওয়ে স্টেশনে যাত্রীবাহী ট্রেনে স্মোক বোমা ছুড়ে এলোপাতাড়ি গুলি করেছিলেন জেমস। এতে ১৩ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। নগরজুড়ে ছড়িয়ে পরে আতঙ্ক। প্রায় ৩০ ঘণ্টা তল্লাশির পর ফ্রাংক জেমস পরদিন পুলিশের কাছে নিজেই ধরা দেন। তিনি পরিকল্পনা করেই হামলা চালিয়েছিলেন। জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধনের পরিকল্পনাও ছিল তার।

১৩ মে শুক্রবার ব্রুকলিনের ফেডারেল আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তার বিরুদ্ধে সিটির সাবওয়ে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা এবং বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতে তার আইনজীবী বলেছেন, ফ্রাংক জেমস সম্পূর্ণ নির্দোষ। তার মক্কেল নিজেই পুলিশে ধরা দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৫ জুলাই।

জেমস ফ্রাংক (৬২) কী কারণে সাবওয়েতে হামলা করেছিলেন, এর সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহার করা সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নানা বিষয়ে তিনি হতাশ ও ক্ষুব্ধ ছিলেন। কৃষাঙ্গদের জীবনযাত্রা থেকে শুরু করে নিউইয়র্ক সিটির গৃহহীনতা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মেয়র এরিক অ্যাডামসেরও সমালোচনা করেছেন। সর্বোপরি একজন ক্ষুব্ধ-হতাশ মানুষের ছবি পাওয়া গেছে তাঁর চালচলন বিশ্লেষণ করে। জেমস ফ্রাংকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে দণ্ড হলে তার ন্যূনতম ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

রক্তচাপ মাপা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

পৃথিবীর ৮৭ কোটিরও বেশি মানুষ উচ্চরক্তচাপে ভুগছেন। বিশ্বব্যাপী ৫০ ভাগ লোক জানে না যে তারা মরণঘাতী একটি রোগে ভুগছেন। আর যারা জানে তাদের ৫০ ভাগ ঠিকমতো ওষুধ খান না। আর যারা ওষুধ খান তাদের ৫০ ভাগ নিয়মিত তা কন্ট্রোল করেন না।

অর্থাৎ, ফাইনালি যাদের উচ্চরক্তচাপ আছে, তাদের মধ্যে ১২.৫০ ভাগ লোকের উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে। বাকিদের নিয়ন্ত্রণে নেই। উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিশ্বে প্রতি বছর বিভিন্ন রোগে ৫ কোটির বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। (তবে করোনার কারণে গত দুই বছরে অতিরিক্ত ৬৩ লাখ লোক মারা গিয়েছে। ) এর মধ্যে ১ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে কার্ডিওভাস্কুলারে (হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলুর, ব্রেইন স্ট্রোক, উচ্চরক্তচাপ ও কিডনি ফেইলুর) হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এর মধ্যে ৯৪ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় সরাসরি উচ্চরক্তচাপের জন্য। এজন্য উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ খুবই জরুরি।

উচ্চরক্তচাপের কারণে কী কী হতে পারে?

হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, হার্টের বিভিন্ন ধরনের অসুখ হতে পারে। ব্রেইন স্ট্রোক হতে পারে, যার কারণে মানুষ প্যারালাইজড হয়ে যায়। পাশাপাশি কিডনি ফেইলুর হতে পারে। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর রক্তনালীগুলো ডেমেজ হয়ে যেতে পারে। অন্ধত্ববরণ হতে পারে।

কিডনি রোগের সঙ্গে উচ্চরক্তচাপের সম্পর্ক কী? সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপতে হয় কীভাবে? ওষুধ ছাড়া উচ্চরক্তচাপ কন্ট্রোলের নিয়ম, উচ্চরক্তচাপ না হওয়ার জন্য করণীয় কী? এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে

ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

ঢাকা কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম পরে সিটি কলেজ-আইডিয়াল কলেজসংলগ্ন এলাকার পাশাপাশি নিউমার্কেট ও নীলক্ষেত এলাকায় অযথা ঘোরাঘুরি, অবস্থান বা আড্ডা দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এতে বলা হয়, ঢাকা কলেজের একাদশ (সেশন ২০২১-২২) ও দ্বাদশ (সেশন ২০২০-২১) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস আরম্ভের আগে, ক্লাস চলাকালীন ও ছুটির পরে সিটি কলেজ-আইডিয়াল কলেজসংলগ্ন এলাকার পাশাপাশি নিউমার্কেট ও নীলক্ষেত এলাকায় কলেজ ড্রেস পরিহিত অবস্থায় অযথা ঘোরাঘুরি, অবস্থান বা আড্ডা দেওয়া সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা হলো।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কলেজ বাসে যাতায়াতের সময় ইভটিজিংসহ যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হলো। কোনো শিক্ষার্থী নিয়ম ও শান্তি-শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করলে, তার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই দায়ী থাকবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৪ মে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়। এতে দু’জন শিক্ষার্থী আহত হন। ঢাকা কলেজ ও নিউমার্কেট দোকানকর্মীদের সংঘর্ষের এক মাস পার হওয়ার আগেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

98
Shares
facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing button
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন