শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 312

আনুশকাকে ব্যাটিং শিখাচ্ছেন বিরাট

ভারতের নারী ক্রিকেট দলের ফাস্টবোলার ঝুলন গোস্বামীর জীবনী নিয়ে নির্মিতব্য সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। ক্রিকেটারের চরিত্রের প্রয়োজনে নিজের ব্যাটিং ঝালিয়ে নিতে স্বামী বিরাট কোহলির শরণাপন্ন হয়েছেন বলিউডের এ অভিনেত্রী।

সিনেমার শুটিং শুরুর আগে নিয়মিত ব্যাটিং ও বোলিং অনুশীলন করছেন তিনি; ঝুলনের জীবন সংগ্রাম পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন তিনি।

হারপর বাজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনুশকা জানান, বোলিংয়ের জন্য কোচের সহায়তা নিলেও ব্যাটিংয়ের জন্য বিরাট কোহলির কাছে থেকে নিয়মিত পরামর্শ নিচ্ছেন তিনি। করোনারভাইরাস ও কন্যা ভামিকার জন্ম হওয়ায় সিনেমার দৃশ্যধারণ পিছিয়েছে; কন্যার জন্মের পর ‘চাকদা এক্সপ্রেস’ দিয়েই ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন আনুশকা।

টানা দুই বছরের করোনাভাইরাস মহামারি ও কন্যা ভামিকার জন্ম হওয়ায় সিনেমার দৃশ্যধারণ পিছিয়েছে; কন্যার জন্মের পর ‘চাকদা এক্সপ্রেস’ দিয়েই ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন।

শুধু ব্যাটিংই শিখছেন এমনটি নয়, বাঙালি ক্রিকেটার ঝুলনের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করেছেন আনুশকা, বাংলা ভাষাও শিখছেন তিনি।

শিগগিরই লর্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিনেমার দৃশ্যধারণ শুরু হবে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন প্রসিত রায়; মুক্তি পাবে নেটফ্লিক্সে।

খেলাধুলাবিষয়ক এটি দ্বিতীয় সিনেমা আনুশকার। এর আগে ২০১৬ সালে সালমান খানের বিপরীতে ‘সুলতান’ সিনেমায় কুস্তিগিরের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন এ অভিনেত্রী।

১৪ বছর পর ‘সুপারওম্যান’ হয়ে ফিরছেন শিল্পা

বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির আসন্ন সিনেমার নাম ‘নিকম্মা’। ইতোমধ্যে এই ছবির ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে। এই প্রথমবার কোনো ছবিতে সুপারওম্যান চরিত্রে দেখা যাবে বলিউড সেনসেশনকে। আর এই ছবির মধ্য দিয়ে ১৪ বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন শিল্পা শেঠি।

শিল্পা ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করছেন ভাগ্যশ্রীর ছেলে অভিমন্যু দাসানি এবং শার্লি শেঠিয়া। এ ছাড়া বলিউডে ডেবিউ করছেন গায়িলা শার্লি শেঠিয়া। সিনেমায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন শিল্পা। ছবিতে তার চরিত্রের নাম ‘অবনী’।

আর অভিমন্যুকে দেখা যাবে এক অলস ব্যক্তির চরিত্রে। তার চরিত্রের নাম সিদ্ধার্থ। সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার অলসভাবে ঘুরে বেড়াবে সে। শুক্রবার সিনেমা দেখতে যায়, শনিবার পার্টি করে এবং রোববার শার্লির সঙ্গে প্রেম করে বেড়ায়। আর এক অকর্মন্যর জীবনেই আবির্ভাব হয় সুপারওম্যান শিল্পার। তার জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলেনি শিল্পা।

চলতি বছর ১৭ জুন সিনেমা হলে মুক্তি পাবে এই সিনেমা। সনি পিকচার্স ইন্টারন্যাশনাল প্রোডাকশন এবং সাব্বির খান ফিল্মস প্রযোজিত, সাব্বির খান পরিচালিত এই ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন সামির সোনি।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

মুশফিক-লিটনের শতরানের জুটি

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিন সকালে হানা দেয় বৃষ্টি। এতে খেলা শুরু হয় আধাঘণ্টা পর। দেরিতে হলেও বাংলাদেশের দিনটা শুরু হয়েছে ভালোভাবে।

দিনের প্রথম বলেই লং অনে খেলে সিঙ্গেল নিয়ে লিটনকে স্ট্রাইক দেন মুশফিক। মেন্ডিসের হাফ ভলি লিটনের দারুণ স্কয়ার ড্রাইভে পাঠিয়ে দেন বাউন্ডারির বাইরে। এতে দুজনের জুটি পেরিয়ে যায় শতরান।

২১৩ বলে চতুর্থ উইকেটের জুটিতে তারা এই রান যোগ করেন। ৯৮ রানের জুটি গড়ে মঙ্গলবার দিন শেষ করেছিলেন। বুধবার দিনের প্রথম দুই বলেই তিন অঙ্কের ফিগারে নিয়ে যান।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৬৩ রান। মুশফিক ৭২ ও লিটন ৭৯ রানে ব্যাট করছেন।

বুধবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা চতুর্থ দিনের খেলা। কিন্তু সকাল থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের আধাঘণ্টা পর শুরু হয় চতুর্থ দিনের খেলা। বৃষ্টি থেমে গেলেও আউটফিল্ড ভেজা থাকায় সকাল ১০টার বদলে ১০টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় আজকের দিনের খেলা।

তৃতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটে ৩১৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। অপরাজিত আছেন দুই ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। এক প্রান্তে মুশফিক ৫৩, অপরপ্রান্তে লিটন ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে দুবার ক্রাম্পের শিকার হয়ে পায়ের পেশিতে টান পান তামিম ইকবাল। এই কারণে তৃতীয় সেশনে আর মাঠে নামেননি তিনি। ২১৭ বলে ১৩৩ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। চতুর্থ দিনে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলংকা। লংকানদের হয়ে সর্বোচ্চ ১৯৯ রান করেছেন অভিজ্ঞ অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। এ ছাড়া বাংলাদেশের হয়ে ৬ উইকেট শিকার করেছেন ১৫ মাস পর জাতীয় দলে ফেরা স্পিনার নাঈম হাসান।

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নতুন মাইলফলকে মুশফিক

চট্টগ্রাম টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুশফিকুর রহিম। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

২০০৫ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক মুশফিকের। এর পর কেটে গেছে ১৭ বছর। এ সময়ে বাংলাদেশের জার্সিতে চট্টগ্রাম টেস্টের আগ পর্যন্ত ৮০ টেস্টে ৩৬ দশমিক ২৬ গড়ে সাতটি সেঞ্চুরিতে করেছেন চার হাজার ৯৩২ রান।

শ্রীলংকার বিপক্ষে সিরিজে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে মুশফিকের দরকার ৬৮ রান। লংকানদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সেই লক্ষ্যেই ব্যাট চালিয়েছেন এ ক্রিকেটার।

সাম্প্রতিক সময়ে রিভার্স সুইপ নিয়ে বেশ সমালোচনার শিকার মুশফিক সমালোচিত এ শট ছাড়াই পার করেছেন অর্ধশতক। এটি তার ক্যারিয়ারের ২৬তম হাফ সেঞ্চুরি। অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও সমানসংখ্যক ২৬ হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চসংখ্যক হাফসেঞ্চুরির মালিক এ দুই ক্রিকেটার।

ক্যারিয়ারের ১৪৯তম ম্যাচে এসে পাঁচ হাজার রান পূর্ণ করেছেন মুশফিকুর রহিম। তার পেছনে আছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। ১৩৩ রানে ইনজুরিজনিত অবসরে থাকা তামিমের পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে দরকার আর ১৯ রান। চলমান ইনিংসেই তামিম পাঁচ হাজার রান ছুলে ১২৬তম ইনিংসেই এ রেকর্ড করবেন তিনি।

টেস্টে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহের তালিকায় আছেন সাকিব আল হাসান। ৫৯ ম্যাচে ৩৯ দশমিক ৫০ গড়ে করেছেন চার হাজার ২৯ রান।

নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে বাউফলের ৩ ইউনিয়ন

তেঁতুলিয়া ও কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর, কাছিপাড়া ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর নাজিরপুর ইউনিয়নের নিমদি, চন্দ্রদ্বীপের চরব্যারেট, চরওয়াডেল এবং কাছিপাড়া ইউনিয়নের চর রঘুনদ্দিন, বাহেরচর, গোপালিয়া ও পশ্চিম কাছিপাড়া গ্রামে নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও গাছপালা। বর্তমানে নদীভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন কারখানা ও তেতুলিয়া নদী তীরবর্তী প্রায় ৩ হাজার পরিবার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কাছিপাড়া ইউনিয়নের বাহেরচর ও গোপালিয়া বাজার, চর রঘুনদ্দিন, হিস্যাজাত, পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পশ্চিম কাছিপাড়া দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা কারখানা নদীভাঙনের মুখে পড়েছে।

কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে অব্যাহত ভাঙন চলছে। ইতোমধ্যে কাছিপাড়া ইউনিয়নের হাজিপুর গ্রামসহ শত শত ঘরবাড়ি নদীর অতল গর্ভে হারিয়ে গেছে।

গোপালিয়া গ্রামের ইউনুস প্যাদা নামের এক কৃষক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমাদের জমি, বাগানবাড়ি, ঈদগাহ মাঠ সবকিছুই নদীতে ভেঙে গেছে। সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। রাতে ঘুমাতে পারি না, কখন বসতঘরটা ভেঙে নিয়ে যায়।

এদিকে ভাঙনে নাজিরপুর ইউনিয়নের নিমদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নিমদি গ্রাম তেঁতুলিয়ার ভাঙনে নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরব্যারেট ও চরওয়াডেল দ্রুতগতিতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে চন্দ্রদ্বীপের শত শত একর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনকবলিত এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলেও এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আফরোজা বেগম বলেন, ভাঙন আতঙ্কে আমাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। এলাকাবাসী ভাঙনরোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ প্রসঙ্গে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. কাইছার আলম বলেন, তিনটি ইউনিয়নের ভাঙনরোধের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রুশ হামলায় ৩৭৫২ ইউক্রেনীয় নিহত: জাতিসংঘ

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে ইউক্রেনে তিন হাজার ৭৫২ বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

মঙ্গলবার সর্বশেষ বেসামরিক হতাহতের আপডেটে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের অফিস (ওএইচসিএইচআর) এ তথ্য জানায়। খবর আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার অগ্রসানে ইউক্রেনে সাত হাজার ৮১৪ জন বেসামরিক হতাহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিন হাজার ৭৫২ জন নিহত এবং চার হাজার ৬২ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অধিকাংশ বেসামরিক লোক হতাহতের রেকর্ড করা হয়েছে, যারা বিস্ফোরক অস্ত্র মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভারি কামান এবং একাধিক লঞ্চ রকেট সিস্টেম থেকে গোলাবর্ষণ, ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা।

প্রসঙ্গত গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ চালাচ্ছে রাশিয়া। এরই মধ্যে ইউক্রেনে বেশ কয়েকটি শহর দখলে নিয়েছে রুশ বাহিনী। এ ঘটনায় প্রয় ৬০ লাখ ইউক্রেনীয় দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।

আজভস্টালে বন্দি সেনাদের বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে ইউক্রেন

মারিউপোল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় সেনাদের সর্বশেষ প্রতিরোধ ঘাঁটি আজভস্টালেনও পতন ঘটেছে। সেখানে থাকা ইউক্রেনীয় সেনারা রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। বন্দি সেনাদের রক্ষায় ‘সম্ভাব্য অসম্ভাব্য’ সব ধরনের চেষ্টা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ইউক্রেন।

বুধবার ইউক্রেন সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়ার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইউক্রেনের ওই কর্মকর্তা বলেন, আজভস্টালের ইস্পাত কারখানায় এখনও আটকে থাকা যোদ্ধাদের রক্ষায় সম্ভাব্য সবকিছু করছে ইউক্রেন।

উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়ার বলেন, এখনও কতজন সেখানে আটকে আছে সেই তথ্য কিয়েভের হাতে এসেছে। তবে এটিকে তিনি ‘স্পর্শকাতর তথ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রাশিয়ার কাছে মারিউপোলের নিয়ন্ত্রণ ছাড়ল ইউক্রেনরাশিয়ার কাছে মারিউপোলের নিয়ন্ত্রণ ছাড়ল ইউক্রেন।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মোট ২৬৫ জন ইউক্রেনীয় সেন্য রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। এর মধ্যে ৫১ জন গুরুতরভাবে আহত। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহতদের দোনেৎস্কের নোভোআজভস্কের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিলেই মারিউপোল শহরের অধিকাংশ এলাকা দখলে নিয়েছিল রুশ বাহিনী। একমাত্র শহরটির প্রান্তে অবস্থিত আজভস্টাল ইস্পাত কারখানা বাদে। সাবেক সোভিয়েত আমলে প্রতিষ্ঠিত বৃহৎ এ কারখানা ছিল ইউক্রেনীয় বাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটি।

কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম ১০৩ টাকা

বাজারে ডলারের দাম বেড়েই চলেছে। একদিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম আরও ১০ পয়সা বেড়ে সর্বোচ্চ ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে বিক্রি হয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোতেও ডলারের দাম বেড়েছে।

সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নগদ ডলারের দাম। মঙ্গলবার নগদ প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ৯২ থেকে ৯৭ টাকা দরে। আমদানির জন্য বিক্রি হয়েছে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে। মানিচেঞ্জারগুলো প্রতি ডলার বিক্রি করেছে ১০১ থেকে ১০২ টাকা করে। কার্ব মার্কেট বা খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ১০২ থেকে ১০৩ টাকা করে।

বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ কম থাকার কারণে এর দাম হু হু করে বাড়ছে। গত সোমবার আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলারের দাম ৮০ পয়সা বেড়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। মঙ্গলবার তা আরও ১০ পয়সা বেড়েছে। এদিন প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে বিক্রি হয়েছে। আন্তঃব্যাংকে দাম বাড়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে এর দাম বেড়েছে।

মঙ্গলবার আমদানির জন্য প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা দরে বিক্রি হয়েছে। আগের দিন ছিল ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা। নগদ ডলার ব্যাংক ভিন্ন ভিন্ন দরে বিক্রি করছে। সরকারি ব্যাংকগুলোতে এর দাম কিছুটা কম হলেও বেসরকারি ব্যাংকে বেশি। সরকারি ব্যাংকগুলো ক্যাশ ডলার ৯১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৯৩ টাকা দরে বিক্রি করছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো ৯৩ টাকা থেকে ৯৭ টাকা দরে বিক্রি করছে। ডলারের পাশাপাশি অন্যান্য মুদ্রার দামও বেড়েছে। এর মধ্যে পাউন্ড ১০৮ টাকা, ইউরো ৯২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়া মানিচেঞ্জারগুলোও ডলার বিক্রি করে। এগুলোতে প্রতি ডলার ১০১ টাকা থেকে ১০২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে মানিচেঞ্জারগুলোতে এখন ডলারের জোগান নেই বললেই চলে। মতিঝিল কার্ব মার্কেটে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে ডলারের জোগান নেই। তারা নগদ ডলার বিক্রি করছে ১০৩ টাকা করে। তবে কিনছে ১০১ টাকা করে।

কার্ব মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জানান, আগে বিদেশ থেকে প্রবাসীরা যেসব নগদ ডলার নিয়ে আসতেন সেগুলোর একটি অংশ কার্ব মার্কেটে বিক্রি করতেন। সেগুলোই ডলার পাওয়ার তাদের প্রধান উৎস্য। কিন্তু করোনার পর ওই উৎস থেকে ডলার পাওয়া কমে গেছে। এছাড়া সম্প্রতি ব্যাংকে ডলারের সংকট হওয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কার্ব মার্কেটে নজরদারি বাড়িয়েছে। ফলে অনেকেই কার্ব মার্কেটে ডলার বিক্রি করতে আসে না। তবে অনেকে বেশি দামের আশায় মানিচেঞ্জারগুলোতে ডলার বিক্রি করছে। এক্ষেত্রে প্রবাসীরা ৯৮ টাকা করে পাচ্ছেন। মানিচেঞ্জার বা কার্ব মার্কেট থেকে ডলার নিয়ে অনেকে বিদেশে যাচ্ছেন। এগুলো বিশেষ করে চিকিৎসা, শিক্ষা ও ভ্রমণ খাতে ব্যয় করছেন।

নিত্যব্যবহার্যসহ সব পণ্যের দামে আগুন, নাভিশ্বাস

বাজারে এমন কোনো পণ্য পাওয়া যাবে না, যার দাম স্থিতিশীল বা কমছে। প্রতিদিনই বাড়ছে কোনো না কোনো পণ্যের দাম। এর মধ্যে আমদানি করা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে সবচেয়ে বেশি।

চাল থেকে শুরু করে ডাল, ভোজ্যতেল, আটা-ময়দা, মসলা পণ্য, মাছ-মাংস, ডিম, শিশুখাদ্যের মধ্যে গুঁড়া দুধ, চিনি এমনকি লবণের দামও বেড়েছে। পাশাপাশি জীবন রক্ষাকারী ওষুধ থেকে শুরু করে নিত্যব্যবহার্য সব ধরনের পণ্যের দামে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। পরিস্থিতি এমন-সপ্তাহ ও মাসের ব্যবধানে এই তালিকা আরও দীর্ঘ হচ্ছে। ফলে পণ্য কিনতে ভোক্তার যেন নাভিশ্বাস বাড়ছে। এতে বেশি ভোগান্তিতে আছেন নিম্ন আয় ও খেটে খাওয়া মানুষ।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জরিপ বলছে-মঙ্গলবার গত এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি চাল ২ টাকা, আটা-ময়দা ৮-১০, ভোজ্যতেল ৩০-৩৫, মসুর ডাল ১০, আলু ৫, পেঁয়াজ ১৫-২০, রসুন ৬০, আদা ৪০, হলুদ ২০, শুকনা মরিচ ২০, মাছ-মাংস ১০-২০, দুধ ৩০, চিনি ৪, প্রতি হালি ডিম ৮ টাকাসহ মোট ১৫টি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে; যা ভোক্তার প্রতিদিনকার প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। আর এসব পণ্যের দাম মাসের ব্যবধানে এক শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ বেড়েছে। এই জরিপ টিসিবি রাজধানীর কাওরান বাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজারসহ ১৩টি খুচরা বাজারের পণ্যের মূল্য যাচাই করে তৈরি করেছে।

কনজ্যুমার ফোরাম সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন মালেক বলেন, বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়ায় দেশের বাজারেও প্রভাব পড়বে, এটাই স্বভাবিক। তবে যেসব পণ্য দেশে উৎপাদন হয়, তার দাম কেন বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে?

আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম এখন বাড়লে এই দামের এলসি করা পণ্য দেশে আসতে আরও তিন থেকে চার মাস সময় লাগে। কিন্তু বিক্রেতাদের আজ বাড়লে আজই বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। যার কোনো ভিত্তি নেই। এমনকি তদারকি সংস্থা এ বিষয়টি সামনে রেখে কাউকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনেনি। ফলে বিক্রেতারা কারসাজি করতে সাহস পাচ্ছে। তাই বাজার তদারকি আরও জোরদার করতে হবে। আইন যা আছে, তা প্রয়োগ করতে হবে। শুধু জরিমানা করে ছেড়ে নয়, কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার যুগান্তরকে বলেন, পণ্য নিয়ে কারসাজি রোধে বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে। এবার অসাধু পন্থায় পণ্যের দাম বাড়ালে জরিমানার সঙ্গে জেলে দেওয়া হবে।

রাজধানীর মালিবাগ কাঁচাবাজারের খালেক রাইস এজেন্সির মালিক ও খুচরা বিক্রেতা মো. দীদার হোসেন বলেন, প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৪৮-৫০ টাকা, যা এক মাস আগে ৪৬ টাকা। প্রতি কেজি বিআর ২৮ চাল বিক্রি হয়েছে ৫৬-৫৮ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ৫৪-৫৫ টাকা। তিনি জানান, এই বোরো মৌসুমে চালের দাম বাড়ার কথা না। কিন্তু মিল থেকে দাম বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বড় কিছু কোম্পানি চাল ব্যবসায় নামায় তারা ধান মজুত করছে। যে কারণে ভড়া মৌসুমেও চালের দাম বাড়ছে।

রাজধানীর জিনজিরা কাঁচাবাজারের মুদি বিক্রেতা মো. সাক্কুর আলম বলেন, সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে আমদানি করা পণ্য বেশি। তিনি বলেন, মঙ্গলবার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা, যা এক মাস আগে ১৭০ টাকা ছিল। মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি খোলা আটা ৬ টাকা বেড়ে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। খোলা ময়দা ৮ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ছোট দানার মসুর ডাল কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

মাসের ব্যবধানে আলুর দাম ৫ টাকা বেড়ে ২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি কেজি দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, যা মাসের ব্যবধানে ১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি দেশি রসুন ৬০ টাকা বেড়ে ১২০ এবং আমদানি করা রসুনে ৩০ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি শুকনা মরিচ ২০ টাকা বেড়ে ২২০, আমদানি হলুদ ২০ টাকা বেড়ে ১৬০-১৮০, আমদনি আদা ৪০ টাকা বেড়ে ১৪০, চিনি ৫ টাকা বেড়ে ৮৫, গুঁড়া দুধ ৩০ টাকা বেড়ে ৭০০ এবং লবণ ৫ টাকা বেড়ে ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে। সঙ্গে পরিবহণ খরচের মধ্যে জাহাজ ভাড়া বাড়ায় আমদানি করা পণ্যের দাম বেশি বেড়েছে।

রামপুরা মা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের মালিক মো. জলিল বলেন, নিত্যব্যবহার্য পণ্যের মধ্যে সাবান, টুথপেস্ট, বিস্কুট, চানাচুর, পাওরুটি, ডিটারজেন্ট, নারিকেল তেল প্রভৃতির দামও বেড়েছে। ৩০ টাকা লাইফবয় সাবান এখন ৪০ টাকায় বিক্রি করছি।

৮৫ টাকার এক কেজি হুইল পাউডারের দাম এখন ১০০ টাকা। ১০০ টাকার পেপসোডেন্ট টুথটেস্ট এখন ১২০ টাকা। ছোট সাইজের অ্যানার্জি বিস্কুটের দাম ৩০ টাকা, যা আগে ২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাঝারি প্যাকেট চানাচুর বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা, যা আগে ৩৫ টাকা ছিল। ৪০০ এমএলের অ্যারোসল ৪৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৪০০ টাকা ছিল।

রাজধানীর কাওরান বাজারের পণ্য কিনতে আসা সেলিনা বেগম বলেন, সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। এতে ব্যয় বেড়েছে। কিন্তু আয় আগের মতোই রয়েছে। চাল, ডাল, তেল, মাছ-মাংস সব পণ্যের দাম বাড়তি। সকাল ও বিকালের নাশতা পণ্যের দামও বাড়ছে হুহু করে। সাবান-ডিটারজেন্টসহ নিত্যব্যবহার্য পণ্যের দাম বাড়নো হয়েছে। এতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। পাশাপাশি ওষুধ কিনতেও ভোগান্তি বেড়েছে। আগে এক পাতা নাপা টেবলেট ১০ টাকা থাকলেও এখন ২০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। গ্যাসট্রিকের ওষুধপ্রতি ৫ টাকা বেড়েছে। একটি অ্যান্ট্রাজল ড্রপ ১০ টাকা থাকলেও এখন ২০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই।

এরশাদের আমলেই দেশে উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়: অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় মহিলা পার্টির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলেই দেশের উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। তিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের উন্নয়নের সূচনা করেন। তিনিই বাংলাদেশকে সুন্দর করে সাজিয়েছিলেন। আজ পল্লীবন্ধু আমাদের মাঝে বেঁচে নেই কিন্তু তার রেখে যাওয়া উন্নয়নের ছোঁয়া লেগে আছে।

তিনি বলেন, আমরা মহিলারা পুরুষের পাশাপাশি প্রতিটি ক্ষেত্রে তাল মিলিয়ে যাচ্ছি। নারীরা আজ আর অবহেলিত নয়। তারা দেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছেন। মা-বোনেরা আপনারা জাতীয় মহিলা পার্টির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হোন এবং জাতীয় পার্টির হাতকে শক্তিশালী করুন। জাতীয় মহিলা পার্টিও আপনাদের যথাযথ মূল্যায়ন করবে।

মঙ্গলবার বিকালে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় জাতীয় পার্টি কার্যালয়ে জেলা জাতীয় মহিলা পার্টির কর্মিসভায় টেলি-কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালমা ইসলাম এমপি আরও বলেন, জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর নেতৃত্বে আজ পার্টি সু-সংগঠিত হয়েছে। দেশবাসীর আস্থা অর্জনে জাতীয় পার্টি সমর্থ হয়েছে। আগামীতে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বেই এ দেশ পরিচালিত হবে ইনশাআল্লাহ।

কর্মিসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়ামের সদস্য ও গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার মিয়া, প্রেসিডিয়ামের সদস্য ও মহিলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক নাজমা আক্তার এমপি, গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব কাউন্সিলর মো. কামরুজ্জামান মণ্ডল, জাতীয় মহিলা পার্টির কেন্দ্রীয় নেত্রী তাসলিমা আকবর রুনা, আসমা আক্তার, শারমীন আক্তার, বারুল বেগম, গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম মেম্বার, নজরুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, কালিয়াকৈর পৌর জাতীয় পার্টির আহবায়ক রুস্তুম শরীফ, জেলা জাতীয় যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির সিকদার, জেলা শ্রমিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মিলন, কেন্দ্রীয় ছাত্র সমাজের সদস্য আল-আমিন সরকার, জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য রায়হান মোল্লা, আব্দুর রহিম শেখ, রিপন মাহমুদ, মুসা মোড়ল প্রমুখ।