বুধবার ,২৯ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 765

নেইমার-পাকুয়েতায় কোপার ফাইনালে ব্রাজিল

নেইমারের সহায়তায় পাকুয়তার অসাধারণ গোলে চলতি আসরের প্রথম দল হিসেবে কোপা আমেরিকার ফাইনাল নিশ্চিত করে ব্রাজিল। সেমিফাইনালে সেলেসাওরা ১-০ গোলে হারায় পেরুকে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়ার মধ্যে জয়ী দলের বিপক্ষে ১০ জুলাই বিখ্যাত মারাকানায় ফাইনালে লড়বে ব্রাজিল। এদিন নেইমারদের সামনে সুযোগ থাকবে টানা দুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার।

৩৫ মিনিটে পাকুয়েতার একমাত্র গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। প্রথমার্ধে কতৃত্ব বজায় রেখে খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে পেরু আক্রমণ করে বেশ কয়েকবার। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পায়নি দলটি। সিলভা-মার্কুইনহসে গড়া ব্রাজিলের ডিফেন্স ছিল দুর্দান্ত। গোলবারের সামনে এডারসন ছিলেন দূর্গ হয়ে। তিনি বেশ কয়েকবার রক্ষা করেছেন ব্রাজিলকে।ব্রাজিল শট নেয় ১২টি আর পেরু ৫টি। বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিলেন নেইমাররা। ম্যাচের ৫৫ শতাংশ বল ছিল তাদের পায়ে। নেইমারের হাতে ওঠে ম্যাচসেরার পুরষ্কার।

৬১ মিনিটে আবারো ব্রাজিলের ত্রাণকর্তা হয়ে এলেন গোলরক্ষক এডারসন। তবে এবার অসাধারণ ভূমিকা ছিল মার্কুইনহসের। গার্সিয়ার শট এডারসন পুরোপুরি আয়ত্বে নিতে পারেননি। ভলি দিয়ে ফেলে রুখে দেওয়ার পর বল আসে ডি বক্সের মাঝে; পেরুর কাউকে আক্রমণের সুযোগ না দিয়ে ক্লিয়ার করেন মার্কুইনহস।৫৬ মিনিটে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ইওশিমার ইউতুন। এটি চলতি ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড।

বিরতির পর ৪৯ মিনিটে দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে এগিয়ে যেতে পারতো পেরু। ডি বক্সে থকা লাপাদুলা বল পেয়ে ডান পায়ে কোনাকুনি শট নিয়েছিলেন বাম দিকে। কিন্তু দূর্গ হয়ে দাঁড়ান ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যাডারসন। ঝাঁপিয়ে পড়ে ব্রাজিলকে রক্ষা করেন তিনি

প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ব্রাজিল। বল দখলের লড়াই হতে শুরু করে আক্রমণ সব দিকে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। নেইমারদের আক্রমণে বিপর্যস্ত ছিল পেরুর ডিফেন্স। ৫৪ শতাংশ সময় বল ছিল সেলেসাওদের পায়ে। অন্যদিকে ব্রাজিলের ১১টি শটের বিপরীতে পেরুর শট ছিল মাত্র ১টি!

৩৫ মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পেলো ব্রাজিল। নেইমারের সহায়তায় পাকুয়েতা লক্ষ্যভেদ করেন পেরুর জালে। বাঁ দিক থেকে পেরুর দুজন ফুটবলারকে পরাস্ত করে ডি বক্সের মাঝে থাকা পাকুয়েতার দিকে বল বাড়ান নেইমার। গোলরক্ষককে কোনো সুযোগ না দিয়ে সেলেসাওদের এগিয়ে দেন পাকুয়েতা।

১৯ মিনিটে আবারো পেরুকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক গ্যালেস। ক্যাসিমিরো থেকে পাকুয়েতা-নেইমার হয়ে বল আসে রিচার্লিসনের কাছে। কিন্তু তার শট রুখে দেন গ্যালেস।

১৫ মিনিটে সুযোগ পেয়েও সোজাসুজি গোলরক্ষকের হাতে মারেন এভারটন। রিচার্লিসন থেকে ডান পাশে বল পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

৮ মিনিটেই এগিয়ে যেতো পারতো ব্রাজিল। পাকুয়েতার ক্রস ডি বক্সে থাকা রিচার্লিসনের পা হয়ে আসে নেইমারের কাছে। কিন্তু সেলেসাও তারকা গোলবারের ডানদিকে ভুল জায়গায় শট নেন।

কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পেরুর বিপক্ষে দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে ব্রাজিল। চিলির বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে বাদ পড়েছেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। আর প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি রবার্তো ফিরিমিনোর। তাদের পরিবর্তে জায়গা পেয়েছেন লুকাস পাকুয়েতা ও এভারটন।

ব্রাজিল একাদশ: এডারসন, দানিলো, থিয়াগো সিলভা, মারকুইনহস, রেনান লোদি, ফ্রেড, ক্যাসেমিরো, এভারটন, লুকাস পাকুয়েতা, রিচার্লিসন ও নেইমার।

টানা দ্বিতীয় ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মঙ্গলবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় রিও ডি জেনেইরোর অলিম্পিক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি ব্রাজিল ও পেরু। গত কোপা আমেরিকার ফাইনালিস্ট তারা, যে ম্যাচে ৩-১ গোলে জিতে শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছিল ব্রাজিল। ওই আসরেই গ্রুপের শেষ ম্যাচে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা পেরুভিয়ানদের।

চেনা প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে এবারের সেমিফাইনালেও ফেভারিট সেলেসাওরা। গ্রুপেই পেরুকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে তিতের দল। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে দাপুটে অবস্থানে ব্রাজিল। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে দাপুটে অবস্থানে ব্রাজিল।৪৯ ম্যাচে ৩৫টি জিতেছে তারা, আর ৯টি জয় পেরুর।

অভিষেক-ঐশ্বরিয়া বিয়ে ভাঙতে হাতের শিরা কাটেন জানভি

বলিউড শাহেন শাহ অমিতাভ বচ্চনের পুত্র অভিষেক বচ্চন। ব্যক্তিগত জীবনে অনেক নায়িকার সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তার। এ তালিকায় রয়েছেন—রানি মুখার্জি, কারিশমা কাপুর প্রমুখ। কারিশমা কাপুরের সঙ্গে অভিষেকর বাগদানও সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু চার মাসের মাথায় ভেঙে যায় এ জুটির সম্পর্ক।

পরবর্তীতে প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে বিয়ে চূড়ান্ত হয় অভিষেক বচ্চনের। ২০০৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বাগদান সারেন তারা। একই বছরের ২০ এপ্রিল সাতপাকে বাঁধা পড়েন এই যুগল। কিন্তু বিয়ের দিন এক অভিনেত্রী অভিষেকের প্রথম স্ত্রী বলে নিজেকে দাবি করেন। মুম্বাইয়ের জুহুতে অবস্থিত অভিষেকের বাড়ি ‘প্রতীক্ষা’-এর বাইরে দাঁড়িয়ে এই বিয়ে ভাঙার চেষ্টা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন তিনি। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এমনটাই জানিয়েছে।

অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে জানভি কাপুর

এই অভিনেত্রীর নাম জানভি কাপুর। শ্রীদেবীর বড় মেয়ে জানভির কল্যাণে এই নাম বলিউডে খুব পরিচিতি পেলেও এই জানভি কাপুর অন্যজন। বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ততটা পরিচিত নন তিনি। মাত্র কয়েকটি সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। তাও পার্শ্বচরিত্রে। অভিষেকের সঙ্গেও একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার ‘দাস’ সিনেমায় অভিষেকের একটি নাচের দৃশ্যে পেছনের সারিতে দেখা যায় তাকে। এর দুই বছর পর অভিষেক বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়াকে।

বিয়ের রাতে বরযাত্রী বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আর অভিষেক ঘোড়ায় চেপে বসার তোড়জোড় করছিলেন, ঠিক তখন বরযাত্রীর ভিড়ের মাঝে হাজির হন জানভি। নিজের হাতের শিরা কেটে ফেলেন। রক্তাক্ত অবস্থায় অভিষেককে নিজের স্বামী দাবি করেন তিনি। এমন ঘটনার পর উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়। জানভি জানান, ‘দাস’ সিনেমার সেটে তার সঙ্গে অভিষেকের বন্ধুত্বের সূচনা। অভিষেক-জানভির মধ্যে ব্যক্তিগত ফোন নাম্বারও আদানপ্রদান হয়েছিল। ফোন, ই-মেইলে তারা কথা বলতেন। পরস্পরের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। অভিষেক তাকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়েও করেছিলেন বলে দাবি করেন এই অভিনেত্রী। বিষয়টি নিয়ে তুলকালাম হলেও মুখে কুলুপ এঁটেছিল বচ্চন পরিবার।

বর-কনের সাজে ঐশ্বরিয়া, অভিষেক

এ পরিস্থিতিতে পুলিশ জানভিকে থানায় নিয়ে যায় এবং তাকে সাহায্যের আশ্বাস দেয়। এ অভিনেত্রীর কাছে বিয়ের কাগজ বা প্রমাণ চায় পুলিশ। কিন্তু জানভি কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। বিষয়টি ঐশ্বরিয়ার কানেও পৌঁছেছিল। তবে বুদ্ধিমতী ঐশ্বরিয়া এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। বরং সমস্ত রীতি মেনে ওই দিনই বিয়ে করেন অভিষেককে। পরবর্তীতে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অমিতাভ-অভিষেক বিষয়টিকে মনগড়া বলে উড়িয়ে দেন। তাদের দাবি—পরিচিতি পাওয়ার জন্যই জানভি এ কাজ করেছিলেন।

 

অমিতাভের সঙ্গে তুলনা, বাদ পড়েছিলেন শাহরুখ

বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। অন্যদিকে হিন্দি সিনেমা জগতের ‘বাদশা’ বলা হয় শাহরুখ খানকে। দু’জনেরই রয়েছে অসংখ্য ভক্ত। কিন্তু অমিতাভের সঙ্গে তুলনার কারণে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ গেম শো থেকে বাদ পড়েছিলেন শাহরুখ।

সম্প্রতি জনপ্রিয় এই টিভি গেম শোয়ের ২১ বছর পূর্ণ হয়েছে। এর তিনটি সিজনে অমিতাভের পরিবর্তে শাহরুখ খান সঞ্চালক ছিলেন। কিন্তু দর্শকরা তাতে খুব একটা সাড়া দেননি।

এক সাক্ষাৎকারে এর প্রযোজক সিদ্ধার্থ বসু বলেন, ‘অমিতাভের সঙ্গে শাহরুখের তুলনার জন্যই তিনটি সিজন ব্যর্থ হয়। আমার মনে হয়েছে, শাহরুখ নিজের চার্ম ও রসিকতা দিয়ে, নিজের মতো করে অনুষ্ঠানটি করেছিলেন। যতদূর জানি ভালো রেটিংও হয়েছিল। আমরা শাহরুখের সঙ্গে তিন সিজন কাজ করেছি। আমার মতে, তিনি ন্যাচারাল টিভি উপস্থাপকদের মধ্যে একজন। কিন্তু আসল সত্যিটা স্বীকার করাই ভালো। কৌন বনেগা ক্রোড়পতির এবিসি হলেন অমিতাভ বচ্চন। তাকে ছাড়া সম্ভব নয়।’

খুব শিগগির ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ গেম শোয়ের ১৩তম সিজন শুরু হবে। তবে অনুষ্ঠানটির সম্প্রচার শুরুর তারিখ এখনো জানানো হয়নি। করোনা মহামারির কারণে দর্শক উপস্থিতি ভার্চুয়ালভাবে হবে বলে জানা গেছে। এবারো শোয়ের সঞ্চালক থাকবেন অমিতাভ বচ্চন।

খুলনার তিন হাসপাতালে আরও ১৭ জনের মৃত্যু

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনার তিন হাসপাতালে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ৫ জুলাই সকাল ৮টা থেকে ৬ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৭ জন মারা গেছেন।

এরমধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আট জন, জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে পাঁচ জন ও বেসরকারি গাজী মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যায়নি।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় চার জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও চার জন ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

গাজী মেডিক‌্যাল হাসপাতালের স্বত্তাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজ নের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১৩৪ জন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ৯ জন ও এইচডিইউতে আছেন ১১ জন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭০ জন, তার মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ ও ৩৪ জন মহিলা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ জন।

নোয়াখালীতে আরও ১৩৪ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২

নোয়াখালীতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৪৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এ ফল পাওয়া যায়। শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এনিয়ে জেলায় মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১ হাজার ৮৩৬ জনে। মোট আক্রান্তের হার ১১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় এই নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪৭ জনে। এর মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলায় ২৭ জন, সুবর্ণচরে ৪ জন, বেগমগঞ্জে ৫০ জন, সোনাইমুড়ীতে ৮ জন, চাটখিলে ১৪ জন, সেনবাগে ২০ জন, কোম্পানীগঞ্জে ৪ জন ও কবিরহাটে ২০ জন। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৪ শতাংশ।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকালে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো.মাসুম ইফতেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন জানান, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলায় ৩৫ জন, সুবর্ণচরে ৬ জন, বেগমগঞ্জে ১৯ জন, সোনাইমুড়ীতে ১২ জন, চাটখিলে ১০ জন, সেনবাগে ৯ জন, কোম্পানীগঞ্জে ২৮ জন ও কবিরহাটে ১৫ জন।

তিনি জানান, বর্তমানে জেলা কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫১ জন।

করোনা নিয়ে যারা রাজনীতি করে তারা অপশক্তি: নাছিম

করোনায় মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে যারা এই মহামারি নিয়ে রাজনীতি করে তাদের অপশক্তি অভিহিত করে প্রতিহত করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

রোববার (৪ জুলাই) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন হাসপাতালের জন্য হাইফ্লো ক্যানুলাসহ করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান তিনি।

নাছিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এই করোনা মহামারি থেকে কিভাবে মানুষকে নিরাপদ রাখা যাবে সেজন্য সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশব্যাপী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। করোনার শুরু থেকেই এই কাজ করছি আমরা।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে আছে, থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, এই অঙ্গীকর বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমরা শুধু বিবৃতি-বক্তব্যের মাধ্যমে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার অপরাজনীতি করি না। আমরা মানুষের দুর্দশা নিয়ে রাজনীতি করি না, মিথ্যাচার করি না। আমরা অহেতুক বিভ্রান্তির পথে হতাশার পথে আমাদের দেশের মানুষকে নিপতিত না করে আমরা সব সমময় মানুষকে উৎসাহিত করি, উজ্জীবিত করি, সাহসী করি।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওত হোসেন শফিক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক বেগম রোকেয়া সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্যাকসিন নিয়ে বিএনপির অপরাজনীতি ব্যর্থ হয়েছে: কাদের

দেশের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ভ্যাকসিন সংগ্রহ দেশের জনগণের প্রতি শেখ হাসিনা সরকারের ডিপ অ্যান্ড এবাইডিং কমিটমেন্টের সুস্পষ্ট প্রতিফলন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ভ্যাকসিন নিয়ে বিএনপির অপরাজনীতি ব্যর্থ হয়েছে।

সোমবার (৫ জুলাই) রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতিমধ্যেই দেশে এসেছে প্রায় ৪৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন, সময়মতো আরও ভ্যাকসিন আসবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক দক্ষতা এবং দূরদর্শি নেতৃত্বে প্রয়োজনীয়সংখ্যক ভ্যাকসিন সংগ্রহে বাংলাদেশ সফল হবে।

দেশে অক্সিজেন নিয়ে কোনো সংকট নেই জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, হয়তো কোথাও সমন্বয়ের অভাব হতে পারে তবে যেসব এলাকায় অক্সিজেন সরবরাহ জরুরি সেসব এলাকায় সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমে সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

সংক্রমণের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা রোধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দূর্গ গড়ে তোলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, জীবনের প্রয়োজনে, বেঁচে থাকার জন্য হলেও আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করি।

সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় সংসদের ১৩তম অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যে বিএনপির সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির এই সমালোচনা বরাবরের মতো দীপ্যমান সত্যকে অস্বীকার করার কসরত মাত্র।

তিনি বলেন, বিএনপি ঢালাওভাবে মন্তব্য করলেও সংসদ নেতার কোনো বক্তব্য অসত্য তা স্পষ্টভাবে বলতে পারেনি, প্রকৃতপক্ষে সংসদ নেতার ভাষণ ছিলো ইতিহাসের কঠিন সত্যপাঠ।

যারা মিথ্যার ওপর আশ্রয় নিয়ে ও মিথ্যায় ভর করে রাজনীতি করে, সত্য-প্রকাশিত হলে বিএনপির গাত্রদাহ হওয়াটাই স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক

বাংলাদেশের রাজনীতিকে ষড়যন্ত্র, হত্যা আর অগণতান্ত্রিক পথে চালনাকারি বিএনপি কখনো সত্য মেনে নিতে পারে না মনে করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সত্য ও সঠিক ইতিহাস তুলে ধরলে ইতিহাস বিকৃতির জনকদের মর্মজ্বালা বেড়ে যাওয়াই স্বাভাবিক।

বিএনপির নির্বাচনের নামে প্রহসন, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, অনিয়ম আর দুর্নীতির মাত্রাহীন নিমজ্জ্বন এদেশে রেকর্ড হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতারা ভুলে গেছেন বেগম জিয়া একজন দণ্ডিত আসামি, মাসের পর মাস অযথা সময় ক্ষেপন করে বিএনপিই তো বেগম জিয়ার মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করছে।

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের করা মামলা যদি মিথ্যা হয়ে থাকে তাহলে বিএনপির আইনজীবীরা তা প্রমাণ করতে পারলেন না কেন?

ওবায়দুল কাদের বেগম জিয়ার মামলা, কারামুক্তি এবং চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি নেতারা একধরনের রহস্যময় খেলা খেলছেন বলে মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশ্যে বেগম জিয়ার বিষয়ে বলেন, দায় কেন সরকার নিবে? বেগম জিয়াকে আপনারা নিজ নিজ পদ রক্ষার জন্য দাবার গুটি বানাবেন আর দায় নিবে সরকার! তা হবে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেগম জিয়ার বিষয়ে অধিকতর মানবিক আচরণ করেছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তার বয়স ও স্বাস্থ্য বিবেচনায় সাজা স্থগিত করে তাকে ঘরে অবস্থান করে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, তাই শেখ হাসিনার ঔদার্য্যের প্রতি আপনাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

বেগম জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সাজানো মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে, বিএনপি নেতাদের এ ধরনের কল্পিত অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ভালো করেই জানেন এ মামলা শেখ হাসিনা সরকার করেনি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের করা এই মামলা।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কোনো বিষয় নয় এখানে। আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নয়, বরং বিএনপিই এদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির পথপ্রদর্শক।

রাজনীতি বা দেশ পরিচালনায় ওয়ার্কিং রিলেশন থাকাটা জরুরি, তাই তো শেখ হাসিনা কষ্ট চেপে বারবার উদারতার হাত বাড়িয়েছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা দরজা বন্ধ করে গুটিয়ে ছিলেন দেয়ালের আড়ালে, পর্দার আড়ালের রাজনীতিই আপনাদের পছন্দের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মনে করেন, নেতিবাচকতার দাবানল বিএনপির রাজনীতিকে পত্র-পুষ্পহীন মরুময়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে ক্রমশ।

বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রশংসা করলেন ইফাদ প্রেসিডেন্ট

প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রশংসা করেছেন রোমভিত্তিক আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) প্রেসিডেন্ট গিলবার্ট এফ হুংবো। বর্তমানে বাংলাদেশকে ইফাদের সর্ববৃহৎ পোর্টফোলিও হিসেবে আখ‌্যায়িত করে সম্পদ ব্যবহারে বাংলাদেশের সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

গত ৫ জুলাই ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান ইফাদে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয়পত্র দেন। এ সময় বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রশংসা করেন ইফাদের প্রেসিডেন্ট।

ইতালির রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান ইফাদের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা এবং ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দারিদ্র‌্য ও ক্ষুধা দূরীকরণে বাংলাদেশকে অব্যাহত সহায়তার জন্য ইফাদ প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান। ইফাদের ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হওয়ার জন্য গিলবার্ট এফ হুংবোকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রদূত। গ্রামীণ অঞ্চল ও প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য রবার্ট হুংবো যেসব প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অব্যাহত রাখার জন্য তার এ পুনঃনিয়োগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন শামীম আহসান।

তিনি করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও রেকর্ড পরিমাণ ১.৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তহবিল গঠনে ইফাদ প্রেসিডেন্টের গতিশীল নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। এর মাধ্যমে ২০২২-২০২৪ মেয়াদে উন্নয়নশীল দেশগুলো ইফাদ থেকে প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান ও ঋণ সহায়তা গ্রহণে সক্ষম হবে।

বাংলাদেশ আগামী দিনগুলোতে ঋণ ব্যবহারের সামর্থ্য ও সক্ষমতার বিবেচনায় ইফাদের মূল তহবিল থেকে ঋণ সহায়তা গ্রহণের পাশাপাশি অন্যান্য তহবিল যেমন: ধারকৃত সম্পদ, ক্লাইমেট ফান্ড, বেসরকারি তহবিল থেকেও প্রয়োজনীতার নিরিখে সহজ শর্তে ঋণ নিতে পারে। বাংলাদেশের এ সক্ষমতা অর্জন বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত বলে উল্লেখ করেন ইফাদ প্রেসিডেন্ট।

এছাড়া, তিনি ইফাদ থেকে সর্বোচ্চ উন্নয়ন সহায়তা গ্রহণ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রথম সারির দেশ হওয়ার পাশাপাশি ইফাদের নির্বাহী পর্ষদে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী গুটিকয়েক দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে অন্যতম বলে অভিহিত করেন।

অনুষ্ঠানে দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর ও রোমভিত্তিক জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বিকল্প স্থায়ী প্রতিনিধি মানস মিত্র এবং ইফাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘বেতন পরিশোধে অক্ষম পৌরসভাকে ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তরিত করা হবে’

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, পৌরসভার কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধদের সক্ষমতা না থাকলে পরিক্ষা-নিরীক্ষা পূর্বক বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তরিত অথবা পরিষদ ভেঙ্গে পুন:নির্বাচন দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সোমবার (৫ জুলাই) এক অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহের (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদে ও ইউনিয়ন পরিষদ) রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ ও হিসাব সংরক্ষণের পদ্ধতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়।

এছাড়া পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের সকল প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অডিট করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, নিজস্ব আয় দিয়ে পরিচালনা ব্যয় নির্বাহ করা ও উন্নয়ন কাজে অবদান রাখা এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পৌরসভা সৃষ্টি হয়েছে। এখন যদি এসব প্রতিষ্ঠান নিজ কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং জনগণকে সঠিক সেবা প্রদানের সক্ষমতা না থাকে তাহলে পৌরসভা হিসেবে টিকে থাকার যৌক্তিকতা হারাবে। যা বিদ্যমান আইনে আছে। এই আইনের সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে পৌরসভা থেকে ইউনিয়ন পরিষদে রুপান্তর বা পরিষদ ভেঙ্গে পুন:নির্বাচন দেয়া হবে।

পৌরসভা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বেশিরভাগ পৌরসভা তাদের কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করছে। যে সমস্ত পৌরসভা পুরোপুরি বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পারছে না তার সুনির্দিষ্ট কারণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

মো. তাজুল ইসলাম আরও বলেন, পৌরসভাগুলোতে আয় এবং ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনা হবে। এলক্ষ্যে এক্সটারনাল অডিটের ব্যবস্থা করা হবে। এই জন্য সংশ্লিষ্টদের ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এসময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সকল প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের ত্রৈমাসিক বিবরণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকলেও তা অনুসরণ না করে পৌরসভাগুলো আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অযৌক্তিক লোক নিয়োগ দিয়ে থাকলে সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে পৌরসভায় আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ দিতে হলে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।

মন্ত্রী জানান, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের অধীন এলাকার জন্য কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং পরিবার পরিকল্পনাসহ অনেক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত আছে। এই সমস্ত মন্ত্রণালয়ের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সকল কর্মচারী ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত অফিস করলে জনগণ আরো অধিক সেবা পাবেন। তাই এটা নিশ্চিত করতে হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, জেলা পরিষদকে অধিক কার্যকর করার জন্য জেলা পরিষদ আইনের প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা ও অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক রাজস্ব ব্যয়ের অতিরিক্ত অর্থ উন্নয়ন খাতে স্থানান্তর করতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঞ্চালনায় সভায় এই বিভাগের সকল অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ন সচিব এবং সংশ্লিষ্ট শাখার উপ-সচিবগণ অংশ নেন।

 

মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই দর বাড়ছে কেয়া কসমেটিক্সের

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কেয়া কসমেটিক্স লিমিটেডের শেয়ার দর বেশ কয়েকদিন ধরেই টানা অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। তবে দর বাড়ার কোনো ধরনের অপ্রকাশিত তথ্য কোম্পানির কাছে নেই বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, পুঁঞ্জিভূত লোকসানে থাকা কেয়া কসমেটিক্সের শেয়ার দর গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এ কারণে কোম্পানিটিকে নোটিশ দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। নোটিশের জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দর বাড়ার কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের কাছে নেই।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ৮ জুন কোম্পানির শেয়ার দর ছিল ৬.১০ টাকা। গতকাল কোম্পানির শেয়ার ৯.৪০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। আলোচ্য সময়ের ব্যবধানে কোম্পানির শেয়ার দর ৩.৩০ টাকা বা ৫৪ শতাংশ বেড়েছে। বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে করে নোটিশ দেয় ডিএসই। যার জবাবে কোম্পানি জানায়, দর বাড়ার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রতিষ্ঠানটির কাছে নেই।

কেয়া কসমেটিক্স পুঁজিবাজারে ২০০১ সালে তালিকাভুক্ত হয়েছে। কোম্পানিটির পুঁঞ্জিভূত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।