বৃহস্পতিবার ,৩০ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 748

দুর্গাপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হেকিম (৭৬) শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)।

শনিবার দুপুরে মরহুমের নামাজে জানাা ও রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র ২ কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্থানীয় সংসদ সদস্য মানু মজুমদার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী সদস্য রেমন্ড আরেং, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ঝুমা তালুকদার, পৌর মেয়র মো. আলা উদ্দিন, ইউএনও মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলরসহ মুক্তিযোদ্ধারা, দুর্গাপুর প্রেসক্লাব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলা উদ্দিন আল আজাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

রাজশাহীতে করোনা কেড়ে নিল আরও ১৯ জনের প্রাণ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টার মধ্যে তারা মারা যান। এর আগে গত ২৮ জুন সর্বোচ্চ ২৫ জন মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, নতুন করে মারা যাওয়া ১৯ জনের মধ্যে ছয়জন করোনা পজিটিভ ছিলেন। ১১ জন মারা গেছেন করোনার উপসর্গ নিয়ে। আর দুজন শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা গেছেন। তারা করোনা নেগেটিভ ছিলেন।

মৃত ১৯ জনের মধ্যে রাজশাহীর ৯ জন, নাটোরের ছয়, নওগাঁর দুজন, পাবনার একজন এবং কুষ্টিয়ার একজন রোগী ছিলেন।

হাসপাতালটিতে এ মাসের ১১ দিনে ১৯০ জনের মৃত্যু হলো। এর আগে জুন মাসে করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৫৪ জন।

হাসপাতাল পরিচালক শামীম ইয়াজদানী আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৪ জন। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন ৫১৮ জন। হাসপাতালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা এখন ৪৫৪টি।

২২২ কোটি টাকা ব্যয়ের পর বাতিল দুই প্রকল্প

২২২ কোটি টাকা খরচের পর কাজ অসমাপ্ত রেখেই ঢাকা ওয়াসার দুটি খাল উন্নয়ন প্রকল্প সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। একই কাজের জন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন আলাদাভাবে নতুন প্রকল্প নিচ্ছে। এতে ওয়াসা বিপুল অঙ্কের টাকা ব্যয় করলে জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো কাজে আসছে না। নগরবাসীও এর সুফল ভোগ করতে পারছে না। ফলে মানুষের দুর্ভোগ আরও প্রলম্বিত হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ৩১ ডিসেম্বর ২৬টি খালের দায়িত্ব বুঝে পায় দুই সিটি করপোরেশন। এরপরই ঢাকা ওয়াসার খাল উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ প্রশ্ন তোলেন ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশলীরা। এমন প্রশ্নে বিব্রতবোধ করে ঢাকা ওয়াসা। সৃষ্টি হয় বড় জটিলতা। এ ঘটনায় তিন সংস্থার জটিলতার নিরসনে স্থানীয় সরকার বিভাগ দফায় দফায় সভা করে। মন্ত্রণালয়ের সভায় তিন সংস্থার সম্মতিতে প্রকল্প সমাপ্ত করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ২০১৮ সালে ‘ঢাকা মহানগরীর ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও খাল উন্নয়ন’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে ঢাকা ওয়াসা। ১৬টি খালের সংস্কার, পুনঃখনন, পাড় বাঁধাই ও উন্নয়নের লক্ষ্যে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল বৃহত্তর মিরপুর ও উত্তরা এলাকার ৩০ লাখ মানুষকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেওয়া। সে লক্ষ্যে ওই প্রকল্পের ১৭৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

এ প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে ৩২ ভাগ। এ প্রকল্পের মোট আকার ছিল ৫৫০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর আওতাধীন খালগুলোর মধ্যে রয়েছে-আব্দুল্লাপুর, কল্যাণপুর ক, খ, গ, ঘ ও চ খাল, রামচন্দ্রপুর, সুতিভোলা, রূপনগর, সাংবাদিক কলোনি খাল, ইব্রাহিমপুর খাল, বাড্ডা খাল, বেগুনবাড়ি খাল, নাখালপাড়া খাল, কুতুবখাল ও ধোলাই খাল।

আর হাজারীবাগ, বাইশটেকি, কুর্মিটোলা, মাণ্ডা ও বেগুনবাড়ি খালের ভূমি অধিগ্রহণ ও খনন বিষয়ে আরেকটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এটি ঢাকা ওয়াসার পাঁচ খাল প্রকল্প নামে পরিচিত। এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬০৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ২০১৮ সালে শুরু এ প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর অগ্রগতি হয়েছে ৭ শতাংশ। প্রকল্প সমাপ্ত করার আগ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ ডিসেম্বর ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে ২৬টি খালের দায়িত্ব বুঝে পায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। সে সময় এমন সিদ্ধান্ত ছিল যে, দুই সিটি ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে খালসংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি, জনবল ও প্রকল্প বুঝে নেবে।

সে অনুযায়ী জনবল, যন্ত্রপাতি বুঝে নেয় দুই সিটি। কিন্তু জটিলতা সৃষ্টি হয় চলমান দুটি খাল প্রকল্প বুঝে নেওয়ার সময়। এগুলোর কাজের মান নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে প্রশ্ন তোলেন সিটি করপোরেশনের প্রকৌশলীরা।

এতেই বেঁকে বসে ঢাকা ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তখন ওয়াসার পক্ষ থেকে দুটি খাল প্রকল্প বিদ্যমান অবস্থায় শেষ করার প্রস্তাব করে। এ জটিলতা নিরসন করতে না পারায় প্রকল্প সমাপ্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

আরও জানা যায়, গত মার্চে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভায় ঢাকা ওয়াসার দুটি খাল প্রকল্প বিদ্যমান অবস্থায় শেষ করার সর্বসম্মতি সিদ্ধান্ত হয়। ওই সভায় এ বিষয়টি স্টিয়ারিং কমিটির সভায় চূড়ান্ত করতে বলা হয়। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত এপ্রিল মাসে স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এটা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ডিএনসিসির এক প্রকৌশলী জানান, ঢাকা ওয়াসার খাল প্রকল্পের কাজের মান আমরা নিখুঁতভাবে পর্যালোচনা করে দেখেছি। এ পর্যন্ত যতটুকু কাজ হয়েছে, ওই অবস্থায় প্রকল্পের দায়িত্ব বুঝে নিলে পরে জটিলতায় পড়ত ডিএনসিসি। এজন্য আমরা মন্ত্রণালয়ের সভায় এ বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছি। পরে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেটা প্রাথমিকভাবে খারাপ মনে হলেও সিটি করপোরেশনের জন্য ভালো হয়েছে। কেননা ঢাকা ওয়াসার ব্যর্থতার দায় আমাদের নিতে হচ্ছে না। এখন আমরা নিজেদের মতো করে প্রকল্প প্রণয়ন কাজ শুরু করেছি।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা ওয়াসায় চলমান দুটি খাল উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে। সে দুটি প্রকল্প হস্তান্তর নিয়ে দুই সিটির সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি হয়। পরে সর্বসম্মতিক্রমে ওই দুটি খাল প্রকল্প বিদ্যমান অবস্থায় সমাপ্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা ওয়াসার খাল প্রকল্প নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দেওয়ায় মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিয়েছে। আমরা মনে করছি, এটা ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা এখন নতুন করে খাল উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণ করছি।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাকের যুগান্তরকে বলেন, খাল প্রকল্প দুটি ওয়াসার। ওয়াসা একটি কর্তৃপক্ষ এখন দুটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর একটি জটিলতা। এছাড়া তারা যেসব কাজ করেছে, সেসব কাজের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়েও কথা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুই সিটি এখন আলাদাভাবে প্রকল্প গ্রহণ করছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, খাল প্রকল্প দুটি দুই সিটি করপোরেশন, মন্ত্রণালয় ও ঢাকা ওয়াসার যৌথ সভায় সার্বিক বিবেচনায় সমাপ্ত করা হয়েছে। আমার মনে হয়, মাঝপথে সমাপ্তি ঘটলেও এটা প্রকল্পের সার্বিক বিবেচনায় ভালো হয়েছে। দুই সিটি নতুনভাবে তাদের মতো করে আরও বড় পরিসরে প্রকল্প নিতে পারবে।

জমিতে মিলল ৮ ফুট লম্বা অজগর

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় জমিতে পাওয়া গেছে প্রায় ৮ ফুট লম্বা অজগর। সাপটির ওজন ১২ কেজি বলে জানা গেছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রাজা ফকিরপাড়াসংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষের সময় শফিকুল ইসলাম নামে এক কৃষক অজগরটি ধরেন।

পাহাড় থেকে খাবারের সন্ধানে এসে পথ হারাতে পারে অজগরটি এমনটি ধারণা করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের (বন্যপ্রাণী শাখা) অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ আহসান।

তিনি জানান, বন উজাড়সহ পরিবেশের নানা অসঙ্গতির কারণে প্রাণিকুলে রসদ ও আবাসস্থলের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে প্রাণিকুল তথা এই অজগরটি হয়তো খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসেছিল।

এদিকে খবর পেয়ে চবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতকোত্তর বর্ষের শিক্ষার্থী রফিক ইসলামসহ তার সহপাঠীরা অজগরটি স্থানীয় জনতার কাছ থেকে উদ্ধার করে ক্যাম্পাসে নিয়ে যায়। অজগরটি প্রায় ৮ ফুট লম্বা এবং ১২ কেজি ওজন। পরে অজগরটি চবি ক্যাম্পাসের গহিন বনে অবমুক্ত করা হবে বলে জানান ওই শিক্ষার্থী।

ন্যায়বিচার পেতে আদালতে মামলা করলেন শিল্পী ন্যান্সি

বেদখল হওয়া পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধারে চাচার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। তিনি বলেন, আইন ও আদালতের প্রতি আমার আস্থা আছে। আশা করছি ন্যায়বিচার পাব।

আগামী সোমবার মামলার প্রথম শুনানির দিন ধার্য থাকলেও লকডাউনের কারণে ন্যান্সি আদালতে হাজির থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছে তার পরিবার। এর আগে গত ১৭ জুন নড়াইল জেলা আদালতে ন্যান্সির পক্ষে মামলাটি করেছেন তার বড়ভাই জাকারিয়া নোমান।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার খাশিয়াল ইউনিয়নের বড়দিয়া এলাকার চোরখালি মৌজায় ন্যান্সির বাবা প্রয়াত সৈয়দ নাইমুল হকের ১৬ শতক পৈতৃক জমি আছে এবং তার বাবা নাইমুল হক ও মা মায়াতুন নাহারের ক্রয়কৃত আরও ৮ শতক জমি আছে। ওয়ারিশ সূত্রে যার মালিকানা ন্যান্সি, তার দুই ভাই জাকারিয়া নোমান, শাহরিয়া আমান সানি ও অন্য ওয়ারিশরা।

কিন্তু তার চাচা সৈয়দ কামরুল হাসান গং দীর্ঘদিন ধরে সেই জমি অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছেন। বারবার বলার পরেও পৈতৃক সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে না পেরে স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানান ন্যান্সি। থানার পরামর্শে আদালতে গিয়ে মামলাও করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে ন্যান্সি বলেন, বিষয়টা আমাদের পরিবারিক। তাই আমি ও আমার দুই ভাই মিলে পারিবারিকভাবেই স্থানীয় আত্মীয়স্বজন নিয়ে বিষয়টির মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এতেও যখন কাজ হয়নি তখন বাধ্য হয়েই আমরা আদালতে মামলা করেছি। সোমবার মামলার প্রথম শুনানি। কিন্তু লকডাউনের কারণে আমি সেখানে হাজির হতে পারছি না। মামলা হওয়ার পরও আদালতকে অবমাননা করে আমার চাচা ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন। আইন ও আদালতের প্রতি আমার আস্থা আছে। আশা করছি ন্যায়বিচার পাব।

ন্যান্সি আরও জানান, তার বাবা মারা যাওয়ার পর তাদের মালিকানাধীন পুরো জমিতে বাউন্ডারি দেওয়াল তুলে ন্যান্সির সেজো চাচা ও ফুফু। সেখানে তারা স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মামলা করার পর কিছুদিন কাজ বন্ধ ছিল। কিন্তু লকডাউনের মধ্যেও ন্যান্সির চাচা সৈয়দ কামরুল হাসান সেখানে কাজ শেষ করার জন্য তড়িঘড়ি করছেন।

বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানিয়ে ছিলেন ন্যান্সির ভাই। থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। এরপর থানার ওসির পরামর্শে আদালতে মামলা করেছেন।

এ বিষয়ে নড়াগাতি থানার ওসি রোকসানা খাতুন যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। যেহেতু আদালতে মামলা হয়েছে, সেখানে আমাদের তেমন কিছু করার নেই। এরপরও ক্ষতিগ্রস্তরা কোনো আইনি সহায়তা চাইলে তা অবশ্যই আমরা দেব।

ডিভোর্সের পরও একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন আমির-কিরণ!

বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণার পরও একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে বলিউড তারকা দম্পতি আমির খান ও কিরণ রাওকে।

বর্তমানে তারা কারগিলে রয়েছেন। ‘লাল সিংহ চড্ডা’ ছবির শুট চলছে সেখানে। তাদের সঙ্গেই রয়েছে ছেলে আজাদ।

আমিরের সঙ্গে শনিবার কাজে যোগ দিয়েছেন নাগা চৈতন্য। দক্ষিণী অভিনেতা শুটের ফাঁকে আমির এবং কিরণের সঙ্গে একটি সেলফি তুলে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ছবির ক্যাপশন লিখেছেন, ‘কৃতজ্ঞ’।

ছবিটি প্রকাশের পরই নেটমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে আমির এবং নাগা চৈতন্যকে দেখা যাচ্ছে সেনাবাহিনীর পোশাকে। কিরণ হালকা গোলাপি রঙের টি-শার্টে। আমিরের পাশেই হাসিমুখে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি।

 

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, ‘লাল সিং চড্ডা’-য় আমিরের সঙ্গে বিজয় সেতুপতির কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু তা সম্ভব না হওয়ায় নাগা চৈতন্যকে প্রস্তাব দেয়া হয়। আমিরের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে রাজি হয়ে যান তিনি।

বিখ্যাত হলিউড ছবি ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর ভারতীয় পুনর্নির্মাণ ‘লাল সিং চড্ডা’। মূল ছবিতে টম হ্যাঙ্কস যে চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, হিন্দি ছবিটিতে সেই চরিত্রে দেখা যাবে আমিরকে। তার বিপরীতে থাকবেন কারিনা কাপুর খান।

এক সপ্তাহ আগে বিবাহবিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আনেন আমির খান এবং কিরণ রাও। যৌথ বিবৃতি জারি করে জানিয়েছিলেন,দাম্পত্য শেষ হলেও বন্ধুত্ব থাকবে অটুট। পেশাগত জীবনে পড়বে না ব্যক্তিজীবনের সিদ্ধান্তের ছাপ।

ইউটিউব মাতাচ্ছে ২৫ কেজির ললিপপ

ইউটিউবে নানান ধরনের ভিডিও আপলোড করা হয়। কেউ রান্নার ভিডিও আপলোড করছেন, কেউ ভ্রমণের ভিডিও আপলোড করছেন, কেউ নাচ-গান-আবৃত্তির মতো প্রতিভা তুলে ধরছেন। তবে সব ভিডিও কিন্তু নজরে কাড়ে না। কোনো ভিডিও যদি গতানুগতিকের চেয়ে আলাদা হয়, তাহলে তা সহজেই ভাইরাল হয়।

এবার ২৫ কেজি ওজনের একটা ললিপপ বানানোর ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ভারতের কেরালার এক যুবক। এরই মধ্যে ওই ভিডিও দেখেছেন এক লাখের বেশি মানুষ। ইউটিউবের প্রথমসারিতে চলে এসেছে ওই ভিডিও।

ফিরোজ চুত্তিপাড়া নামে ওই যুবক জানান, ছোটোবেলায় খাওয়া ললিপপের স্বাদ নতুন করে মনে করতেই তৈরি করেছেন ২৫ কেজির ললিপপ।

কিভাবে এই বিশাল সাইজের ললিপপ তৈরি করেছেন জানতে চাইলে ফিরোজ বলেন, স্টিলের পাত্রে চিনির রস ও নানা ফ্লেভার মিশিয়ে তৈরি করেছেন এই ললিপপ। ললিপপ বানাতে সময় লেগেছে ১২ ঘণ্টা।

সাড়ে চার লাখে বিক্রি হলো হাতির আঁকা ছবি!

হাতিকে বলা হয় বুদ্ধিমান প্রাণী। থাইল্যান্ডের রয়েছে ৭০ হাজারেও বেশি হাতি। এসব হাতি বিভিন্ন কসরৎ দেখিয়ে পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

সম্প্রতি সেখানকার একটি হাতির শুঁড়ের সাহায্যে ছবি আঁকানোর দৃশ্য ভাইরাল হয়েছে। এমনকি প্রশিক্ষকের সাহায্য নিয়ে হাতির আঁকা একটি ছবি বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে চার লাখেরও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে!

ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, শুঁড়ের সাহায্যে রংতুলি দিয়ে ক্যানভাসে ছবি আঁকছে হাতি।পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন প্রশিক্ষক। তিনিই তুলিতে রং মাখিয়ে দিচ্ছেন।

আর হাতিটি শুঁড়ের সাহায্যে ওই তুলিটি শক্ত করে ধরে ক্যানভাসের উপর এঁকে যাচ্ছে। নেটমাধ্যমে এই দৃশ্য মুগ্ধ করেছে নেটিজেনদের। মুহূর্তের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গেছে।

নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম নাওদিস বুধবার হাতির ছবি আঁকার ভিডিও প্রকাশ করে। থানওয়া নামে ওই হাতিটির বয়স ৯ বছর।

থাইল্যান্ডের মেইট্যাঙ হাতি সংরক্ষণশালার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অর্থ সংগ্রহ চলছে অনলাইনে। সেখানে একটি প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়। সেখানেই থানওয়া ছবি প্রদর্শিত হয়েছে।

আপত্তিকর কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে ফেসবুক-টিকটককে বিটিআরসির অনুরোধ

আপত্তিকর কনটেন্টগুলো সরিয়ে ফেলতে ফেসবুক ও টিকটক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা-বিটিআরসি।এ বিষয়ে ফেসবুক-টিকটক কর্তৃপক্ষও যথাসম্ভব ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

শনিবার এক ওয়েবিনারে এ তথ্য জানান বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অপব্যবহার : নারী ও মেয়ে শিশুদের পাচার রোধে করণীয়’ বিষয়ে এই ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়।

টিকটক ও লাইকির বিষয়ে অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, লাইকি ও টিকটকের জন্য খুব সামান্য সেটআপ ও দক্ষতার দরকার হয়। তাই স্বল্প শিক্ষিত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা খুব সহজেই সাইবার বিনোদন জগতে প্রবেশ করতে পারে। এ ছাড়া টিকটকের রিপোর্টিং সিস্টেমে অশ্লীল বিষয়কে আলাদা করে দেখানো হয় না বলে যে যা খুশি আপলোড করতে পারে।

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, বিটিআরসি চাইলেই টিকটক ও ফেসবুক বন্ধ করতে পারে না। এ ব্যাপারে সমাজের সবার সচেতনতা বাড়াতে হবে। এজন্য আমরা প্যারেন্টাল গাইড প্রসঙ্গে অভিভাবকদের সঙ্গে ওয়ার্কশপ করার কথা ভাবছি।কারণ অভিভাবকরা ইন্টারনেট লাইন নেওয়ার সময়ে প্যারেন্টাল গাইড বিষয়টি লক্ষ্য করেন না।

এ সময় সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, খুব দ্রুত ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু করতে যাচ্ছে বিটিআরসি। যার মাধ্যমে মোবাইল সেট ব্যবহারকারীর পরিচয় বোঝা যাবে। এতে একজন আরেকজনের সেট বা সিম ব্যবহার করতে পারবে না।

ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও জোনের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন, প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে যে এভাবে নারী পাচার কার্যক্রম চলছে, তা বুঝতে আমাদের দেরি হয়ে গেছে। আমরা মনে করেছিলাম এসব মজার অ্যাপস সারা দুনিয়ায় চলছে। এখানেও সেইভাবেই চলছে। কিন্তু পরে দেখলাম তরুণদের একটা গ্রুপ সংগঠিত হয়ে অপরাধ করছে এসব অ্যাপস ব্যবহার করে।এখন আমরা চেষ্টা করছি। শুক্রবারও (৯ জুলাই) এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অবশ্যই দেশের গণমাধ্যম, অভিভাবক এবং বিশেষ করে কিশোরী-তরুণীদের সচেতন হতে হবে।

ওয়েবিনারে বক্তব্য দেন জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী, সাংবাদিক শফিক শাহীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উম্মে ওয়ারা এবং এশিয়া প্যাসিফিক নেটওয়ার্ক ইনফরমেশন সেন্টারের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল সদস্য সুমন আহমেদ সাব্বির।

দীর্ঘক্ষণ হেডফোন ব্যবহারে যেসব ক্ষতি

স্মার্টফোন যেমন তুমুল জনপ্রিয় উপাদানে পরিণত হয়েছে, ঠিক তেমনই মোবাইল ফোনের সঙ্গে হেডফোনেরও চাহিদা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। বাস, ট্রেন, এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের পাশাপাশি বয়স্কদেরও কানে ইয়ারফোন গুঁজে বসে থাকতে দেখা যায়। নানা ধরনের গ্যাজেট ব্যবহারের জন্য হেডফোন বেশ দরকারি। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ কানে হেডফোন দিয়ে রাখলে কানের অনেক ক্ষতি হয়। দীর্ঘক্ষণ কানে হেডফোন

দিয়ে থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে, তা নিয়েই আজকের আয়োজনে লিখেছেন- সৈয়দ আসাদুজ্জামান আরমান

আমাদের কানের ভেতরের অংশে অর্থাৎ ইনার ইয়ারে থাকে ছোট ছোট লোম, বিজ্ঞানের ভাষায় যার নাম স্টেরিওসিলিয়া। আমরা যখন কোনো শব্দ শুনি তখন এ লোমগুলো কেঁপে ওঠে, এ কম্পন স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায় এক ধরনের বৈদ্যুতিক সংকেত। প্রতিনিয়ত যখন কেউ উঁচু ভলিউমে প্রতিনিয়ত কিংবা লম্বা সময় ধরে গান শোনেন, তখন স্টেরিওসিলিয়াতে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, যা শ্রবণশক্তি নষ্ট করে ফেলে। একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, টানা এক ঘণ্টার বেশি কেউ যদি কানে হেডফোন গুঁজে রাখেন, তবে তার শ্রবণক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

* নিজের হেডফোন অন্যের সঙ্গে শেয়ার করাটাও যৌক্তিক নয়। এর ফলে সবচেয়ে দ্রুত এবং সহজে ব্যাকটেরিয়াজনিত ইনফেকশন একজনের থেকে অন্যজনের দিকে ছড়াতে পারে।

* দীর্ঘ সময় হেডফোন পড়ে থাকলে কানের গহ্বরের ভেতরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে কানের ভেতরে ঘাম জমতে থাকে। এর থেকে ব্লাকহেড বা অ্যাকনে জন্মায়।

* দীর্ঘক্ষণ হেডফোন ব্যবহার করা থেকে ভার্টিগোর মতো সমস্যাও দেখা যেতে পারে। প্রায়ই বেশিক্ষণ হেডফোন ব্যবহার করলে বমিবমি ভাব, মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম ভাব অনুভূত হয়।

* ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন একটি গবেষণা করে দেখেছে, ব্লু-টুথ হেডফোন ব্যবহার করলে শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশনের প্রভাব পড়ে; যা খুবই ক্ষতিকারক।

* এনআইএইচএল বা নয়েজ ইনডিউসড হিয়ারিং লস সূত্র অনুযায়ী, সর্বোচ্চ শব্দমাত্রার ৬০ শতাংশের বেশি ভলিউম বাড়ানো কখনোই উচিত নয়।

* ১০০ ডেসিবল এবং তার চেয়েও বেশি মাত্রায় প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিনিট কিছু শুনলে কানের স্থায়ী ক্ষতি নিশ্চিত। যেমন, স্মার্টফোন কিংবা স্পিকারের সর্বোচ্চ ভলিউমে গান শোনা।