বৃহস্পতিবার ,১৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 599

ক্ষমা চেয়ে স্ট্যাটাসে যা বললেন ডা. মুরাদ

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে সমালোচিত ডা. মুরাদ হাসান।

মঙ্গলবার দুপুর ১টায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে স্ট্যাটাস দিয়ে এ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডা. মুরাদ লেখেন, ‘আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি অথবা আমার কথায় মা-বোনদের মনে কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা দেশরত্ন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিবো আজীবন। জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।’

রাষ্ট্রধর্ম ও ৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া নিয়ে বক্তব্য দিয়ে প্রথম আলোচনায় এসেছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

এর পর বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি।

সর্বশেষ একটি অডিও ফাঁসের ঘটনা ডা. মুরাদকে বিপাকে ফেলে দিয়েছে।

নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পর তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতোমধ্যে ই-মেইলে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ডা. মুরাদ।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগের জন্য তিনি ‘ব্যক্তিগত কারণের’ কথা উল্লেখ করেছেন চিঠিতে।

২০১৯ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দুই বছরের বেশি সময় ধরে এই মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি।

মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য। তার বাবা প্রয়াত মতিউর রহমান তালুকদার জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন মুরাদ হাসান

মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। ইতোমধ্যে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা মাত্রই কেবিনেট থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে সচিবালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডা. মুরাদ হাসানের আপত্তিকর বক্তব্য ও অডিও-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় আজকের মধ্যে তাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার এ নির্দেশনার পরই পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন মুরাদ।

মঙ্গলবার দুপুরে সাড়ে ১২টায় পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পাঠান প্রতিমন্ত্রী মুরাদ। তিনি নিজে সচিবালয়ে আসেননি। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। সোমবার অডিও ফাঁস হওয়ার ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হলে ঢাকা ছাড়েন মুরাদ।

সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ‘প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করিতে অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং উক্ত মন্ত্রী অনুরূপ অনুরোধ পালনে অসমর্থ হইলে তিনি রাষ্ট্রপতিকে উক্ত মন্ত্রীর নিয়োগের অবসান ঘটাইবার পরামর্শ দান করিতে পারিবেন।’

সরকার ও আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, মন্ত্রিত্ব হারানোর পাশাপাশি দল থেকেও বাদ দেওয়া হতে পারে মুরাদ হাসানকে।

২০১৯ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য। তার বাবা প্রয়াত মতিউর রহমান তালুকদার জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্কিত বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ডের কারণে মুরাদ সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর কিছু অডিও-ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় দেশজুড়ে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

এতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সরকার। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে না পারলেও সারা দেশে দলের নেতাকর্মীরা তার ওপর বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ। এ ঘটনায় বিএনপিসহ বিভিন্ন নারী সংগঠনও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা ডা. মুরাদের পদত্যাগ দাবি করেন।

বিএনপির এক শীর্ষ নেতার পরিবারকে নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যের পাশাপাশি চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে মুরাদ হাসানের টেলিফোনে কথোপকথনের একটি অডিও ভাইরাল হয়।

কয়েক দিন আগে ইউটিউবে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে বিএনপির এক শীর্ষ নেতার মেয়েকে নিয়ে অশালীন বক্তব্য দেন ডা. মুরাদ হাসান।

বিএনপি তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানায়। সোমবার এক সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।

এদিকে ডা. মুরাদের অডিও ভাইরালের সত্যতা স্বীকার করেছেন মাহিয়া মাহি। সোমবার সৌদি আরব থেকে ফেসবুক লাইভে মাহি বলেন, ঘটনাটি দুই বছর আগের।

সেই সময়ে তার বিকৃত এবং কুরুচিপূর্ণ ব্যবহার ও ভাষার জবাব আমার জানা ছিল না।

সূত্র জানায়, গত অক্টোবরে প্রথম রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরোধিতা করে আলোচনায় আসেন মুরাদ হাসান। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ ঘটনার পর পর প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের পুরনো কিছু ভিডিও ভাইরাল হয় নেট মাধ্যমে। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরসহ অনেক রাজনীতিকও এর নিন্দা জানিয়েছিলেন।

তখন থেকেই একের পর এক বিকৃত অশালীন বক্তব্য, প্রতিহিংসামূলক আক্রমণাত্মক অঙ্গভঙ্গি সব মিলিয়ে ভাইরাল হয়ে আলোচনায় ছিলেন ডা. মুরাদ হাসান। গত শনিবার একটি টিভি টকশোতে উপস্থিত বিএনপির সাবেক এক নারী এমপিকে ‘মানসিক রোগী’ বলে অভিহিত করে তার সঙ্গে বিতণ্ডায় লিপ্ত হন তিনি।

পেশায় চিকিৎসক জামালপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মুরাদ হাসান আওয়ামী লীগপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত সরকারে প্রথমে মুরাদ হাসানকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে। প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ২০১৯ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য থেকে তাকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জানা গেছে, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় যখন চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়, তখনই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান চট্টগ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা একটি গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সোমবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরেই চট্টগ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন মুরাদ। চট্টগ্রামে এক বন্ধুর বাসায় ওঠার কথা রয়েছে তার।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় ২০০০ সালে ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সভাপতি হন মুরাদ হাসান। তিন বছর পর আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পান।

৪৭ বছর বয়সি মুরাদ তার নিজের এলাকা জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ‘স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক’। তার বাবা অ্যাডভোকেট মতিয়র রহমান তালুকদার ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

এদিকে ডা. মুরাদ হাসানের ‘অপ্রত্যাশিত ফোনালাপে’ বিব্রত ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলটির কেন্দ্রীয় দুই নেতা বলেন, একজন রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব হচ্ছে দেশের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে মানুষের জন্য কাজ করা।

মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করা। কিন্তু নিজের ব্যক্তিত্ব ও অবস্থান বিসর্জন দিয়ে কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণ করলে শুধু সেই ব্যক্তিই যে সমালোচিত হন তা নয়, তার দল ও দলের নেতারাও বিব্রত হন।

শরীরে ফলিক অ্যাসিডের অভাব বুঝবেন ৬ লক্ষণে

আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ভালোভাবে কাজ করার জন্য ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজের ভূমিকা অনেক। এসব ভিটামিন ও খনিজের অভাবে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ভিটামিনের মধ্যে একটি হচ্ছে— ফলিক অ্যাসিড বা ভিটামিন বি-৯ অথবা ফোলেট। ফলিক অ্যাসিড হচ্ছে— ভিটামিন বি-৯ এর দ্রবণীয় রূপ। এটি মানবদেহে প্রকৃতিকভাবেই সৃষ্টি হয়ে থাকে ভিটামিন বি-১২ এর মতোই।

ফলিক অ্যাসিড শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এটি ডিএনএ গঠন বা সিন্থেসাইজেশন, কোষ বিভাজন এবং ডিএনএ মেরামত করতে সাহায্য করে। আর ক্রমাগত কোষ বিভাজনে এবং কোষের বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এটি। এ ছাড়া ফলিক অ্যাসিডের অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হতে পারে।

ফলিক অ্যাসিডের অভাব হলে তা বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমেই পূরণ করতে হয়। তাই শরীরে ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি মেটাতে এটি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার বিকল্প নেই।

কিন্তু আগে জেনে নিন শরীরে ফলিক অ্যাসিডের অভাব হলে কীভাবে বুঝবেন—

১. ক্লান্তিভাব
শরীরে ফোলেটের অভাব হলে ক্লান্তিভাব বেড়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিতভাবে যদি ক্লান্ত বোধ করেন, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. চুল ধূসর হয়ে যাওয়া
ফোলেটের অভাবের কারণে অনেক সময় চুল ধূসর হয়ে যেতে পারে।

৩. মুখে ঘা
অনেক সময় আমাদের মুখে ঘা হয়ে থাকে। আর এটি হতে পারে শরীরে ফলিক অ্যাসিডের অভাবের কারণেও।

৪. জিহ্বা ফুলে যাওয়া
শরীরে ফোলেট কমে গেলে জিহ্বা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৫. চামড়া ফ্যাকাশে হয়
চামড়ার রঙ্গে পরিবর্তন হয়ে তা ফ্যাকাশে দেখাতে পারে ফলিক অ্যাসিড়ের অভাবের কারণে।

৬. শরীরের বৃদ্ধিতে সমস্যা
ফলিক অ্যাসিডের অভাবের কারণে অনেক সময় শরীরের বৃদ্ধি ধীর হয়ে যেতে পারে।

এ ছাড়া ফলিক অ্যাসিড়ের অভাবের কারণে অ্যানিমিয়া রোগ হয়ে থাকে। তাই রক্ত স্বল্পতার বিভিন্ন লক্ষণও দেখা দিতে পারে শরীরে ফলিক অ্যাসিড় কমে গেলে। যেমন অনেক বেশি দুর্বলতা, অলসতা, নিঃশ্বাসে দুর্বলতা চামড়া ফ্যাকাশে ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন ডটকম

বয়স বাড়লে ঘন ঘন প্রস্রাব হয় কেন?

শরীরের অতিরিক্ত বর্জ্য প্রস্রাব হয়ে বেরিয়ে আসে। মূলত এই কাজটির অনুঘটক কিডনি। মূত্রতন্ত্র এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। একজন স্বাভাবিক মানুষের দিনে নিদেনপক্ষে ৫ বার প্রস্রাব হয়ে থাকে। এর কমবেশি হলে বুঝতে হবে শরীরে কোনো না কোনো সমস্যা আছে।

ডায়াবেটিস রোগীদের প্রস্রাব বেশি হয়ে থাকে। আবার বয়স বাড়লে প্রস্রাবের ঘনত্ব বাড়ে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. সোহরাব হোসেন সৌরভ।

মানব শরীরে পানি ও লবণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কিডনি-মূত্রতন্ত্র বিশেষ অবদান রাখে। বর্জ্য নিঃসরণে মূত্রতন্ত্রের অপর্যাপ্ত ক্ষমতা বা অক্ষমতায় এসব বর্জ্য শরীরে জমা হয়ে আমাদের শরীরের সুস্থ আবহকে বিঘ্নিত করে।

একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় সাধারণত ২ দশমিক ৫ থেকে তিন লিটার পানি বা পানীয় পান করে থাকেন। কিডনির কাজ করার ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলে, পারিপার্শ্বিক আবহাওয়ার খুব বড় তারতম্য না হলে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৫০০ সিসি প্রস্রাব কিডনি তৈরি করে থাকে।

শরীরের সব বর্জ্য যে প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয় তা নয়। কিছু পানি ঘাম আকারে, কিছু পানি শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে, কিছু পানি মলের সঙ্গে বের হয়ে যায়।

যেহেতু আমাদের প্রস্রাবের থলির স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ৩০০ সিসি, তাই স্বাভাবিকভাবে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচবার প্রস্রাব করে থাকে। সাধারণত দিনে চারবার আর রাতে একবার।

নানাবিধ স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক কারণে বারবার প্রস্রাবের প্রবণতা দেখা দিতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। যদি আমরা অতিরিক্ত পানি বা তরলজাতীয় খাবার খাই, তবে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হয়, বারবার প্রস্রাব হয়। বারবার প্রস্রাব হয় ডায়াবেটিসেও।

অন্যদিকে পুরুষের ক্ষেত্রে বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে বয়সজনিত স্বাভাবিক পরিবর্তন হিসেবেই বৃদ্ধি ঘটে প্রোস্টেট গ্রন্থির। প্রোস্টেট গ্রন্থি প্রস্রাব প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে। ফলে প্রস্রাবের থলি সব সময় সম্পূর্ণ খালি হয় না।

আর বৃদ্ধি পাওয়া প্রোস্টেট সৃষ্টি করে প্রস্রাবের থলির মুখে এক ধরনের অস্বস্তি। বয়োবৃদ্ধির কারণে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার প্রস্রাবের থলিরই ধারণক্ষমতা কমে যায়। বারবার প্রস্রাব করার প্রবণতা বেড়ে যায়।

আঁচিল কি ছোঁয়াচে, চিকিৎসা কী?

ত্বক এমন একটি অর্গান যেটা পুরো শরীরকে ঢেকে রাখে। এটি শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। ত্বকের ৪-৫ হাজার রকমের রোগ আছে। ত্বকের নিজস্ব রোগ আছে।

এ ব্যাপারে ইউনাইটেড হাসপাতালের চর্ম রোগ বিশেষেজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জিনান মেহরাজ বলেন, আমাদের শরীরের ভেতরের যত অর্গান আছে, যেমন- হার্ট, লাং, লিভার, কিডনি- এগুলোর সমস্যাগুলো আমরা ত্বকের ওপরেও দেখতে পাই।

ত্বকের প্রাথমিক কিছু রোগ আছে। এছাড়া শরীরের ভেতরের যত সমস্যা হয়, তার পূর্বাভাস হিসেবে ত্বকের ওপর প্রভাব দেখা যায়।

তিনি বলেন, আঁচিল হলে সেটাকে অবশ্যই তুলে ফেলতে হবে। আঁচিল ছোঁয়াচে হয়। এটা নিজে নিজেকেই সংক্রমিত করতে পারে। অন্য কাউকেও করতে পারে। মুখে আঁচিল হলে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

আঁচিল কীভাবে দূর করা যায়?

এ ব্যাপারে চর্ম রোগ বিশেষেজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জিনান মেহরাজ বলেন,আঁচিল অনেকভাবেই দূর করা যায়। ক্রায়োসার্জারি মাধ্যমে দূর করা যায়। তবে দাগ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও ক্রিমের মাধ্যমে দূর করা যেতে পারে (কিছু দিন ক্রিম মাখতে হয়)। আরেকটা হলো কার্বন-ডাই-অক্সাইড লেজার দিয়ে দূর করা যেতে পারে।

 

কুয়েটে ছাত্রলীগই শেষ কথা

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) হলের সিট বরাদ্দ, ডাইনিং ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই রয়েছে ছাত্রলীগের খবরদারি। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি ছাত্র হল চলে ছাত্রলীগ নেতাদের কথামতো। মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দের কথা থাকলেও নেতাদের ‘দয়া’ ছাড়া কোনো শিক্ষার্থী সিট পায় না।

জোর করে ডাইনিং ম্যানেজারের পদও বাগিয়ে নেন নেতারা। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ নিয়েও বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। এছাড়া রয়েছে ক্যাম্পাসে মাদক বাণিজ্য ও ভিন্নমতের ‘ট্যাগ’ দিয়ে ছাত্রদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ। কুয়েটের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে এসব অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি কুয়েট শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যুর পর ছাত্রলীগের নানা অপকর্ম আলোচনায় আসে। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মানসিক নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার ছাত্রলীগের নয় নেতাকে কুয়েট থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই এক বছর মেয়াদি কমিটি হয় কুয়েট ছাত্রলীগের। কমিটির সভাপতি হন আবুল হাসান শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজান। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পান ২২১ জন।

সেই ‘এক বছরের’ কমিটি এখনও বহাল। এর মধ্যে সভাপতি শোভন চলতি বছরের ২৪ মে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে এলজিইডিতে চাকরি নেন। ফলে এক প্রকার সেজানের একক নিয়ন্ত্রণে ছিল কুয়েট।

কুয়েটের সাতটি হল। এর মধ্যে একটি ছাত্রী হল। বাকি ছয়টি ছাত্রদের। এগুলো হলো- খানজাহান আলী হল, ড. এম রশিদ হল, লালন শাহ হল, অমর একুশে হল, ফজলুল হক হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল। এসব ছাত্র হল ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ন্ত্রণে।

এরমধ্যে অমর একুশে হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল বড় হওয়ায় এ দুই হলে প্রতি মাসে চারজন করে ডাইনিং ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন।

অন্য চারটি হলে ম্যানেজার থাকে এক-দুজন করে। হল কমিটির সভায় ম্যানেজারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। জোর করে এ পদ বাগিয়ে নেয় ছাত্রলীগ। মূলত আয় ও প্রভাব খাটাতেই ডাইনিং ম্যানেজার পদে নিজের অনুগতদের রাখতে চান ছাত্রলীগ নেতারা।

জানা গেছে, হল ম্যানেজারের কাজ মূলত বাজার করা। এ ছাড়া প্রতি মাসেই প্রত্যেক ছাত্রের বিপরীতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত বিল করা হয়। বাজার ও অতিরিক্ত বিলের কারণে ছোট হলগুলোতে প্রতি মাসে একজন ম্যানেজারের ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় হয়। বড় হলগুলোতে আয় লাখ টাকার উপরে। এ আয়ের একটি অংশ যায় নেতাদের পকেটে।

নভেম্বরে লালন শাহ হলে ডাইনিং ম্যানেজার ছিলেন নাজমুস সাকিব। ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের অনুসারী এ নেতাকে বাদ দিয়ে ডিসেম্বরে নিজের এক অনুসারীকে নিতেই প্রভোস্ট ড. মো. সেলিম হোসেনকে চাপ প্রয়োগ করেছিলেন কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজান।

অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রলীগ নেতাদের এমন চাপ সহ্য করতে না পেরে ১ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেন ড. কল্যাণ কুমার হালদার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. কল্যাণ কুমার হালদার বলেন, ড. সেলিম আমার খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তার মৃত্যুর পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে আমি পদত্যাগ করেছি।

কুয়েটের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, জোর করে ছাত্রলীগের মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। কেউ যেতে না চাইলে নির্যাতন করা হয়; ল্যাপটপ, মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া ভিন্নমত প্রকাশ করলেই শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

২০১৯ সালের ২৪ মার্চ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শাহীনুজ্জামানসহ তিন শিক্ষার্থীকে ফজলুল হক হলের একটি কক্ষে আটকে মারধর করা হয়। এরমধ্যে শাহীনুজ্জামানের কিডনিতে মারাত্মক আঘাত লাগে।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভিন্ন মতের ‘ট্যাগ’ দিয়ে দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করে পুলিশে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে আলামিনের চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েটের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগেও ছাত্রলীগের হস্তক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে ছাত্রলীগ নেতারা নিয়োগ বাণিজ্য করেন। কিছুদিন আগে নিয়োগ দুর্নীতির ঘটনায় চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারী চাকরিচ্যুত হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পাসে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজান যুগান্তরকে বলেন, ক্যাম্পাসে মাদক বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য এবং হলে শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগ জড়িত নয়। এগুলো ভিত্তিহীন অভিযোগ।

হলে ডাইনিং ম্যানেজার পদের জন্যও আমরা হল কর্তৃপক্ষকে কখনও চাপ দেই না। তবে মাঝেমধ্যে অনুরোধ করেছি। এটা আমরা করতেই পারি।

শিক্ষকদের শোকসভা ও দোয়া : ড. সেলিমের মৃত্যুতে কুয়েটের শিক্ষক ক্লাব ভবনে রোববার সকালে এক শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ড. সেলিমের স্ত্রী সাবিনা খাতুন রিক্তা অনলাইনে যুক্ত হন। তিনি তার স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান।

পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। এছাড়া বাদ আসর কুয়েটের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ড. সেলিমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুয়েট শিক্ষকের লাশ তুলতে আবেদন পুলিশের : ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের লাশ কবর থেকে তোলার আবেদন করা হয়েছে।

রোববার আদালতে এ আবেদন করে পুলিশ। এদিকে শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির বাকি দুই সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটি রোববার বিকাল থেকে কাজ শুরু করেছে।

খানজাহান আলী থানার ওসি প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানান, শিক্ষক ড. সেলিমের লাশের ময়নাতদন্ত করা প্রয়োজন। এজন্য দুপুরে তারা খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আবেদন জানিয়েছেন। তবে যেহেতু এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি, সে কারণে আদালত লাশ উত্তোলনের অনুমতি দেয়নি।

আদালত থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপর তারা খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন জানান। লাশ যেহেতু কুষ্টিয়াতে দাফন করা হয়েছে, সে কারণে খুলনার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি কুষ্টিয়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

ময়নাতদন্ত ছাড়াই ১ ডিসেম্বর ড. সেলিমের লাশ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাঁশগ্রামে দাফন করা হয়েছিল।

এদিকে রোববার দুপুরে তদন্ত কমিটির বাকি দুই প্রতিনিধির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। খুলনা জেলা প্রশাসন ও মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদের প্রতিনিধি দিয়েছে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন সহকারী কমিশনার দেবাশীষ বসাক এবং কেএমপির প্রতিনিধি হয়েছেন কেএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. শাহাবুদ্দীন।

কমিটিতে থাকা তিন শিক্ষকের নাম আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। এরা হলেন- কমিটির প্রধান কুয়েটের প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমাদ এবং দুই সদস্য প্রফেসর ড. খন্দকার মাহবুব হাসান ও সদস্য সচিব প্রফেসর ড. মো. আলহাজ উদ্দীন। রোববার বিকাল থেকে কাজ শুরু করেছে তদন্ত কমিটি।

৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি (৫)

English Literature

1. ‘The Good Earth’ has been written by

a.Pearl S. Buck b. George Eliot

c. Charles d.Viginia Wolff

2. The First English novel, Pamela has been written by-

a. Daniel Defoe

b. Samuel Richardson

c. Henry Fielding d. Sir Walter Scott

3. Who is known as the father of English poetry?

a. Alexander Pope b. John Keats

c. Charles Dickens d. Geoffrey Chaucer

4. Who was both a poet and a Priest?

a. George Herbert b. Andrwe Marvell

c. Edmund Spencer d. Robert Browning

5. ‘Uncle Tom’s Cabin’is written by·

a. Robert Tenûson b. Pearl S. Buck

c. Harriet Beecher Stowe

d. Thomas Hardy

6. Pride and Prejudice’ is written by-

a. Emily Bronte b. Jane Austen

c. Charlotte Bronte d. Charles Dickens

7. Who among the following is a dramatist?

a. G. B. Shwa b. E. M. Forster

c. T. S. Eliot d. Stephen Spender

8. Who wrote ‘The End of History and the Last Man’?

a. M. Francis Fukuyama b. Robert Frost

c. Samuel Huntington d. David Lynn

9. Helen of Troy was the wife of·

a. Agamemnon b. Achilles

c. Menelaus d. Ulysses

10. Who is the ‘University Wits’ in the following list?

a. William Shakespeare

b. Thomas Gray

c. Robert Greene d. John Dryden

11. Who wrote the short story ‘The Gift of the Magi’?

a. William Wordsworth b. Nixon

c. Jane Austen d. O’ Henry

12. Eliæabethan tragedy is centred on·

a. love b. war

c. revenge d. philosophy

13. Calliban is a Character in·

a. King Lear b. Tempest

c. Man and Superman d. Othello

14. Who wrote the book ‘The Kite Runner’?

a. Salman Rushide b. KhaledHosseini

c. OrhanPamuk d. John Milton

15. ‘Silent Woman’ written by·

a. John Ruskin b. Daniel Defoe

c. Ben Jonson d. Robert Browning

16. The poem ‘To His Coy Mistress’ was written by·

a. John Keats b. Andrwe Marvell

c. John Milton d. William Shakespeare

17. ‘Justice delayed is justice denied’ was state by·

a. Shakespeare b. Emerson

c. †ladstone d. John Keats

18. Who wrote the poem ‘Solitary Reaper’?

a. William Wordsworth b. P.B. Shelley

c. John Keats

d. William Shakespeare

19. The author of ‘Road to Freedom’ is·

a. James Baker b. Bertrand Russell

c. Dr. Kissinger d. Vladimir Lenin

20. Shakespeare’s ‘Julius Caesar’ is a·

a. comedy b. satire

c. tragedy d. historical play

Answers :

1a 2b 3d 4a 5c 6b 7a 8c 9c 10c 11d 12c 13b 14b 15c 16b 17c 18a 19b 20c.

গ্রন্থনা : আফজাল হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

ইউটিউবে আসছে ‘পৃথিবীর মায়া’

সঙ্গীত শিল্পী মেহরাবের নতুন মিউজিক ভিডিও ‘পৃথিবীর মায়া’ আগামী ৮ ডিসেম্বর ইউটিউবে মুক্তি পাবে। ইউটিউব চ্যানেল ‘MEHRAB’-এ মুক্তির অপেক্ষায় থাকা আলোচিত ওই মিউজিক গানটি লিখেছেন শোয়েব লিয়াকত। সুর করেছেন মেহরাব ও শোয়েব। সঙ্গীত আয়োজন করেছেন গানের শিল্পী মেহরাব নিজেই। গানটিতে মডেল হিসেবে দেখা যাবে শান্তা জাহান, সায়েম সালেক, ওয়াসিউ এবং রাব্বিকে।

মিউজিক ভিডিওটিতে উপস্থাপিত হয়েছে একটু ব্যতিক্রম ধরনের গল্প, যা কিনা অনেকের জীবনের কঠিন একটি বাস্তবতার প্রতিফলন। প্রেম-ভালোবাসা-বন্ধন-বিয়োগ মিশ্রিত এই গানটির মিউজিক ভিডিও ডিরেকশন দিয়েছেন মেহরাবই।

মিউজিক ভিডিওটির শ্যুটিং করার কথা ছিল এপ্রিলের ৮ ও ৯ তারিখ। কিন্তু এপ্রিলের পাঁচ তারিখ থেকে লকডাউন পরে যাওয়ায় তাড়াহুড়া করে একদিন সময়েই এপ্রিলের ৪ তারিখই গানটির শ্যুটিং-এর সবটুকু শেষ করে ফেলতে হয়।

মেহরাবের আশা গানটি শ্রোতা ও দর্শকদের মনে আবেগ ত্বরান্বিত করবে।

ক্লোজআপ ওয়ান সঙ্গীত প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা দিয়ে গানের ভুবনে প্রবেশ করেন মেহরাব। প্রতিযোগিতা চলাকালেই সঙ্গীতানুরাগীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। পরবর্তীতে মৌলিক গান নিয়ে তাদের মন জয় করেন তিনি। তার ইউটিউব চ্যানেলের প্রথম মিউজিক ভিডিও ‘শোন না’ – মেহরাব ও শোয়েব লিয়াকতের লেখা। এরপর রবিউল ইসলাম জীবনের লেখা ‘ভালোবাসি খুব’ নামের আরেকটি গানের ভিডিও নিয়ে হাজির হয়েছিলেন মেহরাব। গান দুইটির মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছিলেন তার স্ত্রী রুশী চৌধুরী। দু’টি মিউিজিক ভিডিওই ছিল দর্শক ও তাদের আগ্রহের কেন্দ্রে।

সঙ্গীত শিল্পী মেহরাবের বেশকিছু মিক্সড অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- আড্ডা, বোকা, প্রিন্স মাহমুদের গান। এই তিনটি এ্যালবামেরই আয়োজনে ছিলেন প্রিন্স মাহমুদ, আরও ছিল তানভির তারেকের কথা ও সুরে “কাহাতক”।

তার একক এ্যালবাম ‘সাইরেন’। তার প্রকাশিত মিউজিক ভিডিও’র মধ্যে আরও রয়েছে- এলো রে বৈশাখ।

লিরিক ভিডিও’র মধ্যে আছে- রবিউল ইসলাম জীবনের লেখা “আমিতো শুধু ভালোবাসতেই চাই” ও শোয়েব লিয়াকতের “আকাশি রং”

মেহরাব জানান, এখন স্টেজ শো নিয়ে তার চরম ব্যাস্ততা চলছে তার মাঝেও নিজের সুর ও সঙ্গীতে আরও মৌলিক গান তৈরি হচ্ছে।

সৌদি আরবে স্বামীর সঙ্গে অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি, ছবি ভাইরাল

দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে এখন সুখে আছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। গেল ব্যবসায়ী ও গাজীপুরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রাকিব সরকারের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন মাহি।

রুপালি পর্দার বাইরে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যস্ত এখন তিনি। এ সময়ে ধর্ম-কর্মে আরও মনোনিবেশ করছেন মাহি।

ওমরাহ পালন করতে স্বামীর সঙ্গে বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। অবশ্য সেখানেও ফুরসত পেয়ে স্বামীর সঙ্গে রোমান্টিক সময় কাটাচ্ছেন নায়িকা।

গত ৪ ডিসেম্বর নিজের ফেসবুক পেজে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন মাহি । সেখানে দেখা গেল স্বামীর সঙ্গে সৌদি আরবের মরুভূমিতে সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন তিনি।

মাহির পরনে বোরখা ও হিজাব। স্বামী রাকিব পরেছেন পাঞ্জাবি।

 

অস্তাচলে যেতে থাকা সূর্যের লালিমা ছড়িয়ে পড়েছে মরুভূমির বালিতে। ডুবে যাওয়ার আগে পাহাড়ের কোণে শেষবারের মতো উঁকি মারছে রক্তিম সূর্য।

আর এমন গোধূলি লগনে মাহির হাতে একগুচ্ছ ফুল তুলে তাকে ভালোবাসা বিলিয়ে দিচ্ছেন রাকিব।

আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, স্বামীর কপালে ভালোবাসার চুম্বন এঁকে দিচ্ছেন মাহি।

এমন বিশেষ কিছু মুহূর্তের ছবি আপলোড করেছেন মাহি। এসব ছবি মাহির ভক্ত-অনুরাগীদের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। ভক্তরা ছবিগুলো বেশ উপভোগ করছেন। ওই ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে ভালোবেসে বিয়ে করেন মাহি। আর চলতি বছরের ২২ মে পাঁচ বছরের বিবাহিত সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন এ অভিনেত্রী।

এর পরই রাকিবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাকিবকে বিয়ে করেন মাহি। আর রাতেই ‘সারপ্রাইজ’ হিসেবে ফেসবুকে দ্বিতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন এ চিত্রনায়িকা।

সাকিবের ছুটি মঞ্জুর জানিয়ে যা বললেন পাপন

পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান ঢাকা টেস্ট শেষ করেই দুই টেস্টের সিরিজে অংশ নিতে নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

সেই সফরকে সামনে রেখে ১৮ সদস্যের দলে রাখা হয় সাকিব আল হাসানকে।

কিন্তু তিনি নিউজিল্যান্ড সফরে যেতে চান না বলে আনুষ্ঠানিক ছুটি চেয়ে বিসিবিকে চিঠি দেন।

তার সেই চিঠি মঞ্জুর করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

সোমবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে সংবাদমাধ্যমকে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমরা যে জিনিসটা বলে আসছি সেটি হলো কেউ যদি খেলতে না চায়, বিশ্রাম চায়, বিরতি চায় এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তাই সাকিবকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। ব্যাপারটা হচ্ছে যার বিশ্রামের প্রয়োজন তাকে তো বিশ্রাম দিতেই হবে। সে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হোক বা না হোক। সাকিবের ব্যাপারটা কিন্তু আলাদা, ও তো আর ইনজুরিতে নেই কিংবা বিশ্রামও চায়নি। ও বিরতি চেয়েছে পারিবারিক কারণে। কাজেই জিনিসটা কিন্তু এক না, এটা বিশ্রাম না। অবশ্যই সে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার, এটাতে কোনো সন্দেহ নেই।’

তবে সাকিবের এই হঠাৎ করে ছুটি চাওয়া সমস্যা বলেও জানালেন তিনি। বললেন, ‘এটা আনুষ্ঠানিকভাবে হতে হবে, আগাম জানাতে হবে। হঠাৎ করে একটা সিরিজের আগ মুহূর্তে হলে আমাদের জন্য সমস্যা।’

এই সমস্যার সমাধানের ব্যবস্থার কথাও জানান বিসিবিপ্রধান। বলেন, ‘জানুয়ারি থেকে আমরা যে জিনিসটা করতে চাচ্ছি, পুরো পরিকল্পনা বলে দিতে হবে। কোনো বিশ্রাম লাগলে বা বিরতি লাগলে এটা যেন আমাদের আগে জানানো হয়। তাহলে বিকল্প খেলোয়াড় আমরা তৈরি করে রাখতে পারব।’