শনিবার ,১৩ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 450

গর্ভাবস্থায় স্তন ক্যান্সার হলে কী করবেন?

স্তন ক্যান্সার বর্তমানে একটি পরিচিত রোগ। মধ্যবয়সি বহু নারী এই জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকের গর্ভকালে স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে। তখন জটিলতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

গর্ভাবস্থায় স্তন ক্যান্সার ধরা পড়লে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. আরমান রেজা চৌধুরী।

গর্ভাবস্থায় স্তন ক্যান্সার ধরা পড়লে এর চিকিৎসা কিছুটা জটিল। প্রথমে আসি রোগ নির্ণয়ের ব্যাপারে। গর্ভাবস্থায় স্তনে যে স্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে তা অনেক সময় স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক নির্ণয়ের জন্য বাধার সৃষ্টি করে।

চামড়া পুরু হয়ে যাওয়ায় বোঝা যায় না ছোট চাকা বা দলা রয়েছে কিনা। গর্ভাবস্থায় ম্যামগ্রাফি করা যাবে না; কারণ এটি মায়ের পেটে থাকা ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে। কাজেই আল্ট্রাসনোগ্রামই ভরসা।

এর পর কোর বায়োপসি করে নিশ্চিত করতে হবে এটি ক্যান্সার। এবার স্টেজিং বা পর্যায় নির্ধারণের পালা। স্টেজিং বা পর্যায় নির্ধারণের জন্য সিটিস্ক্যান বা এক্স-রে করা যাবে না। কারণ এটি ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকারক। কাজেই এখানেও আল্ট্রাসনোগ্রামই ভরসা। খুব বেশি প্রয়োজন হলে কন্ট্রাস্টবিহীন এমআরআই করা যেতে পারে।

চিকিৎসা
স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে— সার্জারি বা অপারেশন, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি এবং হরমোন থেরাপি ইত্যাদি।
গর্ভাবস্থাকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায় ১ম ট্রাইমেস্টার (প্রথম ৩ মাস), ২য় ট্রাইমেস্টার (মাঝের ৩ মাস) এবং ৩য় ট্রাইমেস্টার (শেষের ৩ মাস)।

এ তিন ভাগের যে কোনোভাগেই অপারেশন করানো সম্ভব। তবে অপারেশনের ধরন নিয়ে কথা রয়েছে।

সম্প্রতি স্তন ক্যান্সারের অত্যন্ত জনপ্রিয় সার্জারি হচ্ছে ‘ব্রেস্ট কনজারভেটিভ সার্জারি’ অর্থাৎ পুরো স্তন কেটে না ফেলে শুধু টিউমার বা ক্যান্সার অংশটুকু কেটে ফেলা। সাধারণত টিউমার ছোট আকার এর হলে এ পদ্ধতিতে অপারেশন করানো হয়। কিন্তু এ পদ্ধতিতে সার্জারি করলে অবশ্যই অপারেশনের পর রেডিওথেরাপি দিতে হবে।

গর্ভাবস্থায় রেডিওথেরাপি দিলে তা গর্ভে থাকা মানব ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকারক। তাই গর্ভাবস্থায় স্তন ক্যান্সার হলে ম্যাসটেকটমি অর্থাৎ পুরো স্তন কেটে ফেলার অপারেশন নিরাপদ।

অ্যালার্জির কারণে ত্বকে র‌্যাশ হলে করণীয়

অ্যালার্জিজনিত সমস্যার কারণে ত্বকে র‌্যাশ হলে অ্যালার্জির কারণটা খুঁজে বের করতে হবে। তাহলে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া যাবে না।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইউনাইটেড হাসপাতালের ডার্মাটোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. জিনাত মেরাজ।

তিনি বলেন, সমস্যা চিহ্নিত না করে ওষুধ দিলে বা স্টেরয়েড দিলে ত্বক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অনেকই স্টেরয়েড লাগিয়ে আরাম পান; তারা এটা শুধু ব্যবহার করতেই থাকেন। আমরা হয়তো প্রেসক্রাইব করি, স্টেরয়েড এক সপ্তাহ, ১০ দিন বা দুই সপ্তাহ ব্যবহার করতে। কিন্তু অনেকেই এটা দুই থেকে চার বছর পর্যন্ত ব্যবহার করে। এমন অনেকেই আছে, যারা ১০ বছর ধরে স্টেরয়েড ব্যবহার করছেন।

অধ্যাপক ডা. জিনাত মেরাজ বলেন, স্টেরয়েড ব্যবহারের অভ্যাসটা অনেকটা মাদকাসক্তের মতো। যারা একবার স্টেরয়েডে আসক্ত হয়ে যান, তাদের কিন্তু আর কিছুতেই শান্তি হয় না। তারা বারবার স্টেরয়েডে ফিরে যেতে চান।

তিনি বলেন, স্টেরয়েডে অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। স্টেরয়েডের কারণে ত্বক নষ্ট হয়ে যায়। ত্বক কালো হয়ে যায়। যেখানে স্টেরয়েড লাগানো হয়, সেখানকার লোম উঠে যায়। এজন্য অ্যালার্জি হলে তার কারণটা খুঁজে বের করতে হবে। এরপর চিকিৎসা করাতে হবে।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বাংলা প্রথমপত্র

সিনিয়র শিক্ষক, সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা

বায়ান্নর দিনগুলো

-শেখ মুজিবুর রহমান

মডেল সৃজনশীল প্রশ্ন-১

দিনমজুর রফিক তিন বছর ধরে জেলে বন্দি। সে জানে না কী তার অপরাধ। দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে স্ত্রী রাশেদা ভিক্ষা করে জীবন কাটায়। স্বামী থাকতেও রাশেদার দেখার কেউ নেই। এমন অবস্থায় রফিকের দিন কাটে চোখের জলে। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে রফিকের ঘটনা প্রচার হলে কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে রফিকের সঙ্গে কোনো অপরাধের সংশ্লিষ্টতা না পেয়ে তাকে মুক্তি দেয়। স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে ফিরে আসে রফিক।

ক) শেখ মুজিবুর রহমানকে কোন জেলে পাঠানোর হুকুম হয়েছে?

খ) শেখ মুজিবুর রহমান নাশতা করতে চাইলেন কেন?

গ) উদ্দীপকের রফিক কোন দিক থেকে ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনার শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? বর্ণনা কর।

ঘ) উদ্দীপকের উদ্দিষ্ট দিক আলোচ্য রচনার একমাত্র দিক নয়- মন্তব্যের সঙ্গে তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।

প্রশ্ন-২

বহুজাত কোম্পানিতে উচ্চপদে চাকরি করে সাজ্জাদ। তাকে কোম্পানির নীতিনির্ধারণী সভায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে হয়। কোম্পানির পণ্য উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের দাবির দিকটিও তাকে মাথায় রাখতে হয়। সম্প্রতি কোনো এক সভায় তিনি শ্রমিকদের কয়েকটি মৌলিক দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিকে সেগুলো মেনে নিতে আহ্বান করেন। কোম্পানির প্রধান এ বিষয়ে সাজ্জাদের সঙ্গে একমত হননি। ছুটিতে বাড়িতে এলে সাজ্জাদ জানতে পানে ওই দাবিগুলো কোম্পানি মেনে না নেওয়ায় শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখেছে এবং কারখানায় উৎপাদিত পণ্য বাইরে পাঠানোও বন্ধ রেখেছে। সাজ্জাদ ভাবে কোম্পানি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি না মেনে ভুল করেছে।

ক) ফরিদপুরে শোভাযাত্রা চলে কত তারিখে?

খ) ‘ভরসা হল, আর দমাতে পারবে না’- ব্যাখ্যা কর।

গ) উদ্দীপকে বর্ণিত সাজ্জাদের ভাবনা ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? বর্ণনা কর।

ঘ) উদ্দীপকে আলোচ্য রচনার মূল বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে কি? যুক্তি দাও।

রেইনকোট

-আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭) বাংলা কথাসাহিত্যে এক অসাধারণ প্রতিভার নাম। তিনি লেখার সংখ্যা বৃদ্ধির ওপর কখনো জোর দেননি। বরং গুরুত্ব দিয়েছেন লেখার গুণগত মানের ওপর। জীবন ও জগৎকে তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন গভীর অন্তর্দৃষ্টি সহযোগে। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি, দারিদ্র্য, শোষণ, বঞ্চনা প্রভৃতি বিষয়কে করেছেন সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। মানুষের জীবনকে সামগ্রিকভাবে অনুধাবন করতে চেয়েছেন এ সবকিছুর পরিপ্রেক্ষিতেই। মানুষের পরম সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক প্রান্তগুলো উন্মোচনেও তার রয়েছে গভীর দক্ষতা। মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকার আতঙ্কগ্রস্ত পরিবেশ নিয়ে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনা করেন ‘রেইনকোট’ গল্প। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পাক সেনারা যখন কোণঠাসা, তখন ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা আক্রমণ শুরু করে। ‘রেইনকোট’ গল্পটি এমনই এক গেরিলা আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রেইনকোট প্রতীকী তাৎপর্যে বর্ণিত হয়েছে। নুরুল হুদা এ গল্পের কথক। তার জবানিতে গল্পের ঘটনাবলি বিবৃত হয়েছে। তার কথনের মাধ্যমেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অমানুষিক নির্যাতন ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞের মধ্যে ঢাকা শহরের আতঙ্কগ্রস্ত জীবনচিত্র বর্ণিত হয়েছে। সেনাবাহিনীর তলবের কারণে তুমুল বৃষ্টির মধ্যে কলেজে যাওয়ার জন্য নুরুল হুদা মুক্তিযোদ্ধা শ্যালক মিন্টুর রেইনকোটটি পরে। রেইনকোটটি পরার পর ভীতু নুরুল হুদার মধ্যে যে সাহসিকাতর জন্ম হয়, তার অনুভূতির জগতে যে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত হয় তা এ গল্পে বিবৃত হয়েছে। কলেজ শিক্ষক নুরুল হুদার ভীতু মনে যে উষ্ণতা, সাহসিকতা ও স্বদেশপ্রেমের উদ্দীপনার জাগরণ হয়েছে তা এ গল্পকে বিশেষ তাৎপর্যময় করে তুলেছে।

‘রেইনকোট’ গল্পটি পড়ার সময় যে দিকগুলো ভালো করে খেয়াল করতে হবে

‘রেইনকোট’ গল্পে কিছু ঘটনার বর্ণনা সরাসরি আর কিছু ঘটনা গল্প কথকের অতীত স্মৃতি থেকে নেওয়া হয়েছে। গল্পের বর্ণনার কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গেরিলা আক্রমণ। এ গল্পে হাস্যরসাত্মক ভাব যতটা রয়েছে, তার চেয়েও বেশি রয়েছে প্রধান চরিত্রের অনুভূতি বিশ্লেষণ, তার সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের বর্ণনা। গল্পকথকের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে রেইনকোটের ভূমিকা কেন এত কার্যকর, কেন মুক্তিযোদ্ধা মন্টুর মানসিক শক্তি নুরুল হুদাকে স্পর্শ করেছে, কেন ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদা সাহসী হয়ে উঠেছে, কেন এ দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শহিদ মিনার ভেঙে ফেলার কথা বলা হয়েছে, কেন অনেক শিক্ষক উর্দুতে কথা বলার চেষ্টা করছে, কেন ইসহাককে দেখে কলেজের সবাই তটস্থ থাকে, কেন নুরুল হুদা বারবার বাড়ি পাল্টাচ্ছে, কেন নুরুল

হুদাকে মিলিটারিরা ধরে নিয়ে যায়-এসব প্রশ্নের উত্তর গভীরভাবে খুঁজতে হবে।

সঙ্গে থাকা বন্ধুকে মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ সময় সঙ্গে থাকা তার বন্ধুকে মারধর করে ওই ছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণাধীন ভবনে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের বিচার দাবিতে রাত থেকেই শিক্ষার্থীরা গোপালগঞ্জ সদর থানার সামনে অবস্থান নেন। বিক্ষুব্ধরা এ ঘটনার বিচার চেয়ে তিন দফা দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ান।

তিনি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাজিউর রহমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তার বন্ধুর সঙ্গে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নবীনবাগ নামক স্থানের হেলিপ্যাডের সামনে থেকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক অটো থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়। পরে ৭-৮ জন মিলে তাদের গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন স্কুল ও কলেজের নির্মাণাধীন ভবনে নেওয়া হয়। এ সময় বন্ধুকে মারধর করে ওই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাজিউর রহমান বলেন, এ খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছি এবং আমি নিজে এ ঘটনায় বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছি।

বন্ধু ফারহানের পর বিয়ের ইচ্ছে জেগেছে হৃতিকের

আবারও বিয়েরপিঁড়িতে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কাহো না পেয়ার হে তারকা হৃতিক রোশন। সাবা আজাদের সঙ্গে সম্পর্ক চলছে বলিউড সুপারস্টারের। তিনি চান প্রেমের সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে।

বলিউডে ফারহান আখতার ও হৃতিক রোশনের বন্ধুত্বও দীর্ঘদিনের। সে কারণেই ফারহানের বিয়েতে বলিউডের মধ্যে একমাত্র হৃতিকই পেয়েছিলেন দাওয়াত।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেছেন এ অভিনেতা-নির্মাতা। আর এর পর থেকেই গাঁটছড়া বাঁধার বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে হৃতিকের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মডেল সাবা আজাদের সঙ্গে সম্পর্কে খুবই ঘনিষ্ঠ হৃতিক। তিনি চান, প্রেমের সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে। কেবল পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবদের উপস্থিতিতেই বিয়ে হবে সাবা-হৃতিকের।

আর বন্ধু ফারহান আখতারের বিয়েতে উপস্থিত হওয়ার পর সে বিষয়টি দ্রুত করার কথা ভাবছেন হৃতিক।

২০ ফেব্রুয়ারি হৃতিকের চাচা রাজেশ রোশনের নেটমাধ্যমে পোস্ট করা পারিবারিক ছবি উসকে দিয়েছিল এই জল্পনা। সেখানে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন সাবা আজাদও।

এনডিটিভির প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ‘হৃতিক ও সাবার প্রথম কথা হয় টুইটারে এবং প্রায় দু-তিন মাস ধরে দুজনে ডেট করছেন।’

এর আগে শোনা গিয়েছিল হৃতিক একসময় টুইটারে সাবা আজাদের একটি ভিডিও লাইক করে শেয়ার করেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় সাবা হৃতিককে মেসেজ করে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। এভাবেই নাকি শুরু হয় তাদের সম্পর্ক। আর এর পর দুজনে গোপনে গোয়াতে গিয়েছিলেন ছুটি কাটাতে।

তবে প্রেম বা বিয়ের বিষয়ে তারা দুজনে মুখে কুলুপ আঁটলেও হৃতিকের পরিবারের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে সাবার। আর সে কারণেই পরিবারের সদস্য বনে গেছেন তিনি।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের মতে, শিগগিরই বিয়েরপিঁড়েতে বসবেন তারা।

সাবা সিং গারওয়াল সংক্ষেপে সাবা আজাদ নামে পরিচিত, একজন ভারতীয় অভিনেত্রী, নাট্যনির্মাতা এবং মিউজিশিয়ান। ২০০৮ সালে ভারতীয় সিনেমা দিলকাবাড্ডিতে প্রধান চরিত্রগুলোর একটিতে অভিষেক হয় সাবার। কমিডি ফিল্ম মুজছে দোস্তি কারোগিতে অভিনয় করে বেশ জনপ্রিয়তা পান তিনি। সনি টিভিতে চলতি বছরের জনপ্রিয় ভারতীয় সিরিজ ‘রকেট বয়েজ’এ পারভানা ইরানি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাবা। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া সাবার বয়স এখন ৩১ বছর। বন্ধু ফারহান আখতারের বিয়েতে উপস্থিত হওয়ার পরে নাকি সে রকমই ইচ্ছে জেগেছে হৃতিকের।

কনম্যানের টার্গেটে ছিলেন সারা-জাহ্নবিও

২০০ কোটি টাকা প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের টার্গেটে ছিলেন বলিউড নায়িকা সারা আলি খানও। সারাকে প্রাইভেটকার উপহার দিতে চেয়েছিলেন চন্দ্রশেখর।

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তে জানা গেছে, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, নোরা ফাতেহি এবং আরও তিনজন অভিনেত্রীও তার লক্ষ্যে ছিলেন। তার টার্গেট করা নায়িকাদের মধ্যে সারা আলি খান, জাহ্নবি কাপুর এবং ভূমি পেডনেকারের নাম ওঠে এসেছে।

এ মুহূর্তে জেলে রয়েছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। জানা গেছে, এই তিন অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন সুকেশ। খবর এনডিটিভির।

জানা যায়, ২০২১ সালে সারাকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করেন সুকেশ। তবে নিজের পরিচয় গোপন করে রাখেন সুকেশ। হোয়াটসঅ্যাপে বেশ কয়েকবার কথা চালাচালিও হয়। সুকেশ সারাকে বলেছিলেন, বন্ধু হিসেবে সারাকে তিনি একটি গাড়ি উপহার দিতে চান। তিনি সারাকে জানান, তার সিইও মিসেস ইরানি তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন। এই মিসেস ইরানির নাম হল পিঙ্কি ইরানি।

এর মাধ্যমে সুরেশ বিভিন্ন অভিনেত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। সুরজ রেড্ডি পরিচয়ে অনেকবারই সারাকে মেসেজ করেছে সুকেশ। তাকে দামী উপহার দেওয়ার কথাও বলেছেন এই কনম্যান।

সুকেশের তরফ থেকে পাওয়া উপহারের কথা জিজ্ঞেস করেন সারাকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কর্মকর্তারা। সারা লিখিত জানিয়েছেন, সুকেশের উপহারগুলি নিতে একেবারেই মানা করে দিয়েছেন। তিনি এটাও জানিয়েছেন, সুরজ ওরফে সুকেশ তাকে এক বাক্স চকলেট পাঠিয়েছিল। এ ছাড়া ফ্র্যাঙ্ক মুলারের ঘড়িও পাঠিয়েছিল সে। যার দাম প্রায় কয়েক লাখ টাকা।

তার পর ২০২১ সালে সুকেশের স্ত্রী একটি স্যালো উদ্বোধনের জন্য ডাকেন জাহ্নবিকে। সেই সময় প্রায় ১৮ লাখ টাকা উপহার দেওয়ার কথা বলেন সুকেশ। এছাড়া দামি একটি ব্যাগও উপহার দেন জাহ্নবীকে।

এই একই ভাবে ভূমি পেডনেকারের সঙ্গে সুকেশের পরিচয় করিয়ে দেন পিঙ্কি ইরানি। ভূমিকেও গাড়ি উপহার দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে তার দেওয়া কোনো উপহারই নেননি ভূমি পেডনেকার।

লিভারপুলের ৬ গোলের দিনে ইতিহাসে নাম লেখালেন সালাহ

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে গত কয়েকটা ম্যাচ দুর্দান্ত খেলেছে লিভারপুল। যার ধারাবাহিকতা দেখা গেল বুধবার রাতের ম্যাচেও।

বুধবার রাতে লিডস ইউনাইটেডকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছেন ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। লিগে এ নিয়ে টানা ৬ ম্যাচ জিতল মোহামেদ সালাহর দল।

ম্যাচে জোড়া গোল করেন সালাহ, একটি এসিস্টও ছিল সঙ্গে। এর মধ্য দিয়েই অনন্য এক রেকর্ড নিজের করে নিলেন অলরেডদের এই মিসরীয় তারকা।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আফ্রিকান খেলোয়াড়দের মধ্যে এখন গোলে সর্বোচ্চ অবদানের রেকর্ড সালাহর (১৬০)। আইভরি কোস্ট কিংবদন্তি দিদিয়ের দ্রগবার (১৫৯) রেকর্ড ভাঙলেন তিনি।

আর এ রেকর্ড গড়তে চেলসির সাবেক স্ট্রাইকার থেকে ৭২ ম্যাচ কম খেলেছেন সালাহ।

ম্যাচে লিভারপুলের কাছে পাত্তাই পায়নি মার্সেলো বিয়েলসার লিডস।

৩৫ মিনিটের মধ্যে লিডসের জালে ৩ গোল জমা করে লিভারপুল। ১৫ ও ৩৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন সালাহ। ৩০ মিনিটে সালাহর পাস থেকে গোল পান মাতিপ।

৩-০ গোলেই বিরতিতে যায় দুদল।

বিরতির পর গোল তো শোধ করতে পারেইনি লিডস, উল্টো ম্যাচের শেষ ১৩ মিনিটে আরও তিন হজম করে।

৮০ ও ৯০ মিনিটে জোড়া গোল করেন অলরেডদের অন্যতম তারকা সাদিও মানে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে শেষ গোলটি ফন ডাইকের।

এ জয়ের পর ২৬ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে উঠেছে লিভারপুল। সমান ম্যাচ খেলে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ম্যানসিটি। এপ্রিলে সিটির মুখোমুখি হবে লিভারপুল।

চ্যাম্পিয়নস লিগের গোল উদযাপনেও ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধ!

গণমাধ্যমে খবরের শিরোনামে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতি। দুই প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি ও ভ্লাদিমির পুতিন একে অপরকে হুঙ্কার দিয়ে যাচ্ছেন।

এসব খবরে যখন উত্তপ্ত গোটা বিশ্ব তখন রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট চলে এল ফুটবলের মাঠেও।

লিসবনে বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে মাঠের লড়াইয়ে জেতেনি কোনো দলই। ২-২ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে আয়াক্স বা বেনফিকা।

দল না জিতলেও এদিন সমতাসূচক গোল করে ঠিকই নিজ দেশের সমর্থকদের হৃদয় জিতলেন ইউক্রেনের ইয়ারেমচুক।

গোল করেই গায়ের জার্সিটা খুলে ফেলেন বেনফিকার এ তারকা স্ট্রাইকার। তখনই জার্সির নিচে পরে থাকা তার টি-শার্টটি দৃশ্যমান হয়। তাতে আঁকা ছিল ইউক্রেনের জাতীয় প্রতীক। গত ১০০ বছর ধরে প্রতীকটি ব্যবহার করে আসছে দেশটি।

গোলে উদ্যাপনে এই প্রতীক দেখাতেই জার্সি খুলেন ইয়ারেমচুক। মূলত চলমান যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানালেন দেশটির জাতীয় দলের খেলোয়াড়।

এমন স্পর্শকাতর উদ্যাপনের জন্য অবশ্য শাস্তিও পেয়েছেন ইয়ারেমচুক। মাঠেই তাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।

গোটা ম্যাচই ছিল ফুটবলের দারুণ এক যুদ্ধ। আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, গোল, পাল্টা গোল-রোমাঞ্চে ভরপুর ছিল ম্যাচটি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে বেনফিকা-আয়াক্স ম্যাচ শেষে আলোচনায় ইয়ারেমচুকের উদযাপন ও রশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি।

ম্যাচের ১৮ মিনিটেই তাদিচের গোলে এগিয়ে যায় আয়াক্স। ২৬ মিনিটে সেবাস্তিয়েন হলারের আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বেনফিকা। তবে ২৯ মিনিটে ফের দলকে এগিয়ে দেন হলারই। ৭২ মিনিটে রোমান ইয়ারেমচুকের গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে বেনফিকা।

১৯৯৫ সালে ইউক্রেনের লেভিভ শহরে জন্ম ইয়ারেমচুকের। সাত বছর বয়সে সেখানকার ক্লাব কারপাতি লেভিভের যুব দলে শুরু হয় তার ফুটবল ক্যারিয়ার। প্রশিক্ষণের ৫ বছর পর তিনি নাম লেখান দিনামো কিয়েভের যুব দলে। ২০১২ সালে দিনামোর সিনিয়র দলে অভিষেক ঘটে।
দিনামো থেকে বেলজিয়ামের ক্লাব জেন্ত হয়ে গত বছর ইয়ারেমচুক বেনফিকায় নাম লেখান।

ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে সিংহের মৃত্যু

কক্সবাজারের ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে সিংহ ‘সোহেল’ মারা গেছে।

বুধবার বিকালে সিংহের বেষ্টনীতে হঠাৎ নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।

২২ বছরের মাথায় সোহেলের মৃত্যু হয় বলে দাবি সাফারি পার্কের তত্ত্বাবধায়ক মো. মাজহারুল ইসলামের। এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যায় তিনি চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, সাফারি পার্কের বয়স্ক সিংহ ‘সোহেল’ বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মারা যায়। প্রকৃতিতে একটি সিংহ স্বাভাবিকভাবে ১৫-১৮ বছর বেঁচে থাকে। কিন্তু ২০০৪ সালে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে আসার পর ২২ বছরের মাথায় এই সিংহের মৃত্যু হলো। বিগত ৩-৪ বছর ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিল প্রাণীটি।

চকরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুপন নন্দী ও পার্কের ভ্যাটেরিনারি সার্জন ডা. হাতেম সাজ্জাত মো. জুলকার নাইন মৃত সিংহের ময়নাতদন্ত করেন।

পার্কের তত্ত্বাবধায়ক মাজহার বলেন, সিংহটি ২০০৪ সালে ঢাকার মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে চার বছর বয়সে ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে আসে।

তিনি বলেন, বার্ধক্যের উল্লেখযোগ্য সব লক্ষণ সিংহটির শরীরে ক্রমান্বয়ে প্রকাশ পাচ্ছিল। ২০১৯-২০ সালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষক পৃথকভাবে তার চিকিৎসা করেন। তারাও অবজারভেশনে তার বার্ধক্য ও আয়ুষ্কাল শেষের দিকে বলে উল্লেখ করেন।

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ার মালুমঘাট এলাকায় ১৯৯৯ সালে পথচলা শুরু ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের। ভেতর-বাইরে ৯০০ হেক্টর আয়তন নিয়ে যাত্রা করা পার্কে বিপুল পরিমাণ মাদার ট্রিসহ (গর্জন) রয়েছে নানা প্রজাতির বনজ গাছ। সপ্তাহের মঙ্গলবার ছাড়া বাকি ছয় দিন দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাস মিশে যায় প্রাণিকূলের কোলাহলের সঙ্গে।

পার্কের ১৯টি বেষ্টনীর মধ্যে সংরক্ষিত আছে বিচিত্র সব প্রাণী। পার্কের ভেতরে পালিত হচ্ছে— হাতি, বাঘ, সিংহ, জলহস্তী, গয়াল, আফ্রিকান জেব্রা, ওয়াইল্ডবিস্ট, ভাল্লুক, বন্য শুকর, হনুমান, ময়ূর, স্বাদু ও লোনা পানির কুমির, সাপ ও বনগরুসহ দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির প্রাণী।

ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল স্কুলছাত্রের রক্তাক্ত লাশ

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার নিজ ঘরের মেঝে থেকে এক স্কুলছাত্রের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর এলাকার নিজ ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত স্কুলছাত্রের নাম জহিরুল ইসলাম (১৬)। সে মোহরদ্দিরচর গ্রামের বারেক সরদারের ছেলে ও সমিতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, স্কুলছাত্র জহিরুল ইসলামকে বুধবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তার ঘরের মেঝেতে ফেলে রাখে।

পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।
পূর্ব এনায়েতনগরের ইউপি চেয়ারম্যান রেহেনার স্বামী নেয়ামুল আকন বলেন, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলতে পারব না। আসলে দুঃখজনক ঘটনা।

এ বিষয়ে কালকিনি থানার উপপরিদর্শক এসআই সমুন বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছি। লাশের গলায় কোপের আঘাত রয়েছে। নিহত জহিরুল দশম শ্রেণির ছাত্র।