মোবাইল ডেটা এবং অন্যান্য প্যাকেজে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এ পরিবর্তনের ফলে অপারেটরদের অফারের সংখ্যা কমে যাবে এবং গ্রাহকরা তাদের বর্তমান প্যাকেজের অব্যবহৃত ডেটা-পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে পেয়ে যাবেন। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) একটি নতুন নির্দেশিকা অনুসারে অপারেটরদের বর্তমান কয়েকশ প্যাকেজের সংখ্যা কমিয়ে ৯৫টিতে আনতে হবে। অধিক প্যাকেজ এবং জটিল শর্তের জাল থেকে গ্রাহকদের স্বস্তি দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অধিক প্যাকেজ থেকে নিজের সুবিধাজনক প্যাকেজটি খুঁজে নেওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আগামী মার্চ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বিটিআরসি ইতোমধ্যে অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে। বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, ‘বাজারে অসংখ্য প্যাকেজ রয়েছে যেগুলো বিভ্রান্তি তৈরি করছে। গ্রাহকরা মন্ত্রণালয়, বিটিআরসির কল সেন্টারে এবং গণশুনানির সময় এ বিষয়ে অভিযোগ করছেন।’
হঠাৎ মাথা ঘুরানো শুরু হলে কী করবেন?
স্বাভাবিক জীবনযাপনের মধ্যেই আমাদের হঠাৎ মাথা ঘুরানোর সমস্যা দেখা দেয়। এতে শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকে না। চোখে ঝাপসা দেখা দেয়। সঙ্গে বমি বমি ভাবও হতে পারে।
মাথা ঘুরানোকে মেডিকেল ভাষায় ভার্টিগো বলে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন নাক কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জাহীর আল-আমীন।
আমাদের শরীরের ভারসাম্য কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। আমরা অনেকেই জানি না, এ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে প্রধান হল আমাদের অন্তঃকর্ণ। কানের দুটো কাজ- একটা হল শ্রবণ, যেটা ককলিয়া দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। আরেকটা হল শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করা যেটা ভেসটিবুলার অরগান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত।
আমাদের অন্তঃকর্ণের পঞ্চাশ ভাগেরও বেশি এলাকাজুড়ে ভেসটিবুল ও সেমি সার্কুলার কেনাল অবস্থিত যার একমাত্র কাজ হল শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করা। অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে চোখ, শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট বিশেষত ঘাড়ের জয়েন্ট আমাদের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। এ কান, চোখ ও বিভিন্ন জয়েন্ট থেকে সিগন্যালগুলো মস্তিষ্কের সেরিবেলামে যায় এবং শরীরে ভারসাম্য রক্ষা হয়ে থাকে। এ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে যে কোনো সমস্যা হলে রোগী ভারসাম্যহীনতায় ভুগতে পারে অথবা মাথা ঘুরানো অনুভূত হতে পারে।
মাথা ঘুরানো সমস্যার কারণগুলোকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যদি এটা মস্তিষ্কের কারণে হয়ে থাকে তাহলে মাথা ঘুরানোর সঙ্গে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দুর্বলতা বা প্যারালাইসিস, মস্তিষ্কে ব্যথা, চেতনাশক্তি ঠিকমতো কাজ না করা বা অসচেতনতা, বুদ্ধিমত্তা বা শ্রবণশক্তি ঠিকমতো কাজ না করা- এসব সমস্যা জড়িত থাকে।
সাধারণত এটা নিউরোলজিস্ট দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। যেহেতু এর সঙ্গে মস্তিষ্কের কিছু অংশের কর্মক্ষমতাহীনতা জড়িত থাকে, ফলে এ রোগ সাধারণত পুরোপুরি সারে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঘাড়ের আর্থ্রাইটিসের কারণে বা মস্তিষ্কের রক্তনালির ভেতরে চর্বি জমে রক্তনালি ছোট হয়ে গেলে অথবা রক্তনালির ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে গেলে মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল কমে যায় এবং তার থেকে মাথা ঘুরাতে পারে।
কানের সমস্যা থেকে মাথা ঘুরানো
আমাদের অন্তঃকর্ণের ভেসটিবুল ও সেমি সার্কুলার ক্যানাল, আমাদের শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করার প্রধান অঙ্গ। বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ ও অন্তঃকর্ণের অনেক সমস্যা থেকে কানের ভেতরে ভারসাম্য রক্ষার পদ্ধতিতে সমস্যা হতে পারে, যার ফলে মাথা ঘুরাতে পারে।
কানের সমস্যা থেকে মাথা ঘুরানো
* কানের ভেতরে ময়লা জমে গেলে।
* বহিঃকর্ণের ইনফেকশন।
* মধ্যকর্ণের ইনফেকশন যা নাকের পেছন দিয়ে কানের ভেতরে যায়।
* কানের পর্দা না থাকা।
* ঘনঘন কান পাকা।
* কোলেস্টিয়াটমা ও কানের মধ্যে পানি জমে থাকা।
* ঘনঘন অথবা বেশি মাত্রায় সর্দি-কাশি হয়ে ইউস্টিশিয়ান টিউবের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে মাথা ঘুরানো হতে পারে।
* নাকের হাড় বাঁকা থাকা।
* সাইনাসের দীর্ঘদিন ইনফেকশন।
এছাড়া অন্তঃকর্ণের কিছু সমস্যার জন্য মাথা ঘুরাতে পারে, তার মধ্যে প্রধান হল অন্তঃকর্ণের ভেতরে ভাইরাল ইনফেকশন। এটা সাধারণত কমন কোল্ড অথবা প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দিয়ে হয়ে থাকে। এছাড়া চিকেন পক্স, মিজেলস থেকেও কানের ভাইরাল ইনফেকশন হতে পারে।
কান ও আশপাশের কিছু জটিল রোগের জন্য মাথা ঘুরাতে পারে যেমন-
* অটোস্কোরোসিস-কানের ভেতর হাড় শক্ত হয়ে যাওয়া।
* মেনিয়ার্স ডিজিজ-অন্তঃকর্ণের প্রেসার বেড়ে গেলে।
* কানের ভেতর টিউমার বা ক্যান্সার।
* নাকের পেছনের ক্যান্সার।
মাথা ঘুরালে সাধারণভাবে করণীয়
* মাথা ঘুরার সমস্যা বেশি থাকলে একা একা চলাফেরা ঠিক নয়। একিউট অবস্থাতে একা একা চলাফেরা পরিত্যাজ্য, এ অবস্থাতে বিশ্রাম জরুরি এবং অন্যান্য কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
* ঘনঘন বমি হলে শরীরের ভেতরে পুষ্টি, লবণ ও পানির ঘাটতি যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। একিউট অবস্থাতে স্টিমিটিল বা সিনারন জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে। দিনে তিনটা করে খাবেন অথবা প্রয়োজনে স্টিমিটিল ইনজেকশন দেয়া যেতে পারে।
শিশুর মলের সঙ্গে রক্ত গেলে কী করবেন?
শিশুর নানা আন্ত্রিক রোগে মলে রক্ত দেখা যায়। আন্ত্রিক রক্তপাত নালির উপরের অংশে বা নিচের অংশ যে কোনোটা থেকে হতে পারে। কালো পায়খানা, দেখতে তারপিন এর মতো (মেলোনা) দেখা গেলে তা- পাকস্থলিতে অল্প পরিমাণ (৫০-১০০ মিলি) রক্তপাতের ফলে হতে পারে, যা ৩-৫ দিন স্থায়ী হয়।
শিশুর মলের সঙ্গে রক্তপাত দেখা দিলে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী
* যেসব দ্রব্য বা খাবার লাল রঙের যেমন জেলি, টমেটো বা স্টবেরি, তা শিশুর বমিতে বা মলে রক্তরঙ নিয়ে আসতে পারে, তাই মেলেনাতে মলের ‘ওবিটি ল্যাব পরীক্ষা’ করিয়ে সুনিশ্চিত হতে হয়।
* শিশুর নাক থেকে রক্তপাত, নবজাতক বয়সে জরায়ুতে থাকাকালীন সময়ে রক্ত গিলে ফেলা, কফ কাশিতে রক্ত, মুখগহ্বরের রক্তপাত গিলে ফেলার কারণে আন্ত্রিক নালি হতে রক্তপাত বলে ভ্রম হতে পারে। সেজন্য দ্রুততার সঙ্গে নাক, গলা ও মুখগহ্বর পরীক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে।
যেসব সচরাচর কারণে শিশু বয়সে আন্ত্রিক রক্তপাত হয়
* মলদ্বারের ফিসারস * ইন্টা-সাসেপশামস-টেলিস্কোপের মতো অন্ত্রনালির এক অংশ নিচের অংশে ঢুকে যাওয়া * অ্যামিবা পরজীবী সংক্রমণ * মিকেলস ডাইভারটিকুলাম * কোলনের পলিপ * আন্ত্রিক প্রদাহ রোগ (আইবিডি) * পায়ুমুখের আলসার।
অসচরাচর কারণ হল : পাইলস্ (হিমোরইডস), রক্তনালির স্থানিক টিউমার ইত্যাদি।
ব্যবস্থাপনা : সিবিসি, মল পরীক্ষা, আলসনোগ্রাফি, প্রয়োজনমাফিক
প্রকটোসিগময়ডোসকোপি ও অন্যান্য ল্যাব পরীক্ষা- সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে চিকিৎসা।
নবজাতক শিশুর শ্বাসকষ্ট
নবজাতক শিশুর শ্বাসকষ্ট নিুোক্ত তিন লক্ষণের যে কোনোটা বা একাধিক চিহ্ন নিয়ে প্রকাশ পায়।
১. প্রতি মিনিটে শ্বাস এর হার ৬০ বা তার বেশি ২. বুকের নিচের অংশ গভীরভাবে দেবে যাওয়া ৩. গ্রান্টিং- শ্বাসপ্রশ্বাসের কষ্টকর শব্দ।
প্রধান কারণ
* শ্বাসতন্ত্রের অসুখ : আরডিএস, টিটিএন, গর্ভকালীন নিউমোনিয়া, মিকোনিয়াম এসপিরেশন সিনড্রোম, নিউমোনিয়া, এসপিরেশন নিউমোনিয়া, সার্জিক্যাল কারণ
* হার্টফেলিওর : কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অসুখ : ভূমিষ্ঠকালীন শ্বাসরোধ জটিলতা, মস্তিষ্ক অভ্যন্তরে রক্তপাত
* মেটাবলিক, রক্তে গ্লুকোজ মাত্রা নেমে গেলে, রক্তে অম্লতা
* অন্যান্য : অত্যধিক শীতলতা, রক্তে বেশি মাত্রার হিমোগ্লোবিন প্রভৃতি।
ব্যবস্থাপনা
* তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজনে রেডিয়েন্ট ওয়ার্মার এর ব্যবহার
* শিরায় স্যালাইন, যদি বুকের দুধ চুষে খেতে না পারে
* অক্সিজেন ৮৮-৯৫ শতাংশে বজায় রাখা
* প্রয়োজনে সিপেপ, মেকানিকেল ভেনটিলেশন
* সারফেকটেন্ট থেরাপি (উপসর্গ দেখা দেয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যে)
* আরডিএস প্রতিরোধে গর্ভবতী মাকে ২৪ ও ৩৪ সপ্তাহের মধ্যে স্টেরয়েড প্রদান।
মঙ্গলবার থেকে চলবে চবির সব শাটল ট্রেন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো শাটল ট্রেন চালু হতে যাচ্ছে আগামী মঙ্গলবার থেকে।
প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর সোমবার দুটি ও মঙ্গলবার বাকি চারটি শাটল ট্রেন চালু করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর শহীদুল ইসলাম বলেন, তবে সোমবার শহর থেকে ৩টা ৫০-এর এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাড়ে ৫টার ট্রেন চালু হবে।
মঙ্গলবার থেকে বাকি দুই জোড়াও আগের নিয়মে চলবে।
ডেমু ট্রেনগুলোর ইঞ্জিন সংস্কারের কাজ চলছে। সেগুলো ঠিক হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটে ডেমু চলাচল করবে।
গত ২৬ জানুয়ারি মাইলেজ ইস্যুতে বন্ধ হয়ে যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন জোড়া শাটল ট্রেন। বন্ধ থাকে দুই জোড়া ডেমু ট্রেনও।
রোববার দুপুরে পূর্ণাঙ্গ শিডিউলে শাটল ট্রেন চালুর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেটে তালা দিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।
এসএসসি পরীক্ষা জুনে, আগস্টে এইচএসসি
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুনে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগস্টে নেওয়া হবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। এতে এবার ধর্ম, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা থাকছে না। নেওয়া হবে না টেস্ট পরীক্ষাও। তবে এক মাসে ‘প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা’ নেওয়া হবে। সেই হিসাবে এসএসসির প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা মে এবং এইচএসসির জুনে নেওয়া যাবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির জরুরি বৈঠকে রোববার এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এসব বিষয় নিশ্চিত করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, পরীক্ষার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ ব্যাপারে একটি প্রস্তাব যাবে। সেটি অনুমোদিত হলেই জানা যাবে। এজন্য দু-তিনদিন অপেক্ষা করা লাগতে পারে। পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা না হলেও ফল ১০০ নম্বরেই তৈরি করা হবে। প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষার পরই ফর্ম পূরণের কাজ শুরু হবে।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার যেসব বিষয়ে ব্যাবহারিক নেই, সেগুলোয় ৫৫ নম্বরে পরীক্ষা হবে। আর যেগুলোয় ব্যাবহারিক আছে, সেগুলোয় ৪৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। বিজ্ঞান বিভাগে ব্যাবহারিক বিষয় বেশি থাকে। এছাড়া মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগেও কৃষিশিক্ষার মতো ব্যাবহারিক বিষয় আছে। পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, উল্লিখিত নীতি অনুযায়ী, ব্যাবহারিক নেই এমন বিষয়ে ৮টি সৃজনশীল প্রশ্নের মধ্যে ৩টির উত্তর দিতে হবে। আর ১১টি প্রশ্নের মধ্যে দিতে হবে ৪টির উত্তর। এই হিসাবে প্রতিটি প্রশ্নে ১০ করে নম্বর থাকলে যথাক্রমে ৩০ বা ৪০ নম্বরের সৃজনশীল অংশের উত্তর করতে হবে। এছাড়া বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা এবং মানবিক সবাইকেই ৩০টির মধ্যে ১৫টি এমসিকিউ-এর উত্তর দিতে হবে। ব্যাবহারিক পরীক্ষা ২৫ নম্বরেই হবে।
সূত্রমতে, নির্বাচনি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল না। তা সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে রোববার এ পরীক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে এলে অফিস আদেশটি প্রত্যাহার করা হয়। পরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এই জরুরি বৈঠক করে উল্লিখিত সিদ্ধান্ত জানায়।
এসব বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাসংক্রান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভায় কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে বৈঠকে আলোচনার আলোকেই সিদ্ধান্তগুলো এসেছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর দুই-তিন দিনের মধ্যে তা প্রকাশ করা হবে।
নিপুণ-জায়েদ দ্বন্দ্ব: রুলের শুনানি আজ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, এ মর্মে জারি করা রুলের শুনানি আজ।
সোমবার দুপুর ২টায় বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে।
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, এ মর্মে জারি করা রুলের শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত।
ওইদিন আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। আর চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান।
গত ২৮ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পর দিন প্রাথমিক ফলে জায়েদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচনি আপিল বোর্ডের কাছে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন নিপুণ।
আপিল বোর্ড সমাজসেবা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠায়। পরিপ্রেক্ষিতে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবা অধিদপ্তর এক চিঠিতে জানায়, আপিল বোর্ড এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ড জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে।
এ অবস্থায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও আপিল বোর্ডের ৫ ফেব্রুয়ারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন জায়েদ খান। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। রুলে ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।
একই সঙ্গে হাইকোর্ট ২ ফেব্রুয়ারির চিঠির কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। পাশাপাশি ২ ও ৫ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে জায়েদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আর রুল শুনানির জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন রাখেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টে আদেশের বিরুদ্ধে নিপুণের করা আবেদনের ওপর ৯ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে শুনানি হয়। সেদিন চেম্বার বিচারপতি আদেশ দেন। চেম্বার বিচারপতির আদেশে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে নিপুণের আবেদন ১৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়।
একই সঙ্গে শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনে ওই সময়ে দুই পক্ষকে (নিপুণ ও জায়েদ) স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই আদেশ চলমান থাকবে উল্লেখ করে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চ নিপুণের আবেদন নিষ্পত্তি করে আদেশ দেন।
নিপুণের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে ১৪ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। ঘোষিত আদেশে আপিল বিভাগ বলেন, দুপক্ষ (জায়েদ ও নিপুণ) উপস্থাপন করেছে যে হাইকোর্টে বিষয়টি (রুল শুনানি) ১৫ ফেব্রুয়ারি শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে। এ অবস্থায় আবেদনটি (নিপুণের করা) নিষ্পত্তি করা হলো। চেম্বার বিচারপতি যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা চলমান থাকবে।
১৫ ফেব্রুয়ারি আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে নিপুণের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, উনারা (জায়েদ খান) একটি কপি দিয়েছেন। হলফনামা করে এর জবাব দিতে হবে। এ জন্য এক সপ্তাহ সময় চাচ্ছি।
জায়েদের পক্ষে আইনজীবী নাহিদ সুলতানা বলেন, শুনানি শুরু হয়ে যাক। পরে সময় দেওয়া যেতে পারে।
তখন রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, আজ সাড়ে ১০টায় কপি দিয়েছে। আদালত বলেন, তা হলে তো সময় দিতে হবে। রুলসও পারমিট করে। আগামী মঙ্গলবার (আজ) বিষয়টি কার্যতালিকার শীর্ষে থাকবে।
এক বিস্ময় কণ্ঠের অপেক্ষায়
কক্সবাজারের মেয়ে এ প্রজন্মের সঙ্গীতশিল্পী মারুফা জান্নাত তৃষা। ২০১৭ সালের সেরা কণ্ঠের প্রথম রানার্সআপ তিনি। রুনা লায়লার গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘শেষ করোনা শুরুতে খেলা’গানটি সেই প্রতিযোগিতার একটি পর্বে গেয়ে চার বিচারক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সামিনা চৌধুরী, মিতালী মুখার্জি ও কুমার বিশ্বজিতকে মুগ্ধ করেছিলেন। সেই সঙ্গে শ্রোতা দর্শককেও। আবার আরেকটি রাউন্ডে গাওয়া কুমার বিশ্বজিতের গাওয়া ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’গানটি গেয়ে এতটাই মুগ্ধ করেছিলেন বিচারকদের যে, সেই রাউন্ডে তৃষা হয়ে যান পারফর্মার অব দ্য ডে।
বিচারকরা তাকে দাঁড়িয়ে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন তার অসাধারণ গায়কীর জন্য। তৃষার প্রতি যে কারণে আস্থা বেড়ে যায় সবার। মৌলিক গানের সংখ্যা তার খুব বেশি না। কিন্তু স্টেজ শোতে তার বেশ ব্যস্ততা রয়েছে। এরই মধ্যে তিনি রাজধানীর মিরপুরে একটি শোতে অংশ নিয়ে শ্রোতা-দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। যে শোতে রাজীব, ঝিলিকও ছিলেন। তৃষার ছোটবেলা থেকেই যাকে আদর্শ ভেবে, যার গানে অনুপ্রাণিত হয়ে জীবনের এ পর্যায়ে আসা তিনি হচ্ছেন সামিনা চৌধুরী। তৃষার মিষ্টি সুরেলা কণ্ঠ সামিনা চৌধুরীরও ভীষণ পছন্দ। গান নিয়ে নিজের ভাবনা প্রসঙ্গে তৃষা বলেন, আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী শ্রদ্ধেয় সামিনা চৌধুরী ম্যাডাম। ছোটবেলা থেকেই তাকে দেখতে দেখতে বড় হওয়া আমার। সেরা কণ্ঠে অংশগ্রহণ করা তাকে অনুপ্রাণিত হয়েই। গান নিয়ে একটাই স্বপ্ন আমার, খুব ভালো কিছু গান করে যেতে চাই। এমন কিছু গান যা মানুষের মনে গেঁথে যুগের পর যুগ মানুষের মাঝেই থেকে যাবে।
অভিজ্ঞ হাফিজের নৈপুণ্যে পিএসএল চ্যাম্পিয়ন আফ্রিদির দল
এবারের পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) শাহিন শাহ আফ্রিদির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। পিএসএলে এবারই প্রথম অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। আর প্রথমবারেই ছক্কা হাঁকালেন, মানে তার নেতৃত্বে পিএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার রাতে টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুলতান সুলতানসকে ৪২ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে আফ্রিদির লাহোর কালান্দার্স।
ফাইনালে জয়ের নায়ক পাকিস্তানের অভিজ্ঞ তারকা অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ। বর্ষীয়ান হাফিজের অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে কুপোকাত হয়েছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের মুলতান।
৪৬ বলে ৯ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৬৯ অনবদ্য ইনিংস খেলেন হাফিজ। বল হাতে ২৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট।
ফাইনালে ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তারই হাতে।
ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি।
প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮০ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করে লাহোর। জবাবে ইনিংসের ৩ বল বাকি থাকতে ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুলতান।
যদিও লাহোরের শুরুটা ভালো ছিল না। ২৫ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। সেখান থেকে হাল ধরেন অভিজ্ঞ হাফিজ। তার ৬৯ ও পরের দিকে হ্যারি ব্রুকসের ২২ বলে ৪১ রান বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যায় দলকে।
শেষ দিকে নামিবিয়ান তারকা ডেভিড ওয়াইজের ৮ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস বড় পুঁজি এনে দেয় লাহোরকে।
১৯ রানে ৩ উইকেট নেন মুলতানের আসিফ আফ্রিদি।
১৮১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে মোহাম্মদ রিজওয়ানের মুলতান। এখানেও লাহোরের নায়ক হাফিজ। পরের কাজটুকু সারেন অধিনায়ক আফ্রিদি।
ওপেনার শাহ মাসুদকে ১৯ রানে রানআউট করেন ফখর জামান। অধিনায়ক রিজওয়ানকে ১৪ রানের বেশি করতে দেননি হাফিজ। এর পর ওয়ানডাউনে নামা আমির আজমতকেও মাত্র ৬ রানে ফেরান হাফিজ।
এর পর বল হাতে ভেলকি দেখান জামান খান। রাইলি রুশোকে ১৫ রানে ও আসিফ আফ্রিদিকে ১ রানে ফেরান তিনি।
৬৩ রানের মধ্যে ইনিংসের অর্ধেকটা খুইয়ে ফেলে মুলতান।
টপ অর্ডারের ছয় ব্যাটারের কেউ ত্রিশের ঘরও ছুঁতে পারেননি। সাত নম্বরে নামা খুশদিল শাহ ২৩ বলে ৩২ রান না করলে লজ্জার হার আরও বড় হতো।
১৯.৩ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় মুলতান।
৩০ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন লাহোর অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি। তিনি টুর্নামেন্টেরই সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। দারুণ ব্যাটিংয়ের পর ২৩ রানে ২ উইকেট নিয়ে ফাইনালে ম্যাচসেরা হন হাফিজ। টুর্নামেন্টসেরা হয়েছেন রানার্সআপ দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান।
পাকিস্তানকে টপকে যেতে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে নামল বাংলাদেশ
আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় পেয়ে তিনটি বড় প্রাপ্তি হবে বাংলাদেশের।
প্রথমও সিরিজ জয় নিশ্চিত করার পর এবার লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ। আফগানিস্তানকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশের স্বাদ মিলবে। এতে ওয়ানডে সুপার লিগের খাতায় আরও ১০ পয়েন্ট যোগ করে শীর্ষস্থান মজবুত করা হবে। এর সঙ্গে পাকিস্তানকে টপকে ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের ছয়ে উঠে যাবে বাংলাদেশ।
অর্থাৎ এক জয়ে হবে তামিমদের তিন প্রাপ্তি। এমন তিনটি প্রাপ্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে তা হাতছাড়া করতে চান না টাইগাররা।
তাই আজ জয়ের লক্ষ্যে গত দুই ম্যাচের উইনিং কম্বিনেশনে কোনো পরিবর্তন আনেনি নির্বাচকমণ্ডলী। অর্থাৎ একাদশে কোনো পরিবর্তন আনেননি টাইগাররা। ঝুঁকি না নিয়ে আগের দুই ম্যাচের একাদশই আজ মাঠে নামাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
অন্যদিকে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে আফগানিস্তান। ফরিদ উদ্দিন মালিকের জায়গায় নেওয়া হয়েছে গুলবাদিন নাইবকে।
ম্যাচটিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
দুই দলের একাদশ-
বাংলাদেশ :
তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, ইয়াসির আলি রাব্বি, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম।
আফগানিস্তান :
রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), রিয়াজ হাসান, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহিদি (অধিনায়ক), নাজিবউল্লাহ জাদরান, গুলবাদিন নাইব, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, ফজল হক ফারুকি।
ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় ট্রাকচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুজন।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তন্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার মহেশপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে আব্দুল আওয়াল মিয়া (৫০) ও একই এলাকার হেকিম ব্যাপারীর ছেলে ফয়েজ মিয়া (৪৫)।
জানা গেছে, সকালে অটোরিকশাচালকসহ চারজন আখাউড়া থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের তন্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছার আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অভিমুখী একটি ট্রাক পেছন দিক থেকে ওই অটোরিকশাকে চাপা দেয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে দূরে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলে যাত্রী আব্দুল আওয়াল মিয়া ও ফয়েজ মিয়া মারা যান।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় অটোরিকশাচালকসহ দুজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আখাউড়া ধরখার ফাঁড়ি থানার ওসি বিমল কর্মকার যুগান্তরকে জানান, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। আহতদের ওই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

