সোমবার ,১৫ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 426

যে কারণে চবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

র‌্যাগ অনুষ্ঠানে প্রবেশে বাধা দেওয়ার জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক উপগ্রুপ বিজয় ও সিএফসি সদস্যদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের দুইজন আহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত ও সোহরাওয়ার্দী হলের মধ্যবর্তী স্থানে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

চবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদে অর্থনীতি বিভাগের র‌্যাগ ডে উপলক্ষে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। সিএফসির কিছু নেতাকর্মী ওই কনসার্টে ঢুকতে গেলে বিজয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা বাধা দেন।

এ ঘটনায় উত্তেজনার সৃষ্টি হলে বিজয়ের নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী ও সিএফসির নেতাকর্মীর শাহ আমানত হলে অবস্থান নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে এ অবস্থা। এতে দুই গ্রুপের দুইজন আহত হন। পরে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. কবির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, র‌্যাগ উপলক্ষে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয়পক্ষের দুইজন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীকে মারধর, ৪ ছাত্রলীগ কর্মী বহিষ্কারে প্রতিবাদ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়ালিদ নিহাদের ওপর হামলার দায়ে চার ছাত্রলীগ কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে শাখা ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী এ মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় তারা স্লোগান দিয়ে উত্তাল করে তুলেন ক্যাম্পাস।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দাবি- ওয়ালিদ নিহাদের ওপর হামলার দায়ে চার ছাত্রলীগ কর্মীকে অন্যায়ভাবে ও বিনা দোষে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ওয়ালিদ নিহাদের ওপর হামলাকারীর বিচার দাবি করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান বলেন, নিহাদের ওপর হামলার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কলা অনুষদের সভাপতি আবু নাঈম আব্দুল্লাহসহ চার শিক্ষার্থীকে অন্যায়ভাবে ও বিনা দোষে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমি চাই প্রশাসন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ওয়ালিদ নিহাদের ওপর হামলাকারীদের বিচার হোক। তবে এ মানববন্ধন সম্পর্কে জানেন না বলে জানান শাখা সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবু। তিনিও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর উজ্জল কুমার প্রধান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই আমাদের শিক্ষার্থী। সব শিক্ষার্থী আমাদের কাছে সমান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৈঠকে সব দিক বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে সোমবার বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা বোর্ড মিটিং বসে। বোর্ড মিটিং চলে একটানা রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত। মিটিংয়ের সিদ্ধান্তে সাময়িকভাবে চারজনকে বহিষ্কার এবং সাত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন শাস্তির সুপারিশ করা হয়।

নাট্যকলা ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের ২০১৬-১৭ ব্যাচের সামিউল হক হিমেল, ফোকলোর বিভাগের ২০১৫-১৬ ব্যাচের আবু নাঈম আব্দুল্লাহ (যাযাবর নাঈম), লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালন বিদ্যার ২০১৪-১৫ বিভাগের মোমেন সরকার, লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালন বিদ্যার ২০১৮-১৯ বিভাগের তানভির আহমেদ তুহিনকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে।

বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বরাবর কেন তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- তার জবাব আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ ইস্যুর সুপারিশ করেছে প্রশাসন। সেই সঙ্গে তাদের স্ব-স্ব হলের বরাদ্দকৃত সিট বাতিল করার সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া বৈঠকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজনকে সতর্কীকরণপত্র ইস্যু ও হলের বরাদ্দকৃত সিট বাতিল করা, তিনজন শিক্ষার্থীকে সতর্কীকরণপত্র ইস্যু, তিনজন শিক্ষার্থীর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৩২৪নং কক্ষের বরাদ্দকৃত আসন বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

উল্লেখ্য, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ না করায় লোক প্রশাসন ও সরকার বিদ্যা বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের ওয়ালিদ নিহাদ নামে এক ছাত্রকে হলের একটি কক্ষে ডেকে রাতভর নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারসহ সাত দফা দাবির প্রতিবাদে সাধারণ শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, বিক্ষোভ, মোমবাতি প্রজ্বালন ও আমরণ অনশন করেন।

আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেলেন রাশেদ সীমান্ত

দেশে ট্র্যাব এবং বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির পর এবার আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কৃত হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা রাশেদ সীমান্ত।

‘নেক্সজেন ইন্টান্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল’- মুম্বাই এবং ‘প্যারাডক্স ইন্টান্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভাল’-পুনে থেকে ‘মধ্যরাতের সেবা’ এবং ‘আমার বাবা’ নাটকের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতার ক্যাটাগরিতে ফাইনালিস্টের পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

ফেস্টিভ্যালে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এক হাজারেরও বেশি ফিকশন জমা পড়ে। রাশেদ সীমান্ত ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে সম্মানিত হন অভিনেতা মোশাররফ করিম, অভিনেত্রী জাকিয়া বারি মম ও নুসরাত ইমরোজ তিশা।

এ প্রসঙ্গে রাশেদ সীমান্ত বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে মেইল পাওয়ার পর বেশ অবাক হয়েছি। কারণ পৃথিবীর নানা দেশের প্রখ্যাত সব অভিনেতার ভিড়ে পুরস্কার পাব তা ছিল চিন্তারও বাইরে। এ পুরস্কার আমি আমার প্রিয় দর্শকদের উৎসর্গ করতে চাই; কারণ তাদের ভালোবাসার কারণেই আমি আজকের রাশেদ সীমান্ত।

পিটু-দর্পণকে নিয়ে চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির অ্যাডহক কমিটি

গত ৭ মার্চ দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাধারণ সদস্যদের আয়োজনে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে এক প্রীতি সম্মেলন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ মতবিনিময় সভায় বক্তাদের বিভিন্ন আলোচনার প্রেক্ষিতে উপস্থিত সদস্যদের দাবির মুখে বিশেষ সাধারণ সভায় রূপ নেয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাচসাসের সিনিয়র সদস্য আলিমুজ্জামান।

সভা পরিচালনা করেন কামরুল হাসান দর্পণ। মতবিনিময় সভায় বাচসাসের বর্তমান মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির দুই অংশের বিবাদমান অবস্থান ও সংগঠনকে আদালতের কাঠগড়ায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সাধারণ সদস্যদের আলোচনায় অংশ নেন। সভায় বর্তমান কমিটি কর্তৃক (২০১৯-২০২১) সাবেক সভাপতি আবদুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল করিম নিশান, সাবেক অর্থ সম্পাদক নবীন হোসেন ও সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক হামিদ মোহাম্মদ জসিমের সদস্যপদ

স্থগিতের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে বক্তারা তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভ জানান। বাচসাস সদস্য আহমেদ তেপান্তরের প্রস্তাবে সর্বসম্মতিতে তাদের সদস্যপদ পুনর্বহাল করা হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন বাচসাসের সাবেক সভাপতি রেজানুর রহমান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাচসাস সদস্য হাসান হাফিজ, জামাল উদ্দিন জামাল, দুলাল খান, আবুল কালাম, নজরুল ইসলাম, দেওয়ান হাবিবুর রহমান, বাচসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাপস বিশ্বাস, বাচসাস সদস্য জুলফিকার আলী, বাচসাস সদস্য সৈয়দ মাহমুদ শফিক,ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাচসাস সদস্য সোহেল হায়দার চৌধুরী, ডিইউজের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বাচসাস সদস্য আবু জাফর সূর্য, ডিইউজের বর্তমান সভাপতি বাচসাস সদস্য কুদ্দুস আফ্রাদ, ডিইউজের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান প্রমুখ।

উপস্থিত সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সভায় ২০১৯- ২০২১ মেয়াদের মেয়াদোত্তীর্ণ নির্বাহী পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে বাচসাস নীতিমালা পরিপন্থী এবং নির্বাচন নিয়ে কালক্ষেপণ ও আদালতে মামলার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বক্তব্য রাখেন। তারা এই মেয়াদউত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নির্বাচনকালীন একটি এডহক কমিটি গঠনের দাবি তোলেন।

সভায় উপস্থিত সদস্যরা এই দাবির প্রতি সমর্থন জানান এবং অ্যাডহক কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। সেই সঙ্গে সদস্যরা ২০১৯-২০২১ মেয়াদের সভাপতি ফালগুনী হামিদের সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত ও আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় কামরুজ্জামান বাবুর সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি সংগঠনকে আদালতের দোড়গোড়ায় নেওয়ার কারণে সাধারণ সদস্য জাহিদ হাসানের সদস্যপদও বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন।

উপস্থিত সদস্যদের সবাই এ প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সভায় সর্বসম্মতভাবে উত্থাপিত প্রস্তাব গ্রহণ ও পাশ করা হয়, যা পরবর্তীতে রেজুলেশন আকারে খাতায় লিপিবদ্ধ থাকবে। সভায় সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে বর্তমান কমিটি (২০১৯-২০২১ মেয়াদে) বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে ১১ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। নবগঠিত
কমিটির আহবায়ক হাবিবুল হুদা পিটু ও সদস্য সচিব কামরুল হাসান দর্পণ।

সদস্যরা হলেন- মাইনুল হক ভূঁইয়া, ইমরুল শাহেদ, জুলফিকার আলী, দুলাল খান, সুমন পারভেজ, মফিজুর রহমান খান বাবু, আবুল কালাম, আবু হুরায়রা মুরাদ এবং ফারুক মজুমদার। সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়- অ্যাডহক কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি হিসেবে নির্বাচন অনুষ্ঠান ও আদালতে মামলার ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

রহস্যে নতুন মোড়: শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর আগে ঘরে আসেন ৪ নারী!

ক্রিকেট কিংবদন্তি শেন ওয়ার্ন শুক্রবার থাইল্যান্ডের একটি শহরে মারা যান। তার মৃত্যুর খবরে হতবাক হয়ে পড়ে গোটা পরিবার।

হঠাৎ কি এমন হয়ে গেল যে, মারা গেলেন এই স্পিন কিংবদন্তি। ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছেও খবরটি অবিশ্বাস্য ঠেকে।

মৃত্যুর দিন থেকেই বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়। যদিও ওয়ার্নের মৃত্যু স্বাভাবিক এবং কোনো ধরনের সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে দাবি থাইল্যান্ড পুলিশের।

কিন্তু এখন আবার নতুন এক তথ্য এলো সামনে, যা সেই রহস্যকে আরো ঘনীভূত করে দিয়েছে।

বলা হচ্ছে, শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর আগে চারজন থাই নারী তার কো সামুইয়ের সামুজান ভিলায় এসেছিলেন। ভিলার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেল এমন কিছু। তারা কারা? কেন এসেছিলেন?

সেই প্রশ্নে ইংল্যান্ডের পত্রিকা দ্য ডেইলি মেইল বলছে, এ চার থাই নারী পার্লার থেকে এসেছিলেন। শরীর ম্যাসাজ করার জন্যই ওয়ার্ন-ই নাকি তাদের বুক করেছিলেন। একজন নারীকে ওয়ার্নের কাছে পা ম্যাসাজ করতে গেলে যখন ঘরের দরজায় ধাক্কা দেয়, তখন কেউ দরজা খোলেনি এবং এরপরই তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছিল।

ডেইলি মেইল বলছে, দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে তারা ওয়ার্নের ঘরে গিয়েছিলেন। দুই নারী তার ঘরে প্রবেশ করেন। ২.৫৮ মিনিটে তারা ওয়ার্নের ঘর ছেড়ে যান। ধারণা করা হচ্ছে, ওয়ার্নকে সর্বশেষ জীবিত দেখেছিলেন ওই দুই নারী। ৫.১৫ মিনিটে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

ম্যাসাজ করা নারীরা চলে যাওয়ার পর তার বন্ধুরা ঘরটি খুললে শেন ওয়ার্নকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান। তখন তাকে সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা করেছিল এবং একটি অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়েছিল; কিন্তু ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন ওয়ার্ন।

থাইল্যান্ড পুলিশের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিকেল ৫.১৫ মিনিটে মারা যান শেন ওয়ার্ন। ঘরে এমন কিছু পাওয়া যায়নি, যা থেকে তার মৃত্যুকে একটি ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা যাবে।

প্রসঙ্গত, অ্যাশেজ সিরিজের কাজ শেষে মনকে ফুরফুরে করতে থাইল্যান্ডে আরও তিনজন বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন।

শুক্রবারও নিজের সব স্বাভাবিক কাজকর্ম করছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং জ্ঞান হারান।

তিনি হার্ট অ্যাটাক করেছেন বুঝতে পেরে তার তিন বন্ধু শেন ওয়ার্নকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তখন অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর দ্রুত ওয়ার্নকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার জানান হোটেল রুমেই মারা গেছেন অস্ট্রেলিয়ার এ কিংবদন্তি লেগ স্পিনার।

হেরেও কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে ইন্টার মিলানের কাছে হেরেছে লিভারপুল। হারলেও প্রথম লেগে বেশি ব্যবধানে জেতায় কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।

মঙ্গলবার রাতে অ্যানফিল্ডে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে ১-০ গোলে হেরেও চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লিভারপুল।

প্রথম লেগে ২-০ গোলে জেতায় দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে পরের ধাপে উঠেছে জার্গেন ক্লপের দল।

স্বাগতিকদের তিনটি প্রচেষ্টা পোস্ট ও ক্রসবারে লাগে। তা না হলে ‘হাইভোল্টেজ ম্যাচটির’ রোমাঞ্চ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত।

আত্মবিশ্বাসী লিভারপুল প্রথম মিনিটেই আক্রমণ শানয়। পাঁচ মিনিট পর লক্ষ্যে প্রথম শট নেয় ইন্টার। কোনোটিই অবশ্য প্রতিপক্ষকে ভাবানোর মতো কিছু ছিল না।

খেলার ৩০তম মিনিটে প্রথম গোলবঞ্চিত হয় লিভারপুল। বাঁদিক থেকে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের ফ্রি কিকে জোয়েল মাতিপের হেড ক্রসবারে বাধা পায়।

এর পর ৪১তম মিনিটে একটা ভালো সুযোগ পেয়েছিল ইন্টার। তবে ডি-বক্সে ডান দিকের দাগের ঠিক বাইরে থেকে হাঁকান কালহানোগ্লুর নিচু ফ্রি কিক ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক আলিসন।

দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে আবারও ব্যর্থ হয় লিভারপুল। দিয়েগো জটার ডি-বক্সে উঁচু করে বাড়ানো বল এগিয়ে গিয়ে ক্লিয়ার করতে পারেননি ইন্টার গোলরক্ষক, বল ফাঁকায় পেয়ে যান মোহামেদ সালাহ। কিন্তু তার নিচু কোনাকুনি শট পোস্টে লাগে।

প্রথমার্ধে বিবর্ণ হয়ে থাকা মার্তিনেস ৬০তম মিনিটে প্রথম ভালো একটি সুযোগ পান। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে হতাশ করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার।

পরের মিনিটেই অসাধারণ নৈপুণ্যে লড়াই জমিয়ে তোলার ইঙ্গিত দেন মার্টিনেস। সানচেসের পাস ধরে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে দূরের পোস্ট দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।

বহুল কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে ইন্টার শিবিরে লড়াইয়ে ফেরার যে উচ্ছ্বাস যোগ হয়, গোল উদযাপন শেষে খেলা শুরু হতেই তা মিলিয়ে যায়। থিয়াগো আলকানতারাকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সানচেস।

প্রতিপক্ষে এক জন কমে যাওয়ার সুযোগে আরও চাপ বাড়ায় লিভারপুল। কিন্তু এদিন দুর্ভাগ্য যেন আষ্টেপৃষ্ঠে চেপে ধরেছিল তাদের। ৭৭তম মিনিটে সালাহর আরেকটি শট পোস্টে লেগে ফেরে।

পাঁচ মিনিট যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল লিভারপুল। লুইস দিয়াসের শট গোলরক্ষককে এড়িয়ে লক্ষ্যেই ছিল, শেষ মুহূর্তে ছুটে এসে স্লাইড করে ফেরান আর্তুরো ভিদাল।
এতগুলো সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও গোল না পাওয়া এবং ঘরের মাঠে হারের হতাশা থাকলেও ম্যাচ শেষে হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ে ক্লপ ও তার শিষ্যরা।

আরেক ম্যাচে রবের্ত লেভানদোভস্কির হ্যাটট্রিকে সালসবুর্ককে ৭-১ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২ ব্যবধানে এগিয়ে শেষ আটে ওঠে বায়ার্ন মিউনিখ।

সাদিয়াকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়েছে তার কনস্টেবল স্বামী, দাবি পরিবারের

বরিশালে মেয়েকে স্কুলে রেখে বাসায় এসে নিজ কক্ষে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেননি গৃহবধূ সাদিয়া আক্তার সাথী। স্বামী জেলা ডিবি পুলিশের কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম হত্যা করে সাথীকে ঝুলিয়ে রেখে তাদের খবর দিয়েছেন— এমনটিই দাবি করেছে নিহতের পরিবার।

এ ছাড়া সাথীর লাশ উদ্ধারের পর থেকেই পলাতক রয়েছেন কনস্টেবল মাইনুল। হত্যার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাথীর বাবা সিরাজুল হক মৃধা।

অভিযুক্ত মাইনুল ইসলাম পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার উত্তর বাদুরী গ্রামের সোহরাব ফরাজীর ছেলে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাথীর আগে বিয়ে হয়েছিল এবং সেই ঘরে একটি কন্যাসন্তানও আছে। এক বছর আগে উভয়ের সম্মতিতে সাথীর বিয়ে হয় মাইনুলের সঙ্গে। এর পর তারা বরিশালেই বাসা ভাড়া করে থাকতেন। পরে সাথী সাবলেট থাকা শুরু করে। সাথীকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নিয়েছে মাইনুল। সেই টাকা ফেরত চাওয়ায় নির্যাতন করা হতো এবং আরও ৫০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করত সাথীর কাছে।

এর আগে মাইনুলের নির্যাতনে কয়েকবার সাথী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার নির্যাতন করে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখে।

নিহত সাদিয়ার বাবা সিরাজুল হক মৃধা বলেন, সাথী আত্মহত্যা করলে ওর ফ্ল্যাটের দরজা ভেতর থেকে আটকানো থাকার কথা। কিন্তু পুলিশ এবং আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা খোলা পেয়েছি। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড তা স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যায়। আমি চাই আমার মেয়ে হত্যার সঠিক বিচার হোক। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি।

তিনি বলেন, সাদিয়া যদি আত্মহত্যা করত, তা হলে তার সন্তানকে স্কুলে দিয়ে আসত কেন? আমার ধারণা, সাইমুনকে স্কুলে দিয়ে এসে বাসায় একা ছিল সাথী। তখন তাকে নির্যাতন করে মারধর করে সিলিংফ্যানের সঙ্গে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে মাইনুল। সাথীর সঙ্গে স্বর্ণালি নামে সাবলেট আরেক মেয়ে থাকত। ঘটনার পর থেকে তাকেও খুঁজে পাচ্ছি না। পুলিশ চেষ্টা করলে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারে।

সাদিয়া সাথীর দুলাভাই বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম বেপারি জানান, সাদিয়া আক্তার সাথীর আত্মহত্যার কোনো কারণ নেই। কিছু দিন আগে ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে মাইনুল ১৩ লাখ টাকা নেয়। কিন্তু পরীক্ষা দেওয়ার পর চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চায় সাথী। প্রথমাবস্থায় ৮ লাখ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ৫ লাখ টাকা ফেরত দেয়নি।

পরে ৫০ লাখ টাকা যৌতুকও দাবি করে মাইনুল। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। হত্যাকাণ্ডের আগের দিন ৬ মার্চ মাইনুল বাসায় এসেছিল। সাদিয়ার মেয়ে সাইমুন আমাদের জানিয়েছে, মাইনুল এসে ঝগড়া করে এবং সাদিয়াকে মারধর করে।
তা ছাড়া মাইনুলই আমাদের সবাইকে কল করে জানায়, সাদিয়া আত্মহত্যা করেছে। আমরা চাই ঘটনার সঠিক তদন্ত করা হোক। লাশ উদ্ধারের সময়ে কোতোয়ালি থানার এসআই রেজা সাদিয়ার লেখা একটি ডায়েরি, মোবাইল ফোন নিয়ে গেছেন। সেগুলোতে কি আছে তা আমরা দেখতে চেয়েছি, তা কিছুই দেখায়নি।

লাশ উদ্ধারকারী উপপুলিশ পরিদর্শক রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি সাথীর স্বামী চাকরি করেন। কিন্তু কিসে চাকরি করেন তা জানতে পারিনি। তবে মঙ্গলবার সকালে জানতে পেরেছি মাইনুল ইসলাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি করেন।

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আজিমুল করিম বলেন, সাদিয়া আক্তার সাথীর পরিবার তাদের অভিযোগের বিষয়টি আমাদের জানিয়েছে। তবে আমরা অপমৃত্যু মামলা গ্রহণ করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তা হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে বরিশাল নগরীর ২০নং ওয়ার্ডের বৈদ্যপাড়ায় ডা. শাহজাহান হোসেনের ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে বিসিএস পরীক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার সাথী নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। সাদিয়া সাথীর ৮ বছর বয়সি একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। ওই সন্তান তার প্রথম সংসারের। মেয়েকে স্কুলে দিয়ে এসে বাসায় ফেরার পরই তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিজ ঘরে বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা গলাকাটা লাশ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় নিজ ঘরে মমতাজ বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ওই বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত মমতাজ ওই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের স্ত্রী। জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ওই বৃদ্ধার চার ছেলে তিন মেয়ে। এদের মধ্যে তিন ছেলে প্রবাসী। অপর ছেলে ঢাকায় থাকেন এবং তিন মেয়ের বিয়ে হয়েছে। নিজ বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন।

প্রতিদিন সকাল-বিকাল বাড়ির আশপাশে তিনি হাঁটাহাঁটি করতেন। কিন্তু মঙ্গলবার তাকে না দেখে পাশের বাড়ির একজন তার ঘরে গিয়ে হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় মমতাজের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

নিহত বৃদ্ধার বড় ছেলে নজরুল ইসলাম বলেন, জমি ও বাড়ির জায়গা নিয়ে আমার চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। তা ছাড়া আমার মায়ের লাশ নিতে যখন পুলিশ বাড়িতে আসে, তারা তখন পালিয়ে যায়। এতে আমাদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ওসি আবুল হাসিম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, হাত পা বেঁধে মমতাজের ঘরের বঁটি দা দিয়েই তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারব।

কিয়েভে আবারও বিস্ফোরণের শব্দ

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার ১৪তম দিন আজ। রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার সকালে কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা ধারাবাহিক বিস্ফোরণের খবর দিচ্ছেন।

এদিকে শহরজুড়ে আবারও বিমান হামলার সাইরেন বেজে উঠেছে।

সাংবাদিকদের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় কিয়েভে বিমান হামলার সাইরেন শোনা যায়।

এদিকে ইউক্রেনে রুশ হামলায় গত দুই সপ্তাহে ৪৭৪ জন নিহত হয়েছেন বলে পরিসংখ্যান দিয়েছে জাতিসংঘ। এর মধ্যে ১৭ শিশুও রয়েছে। আহত হয়েছেন ৮৬১ জন। ইউক্রেন দাবি করেছেন, তাদের প্রতিরোধে এ পর্যন্ত ১২ হাজার রুশ সেনা নিহত হয়েছেন। যদিও এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাশিয়ায় ব্যবসা বন্ধ করল পেপসি-কোকাকোলা

ইউক্রেনে হামলার কারণে রাশিয়ায় ব্যবসা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোকাকোলা, পেপসি কো., ম্যাকডোনাল্ডসের মতো বহুজাতিক কোম্পানি। খবর বিবিসির।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে নেটফ্লিক্স, লিভাইজের মতো পশ্চিমী বহুজাতিক সে দেশে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী সংস্থা কোক, পেপসি এবং খাদ্য ও পানীয় প্রস্তুতকারী সংস্থা ম্যাকডোনাল্ডস, স্টারবাকস।

রাশিয়ায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার কোকাকোলার তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে মর্মান্তিক ঘটনার অযৌক্তিক প্রভাব যেসব মানুষ সহ্য করছেন, আমরা তাদের পাশে আছি।

অন্যদিকে ইউক্রেনে রুশ হামলার দিকে ইঙ্গিত করে পেপসি জানিয়েছে, রাশিয়ায় পেপসি কোলা, সেভেন আপ ও মিরিন্ডা আর বিক্রি করা হবে না। তবে শিশুদের ফর্মুলা দুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি চালু থাকবে।

একই দিনে রাশিয়ায় আপাতত ব্যবসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কফি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান স্টারবাকস।

এর কিছুক্ষণ আগে মার্কিন ফাস্ট ফুড চেইন ম্যাকডোনাল্ডস জানায়, রাশিয়ায় তাদের রেস্তোরাঁগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।