রবিবার ,১৬ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 415

ছোট ঋণ বিতরণ ৩৭ শতাংশ!

প্রণোদনার ছোট ঋণ বিতরণের গতি খুবই শ্লথ। যে সময়ে প্রথম দফার ঋণ বিতরণ ছিল ৭৭ শতাংশ, সেসময়ে দ্বিতীয় দফার ঋণ বিতরণের হার মাত্র ৩৭ শতাংশ। এই তহবিলের ঋণ বিতরণে ধীরগতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পে চলতি অর্থবছরের (২০২১-২২) প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ৭ হাজার ১১৭ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৩৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। অথচ গত অর্থবছরে (২০২০-২১) অর্থাৎ প্রণোদনার প্রথম ধাপে আট মাসে বিতরণ হয়েছিল লক্ষ্যমাত্রার ৭৭ শতাংশ। তাই সিএমএসএমই খাতের প্রণোদনার ঋণ দ্রুত বিতরণের মাধ্যমে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, প্রণোদনা দ্বিতীয় ধাপে ১৯ হাজার ৩৪০ কোটি টাকার ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধরণ করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। হাতে গোনা কয়েকটি ব্যাংক ছাড়া বাকিগুলোর বিতরণের হার ৪০ শতাংশের নিচে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, প্রথম পর্যায়ের তুলনায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ঋণ বিতরণের অবস্থা যথেষ্ট নিুমুখী। প্রথম পর্যায়ে ৫টি ব্যাংক শতভাগ ঋণ বিতরণ করে। বেসরকারি খাতের প্রাইম ব্যাংক ও বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক প্রথম পর্যায়ে যথাক্রমে ১০০ এবং ১০১ শতাংশ ঋণ বিতরণ করে। এ ব্যাংক দুটি দ্বিতীয় পর্যায়ে বিতরণ করেছে যথাক্রমে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪২ এবং ২৫ শতাংশ। এছাড়া একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক প্রথম পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০২ শতাংশ ঋণ বিতরণ করে। সে ব্যাংকটিও দ্বিতীয় পর্যায়ে এসে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪৮ শতাংশ বিতরণ করেছে। প্রণোদনার ছোট ঋণ বিতরণে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের। এ ব্যাংকটির ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল মাত্র ২০ কোটি টাকা। কিন্তু ব্যাংকটি বিতরণ করেছে মাত্র ৩ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার ১৫ শতাংশ। বেসরকারি খাতের স্ট্যান্ডার্ড, ন্যাশনাল ও ট্রাস্ট ব্যাংক করেছে ১৬ শতাংশের কিছু বেশি। সবচেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকটি।

বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে ঢাকা ব্যাংক। ২৪০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার ১৯৩ কোটি টাকাই বিতরণ করতে সমর্থ হয়েছে ব্যাংকটি। তবে টাকার হিসাবে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় সবচেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ ব্যাংকটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৮৩১ কোটি টাকারও বেশি। শতকরা হিসাবে প্রায় ৭৪ শতাংশ দ্বিতীয় পর্যায়ের ঋণ বিতরণ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এই ঋণ বিতরণ তদারকি আরও জোরদার করতে ব্যাংকগুলোকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সিএমএসএমই একটি অগ্রাধিকার খাত। কোভিডে ক্ষতিগ্রস্ত ছোট বড় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য বেশকিছু প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের বড় ঋণ বেশির ভাগ বিতরণ করা হলেও সিএমএসএমই খাতের ঋণ বিতরণে লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি ব্যাংকগুলো। এবারও এ ঋণ বিতরণে অনেক পিছিয়ে আছে অধিকাংশ ব্যাংক। এমন পরিস্থিতিতে যে কোনো উপায়ে ছোট ঋণ বিতরণে শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করতে বলা হয়েছে। এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহীরা। তিনি আরও বলেন, সিএমএসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের সব ধরনের ঋণের বিপরীতে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ক্রেডিট গ্যারান্টি তহবিল চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিলের আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত ছোট উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। ওই নির্দেশনা যথাযথ পরিপালন করতে সব ব্যাংকের এমডিদের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কোভিড-১৯ মহামারিতে আর্থিক ক্ষতি মোকাবিলায় কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য দ্বিতীয় ধাপে প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করেছে সরকার।

ফেনসিডিল-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৫৬

ফেনসিডিল, ইয়াবা এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্যসহ ৫৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদক সেবন ও কেনাবেচায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

সোমবার ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার একই সময় পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে যেসব মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে— ৩১৬৭ পিস ইয়াবা বড়ি, ৫৪ গ্রাম হেরোইন, ৭ কেজি ৬০৯ গ্রাম গাঁজা, ৬৫ নেশাজাতীয় ইনজেকশন ও ১৯ বোতল ফেনসিডিল।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪২টি মামলা করা হয়েছে।

‘একজন চেয়ারম্যান-মেম্বারও ঘরে শুয়ে থাকতে পারেননি’

করোনা মহামারীর সময় একজন চেয়ারম্যান-মেম্বারও ঘরে শুয়ে থাকতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, করোনার সময় মানুষ ভয়ে ঘর থেকে বের হননি। কিন্তু একটা চেয়ারম্যান-মেম্বারও ঘরে শুয়ে থাকতে পারেননি। কাকে রিলিফ দিতে হবে, কাকে কার্ড দিতে হবে, কাকে বিচার করতে হবে, অমুক নেতা আসবে তাকে রিসিভ করতে হবে। অর্থাৎ, সব কাজে তাদের লাগে। রান্না করতে যেমন সব তরকারিতেই হলুদ লাগে তেমনই সব কাজেই মেম্বারদের প্রয়োজন হয়। তাদের ছাড়া কোনো কাজই হয় না। তবে তাদের (মেম্বারদের) ‘ঠেলা বেশি কিন্তু মাইনা কম’। তাদের ভাতা খুবই কম এটা খুবই দুঃখজনক।

ইউপি সদস্যদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের ভাতা শুধু দ্বিগুণ নয় আরও বেশি বাড়ানো যায়। কিন্তু আপনারা একটা কাজ করেন না। আপনারা ট্যাক্স ধরেন না। মনে করেন ট্যাক্স ধরলে ভোট কমে যাবে। আমি ৭ বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানি করে আসছি। ট্যাক্স যথারীতি ধরেছি, আদায়ও করেছি। আমার ভোট বাড়ছে, কিন্তু কমেনি। টাকা উঠাইতে হবে কাজও করতে হবে। শুধু সরকারি সাহায্যের দিকে চেয়ে থাকলে হবে না। আপনারা ট্যাক্স ঠিকমতো আদায় করলে আরও বেশি কাজ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার কল্যাণ এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে সোমবার আয়োজিত জননেত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী উদ্যোগ ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ বাস্তবায়নে তৃণমূল জনপ্রতিনিধি ইউপি সদস্যদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান এমপি।

ভারতে হিজাব নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল

ভারতে হিজাব মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে সন্তুষ্ট নন মামলাকারীরা। মঙ্গলবার হাইকোর্টের দেওয়া রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে যাচ্ছেন তারা। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি। তবে রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতের একাধিক রাজনীতিবিদ। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ মুম্বাই রাজ্যে সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন।

কর্নাটক হাইকোর্ট বলেছে, হিজাব পরা ইসলাম ধর্মবিশ্বাসে বাধ্যতামূলক ধর্মীয় অনুশীলন নয়, তাই এ ক্ষেত্রে ভারতীয় সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারার রক্ষাকবচ প্রযোজ্য নয়।

পাশাপাশি স্কুল পরিচ্ছদের অঙ্গ হিসেবে হিজাব বা অন্য কোনো আবরণ বা উত্তরীয় নিষিদ্ধ করার কর্নাটক সরকারের সিদ্ধান্তকেও শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকারের খর্ব হিসেবে দেখছে না হাইকোর্ট।

ফলে স্কুল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরে আসা নিষিদ্ধই রইল। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করতে চলেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী রায়ে হাইকোর্ট জানিয়েছিল, যতদিন না পর্যন্ত চূড়ান্ত রায় দেওয়া হচ্ছে, ততদিন শিক্ষার্থীরা গেরুয়া উত্তরীয়, হিজাব পরে এবং ধর্মীয় পতাকা বা ওই জাতীয় কিছু নিয়ে ক্লাসরুমে প্রবেশ করতে পারবে না।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হন কয়েকজন আবেদনকারী। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট মামলাটি নিতে অসম্মত হন।

কারণ হিসেবে সুপ্রিমকোর্ট জানান, হাইকোর্টে মামলাটি চলছে। এ অবস্থায় তাতে হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই।

এ বছরের শুরু থেকে কর্নাটকের স্কুল-কলেজে হিজাব পরে ঢোকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। উদুপির একটি কলেজে কয়েকজন ছাত্রী হিজাব পরে আসায় ক্লাস করতে দেওয়া হয়নি। এর পর ক্রমশ হিজাব বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা রাজ্যে। হিজাবের পাল্টা হিসেবে গৈরিক উত্তরীয় পরতে দেওয়ার দাবি তুলে পথে নেমে যায় কয়েকটি সংগঠন।

কিয়েভে বহুতল ভবনে রুশ হামলায় নিহত ২

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি বহুতল ভবনে হামলার ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। খবর বিবিসির।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দেশটির জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ এবং ২৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

কিয়েভের পশ্চিমাঞ্চলীয় এসভিয়াতোশিনস্কি জেলায় অবস্থিত ১৬তলার একটি ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। পোদিলস্ক এলাকার আরও কয়েকটি আবাসিক ভবনেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে রাজধানী কিয়েভে বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটেছে।

অনেকেই টুইট করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রুশ সেনারা ক্রমাগত হামলা চালিয়েই যাচ্ছে। টানা ২০ দিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘাত চলছে। তবে রাশিয়া যে পরিকল্পনায় যুদ্ধ শুরু করেছিল সে অনুযায়ী সবকিছু হচ্ছে না।

উল্লেখ্য, ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। এ অভিযানের অংশ হিসেবে স্থল, আকাশ ও পানিপথে ইউক্রেনে হামলা চালানো হচ্ছে। অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীও প্রতিরোধের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। আজ যুদ্ধের ২০তম দিন।

জাতীয় পার্টি মহাসচিবের সিলেট সফর সফলে মতবিনিময়

আগামী ১৬ মার্চ জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপির সিলেট সফরকে সফল করতে মতবিনিময় সভা হয়েছে।

সোমবার সিলেটের দরগা গেটের কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ মিলনায়তনে আয়োজিত ওই সভায় জেলার সব উপজেলা, থানা ও পৌর কমিটির নেতারা অংশ নেন।

জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি কুনু মিয়ার সভাপতিত্বে ও জেলা জাতীয় যুব সংহতির আহ্বায়ক মরতুজা আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শাব্বির আহমদ, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সদস্য ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান মুজিব, সদস্য সচিব এসএ মালেক, কোম্পানীগঞ্জ জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সফর মিয়া, গোয়াইনঘাট জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক জামাল আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজ উদ্দিন ভূইয়া ও আতিকুর রহমান, বিশ্বনাথ জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সুফি আহমদ, ওসমানীনগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সুফি মাহমুদ, সদস্য সচিব উসমান আলী সিকদার, বালাগঞ্জ জাতীয় পার্টির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, বিয়ানীবাজার জাতীয় পার্টির নেতা আবু বক্কর পাখি, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব সাজ্জাদুর রহমান, কানাইঘাট যুব সংহতির আহ্বায়ক আলমাছ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ পৌর শাখার সদস্য সচিব আং রউফ, ফেঞ্চুগঞ্জ যুব সংহতির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী কানু, জকিগঞ্জ যুবসংহতির আহ্বায়ক আলী হোসেন, গোয়াইনঘাট জাতীয় পার্টি নেতা সোলেমান আহমদ, জাতীয় পার্টি নেতা আফিজুর রহমান, মফিজ মিয়া, আনোয়ার হোসেন, ইন্তাজ আলী, সুলেমান রাজা প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় মহাসচিবের সিলেট আগমনকে সফল করতে সবপর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

নেতারা বলেন, সিলেট জাতীয় পার্টির দুর্গ। এটি প্রমাণ করতে ১৬ মার্চের মতবিনিময় সভাকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে হবে।

তিন বছর পর ১৪ দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

তিন বছর পর ১৪ দলীয় জোট নেতাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক আজ। বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণবভনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে নিজেদের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে জোটকে আরও সুসংগঠিত ও সক্রিয় করার কথা তুলে ধরবেন শরিক দলের নেতারা। পাশাপাশি জোটের সাংগঠনিক কর্মকৌশল নির্ধারণ এবং শরিকদের নানা সমস্যা নিয়েও আলোচনা হবে। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দুর্নীতিসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করবেন জোট নেতারা।

এদিকে আজকের বৈঠকে যাচ্ছে না ১৪ দলীয় জোটভুক্ত বাংলাদেশ জাসদ (আম্বিয়া)। তারা বলছেন, ১৪ দল এখন ‘ডেড ইস্যু’। এই জোটের সঙ্গে ‘কন্টিনিউ’ করার কোনো মানে নেই।

এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের কিছু দিন আগে জোট নেতাদের সঙ্গে সর্বশেষ বৈঠক করেন। ওই নির্বাচনের মাধ্যমে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এলেও আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় ১৪ দল শরিকদের কারও ঠাঁই হয়নি। এর আগের দুই মেয়াদের সরকারে থাকা মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির কাউকে মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি।

বৈঠক নিয়ে বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া যুগান্তরকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৪ দলীয় জোটের বৈঠক আহ্বান করেছেন। কিন্তু আমরা সেখানে যাচ্ছি না। এটা ফাইনাল সিদ্ধান্ত। তিনি আরও বলেন, ‘১৪ দলে জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর কাজ কী? এখানে জোটের কাজ কী? জোটের তো কোনো কাজ আর দেখি না। সরকার ও তাদের মন্ত্রীরা যা খুশি তাই করছেন। জোট থেকে শুধু আওয়ামী লীগের দিবসগুলো পালন করা হয়। আগে সব বিষয়ে জোটের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হতো। এখন দেশ কীভাবে পরিচালনা হবে সে বিষয়ে জোটের সঙ্গে আলোচনা হয় না। কাজেই জোটের আর কোনো কাজ নেই। তাই জোটের বৈঠকে যাওয়ার প্রয়োজনও নেই।’

তাহলে কি আপনারা আর ১৪ দলীয় জোটে থাকছেন না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১৪ দল এখন ‘ডেড ইস্যু’। এই জোটের সঙ্গে ‘কন্টিনিউ’ করার কোনো মানে নেই। তবে জোটের অন্য সব শরিক দলের নেতারা আজকের বৈঠকে অংশ নেবেন। ইতোমধ্যে প্রতিটি দল থেকে শীর্ষ দুইজন করে নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ দলের উপদেষ্টা পরিষদ ও সভাপতিমণ্ডলীর কয়েকজন নেতা অংশ নেবেন।

জানতে চাইলে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন যুগান্তরকে বলেন, আমাদের দলের পক্ষে আমি এবং আমাদের সাধারণ সম্পাদক অংশ নেব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে অনেক বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে। সমসাময়িক পরিস্থিতি, রাজনীতি সবকিছু নিয়েই কথা হবে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার বলেন, ১৪ দল একটি আদর্শিক জোট। এ জোট একটি আদের্শের ভিত্তিতে তৈরি। সাম্প্রদায়িক ইস্যু, জঙ্গি, সন্ত্রাস, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ইস্যু সবকিছু নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া আগামী দিনে ১৪ দলীয় জোটের কার্যক্রম কীভাবে আরও জোরদার করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, বেশকিছু কারণে আমাদের বৈঠকটা জরুরি হয়ে গেছে। বসলেই সব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, আমাদের দলেরও দুজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১৪ দলের যে কমিটমেন্ট, সেখান থেকে যেন আমরা দূরে সরে না যাই, সেই বিষয়ে কথা বলব। এছাড়া মানুষের সমস্যাগুলো রয়েছে, যেমন দ্রব্যমূল, দুর্নীতি, সুশাসন প্রভৃতি বিষয় নিয়ে কথা বলব।

বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলিপ বড়ুয়া যুগান্তরকে বলেন, বৈঠকে আমাদের দলের দুজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমরা দুজনই যাব। তিনি বলেন, বৈঠকে আলোচনার তেমন কোনো এজেন্ডার কথা এখনো জানি না। তবে বসলে তো অনেক বিষয় নিয়েই কথা হবে।

বাংলাদেশ গণআজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এসকে সিকদার বলেন, দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে আমরা যোগ দেব। জোট শাক্তিশালী করার ব্যাপারে আলোচনা করা হবে।

হাতিল: অবিরাম উৎকর্ষের প্রচেষ্টায়

বাংলাদেশের আসবাব শিল্পে হাতিল আজকে অন্যতম প্রধান একটি নাম। তিরিশ বছরের ও বেশি সময় পেরিয়ে হাতিল আজকে শুধু তার নামের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। হাতিল আজ সৌন্দর্য আর আভিজাত্যের প্রতীক। হাতিল মানে বিশ্বস্ততা। আর একারণেই হাতিল আজ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আসবাব ব্র্যান্ড।

হাতিল এর সফলতার অন্যতম কারন হচ্ছে এর নেতৃত্বের বিচক্ষণতা এবং আসবাব শিল্প সম্পর্কে গভীর ধারনা। ১৯৬৩ সালে এইচ এ টিম্বার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর মাধ্যমে যে যাত্রার শুরু, তাঁরই ধারাবাহিকতায় এবং এর অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে ১৯৮৯ সালে দূরদর্শী উদ্যোক্তা জনাব সেলিম এইচ রহমানের হাত ধরে হাতিলের আবির্ভাব হয়। আপোষহীন মান নিয়ন্ত্রণ আর ডিজাইনের উৎকর্ষতার কারনে আজ হাতিল নামটি আধুনিকতা এবং স্থায়িত্বের একটি অন্যতম আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

পরিবেশ এবং কর্মীবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে হাতিল বরাবরই গর্ব করে থাকে। আর একারণেই উৎপাদনের অপচয় হ্রাস এবং সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা হাতিলের একটি প্রধান বিবেচ্য বিষয়। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ক্রমাগত আধুনিকায়ন এবং রিসাইকেলিং সিস্টেমের সফল বাস্তবায়ন সেই প্রচেষ্টারই অংশ।

বাংলাদেশে আসবাবপত্র শিল্প বরাবরই চ্যালেঞ্জিং ছিল এবং যখন হাতিল তার যাত্রা শুরু করে, দেশীয় আসবাবের বাজার তখন ছিলো বিদেশী পণ্যের চাপে একরকম কোণঠাসা। যার ফলে বাজারে টিকে থাকাও ছিলো বেশ কঠিন। কিন্তু হাতিলের নেতৃত্যের দীর্ঘদিনের কাঠের ব্যবসার অভিজ্ঞতা আর বাজার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা থাকায় মানসম্পন্ন পণ্য সরবারহের সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়। আজ যেমন হাতিল আমদানিকৃত আসবাবপত্রের উপর নির্ভরতা কমাতে সক্ষম হয়েছে, তেমনি বিদেশী পণ্যের আমদানিও কমে এসেছে। শুধু তাই নয়, হাতিল এর আসবাব এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্ব বাজারেও রপ্তানিও হচ্ছে। দেশে তৈরী আসবাব রপ্তানির মাধ্যমে হাতিল বিদেশে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করে চলেছে প্রতিনিয়ত; “মেড ইন বাংলাদেশ” শুনলে আমাদের বুকটাও গর্বে ভরে ওঠে।

ঢাকায় মাত্র দুটি শোরুম দিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ তা একটি গেম-চেঞ্জার ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। সারা দেশে হাতিলের ৭০ টিরও বেশী শোরুম ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সফলতার চিহ্ন রেখে চলেছে। হাতিল এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, মিশর, রাশিয়া, নেপাল, ভুটান এবং ভারতের মতো দেশে একটি জনপ্রিয় আসবাবের ব্র্যান্ড। নিজস্ব কারখানায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কাইজেন ফিলসফির অব্যহত বাস্তবায়নের কারণে শুধু মাত্র বাংলাদেশে নয়, দক্ষিণ-এশিয়ার সবচেয়ে আধুনিক ডিজাইনের আসবাব প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি হিসেবে হাতিলের নাম আজ উচ্চারিত হয়।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানির মাধ্যমে হাতিল ১৫ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি আয় করে। কোভিড-১৯ এ বিপর্যস্ত অর্থনীতির কারণে পরের বছরে তা হ্রাস পেয়ে ১৩ লাখ মার্কিন ডলারে নামলেও, হাতিল চমৎকার ব্যবস্থাপনা এবং দৃঢ় নেতৃত্যের কারণে এই ভীষন প্রতিকূলতার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। ফলস্বরূপ, রপ্তানি আয় ২০২০-২১ অর্থবছরে পুনরায় ১৫ লাখ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মহামারীর মারাত্নক প্রভাব বিবেচনায় সেটি অবশ্যই প্রশংসনীয় এবং উল্লেখযোগ্য একটি কীর্তি।

হাতিল-এর অবিশ্বাস্য অধ্যবসায়, জাতীয় রপ্তানিতে বিশেষ অবদান এবং আমদানিকৃত পণ্যের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকার ফলস্বরূপ, হাতিলকে ‘বেস্ট ইন ইমপোর্ট সাবস্টিটিউশন’ বিভাগে ‘২য় HSBC বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ এ ভূষিত করা হয়েছে HSBC বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ব্রিটিশ হাইকমিশন, ঢাকা-এর সহযোগিতায় আয়োজিত হয়। বিশেষ সম্মানীয় এই পুরষ্কারটির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশিষ্ট কোম্পানি এবং সংস্থাগুলির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দেয়া হয়। বর্তমান ৮টি বিভাগে পুরষ্কার দেয়া হচ্ছে, তারমধ্যে, ‘বেস্ট ইন ইমপোর্ট সাবস্টিটিউশন’ বিভাগটি এমন সংস্থার অবদানকে পুরস্কৃত করে যারা ১ কোটি মার্কিন ডলার বা তার বেশি মূল্যমানের আমদানি হ্রাসে বা আমদানির বিকল্প হিসেবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। গ্রাহকদের কাছে মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ করা ও সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের শিল্প ও অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পেরে এবং সর্বোপরি এমন একটি কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরে হাতিল নিজেকে ধন্য মনে করে।

মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের দ্বিতীয় সংস্করণটির এবারের থিম হচ্ছে- ‘দ্য ইয়ার অফ রেজিলিয়েন্স’ যা সময়োপযোগী এবং কোভিড পরবর্তী বিশ্ব অর্থনীতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে আশা করা যায়। শক্তিশালী অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি আর অর্থনৈতিক স্থিতাবস্থার কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলোর একটি। এই সম্ভাবনার অর্থনীতি নতুন নতুন প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে মহামারীর আঘাতের ক্ষতি থেকে দ্রুতই উত্তরণ করতে পারবে বলে আশা করা যায়। এইচএসবিসি বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের লক্ষ্য বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধিতে ব্যবসায়িক উদ্যোগ ও উদ্যোক্তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং এই স্বীকৃতি অর্জনের জন্য হাতিল তার সকল শুভানুধ্যায়ীদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানায় এবং ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার আশা করে।

হাতিল-এ, আমরা অব্যহত উন্নয়নে বিশ্বাস করি এবং উৎকর্ষের এই প্রচেষ্টা অবিরাম চলবে।

বাহরাইনে বাংলাদেশ ইয়াং অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি

বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণদের সংগঠন বাংলাদেশ ইয়াং অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নাজির আহমেদকে সভাপতি, নাঈমুর রহমান শান্তকে সাধারণ সম্পাদক ও সাইফুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়।

বাহরাইনের মহাররকের আল উসরা রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক ফোরাম বাহরাইনের সভাপতি বশির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মজুমদার, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নূরুল ইসলাম নূর, সাইফ ইসলাম, হুমায়ূন কবির, জানে আলম, সজীব আল রশিদ, হামীম বশির, আলাউদ্দিন প্রমুখ।

বক্তারা প্রবাসী তরুণদেরকে নিজেদের পেশাগত দায়িত্বর পাশাপাশি অসহায় মানুষের সহযোগিতার মনমানসিকতার জন্যে সাধুবাদ জানান। এবং শিক্ষিত স্মার্ট এই তরুণদের মেধাবী কর্মকাণ্ডে বাহরাইনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল হবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

বাহরাইনে ফটো কনটেস্টে বিজয়ীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান

বাহরাইনে বাংলাদেশি প্রতিভাবান তরুনদের খুঁজে বের করতে বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্লাব পরিচালিত “??? ?????? ????” এর BYC MOBILE PHOTOGRAPHY CONTEST ২০২২ এর পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন হয়েছে।

জুফেইর এর “দ্যা স্পট রেসিডেন্সে” ফটো কনটেস্টে বিজয়ীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করার লক্ষ্যে একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মুস্তাফিজ মাসুম ও রহমতউল্লার যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন ক্লাবের এক্সিকিউটিভ মেম্বার জুবায়ের শাহীন।

সংগঠনের সভাপতি আল আমিন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিওয়ান মানির (BEYON MONEY) কমিউনিটি ম্যানেজার মাজহারুল ইসলাম বাবু, বাংলাদেশ সাংবাদিক ফোরাম বাহরাইন এর সভাপতি বশির আহমেদ, সামাজিক সংগঠন উয়িকেয়ার (WE CARE) এর ফাউন্ডার সবুজ মিলন।

ফটোগ্রাফি কন্টেস্টে গ্রহণকারীদের মধ্যে দুটি ক্যাটাগরিতে ৬ জন বিজয়ী হন। দর্শকদের ভোটে ১ম স্থান অর্জন করেন তোফায়েল আহমেদ রায়হান, ২য় ফারাবী আহমেদ রাজু ও ৩য় মাফিকুল ইসলাম মারুফ। বেস্ট পিকচার ??? এডমিনস্ চয়েজ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হন রেদওয়ান আহমেদ, হুজ্জাত রাহাত ও সুমাইয়া আজাদ। বিজয়ীদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা।