শনিবার ,১৫ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 371

আইস-হেরোইনসহ ৫৮ জনকে গ্রেফতার

আইস, হেরোইন এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্যসহ ৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদক সেবন ও কেনাবেচায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

বুধবার ভোর ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার একই সময় পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ৯৪৯৩ পিস ইয়াবা, ১৩৪ কেজি ১০০ গ্রাম ৪০ পুরিয়া গাঁজা, ১৫০ বোতল ফেন্সিডিল, ৪৫৩ পুরিয়া হেরোইন, ১৫ লিটার দেশিয় মদ ও ০.৭৫ গ্রাম আইস জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৭টি মামলা করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় বুধবার বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অষ্টম রাউন্ডের নিরাপত্তা সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই আগ্রহের কথা জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন মাসুদ বিন মোমেন। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আর্মস কন্ট্রোল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি আন্ডার সেক্রেটারি বনি ডেনিস জেনকিনস।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার অংশীদারিত্বকে গভীরভাবে মূল্যায়ন করে।

এ সময় মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্কের প্রশংসা করেছেন। তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের সাফল্য ও নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে সহায়তা করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

দিনব্যাপী বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তাসহ সামরিক প্রশিক্ষণ, সমুদ্র নিরাপত্তা, প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তি, প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ক্রয় ও সক্ষমতা উন্নয়ন, আঞ্চলিক সমস্যা যেমন— রোহিঙ্গা, ইন্দো-প্যাসিফিক এবং সন্ত্রাস দমন ও বেসামরিক নিরাপত্তা সহযোগিতার মতো ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে র্যা বের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং মার্কিন পক্ষকে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সন্ত্রাস, সহিংস চরমপন্থা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াইয়ে র্যা বের অগ্রণী ভূমিকা তুলে ধরা হয়। এছাড়া র্যা বের উপর নিষেধাজ্ঞা কতটা অযৌক্তিক তাও বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। তবে এসব বিষয়ে দুপক্ষ আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।

সবশেষে দুপক্ষ নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে। পরবর্তী নিরাপত্তা সংলাপ আগামী বছর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

তারাবিহর সালাতে মেলে কুরআনের নূর

রমজান মাসে প্রতিদিন সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও কামাচার বর্জনের মাধ্যমে সিয়াম পালন করা হয়। এটিই এ মাসের প্রধান ও প্রথম পালনীয়। তবে পাশাপাশি আরেকটি ইবাদত অত্যন্ত নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রয়েছে এ মাসের সঙ্গে।

আল্লাহর প্রিয় বান্দারা দিনে রোজা রেখে ও রাতে এশার সালাতের পর সারা দিনের ক্লান্তি উপেক্ষা করে দীর্ঘক্ষণ তারাবিহর নামাজ আদায় করেন। মসজিদে মসজিদে কুরআন মাজিদের তিলাওয়াতে বেহেশতি সুর মূর্ছনায় মুগ্ধ হন মুসল্লিরা।

জামাতের সঙ্গে সালাতুত তারাবিহর বর্তমান নিয়মটি চালু হয়েছে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর ফারুক (রা.)-এর সময় থেকে। এর আগে অর্থাৎ রাসূলে পাক (সা.) ও হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর সময়ে এমনকি হজরত ওমর ফারুকের খেলাফতকালের প্রথম ভাগেও মুসলমানরা রমজানের রাতগুলোতে এশার নামাজের পর অতিরিক্ত যে সালাত আদায় করতেন, তা একাকী করতেন।

তবে নবি করিম (সা.) রমজানে কিয়ামুল লাইল বা রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগির বিশেষ উৎসাহ দিয়েছেন এবং এ জন্য অশেষ পুরস্কারের সুসংবাদ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণিত একটি হাদিস উল্লেখ করা যায়।

তিনি বলেন, রাসূল (সা.) রমজানের রাতগুলোতে ইবাদত করার জন্য আমাদের উৎসাহ দিতেন। কিন্তু জোরালো আদেশ দিতেন না। তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি রমজানে ইমান ও ইহতিসাবের সঙ্গে কিয়াম করবে, তার ইতঃপূর্বেকার সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর সময়ে একই নিয়ম চালু ছিল। এটিই বহাল ছিল হজরত ওমর ফারুক (রা.)-এর খেলাফতকালের প্রথম ভাগেও। (বুখারি শরিফ)

হজরত ওমর ফারুক (রা.)-এর সময়ে জামাতের সঙ্গে সালাতুত তারাবিহ চালু হওয়া সম্পর্কে একটি সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে সায়েব ইবনে আবদুল কারি নামে এক তাবেয়ি। তিনি বলেন, রমজানের এক রাতে হজরত ওমর ফারুক (রা.)-এর সঙ্গে আমি মসজিদে নববিতে গেলাম। দেখলাম লোকেরা বিক্ষিপ্তভাবে ইবাদত করছে। কেউ একাকী, আবার কারও সঙ্গে কয়েকজন যোগ দিয়ে নফল নামাজ আদায় করছেন। হজরত ওমর (রা.) বললেন, এদের সবাইকে একজন তিলাওয়াতকারীর পেছনে একত্র করে দিলে ভালো হতো। পরে হজরত উবাই ইবনে কা’বকে ইমাম নিযুক্ত করা হলো। কেননা হজরত উবাই (রা.) ছিলেন সাহাবিদের মধ্যে সবচেয়ে শুদ্ধ ও মধুর কণ্ঠে কুরআন মাজিদ তিলাওয়াতকারী।

এরপর একদিন আবারও বের হলেন হজরত ওমর (রা.)। বর্ণনাকারী আবদুর রহমান বলেন, হজরত উবাই (রা.)-এর ইমামতিতে তখন এ নামাজ চলছে। পরিবেশটি দেখে হজরত ওমর মুগ্ধ হলেন এবং বললেন, চমৎকার আবিষ্কার এটি। তবে তিনি বললেন, তোমাদের ঘুমের সময়টা তোমাদের জেগে থাকার সময় থেকে ভালো অর্থাৎ হজরত ওমর (রা.)-এর ব্যক্তিগত পছন্দ ছিল লোকেরা প্রথম রাতে এশার নামাজের পরই ঘুমিয়ে পড়ুক আর মধ্য রাতের পর ইবাদতে মশগুল হোক। কিন্তু তা সাধারণভাবে কষ্টের কাজ। লোকেরা এমনটি অভ্যাস করতে পারবে বলে তিনি মনে করলেন না। তা ছাড়া একাকী দীর্ঘক্ষণ সালাত আদায় করার চেয়ে জামাতের সঙ্গে আদায় করা কম কষ্টকর। তেমনি কুরআন মাজিদের বড় বড় সুরা সবার মুখস্থ থাকে না। এসব দিক বিবেচনা করে সবার জন্য যা সহজ হয় তারই ব্যবস্থা করলেন তিনি।

এমন একটি বর্ণনাও পাওয়া যায় যে, হজরত আলী (রা.) এদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন হজরত ওমর (রা.)-এর। এভাবে যে নামাজ চালু হয় তা তারাবিহ নামে আখ্যায়িত হওয়ার কারণ মাঝখানের বিরতিগুলো। ২০ রাকাত নামাজ আদায় করতে গিয়ে প্রতি চার রাকাতের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার রীতি ছিল। আরবি তারবিহা অর্থ বিশ্রাম। আর তারবিহা শব্দের বহুবচন তারাবিহ।

সালাতুত তারাবিহ জামাতের সঙ্গে আদায়ের আয়োজন থাকায় অনেক মানুষ একই সঙ্গে কুরআন মাজিদ শুনতে শুনতে দীর্ঘ সময় ধরে নফল নামাজ আদায় করতে পারেন। তেমনি সম্মিলিত আকারে আদায়ের কারণে রোজাদার মুসলমানদের মধ্যে গড়ে উঠতে পারে ঐক্য ও সম্প্রীতির দৃঢ় বন্ধন।

লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মুফাসসির সোসাইটি

www.selimayadi.com

যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ হয় না

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম রোজা। ইমান, নামাজ ও জাকাতের পরই রোজার স্থান। আরবি ভাষায় রোজাকে ‘সাওম’ বলা হয়। যার আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা।

শরিয়তের পরিভাষায় সাওম বলা হয় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজার নিয়তে পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও রোজা ভঙ্গকারী কাজ থেকে বিরত থাকাকে।

আজ আমরা এমন কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জেনে নেব- যেসব কাজের কারণে রোজা ভঙ্গ হয় না।

ভুল করে কোনো কিছু খেয়ে ফেললে রোজা ভঙ্গ হবে না [বুখারি শরিফ ১/২৫৯]। মশা-মাছি, কীটপতঙ্গ ইত্যাদি অনিচ্ছাকৃত পেটের ভেতর ঢুকে গেলেও রোজা ভাঙবে না [মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা ৬/৩৪৯]।

অনিচ্ছাকৃত বমি হলে [এমনকি মুখ ভরে হলেও] রোজা ভাঙবে না। তেমনি বমি মুখে এসে নিজে নিজেই ভেতরে চলে গেলেও রোজা ভাঙবে না [তিরমিজি ১/১৫৩]।

রোজার কথা ভুলে গিয়ে পানাহার করলে রোজা নষ্ট হবে না। তবে রোজা স্মরণ হওয়ামাত্র পানাহার ছেড়ে দিতে হবে [মুসলিম ১/২০২]। দাঁত থেকে রক্ত বের হয়ে পেটের মধ্যে না গেলে রোজা ভাঙবে না [শামি ৩/৩৬৭]।

কোনো খাদ্যদ্রব্য বুট বা ছোট ছোলার কম পরিমাণ যদি দাঁতের সঙ্গে লেগে থাকে ও গলার ভেতর চলে যায়, তাহলে রোজা ভাঙবে না [হিন্দিয়া ১/২০২]। হ্যাঁ, দাঁত থেকে বের করে হাতে নিয়ে স্বেচ্ছায় খেয়ে ফেললে রোজা নিশ্চিতভাবে ভেঙে যাবে [হিন্দিয়া ১/২০২]।

অতিরিক্ত গরম বা পিপাসার কারণে যদি গোসলের মাধ্যমে শরীরকে ঠান্ডা করে তাহলেও রোজার কোনো ক্ষতি হবে না [হিন্দিয়া ১/২০৩]। কুলি করার পর পানির অবশিষ্ট আর্দ্রতা থুথুর সঙ্গে গিলে ফেললে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না [হিন্দিয়া ১/২০৩]।

ঘাম অথবা চোখের অশ্রুর দু-এক ফোঁটা যদি অনিচ্ছায় মুখে চলে যায়, তাহলে রোজা নষ্ট হবে না [হিন্দিয়া ১/২০৩]। কানের ময়লা বাইর করার দ্বারাও রোজা ভাঙবে না [মারাকিল ফালাহ ৩৪২]।

যদি পান খাওয়ার পর খুব ভালোভাবে কুলি করার পরও রোজা অবস্থায় থুথুর সঙ্গে লাল রং বের হয়, তাহলে কোনো সমস্যা নেই [হিন্দিয়া ১/২০৩]।

নাক এত জোরে সাফ করা, যার ফলে কফ গলার মধ্যে চলে যায়, তাহলেও কোনো সমস্যা নেই [দুররে মুখতার ৩/৩৭৩]। রোজা অবস্থায় আতর বা ফুলের ঘ্রাণ নিলেও কোনো সমস্যা নেই [মারাকিল ফালাহ, ৩৬১]।

শরীর বা মাথায় তেল ব্যবহার করলে রোজা ভাঙবে না, বরং তা বৈধ [মুসান্নাফে আব্দুর রাজজাক ৪/৩১৩]। রোজা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃত মুখের মধ্যে ধুলাবালি ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না [দুররে মুখতার ৩/৩৬৬]।

যদি রোজাদারের গোসল করার সময় অথবা বৃষ্টিতে ভেজার সময় কানের মধ্যে অনিচ্ছায় পানি চলে যায়, তাহলে সর্বসম্মতিক্রমে রোজা নষ্ট হবে না [ফাতহুল কাদির ২/৩৪৭]।

সুস্থ অবস্থায় রোজার নিয়ত করার পর যদি অজ্ঞান, অচেতন বা পাগল হয়ে যায়, তাহলে রোজা নষ্ট হবে না [সুনানে কুবরা বায়হাকি ৪/২৩৫]।

“ইকুয়েটোরিয়াল গায়ানা” বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনাময় একটি দেশ

আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ ইকুয়েটোরিয়াল গায়ানা অভিবাসীদের জন্য নতুন সম্ভাবনাময় একটি দেশ। রাষ্ট্রপতি শাসিত দেশটির জনগণের মাথাপিছু আয় ১৭০০০ মার্কিন ডলার; যা আফ্রিকা মহাদেশে সর্বোচ্চ। দেশটির আয়তন ২৮০৫১ বর্গকিলোমিটার। উন্নত এই দেশটিতে বিভিন্ন খাতে দক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাকরির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

সোমবার (৪ এপ্রিল) রাতে দেশটির রাজধানী মালাবোতে স্থানীয় একটি হোটেলে রাষ্ট্রদূত সারওয়ার মাহমুদ ইকুয়েটোরিয়াল গায়ানা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় প্রবাসীরা জানান, পশ্চিম আফ্রিকায় অবস্থিত এ দেশটিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন কোম্পানিতে ফাইন্যন্স ম্যনেজার, আইটি এক্সপার্ট, শিপিং এজেন্টসহ অন্যান্ন পেশায় অত্যন্ত সুনামের সাথে উচ্চ বেতনে কাজ করছেন। প্রবাসীরা আনন্দচিত্তে জানান যে, তাদের কর্মদক্ষাতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ কোম্পানিগুলোকে আরো অধিক সংখ্যক বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগ দানে আকৃষ্ট হচ্ছে।

দেশটিতে সেবা খাতে স্প্যানিশ ভাষা জানা দক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাকরির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রদূত সারোয়ার মাহমুদ মাদ্রিদে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ইকুয়েটোরিয়াল গায়ানা প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনলাইনে কনস্যুলার সেবাসহ যে কোন সেবা অগ্রাধিকারভিত্তিতে প্রদানের আশ্বাস দেন। ইকুয়েটোরিয়াল গায়ানাতে আগমনে চাকরিপ্রত্যাশী প্রত্যেক বাংলাদেশিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য রাষ্ট্রদূত বংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করার আশ্বাস দেন।

দুবাই গাউছিয়া কমিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব আল্লামা মছিয়ত দৌলা বলেছেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি মুমিনের জীবনের লক্ষ্য। আনুগত্যে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন, তাই মুমিনেরা ইবাদতে আনন্দ লাভ করেন। মহানবী (সা.) বলেছেন, রোজাদারের জন্য দুটি খুশি; একটি ইফতারের সময়, অপরটি আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়। আল্লাহ তাআলার নির্দেশ- তোমরা সন্ধ্যা পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ করো।

গাউছিয়া কমিটি দুবাই শাখার ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সোমবার (৪ এপ্রিল) স্থানীয় আল খালিজ হোটেল হলরুমে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গাউছিয়া কমিটি দুবাইয়ের সভাপতি আলহাজ মাওলানা ফজলুল কবির চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ওসমান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব, পীরে তরিকত আল্লামা মছিয়ত দৌলা। প্রধান বক্তা ছিলেন অধ্যক্ষ ছ উ ম আব্দুস সামাদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবুল কালাম বয়ানী, গাউসিয়া কমিটি উত্তর জেলার সাবেক সভাপতি মুফতি জসিম উদ্দিন আল কাদেরী, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাহবুবুল হক নুরে বাংলা।

ইফতার ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন- ইউএই গাউছিয়া কমিটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আজম খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রফিক, মো. কামাল উদ্দিন, ইউএই গাউছিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন, হাফেজ জালাল উদ্দিন খান, মাওলানা ফজলুল আজিম, হাফেজ মাওলানা সেকান্দর, মাওলানা সালাউদ্দিন, কাজী মোহাম্মদ আলী, মাওলানা আব্দুল কাদের, মাওলানা হোসাইন, হাজী মোহাম্মদ সেলিম সিআইপি, মাওলানা দিদার, আনছারুল হক, জহিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম তালুকদার, নাজিম উদ্দিন আকাশ প্রমুখ।

চুল ঘন কালো ও মসৃণ করতে চান? ডিমেই মিলবে সমাধান

কমবেশি সবারই স্বপ্ন থাকে চুলকে ঘন কালো ও মসৃণ করে পাওয়া। কিন্তু এই স্বপ্নটা অনেকেরই অপূর্ণ থেকে যায়। আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই তাদের চুল রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন।

কিন্তু এ সমস্যার সমাধান পেতে পারেন অনেক পরিচিত ও খুব সাধারণ একটি উপাদানে। আপনি জেনে অবাক হবেন, খাওয়া ছাড়াও কাঁচা ডিম দিয়েই করে ফেলতে পারেন আপনার চুলের পরিচর্য়া। আর এর ফলে পাবেন ঘন কালো ও মসৃণ চুল। এ ছাড়া নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে এটি।

চুলের স্বাস্থ্য ভালো করতে, চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করতে এবং চুলকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে ডিম।

জেনে নিন চুলের যত্নে ডিমের উপকারিতা—

১. চুলের রুক্ষতা দূর করে
অনেক দিন ধরে ব্যবহার করা কোনো রাসায়নিক বা বাইরের ধুলোবালির কারণে অনেক সময় চুল হয়ে যায় রুক্ষ ও খুশকো। আর এটির সমাধানে ব্যবহার করতে পারেন ডিমের কুসুম। এতে থাকা প্রোটিন আপনার চুলের রুক্ষতা দূর করতে সহায়তা করবে।

২. চুল পড়া কমায়
চুল পড়া কমাতে ডিমের সাদা অংশ অনেক কার্যকরী। এর জন্য ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে দই মিশিয়ে সেটি মাথায় ভালো করে লাগাতে হবে। আধাঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিলেই মিলবে সমাধান।

৩. চুল ঘন করে
ডিমের সাদা অংশ আপনার চুলকে ঘন করতেও অনেক কার্যকরী। এর সঙ্গে এক চা চামচ অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে সেটি চুলের গোড়ায় ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। এর পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়ে শ্যাম্পু করে নিতে হবে। এভাবে নিয়মিত করলেই মিলবে ঘন কালো চুল।

৪. চুল শক্তিশালী করে দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে
ডিমের কুসুম আপনার চুলকে দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটি চুলে ব্যবহার করার ফলে চুল হয়ে ওঠে আরও শক্তিশালী, আর এটি চুল পড়াকে রোধ করে চুলকে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে সহায়তা করে।

৫. চুল সিল্কি করে
চুলকে চকচকে ও সিল্ক করে তুলতে অনেক কার্যকরী হচ্ছে ডিম। ডিমের কুসুমের সঙ্গে এক কাপ দই ভালো করে মিশিয়ে প্যাক হিসেবে মাথায় ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিলেই পাবেন চকচকে ও সিল্কি চুল।

এ ছাড়া আপনার নিয়মিত খাবারে ডিম খেলেও পাবেন চুলের উপকার। এ জন্য প্রতিদিন সকালের নাস্তার সঙ্গে রাখতে পারেন ডিম। এটি আপনার শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন বি এবং ফোলেটের ঘাটতি মিটিয়ে প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করবে। আর আপনার শরীরে যত বেশি পুষ্টি থাকবে আপনার চুলও ততই বেশি সুন্দর দেখাবে।

কোথায় কোচিং করেছেন জানালেন সুমাইয়া মীম

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলে জাতীয় মেধাতালিকায় প্রথম হয়েছেন সুমাইয়া মোসলেম মীম।

তিনি ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের মধ্যে ৯২.৫ নম্বর পেয়েছেন। তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজে পরীক্ষা দিয়েছেন।

গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশের পর পর সুমাইয়া কোথায় কোচিং করেছেন তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য আসতে শুরু করে।

৫টি কোচিং সেন্টার সুমাইয়াকে তাদের শিক্ষার্থী বলে দাবি করে। মীমের সাফল্যে নিজেদের যুক্ত করতে দিনভর ব্যস্ত ছিলেন তারা।

এদের মধ্যে রেটিনা, মেডিকো এবং উন্মেষ তাদের কোচিং সেন্টারের ফেসবুক পেজ থেকে সুমাইয়াকে নিজেদের শিক্ষার্থী বলে দাবি করে।

এমন খবরে ফেসবুকে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

যে কারণে সুমাইয়া মীম নিজেই জানালেন, কোথায় কোচিং করেছেন তিনি।

সুমাইয়া মোসলেম মীম বলেন, আমি ডিএমসি স্কলার কোচিংয়ের শিক্ষার্থী। এখানে ছাড়া আর কোথাও আর অন্য কোনো কোচিংয়ে ক্লাস করিনি। তবে উন্মেষ এবং রেটিনা কোচিংয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিয়েছি।

এদিকে রেটিনা কোচিংয়ে ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মীম বলেন, আমি রেটিনা কোচিংয়ের খুলনা শাখার শিক্ষার্থী।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কলেজশিক্ষক মোসলেম উদ্দীনের মেয়ে সুমাইয়া মোসলেম মীম।

খুলনা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিলেন মীম। লিখিত পরীক্ষায় ৯২ দশমিক ৫ নম্বর পেয়েছেন। সবমিলিয়ে তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ২৯২ দশমিক ৫।

এর আগের শিক্ষাবর্ষেও (২০২০-২১) মেডিকেলের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকায় প্রথম হয়েছিলেন একজন নারী।

সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছিলেন মিশোরী মুনমুন।

তিনি পাবনা মেডিকেল কলেজ থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি পেয়েছিলেন ৮৭ দশমিক ২৫।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে জাতীয় মেধার ভিত্তিতে মোট ৭৯ হাজার ৩৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

গত ১ এপ্রিল সারা দেশের ১৯ কেন্দ্রের ৫৭টি ভেন্যুতে একযোগে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

খুবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণ, অতঃপর.

গোপনে এক ছাত্রীর ভিডিও ধারণ করার অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের এক শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরে আটকে রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রী হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলাম নগরের শাহ শিরীন সড়কের একটি ছাত্রী মেস থেকে ওই ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করা হয়। এরপর মঙ্গলবার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে ওই ছাত্রকে শনাক্ত ও আটক করে। এরপর তাকে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা।

পরে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালকের হস্তক্ষেপে অভিযুক্তকে হল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে এনে রাখা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক মো. শরীফ হাসান লিমন বলেন, শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তকে আটক করে রাখে এবং মারধর করে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশে সোপর্দ করতে চাইলে শিক্ষার্থীরা অস্বীকৃতি জানায়। সকালে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে আনা হয়।

জন্মদিনে রুনা লায়লার গান গাইবেন অনুপমা মুক্তি

১৯৭৯ সালের ২৫ মে মোতাহের হোসেন পরিচালিত ‘প্রিয় বান্ধবী’সিনেমায় উপমহাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা গেয়েছিলেন ‘তোমার মুখের হাসি হলো গলার ফাঁসি’ গানটি।

চার দশকেরও বেশি সময় পর একই গান আবারো গাইতে যাচ্ছেন শ্রোতাপ্রিয় নন্দিত কণ্ঠশিল্পীঅনুপমা মুক্তি।

গানটি লিখেছিলেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার এবং সুর সঙ্গীত করেছিলেন আলাউদ্দিন আলী। ৬ এপ্রিল অনুপমা মুক্তির জন্মদিন। জন্মদিনে নতুন একটি সিনেমার মহরত হবে। আর সে সিনেমাতেই গানটি নতুন করে গাইবেন
অনুপমা মুক্তি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা সত্যিই আমার জন্য অনেক বড় সৌভাগ্যের যে আমি আমার জন্মদিনে আমার ভীষণ প্রিয় শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা আপার গান নতুন সঙ্গীতায়োজনে গাইতে পারছি। আমি জানিনা কেমন গাইতে পারব। তবে যেহেতু ছোটবেলা থেকেই তার গান মন দিয়ে শুনে আসছি, আমি চেষ্টা করব তারই মতো করে গাইবার। জানি তার মতো হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব না। তবে আমার নিজের গান নিজের মতো করেই গাই। কিন্তু যখন অন্য কারও গান গাইতে যাই,তখন আমার চেষ্টা থাকে সেই শিল্পীর মতো করেই গাইবার। তাই রুনা আপার গানটি রুনা আপার মতো করেই গাইবার চেষ্টা থাকবে আমার। আমি দূর থেকে শুধু শ্রদ্ধেয় রুনা আপার দোয়া চাই, ভালোবাসা চাই। তার গানটি গাইবার জন্য যারা আমাকে সুযোগ করে দিয়েছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা।

অনুপমা মুক্তি জানান, নতুন করে গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন মো. আলমগীর হোসেন। নতুন সিনেমাটি পরিচালনা করছেন রায়হান মুজিব। এদিকে অনুপমা মুক্তি এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।