শুক্রবার ,১৪ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 368

বিয়ের পর কোথায় হানিমুনে যাচ্ছেন আলিয়া-রণবীর?

মধুচন্দ্রিমার জন্য মালদ্বীপ অনেকেরই পছন্দের জায়গা। দ্বীপরাষ্ট্রের সমুদ্রসৈকতের নীল জলরাশির ছোঁয়া পেতে নবদম্পতি ছুটে যান সেখানে। তবে বলিউড তারকাদের প্রিয় গন্তব্য মালদ্বীপ নয়৷ রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটও হানিমুন ভেন্যু হিসেবে মালদ্বীপ বেছে নেননি। তারা বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমায় কোথায় যাচ্ছেন সেটি নিয়ে কানাঘুষা চলছে৷

বলিউডের তারকা রণবীর-আলিয়ার সম্পর্ক বহুদিনের। সেই সম্পর্ক আনুষ্ঠানিক রূপ পেতে যাচ্ছে ১৭ এপ্রিল। সেদিনই রণবীরের পৈতৃক বাড়িতে অর্থাৎ আরকে হাউসে বসবে তাদের বিয়ের আসর। এ বিয়ে নিয়ে তাদের ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের আগ্রহের কমতি নেই।

এ বিয়েতে অতিথি হিসেবে কারা থাকছেন, বিয়েতে কার ডিজাইন করা পোশাকে সাজবেন আলিয়া ও রণবীর, তারা কোথায় হানিমুনে যাচ্ছেন সব কিছু নিয়েই বাড়তি আগ্রহ মানুষের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ জুটি নাকি মধুচন্দ্রিমার জন্য উড়ে যাচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শুরুতেই আলিয়াকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা উড়ে গিয়েছিলেন রণবীর। ইনস্টাগ্রামে অন্তরঙ্গ ছবিও পোস্ট করেছিলেন আলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকার জঙ্গল সাফারি নাকি এতটাই ভালো লেগেছে আলিয়া ও রণবীরের, যে মধুচন্দ্রিমার ডেস্টিনেশন হিসেবে সেই জঙ্গলকেই বেছে নিলেন এ তারকা জুটি। তবে বিয়ে বা হানিমুন নিয়ে গুঞ্জনে নানা কথা শোনা গেলেও, এ ব্যাপারে কিন্তু মুখ খোলেননি রণবীর বা আলিয়া কেউই।

গত কয়েক বছর ধরেই রণবীর-আলিয়ার বিয়ে নিয়ে নানা খবর শোনা গেছে। তবে নিজেদের প্রেম ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কখনই মুখ খোলেননি দুই তারকা।

বুট ধার করে খেলা রনি যাচ্ছে স্বপ্নের ব্রাজিল

দরিদ্র পরিবারের সন্তান রনি মিয়া। ছোট থেকেই পাড়ার সাথীদের সঙ্গে ফুটবল খেলত। কিন্তু সংসারে অভাবের কারণে পিতাকে সহায়তা করতে স্বপ্নের ফুটবল খেলা ছেড়ে দিয়ে নদীতে বালু শ্রমিকের কাজ নিয়েছিল রনি।

ফাঁকে ফাঁকে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে খেলতে যেত রনি। খেলায় যা পেত তা দিয়ে এক জোড়া বুটও কিনতে পারত না। তাই খালি পায়েই ফুটবল খেলত রনি মিঞা। মাঝে মধ্যে ফুফাতো ভাইয়ের বুট ধার করে খেলত। কিন্তু আকারে বড় হওয়ায় সেই বুটজোড়া পরে খেলতে গিয়েও দেখা দিত নানা বিপত্তি। চোটে পড়ে খেলা থেকে ছিটকে যেতে হয় রনিকে।

শুধু চোট নয়, ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখা রনির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল দারিদ্র্যের দেয়ালও। কিন্তু সব বাধা জয় করে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নে বিভোর রনি। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে হবিগঞ্জের ১৬ বছরের কিশোরের বড় একটা ধাপ উন্নত প্রশিক্ষণ নিতে ফুটবলের দেশ ব্রাজিলে যাওয়ার সুযোগ।

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত জোয়াও তাবাজারা দি অলিভিয়েরা জুনিয়রের সহযোগিতা ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের চেষ্টায় বাংলাদেশের চলতি বছর প্রশিক্ষণ নিতে ব্রাজিল যাচ্ছে বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলারদের ১১ জনের একটা দল। সেই দলেরই একজন এই রনি।

সব ঠিক থাকলে আগামী মে মাসে ব্রাজিল যাবে ফুটবলাররা। বিকেএসপির চূড়ান্ত বাছাইয়ে ১১ জনের মধ্যে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ৩ খেলোয়াড় আছেন। তারা হলেন রনি মিয়া, শংকর বাকতি ও অনিক দেববর্মা।

রনিদের পরিবারের অবস্থা নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো। বৃদ্ধ বাবা তৈয়ব আলী পাহাড় থেকে কাঠ কেটে বাজারে বেচতেন। সেই আয়ে কোনোরকম সংসার চলত। দুমুঠো ভাত না জুটলেও ফুটবল মাঠে মন পড়ে থাকত রনির। এভাবে খেলতে খেলতেই বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্কুল ফুটবলে খেলার সুযোগ হয়। সেখানে আলাদা করে সবার নজর কাড়ে রনি। এরপর সিলেট বিকেএসপিতে ট্রায়ালের পর সুযোগ মেলে সাভার বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার।

কিন্তু সেখানেও দেখা দেয় সমস্যা। বিকেএসপির নির্ধারিত মাসিক বেতন দিতে পারছিল না বলে পালিয়ে বাড়িতে ফিরে আসে রনি। ব্রাজিলে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার আনন্দে ভেসে যেতে যেতে সেই কষ্টের দিনগুলো বড় মনে পড়ছে রনির— ‘আমাদের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ। বাবার কাছে বিকেএসপির বেতনের টাকা চাইলে দিতে পারতেন না। তাই বিকেএসপি ছেড়ে চলে আসি।’

বিকেএসপি ছাড়ার পর বাবাকে সাহায্য করতে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শ্রমিকের কাজে নেমে পড়ে রনি। এলাকার নদী থেকে বালু তোলার কাজ করে বাবার হাতে সেই টাকা তুলে দিত— ‘ওই সময় কী করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। বাবার কষ্ট দেখে ভীষণ খারাপ লাগত। একপর্যায়ে বালু তোলার মেশিনের শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করি।’ কাজের ফাঁকে এলাকায় বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টে নিয়মিত অংশ নিত রনি।

তেমনই এক টুর্নামেন্টে রনির খেলা দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে নিজের ফুটবল একাডেমিতে ভর্তি করে নেন ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। কিন্তু ওই একাডেমিতে যেতেও আপত্তি ছিল রনির।

আর্থিক দুরবস্থার কারণ— ‘বড় ভাইকে বিদেশ পাঠাতে বাবা জমি বন্ধক রেখেছিলেন। সেই টাকা পরিশোধ করতে ভাই রাজমিস্ত্রির কাজ নেন। আমি বালু তুলতাম। ফুটবল খেললে বাড়তি কিছু পাব না, সেটা সুমন ভাইকে তখন জানিয়ে দিই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি আমাকে এক লাখ টাকার চেক দেন এবং একাডেমিতে ভর্তি করে নেন।’

বড় অঙ্কের টাকা পেয়ে বন্ধকি জমি ছাড়িয়ে নেয় রনি। এরপর নির্ভার হয়ে ব্যারিস্টার সুমনের একাডেমিতে খেলেছে তিন বছর। গত বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনূর্ধ্ব-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় সিলেট বিভাগ। সেই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার ছিল রনি।

খেলে রাইটব্যাক পজিশনে। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের বিভাগীয় দলে সুযোগ পেতে রনিকে পার হতে হয়েছে বেশ কয়েকটি ধাপ। শুরুতে ইউনিয়ন পর্যায়ের দলে খেলে রনি। সেখানে তার দল হারলেও ওই দল থেকে বাছাই করা খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠন করা হয় থানা পর্যায়ের দল। একইভাবে থানার সেরা খেলোয়াড়দের সুযোগ মেলে জেলা পর্যায়ের দলে।

সর্বশেষে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার সেরা ফুটবলার নিয়ে গড়া হয় বিভাগীয় দল। এরপর দেশের ৮ বিভাগ থেকে সেরা ৪০ ফুটবলারের মধ্য থেকে বাছাই করে নেওয়া হয়েছে ব্রাজিল সফরের জন্য ১১ জনকে। সেই বাছাইয়ে টিকে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে রনি।

দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে পুরনো টেস্ট ভেন্যুগুলোর একটি পোর্ট এলিজাবেথের সেন্ট জর্জেস পার্ক। এ ভেন্যুতেই দক্ষিণ আফ্রিকার অভিষেক হয় ১৮৮৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০২০ সাল পর্যন্ত সর্বশেষ ১৩৩ বছরে এখানে টেস্ট হয়েছে ৩১টি।

ডিন এলগারের সঙ্গে মুমিনুল হক শুক্রবার টস করতে নামলেই ইতিহাসের সোনালি পাতায় ব্রাকেটবন্দি হবেন। পোর্ট এলিজাবেথে টেস্ট অভিষেক হবে বাংলাদেশের।

ডারবানেও প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলে টাইগাররা। চতুর্থ দিনের শেষ সেশনের শেষ ঘণ্টা ছাড়া বাকি সময় সমানে সমান লড়াই করেছে মুমিুনল বাহিনী। শেষ ঘণ্টা ও পঞ্চম দিনের প্রথম ঘণ্টায় কেশব মহারাজ ও সাইমন হার্মারের ঘূর্ণিতে মাত্র ১৯ ওভারে ৫৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। যা নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বনিম্ন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর।

পোর্ট এলিজাবেথের সেন্ট জর্জেস পার্কে নিজেদের উজাড় করে দিতে প্রস্তুত টাইগাররা। ম্যাচটি শুরু হবে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়।

এই ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘদিন পর টেস্ট একাদশে ফিরছেন অভিজ্ঞ ওপেনার তামিম ইকবাল। তবে চোটের কারণে দেশে ফিরে আসায় থাকছেন না দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।

পারিবারিক কারণে আগে থেকেই টেস্ট সিরিজে নেই সাকিব আল হাসান। সবমিলিয়ে এই টেস্টে বাংলাদেশের একাদশ কেমন হবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), ইয়াসির আলি রাব্বি, মেহেদী হাসান মিরাজ, খালেদ আহমেদ, এবাদত হোসেন ও আবু জাহেদ রাহি।

ইফতার পর্যন্ত প্রাণে না মারার আকুতি জানিয়েও রেহাই পেলেন না যুবক

‘আমি রোজাদার, প্লিজ তোমাদের পায়ে পড়ি, আমাকে ইফতার পর্যন্ত প্রাণ ভিক্ষা দাও। মারতে চাইলে ইফতারের পর মারিও।’— এমন আকুতি জানিয়েও শেষ রক্ষা হলো না যুবক মোরশেদ আলী ওরফে বলী মোরশেদের (৩৮)। ইফতার কেনার সময় জনসম্মুখে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) চিকিৎসাধীন মোরশেদ মারা যান। তিনি সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের মাইজপাড়ার মৃত মাওলানা ওমর আলীর ছেলে। তিনি এলাকায় ‘অন্যায়ের প্রতিবাদকারী’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

নিহতের ভাই জয়নাল আবেদীন ও আইনজীবী জাহেদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ভাই মোরশেদ ইফতারসামগ্রী কিনতে চেরাংঘর বাজারে যান। সেখানে মাহমুদুল হক, জয়নাল, কলিম উল্লাহসহ তাদের গোষ্ঠীর ১৫-২০ জন লোক লোহার রড, ছুরি ও লাঠি নিয়ে এরশাদ আলীর ওপর হামলা চালায়। আকস্মিক হামলা ও রোজায় ক্লান্ত মোরশেদ হতবিহ্বল হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় মোরশেদ হামলাকারীদের বলছিলেন— সারাদিনের রোজায় বেশি ক্লান্ত, মারতে চাইলে ইফতারের পর মারিও।

জয়নাল ও জাহেদ আরও জানান, এর পরও তারা মোরশেদকে মাটিতে ফেলে মারধর ও কুপিয়ে হামলাকারীরা চলে যান। স্থানীয়রা মুমূর্ষু মোরশেদকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করার পর সেখানকার চিকিৎসকরা রাত ৮টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানান, সরকারি একটি সেচ প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে ইজারা নিয়ে পরিচালনা করে আসছিল মোরশেদের পরিবার। সেই সেচ প্রকল্পের পানির স্কিম নিয়ে হামলাকারীদের সঙ্গে বেশ কিছু দিন ধরে মোরশেদ আলীর বিরোধ চলছিল। হামলাকারীরা চাষিদের ভোটে নির্বাচিত স্কিম পরিচালনাকারীদের পানির পাম্পের পাশে জোরপূর্বক নিজেদের পাম্প বসানো বা চলমান প্রকল্প দখল করতে চেয়েছিল। কিন্তু মোরশেদ তাতে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বিবাদ চলে আসছিল।

কিছু দিনের মধ্যে ওই সেচ প্রকল্প নতুন করে ইজারা হওয়ার কথা রয়েছে। ইজারা পাওয়ার জন্য মোরশেদের পরিবার আবারও আবেদন করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষ। সেই থেকে তাকে হত্যার জন্য পরিকল্পনা করে আসছিল ওই চক্রটি।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, মাহমুদুল হক মেম্বার, জয়নাল আবেদিন হাজারি, কলিম উল্লাহ, আবদুল মালেকসহ হামলার মূল নির্দেশদাতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা আলাল।

তবে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা আলাল, আবদুল মালেকসহ অন্যান্যরা পলাতক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মুনীর-উল-গিয়াস বলেন, খবর পেয়ে সদর হাসপাতাল ও ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের পৃথক টিম। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।

মেডিকেলে চান্স পেলেও ভর্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় সুমির পরিবার

ফেনীর দাগনভূঞার পান বিক্রেতা বাবার দরিদ্র ঘরের সন্তানটি মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের পূর্বহীরাপুর গ্রামের পরিমল রায় ও শিখা রানী রায়ের একমাত্র মেয়ে সুমি রায় সদ্য প্রকাশিত মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।

এ নিয়ে সুমিদের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। আশপাশের লোকজন সুমিকে দেখতে আসছে এবং দোয়া করছে। তবে মেডিকেলে ভর্তির খরচ এবং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় সুমির পরিবার।

সুমির বাবা স্থানীয় সিলোনিয়া বাজারে টুকরিতে পান বিক্রি করে সংসার চালান। মা গৃহিণী। বাবার একার আয়েই চলে টানাপড়েনের সংসার। অভাবের কারণে প্রাইভেট বা কোচিংয়ে গিয়ে পড়াশোনা করতে পারেনি। কিছু বিষয়ে প্রাইভেট পড়তে পারলে আরও ভালো করতে পারত বলে সুমির আক্ষেপ আছে। তবে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষক ও সহপাঠীরা তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন।

জানা গেছে, থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে তার এক ভাই শৈশবেই মারা যায়। অর্থের অভাবে তার মা-বাবা ছেলের ভালোভাবে চিকিৎসা করাতে পারেনি। উপযুক্ত চিকিৎসা না পেয়ে ভাইয়ের চলে যাওয়ার বেদনা তাকে ভারাক্রান্ত করে। বড় হয়ে সেবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সে যেন মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারে, এ জন্য সে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে।

মেয়ে মেডিকেলে চান্স পেয়েছে এ আনন্দে পরিবারে মিষ্টিমুখের কোনো আয়োজন নেই। মা-বাবার চোখেমুখে আনন্দ দেখা গেলেও ভেতরে আছে গভীর দুশ্চিন্তা। মেডিকেলে ভর্তির খরচ জোগাতেই গলর্দগম অবস্থা বাবা পরিমলের।

সুমির বড় চাচা নন্দলাল রায় ভাতিজী সুমির ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনের খরচের কথা চিন্তা করে দিন পার করছে। তিনি এলাকার বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে সহযোগিতা কামনা করেছেন।

নৌকায় করে পালানোর সময় ৪ ইউক্রেনীয় নিহত

ইউক্রেনের অধিকৃত খেরসন অঞ্চল থেকে নৌযানে করে পালানোর সময় দেশটির চার নাগরিক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য জানায় বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পারভোমাইভকা গ্রাম থেকে নৌযানটি যাত্রা শুরু করে। তীর থেকে ৭০ মিটার (২৩০ ফুট) দূরে থাকাবস্থায় হামলার শিকার হয় নৌকাটি।

কর্মকর্তারা বলেন, ওই নৌযানটিতে ১৪ জন ছিলেন।

তারা আরও বলেন, দুজন পুরুষ ও এক নারী তাৎক্ষণিকভাবে নিহত হন। পরে ১৩ বছর বয়সি এক বালকের মৃত্যু হয়। সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বাকিদের অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, ইউক্রেনের লুহানস্ক ও দোনেস্ক অঞ্চলকে স্বাধীন ঘোষণা করে ২৪ ফেব্রুয়ারি দোনবাস অঞ্চলে বিশেষ সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুরু হওয়া আগ্রাসনের আজ ৪৪ দিন। রুশ হামলার মুখে ইউক্রেন থেকে পালিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিচারপতি হলেন কেতানজি

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি পদে কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসনের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছে দেশটির সিনেট।

বৃহস্পতিবার ভোটে তার মনোনয়ন নিশ্চিত করা হয়। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন এখন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান বা প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিচারপতি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভোটাভুটির ঐতিহাসিক মুহূর্তটিতে সভাপতিত্ব করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন সুসান কলিন্স, লিসা মুরকোস্কি এবং মিট রমনি। তারা সবাই রিপাবলিকান সদস্য।

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্টে বিচারপতি নিয়োগ প্রশ্নে গত মাসে সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির সামনে চার দিন ধরে শুনানি হয়। তখন ডেমোক্র্যাটরা ৫১ বছর বয়সি কেতানজির অভিজ্ঞতা ও গভীর প্রজ্ঞার প্রশংসা করেছিলেন। কেতানজি প্রায় ১০ বছর ধরে ফেডারেল ও আপিল বিভাগে বিচারক হিসেবে কাজ করেছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাকে ৮৩ বছর বয়সি বিচারপতি স্টিফেন ব্রেয়ারের স্থলে মনোনীত করেন।

টেলিভিশনে বিচারপতি নিয়োগের ভোট দেখার জন্য কেতানজিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন জো বাইডেন। ভোটে কেতানজির মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর জো বাইডেন টুইটারে একটি হাস্যোজ্জ্বল ছবি পোস্ট করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট টুইটারে লিখেছেন, কেতানজির মনোনয়ন নিশ্চিতকরণ ছিল আমাদের জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ আদালতে যুক্তরাষ্ট্রের বৈচিত্র্য প্রতিফলিত করার আরেকটি পদক্ষেপ নিতে পেরেছি। তিনি একজন অবিশ্বাস্য বিচারপতি হবেন এবং আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি যে তার সঙ্গে এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত ভাগ করে নিতে পারছি।

এবার খোলা সয়াবিনে অসাধুদের ‘চোখ’

সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের পরও ভোজ্যতেলের দামে লাগাম টানা যাচ্ছে না। ফের মূল্যবৃদ্ধিতে বেসামাল হচ্ছে বাজার। গত কয়েকদিন কারসাজি বন্ধ থাকলেও আবারও একটি চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বোতলজাত তেলের গায়ে মূল্য লেখা থাকায় এবার খোলা সয়াবিনে অসাধুদের ‘চোখ’ পড়েছে। এই তেলের একটি বৃহৎ শ্রেণির ক্রেতা থাকায় সরবরাহ কমিয়ে বাড়ানো হয়েছে দাম। পরিস্থিতি এমন হয়েছে-রাজধানীর খুচরা বাজারে গত ১২ দিনে দুদফায় লিটার প্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারের বেঁধে দেওয়া দরের চাইতে লিটারে ৩৯ টাকা বেশি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহের পরও চিনি, ডাল, পেঁয়াজ ও খেজুরের মূল্য বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে রোজায় এসব পণ্য কিনতে ক্রেতার নাভিশ্বাস বাড়ছে।

এদিকে আসন্ন রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সয়াবিন তেলের দাম সহনীয় রাখতে আমদানি, উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে মোট ৩০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেলে এ সুবিধা ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি মার্জিন প্রত্যাহার করেছে। একই সঙ্গে এলসি কমিশনও সর্বনিু পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। এর প্রভাবে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমবে বলে আশা করা হয়েছে।

এছাড়া পণ্যের দাম কমাতে সরকারের দেওয়া বিভিন্ন ধরনের ছাড়ের সুবিধা ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে তদারকি বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বন্দর থেকে দ্রুত পণ্য খালাসের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। পণ্যমূল্য তদারকিতে সরকার টাস্কফোর্স গঠন করেছে। সরকার থেকে এ ধরনের নানামুখী ছাড় ও পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এখনো তেলের দাম কমতে শুরু করেনি। বরং দুই সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের দাম ১৫ টাকা বেড়েছে।

বুধবার রাজধানীর নয়াবাজার, জিনজিরা কাঁচাবাজার ও রায় সাহেব বাজার ঘুরে ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ১৭৫ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে ১৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর দুই সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকা। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বশেষ প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের খুচরা মূল্য ১৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এই দরে খোলা তেল পাওয়া যায়নি। সেক্ষেত্রে সরকারের বেঁধে দেওয়া দরের চেয়ে লিটার প্রতি প্রায় ৩৯ টাকা বেশি দরে বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি লিটার পাম অয়েল সুপার বিক্রি হয়েছে ১৪৬-১৫০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে ১৪৪-১৪৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

জিনজিরা বাজারের খুচরা মুদি বিক্রেতা মো. সাক্কুর আলম যুগান্তরকে বলেন, বোতলজাত সয়াবিনের গায়ে মূল্য লেখা থাকায় সরকারের বেঁধে দেওয়া দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু খোলা তেলে কোনো দর লেখার সুযোগ নেই। আর এই খোলা তেলের একটি বৃহৎ শ্রেণির ক্রেতা রয়েছে। যারা দরিদ্র ও হতদরিদ্র তারা এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন একসঙ্গে কিনতে পারে না। ফলে তারা খোলা সয়াবিন ছটাক ধরে কেনে। তাই অসাধুরা এবার বাড়তি মুনাফা করতে খোলা তেলের দিকে নজর দিয়েছে। ইতোমধ্যে পাইকারি আড়ত থেকে সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহে দুই দফা দাম বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ পাইকারি বাজার থেকে ১৫৫ টাকা লিটার দরে খোলা সয়াবিন এনেছি। তিন দিন পর ২৯ মার্চ ১৬০ টাকায় আনতে হয়েছে। এখন ১৭০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। ফলে পরিবহণ খরচ ও অন্যান্য খরচ ধরে ১৭৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে পাইকারি বাজারে তেলের কোনো সংকট নেই। তারা ইচ্ছ করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। ফলে আমাদের বেশি দরে এনে বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

রাজধানীর মৌলভীবাজার পাইকারি ভোজ্যতেল বিক্রেতা মো. সালাউদ্দীন বলেন, বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমেনি। আমাদের বেশি দর দিয়ে এখনও আনতে হচ্ছে। পাশাপাশি এখন পাইকারি বাজারেই সরবরাহ কম। তাই দাম বেড়েছে। ফলে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বাড়তি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার যুগান্তরকে বলেন, ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা সার্বিক তদারকি করছি। কয়েকদিন পর পর কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের তলব করছি। কি পরিমাণে তেল আমদানি করছে, কত দরে করছে, সরবরাহ কত পরিমাণে করছে তা খতিয়ে দেখছি। তবে আবার কেন দাম বাড়ল ও কারা দাম বাড়াল আমরা তদারকি শুরু করেছি। মূল্য নিয়ন্ত্রণে তেল কোম্পানির প্রতিনিধিদের আবারও ডাকা হবে।

এদিকে বাজারে সরবরাহ সংকট না থাকলেও রোজায় অতি ব্যবহৃত পণ্য চিনি, সব ধরনের ডাল, পেঁয়াজ ও খেজুরের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া আটা-ময়দা, আদা-রসুন, জিরা, এলাচের পাশাপাশি ইফতার পণ্য-বেগুন, লেবু, শসা ও সব ধরনের ফল বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে এসব পণ্য কিনতে বর্তমানে ক্রেতার নাজেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। বুধবার প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৭৬-৮২ টাকা। যা দুই দিন আগে ৭৫-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মসুরের ডাল (ছোট দানা) প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১২০-১৩৫ টাকা। যা ৫ দিন আগে ১১৫-১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি অ্যাংকর ডাল বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬৫ টাকা। যা ৪ দিন আগে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ ৪০ টাকা বিক্রি হয়েছে। ৭ দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৩৫ টাকা। প্রতি কেজি সাধারণ মানের খেজুর বিক্রি হয়েছে ১৫০-৪০০ টাকা। যা ৪ দিন আগে ১৩০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ঈদের নতুন নোট আসছে, মিলবে কোথায়

ঈদ উপলক্ষে জনসাধারণ ও গ্রাহকদের মধ্যে আগামী ২০ থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত নতুন নোট বিতরণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকা মূল্যমান পর্যন্ত নতুন নোট বিশেষ ব্যবস্থায় বিনিময় করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কমিউনিকেশনস ও পাবলিকেশনস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জিএম আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার কাউন্টারের মাধ্যমে এসব নতুন নোট বিনিময় বা বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া ঢাকা অঞ্চলের বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের ৩২টি শাখার মাধ্যমেও গ্রাহকেরা নতুন নোট সংগ্রহ করতে পারবেন।

একই ব্যক্তি একাধিকবার নতুন নোট নিতে পারবেন না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

এতে আরও জানানো হয়, নোট উত্তোলনকালে কেউ চাইলে কাউন্টার থেকে মূল্যমান নির্বিশেষে যে কোনো পরিমাণ ধাতব মুদ্রা নিতে পারবেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সব থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সব থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য ও দপ্তরের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত সাইদুর রহমান মিন্টু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।