শুক্রবার ,১৪ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 340

মোবাইল ও অনলাইন ব্যাংকিং লেনদেনের সীমা বাড়ল

মোবাইল ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের সীমা বাড়ানো হয়েছে। আগের চেয়ে এখন গ্রাহকরা মোবাইল ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ে বেশি অর্থ জমা দিতে পারবেন, তুলতেও পারবেন। একইসঙ্গে আগের চেয়ে বেশি অর্থ এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে স্থানান্তরও করতে পারবেন। অর্থনীতিতে এ খাতের ভূমিকা আরও বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবার অপারেটরগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নতুন নির্দেশনার ফলে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট, নগদ, ইউক্যাশ ইত্যাদির মাধ্যমে গ্রাহকরা দিনে এজেন্ট থেকে ৩০ হাজার টাকা ও ব্যাংক হিসাব বা কার্ড থেকে ৫০ হাজার টাকা জমা করতে পারবেন। এর আগে কার্ড থেকে দিনে ৩০ হাজার টাকার বেশি জমা করা যেত না।

মোবাইল আর্থিক সেবার গ্রাহক একে অপরকে দিনে ২৫ হাজার টাকা এবং মাসে ২ লাখ টাকা পাঠাতে পারবেন। এর আগে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একজন গ্রাহক অন্য গ্রাহককে মাসে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা পাঠাতে পারতেন।

মোবাইল ব্যাংকিং সেবার এজেন্ট পয়েন্টের মাধ্যমে দৈনিক ৩০ হাজার টাকা এবং মাসে ২ লাখ টাকা জমা করতে পারবেন। ব্যাংকের হিসাব বা কার্ড থেকে দিনে ৫০ হাজার টাকা এবং মাসে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা জমা করতে পারবেন। একইভাবে গ্রাহক দিনে ২৫ হাজার টাকা এবং মাসে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে হিসাবের স্থিতি কোনোভাবেই তিন লাখ টাকার বেশি রাখা যাবে না।

তবে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে ওই সীমা অতিক্রম না করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের লেনদেনের সীমা নির্ধারণ করতে পারবে।

‘ইফতারের মতো অনুষ্ঠানে হামলা কাপুরুষোচিত’

পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের মতো অনুষ্ঠানে হামলাকে কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ইফতার মাহফিলে ন্যাক্কারজনক হামলা ক্ষমতাসীন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের চলমান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আরও একটি ঘৃণ্য বহিঃপ্রকাশ। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে হামলায় আবারও প্রমাণিত হলো-গণতন্ত্রকে বিলীন করে আইনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে সরকারী দলের সন্ত্রাসীরা সমগ্র দেশে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বেপরোয়া, বেসামাল ও হিংস্র হয়ে উঠেছে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ এখন আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে।

সোমবার রাতে গনমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে অনুষ্ঠান পণ্ড করে। এতে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রনি রহমানসহ ১০ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। এছাড়া রোববার দুপুরে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দ্বিতীয় দফায় বিএনপি’র অস্থায়ী কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুরসহ সেখানে অবস্থানরত ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর শাখার আহবায়ক পলাশ ও ছাত্রনেতা লিটনকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। ইফতার মাহফিলে হামলার ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থ চেহারা ঢাকতেই পবিত্র রমজান মাসেও বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর সহিংস হামলা অব্যাহত রেখেছে। অগণতান্ত্রিক পন্থায় দেশ শাসনের কারণেই দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। যার ফলশ্রুতিতে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ নাগরিকদের জীবন যাত্রা এখন চরম হুমকির মুখে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সিয়াম সাধনার মাসে ইফতার মাহফিলের মতো স্পর্শকাতর অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় এটি স্পষ্ট যে, স্বাধীন রাষ্ট্রটি এখন সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যুবলীগ-ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের হামলা ও নেতাকর্মীদেরকে আহত করা সেটিরই নিকৃষ্ট উদাহরণ। পুলিশের চোখের সামনে প্রতিনিয়ত সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের নারকীয় তাণ্ডব চললেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নীরব থাকছে। আর এ কারণেই সন্ত্রাসীরা অতি উৎসাহে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও নৃশংসতা চালাতে সাহস পাচ্ছে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দমনপীড়ন চালিয়ে জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ এবং বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর ক্রমাগত জুলুম নির্যাতন ও গুম, খুন, অপহরণের হিড়িক চলছে। তাতে দেশের মানুষ এখন সর্বদা আতঙ্কগ্রস্ত। এই ধরনের সহিংস জুলুম ও রক্তপাতের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প পথ নেই বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টায় হামলাকারীর যাবজ্জীবন

লেখক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টার মামলায় হামলাকারীর যাবজ্জীবন এবং আরও একজনকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। খালাস দেওয়া হয়েছে চারজনকে।

সিলেটের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক নুরুল আমীন বিপ্লব মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মমিনুর রহমান টিটু এ তথ্য জানিয়েছেন।

যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে ফয়জুল হাসান। আর চার বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন তার বন্ধু সোহাগ মিয়া।
খালাস পেয়েছেন ফয়জুলের বাবা মাওলানা আতিকুর রহমান, মা মিনারা বেগম, মামা ফজলুল হক ও ভাই এনামুল হাসান।

রায়ের আগে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে আসামিদের সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে নিয়ে আসা হয়।

২০১৮ সালের ৩ মার্চ বিকালে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে এক অনুষ্ঠানে জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালায় মাদ্রাসা ছাত্র ফয়জুল হাসান।

এ ঘটনায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বাদী হয়ে ওই দিন রাতেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জালালাবাদ থানায় মামলা করেন।

ওই বছরের ৪ অক্টোবর মামলার অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তরে ৬২০ ইউনিট কমিটি করল বিএনপি

কা মহানগর উত্তরে পাড়া-মহল্লা ও বাজারভিত্তিক ৬২০টি ইউনিট কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। আজ সোমবার মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ ও সদস্যসচিব আমিনুল হক এ কমিটির অনুমোদন দেন।

আমিনুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ইউনিট কমিটির ভোটে প্রতিটি ওয়ার্ডে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। ওয়ার্ড কমিটির ভোটে থানা কমিটি এবং থানা কমিটির ভোটাভুটিতে মহানগর কমিটি গঠন করা হবে।গত বছরের আগস্টে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে আহ্বায়ক কমিটি দেয় বিএনপি। এতে উত্তরের আহ্বায়ক করা হয় আমানউল্লাহ ও সদস্যসচিব করা হয় আমিনুল হককে। দক্ষিণের আহ্বায়ক হন আবদুস সালাম ও সদস্যসচিব হন রফিকুল আলম।

সড়ক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো: ওবায়দুল

আসন্ন ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার জন্য পরিবহনমালিক ও শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে ব্রিফিংয়ে এ আহ্বান জানান মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর প্রায় সমাগত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশের সড়ক-মহাসড়ক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক ভালো। সড়কের জন্য কোথাও যাতে কোনো জনদুর্ভোগ না হয়, সে জন্য সতর্ক থাকার পাশাপাশি মাঠপর্যায়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ–বিভ্রাটে টিকিট বিক্রিতে ধীরগতি

সকাল আটটা বাজতেই কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি শুরু। ঠিক ১০ মিনিট পর রেলস্টেশনে বিদ্যুৎ চলে যায়। ২৮ মিনিট পর ৮টা ৩৮ মিনিটে বিদ্যুৎ আসে। এতক্ষণ ধরে স্টেশনের কয়েকটি কাউন্টারে টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকে। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে আজ মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে দেখা গেল এমন ঘটনা।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত শনিবার থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ চতুর্থ দিনে বিক্রি হচ্ছে ৩০ এপ্রিলের টিকিট। ঈদের সম্ভাব্য তারিখ হচ্ছে আগামী ২ মে। ঈদের ছুটি বিবেচনায় গত কয়েক দিনের টিকিটের তুলনায় ৩০ এপ্রিলের টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি। ফলে ওই দিনের টিকিট কাটতে রেলস্টেশনে টিকিটপ্রত্যাশীদের ভিড়ও অনেক। এই ভিড় সামলাতে পারছে না স্টেশন কর্তৃপক্ষ।

সকালে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার পর বেশ কয়েকবার বিদ্যুৎ চলে যায়। এ সময় কয়েকটি কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখা হয়। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করা টিকিটপ্রত্যাশীরা ভোগান্তিতে পড়েন। কিছুক্ষণ পরপরই তাঁরা স্টেশন চত্বরের সারিতে দাঁড়িয়ে শোরগোল ও চিৎকার করছিলেন।

মালয়েশিয়ায় জোরপূর্বক শ্রমের জন্য সহজ সমাধান নেওয়ার পরামর্শ

মালয়েশিয়ায় জোরপূর্বক শ্রমের প্রতিকারের জন্য নিজ থেকেই সহজ উপায় অবলম্বন করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন শ্রম অধ্যুষিত পেনাং রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী পি রামাসামি। মালয়েশিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানানকে উদ্দেশে করে বলেন, জোরজবরদস্তি শ্রম সম্পর্কে তথ্য দেয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থাকে (আইএলও) দায়িত্ব না দিয়ে নিজেদের এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

মালয়েশিয়ায় জোরপূর্বক শ্রম ইস্যুটি সম্প্রতি খুব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, আমেরিকা দূতাবাস বা আইএলও-এর মালয়েশিয়ায় শ্রম চর্চার বিষয়ে তদন্ত করা বা হস্তক্ষেপ করা নয়, এটি মূলত মালয়েশিয়ার সরকার ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। তিনি বলেন জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ দূর করার জন্য বিদেশী বা আন্তর্জাতিক সংস্থার উপর নির্ভর করা খুব ভালো কিছু হবে না। ২৩ এপ্রিল শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ” মন্ত্রী সরভানানের উচিত কেন জোরপূর্বক শ্রম বিদ্যমান তা খুঁজে বের করা।”

সারাভানান বলেন, যখন বেশ কিছু মালয়েশিয়ার পণ্য মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এজেন্সি দ্বারা রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার শিকার হয়েছে বাধ্যতামূলক শ্রমের অভিযোগের কারণে, তবে মন্ত্রণালয় এখনো এ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো প্রতিবেদন পায়নি, ফলে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অপরদিকে মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে রামাসামি বলছেন, মার্কিন দূতাবাস এবং আইএলওর কাছে সহায়তা চাওয়ায় এই ইঙ্গিত দেয় যে, জোরপূর্বক শ্রমের ইস্যুটি পদ্ধতিগতভাবে তদন্ত করার জন্য নিজ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে মন্ত্রীর প্রশাসনিক ক্ষমতার অভাব রয়েছে।

মন্ত্রণালয় মনে করে জোরপূর্বক শ্রম এমন কিছু যা কার্যকর প্রয়োগকারী পদক্ষেপের সাথে নিয়োগকারীদের মনোভাব পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্মূল করা যেতে পারে।

এদিকে চলতি সপ্তাহের শুরুতে সারাভানানের এক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কুয়ালালামপুরে মার্কিন দূতাবাস ২২ এপ্রিল বলেছে যে, তারা জোরপূর্বক শ্রম সংক্রান্ত বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে।

এদিকে জোরজবরদস্তি শ্রম এবং মানবপাচারের চলমান অভিযোগের মধ্যেই নতুন করে শ্রম নিয়োগের জন্য বাংলাদেশের সাথে মালয়েশিয়ার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর ২০২১ চুক্তি সম্পন্ন হলেও অদ্যাবধি মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু করেনি। মালয়েশিয়া সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ একাধিকবার বলেছেন যে, মালয়েশিয়া ২০০৬/৭ সালের মতো অতিরিক্ত বাংলাদেশি কর্মী এনে ডাম্পিং গ্রাউন্ড করতে চায়না। এবার কর্মী প্রেরণ ও নিয়োগে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি এবং নিয়োগকর্তা সঠিক দায় দায়িত্ব পালনের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে করোনা পরিস্থিতি বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন মুশকিল মাত্রা যোগ করেছে; যা নিয়োগকর্তাদের অতিরিক্ত খরচ করতে হবে। পক্ষান্তরে অতীতের ধারাবাহিকতায় এই খরচ কর্মীদের নিকট থেকে আদায় করা হবে না এর নিশ্চয়তা নেই। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির কোনো সঠিক তথ্য বাংলাদেশ বা মালয়েশিয়া পক্ষ থেকে জানা যায়নি।

সদকাতুল ফিতর যেভাবে আদায় করবেন

বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ সদকাতুল ফিতর আদায় করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং বিভিন্ন গ্রহণযোগ্য দারুল ইফতার নির্ধারিত করে দেওয়া মূল্য অনুসরণ করে৷ এ ক্ষেত্রে সবাই সর্বনিম্ন গমের মুল্য অনুযায়ী সদকাতুল ফিতর আদায় করে থাকে৷

সদকার ক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়ার একটি মূলনীতি হলো, যত বেশি এবং মূল্যবান বস্তু দিয়ে সদকা আদায় করবেন, নেকি ততো বেশি হবে৷

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বোত্তম দান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ইরশাদ করেন-‘দাতার নিকট যা সর্বোৎকৃষ্ট এবং যার মূল্যমান সবচেয়ে বেশি’। (সহিহ বুখারি, কিতাবুল ইতক ৩/১৮৮; সহিহ মুসলিম, কিতাবুল ঈমান বাব আফযালুল আমল ১/৬৯)

সদকাতুল ফিতর সংক্রান্ত হাদিস গবেষণা করলে দেখা যায় যে, পাঁচ ধরণের খাদ্যদ্রব্য দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করা যায়৷ খেজুর, পনির, জব, কিসমিস এবং গম৷ গম ছাড়া বাকি চারটি বস্তু দ্বারা আদায় তিন কেজি তিনশো গ্রাম এবং গম দ্বারা আদায় করলে দেড় কেজির চেয়ে একটু বেশি আদায় করতে হয়৷

এবার যদি কেউ খেজুর দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করতে চায়, তাহলে আজওয়া (উন্নতমানের) খেজুরের মূল্য প্রতি কেজি ১০০০/- টাকা হলে একজনের সদকায়ে ফিতর দাঁড়ায় ৩২৫৬/- তিন হাজার দুই শত ছাপ্পান্ন টাকা। মধ্যম ধরনের খেজুর যার মূল্য প্রতি কেজি ৩০০/- টাকা হলে একজনের সদকায়ে ফিতর দাঁড়ায় ৯৭৭/- নয়শত সাতাত্তর টাকা।

কিসমিস প্রতি কেজি ২৩০/- টাকা করে হলে একজনের সদকায়ে ফিতর দাঁড়ায় ৭৪৮/- (সাত শত আটচল্লিশ) টাকা।
পনির প্রতি কেজি ৫০০/- টাকা করে ধরা হলে একজনের সদকায়ে ফিতর দাঁড়ায় ১৬২৮/- (এক হাজার ছয় শত আটাশ) টাকা।
গম প্রতি কেজি ৪৫ টাকা হিসাবে ধরা হলে একজনের সদকায়ে ফিতর দাঁড়ায় ৭০ টাকার মতো৷

এখন আমাদের কর্তব্য হলো, আমরা প্রত্যেকে নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী সদকাতুল ফিতর আদায় করব৷ কিন্তু আমাদের সমাজে যাদের খেজুরের মূল্য দিয়ে সদকাতুল ফিতর আদায় করার সামর্থ আছে, তারাও দেখা যায় সর্বনিম্ন গমের মূল্য দিয়ে সদকাতুল ফিতর আদায় করে৷ এমনভাবে যাদের কিসমিসের মূল্য দিয়ে আদায় করার সামর্থ আছে, তারাও গমের মূল্য দিয়ে আদায় করে৷

এক্ষেত্রে হওয়া উচিত ছিল এমন যে, যে ব্যক্তি উন্নতমানের আজওয়া খেজুরের হিসাবে সদকা ফিতর আদায় করার সামর্থ্য রাখে সে তা দিয়েই আদায় করবে। যার সাধ্য পনিরের হিসাবে দেওয়ার সে তাই দিবে। এর চেয়ে কম আয়ের লোকেরা খেজুর বা কিসমিসের হিসাব গ্রহণ করতে পারে। আর যার জন্য এগুলোর হিসাবে দেওয়া কঠিন সে আদায় করবে গম দ্বারা। এটিই উত্তম নিয়ম। ইমাম আবু হানিফাও (রহ.) এমনটি বলেছেন৷

তার নিকটেও অধিক মূল্যের দ্রব্যের দ্বারা ফিতরা আদায় করা ভালো। অর্থাৎ যা দ্বারা আদায় করলে গরীবের বেশি উপকার হয় সেটাই উত্তম ফিতরা।

সাহাবায়ে কেরাম আধা সা গম দিয়ে সদকা আদায় করার কারণ ছিল, আধা সা গমের মূল্য এক সা খেজুরের সমান ছিল৷

হজরত মুআবিয়া (রা.) এর যুগে গমের ফলন বৃদ্ধি পেলে আধা ‘সা’ গমকে সদকাতুল ফিতরের অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের এক ‘সা’র মতো গণ্য করা হত। ( আল ইসতিযকার ৯/৩৫৫)

তাই আসুন, শুধু গমের মূল্য দিয়ে সদকাতুল ফিতর আদায় না করে সামর্থনুযায়ী খেজুর, পনির এবং কিসমিসের মুল্য দিয়েও সদকাতুল ফিতর আদায় করার চেষ্টা করি৷

ইতিকাফ আল্লাহর জন্য অবস্থান

শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে মসজিদে থাকা ও অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলা হয়। মূলত যে মসজিদে জামাতের সঙ্গে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয়, এমন মসজিদে আল্লাহর ইবাদতের নিয়তে অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলা হয়। প্রতিবছর রমজানের শেষ দশকে নবিজি (সা.) নিয়মিতভাবে মসজিদে ইতিকাফ করতেন। জাগতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে আল্লাহর ইবাদতে আত্মনিয়োগের জন্য পুরুষদের মসজিদে এবং নারীদের জন্য ঘরে অবস্থান করাই ইতিকাফ।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম যে, তোমরা আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী ও রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র কর।’ (সুরা বাকারাহ : ১২৫)

হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘নবিজি (সা.) প্রতি রমজানের শেষ দশক (মসজিদে) ইতিকাফ করতেন। নবিজি (সা.) ইতিকাফের এত বেশি গুরুত্ব দিতেন যে, কখনো তা ছুটে গেলে ঈদের মাসে আদায় করতেন।’

ইমাম আবু হানিফার মতে, যে মসজিদে জামাতসহকারে নামাজ হয় না, সে মসজিদে ইতিকাফ বৈধ নয়। ইতিকাফ বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য শর্ত হলো-মুসলমান হওয়া, পাগল না হওয়া, বালেগ হওয়া, নিয়ত করা, ফরজ গোসলসহ হায়েজ-নেফাছ থেকে পবিত্র হওয়া, রোজা রাখা। মসজিদে ইতিকাফ করা।

প্রত্যেক ইতিকাফকারী রোজাদারের আল্লাহর ইবাদত, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, নামাজ-রোজা, জিকির-আজকার, তাসবিহ-তাহলিল, দুয়া-দরুদ ও তওবা-ইস্তেগফারে ব্যস্ত থাকা আবশ্যক। ইতিকাফ কয়েক ধরনের রয়েছে।

ওয়াজিব ইতিকাফ : আল্লাহতাআলা বলেন, ‘তারা যেন তাদের মানত পূর্ণ করে।’ (সুরা হজ : ২৯)। মান্নতের ইতিকাফ পূর্ণ করা ওয়াজিব। তাতে কোনো শর্ত থাকুক বা না থাকুক। যেমন-কেউ যদি বলে, আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইতিকাফ করব, এ অবস্থাতেও ইতিকাফ করা ওয়াজিব বলে সাব্যস্ত হবে।

সুন্নত ইতিকাফ : রমজানের ২১ তারিখের রাত থেকে ঈদুলফিতরের চাঁদ দেখা পর্যন্ত সুন্নত ইতিকাফের সময়। কারণ রাসুল (সা.) প্রত্যেক বছর এ দিনগুলোতেই ইতিকাফ করতেন। এ কারণে এটাকে সুন্নত ইতিকাফ বলা হয়। রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের ইতিকাফ সুন্নতে মোয়াক্কাদা আলাল কেফায়া। অর্থাৎ মহল্লার যে কোনো একজন ইতিকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে ইতিকাফ আদায় হয়ে যাবে। কিন্তু মহল্লার একজন ব্যক্তিও যদি ইতিকাফ না করে তবে মহল্লার সবার সুন্নত পরিত্যাগের গুনাহগার হবে।

নফল ইতিকাফ : সুন্নত ও ওয়াজিব ইতিকাফ ছাড়া বাকি সব ইতিকাফ নফল। এই নফল ইতিকাফ যে কোনো সময় করা যায়। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। অর্থাৎ কিছু সময়ের জন্য ইতিকাফের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করা, কেউ যতক্ষণ চায় করতে পারে। এমনকি যখনই মসজিদে প্রবেশ করবে নফল ইতিকাফের নিয়ত করা সুন্নত। রোজারও প্রয়োজন নেই।

উত্তম ইতিকাফ : ইতিকাফের সর্বোত্তম স্থান মসজিদুল হারাম, এর পর মসজিদে নববি, এরপর মসজিদে আকসা। এরপর জুমআ মসজিদ। যাদের সামর্থ্য আছে তারা যেন মসজিদে হারামে ইতিকাফ আদায় করে। এটি সওয়াব ও জামাতের দিক থেকে সর্বোত্তম। মহান আল্লাহ আমাদের ইতিকাফ করে তাঁর সান্নিধ্য অর্জনের সুযোগ দিন। আমিন।

লেখক : ইসলামি গবেষক ও বিশ্লেষক

ঢাকা কলেজে র‌্যাব-ডিবির অভিযান

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজে অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও ডিবির সদস্যরা।

অভিযানে ১০জন আটক করা হয়েছে বলে খবর।

রোববার বিকেল পাঁচটায় কলেজের আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাসের ১০১ নম্বর কক্ষে অভিযান চালায় র‌্যাব।

ঢাকা কলেজের নর্থ হলের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফিক বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, অভিযান শেষে দুটি মোবাইল সেট ও জহির হাসান জুয়েল নামের এক শিক্ষার্থীকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। আটক জুয়েল ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সংঘর্ষে নাহিদ নিহতের ঘটনায় শনাক্ত ইমন ও জুয়েল একই কক্ষে থাকতেন। জুয়েল হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী। সবমিলিয়ে ১০ জনকে তুলে নিয়ে গেছে র‌্যাব ও ডিবি।

তবে শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফিকের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।

কারণ অভিযান ও ছাত্রদের আটকের বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেয়নি র‌্যাব বা ডিবির সদস্যরা।

তবে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষ। যদিও শিক্ষার্থী আটকের বিষয়টি জানা নেই তাদের।

এ বিষয়ে ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ছাত্রাবাসে ডিবি ও র‌্যাব সদস্যরা এসেছিলেন। দুটি মোবাইল ফোনসেট জব্দ করেছেন তারা। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে আটক করে নেওয়া হয়েছে কি না সে সম্পর্কে আমি জানি না।

তুচ্ছ ঘটনাক কেন্দ্র করে গত ১৮ এপ্রিল দিন গত রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষ হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এতে নাহিদ ও মোরসালিন নামে দুজনের প্রাণহানি এবং অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন।

এ ঘটনায় অন্তত তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। ডেলিভারিম্যান নাহিদের নিহতের ঘটনায় বাবা নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মুরসালিনের ভাই বাদী হয়ে আরও একটি হত্যা মামলা করেছেন।

এছাড়া দাঙ্গা-হাঙ্গামা, জ্বালাও-পোড়াও, পুলিশের কাজের বাধা দেওয়ার অভিযোগে নিউমার্কেট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়ামিন কবির ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে যে মামলা করেছেন, সেখানে মকবুলকেই প্রধান আসামি করা হয়েছে। মকবুল বর্তমানে রিমান্ডে।

এদিকে ভিডিওফুটেজ ও তথ্য বিশ্লেষণে সেদিন সংঘর্ষে ঢাকা কলেজের ছাত্রলীগের একাধিক গ্রুপ মাঠে সক্রিয় ছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।

তাদের অনেকের কাছেই ছিল ধারালো দেশীয় অস্ত্র, লাঠি ও রড। পরিচয় আড়াল করতে অধিকাংশের মাথায় ছিল হেলমেট।

এর মধ্যে একটি গ্রুপের অনুসারী বাংলা বিভাগের ছাত্র ইমন ছোরা দিয়ে নাহিদ মিয়াকে একাধিক আঘাত করেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, ইমন ছোরা দিয়ে আঘাত করলেও নাহিদকে প্রথম মারধর শুরু করেন কাইয়্যুম ও সুজন ইসলাম নামে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের দুই কর্মী।

এসব তথ্য পাওয়ার পরই ঢাকা কলেজে অভিযান চালালো র‌্যাব।