ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এহতেশামূল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলকে পুনরায় নির্বাচিত করা হয়েছে।
অপর দিকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয়েছে মো. ইকরামুল হক টিটুকে এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অপরিবর্তিত রয়েছেন মোহিত উর রহমান শান্ত।
শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আগামী নির্বাচনী ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার মাধ্যমে ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।
এর আগে, দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় সংগীত পরিবেশন মধ্যে দিয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ওবায়দুল কাদের।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে বোরো ধানের হাইব্রিড ও উফশী জাতের ধানের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার বিনামূল্যে বোরো ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর সামনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের মাঝে এসব বীজ ও সার বিতরণ করেন, টাঙ্গাইল-৪ কালিহাতী আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুসেইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বি.কম, ভাইস চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান।
আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কালিহাতী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মালেক তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও কালিহাতী পৌরসভার কাউন্সিলর অজয় কুমার দে সরকার লিটন এবং অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ফারহানা মামুন প্রমুখ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ জানান, কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৩ হাজার ৩০০ জন
কৃষককে ৫ কেজি করে উফশী জাতের ধান বীজ, দশ কেজি করে ডিএপি সার ও দশ কেজি করে এমওপি সার এবং ৪ হাজার কৃষককে ২কেজি করে হাইব্রিড জাতের ধানের বীজ বিতরণ হয়।

সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে আনোয়ারা উপজেলায় বিক্রি হচ্ছে পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার। বিক্রেতাদের নেই কোনো বিস্ফোরক লাইসেন্স, নেই সংরক্ষণ জ্ঞানও। কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই উপজেলায় ১১ ইউনিয়নের হাটবাজারে, গ্রামীন এলাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব গ্যাস সিলিন্ডার। এসব সিলিন্ডার বিক্রির ফলে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে উপজেলা বিভিন্ন বাজারের, গ্রামীণ এলাকায় দোকানে ঘুরে দেখা গেছে লাইসেন্স বিহীন মুদির দোকান, হার্ডওয়ারের দোকান, ফ্ল্যাক্সি লোডের দোকান,সারের ডিলার, তেলের দোকান, চায়ের দোকান,ইলেকট্রনিকের দোকান এমনকি ওষুধের দোকানেও অবাধে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার।কিছু কিছু দোকানে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও অকেজো ও মেয়াদোত্তীর্ণ। ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নিজেদের মন গড়া ভাবে যেখানে সেখানে গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল রেখে ব্যবসা করতেছে। বেশি ভাগ দোকানিও ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসা করে আসতেছে। আবার কিছু দোকানে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, ইনকাম ট্যাক্স ও ভ্যাট প্রদানে বিশাল অভিযোগ পাহাড়।
গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালায় যা আছে:
গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা ১৯৯১ -তে বলা হয়েছে—গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়ের জন্য কমপক্ষে পাকা ফ্লোরসহ আধা পাকা ঘর থাকতে হবে। ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণ সক্ষমতা সংক্রান্ত লাইসেন্স ও ছাড়পত্রসহ অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র এক্সস্টিংগুইশার (Extinguisher), মজবুত এবং ঝুঁকিমুক্ত সংরক্ষণাগার থাকতে হবে।
সিলিন্ডার আমদানির বিষয়ে বিধির তৃতীয় পরিচ্ছেদে বলা আছে— লাইসেন্স ছাড়া সিলিন্ডার আমদানি নিষিদ্ধ। কোনও ব্যক্তি বিনা লাইসেন্সে গ্যাসপূর্ণ বা খালি সিলিন্ডার আমদানি করতে পারবেন না।
বিধিমালার সপ্তম পরিচ্ছদে সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি ও গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার মজুত রাখার বিষয়ে বলা আছে— লাইসেন্স ব্যতীত সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ। বিধি-৪১ এর বিধান অনুযায়ী কোনও ব্যক্তি বিনা লাইসেন্সে সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি করতে পারবেন না, অথবা গ্যাসপূর্ণ কোনও সিলিন্ডার তার অধিকারে (মজুত) রাখতে পারবেন না।
বিস্ফোরক পরিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও মজুত স্থানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের প্রয়োজন হয়। প্রয়োজন হয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতারও। এ ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স, জ্বালানি অধিদপ্তরের লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেওয়ার বিধানও রয়েছে। কিন্তুু এ নিয়ম এখানে মানা হচ্ছে না। ফলে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। বিস্ফোরক পরিদফতরের নিয়ম অনুযায়ী, খুচরা দোকানে বিক্রির জন্য সর্বোচ্চ ১০টি গ্যাস সিলিন্ডার রাখা যায়। ১০টির বেশি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে হলে বিস্ফোরক পরিদফতরের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নের ১০ হাজারোও অধিক দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছে দোকানদার । কিন্তু কোনটিই সরকারি নির্দেশনা মানছে না।
এলাকার সচেতন মহল বলছেন, উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নের ব্যাঙের ছাতার মতো যত্রতত্র অবৈধ ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দোকান হচ্ছে তাতে যেকোনো মুহূর্তে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। এ ব্যাপারে তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন অফিসার বেলার হোসেন জানান, ইদানিং মানুষ এলপি গ্যাসের ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। আনোয়ারা- কর্ণফুলী বাসির জন্য বড় একটা ক্ষতি কারণ হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। গ্যাস সিলিন্ডার যদি বিক্রি করতে হয়, তাহলে সরকারি আইন মোতাবেক পারসোনালিটি একটি দোকানের বা বাজারে দুই /এক জন লোক বিক্রি করতে পারবে।তবে লাইসেন্স, বিস্ফোরক পরিদপ্তর অনুমোদন লাগবে।
এ বিষয়ের উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন জানান, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
The post যেকোনো সময় ঘটতে পারে বিস্ফোরণ appeared first on বিজনেস বাংলাদেশ.
র্যালি, আলোচনা সভা ও সহায়ক উপকরণ বিতরণের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে ৩১ তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালন করা হয়েছে। শনিবার সকালে টাঙ্গাইল সরকারী শিশু পরিবার (বালিকা) প্রাঙ্গনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম। জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম প্রমুখ।
এর আগে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য পরিবর্তনমুখী প্রদক্ষেপ, প্রবেশগম্য ও সমতাভিত্তিক বিনির্মাণে উদ্ভাবনের ভূমিকা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। শেষে ১০ টি হুইল চেয়ার ও ৫টি কানের মেশিন বিতরণ করা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় চাটখিল দক্ষিণ বাজারে রাহিমা মঞ্জিলে অবস্থিত চাটখিল নরমাল ডেলিভারী হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় সন্তান হত্যা ও প্রসূতির অঙ্গহানির অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল এগারোটায় চাটখিল উপজেলা সাংবাদিক ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সাংবাদিক সম্মেলনে ভুক্তভোগী নিহত নবজাতকের পিতা মোঃ শাহ নেওয়াজ,অভিযোগে মোঃ শাহ নেওয়াজ বলেন, বিগত ১৮ নভেম্বর ২০২২ সকাল ৯ঃ৩০ ঘটিকায় আমার স্ত্রী রিমা আক্তার (২২) নরমাল ডেলিভারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়,আমাদের অনুমতি ছাড়াই তারা সকাল ৯ টা ৫০ মিনিটে আমার স্ত্রীকে অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করায় এবং বিকেল ৩ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত তাকে চিকিৎসার নামে আভ্যন্তরীণভাবে জখম ও অঙ্গহানী করে এবং আমার নবজাতক শিশুটিকে হত্যা করে,এমতাবস্থায় আমার স্ত্রীকে আমার ও আমাদের পরিবারের অনুমতি ছাড়াই পার্শ্ববর্তী একটি প্রাইভেট হাসপাতালে পাঠায়,তারা ভর্তি করতে রাজি না হওয়ায় আমার স্ত্রীকে মাইজদী নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়,তারা নরমাল ডেলিভারির নামে অদক্ষ নার্স দিয়ে ভুল ভাবে ডেলিভারির চেষ্টার নামে সময় নষ্ট করায় এবং টানা হেঁচড়ার কারণে আমার সন্তানের মৃত্যু হয়।’
তারা রোগীর ক্ষয়ক্ষতি ও সন্তান হত্যার জন্য বিচার প্রার্থনা করে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ ও দাখিল করেন বলেও জানান। হাসপাতালের ভাইস-চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন,তাদেরকে স্বাভাবিক চিকিৎসাই দেওয়া হয়েছে,ঘটনার এতোদিন পরে এসে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে কারো প্ররোচনায় তাঁরা এমন অভিযোগ করেছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব